বন্যাকবলিত এলাকায় চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ

নারায়ণপুর ও আলাতুলি ইউনিয়নের বন্যাকবলিত এলাকায় চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন নারায়ণপুর ইউনিয়নে বন্যাকবলিত এলাকায় ১৫০টি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করেছে। আলাতুলিতে বিতরণ করা হয়েছে ১৫ কেজি করে চাল। এছাড়া নারায়ণপুরে ৩ হাজার ও আলাতুলি ইউনিয়নে ২ হাজার খাবার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। বুধবার নারায়ণপুর ইউনিয়নে শুকনো খাবার ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ শেষে ফেরার পথে মুঠোফোনে এই তথ্য জানান সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নুরুল ইসলাম। বিতরণকালে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনূর আলমসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে আলাতুলী ইউনিয়নের বন্যাকবলিত অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত ৬০০ পরিবারের মধ্যে ১৫ কেজি করে জিআর চাল ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ করা হয়। বিতরণে উপস্থিত ছিলেন— প্যানেল চেয়ারম্যান মো. আব্দুল জাব্বার, ইউপি প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জেরাউল হোসেন, ট্যাগ অফিসার মো. ফয়সাল ইকবাল, ওয়ার্ড সদস্য মো. মেসবাহুল হকসহ অন্যরা।

নাচোলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন

নাচোলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোলে নর্দার্ন ইলেকট্রসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো)’র অব্যবস্থাপনার অভিযোগে ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।  বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাচোল বাসস্ট্যান্ডে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাচোল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি আয়োজিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন পৌর জামায়াতের আমির মনিরুল ইসলাম। বক্তব্য দেন— নাচোল উন্নয়ন ফোরামের সদস্য সচিব আমানুল্লাহ আল মাসুদ, নাচোল শিল্প ও বণিক সমিতির আহ্বায়ক আসগার আলী, নাচোল উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সাত্তার, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি হাসানুল হক বেনজির, এশিয়ান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক নাজমুল হক ও ছাত্রনেতা আসগার আলী রোমিও। বক্তারা অভিযোগ করেন, গোমস্তাপুর বিদ্যুৎ স্টেশনের বেশিরভাগ সময় লোডশেডিংয়ের কারণে নাচোলে নেসকোর গ্রাহকদের দুর্ভোগের শিকার হতে হয়। নাচোল সাব-স্টেশনের কার্যক্রম দ্রুত চালুর জন্য মানববন্ধনে নেসকোর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেন বক্তারা। বক্তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে নাচোল ৩৩/১১ কেভি গ্রিডের বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনের কার্যক্রম দ্রুত চালু ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না করলে পরবর্তীতে কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেন। মানববন্ধন শেষে ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির একটি টিম নাচোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও গোমস্তাপুর প্রকৌশলী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ বিষয়ে নেসকোর গোমস্তাপুর বিদ্যুৎ স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী প্রশান্ত কুমার বলেন, নাচোল বিদ্যুৎ সাব-স্টেশনটি পূর্ণাঙ্গরুপে চালু করতে হলে ২.৫ থেকে ৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রয়োজন। লোকবল ৩ জনের স্থলে ১ জন আছে, আরো ২ জন হলে স্টেশনটি চালু করা সম্ভব হবে। লোকবল পূরনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট চাহিদা পাঠানো হয়েছে। শিগগিরই সাব-স্টেশনের কার্যক্রম চালুর আশ্বাস দেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ২৫ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ২৫ জনের ডেঙ্গু সনাক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ফের বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ জন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে ১৬ জন ও বহির্বিভাগে ৮ জন এবং শিবগঞ্জে ১ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ২৫ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ১০ জন মহিলা ও ৭ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১৪ জনকে। এই ১৪ জনের মধ্যে ৮জন পুরুষ, ৩ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৬১৩ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ১০৭ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তেই আছে নদীর পানি; আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়তেই আছে নদীর পানি; আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। পদ্মা নদীর পানি এরই মধ্যে সতর্ক লেভেলে পৌঁছেছে। বুধবার বিকেল ৩টায় পদ্মা নদীর পানি পাঁকা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৩২ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পদ্মায় পানি বৃদ্ধির কারণে চরাঞ্চলের ১ হাজার ৮৮২ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। শিবগঞ্জ ও সদর উপজেলার চরাঞ্চলে পানিবন্দি হয়েছেন হাজার হাজার পরিবার। চরাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোয় পাঠদান বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গ্রামবাসী। এ অবস্থায় আগামীতে পানি বৃদ্ধির কারণে আতঙ্ক বাড়ছে চরাঞ্চলে। এদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পদ্মা পাড়ের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়াও চরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চলে পানি ঢুকে পড়ায় ৪১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এদিকে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জেছের আলী গৌড় বাংলাকে জানান, সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ১৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে জেলা শিক্ষা অফিসার আবদুল মতিন জানিয়েছেন, বন্যার কারণে শিবগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের ৯টি স্কুলে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে। চরাঞ্চলের কৃষকরা বলেন, প্রতিদিন পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে ভয়াবহ হারে। এতে করে নিম্নাঞ্চলের কৃষকের আবাদিজমি পানিতে নিমজ্জিত হচ্ছে। ফলে আউশ, রোপা আমন, কলা, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে— নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না। শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নয়ন মিয়া বলেন, পদ্মার পানি বৃদ্ধির কারণে শিবগঞ্জ উপজেলায় ৪ হাজার ৯২৬ কৃষকের রোপা আউশ ১২৭২ হেক্টর, ৫২ হেক্টর সবজি, ১৩ হেক্টর হলুদ ও ৫ হেক্টর কলা ক্ষেত নিমজ্জিত হয়েছে। এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরের কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আনিসুল হক মাহমুদ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় বন্যার পানিতে ১৩৫ হেক্টর সম্পূর্ণ, ৪০৫ হেক্টর আংশিক আক্রান্ত হয়েছে। তিনি জানান, ৩ হাজার ১৫ জন কৃষকের ৫০৪ হেক্টর ধান, সবজিসহ বিভিন্ন ফসলের জমি ডুবে গেছে। তবে আক্রান্ত ফসলের মাঠ থেকে পানি দ্রুত নেমে গেলে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকবে না বলেও জানান এই দুই কৃষি কর্মকর্তা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী এস এম আহসান হাবিব জানান, উজানের ঢলে সপ্তাহ ধরে পদ্মা, মহানন্দা ও পুনর্ভবা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মায় পানি বেড়েছে ৩ সেন্টিমিটার, মহানন্দায় বেড়েছে ৭ সেন্টিমিটার ও পুনর্ভবায় পানি বেড়েছে ১০ সেন্টিমিটার। বর্তমানে পদ্মা বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার, মহানন্দা ৮৩ সেন্টিমিটার এবং পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমার ১.৬৯ মিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের পানির সমতল বিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পাঁকা পয়েন্টে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ২১.৭০ মিটার; যা বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২১.৭৩ মিটার। অন্যদিকে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত মহানন্দা নদীর খালঘাট পয়েন্টে পানির সমতল ছিল ১৯.৬৫ মিটার; যা ২৪ ঘণ্টায় বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৭২ মিটার। অপরদিকে পুনর্ভবা নদীর রহনপুর পয়েন্টে গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত পানির সমতল ছিল ১৯.৭৬ মিটার; যা বুধবার সকাল ৯টা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়ে সমতল দাঁড়িয়েছে ১৯.৮৬ মিটার। পদ্মা নদীর বিপৎসীমা হচ্ছে ২২.০৫, মহানন্দার ২০.৫৫ ও পুনর্ভবার ২১.৫৫ মিটার।

পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস

পরাজয়েও লিখা হলো বিজয়ের ইতিহাস বাংলাদেশ নারী ফুটবলে নতুন এক অধ্যায় রচিত হলো মাত্র ৩৮ দিনের ব্যবধানে। সিনিয়র জাতীয় দলের পর এবার অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েরা এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছে, যা দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ঘটলো। ‘অনূর্ধ্ব-২০ নারী এএফসি এশিয়ান কাপ-২০২৫’ বাছাইপর্বে ‘এইচ’ গ্রুপে নিজেদের শেষ ম্যাচে আজ রোববার বড় ব্যবধানে হেরেছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে চোখে চোখ রেখে লড়াই করে ১-১ সমতা নিয়ে বিরতিতে যায়। কিন্তু বিরতির পর খেই হারিয়ে ৬-১ ব্যবধানে হার মানে। অথচ এই ম্যাচে কোনক্রমে ড্র করতে পারলেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে প্রথমবার যুব এশিয়ান কাপের মূলপর্বে জায়গা করে নিতে পারত। কিন্তু বড় ব্যবধানে হার মানায় তাতে হতাশ হয় বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা। আর বাংলাদেশের ভাগ্য ঝুলে যায় সমীকরণের হাতে। তবে হতাশার মধ্যেও সুখবর এসেছে। আট গ্রুপের আটটি চ্যাম্পিয়ন দলের সঙ্গে তিনটি সেরা রানার্স-আপ দলও জায়গা পাবে মূলপর্বে। সেই তিনটি রানার্স-আপ দলের একটি হয়েছে বাংলাদেশ। ৩ ম্যাচ শেষে ৬ পয়েন্ট ও +৫ গোল গড় নিয়ে সেরা তিন রানার্স-আপদের তালিকায় বাংলাদেশ রয়েছে তৃতীয় স্থানে। আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নিয়ে ইতিহাস গড়ে ফেলেছে। গত মাসে মিয়ানমারকে হারিয়ে সিনিয়র নারী দল এশিয়ান কাপের টিকিট নিশ্চিত করে, যা ছিল এক যুগান্তকারী অর্জন। সেই অনুপ্রেরণায় অনূর্ধ্ব-২০ দলও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে জায়গা করে নিলো থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আসরের মূল পর্বে। এই দুই অর্জন শুধু পরিসংখ্যান নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ফুটবলের অগ্রযাত্রার প্রতীক। সিনিয়র দল মার্চে অস্ট্রেলিয়ার মাঠে লড়বে, আর অনূর্ধ্ব-২০ দল থাইল্যান্ডে নিজেদের প্রথম এশিয়ান কাপ অভিষেকের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে।

অবশেষে নিশোর সঙ্গী নাবিলা!

অবশেষে নিশোর সঙ্গী নাবিলা! জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো ও নির্মাতা ভিকি জাহেদ আবারো ফিরছেন নতুন গল্প নিয়ে। ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই-তে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তাদের নতুন সিরিজ ‘আকা’। এই সিরিজে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা। ওটিটিতে এটাই তার প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাজ। গত কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন উড়ছে, বড় পর্দায় অভিষেকের পর নিশো আবারো ফিরছেন ওটিটিতে। অবশেষে সেই খবর সত্যি হলো। প্রায় তিন বছর পর ওটিটির জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন ‘সুড়ঙ্গ’ তারকা। ‘আকা’ নিয়ে নিশো বলেন, “আমি সিরিজটি নিয়ে আশাবাদী। দর্শক নিশ্চয়ই ভিন্ন স্বাদের কিছু পাবেন।”  পরিচালক ভিকি জাহেদ বলেন, “আকা’ নির্মাণ আমার কাছে এক আবেগের যাত্রা। এটি আমার প্রথম সামাজিক থ্রিলার। দর্শকদের সঙ্গে এক ধরনের এক্সপেরিমেন্ট করেছি, প্রতিক্রিয়াই জানিয়ে দেবে সেটা কতটা সফল হয়েছে। নিশো ভাইয়ের সঙ্গে বহু কাজ করলেও সিরিজে এটাই প্রথম। নাবিলা আপুও দারুণ সহযোগী ছিলেন।” প্রথম সিরিজ নিয়ে আশা ব্যক্ত করে নাবিলা বলেন, “আকা’ আমার জন্য বিশেষ একটি কাজ। প্রথম সিরিজ হিসেবে আমি খুব আনন্দিত। আশা করি, দর্শকরা শুধু আমার চরিত্র নয়, পুরো গল্পকেই আপন করে নেবেন।” ন্যায়–অন্যায়, শোধ–প্রতিশোধ, সাসপেন্স ও রহস্যের মিশ্রণে নির্মিত হয়েছে ‘আকা’। ঢাকার বিভিন্ন লোকেশনে দৃশ্যধারনের কাজ হয়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে হইচইয়ে সিরিজটি মুক্তি পাবে।

