শিবগঞ্জে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময়

শিবগঞ্জে প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিবগঞ্জ উপজেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে উপজেলা শিক্ষা অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা পরিমল কুমার ঘোষের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আজাহার আলী। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা রিসোর্ট সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর কামরুজ্জামান সরদার, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, মমতাজ মহল, হাফিজুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক বরকতউল্লাহ ও মনিরুজ্জামানসহ অন্যরা। সভায় প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা দেওয়া হয়।

শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জ ও গোমস্তাপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে গ্রাম আদালত বিষয়ে কমিউনিটির বিভিন্নস্তরের সুধীজনদের সাথে মতবিনিময় সভা ও ভিডিও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দুপুরে বাংলাদেশে গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ-৩য় পর্যায় প্রকল্পের আওতায় উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপজেলা সমন্বয়কারী আমিনুর রহমানের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, হিসাব সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর ইসারুল ইসলাম, ইউপি সদস্য অলিউর রহমান, সংরক্ষিত নারী ইউপি সদস্য আয়েশা বিবি ও রোসনারা বেগমসহ অন্যরা। এ সময় স্থানীয় ইমাম, শিক্ষক, যুব সমাজ, উদ্যোক্তা, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, এনজিও কর্মী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন, অল্প সময়ের স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে গ্রাম আদালতের বিকল্প নেই। এছাড়াও ফৌজদারী ও দেওয়ানি বিরোধ নিষ্পত্তি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। পরে গ্রাম আদালতের যে গুরুত্ব রয়েছে তার উপর ভিডিও প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে গোমস্তাপুরে গ্রাম আদালত বিষয়ক কমিউনিটি মতবিনিময় সভা ও ভিডিও প্রদর্শন অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বেলা ১০টায় রহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ সভাকক্ষে এই মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সোহরাব। মতবিনিময় সভায় গ্রাম আদালত প্রকল্পের অগ্রগতি বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য দেন উপজেলা সমন্বয়কারী সেলিম উদ্দীন। অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন- উপজেলা সহকারী নির্বাচন কর্মকর্তা রবিউল আওয়াল, ওই ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. মুরশালিন, ইউপি সদস্য মুনিরুল ইসলাম মুকুল। কমিউনিটি মতবিনিময় সভায় ইউপি সদস্য, মুক্তিযোদ্ধা, ইমাম, পুরোহিত, এনজিও কর্মী, শিক্ষার্থী, সমাজসেবক, ব্যবসায়ী, কৃষক, আদিবাসী নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিকসহ প্রায় ৫০ জন অংশ নেন। বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকার জনগণ বিশেষত নারী, জাতিগত সংখ্যালঘু এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচারের সুযোগ বৃদ্ধির লক্ষে প্রজেক্টর ও সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে সভায় প্রকল্পের সামগ্রিক উদ্দেশ্য, গ্রাম আদালতে আবেদনপত্র দাখিলের পদ্ধতি, মামলার ফিস, সমন প্রদান পদ্ধতি, গ্রাম আদালত গঠন, এখতিয়ার, বিচারিক প্রক্রিয়া, নিষ্পত্তির সময়সীমা, ক্ষতিপূরণ আদায়সহ আইনের বিভিন্ন ধারা ও বিধি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা শেষে গ্রাম আদালতের ওপর একটি নাটক প্রদর্শন করা হয়। আলোচনা শেষে গ্রাম আদালত বিষয়ে অংশগ্রহণকারীর মতামত ও সুপারিশ নেয়া হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন দিনের নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

