ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা

ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন : প্রধান উপদেষ্টা প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যমতের পথে যে অগ্রগতি অর্জন করেছে তা শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, গোটা বিশ্বের জন্যই এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। তিনি স্পষ্ট করে জানান, আগামী ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেটি হবে ‘জাতির নবজন্মের মহোৎসব।’ আজ রোববার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চলমান সংলাপে তিনি এ বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘শুরুতে যখন কমিশনের ধারণা এল, আমি নিশ্চিত ছিলাম না—এটা টিকবে কি না। কিন্তু আজ দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পরে আপনাদের আলোচনা ও সিদ্ধান্তে আমি অভিভূত হয়েছি।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, কমিশনের অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অন্য দেশগুলোও অনুসরণ করবে। ‘এটা শুধু বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে না, সারা দুনিয়া লক্ষ্য করবে আমরা কিভাবে সমস্যার সমাধান করলাম।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, জাতির সামনে আর কোনো বিকল্প পথ নেই। ‘যে পথে আমরা শুরু করেছি, সেই পথ থেকে বের হবার কোনো সুযোগ নেই। এই সমতায় আমাদের আসতেই হবে। এটাই ছাত্র-জনতার দেওয়া সুযোগ, যেখান থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।’ আগামী নির্বাচনের বিষয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আমরা বারবার বলেছি—ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই নির্বাচন হবে। সেটি হবে মহোৎসবের নির্বাচন, যদি আমরা ঐক্যমতের মাধ্যমে ফয়সালা করতে পারি। এই নির্বাচন শুধু নির্বাচন নয়, এটি হবে জাতির নবজন্ম।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাতি সত্যিকার নবজন্ম হবে—এটা শুধু নির্বাচন না, এটা নবজন্ম। এই যে এত ত্যাগ, এত রক্ত—এগুলো সার্থক হবে যদি আমরা এই নবজন্মটা লাভ করতে পারি।’ তিনি সতর্ক করে দেন, বিভাজন বা দ্বিমতের কোনো স্থান নেই। ‘আমরা অনেক কথা বলতে পারি, কিন্তু দ্বিমত রেখে সমাপ্ত করতে পারব না। যখন ঐকমত্যে পৌঁছাবো, তখনই নির্বাচন সার্থক হবে।’ অধ্যাপক ইউনূস উদাহরণ টেনে বলেন, ‘আমাদের হাতে এখন আলাদিনের প্রদীপের মতো সুযোগ এসেছে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান সেই শক্তি এনে দিয়েছে। আমরা চাইলে ছোটখাটো বিষয় চাইতে পারি, আবার চাইলে পুরো জাতিকে নতুনভাবে গড়তে পারি। এই সুযোগ একবারই এসেছে, আর আসবে না।’ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধান উপদেষ্টা। ‘এত বড় কাজ আর কোনোদিন পাওয়া যাবে না। তাই ধৈর্য ধরে আমাদের এগোতে হবে। নির্বাচনের দিন পর্যন্ত আমাদের কাজ হলো—কোনো দ্বন্দ্ব ছাড়াই মহোৎসবের পরিবেশ সৃষ্টি করা।’ তিনি বলেন, ‘আমরা হাইওয়ে বানিয়ে ফেলেছি, এখন শুধু সাইনবোর্ড বসানো বাকি। পথ ঠিক আছে, গন্তব্য পরিষ্কার। এই নির্বাচন হবে উৎসবের নির্বাচন, দেশের শান্তি ও নতুন যাত্রার সূচনা।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমাদের সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো সব পথঘাট বন্ধ করা—যাতে কোনো স্বৈরাচার আর ফিরে আসতে না পারে। এজন্য সবাইকে একমত হতে হবে।’ কমিশনের কাজকে তিনি অভূতপূর্ব অর্জন বলে অভিহিত করেন। কমিশনের সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের পরিশ্রমের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, ‘আপনারা ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায় রচনা করেছেন। এখন শুধু এটিকে নিখুঁতভাবে সমাপ্ত করা দরকার। এর মধ্য দিয়েই নতুন জাতির জন্ম ঘটবে।’ তিনি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে উদ্দ্শ্যে করে বলেন, ‘এবার আমাদের ব্যর্থ হবার কোনো সুযোগ নেই। ঐকমত্যের এই পথেই আমরা এগোবো, নির্বাচন সফল করব এবং জাতি হিসেবে মহাউৎসবের যাত্রা শুরু করব।’ এসময় আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রিয়াজ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ, এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন প্রমুখ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য গঠন) মনির হায়দার।

