বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত

বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় পর্যায়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা রোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ধর্মীয় নেতা, সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকালে সদর উপজেলার বেহুলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই সংলাপের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বেহুলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোবরাতলা ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. নুরুল আমিন। এছাড়াও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোবরাতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. মজিবুর রহমান এবং মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম। সংলাপে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ধর্মীয় নেতা, বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ অংশ নেন। ইউনিসেফের সহায়তায় “স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ (এসএসবিসি)” প্রকল্পের আওতায় এই সংলাপের আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস। এ সময় বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ শুধু একটি সামাজিক সমস্যা নয়, এটি একটি গভীর মানবাধিকার লঙ্ঘন। অল্প বয়সে বিয়ে হলে মেয়েরা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ে এবং সমাজে তাদের সম্ভাবনা বিকশিত হওয়ার সুযোগ কমে যায়। সংলাপে বক্তারা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অভিভাবকদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর জোর দেন। তারা বলেন, সমাজের প্রত্যেক মানুষ যদি নিজের অবস্থান থেকে এই সমস্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়, তবে পরিবর্তন সম্ভব। এ সময় শিক্ষার্থীরা বাল্যবিবাহ ও সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু সুরক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে তিন দিনব্যাপী কর্মশালার দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সদর উপজেলার মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালার আজ দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস। কর্মশালায় আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. জয়নাল আবেদীন, ইমাম এখলেসুর রহমান এবং প্রকল্পের ফ্যাসিলিটেটর আব্দুর রহিম। ইউনিসেফ এর সহায়তায় স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেবিহার চেঞ্জ প্রকল্পের আওতায় এই সভার আয়োজন করে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ অফিস। কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইমাম, পুরোহিত, মাওলানা ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। প্রশিক্ষণে “শিশু সুরক্ষা, সহিংসতা প্রতিরোধ ও মোকাবেলার কৌশল” বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। কর্মশালায় আলোচকরা বলেন, ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা শিশুদের চারিত্রিক গঠনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। তাই ধর্মীয় নেতাদের শিশুদের সুরক্ষা বিষয়ে সচেতন ও সক্রিয় হতে হবে। সমাজে ধর্মীয় নেতাদের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। মানুষ তাদের কথা গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করে। তাই শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, নির্যাতনের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি করতে এবং সামাজিকভাবে সহিংসতা প্রতিরোধে ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকাই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকর। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী ধর্মীয় নেতারা তাদের অভিমত প্রকাশ করে বলেন, শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে সমাজের প্রতিটি স্তরে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি। মসজিদ, মন্দির বা অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান থেকে এ বিষয়ে বার্তা দেওয়া হলে সমাজে দ্রুত ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। উল্লেখ্য, তিনদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আগামীকাল (১৭ অক্টোবর) শেষ হবে।
সুবিধাভোগীদের তথ্য অনলাইনে হালনাগাদের আহ্বান সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের

সুবিধাভোগীদের তথ্য অনলাইনে হালনাগাদের আহ্বান সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসারের সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রমের আওতায় সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে থাকা সুবিধাভোগীদের তথ্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে হালনাগাদ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগের আওতায় সুবিধাভোগীদের তথ্য অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে হালনাগাদ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস। আজ সকালে সদর উপজেলার মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে তিনদিনব্যাপী শিশু সুরক্ষা বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি-নির্ভর কার্যক্রম চালু করেছে। সুবিধাভোগীদের তথ্য অনলাইনে হালনাগাদ করলে প্রকৃত ভোক্তারা সরকারি সহায়তা দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে পেতে পারবেন।” তিনি আরও বলেন, “তথ্য হালনাগাদ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ, নিকটস্থ কম্পিউটার দোকান বা সরাসরি সমাজসেবা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করা যাবে।” এসময় তিনি উপস্থিত ধর্মীয় নেতাদের অনুরোধ জানান, তারা যেন এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি নিজ নিজ এলাকার জনগণের মাঝে পৌঁছে দেন। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং ইউনিসেফ-এর যৌথ আয়োজনে আয়োজিত এই কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিভিন্ন উপজেলার ইমাম, পুরোহিত, মাওলানা ও অন্যান্য ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। তিনদিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা আগামীকাল (১৭ অক্টোবর) শেষ হবে।
রানীহাটিতে খরা-সহনশীল কৃষিপ্রযুক্তি বিস্তারে কৃষক প্রশিক্ষণ

