চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী গ্রিনল্যান্ড এবং শুল্ক ইস্যুতে মার্কিন চাপের মুখে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক না রাখা বোকামি হবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার চীনের সাংহাইয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। চীন সম্পর্কিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের বিষয়ে স্টারমার বলেন, আন্তর্জাতিক ঘটনাপ্রবাহ সরাসরি দেশের অভ্যন্তরে প্রভাব ফেলছে। তাই অস্থির বিশ্বে যুক্ত থাকতে হবে। এর আগে চীনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ব্যবসা করাকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রতিক্রিয়ায় স্টারমার বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্য আমি দেখেছি। এই সফরের আগে আমরা তার টিমের সঙ্গে আলোচনা করেছি। ট্রাম্প নিজেও এপ্রিলে চীন সফরে আসতে পারেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যা ঘটছে, তার প্রভাব সরাসরি আমাদের ঘরোয়া পরিস্থিতিতে পড়ছে। তাই আমাদের যুক্ত থাকতে হবে। বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের পরিস্থিতিতে যুক্তরাজ্য ও চীনের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা- সমন্বয় জরুরি বলে মনে করেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ক্রিস্টোফার পিসারিদিস। সূত্র: বিবিসি

দেশে এসেছে ১ লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

দেশে এসেছে ১ লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীরা দেশে ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৩ জন প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার রাতে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত প্রবাসীদের ঠিকানায় মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পেপার পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ১৬ হাজার ৭ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৫৪ হাজার ৫৮৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ভোট দেওয়ার পর ৪ লাখ ৬ হাজার ৫৬৪ জন প্রবাসী ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন। প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ভোটারদের মধ্যেও পোস্টাল ব্যালট বিতরণ করা হয়েছে।  নির্বাচন কমিশন (ইসি) জানায়, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) নিবন্ধনকারী ২ লাখ ৬৯ হাজার ভোটারের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ইসির তথ্যমতে, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দেশের ভেতর ৩ হাজার ৭৪৮ জন ভোটার ব্যালট পেপার গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২২ জন ভোটার ভোটদান সম্পন্ন করেছেন এবং ১ হাজার ১৪৯ জন ভোটার তাদের ব্যালট পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন। সালীম আহমাদ খান আরও জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দেওয়ার জন্য দেশে ও বিদেশে মিলিয়ে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন।

৬৫ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের

৬৫ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়ার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২০২৬ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অতিরিক্ত প্রায় ৬৫ হাজার এইচ-২বি মৌসুমি গেস্ট ওয়ার্কার ভিসা যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফেডারেল রেজিস্টারের এক নোটিশে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে শ্রমিক সংকটে মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে থাকা নিয়োগকর্তাদের জন্য এই ভিসাগুলো উন্মুক্ত করা হবে। প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন খাতে প্রতিবছর যে ৬৬ হাজার এইচ-২বি ভিসা দেওয়া হয়, তার সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এতে স্বীকার করা হয়েছে যে এসব খাতে মার্কিন নিয়োগকর্তারা পর্যাপ্ত শ্রমিক খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান শুরু করেন এবং অনিয়মিত অভিবাসীদের অপরাধী ও সমাজের ওপর বোঝা হিসেবে তুলে ধরেন। একইসঙ্গে তার প্রশাসন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও শরণার্থী ও আশ্রয়প্রার্থীদের আবেদন পর্যালোচনার মাধ্যমে বৈধ অভিবাসনের কিছু পথও কঠোর করেছে। তবে অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসার সংখ্যা অতীতেও বাড়ানো হয়েছিল, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সময়ে এবং ট্রাম্পের ২০১৭ থেকে ২০২১ মেয়াদেও। মৌসুমি ব্যবসার নিয়োগকর্তারা, বিশেষ করে হোটেল খাত, দীর্ঘদিন ধরেই বেশি ভিসার দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ট্রাম্পের কড়াকড়ি অভিবাসন নীতির কারণে কিছু নির্মাণ প্রতিষ্ঠান শ্রমিক সংকটের অভিযোগও করেছে। তবে অভিবাসন কমানোর পক্ষে থাকা গোষ্ঠীগুলো এই ভিসার বিরোধিতা করে বলছে, এতে মার্কিন শ্রমিকদের মজুরি কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এরই মধ্যে ট্রাম্প প্রশাসন এইচ-১বি কর্মী ভিসায় এক লাখ ডলার ফি আরোপ করে প্রযুক্তি খাতের জন্য বিদেশি কর্মী নিয়োগ আরও কঠিন করেছে, যা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ চলছে। ফেডারেল রেজিস্টারের নোটিশে জানানো হয়েছে, অতিরিক্ত এইচ-২বি ভিসা কার্যকর করতে অস্থায়ী একটি বিধি আগামী মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। সূত্র: রয়টার্স

সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে

সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশব্যাপী বিস্তৃত প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। ভোটাররা যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে লক্ষ্য সামনে রেখেই এই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিজিবি সদর দফতর সূত্র জানায়, দেশের ৪ হাজার ৪২৭ কিলোমিটার সীমান্ত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রেখেই সারা দেশে ৩৭ হাজারেরও অধিক বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে। দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মধ্যে ৪৮৯টি উপজেলায় বিজিবি নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী ৬১টি উপজেলায় বিজিবি এককভাবে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করবে। ঝুঁকি বিবেচনায় সারাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনেই বিজিবি মোবাইল ও স্ট্যাটিক ফোর্স হিসেবে দায়িত্বে থাকবে। উপজেলা ভেদে ২ থেকে ৪ প্লাটুন বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকার কথা রয়েছে। সূত্র আরও জানায়, নির্বাচনকালীন যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম (আরএটি) এবং হেলিকপ্টারসহ কুইক রেস্পন্স ফোর্স (কিউআরএফ) প্রস্তুত থাকবে বলে সূত্র জানায়, যারা প্রয়োজন হলে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে বিশেষায়িত কে-নাইন ডগ স্কোয়াড ইউনিটও মোতায়েন থাকবে।

সরকারি কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না

সরকারি কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর প্রচার চালাতে পারবেন না ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর পক্ষে প্রচারণা করতে পারবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপ-সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ সংক্রান্ত নির্দেশনা রিটার্নিং কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছেন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ এর বিধানাবলীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণপূর্বক জানানো যাচ্ছে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‌‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে বা ‘না’ এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনো ধরনের আহ্বান জানাতে পারবেন না। কেননা, এ ধরনের কার্যক্রম গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে, যা গণভোট অধ্যাদেশ ২০২৫ এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের বলা হয়েছে নির্দেশনায়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

৯ম পে স্কেলের গেজেট দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ

৯ম পে স্কেলের গেজেট দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে স্কেলের গেজেট দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃহস্পতিবার বিকেলে বিক্ষোভ-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন এই কর্মসূচির আয়োজন করে। সংগঠনটির সভাপতি এবং জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নাজির মো. ওবায়দুর ইসলামের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে কোর্ট চত্বর প্রদক্ষিণ করে। পরে জেলা আইনজীবী সমিতির সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। কর্মসূচিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি একরামুল হক, সহসভাপতি মো. সাদিকুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ও নির্বাহী সদস্য মো. আবুল কালাম আজাদসহ অন্য কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

আচরণবিধি লঙ্ঘনে ১১৯ মামলা, জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা

আচরণবিধি লঙ্ঘনে ১১৯ মামলা, জরিমানা সোয়া ১২ লাখ টাকা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ১১৯ মামলা ও ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করেছে নির্বাচন কমিশনের মাঠ কর্মকর্তারা।  আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব ও এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক (অপারেশন) মো. সাইফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।  সাইফুল জানান, প্রতিদিন নির্বাচনে মাঠ পর্যায়ের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে নানা কার্যক্রম এর মধ্যে আচরণবিধি লঙ্ঘনে মামলা ও জরিমানা করা হচ্ছে।  গত ৮ জানুয়ারি থেকে ২৮ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালন/অভিযোগ বিষয়ে গৃহীত ব্যবস্থা (জেল/জরিমানা) সম্পর্কে প্রতিবেদন জানা যায়, ১৭৬টি নির্বাচনি এলাকায় ১৯২টি আচরণবিধি ভঙ্গের ঘটনা ঘটেছে। এতে মোট জরিমানা করা হয়েছে ১২ লাখ ২৪ হাজার ৩০০ টাকা। আর মামলা করা হয়েছে ১১৯টি। নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, ইসির কাছে কোনো অভিযোগ এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে রিটার্নিং অফিসার, মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছে। প্রতিদিনই তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে। আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট পাচ্ছি কেস রুজু হচ্ছে; কোথাও জরিমানা হচ্ছে; কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম আপনার জোরেশোরে চলছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২ হাজারের কাছাকাছি প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালতে পারবেন এসব প্রার্থীরা। আর ভোটগ্রহণ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তোলপাড়: অবশেষে মুখ খুললেন হিরণ

দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে তোলপাড়: অবশেষে মুখ খুললেন হিরণ ভারতীয় বাংলা সিনেমার চিত্রনায়ক ও বিজেপির বিধায়ক হিরণ চ্যাটার্জি। ব্যক্তিগত জীবনে অনিন্দিতা চ্যাটার্জির সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। তাদের ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে নাইসা নামে একটি কন্যাসন্তান রয়েছে; যার বয়স ১৯ বছর। গত ২০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করে দ্বিতীয় বিয়ের ঘোষণা দেন হিরণ। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম ঋত্বিকা গিরি। ২১ বছর বয়সি ঋত্বিকা পেশায় একজন মডেল। বিয়ের নানা মুহূর্তের ছবি দ্রুত অন্তর্জালে ছড়িয়ে পড়ে; শুরু হয় তোলপাড়। পরে তা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে মুছে ফেলেন হিরণ। কিন্তু এ নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েন ‘নবাব নন্দিনী’খ্যাত এই নায়ক। এই বিয়েকে ‘অবৈধ’ বলে মন্তব্য করেছেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। তবে বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন হিরণ। অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন তিনি।  ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন হিরণ। বিজেপির এই বিধায়ক বলেন, “আমি এত দিন কলকাতায় ছিলাম না, চেন্নাইয়ে ছিলাম। যে বিষয়টি বিচারাধীন তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাই না। আদালতের অসম্মান তো করতে পারি না।” হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার দাবি—হিরণের সঙ্গে তার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ হয়নি। ফলে ঋত্বিকাকে বিয়েটি আইনিভাবে বৈধ নয়। গত ২১ জানুয়ারি বিষয়টি নিয়ে থানায় মামলা করেছেন তিনি। হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার কিছু বক্তব্য শুনেছেন ঋত্বিকা গিরি। তার কিছু বিষয় পরিষ্কার করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। কয়েক দিন আগে ঋত্বিকা বলেন, “আমার বয়স সম্পর্কে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। উনাকে বিবাহবিচ্ছেদের আইনি চিঠি পাঠানো হয়েছে। এই বিয়ে আমরা আগেই করেছি। গত ৫ বছর বছর ধরে একসঙ্গে আছি। আর এসব বিষয় অনিন্দিতা জানতেন।”  হিরণের সঙ্গে ঋত্বিকার বিয়েকে ইলিগ্যাল বলে মন্তব্য করেছেন অনিন্দিতা। এ বিষয়ে ঋত্বিকা বলেন, “যদি মনে হয় এটা (বিয়ে) অবৈধ, তাহলে আমার একটাই কথা—উনাকে লিগ্যাল পদক্ষেপ নিতে বলেন। এরপর এ বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই।”

