বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন সোনম

বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করে সুখবর দিলেন সোনম দ্বিতীয়বার মা হতে যাচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনম কাপুর। গুঞ্জন ছিল আগে থেকেই, এবার প্রকাশ্যে এলো সুখবর। বেবি বাম্পের ছবি শেয়ার করেছেন সোনম নিজেই। কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে ক্যাপশনে তিনি নিজেকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেছেন। গোলাপি কো-অর্ডে একেবারে অন্যরকম দেখিয়েছে তাকে। বেশ কয়েকদিন ধরেই সোনম কাপুরের গর্ভাবস্থা নিয়ে চলছিল নানা জল্পনা। তবে অভিনেত্রী বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে এই ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি সেই সময়ে। কিন্তু এবার সোনমের পোস্টে বিষয়টিতে নিশ্চিত সবাই। বেবি বাম্প শেয়ার করে ভক্তদের সুখবর দিয়েছেন অভিনেত্রী। বেশ কয়েক বছর প্রেম করার পরে ২০১৮ সালের মে মাসে ব্যবসায়ী আনন্দ আহুজার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সোনম। ২০২২ সালের আগস্টে তাদের প্রথম সন্তান বায়ুর জন্ম। এবার তাদের পরিবার আরও বড় হতে চলেছে বলে ঘোষণা করেন অভিনেত্রী। অনিল কাপুরের কন্যা সোনম ২০০৫ সালে সঞ্জয় লীলা বনসালির সিনেমা ‘ব্ল্যাক’-এ সহকারী পরিচালক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০৭ সালে বনসালির রোমান্টিক সিনেমা ‘সাওয়ারিয়া’য় অভিনয়ের মাধ্যমে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন অভিনেত্রী। এরপর থেকে তাকে ‘আই হেট লাভ স্টোরিজ’ এবং ‘রঞ্ঝনা’, ‘ভাগ মিলখা ভাগ’, ‘সঞ্জু’-র মতো সিনেমায়ও দেখা গেছে তাকে।
পেছাল বিপিএল নিলাম, ব্যাংক গ্যারান্টি পায়নি বিসিবি

পেছাল বিপিএল নিলাম, ব্যাংক গ্যারান্টি পায়নি বিসিবি প্রথমে ১৭ নভেম্বর। এরপর ২৩ নভেম্বর। এবার ৩০ নভেম্বর। সাত দিন বাড়িয়ে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের নিলাম পুনর্নিধারণ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। যদি ৩০ নভেম্বর বিসিবির নিলাম হয় তাহলে ১৮-১৯ দিন পরই বিপিএল শুরুর সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখন পর্যন্ত খবর, বিপিএল না-ও আয়োজন করতে পারে বিসিবি। আয়োজন এবং দ্বিতীয় দফায় নিলাম পেছানোর কারণ এখন পর্যন্ত পাঁচ ফ্র্যাঞ্চাইজি কারোর কাছ থেকেই ব্যাংক গ্যারান্টি পায়নি বিসিবি। বিপিএলের ফ্র্যাঞ্চাইজিদের পেশাদারিত্ব নিয়ে বারবারই প্রশ্ন তোলা হয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। নতুন করে পাঁচ বছরের জন্য দল নেওয়া পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে নিয়েও বিপাকে আয়োজকরা। নতুন করে দল পেতে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে ১০ কোটি টাকার ব্যাংক গ্যারান্টি দেওয়ার কথা ছিল। দ্বিতীয় দফায় সময় বাড়ানোর পর গতকাল ছিল ব্যাংক গ্যারান্টি জমা দেওয়ার শেষ দিন। অথচ কেউই এখন পর্যন্ত ব্যাংক গ্যারান্টি দেয়নি। যদিও আরেক সূত্রের দাবি, দুটি দল আংশিক ব্যাংক গ্যারান্টি দিয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজিদের কাছ থেকে সাড়া না পাওয়াতে নিলামের সময় বাড়িয়েছে বিসিবি। তবে নিলামের আগে প্রস্তুতি নিয়ে ভালো খবর না পাওয়ায় বিপিএল আয়োজনের ইচ্ছা হারিয়ে ফেলতে শুরু করেছে বিসিবি। শেষ পর্যন্ত যদি বিপিএল হয়-ও তাহলে বিসিবি একাধিক ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা নিতে পারে।
‘সেঞ্চুরিতে’ সেঞ্চুরির ফুল ফুটিয়ে মুমিনুলের পাশে মুশফিকুর