বারঘরিয়ায়  ইয়াবা ও গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার 

বারঘরিয়ায়  ইয়াবা ও গাঁজাসহ এক যুবক গ্রেপ্তার  চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ মো: ইব্রাহীম(২২) নামে এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর মিস্ত্রীপাড়া গ্রামের সায়েদ আলীর ছেলে। র‌্যাব জানায়, রোববার (১৪ সপ্টেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে বারঘরিয়া বাজার এলাকা থেকে ওইসব মাদকসহ গ্রেপ্তার হন ইব্রাহীম। রোববার সন্ধ্যা পৌনে ৬টায়  র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো  প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়,  বারঘরিয়া বাজারে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে  ২০০ পিস ইয়াবা ও ৯০০ গ্রাম গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হন ইব্রাহীম। এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে বলেও জানায় র‌্যাব।

সদর উপজেলার পলশায় খরা সহনশীল কৃষি পদ্ধতি প্রসারে প্রশিক্ষণ

সদর উপজেলার পলশায় খরা সহনশীল কৃষি পদ্ধতি প্রসারে প্রশিক্ষণ বরেন্দ্র অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব মোকাবেলায় খরা সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষ্যে সদর উপজেলার পলশায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে চাঁপাই-পলশায় অবস্থিত রেডিও মহানন্দার অডিটোরিয়ামে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার নাঈম উদ্দিন সরকার, উপ-সহকারী কৃষি অফিসার আকরামুল হক ও প্রকল্পের কৃষিবিদ ফয়জুল হক। কর্মশালায় বরেন্দ্র অঞ্চলের বাস্তব জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, ইউনিট-০১ এর ব্যবস্থাপক ওজিউর রহমান, প্রকল্পের সিএমও সিভিল ওবাইদুল বারী সহ অন্যরা। এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) প্রকল্পের আওতায়, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন পিকেএসএফ ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড জিসিএফ-এর সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন করে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। প্রশিক্ষণে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সিসিএজি সদস্য এবং স্থানীয় কৃষকগণ অংশ নেন। কর্মশালায় কৃষকদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন ও খরা সহনশীল কৃষি কৌশল সম্পর্কে সচেতন করা হয়। একইসাথে খরা সহিষ্ণু ফল ও ফসল নির্বাচন, বসতবাড়ির উঠানবাগান তৈরি, ভার্মিকম্পোস্ট প্রস্তুত এবং পানি সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

রাতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান এশিয়া কাপে আজ মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে শুরু হবে এই মহারণ। পরিসংখ্যান বলছে, টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত দুই দল মুখোমুখি হয়েছে ১৩ বার। এর মধ্যে ভারত জিতেছে ১০ ম্যাচে, আর পাকিস্তান জিতেছে মাত্র ৩ ম্যাচে। আজকের ম্যাচ তাই শুধু পয়েন্ট টেবিলের লড়াই নয়, বরং মর্যাদা রক্ষারও লড়াই। এবারের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে আবহ আগের তুলনায় বেশি উত্তেজিত। ইতোমধ্যেই দু’দলই বড় ব্যবধানে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে। ফলে দু’দল সমান তালে মাঠে নামবে, যেখানে আবেগের চাপ আরও প্রবল হয়ে উঠবে। ম্যাচ ঘিরে রাজনীতি, শোক, প্রতিবাদ আর প্রতিপক্ষকে খোঁচা-সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মাঠের ক্রিকেট হয়তো কখনোই আলাদা করে দেখা যাবে না। তবে ক্রিকেটপ্রেমীরা চান, অন্তত খেলার ভেতরে থাকুক লড়াই, বাইরে নয়।

মালেশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে খরচ ৭৯ হাজার হলেও আদায় করে ৫ লাখ: দুদকের মামলা

মালেশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে খরচ ৭৯ হাজার হলেও আদায় করে ৫ লাখ: দুদকের মামলা মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠাতে জনপ্রতি প্রায় ৭৯ হাজার টাকা খরচ হলেও রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো আদায় করে প্রায় ৫ লাখ টাকা। এভাবে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ১৩টি এজেন্সির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। দুদকের তথ্য বলছে, সরকারি নির্ধারিত প্রায় ৭৯ হাজার টাকার বদলে মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের কাছ থেকে বায়রার সিন্ডিকেটভুক্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলো সাড়ে চার লাখ থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আদায় করেছে। ২০২১ থেকে ২০২৪ সালে ১৩টি এজেন্সি প্রায় ১২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত হাতিয়ে নিয়েছে বলে প্রমাণ মিলেছে। রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করে দুদক মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন বলেন, আসামিরা বায়রার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালনকালে সিন্ডিকেট করে রেজিস্ট্রেশনের শর্ত ভঙ্গ করেন। সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে ৫ গুণ বেশি অর্থ নিয়ে মালয়েশিয়ায় শ্রমিক পাঠানো হয়। তারা অবৈধভাবে সংগৃহীত অর্থ হস্তান্তর, স্থানান্তর, রূপান্তর ও পাচার করেছেন। এতে কর্মীরা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন এবং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ১২০(বি), ১৬১, ১৬২, ১৬৩, ১৬৪, ১৬৫(ক), ৪২০ ও ৪০৯ ধারায় এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় মামলা দায়েরের অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। রাজধানীর ফকিরাপুলে অবস্থিত আকাশ ভ্রমণ লিমিটেড রিক্রেুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধানে মিলেছে ১৩৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকার বেশি মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের থেকে আত্মসাতের প্রমাণ। এমন একাধিক এজেন্সির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে প্রতারণার প্রমাণ পেয়েছে সংস্থাটি। এর আগে গত ১২ মার্চ মালয়েশিয়ায় মানবপাচারে ১১২৮ কোটি ৬১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ও তার পরিবার, সাবেক সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদউদ্দিন চৌধুরী এবং সাবেক সংসদ সদস্য বেনজীর আহমেদের প্রতিষ্ঠানসহ ১২টি রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকদের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সেখানে ওভারসিজ কোম্পানির চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালকসহ ৩৩ জনের বিরুদ্ধে ১ হাজার ১২৮ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকার ১২ পৃথক মামলা দায়ের করা হয়, যা বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আজকের মামলা মিলে মোট ২৫টি পৃথক মামলা হয়েছে। যার মধ্যে আসামি ৬৪ জন ও মোট আত্মসাৎ করা অর্থের পরিমাণ ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫২ হাজার ৫০০ টাকা।   সূত্র: সময় টিভি

বাংলাদেশসহ ছয় দেশে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প

বাংলাদেশসহ ছয় দেশে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্তত ছয় দেশে রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রবিবার বিকেল ৫টা ১১ মিনিটের দিকে এই কম্পন অনুভূত হয়। এর উৎপত্তিস্থল ভারতের আসামে। আজ মার্কিন ভূতাত্তিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার ছয় দেশ- বাংলাদেশ, নেপাল, ভারত, মিয়ানমার, ভুটান ও চীনে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর সূত্র জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকা থেকে ৩৮০ কিলোমিটার দূরে ভারতের আসাম রাজ্যে।