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে রণবীরের বিরুদ্ধে মামলা

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে রণবীরের বিরুদ্ধে মামলা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে বলিউড অভিনেতা রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর অতিরিক্ত বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগটি দাখিল করেন বেঙ্গালুরুর আইনজীবী প্রশান্ত মেথাল। খবর ইন্ডিয়া টুডের। এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, অভিযোগ দাখিলের পর চলতি বছরের ২৩ জানুয়ারি আদালত হাই গ্রাউন্ডস থানাকে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর ১৭৫(৩) ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে মামলাটি বিএনএস-এর ১৯৬, ২৯৯ ও ৩০২ ধারায় নথিভুক্ত করা হয়। মামলার নথিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বর ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত হয় ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া’ এর সমাপনী অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের একটি অংশে উপকূলীয় কর্নাটকের ভুত কোলা প্রথার পূজিত এক দেবতাকে উপহাস করার অভিযোগ আনা হয়েছে রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনাটি যে মঞ্চে ঘটেছিল, সেখানে ‘কানতারা: চ্যাপ্টার-১’ সিনেমার প্রধান অভিনেতা ঋষভ শেঠিও উপস্থিত ছিলেন। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, চাভুন্ডি দৈব ভূত কোলা আচার-অনুষ্ঠানে পূজিত এক রক্ষক আত্মা এবং তাদের পারিবারিক দেবতা। এই দেবতাকে উদ্দেশ করে রণবীর সিং পাঞ্জুরলি/গুলিগা দৈবের ঐশ্বরিক অভিব্যক্তি অশ্লীল ও হাস্যকর ভঙ্গিতে অনুকরণ করেন। কেবল তাই নয়, অভিনেতা মৌখিকভাবে চাভুন্ডি দৈবকে ‘নারী ভূত’ বলেও উল্লেখ করেন, যা অভিযোগকারীর মতে অত্যন্ত আপত্তিকর। দৈব-সংক্রান্ত কোনো অভিনয় না করার অনুরোধ জানানোর পরও অভিনেতা রণবীর সিং ‘কানতারা: চ্যাপ্টার-১’ সিনেমা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চাভুন্ডি দৈবের দৃশ্য মঞ্চায়ন করেন। চাভুন্ডি দৈব কোনো ভূত নন, বরং তিনি ন্যায়বিচার, সুরক্ষা, দিব্য নারীত্বের প্রতীক এক শক্তিশালী রক্ষক আত্মা; উপকূলীয় কর্নাটকে যার গভীর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্ব রয়েছে। তাকে ‘ভূত’ বলে উল্লেখ করাকে নিন্দাজনক, হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাসের প্রতি গুরুতর অপমান হিসেবে অভিহিত করেছেন অভিযোগকারী। রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাটি বেঙ্গালুরুর প্রথম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হঠকারিতা রুখতে সরব চীন

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হঠকারিতা রুখতে সরব চীন ইরান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র যখন মারমুখী, তখন রণংদেহী মেজাজে সতর্ক করলো চীন। জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু চং ইরানের ওপর সামরিক চাপের বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।  বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে চীনের সংবাদমাধ্যম সিনহুয়া। প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু চং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক দুঃসাহসিকতা বা হঠকারিতার বিষয়ে বুধবার (২৮ জানুয়ারি) নিরাপত্তা পরিষদে কড়া বার্তা দিয়েছেন।  নিরাপত্তা পরিষদের ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক এক বৈঠকে ফু চং বলেন, “ইরানের বর্তমান পরিস্থিতি ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। যুদ্ধের কালো ছায়া ঘনীভূত হওয়ার সাথে সাথে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ছে।” তিনি আরো বলেন, “শক্তির ব্যবহার কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারে না। যেকোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা এই অঞ্চলকে এক অনিশ্চিত অতল গহ্বরের দিকে ঠেলে দেবে।” ফু চং বলেন, “চীন আশা করে যে যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক দেশগুলোর আহ্বানে সাড়া দেবে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সহায়ক ভূমিকা পালন করবে এবং উত্তেজনা বাড়িয়ে ‘আগুনে ঘি ঢালা’ থেকে বিরত থাকবে।”তিনি উল্লেখ করেন, ইরান একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এর ভবিষ্যৎ ইরানের জনগণকেই স্বাধীনভাবে নির্ধারণ করতে দেওয়া উচিত। চীন ইরানে স্থিতিশীলতা দেখতে চায় এবং দেশটির সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক অখণ্ডতা বজায় রাখার বিষয়টিকে সমর্থন করে। চীনা দূত আরো বলেন, “আমরা সব পক্ষকে জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও নীতি মেনে চলার, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করার এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ বা শক্তির হুমকি প্রত্যাখ্যান করার আহ্বান জানাই।”বক্তব্যের শেষে তিনি জোর দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য এই অঞ্চলের মানুষের। এটি বড় শক্তিগুলোর আধিপত্য বিস্তারের কুস্তি খেলার ময়দান নয়, কিংবা অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার শিকারও হওয়া উচিত নয়। চীন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে মিলে এই অঞ্চলের মানুষের স্বাধীন পছন্দকে সম্মান জানাতে এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত বলে তিনি জানান।