মাদুরোকে অপহরণের আগে ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গোপন আলাপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মাদুরোকে অপহরণের আগে ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গোপন আলাপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের জন্য মার্কিন অভিযানের কয়েক মাস আগে ভেনেজুয়েলার কট্টর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো ক্যাবেলোর সাথে আলোচনা করেছিলেন মার্কিন কর্মকর্তারা। তখন থেকেই তার সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছেন ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একাধিক ব্যক্তির বরাত দিয়ে শনিবার রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। চারটি সূত্র জানিয়েছে, কর্মকর্তারা ৬২ বছর বয়সী ক্যাবেলোকে দেশের বিরোধী দলকে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য তার তত্ত্বাবধানে থাকা নিরাপত্তা পরিষেবা বা শাসকদলের সমর্থকদের ব্যবহার না করার জন্য সতর্ক করেছিলেন। ৩ জানুয়ারি মার্কিন অভিযানের পরেও গোয়েন্দা পরিষেবা, পুলিশ এবং সশস্ত্র বাহিনীসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি মূলত অক্ষত রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে গ্রেপ্তারের জন্য যে মার্কিন মাদক পাচারের অভিযোগ এনেছিল, সেই একই অভিযোগে ক্যাবেলোর নাম রয়েছে। কিন্তু অভিযানের অংশ হিসেবে তার নাম নেওয়া হয়নি। ক্যাবেলোর সাথে যোগাযোগ ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাথমিক দিনগুলো থেকে শুরু হয়েছে এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঠিক আগের সপ্তাহগুলোতেও তা অব্যাহত ছিল বলে আলোচনার সাথে পরিচিত দুটি সূত্র জানিয়েছে। মাদুরোর ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে প্রশাসন ক্যাবেলোর সাথেও যোগাযোগ রেখেছে বলে চারজন জানিয়েছেন। এমন যোগাযোগগুলো ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাবেলো যদি তার নিয়ন্ত্রণে থাকা শক্তিগুলোকে মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে এটি ট্রাম্প যে ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়াতে চান তা বাড়িয়ে তুলতে পারে। একইসঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজের ক্ষমতার উপর দখলকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে বলে মার্কিন উদ্বেগ সম্পর্কে অবহিত একটি সূত্র জানিয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে ক্যাবেলোর আলোচনা ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ শাসনব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল কিনা তা স্পষ্ট নয়। ক্যাবেলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা মেনে নিয়েছেন কিনা তাও স্পষ্ট নয়। তিনি প্রকাশ্যে রদ্রিগেজের সাথে ঐক্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যাকে ট্রাম্প এখন পর্যন্ত প্রশংসা করেছেন। যদিও রদ্রিগেজকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলার কৌশলের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দেখেছে, তবুও ক্যাবেলোর ব্যাপারে ব্যাপকভাবে বিশ্বাস করা হয় যে তিনি এই পরিকল্পনাগুলোকে ট্র্যাকে রাখতে বা সেগুলিকে প্রত্যাখ্যান করার ক্ষমতা রাখেন। কথোপকথনের সাথে পরিচিত একজন ব্যক্তি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার মন্ত্রী সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ রেখেছেন। হোয়াইট হাউস এবং ভেনেজুয়েলার সরকার তাৎক্ষণিকভাবে রয়টার্সকে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।
গিনির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন সামরিক নেতা ডুম্বুয়া

গিনির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিলেন সামরিক নেতা ডুম্বুয়া পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গিনির প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন ২০২১ সালে দেশটির সামরিক অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী জেনারেল মামাদি ডুম্বুয়া। খবর আল-জাজিরার। গত মাসের নির্বাচনে বিজয়ী ঘোষিত হওয়ার পর শনিবার (১৭ জানুয়ারি) হাজার হাজার সমর্থক এবং বেশ কয়েকজন রাষ্ট্রপ্রধানের উপস্থিতিতে এই শপথ অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয়। চার বছর আগে প্রেসিডেন্ট আলফা কন্ডেকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর ডুম্বুয়ার অধীনে এটিই ছিল দেশটিতে প্রথম নির্বাচন। ক্ষমতা দখলের পর শুরুতে নির্বাচনে না দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, শেষ পর্যন্ত ডুম্বুয়া আটজন প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে তার প্রধান বিরোধীরা নির্বাসিত থাকায় বিরোধী দলগুলো এই নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছিল। পরবর্তীতে গিনির সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে, ডুম্বুয়া ৮৬.