চাঁপাইনবাবগঞ্জে মা-শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মা-শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের আয়োজনে পরিবার পরিকল্পনা ও মা-শিশুর স্বাস্থ্য বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য। অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের মেডিকেল অফিসার ডা. রিজিওয়ান ইসলাম মিঞা এবং মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা. হাসনা রওশন। আলোচনা সভায় ৪০ জন গর্ভবতী মা বিভিন্ন ওয়ার্ডের পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা ও পরিবার কল্যাণ সহকারীরা অংশগ্রহণ করেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ হারে বাড়ছে ডেঙ্গু

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ হারে বাড়ছে ডেঙ্গু চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভয়াবহ হারে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার বালুবাগান, আরামবাগ, পোল্লাডাঙ্গাসহ বিভিন্ন মহল্লায় ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু। এছাড়া জেলার শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর ও নাচোলেও ডেঙ্গু হানা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই ৫০ জনের উপরে ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ল্যাবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোগীদের পরীক্ষা করা হচ্ছে। ১১ জুলাই চলতি মাসে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। ওই দিন ৯১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে এডিস মশার বিস্তার রোধ করা না গেলে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বলছে অভিজ্ঞ মহল। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ২১ জন ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে বলে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এছাড়া গোমস্তাপুরে ২ জন শনাক্ত হয়েছেন। গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত তারা শনাক্ত হন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের বহির্বিভাগে শুক্রবার পরীক্ষা বন্ধ থাকায় কোনো রোগী ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে পারেননি। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৭২ জন। তাদের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ৩৭ জন মহিলা ও ১১ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া গোমস্তাপুরে ২ জন ভর্তি রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৮ জনকে। এই ৮ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলা রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৮৯৭ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪০১ জনে। প্রসঙ্গত, চলতি মাস জুলাইয়ের ১ তারিখ ৫১ জন, ২ জুলাই ৫৩ জন, ৩ জুলাই ৫০ জন, ৪ জুলাই ৬২ জন, ৫ জুলাই ১৭ জন, ৭ জুলাই ২৩ জন, ৮ জুলাই ৫৯ জন, ৯ জুলাই ৬২ জন, ১০ জুলাই ৬৩ জন, ১১ জুলাই ৯১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুদ পারভেজ বলেন— ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন ল্যাবে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর গ্রামের এক পুরুষ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার পোলাডাঙ্গা মহল্লার এক মহিলা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) মারা গেছেন। তাদের মধ্যে মহিলাটি নিজ বাড়িতে আক্রান্ত হয়ে প্রথমে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার অবস্থার অনতি হলে তাকে রামেকে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে বেশ কয়েকদিন আইসিইউতে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হেরে যান।
অটোরিকশা চালিয়ে পরিবার চালানো রোমান পেলেন জিপিএ-৫