‘সেঞ্চুরিতে’ সেঞ্চুরির ফুল ফুটিয়ে মুমিনুলের পাশে মুশফিকুর ঘড়ির কাঁটায় সকাল সাড়ে নয়টা থেকেই মিরপুর শের-ই-বাংলার সব ক্যামেরা তাক করা মুশফিকুর রহিমের ওপর। আগের দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছিলেন। সাত সকালেই মুশফিকুর ছুঁয়ে ফেলবেন সেঞ্চুরি এমনটাই আশা করা হচ্ছিল। সেটাও বিশেষ এক উপলক্ষে। মুশফিকুর রহিম নিজের সেঞ্চুরি ম্যাচে করবেন সেঞ্চুরি। টেস্ট ক্রিকেটের প্রায় দেড়শ বছরের ইতিহাসে এর আগে কেবল দশ ব্যাটসম্যানই নিজেদের সেঞ্চুরি ম্যাচে তিন অঙ্ক ছুঁতে পেরেছিলেন। রিকি পন্টিং একটু আলাদা। নিজের সেঞ্চুরির ম্যাচে দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি তার। নিজেকে এবং পুরো বাংলাদেশকে অপেক্ষায় রাখলেন না মুশফিকুর। দ্বিতীয় দিনের নবম এবং নিজের খেলা অষ্টম বলে ১ রান নিয়ে ল্যান্ডমার্কে পৌঁছে যান। সেঞ্চুরির টেস্টে সেঞ্চুরি রান ক্রিকেট ইতিহাসের একাদশতম ক্রিকেটার মুশফিকুর। ইতিহাসের অক্ষয় কালিতে নিজের নাম লিখে ফেললেন এমআরফিফটিন। ১৯৬৮ সালে যেই যাত্রা শুরু করেছিলে কলিন কাউড্রে। এরপর জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, ইনজামাম, আমলা, রুট সহ ওয়ার্নারের নাম আছে। এলিট এই ক্লাবের নবীনতম সদস্য মুশফিকুর। পুরো রাত যেই অপেক্ষায় ছিলেন মু্শফিকুর সেই ১ রান নিশ্চিত করেই ভো দৌড়। মাঝ ক্রিজে দুই হাত উপরে তুলে উদযাপন শুরু হয়ে যায় তার। রান পূর্ণ করার পর একটু রয়েশয়েই উদযাপন করেন। এরপর হেলমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে মুখে চওড়া হাসি নিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। সৃষ্টিকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে এরপর সিজদাতে নিজেকে সপে দেন। সতীর্থ লিটনকে জড়িয়ে ধরার আগে গ্যালারিতে ব্যাট নাড়িয়ে মুশফিকুর সমর্থনদের জবাব দেন। টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৩তম সেঞ্চুরি পেলেন মুশফিকুর। দেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান করা মুশফিকুর এই সেঞ্চুরিতে মুমিনুল হককে ছুঁয়ে ফেললেন। মুমিনুল ১৩ সেঞ্চুরি নিয়ে আগে শীর্ষে ছিলেন। সেঞ্চুরি ম্যাচে সেঞ্চুরির ল্যান্ডমার্ক ছুঁয়ে মুশফিকুর এখন মুমিনুলের পাশে। তবে সেঞ্চুরির পর ইনিংসটি আর লম্বা করতে পারেননি। বাঁহাতি স্পিনার ম্যাথু হামফ্রিজের ছোবল দেওয়া ডেলিভারিতে ব্যাট সরাতে পারেননি। ২১৪ বলে ১০৬ রানে থেমে যায় তার ইনিংস।
মুশফিক-লিটনের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রানে থামল বাংলাদেশ