নারী উদ্যোক্তাদের প্রধান অন্তরায় পুঁজির অভাব নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার রাজশাহী বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) তরফদার মো. আক্তার জামীল বলেছেন, নারী উদ্যোক্তাদের প্রধান অন্তরায় হচ্ছে পুঁজির অভাব। তাদের অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। আমাদের যেসব আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে, তাদের প্রচণ্ড অনীহা রয়েছে নারীদের ঋণ দিতে। রবিবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাশহরের পুরাতন স্টেডিয়ামে তিন দিনের নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি আরো বলেন- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিটি ব্যাংককে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়, কোন খাতে কত শতাংশ ঋণ বিতরণ করতে হবে। কিন্তু তারা তা করে না। নারীদের বেলায় তাদের প্রচণ্ড অনীহা। অথচ এনজিওগুলো বিশেষ করে গ্রামীণ ব্যাংক প্রমাণ করেছে, নারীদের যে ঋণ দেয়া হয় সেই ঋণ শোধ হয়। অন্যদিকে আমরা অত্যন্ত আগ্রহী বড় বড় করপোরেটদের ঋণ দিতে। যারা বিদেশে টাকা পাচার করে দেয়। আমার আপনার টাকা নিয়ে তারা ব্যবসার নামে ফূর্তি করে, তারা টাকা ফেরত দেয় না, তারা হয় ঋণ খেলাপি। তাদেরকে ধরাও যায় না। কারণ তাদের সঙ্গে অনেকেই জড়িত থাকে। ধরতে গেলে হাজার হাজার শ্রমিক বেকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তখন তাকে আরো ঋণ দেয়া হয়। ব্যাংকগুলোর উদ্দেশ্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার বলেন- আপনারা ৫০ হাজার টাকা আমাদের নারী উদ্যোক্তাদের দিয়ে দেখেন, তারা টাকা ফেরত দেয় কিনা দেখেন। তাদের টাকা দিলে সেই টাকা মার যাবে না। তিনি বলেন, নারীদের এখনো অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। প্রধান অতিথি বলেন- তিন দিনের এই মেলায় একদিন সেমিনার থাকলে ভালো হতো, সেই সেমিনারে উদ্যোক্তাদের সঙ্গে ব্যাংকের একটি সমন্বয় ঘটানো যেত। অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার চতুর্থ শিল্প বিল্পবের সঙ্গে নিজের খাপ খাওয়ানোর জন্য নারীসহ সকলকে তৈরি হওয়ার আহ্বান জানান। চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- পুলিশ সুপার রেজাউল করিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ বিপ্লব কুমার মজুমদার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- জেলা জাতীয় মহিলা সংস্থার কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খানশুর। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে জাতীয় মহিলা সংস্থার ‘তৃণমূল পর্যায়ে অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে নারী উদ্যোক্তাদের বিকাশ সাধন প্রকল্প’ এই মেলার আয়োজন করেছে। মেলায় প্রায় ৬৬টি স্টলে নারী উদ্যোক্তারা তাদের নানান ধরনের পণ্যসামগ্রী বিক্রি শুরু করেছেন। তিন দিনের মেলায় নারী উদ্যোক্তাদের নানান ধরনের তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন গার্মেন্টস পোশাক, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ঐতিহ্যবাহী নকশিকাঁথাসহ নানান বৈচিত্র্যের হস্তশিল্প, প্রসাধনী, নানান ধরনের খাবার বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