অটোরিকশা চালিয়ে পরিবার চালানো রোমান পেলেন জিপিএ-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার রোমান আলী শিশুবয়সেই ধরেছিলেন সংসারের হাল। পাশাপাশি চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। পরিশ্রমের ফসলও পেয়েছেন তিনি। চলতি বছর এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নিয়ে সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোমান উপজেলার বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নেন। রোমানের বাড়ি উপজেলার তাঁতিপাড়ায়। বাবা তোফাজ্জল হক অসুস্থ, শয্যাশায়ী। ২০১৩ সালে নিমগাছের ডাল ভাঙতে গিয়ে পড়ে গিয়ে কোমর ভেঙে যায়। পরে একটি কিডনিও বিকল হয়ে পড়ে। রোমান তখন নিতান্তই শিশু। কয়েক বছর টেনেটুনে সংসার চললেও প্রাথমিকে পড়ার সময়ই রোমানকে নেমে পড়তে হয় জীবনযুদ্ধে। সংসারের খরচ আর বাবার ওষুধের খরচ জোগাতে অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় নামতে হয়। পরিশ্রম বেশি হলেও হাসিমুখে তা সয়ে গেছেন। পাশাপাশি পড়াশোনাকে ধরে রাখার চেষ্টা করেন। প্রাথমিকের গণ্ডি পেরিয়ে রোমান ভর্তি হন বজরাটেক সবজা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে অংশ নেন চলতি বছরের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায়। ভাগ্য তাকে নিরাশ করেনি। কঠোর পরিশ্রমের পারিশ্রমিক হিসেবেই সকল বিষয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। রোমান আলী জানান, শিশু বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হওয়ায় তার জীবনে হতাশা নেমে এসেছিল। তবে হতাশা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছেন। মনের মধ্যে পণ করেছিলেন, যতই কষ্ট হউক, পড়াশোনা চালিয়ে যাবেন। রোমান বলেন, পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে অটোরিকশা নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন ভাড়া মারার জন্য। উপার্জিত আয় দিয়ে বাবার ওষুধ কেনার পর যা থাকত তা দিয়ে কোনো মতে সংসার চলত। তিনি বলেন, অটোরিকশা চালাতে গিয়ে শিক্ষক, বন্ধুবান্ধব ও পরিচিতদের দেখে প্রথম দিকে লজ্জা লাগছিল। তবে থেমে যাইনি। লক্ষ্য ছিল, যেভাবেই হোক সংসার এবং বাবার ওষুদের টাকা জোগাড় করতে হবে। পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে হবে। তাই স্কুল করে অটোরিকশা চালানোর পর যেটুকু সময় পেতাম, সেটুকু সময় পড়াশোনার জন্য ব্যয় করতাম। আগামীতে রোমানের লক্ষ্য, উচ্চ শিক্ষা অর্জনের। তবে বাধা দীনতা। আপাতত লক্ষ্য, এইচএসসির গণ্ডি পার করা। আর এইচএসসি পড়াশোনার খরচ চালানোর দুশ্চিন্তায় তিনি। এক্ষেত্রে কারো সহায়তা নিতেও আপত্তি নেই তার। কথা হয় রোমানের চাচা জহরুল হকের সঙ্গে। তিনি জানান, ছোট ভাই তোফাজ্জলের ২০১৩ সাল থেকে চিকিৎসা চলছে। কোনোভাবে বেঁচে আছে সে। এখন ভাতিজা রোমানই রিকশা চালিয়ে সংসার চালায়। সারাদিন রিকশা চালিয়ে ক্লান্ত শরীরে রাতে যতটুকু সময় পেয়েছে, সেই সময়টুকু মন দিয়ে পড়েছে। এত প্রতিকূলতার মধ্যেও ভালো রেজাল্ট করেছে সে। তিনি বলেন, কেউ যদি পাশে দাঁড়ায়, তাহলে ছেলেটা উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে। রোমানের মা রুনা বেগম বলেন, পড়াশোনার তেমন সুযোগ ছিল না। স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে অভাবের সংসারের জন্য অটোরিকশা নিয়ে রাস্তায় বের হতো। যেটুকু সময় পেত, পড়াশোনা করত। রোমানের বাবা বলেন, দেশের অনেক জায়গায় চিকিৎসা করতে গিয়ে সর্বস্ব হারিয়ে ফেলেছি। পরে একটি কিডনি নষ্ট হয়ে গেছে। তাই কাজকর্মও করতে পারি না। তিনি বলেন, ছেলে ভালো রেজাল্ট করার পরও তাকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারব কিনা, সেই দুশ্চিন্তায় আছি। এমনিতেই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। তার ওপর রোমানের লেখাপড়ার খরচ। তাই একমাত্র সন্তানের আগামী দিনের শিক্ষা অর্জনের জন্য মানুষের পাশাপাশি সরকারিভাবে সহযোগিতা কামনা করেন বাবা তোফাজ্জল।
মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ

মিটফোর্ডে সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ ঢাকার মিটফোর্ডে প্রকাশ্যে বিদালোকে ভাঙারি ভ্যবসায়ী লালচাঁদ ওরফে সোহাগ হত্যার প্রতিবাদে এবং হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার করে শাস্তির দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শনিবার বিকেলে সচেতন নাগরিকবৃন্দ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পৃথক ব্যানারে এই কর্মসূচি পালিত হয়। জেলাশহরের শান্তি মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বরে হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য দেন— জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল, এনসিপির জেলা কমিটির নেতা ওমর ফারুক, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা, সাব্বির আহমেদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাসহ অন্যরা। মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন বিক্ষোভকারীরা।
অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ মিনারে কনসার্ট ও ড্রোন শো

অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে শহীদ মিনারে কনসার্ট ও ড্রোন শো ২০২৪ এর ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিতে আগামী ১৪ জুলাই সোমবার সন্ধ্যা ৭টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, কনসার্ট ও ড্রোন শো প্রদর্শিত হবে। অনুষ্ঠান ‘জুলাই ওমেন’, ‘দীপক কুমার গোস্বামী’, ‘জুলাই বিষাদ সিন্ধু’, ‘জুলাই বীরগাঁথা’ চলচ্চিত্রগুলো প্রদর্শনী ও শহীদ পরিবারের স্মৃতিচারণের পর উইমেন ডে কনসার্টে সংগীত পরিবেশন করবেন সায়ান, ইলা লালা, এফ মাইনর, পারসা মাহজাবিন ও এলিটা করিম। রাত ১০ টায় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রদর্শিত হবে ড্রোন শো।
২০২৫ সালে বিদেশি বিনিয়োগ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে

২০২৫ সালে বিদেশি বিনিয়োগ দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে ২০২৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বাংলাদেশে নিট বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্ত-কোম্পানি ঋণ এবং শক্তিশালী ইক্যুইটি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে এ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের প্রথম তিন মাসে নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ৮৬৪.৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা ২০২৪ সালের একই সময়ের ৪০৩.৪৪ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় ১১৪.৩১ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকের তুলনায়ও নিট বিদেশি বিনিয়োগ ৭৬.৩১ শতাংশ বেশি। ওই সময়ে নিট এফডিআই ছিল ৪৯০.৪০ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, পুনঃবিনিয়োগকৃত আয়ের হার বছরে ২৪.৩১ শতাংশ হ্রাস পাওয়া সত্ত্বেও এই তীব্র বৃদ্ধি ঘটেছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে নতুন মূলধন বিনিয়োগ এবং ঋণ প্রবাহ বর্তমানে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহকে চালিত করছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে ইক্যুইটি বিনিয়োগের প্রবাহ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০৪.৩৮ মিলিয়ন ডলার। যা ২০২৪ সালের একই সময়ের ১৮৮.৪৩ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে অনেক বেশি। একই সময়ে আন্ত-কোম্পানি ঋণের প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬২৬.৯৭ মিলিয়ন ডলার। যা গত বছরের ২৫৩.৮০ মিলিয়ন ডলারের তুলনায় প্রায় আড়াই গুণ বেশি। তবে, পুনঃবিনিয়োগকৃত নিট আয় চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে ১৯৪.৭১ মিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে, যা এক বছর আগে ছিল ২৫৭.২৬ মিলিয়ন ডলার। প্রান্তিকটিতে মূলধন বহির্গমনও বেড়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে বিদেশে মূলধন বহির্গমন হয়েছে ৭১১.৫৩ মিলিয়ন ডলার। যা ২০২৪ সালের একই সময়ে ছিল ৬৫১.১৯ মিলিয়ন ডলার। সূত্র: বাসস
মা হতে চান তানজিন তিশা

মা হতে চান তানজিন তিশা সদ্যই এক টক শোতে হাজির হয়ে মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানান দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। জায়েদ খানের সঞ্চালনায় এক টক শোতে উপস্থিত হয়ে এ অভিনেত্রী জানান, তিনি মা হতে চান। সেই কথার পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর প্রকাশ্যে আনলেন তিশার সন্তানের ছবি! শনিবার (৫ জুলাই) জাওয়াদ নির্ঝর তিনটি ছবি প্রকাশ করেন। যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, এটি তিশার সন্তানের ছবি। দুটি ছবিতে দেখা যায়, একটি শিশুকে কোলে নিয়ে তিশার গভীর মমতায় স্নেহ করার দৃশ্য। অপর একটিতে দুটি শিশুর দোলনায় বসে থাকার ছবি পোস্ট করেছেন নির্ঝর। তবে মুখ ঢেকে দিয়েছেন সেই ছবির। ছবিগুলো পোস্ট করে নির্ঝর লিখেছেন, ‘সেলিব্রিটি হওয়ার পর মানুষ কি তার গর্ভের সন্তানকেও অস্বীকার করতে পারে। অভিনেত্রী তানজিন তিশা দাবি করেছেন, তার আগের বিয়ের খবর এবং পুত্রসন্তানের খবরগুলো মিথ্যা। যে ছবিগুলো দেখছেন, সেগুলো তিশার মিডিয়ায় আসার আগে। তার সাবেক স্বামী এখন দুবাইতে বসবাস করেন। সেই ঘরে তিশার একটি পুত্রসন্তান হয়েছিল। সেই পুত্রের সঙ্গেই ছবিগুলো। তিশার সেই পুত্রসন্তানটি এখন ঢাকায় তার দাদির সঙ্গে থাকে।’ তিশা সন্তান নিয়ে মিথ্যাচার করেছে দাবি করে নির্ঝর আরো লেখেন, ‘তিশা টক শোতে মিথ্যা কথা বলেছেনে। বছরখানেক আগে তানজিন তিশাকে নিয়ে স্টোরি করতে গিয়ে আমরা তার পুত্রসন্তান এবং সাবেক স্বামীকে খুঁজে বের করেছিলাম। তিশা আপনি প্রমাণ করেন, এই বাচ্চা আপনার ছিল না।’
শিবগঞ্জে আন্ত:জেলা ডাকাত সর্দার মানিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ

শিবগঞ্জে আন্ত:জেলা ডাকাত সর্দার মানিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ শিবগঞ্জ উপজেলা থেকে ৭ মামলার আসামী আন্ত:জেলা ডাকাতদলের সর্দার মানিক আলীকে দুইশত গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি গোমস্তাপুর উপজেলার বাবুপুর গ্রামের মৃত তহুরুল ইসলামের ছেলে। আজ বিকাল ৪টার দিকে কানসাট বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়কের উপর হেরোইন ক্রয়-বিক্রয়কালে গ্রেপ্তার হন মানিক। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) গোলাম কিবরিয়া জানান, উপ-পরিদর্শক(এসআই) ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে শিবগঞ্জ থানা পুলিশের ডাকাত বিরোধি বিশেষ অভিযানে শিবগঞ্জ, সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট থানায় দায়ের হত্যা, ডাকাতি, দস্যূতা, ছিনতাই, মাদক, চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ দায়ের অন্তত: ৭ মামলার আসামী কূখ্যাত ডাকাত মানিক গ্রেপ্তার হন। তাঁর বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু আক্রান্ত কিছুটা কমলেও হাসপাতালে ভর্তি ৫০ জন রোগী। গত শুরুবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরো ১৭ জনের দেহে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৫ জনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ১৫ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ, ৭ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। অন্যদিকে শিবগঞ্জে আক্রান্ত হয়েছেন ২ জন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে। জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে গতকাল শনিবার বলা হয়েছে, পূর্বের মোট ভর্তি রোগী ছিলেন ৩৮ জন। তাদের মধ্যে ৬ পুরুষ ও ২০ জন মহিলা এবং ১২ জন শিশু ছিলেন। একই সময়ে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ৪ জনকে। এই ৪ জনের মধ্যে ১ জন পুরুষ ও ৩ জন মহিলা রয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৪৯ জন। এই ৪৯ জনের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ২৪ জন মহিলা ও ১৫ জন শিশু রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৭২৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ২১২ জন।
শিবগঞ্জে চাচাতো ভাইদের হাতে চাচাতো বোন খুন: মা হারালো ৬ মাসের শিশু

শিবগঞ্জে চাচাতো ভাইদের হাতে চাচাতো বোন খুন: মা হারালো ৬ মাসের শিশু শিবগঞ্জে পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধের জেরে আপন চাচাতো ভায়ের হাসুয়ার আঘাতে খালেদা বেগম ওরফে শুকমন নামে এক গৃহবধু নিহত হয়েছেন। তিনি ধাইনগর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বড়মহেষপুর গ্রামের দুবাই প্রবাসী ইউসুফ আলীর স্ত্রী। তাঁর ৬ মাস বয়সী কন্যাশিশু রয়েছে। একই ঘটনায় আহত হয়েছেন নিহতের পিতা সৈবুর আলী, মা এরিনা বেগম এবং বোন লিপি খাতুন। তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। স্থানীয় সূত্র এবং পুলিশ জানায়, আজ সকাল ৯টার দিকে ধাইনগর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের চৈতন্যপুর শান্তিমোড় এলাকায় পিতার বাড়ির নিকট ভাইদের হাতে খুন হন খালেদা। সংশ্লিস্ট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ জানান, আজ সকালে কার্নিস নির্মাণ ও ছাদ ঢালাাইকে কেন্দ্র করে দু’ভাইয়ের পরিবারের মধ্যে নতুন করে বাকবিতন্ডা সৃষ্টি হয়। এর এক পর্যায়ে সহবুলের দুই ছেলে মামুন ও নিয়ামতের হাসুয়ার আঘাতে খালেদা নিহত হন। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) গোরাম কিবরিযা জানান, আজ দুপরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের মাথায় ধারাল অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। মৃত সহবুলের বাড়ির সকলেই পলাতক রয়েছে। পুলিশ ঘটনায় জড়িত সকলকে আটকে অভিযান শুরু করেছে। এ ঘটনায় মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ বলেও জানান ওসি।