মুশফিক-লিটনের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৪৭৬ রানে থামল বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৪৭৬ রানের বড় সংগ্রহ পেয়েছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশনে আইরিশ অফ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রিনের ঘূর্ণিতে অলআউট হওয়ার আগে বড় স্কোরের শক্ত ভিত পায় স্বাগতিকরা। প্রথম দিনের সাবধানী শুরুর পর দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের ইনিংসের মূল চালিকাশক্তি ছিল মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ব্যাট। বিশেষ করে নিজের শততম টেস্টে ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে দিনটি স্মরণীয় করে রাখেন ‘মিস্টার ডিপেন্ডেবল’ মুশফিকুর রহিম। লিটন-মুশফিকের দাপট দিনের শুরু থেকেই দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী মেলে ধরেন দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ২১৪ বল মোকাবিলা করে ১০৬ রানের ধ্রুপদী এক ইনিংস খেলেন মুশফিক। ধৈর্য, সঠিক শট নির্বাচন এবং অভিজ্ঞতার মিশেলে সাজানো তার এই ইনিংসটি থামে হাম্প্রিজের বলে বালবিরনির হাতে ক্যাচ দিয়ে। আউট হওয়ার আগে অবশ্য তিনি গড়েছেন ইতিহাস—বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে নিজের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার অনন্য কীর্তি গড়েন তিনি। অন্যদিকে, উইকেটে শান্ত অথচ আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন লিটন দাস। অসাধারণ টাইমিংয়ে মুগ্ধতা ছড়িয়ে ১৯২ বলে ১২৮ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। টপ ও মিডল অর্ডারের অবদান এর আগে, ইনিংসের শুরুতে দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় (৩৪) ও সাদমান ইসলাম (৩৫) ভালো শুরু এনে দিলেও ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন। তবে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর দলের হাল ধরেন মুমিনুল হক। সাবলীল ব্যাটিংয়ে ১২৮ বলে ৬৩ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। সেঞ্চুরির সম্ভাবনা জাগিয়েও ২০২ রানের মাথায় দলীয় স্কোরে তিনি আউট হন। লোয়ার অর্ডারের লড়াই ও মিরাজের আক্ষেপ লিটন-মুশফিকের বিদায়ের পর লোয়ার অর্ডারে দলের রান বাড়ানোর দায়িত্ব নেন মেহেদী হাসান মিরাজ। পরিণত ব্যাটিংয়ে এগোতে থাকলেও ফিফটি থেকে মাত্র ৩ রান দূরে থাকতে গ্রাহাম হিউমের (হোয়ে) শিকার হন তিনি (৪৭)। শেষ দিকে ইবাদত হোসেনের ১৮ ও হাসান মুরাদের ১১ রানের সুবাদে ৪৭৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ম্যাকব্রিনের ৬ উইকেট বাংলাদেশের রান উৎসবেও বল হাতে আলো ছড়িয়েছেন আয়ারল্যান্ডের অ্যান্ডি ম্যাকব্রিন। একাই ৬ উইকেট শিকার করে তিনি বাংলাদেশের ব্যাটিং লাইনআপ গুড়িয়ে দেন। এছাড়া আইরিশদের হয়ে হাম্প্রিজ ও হিউম (হোয়ে) প্রত্যেকে ২টি করে উইকেট লাভ করেন।
সংবর্ধনা পেল ঋদ্ধি ও রোজা

সংবর্ধনা পেল ঋদ্ধি ও রোজা বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’-এ চাঁপাইনবাবগঞ্জের রোহিনী হাসান ঋদ্ধি ক বিভাগের গল্প বলায় প্রথম হওয়ায় এবং মালিহা মোস্তারী রোজা লোকসংগীতে সেরা দশে স্থান পাওয়ায় বাংলাদেশ শিশু অ্যাকাডেমি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা অফিস উভয়কে সংবর্ধনা দিয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বিকেলে শিশু অ্যাকাডেমির হলরুমে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মোন্নাফ আলীর সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মুখ্য আলোচক ছিলেন বালুগ্রাম আদর্শ কলেজের অবসরপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ ও অনলাইন পত্রিকা চাঁপাই লাইভের সম্পাদক ন,স,ম, মাহবুবুর রহমান মিন্টু। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন— নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. গোলাম মোস্তফা, রোহিনী হাসান ঋদ্ধির মাতা সায়মা রওশন নূরী, মালিহা মোস্তারী রোজার মাতা আসমাউল হোসনা, অভিভাবক এ.এইচ.এম. রাজু, শিশু অ্যাকাডেমির নৃত্য প্রশিক্ষক সুমাইয়া চৌধুরী অরিন, চারুকলা প্রশিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মুহাইমেন, সংগীত প্রশিক্ষক নুর ইসলাম ও আবৃত্তি প্রশিক্ষক কাব্য মোল্লাহ্। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মো. ওমর ফারুক। আলোচনা শেষে মুখ্য আলোচক ও অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন। আলোচকবৃন্দ বলেন, প্রত্যেকটি শিশুরই মেধা রয়েছে, তবে উপযুক্ত পরিবেশ ও সহযোগিতা দিয়ে তাকে জাগিয়ে তুলতে হবে।
চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার ভোট দিবেন ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮ জন

চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ : চাঁপাইনবাবগঞ্জে এবার ভোট দিবেন ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা ও ভোট কেন্দ্র এবং ভোট কক্ষের তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস। প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী জেলায় এবার মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ১৩ হাজার ২৩৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ১১ হাজার ৬৫০ জন এবং মহিলা ভোটার ৭ লাখ ১ হাজার ৫৮৮ জন। আর তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন। এছাড়া তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে পুরুষের তুলনায় ৪ হাজার ৪২ জন নারী ভোটার বেশি রয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে জেলা নির্বাচন অফিস। এর আগে গত মঙ্গলবার সারাদেশের চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে, ৪৩, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনটি ১টি পৌরসভা ও ১৫টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয়েছে। এই আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৩৮ জন এবং মহিলা ভোটার ২ লাখ ৪২ হাজার ৮৩৩ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র হচ্ছে ১৫৯টি এবং ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে ৯১৯টি। এই ৯১৯টি ভোট কক্ষের মধ্যে স্থায়ী ভোট কক্ষ হচ্ছে ৮৮৫টি ও অস্থায়ী ৩৪টি। অন্যদিকে ৪৪, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (গোমস্তাপুর-নাচোল-ভোলাহাট) আসনটি গঠিত হয়েছে ২টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন নিয়ে। এই আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৪৩৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ২৫ হাজার ১৯৫ জন ও মহিলা ভোটার হচ্ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ২৩৭ জন। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ জন। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ৮২৪টি এবং মোট ভোট কক্ষ হচ্ছে ৮৬১টি। এই ৮৬১টি ভোট কক্ষের মধ্যে স্থায়ী ভোট কক্ষ ৮২৪টি ও অস্থায়ী ৩৭টি। এদিকে জেলার সদর উপজেলার অর্থাৎ ৪৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনটি ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত হয়েছে। এই আসনে মোট ভোটার দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৭৩৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৩ হাজার ২১৭ জন ও মহিলা ভোটার ২ লাখ ২৯ হাজার ৫১৭ জন। এই আসনে ভোট কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭২টি এবং ভোট কক্ষ নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৮২টি। এই ৮৮২টি ভোট কক্ষের মধ্যে স্থায়ী ৮৬১টি ও অস্থায়ী ২১টি। জেলা নির্বাচন অফিসার মো. আজাদুল হেলাল এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক জেলার ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং ভোট কেন্দ্রের প্রাথমিক তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের তালিকা সংগ্রহ করা হচ্ছে, তফসিল ঘোষণার পর চূড়ান্ত করা হবে।
তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ : প্রয়াসের ফুটবল ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা

তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ : প্রয়াসের ফুটবল ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চাঁপাইনবাবগঞ্জে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উপলক্ষে ফুটবল ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা কর্মসূচি পালন করেছে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি। বুধবার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় এ কর্মসূচি পালিত হয়। ফুটবল খেলা ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন চকঝগড়ু স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মমিনুল হক। সভাপতিত্ব করেন প্রয়াসের সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— প্রয়াস হসপিটালের সহকারী কর্মসূচি ব্যবস্থাপক হোসেন আলী, সমৃদ্ধি কর্মসূচির উপজেলা সমন্বয়কারী তৌহিদুল ইসলাম, সহকারী সমন্বয়কারী মজলুম ইসলাম, সমৃদ্ধির স্বাস্থ্য কর্মকর্তা খলিল উদ্দিন। লাল ও সবুজ দলের মধ্যে ফুটবল খেলায় ১-০ খোলে লাল দল জয়লাভ কর। এর আগে কিশোর-কিশোরীরা বিতর্ক, গান কবিতা আবৃত্তি প্রতিযোগিতায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেনে অতিথিবৃন্দ। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহযোগিতায় সমৃদ্ধি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে একদিনে আরো ২ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরো ২ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের আন্তঃবিভাগে শনাক্ত হয়েছেন। ভর্তি রোগীদের মধ্যে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৯ জন পুরুষ ও ২ জন মহিলাসহ ১১ জন, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১ জন পুরুষ, গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন পুরুষ রোগী ভর্তি রয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিস ও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিদিনের প্রতিবেদনে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয়ের হিসাবমতে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ২ হাজার ৭১৬ জন।
ডেঙ্গুতে ৬ জনের প্রাণহানি