বিদ্রোহ শেষে মাঠে ফিরতে সম্মত হয়েছেন সাবিনারা

বিদ্রোহ শেষে মাঠে ফিরতে সম্মত হয়েছেন সাবিনারা অবশেষে বয়কট প্রত্যাহার করে জাতীয় দলে ফিরতে সম্মত হয়েছেন সাবিনারা। তাতে লম্বা সময়ের পরে দেশের ফুটবলাঙ্গনের ডেডলক শেষ হল। সাবিনাদের বয়কট প্রত্যাহারের খবর নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইং চেয়ারপারসন মাহফুজা আক্তার কিরণ। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ভবনে সংবাদ সম্মেলনে সাবিনাদের দলে ফেরা নিয়ে তিনি বলেন,‘আমরা (বাফুফে) তাদের সাথে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আজও তাদের সাথে বসেছিলাম। আজকের আলোচনার পর আমি যা বলতে পারি তা হলো, মেয়েরা ট্রেনিংয়ে ফিরে আসবে। তবে, তারা তৎক্ষণাৎ ট্রেনিংয়ে যোগ দেবে না।’ এ সময় তিনি আরো বলেন,‘ ‘আপনার জানেন, আমাদের দল (১৮ জন সিনিয়র খেলোয়াড় ছাড়া) দুইটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ খেলতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে যাবে। সুতরাং আমাদের ক্যাম্প ২৪ ফেব্রুয়ারি বন্ধ হয়ে যাবে। আর মেয়েরাও একটি বিরতি চায়। তারা ক্যাম্পে ফিরে আসবে (যতটা শীঘ্রই ক্যাম্প পুনরায় শুরু হবে) এবং তারপর তাদের ট্রেনিং শুরু করবেন কোচ। একবার তারা ক্যাম্পে ফিরে আসলে, আমরা নারী উইং, উচ্চ কর্তৃপক্ষ, কোচ এবং টিম ম্যানেজমেন্ট, তাদের সাথে বসে ভুল বোঝাবুঝি মেটাবো। মেয়েরা আমাকে বলেছে যে তারা ট্রেনিংয়ে ফিরে আসবে এবং চুক্তি সই করবে।’ ২৯ জানুয়ারি থেকে প্রধান কোচ পিটার বাটলারের অধীনে অনুশীলন বয়কটের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিল সাফজয়ী দলের অধিনায়ক সাবিনা সহ দলের ১৭ জন সিনিয়র খেলোয়াড়। তাদের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে বিশেষ কমিটিও করে বাফুফে। তবে সেখান থেকে কোনো সমাধান না আসায় শেষপর্যন্ত বাফুফে প্রধান তাবিথ আউয়ালের কাছে গড়ায় বিষয়টি। তাই দেশের বাইরে থেকে ফিরেই মেয়েদের সাথে আলোচনায় বসেন তিনি। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সমাধান না আসলেও আলোচনা জারি রেখেছিলেন বাফুফে প্রধান।

অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিলেন লিটন

অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিলেন লিটন ব্যাট হাতে সময়টা ভালো যাচ্ছে না লিটন দাসের। বিশেষ করে গেল বছর জাতীয় দলের জার্সিতে রান খরায় ভুগতে দেখা গেছে টপ অর্ডার এই ব্যাটারকে। সাদা বলের ক্রিকেটে লিটন নিজেকে হারিয়ে খুঁজেছেন বারবার। বাদ পড়েছিলেন ওয়ানডের ফরম্যাটের দল থেকেও। সবশেষ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দলেও জায়গা হয়নি তারকা এই ক্রিকেটারের। বিপিএলের শুরুতেও ব্যাট হাতে রান ছিলেন না লিটন। তবে টুর্নামেন্টের শুরুর কয়েক ম্যাচ পরেই ব্যাট হাতে রানে ফেরেন তিনি। করেছিলেন ঝোড়ো এক সেঞ্চুরিও। বিপিএল শেষে নিজ জেলা দিনাজপুরে অবস্থান করছিলেন লিটন। পরিবারের সাথে সময় কাটিয়ে ফেরার পর আজ রোববার মাঠের অনুশীলনেও ফিরেছেন তিনি। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে আজ সকাল থেকেই অনুশীলন করতে দেখা গেছে লিটনকে। ইনডোরে ব্যাট হাতে নিজেকে প্রস্তুতে ব্যস্ত ছিলেন এই ওপেনার। বোলিং মেশিনে করেছেন দীর্ঘক্ষণ অনুশীলন, বড় বড় শট খেলতেও দেখা গেছে লিটনকে। আগামী মাসেই মাঠে গড়াবে এবারের ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। গেল বছর আবাহনীর হয়ে খেললেও এবার আকাশী নীল জার্সিতে দেখা যাবে না তাকে। কোন দলে খেলবেন সেটিও এখনো অনিশ্চিত। তার আগেই লিটন ফিরলেন অনুশীলনে।