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। রাজধানী কোনাক্রির উপকণ্ঠে জেনারেল ল্যানসানা কন্টে স্টেডিয়ামে কয়েক ঘণ্টা ব্যাপী এই অনুষ্ঠানে প্রথাগত পোশাক পরিহিত ডুম্বুয়া সংবিধান রক্ষার শপথ নেন। উল্লেখ্য, তাকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিতে সম্প্রতি দেশটির সংবিধানে পরিবর্তন আনা হয়। শপথ বাক্য পাঠকালে তিনি বলেন, “আমি ঈশ্বর এবং গিনির জনগণের সামনে আমার সম্মানের শপথ নিচ্ছি যে, আমি সংবিধান, আইন, বিধিবিধান এবং বিচারিক সিদ্ধান্তগুলো অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে সম্মান ও কার্যকর করব। অনুষ্ঠানে রুয়ান্ডা, গাম্বিয়া এবং সেনেগালসহ আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা যোগ দেন। এছাড়া চীন, নাইজেরিয়া, ঘানা এবং নিরক্ষীয় গিনির ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। ২০২০ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশ মালির ক্ষমতায় আসা জেনারেল আসিনি গোইতাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেপ্টেম্বরে গিনির নাগরিকরা এক নতুন সংবিধানের অনুমোদন দেয়, যা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার অনুমতি দেয়। এই সংবিধানে প্রেসিডেন্টের মেয়াদ পাঁচ বছর থেকে বাড়িয়ে সাত বছর করা হয়েছে এবং দুই মেয়াদের সীমাবদ্ধতা রাখা হয়েছে। ডুম্বুয়ার দাবি, আলফা কন্ডের শাসনামলে ব্যাপক দুর্নীতি ও অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনার কারণে সামরিক অভ্যুত্থান অনিবার্য ছিল। ১৯৫৮ সালে গিনি স্বাধীনতা লাভের পর ২০১০ সালে আলফা কন্ডে দেশটির ইতিহাসে প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন। তিনি ২০১৫ এবং ২০২০ সালেও পুনরায় নির্বাচিত হন। তবে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর জেনারেল মামাদি ডুম্বুয়ার সামরিক সরকার গত চার বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো বিলুপ্ত করে ও সংবিধান স্থগিত করে। এই সময়ে তারা পশ্চিম আফ্রিকার আঞ্চলিক জোট ইকোওয়াস-এর সঙ্গে বেসামরিক গণতান্ত্রিক সরকারে ফেরার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছিল। তবে ডুম্বুয়ার বিরুদ্ধে নাগরিক স্বাধীনতা খর্ব করা, বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগও রয়েছে। গিনির প্রায় ৫২ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যের মধ্যে বাস করে। ডুম্বুয়া প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, তিনি দেশটির বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ, বিশেষ করে বিশ্বের বৃহত্তম বক্সাইট ভাণ্ডার এবং অব্যবহৃত আকরিক লোহা উত্তোলন করে দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবেন।
১১ আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার

১১ আরোহী নিয়ে ইন্দোনেশিয়ার নিখোঁজ বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসি প্রদেশে নিখোঁজ হওয়া মৎস্য নজরদারি বিমানের ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বিমানে থাকা ১১ জন আরোহীকে এখনো পাওয়া যায়নি। কুয়াশাচ্ছন্ন একটি পাহাড়ি এলাকায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। খবর রয়টার্সের। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) ইন্দোনেশিয়ার কর্তৃপক্ষ জানায়, ইন্দোনেশিয়া এয়ার ট্রান্সপোর্টের মালিকানাধীন এটিআর ৪২-৫০০ মডেলের টার্বোপ্রপ বিমান শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টার দিকে দক্ষিণ সুলাওয়েসির মারোস অঞ্চলের আকাশসীমায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। বিমানটিতে আটজন ক্রু এবং তিনজন যাত্রী ছিলেন। যাত্রীরা ইন্দোনেশিয়ার সামুদ্রিক বিষয়ক ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের কর্মী। মৎস্য নজরদারি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মন্ত্রণালয় বিমানটি ভাড়া করেছিল। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) দক্ষিণ সুলাওয়েসির উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান মুহাম্মদ আরিফ আনোয়ার স্থানীয় টেলিভিশনে বলেন, ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়ার পর এখন নিখোঁজ যাত্রী ও ক্রুদের সন্ধানে ১ হাজার ২০০ উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন, “আমাদের অগ্রাধিকার হলো ভিকটিমদের খুঁজে বের করা এবং আমরা আশা করছি যে তাদের কয়েকজনকে আমরা নিরাপদে উদ্ধার করতে পারব।” যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে বিমানটি ইয়োগিয়াকার্তা প্রদেশ থেকে রওনা হয়ে দক্ষিণ সুলাওয়েসির রাজধানী মাকাসারের দিকে যাচ্ছিল। দক্ষিণ সুলাওয়েসির উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তা আন্দি সুলতান জানান, রবিবার সকালে স্থানীয় উদ্ধারকারীরা