ডেঙ্গুতে ৬ জনের প্রাণহানি এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৪৯। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে আজ বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ৭৮৮ জন এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকা মহানগরের হাসপাতালগুলোতে ২৫২ জন, ঢাকা বিভাগে (সিটি কর্পোরেশনের বাইরে) ১৩০ জন, বরিশাল বিভাগে ৮৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১০৮ জন, খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮৮ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এছাড়া, চলতি বছর এখন পর্যন্ত এই রোগটিতে আক্রান্ত হয়ে ৮৭ হাজার ৭১২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
বিশ্বমঞ্চে ‘বাংলার রানি’ মিথিলা

বিশ্বমঞ্চে ‘বাংলার রানি’ মিথিলা একসময় বাংলার অভিজাত শ্রেণির জন্য বোনা হতো জামদানি শাড়ি, যা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বহন করে চলেছে একই শিল্পরীতি, সৌন্দর্যবোধ আর সাংস্কৃতিক গৌরবের নিদর্শন। বাংলার প্রাচীন তাঁতশিল্প থেকে উঠে আসা এই ন্যাশনাল কস্টিউম একটি হাতে বোনা জামদানি শাড়ি। এতে মিশে আছে ঐতিহ্য, সৌন্দর্য আর দৃঢ়তার গল্প। এর শিকড় সতের শতকের মোগল আমলে, যখন জামদানি ছিল রানি, নবাব পরিবারের নারী ও অভিজাতমহলের বিলাসী আর রুচির প্রতীক। সূক্ষ্ম সুতায় বোনা এই শাড়ির প্রতিটি সুতা তৈরি হয়েছে বাছাই করা তুলা থেকে। যে সুতার ওপরে ফুটে উঠেছে সোনালি জরির কারুকাজ। ঢাকার অদূরে নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা তীরের দক্ষ তাঁতিদের হাতে এসব নকশা নতুন জীবন পেয়েছে। ২০১৩ সালে ইউনেসকো জামদানিকে ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এর শিল্পগুণ ও ঐতিহ্যের প্রতি বিশ্বব্যাপী শ্রদ্ধার প্রমাণ এটি। মিথিলার পুরো শাড়িতে ফুটে উঠেছে শাপলার মোটিফ। এই মোটিফ বেছে নেওয়ার কারণ হিসেবে মিথিলা বলেন, “শাপলা এই মাটির শান্তি, পবিত্রতা ও অপরাজেয় মনোভাবের প্রতীক। এই বিশেষ জামদানি শাড়িটি পুরোপুরি হাতে তৈরি করা, বানাতে সময় লেগেছে প্রায় ১২০ দিন। শাড়িটির ডিজাইন করেছেন আফরিনা সাদিয়া সৈয়দা।” জামদানি শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে বেছে নিয়েছেন ব্লাউজ ও গহনা; যা বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। পুরো সেটটি তৈরি করেছে সিক্স ইয়ার্ড স্টোরি। গহনার পুরো সেটটি বানাতে ১২ জন কারিগরের সময় লেগেছে আড়াই মাস। মিথিলা চেয়েছিলেন সাদা জামদানির সঙ্গে পুরো গহনায় থাকবে সোনালি লুক। এ কারণে ২২ ক্যারেট সোনার প্রলেপ দেওয়া হয়েছে সম্পূর্ণ গহনায়। টিকলি, চোকার, ঝুমকা, বালা, মোটা চূড়া, রতনচূড়, বাজু, বিছা, চাবির গোছা, আঁচলের ওপর বসানো গহনার সবকিছুতেই শাপলার থিম রয়েছে। গলার হারের ঝুলে থাকা সবুজ পাথরগুলো শাপলা পাতার রং থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তৈরি করা হয়েছে। মিথিলাকে এমন সাজপোশাকে দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা। শফিকুল আলম বাবু লেখেন, “মন ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।” ওপার বাংলার আদিত্রী লেখেন, “মা সরস্বতীর লুকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা। পদ্মফুলের সঙ্গে মা লক্ষ্মীর আভা বজায় রাখা। তাহলে আপনি কি উভয় বাংলার প্রতিনিধিত্ব করছেন?” সৈয়দা মরিয়ম সিরাত লেখেন, “এটা কীভাবে সম্ভব! আমি একমাস আগে অনেক পোস্টে মন্তব্য করেছিলাম, ‘মিথিলা আপুর মধ্যে ‘ওয়াটার লিলির’ মতো আভা আছে। সরল, নরম, মার্জিত অথচ সুন্দর।” এমন অসংখ্য মন্তব্য শোভা পাচ্ছে কমেন্ট বক্সে।