দুর্ঘটনায় হাড় ভেঙেছে বিখ্যাত পপ তারকা ফিলিক্সের

দুর্ঘটনায় হাড় ভেঙেছে বিখ্যাত পপ তারকা ফিলিক্সের  গাড়ি দুর্ঘটনায় কে–পপ তারকা ফিলিক্সের একটি হাড় ভেঙে গেছে। শনিবার রাতে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন স্ট্রে কিডস গ্রুপের এই সদস্য। ফিলিক্সের এজেন্সি জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, চিকিৎসকের পরামর্শে বিশ্রামে রয়েছেন তিনি। গান থেকে আপাতত দূরে থাকছেন এই তারকা। এজেন্সি জানিয়েছে, স্ট্রে কিডসের ফ্যান মিটিং শেষে ফেরার পথে ইনচনের ইয়াংজং আইল্যান্ডের ইন্সপায়ার রিসোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে একটি শাটল বাসের সঙ্গে ফিলিক্সের কারের সংঘর্ষ হয়। জেওয়াইপি এন্টারটেইনমেন্ট লিখেছে, ‘দুর্ঘটনাটি খুব গুরুতর নয়। তবে তার হাতের হাড় ভেঙেছে। তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। চিকিৎসা শেষে তাঁকে বিশ্রামের পরামর্শ দেওয়া হয়। তিনি বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে রয়েছেন।’ ফলে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে দূরে থাকছেন ফিলিক্স। শুক্রবার থেকে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে স্ট্রে কিডস। আজ রোববার আয়োজনের সমাপনী দিনে থাকতে পারছেন না ফিলিক্স। প্রায় ১১ মাস পর কোনো ফ্যান মিটিং করছে স্ট্রে কিডস। সামনে লাতিন অ্যামেরিকা, জাপান, উত্তর আমেরিকা, ইউরোপে গ্রুপটির শো রয়েছে।

বাংলাদেশ-ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আর্থিক সহায়তা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশ-ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আর্থিক সহায়তা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ ও ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে বড় ধরনের সহায়তা অর্থায়ন বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য বাংলাদেশের ২৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের কর্মসূচিও বাতিল করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতের জন্য নির্ধারিত ২১ মিলিয়ন ডলারের কর্মসূচিও বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ধনকুবের ও বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দপ্তর ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) এই ঘোষণা দিয়েছে। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে। এতে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রশাসন বাজেট কমিয়ে আনার জন্য নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং এর আওতায় ভারত-বাংলাদেশসহ বেশ কয়েকটি দেশের জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলারের তহবিল বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) রোববার বলেছে, ভারতে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়ানোর লক্ষ্যে ২১ মিলিয়ন ডলারের একটি প্রোগ্রাম এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে নির্ধারিত ২৯ মিলিয়ন ডলারের কর্মসূচি কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক সাহায্যে বৃহত্তর কাটছাঁটের অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও ভারতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় উন্নতির লক্ষ্যে নেওয়া মূল উদ্যোগগুলোকে প্রভাবিত করবে। ইলন মাস্ক অবশ্য বারবারই জোর দিয়ে বলেছেন, বাজেট কাটছাঁট ছাড়া চলতে থাকলে “আমেরিকা দেউলিয়া হয়ে যাবে” এবং এই উদ্যোগটি প্রশাসনের পরিকল্পনা করা বাজেট ওভারহলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। ইন্ডিয়া টুডে বলছে, ভারতের জন্য বরাদ্দ করা ২১ মিলিয়ন ডলারের তহবিলটি বিশেষভাবে দেশটির নির্বাচনে ভোটারদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছিল। যাইহোক ভারত এখন আর এই তহবিল পাবে না বলে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (ডিওজিই) ঘোষণা করেছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করার কয়েকদিন পরেই ভারতে সহায়তার বিষয়ে এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। যদিও বৈঠকের পর দুই নেতা মার্কিন-ভারত সম্পর্ককে শক্তিশালী করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে যৌথ বিবৃতি বা সংবাদ সম্মেলনে এর উল্লেখ পাওয়া যায়নি। আর বাংলাদেশে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রোগ্রামটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক শাসনকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছিল। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্য দিয়ে গত বছরের আগস্টে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। হাসিনা পালিয়ে ভারতে চলে যান এবং ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার এখন দেশ শাসন করছে এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছে। এদিকে ইলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সির (ডিওজিই) এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ ও ভারত ছাড়াও অন্যান্য দেশও প্রভাবিত হবে। এর মধ্যে মোজাম্বিকের জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার, কম্বোডিয়ার জন্য ২.৩ মিলিয়ন ডলার, সার্বিয়ার জন্য ১৪ মিলিয়ন ডলার, মলদোভায় ২২ মিলিয়ন ডলার, নেপালে দুটি উদ্যোগে ৩৯ মিলিয়ন ডলার এবং মালিতে ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্পের ওপর প্রভাব পড়বে। এছাড়া বিশ্বের আরও অনেক দেশ ও অঞ্চলও তহবিল বাতিলের এই তালিকায় রয়েছে।