মেক্সিকোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ১৫

মেক্সিকোতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত অন্তত ১৫ মেক্সিকোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে শনিবার এক সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছে বলে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইউকাতান অঙ্গরাজ্যের সিকিউরিটি সেক্রেটারিয়েট জানিয়েছে, মেরিদা ও কামপেচে শহরের মধ্যবর্তী মহাসড়কে একটি পণ্যবাহী ট্রাক উল্টে গিয়ে একটি গাড়ি ও নির্মাণ শ্রমিক বহনকারী একটি ট্রাকে আঘাত হানে। সংস্থাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানায়, ঘটনাস্থলেই ১৫ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে ট্রাকচালকও রয়েছেন। এ ঘটনায় আরও দুজন আহত হয়েছেন। মেক্সিকো সিটি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, এক সপ্তাহেরও কম সময়ে দেশটিতে বড় ধরনের প্রাণহানীর এটি তৃতীয় সড়ক দুর্ঘটনা। গত সোমবার মধ্য মেক্সিকোতে একটি মালবাহী ট্রেনের সঙ্গে একটি ডাবল-ডেকার বাসের সংঘর্ষে ১০ জন নিহত ও ৪১ জন আহত হন। দুই দিন পর, প্রায় ৫০ হাজার লিটার গ্যাস বহনকারী একটি ট্রাক মেক্সিকো সিটিতে উল্টে গিয়ে বিস্ফোরিত হয়। এ ঘটনায় ১৩ জন নিহত ও বহু মানুষ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন বলে শনিবার হালনাগাদ করা এক হিসাবে জানানো হয়েছে।