বাবুডাইংয়ে কার্তিক টুডুর স্মরণসভা

বাবুডাইংয়ে কার্তিক টুডুর স্মরণসভা রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাবুডাইং আলোর পাঠশালার বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি কার্তিক টুডুর স্মরণে রবিবার স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুপুর ১২টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কার্তিক টুডুর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। কমিটির সভাপতি জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক আনোয়ার হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী উজ্জামান নূর, গ্রাম্য মোড়ল সাইদুর রহমান, রুমালি হাঁসদা, লগেন সাইচুরি, প্রয়াতের ছেলে বিশ্বনাথ টুডু, মেয়ে ও বাবুডাইং আলোর পাঠশালার শিক্ষার্থী সাবিত্রী টুডু, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক শংকর চন্দ্র দাস, সিনিয়র শিক্ষক লুইশ মুর্মু, শিক্ষার্থী বৃষ্টি মুরমু প্রমূখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিনিয়র শিক্ষক সাঈদ মাহমুদ। উল্লেখ্য, কার্তিক টুডু গত ১৯ জুলাই নিজ বাড়িতে মারা যান।

উন্নতি হয়নি ডায়রিয়া পরিস্থিতি: একদিনে আক্রান্ত আরও ৫৪ জন

উন্নতি হয়নি ডায়রিয়া পরিস্থিতি: একদিনে আক্রান্ত আরও ৫৪ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডায়রিয়া পরিস্থিতির তেমন উন্নতি হয়নি। প্রতিদিনই আক্রান্তের খবর আসছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৪ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৫৬ জন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে রবিবার জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ৫৪ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ২৬ জন, শিবগঞ্জে ৭ জন, গোমস্তাপুরে ১০ জন, নাচোলে ৬ জন ও ভোলাহাটে ৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। অন্যদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৫৬ জন রোগী। তাদের মধ্যে জেলা হাসপাতাল থেকে ৩৩ জন, শিবগঞ্জ থেকে ৮ জন, গোমস্তাপুর থেকে ৭ জন, নাচোল থেকে ৫ জন ও ভোলাহাট থেকে ৩ জন রয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩৭ জন রোগী।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ডেঙ্গু সনাক্ত আরও ১৭ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নতুন করে ডেঙ্গু সনাক্ত আরও ১৭ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন আরো ১৭ জন। তাদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ভেতর বিভাগে ১১ জন ও বহির্বিভাগে ৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। বর্তমানে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১২ জন রোগী। তাদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৫ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। একই সময়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২০ জনকে। এই ২০ জনের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ১১ জন মহিলা ও ৫ জন শিশু রয়েছেন। এছাড়া অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২ জন পুরুষ রোগীকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৫৬৭ জনে। একই সময়ে বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৭০ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন অফিসের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে রবিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবেলাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার কর্মকর্তারা। রবিবার দুপুরে পৌরসভার সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সূচনা বক্তব্য দেন— পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মামুন-অর-রশিদ। মশক নিধন সম্পর্কিত বিষয় তুলে ধরেন উচ্চমান সহকারী গোলাম ফারুক এবং বর্জ্যবিষয়ক তথ্য উপস্থান করেন কঞ্জা. সুপারভাইজার রজিবুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন— পৌর কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও পৌরসভার কর নির্ধারক এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ খাঁন। এসময় নির্বাহী প্রকৌশলী তৌফিকুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আহসান হাবীব উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন শহর পরিকল্পনাবিদ ইমরান হোসেন। গোলাম ফারুক তার বক্তব্যে জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫, ১৩ ও ১৪নং ওয়ার্ডের মসজিদপাড়া, আরামবাগ, পিটিআই, রেহাইচর, আজাইপুর, পোল্লাডাঙ্গা এলাকাকে রেড জোন হিসেবে অনেক আগেই ঘোষণা করা হয়েছে। সীমিত লোকবল ও ফগার মেশিন দিয়ে সাধ্যমত মশক নিধনের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মশক নিধন সম্ভব নয়। ডেঙ্গু বা মশার হাত থেকে বাঁচতে জনসাধারণকে সচেতন হতে হবে। নিজ নিজ এলাকা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পৌরসভার পক্ষ থেকে এরই মধ্যে মাইকিংসহ ১০ হাজার লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এসময় সাংবাদিকরা বিভিন্ন পরামর্শ তুলে ধরেন।