মালিতে স্বর্ণের খনিতে ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত

মালিতে স্বর্ণের খনিতে ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত মালির পশ্চিমাঞ্চলে শনিবার অবৈধভাবে পরিচালিত একটি স্বর্ণের খনিতে ধসের ঘটনায় কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত হয়েছে। কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে মালির বামাকো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। মালি আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় স্বর্ণ উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে একটি। খনির স্থানগুলোতে নিয়মিতভাবে মারাত্মক ভূমিধসের কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। বিশ্বের দরিদ্রতম দেশগুলোর মধ্যে মালি একটি। দেশটিতে মূল্যবান ধাতুটির অনিয়ন্ত্রিত খনির নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কর্তৃপক্ষ লড়াই করে যাচ্ছে। পুলিশের এক সূত্র জানায়, খনি ধসে ৪৮ জন নিহত হয়েছেন। এই ৪৮ জনসহ আজ পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮ শত জনে। নিহতদের মধ্যে কয়েকজন পানিতে পড়ে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে একজন মহিলাও ছিলেন এবং তার পিঠে শিশু ছিল। স্থানীয় এক কর্মকর্তা ধ্বসের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে কেনিয়েবা স্বর্ণখনি শ্রমিক সমিতিও ৪৮ জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। একটি পরিবেশবাদী সংস্থার প্রধান এএফপিকে জানায়, হতাহতদের সন্ধান চলছে। সূত্র এএফপিকে জানায়, শনিবারের দুর্ঘটনাটি একটি পরিত্যক্ত স্থানে ঘটেছে। এটি পূর্বে একটি চীনা কোম্পানি পরিচালনা করত। জানুয়ারিতে, দক্ষিণ মালিতে অপর একটি স্বর্ণ খনিতে ভূমিধসে কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং অনেকে নিখোঁজ হয়। যাদের বেশিরভাগই মহিলা। মাত্র এক বছরেরও বেশি সময় আগে, একই অঞ্চলে শনিবারের ভূমিধসের মত আর একটি স্বর্ণের খনির সুড়ঙ্গ ধসে ৭০ জনেরও বেশি লোক মারা যায়।

পাসপোর্ট করতে লাগবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন : প্রধান উপদেষ্টা