লালনের গান বিশ্বমঞ্চেও ছড়িয়েছেন ফরিদা পারভীন

লালনের গান বিশ্বমঞ্চেও ছড়িয়েছেন ফরিদা পারভীন দিদারুল আলম লালনকন্যা খ্যাত ফরিদা পারভীন, তিনি কেবল বাংলাদেশ নয়, লালনের গান ছড়িয়ে দিয়েছেন বিশ্বমঞ্চেও। লালনের গানে অসাধারণ গায়কী প্রতিভা ছিল তাঁর। তাইতো তিনি ‘লালন কন্যা’ ও লালনের গানের ‘সম্রাজ্ঞী’ হিসেবে খ্যাত হন। লালন সাঁইয়ের ‘সত্য বল সুপথে চল’ ‘আমি অপার হয়ে বসে আছি, ‘বাড়ীর কাছে আরশীনগর’, ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি’, ‘জাত গেল জাত গেল বলে’, ‘মিলন হবে কত দিনে’, ‘সময় গেলে সাধন হবে না’, ‘তোমরা ভুলেই গেছো মল্লিকাদির নাম’ সহ অসংখ্য গানকে তিনি তাঁর গায়কী ঢঙ দিয়ে কালজয়ী করেছেন। তাঁর গীত এসব গান শ্রোতাদের দিয়েছে গভীর মগ্নতা। লালনের আধ্যাত্মিক ও মানবতাবাদী দর্শন তাঁর কণ্ঠমাধুর্যে আরো তীব্র ও গভীর হয়ে উঠেছে যা মানবাত্মাকে করেছে সমৃদ্ধ। ফরিদা পারভীন ২০০১ সালে জাপানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে লালনের গানকে পরিচিত করে তোলেন। এছাড়া সুইডেন, ডেনমার্ক, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে তিনি তাঁর কণ্ঠ দিয়ে ছড়িয়েছেন লালনের দর্শন। তাঁর কণ্ঠে লালনের গান কেবল সংগীত নয়, হয়ে উঠেছে এক অনন্য জীবনদর্শন। পরে তিনি গড়ে তোলেন ‘ফরিদা পারভীন ট্রাস্ট’, যার লক্ষ্য ছিল লালনের গান সংরক্ষণ, স্বরলিপি তৈরি এবং বাদ্যযন্ত্রের আর্কাইভ তৈরি। ফরিদা পারভীনের রক্তে ছিল গান। তাঁর দাদি গান করতেন। বাবার ছিল গানের প্রতি অনুরাগ। ১৯৬৮ সালে মাত্র ১৪ বছর বয়সে কিশোরী ফরিদা শুরু করেছিলেন পেশাদার সঙ্গীতজীবন। সেই থেকে শুরু, গতকাল অবসান হলো তাঁর ৫৫ বছরের এই বর্ণাঢ্য সঙ্গীতজীবনের। ফরিদা পারভীনের প্রয়াণের মধ্যদিয়ে লালনসঙ্গীতের সুধাময় এক কণ্ঠের পরিসমাপ্তি হলো। তবে তার ধারণকৃত কণ্ঠ বাংলা ভাষাভাষী মানুষের মনকে প্রশান্তি দেবে অনন্ত কাল। লালনের গান গেয়ে ফরিদা পারভীন নিজেকে গগনস্পর্শী উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। সুধীজনের কাছে তিনি লালনসম্রাজ্ঞী। দেশের গানেও ছিল তাঁর অনন্য কণ্ঠ। তাঁর গাওয়া ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ গানটি আজও বাংলার মানুষকে স্মৃতিকাতর করে। নাটোরের সিংড়ায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন ছোটবেলায় ছিলেন চঞ্চল প্রকৃতির। প্রায় সারাক্ষণ দৌড়ঝাঁপ আর খেলাধুলায় মেতে থাকতেন। দাদা ও নানাবাড়ির মাঝখানে ছিল এক নদ। আত্রাইয়ের সেই শাখানদের নাম ছিল গুর। ওই নদ পার হয়ে তরুণ ফরিদা দাদার বাড়ি থেকে নানার বাড়ি যেতেন। নানার বাড়ির পাশে বিরাট এক বিল ছিল। শৈশবে খেলার সঙ্গী মামাতো ভাইবোনদের সঙ্গে মিলে সেই বিলে শাপলা তুলতে যেতেন। ফরিদার শৈশবের সময়টা তার কেটেছে মাগুরায়। স্কুলজীবনের শুরুটাও সেখানে। সে সময় ওস্তাদ কমল চক্রবর্তীর কাছে তাঁর সঙ্গীতে হাতেখড়ি। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলায় থেকেছেন। পড়তে হয়েছে বেশ কয়েকটি স্কুলে। পরে দীর্ঘদিন কুষ্টিয়া শহরে ছিলেন ফরিদা। কুষ্টিয়ার মীর মশাররফ হোসেন বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে কুষ্টিয়া গার্লস কলেজ থেকে এইচএসসি এবং একই কলেজ থেকে স্নাতক। ওই শহরেই দীর্ঘদিন তিনি চর্চা করেছেন লালনগীতি। শৈশব থেকেই ফরিদা পারভীনের পছন্দ ছিল সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান। ১৯৬৮ সালে ফরিদা পারভীন রাজশাহী বেতারে নজরুলশিল্পী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর লালনগীতির সঙ্গে তার আত্মিক বন্ধন তৈরি হয়। তখন তিনি কুষ্টিয়ায়। সেখানে তাদের পারিবারিক বন্ধু ছিলেন মোকছেদ আলী সাঁই। ১৯৭৩ সালে ফরিদা পারভীন তার কাছেই ‘সত্য বল সুপথে চল’ গানটি শিখে লালন সাঁইজির গানের তালিম নেন। মোকছেদ আলী সাঁইয়ের মৃত্যুর পর খোদাবক্স সাঁই, ব্রজেন দাস, বেহাল সাঁই, ইয়াছিন সাঁই ও করিম সাঁইয়ের কাছে লালনসঙ্গীত শেখেন তিনি। এরপর পুরোই মগ্ন হন লালনসঙ্গীতে। ফরিদা পারভীনের প্রথম স্বামী প্রখ্যাত গীতিকার ও কণ্ঠশিল্পী আবু জাফর। সেই সংসারে তাদের তিন ছেলে ও এক মেয়ে। জিহান ফারিয়া, ইমাম নিমেরি উপল, ইমাম নাহিল সুমন ও ইমাম নোমানি রাব্বি। তার দ্বিতীয় স্বামী বাঁশিশিল্পী গাজী আবদুল হাকিম। সঙ্গীতে অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে ফরিদা পারভীন একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৯৩ সালে ‘অন্ধ প্রেম’ সিনেমায় ‘নিন্দার কাঁটা’ গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। তিনি ২০০৮ সালে জাপানের সম্মানসূচক ফুকুওয়াকা পুরস্কার লাভ করেন। প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীন রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গতকাল শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে ইন্তেকাল করেন(ইন্নালিল্লাহি….রাজেউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্বামী ও চার সন্তান রেখে গেছেন। ফরিদা পারভীনের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এছাড়াও সংস্কৃতি, মৎস উপদেষ্টাসহ অন্য উপদেষ্টাগণ শোক প্রকাশ করেছেন। বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন ফরিদা পারভীন। তাকে সপ্তাহে দুই দিন ডায়ালাইসিস করাতে হতো। নিয়মিত ডায়ালাইসিসের অংশ হিসেবে ২ সেপ্টেম্বর মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয় তাকে। তখন ডায়ালাইসিসের পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। তখন চিকিৎসক তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেন। এর পর থেকে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার অবস্থার আরও অবনতি হলে তাকে ভেন্টিলেশনে রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৫৪ সালে ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্ম নেওয়া ফরিদা পারভীন গানে গানে কাটিয়ে দিয়েছেন পুরোটা জীবন। সংগীত জীবনে তাঁকে পার হতে হয় অনেক চড়াই-উৎরাই। নানা ধরনের গান করলেও শিল্পীজীবনে পরিচিতি, জনপ্রিয়তা, অগণিত মানুষের ভালোবাসা মূলত লালন সাঁইয়ের গান গেয়েই। কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন চিরনিদ্রায় শায়িত হচ্ছেন কুষ্টিয়ায়। তাঁর মরদেহ সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তারপর তাঁকে নেওয়া হচ্ছে কুষ্টিয়ায়। সেখানে বাদ মাগরিব নামাজে জানাজা শেষে কুষ্টিয়ার পৌর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে। ফরিদা পারভীনের ছেলে ইমাম নিমেরি উপল সাংবাদিকদের বলেন, ‘মাকে আমরা কুষ্টিয়ায় দাফন করব, তাঁর ইচ্ছে অনুযায়ী।’ সূত্র: বাসস