রানীহাটিতে খরা-সহনশীল কৃষিপ্রযুক্তি বিস্তারে কৃষক প্রশিক্ষণ খরা সহনশীল কৃষিপ্রযুক্তি বিস্তারের লক্ষে সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর হর্টিকালচার সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় প্রশিক্ষণ প্রদান করেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ জহুরুল ইসলাম, রামচন্দ্রপুর হটিকালচার সেন্টারের নার্সারি তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার মাহাতাব হোসেন ও প্রকল্পটির কৃষিবিদ ফয়জুল হক। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্পের সমন্বয়কারী বকুল কুমার ঘোষ, ইউনিট-১০ এর শাখা ব্যবস্থাপক আরমান আলী, সিএমও সিভিল রোকনুজ্জামান সহ অন্যরা। ইসিসিসিপি-ড্রাউট প্রকল্পের আওতায় পিকেএসএফ ও জিসিএফ-এর সহযোগিতায় কর্মশালার আয়োজন কওে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। প্রশিক্ষণে ২০ জন সিসিএজি কৃষক সদস্য অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণের অন্যতম বিষয় ছিল পরিবেশবান্ধব কৃষি বিস্তারে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। এই লক্ষে ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির উপায় ও উপকারিতা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াসের ইসিসিসিপি-ড্রাউট প্রকল্পের আওতায় চালু থাকা ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করেন ইউনিট-১০ এর শাখা ব্যবস্থাপক মো. আরমান আলী। কর্মশালায় সহযোগিতা করেন সিএমও সিভিল মো. রোকনুজ্জামান। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী সদস্যরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ তাদের খরা পরিস্থিতিতে কৃষি অভিযোজন এবং নতুন প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি পদ্ধতি গ্রহণে অনুপ্রাণিত করবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরও ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরও ১১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুর সংক্রমণ আবারও বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে আরও ১১ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনাক্তদের মধ্যে জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে ৩ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলা, বহির্বিভাগে ৩ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন পুরুষ, নাচোলে ১ জন পুরুষ এবং ভোলাহাটে ১ জন মহিলা রোগী রয়েছেন। বর্তমানে জেলায় ১৭ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে জেলা হাসপাতালে ৬ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১১ জন, শিবগঞ্জে ৩ জন, গোমস্তাপুরে ১ জন এবং ভোলাহাটে ২ জন রোগী চিকিৎসাধীন। একই সময়ে জেলা হাসপাতাল থেকে ৩ জন ও নাচোল থেকে ১ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তবে একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৫১০ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে পালিত হলো বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পালিত হলো বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ‘হাত ধোয়ার নায়ক হোন’— এ স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস ২০২৫ পালিত হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতি শেখানো ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বেলুন উড়িয়ে দিবসটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের আইসিটি ল্যাবে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নাকিব হাসান তরফদার। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিত কুমার সরকার। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। অন্যদিকে, নাচোলে উপজেলা প্রশাসন ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালি ও হাত ধোয়া প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়। উপজেলা পরিষদ চত্বর থেকে র্যালিটি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মিনি কনফারেন্স রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিআরডিবি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, ডা. আতিক মাহমুদ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নানসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে দুর্যোগ মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে বিশেষ মহড়া প্রদর্শন করে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে সাঁতার প্রতিযোগিতা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে সাঁতার প্রতিযোগিতা চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব–২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে সদর উপজেলা পর্যায়ে বালক–বালিকাদের দিনব্যাপী সাঁতার প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টায় জেলা স্টেডিয়াম (নতুন) সংলগ্ন সুইমিংপুলে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়। বাংলাদেশ ক্রীড়া পরিদপ্তরের ২০২৫–২০২৬ অর্থবছরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ক্রীড়া অফিস এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। এতে সদর উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ৭০ জন সাঁতারু অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ। জেলা ক্রীড়া অফিসার আবু জাফর মাহমুদুজ্জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সাঁতার ফেডারেশনের কাউন্সিলর মো. খালেকুজ্জামান। এছাড়া জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য, শিক্ষক ও ক্রীড়া সংগঠকেরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি। আয়োজকরা জানান, তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ামুখী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা

চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু অধিকার সপ্তাহ উপলক্ষে আলোচনা সভা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শিশু অধিকার সপ্তাহ-২০২৫ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৪ই অক্টোবর, মঙ্গলবার সকালে শিশুমনি নিবাসের সম্মেলন কক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল ও সিসিডিবি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার সহায়তায় জেলা সমাজসেবা কার্যালয় এই সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসিবে উপস্থিত ছিলেন, সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোসা. উম্মে কুলসুম, সদর উপজেলা সমাজসেবা অফিসার কাঞ্চন কুমার দাস, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার জেমস বিশ্বাস, এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল চাঁপাইনবাবগঞ্জ এর এরিয়া ম্যানেজার নিকোলাস মুরমুসহ অন্যরা। সভায় শিশু সুরক্ষা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ এবং নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ বিষয়ে অলোচনা করেন অতিথিবৃন্দ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন “ডিম আছে প্রোটিন, খেতে হবে প্রতিদিন” – এই প্রতিপাদ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিশ্ব ডিম দিবস-২০২৫ উদযাপন করা হয়েছে। আজ সকালে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। র্যালি শেষে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের উপ-পরিচালক ডা. মো. এমরান আলী প্রামাণিক, জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডা. কবীর উদ্দীন আহমেদ, শিবগঞ্জ উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন, সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শারমীন আক্তার, লাইভস্টক সার্ভিস প্রোভাইডার আব্দুস সালাম, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. শামীমা নাসরিন সহ অন্যরা। সভায় বক্তারা জানান, ডিম সাশ্রয়ী, পুষ্টিকর ও সহজলভ্য খাবার হিসেবে দেশের পুষ্টি ঘাটতি দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানান তারা। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালিতে পথচারীদের সেদ্ধ ডিম খাওয়ানো হয়।
রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশের; রাতে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

সুপার ফোরে রোমাঞ্চকর জয় বাংলাদেশের; রাতে মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান এশিয়া কাপের সুপার ফোরে শ্বাসরুদ্ধকর জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। গতরাতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে ১৯ ওভার ৫বলে জয় নিশ্চিত করে। প্রথমে ব্যাট করে শ্রীলঙ্কা ২০ ওভারে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন অধিনায়ক দাসুন শানাকা। বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর রহমান দারুণ বোলিংয়ে নেন ৩ উইকেট। জয়ের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়লেও সাইফ হাসানের ৪৫ বলে ৬১ রান এবং তাওহীদ হৃদয়ের ৩৭ বলে ৫৮ রানের ঝড়ো ইনিংসে ভর করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। শেষ ওভারে উত্তেজনা তৈরি হলেও নাসুম আহমেদের শান্ত সিঙ্গেলে ৪ উইকেট হাতে রেখে লক্ষে পৌছায় বাংলাদেশ। এদিকে রাজনীতি, কূটনীতি আর প্রতীকী দূরত্ব সবকিছু ছাপিয়ে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তান। এক সপ্তাহে দ্বিতীয়বারে মতো মুখোমুখি হচ্ছে তারা। তবে এবার সুপার ফোরের ম্যাচে। ম্যাচটি শুরু হবে আজ রাত সাড়ে আটটায়। গ্রুপপর্বে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তবে সেই ম্যাচে ব্যাট-বলের লড়াইয়ের চেয়ে বেশি আলোচনায় ছিল পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটারদের হাত মেলাতে না চাওয়া, যাতে জড়িয়ে পড়ে ম্যাচ রেফারির নামও।