পাসপোর্ট করতে লাগবে না পুলিশ ভেরিফিকেশন : প্রধান উপদেষ্টা পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না বলে ঘোষণা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একইসঙ্গে সরকারের এ ধরনের সিদ্ধান্তগুলো জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৫’ এর উদ্বোধনী বক্তব্যে এ কথা জানান প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পাসপোর্ট করতে হলে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগে, এটা তো আমার নাগরিক অধিকার। পাসপোর্ট একটি নাগরিক পরিচয়পত্র। এখন আইন করে দিয়েছি পাসপোর্ট করতে পুলিশের ভেরিফিকেশন লাগবে না। এগুলো লাগে না। এগুলো হয়রানি।” গত বছরের মতো এবারও সম্মেলনের মূল ভেন্যু রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন। ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, পাসপোর্ট করতে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টায় তিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের নিজ কার্যালয়ের শাপলা হলে উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এবার ডিসি সম্মেলন শেষ হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার)।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের সজাগ থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বা শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা মস্ত বড় ইস্যু। এটা আমাদের এখন এক নম্বর বিবেচ্য বিষয়। এখানে যেন আমরা বিফল না হই, কারণ এটাতেই আমাদের সমস্ত অর্জন’। আজ রোববার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে তিন দিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৫ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. ইউনূস এ কথা বলেন। সকল নাগরিকের সুরক্ষা বিধান করা সরকারের দায়িত্ব উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, ‘আমরা এখন থেকে যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করবো, সেখানে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থাকবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও দেশের সকল মানুষকে সুরক্ষা প্রদান করা। নারী ও শিশু এবং সংখ্যালঘুসহ সকল নাগরিকের সুরক্ষা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। কে কোন মতবাদে বা রাজনৈতিক চেতনায় বিশ্বাসী সেটা বিবেচ্য নয়। কারণ সরকার দেশের সকল মানুষের সরকার। তাই তাকে সুরক্ষা দেওয়া আমার কাজ’। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার যেন ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা দেওয়া মস্ত বড় দায়িত্ব। এই ইস্যুতে সারা দুনিয়া নজর রাখছে আমাদের উপরে। একটা ছোট্ট ঘটনা সারা দুনিয়ায় চাউর হয়ে যায়। তিনি বলেন, ‘আমি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বলেছি আপনারা সংখ্যালঘু হিসেবে কোন কিছু দাবি করবেন না, দেশের নাগরিক হিসেবে দাবি করবেন। কারণ দেশের নাগরিক হিসেবে সংবিধান আপনাকে যে অধিকার দিয়েছে সেই অধিকার রাষ্ট্রের কাছে আপনার প্রাপ্য। এটা দাবি নয়, আপনার পাওনা’। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজারদর নিয়ন্ত্রণে রাখতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘বাজার দর নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। এটা নিয়ে জেলা প্রশাসকদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হতে পারে কার জেলায় বাজারদর কতটা ভাল নিয়ন্ত্রণে আছে। কোনো চাঁদাবাজি বা অন্য যেসব অসুবিধা থাকে সেগুলো দূর করতে হবে’। পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগবে না, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। প্রধান উপদেষ্টা সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে বলেন, পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে এখন যে পুলিশ ভেরিফিকেশন লাগছে না, এই তথ্য মাঠে-ঘাটে জনসাধারণের মধ্যে পৌঁছে দিতে হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে হয়রানি হয়, এটি বন্ধ করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম সনদের মত পাসপোর্ট পাওয়া প্রতিটি মানুষের অধিকার। সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করার আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসকদের অধ্যাপক ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে সৃজনশীল কাজ করার সুযোগ তোমাদের পুরো মাত্রায় রয়েছে। আশা করি তোমরা সেটা গ্রহণ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বাজারদর নিয়ন্ত্রণ, জমির রেকর্ড পত্র থেকে শুরু করে অন্যান্য সেবা অনলাইনে প্রদান, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ সরকারি সেবাকে জনবান্ধব করার ক্ষেত্রে সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে সুস্থ প্রতিযোগিতা হতে পারে। জন্ম সনদ একজন নাগরিকের অবশ্যই প্রাপ্য উল্লেখ করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, যে কোনো বয়সে এবং যে কোনো সময়ে একজন নাগরিক জন্ম সনদ চাইতে পারে। তাকে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। জন্ম সনদ একজন নাগরিকের দালিলিক প্রমাণ যে ওই ব্যক্তি এই দেশের নাগরিক। কারণ এই জন্ম সনদ দিয়েই তার অন্যান্য কাজ করতে হবে। এটা না হলে জাতীয় পরিচয়পত্র হচ্ছে না, পাসপোর্ট হচ্ছে না। জন্ম সনদ পেতে একজন হয়রানির শিকার হচ্ছে কি না সেটা দেখতে হবে। সরকারকে একটা ‘খেলার টিম’ অভিহিত করে অধ্যাপক ইউনূস জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে বলেন,‘সরকারকে যদি একটা ক্রিকেট বা ফুটবল টিমের সঙ্গে তুলনা করা হয় তাহলে এটা একটি টিম। এই সরকারের ছয় মাস চলে গেলো, এটাকে আমি বলছি সরকারের প্রথম পর্ব। প্রথম পর্বের কোন ভুল থাকলে সেটাকে ঠিকঠাক করে এখন আমরা খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। এখন কাজ হলো কর্মপদ্ধতি ঠিক করা। খেলা হলো একটা সামগ্রিক বিষয়, একজনের ভুলের কারণে অন্যরা সাফল্য থেকে বঞ্চিত হয়। পুরো টিমের সাফল্যটা গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। প্রস্তুতির কোথাও ঘাটতি থাকলে সেটাকে পূরণ করা দরকার’। প্রধান উপদেষ্টা জেলা প্রশাসকদের ভয়-ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে নিজের মতো করে মাঠ প্রশাসন পরিচালনা করার আহ্বান জানান। একইসাথে তিনি সরকার প্রধান বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অহেতুক স্তুতি বা প্রশংসা করার সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।