ন্যাটোকে রুশ তেল কেনা বন্ধের দাবি ট্রাম্পের

ন্যাটোকে রুশ তেল কেনা বন্ধের দাবি ট্রাম্পের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার বলেছেন, তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে প্রস্তুত রয়েছেন। তবে, শর্ত হিসেবে তিনি বলেছেন, পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সব মিত্রকে রাশিয়ার তেল কেনা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে হবে এবং মস্কোর বিরুদ্ধে তাদের নিজস্ব নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে সম্মত হতে হবে। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে। ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসনের অবসান ঘটাতে ন্যাটো মিত্রদের চীনের ওপর ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বিবেচনারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সব ন্যাটো দেশ যখন একমত হবে ও একই পদক্ষেপ নেবে এবং যখন ন্যাটো’র সব দেশ রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করবে, তখন আমি রাশিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে প্রস্তুত। গত সপ্তাহে মস্কো বাহিনী ইউক্রেনে বড় ধরনের বিমান হামলা চালানোর পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়ে আসছেন ট্রাম্প। হুমকি দিলেও মস্কোর বিরুদ্ধে কার্যত কোনো পদক্ষেপ না দেখে হতাশ হয়ে পড়েছে কিয়েভ। গত মাসে আলাস্কায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠক করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, রাশিয়া থেকে ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর তেল ক্রয়ের বিষয়টি ক্রেমলিনের সঙ্গে দরকষাকষির ক্ষমতাকে দুর্বল করে দিচ্ছে। ট্রাম্প বলেছেন, যাইহোক, আপনারা যখন এগিয়ে আসবেন তখন আমিও প্রস্তুত থাকবো। শুধু বলুন, সময়টা কখন?

ডিগ্রি ৩য় বর্ষের প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে অতিরিক্ত সময় 

ডিগ্রি ৩য় বর্ষের প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য থাকবে অতিরিক্ত সময়  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩ সালের ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদেরকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত শর্তে এ সুবিধা দেওয়া হবে। আজ রোববার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. এনামুল করিমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডিগ্রি (পাস) ও সার্টিফিকেট কোর্স ৩য় বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রোম, সেরিব্রালপলসি) পরীক্ষার্থী থাকলে, নির্ধারিত শর্তে ৩০ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে। শর্তগুলো হলো-সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক প্রতিবন্ধী সনদ থাকতে হবে, পরীক্ষা শুরুর আগে অধ্যক্ষ বা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের তথ্য যাচাই করে পরীক্ষা নেয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।