মারোস অঞ্চলের মাউন্ট বুলুসারাউং-এর আশেপাশে বিভিন্ন স্থানে ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পান। পাহাড়টি দেশটির রাজধানী জাকার্তা থেকে প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। সুলতান সাংবাদিকদের বলেন, “আমাদের হেলিকপ্টার ক্রুরা সকাল ৭টা ৪৬ মিনিটে বিমানের জানালার ধ্বংসাবশেষ দেখতে পান। এরপর সকাল ৭ টা ৪৯ মিনিটের দিকে আমরা বিমানের বড় একটি অংশ দেখতে পাই, যা বিমানের ফিউজলেজ (মূল কাঠামো) বলে ধারণা করা হচ্ছে।” তিনি আরো যোগ করেন, পাহাড়ের ঢালের নিচে বিমানের পেছনের অংশও দেখা গেছে। সুলতান জানান, যেখানে ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে সেখানে উদ্ধারকারীদের পাঠানো হয়েছে। তবে ঘন কুয়াশা এবং পাহাড়ি ভূপ্রকৃতির কারণে তল্লাশি অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। উদ্ধারকারী সংস্থার শেয়ার করা ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, ঘন কুয়াশা ও প্রবল বাতাসের মধ্যে পাহাড়ে বিমানের একটি জানালা ছড়িয়ে ছিঁড়ে পড়ে আছে। সুলতান আরো জানান, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা কমিটি এই দুর্ঘটনার তদন্তে নেতৃত্ব দেবে। দুর্ঘটনার কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ দুর্ঘটনা একাধিক কারণের সমন্বয়ে ঘটে থাকে। ফরাসি-ইতালীয় বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এটিআর-এর তৈরি এটিআর ৪২-৫০০ মডেলটি একটি আঞ্চলিক টার্বোপ্রপ বিমান, যা ৪২ থেকে ৫০ জন যাত্রী বহনে সক্ষম। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার ২৪ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ জানিয়েছে, বিমানটি সমুদ্রের ওপর দিয়ে কম উচ্চতায় উড়ছিল, যার ফলে এর ট্র্যাকিং কভারেজ সীমিত ছিল।
শেষ হলো ৪র্থ জেলা কাব হলিডে

শেষ হলো ৪র্থ জেলা কাব হলিডে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে ৪র্থ জেলা কাব হলিডে। জেলাশহরের অদূরে মাসুদ উল হক ইনস্টিটিউটে শনিবার সকালে এ আয়োজনের উদ্বোধন করেন সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুর রাজ্জাক। অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন— মাসুদ উল হক ইনস্টিটিউটের পরিচালনা পরিষদের প্রতিনিধি গোলাম জাকারিয়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা স্কাউটসের সহকারী কমিশনার আসরাফুল আম্বিয়া সাগর, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মারুফুল হক, জেলা স্কাউট লিডার খসরু পারভেজ, জেলা কাব লিডার রাকিব উদ্দীন আহমেদ, সহকারী লিডার ট্রেনার কে এম মাহফুজুর রহমানসহ অন্যরা। দিনভর কাব স্কাউটরা তীর নিক্ষেপ, নৃত্য, রিং ছোড়াসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন। ইভেন্ট পরিচালনা করেন ইউনিট লিডার এসএম শামীম আহমেদ, সাব্বির হোসেন, রোভার আব্দুল মাজিদ, উম্মে সাগিরা, উনাইশা মাহবুব, আর্নিকা, মামুন, তুষার, মুন। এ আয়োজনে জেলার ৩২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুই শতাধিক কাব স্কাউট সদস্য অংশ নেন।
ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন,ধারালো অস্ত্রসহ ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার

ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার তিন,ধারালো অস্ত্রসহ ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছিনতাইয়ের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে ধারালো অস্ত্রসহ ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাতে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার আরামবাগের মো. আক্তার আলীর ছেলে মো. এনামুল হক এনা (৪৬), মাঝপাড়ার মৃত কাওসারের ছেলে মো. রুবেল (৩৮) ও শান্তির মোড় এলাকার মো. মিজানুর রহমানের ছেলে মো. আওয়াল (৪০)। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার নয়নশুকা কামারপাড়া মহল্লার মো. রবিউল হক (৩৫) নামের এক ব্যক্তি ঢাকাতে টেক্সটাইল মিলে সুতার ব্যবসা করেন। তিনি গত ১৩ জানুয়ারি রাত ১১টায় ঢাকা হতে সপরিবারে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসে ভোর সাড়ে ৪টায় জেলাশহরের বিশ্বরোড মোড়ে বাস হতে নেমে অটোরিকশা নিয়ে স্ত্রী ও মেয়েসহ বাড়ি যাওয়ার জন্য রওনা দেন। পথে পিটিআই পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন আরামবাগ মাদ্রাসার সামনে পৌঁছামাত্র অজ্ঞাতনামা ৪ জন ব্যক্তি ধারালো হাঁসুয়া, বটি, ইট ও বাঁশ নিয়ে তাদের অটোরিকশার গতিরোধ করে এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাত করে তাদের কাছে থাকা একটি ১১-প্রো মডেলের আইফোন ও একটি ১৩ মডেলের আইফোন, একটি ইমিটেশনের চেইন, একটি ডায়মন্ডের রিং, একটি ভ্যানেটি ব্যাগ ও কালো রঙের একটি কাপড়ের ব্যাগ (যার মধ্যে বাদীর ব্যবহৃত কাপড়) আটটি ব্যাংকের চেকবই, ব্যাংক ভিসা কার্ড ৮টি, এইচএসবিসি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ১টি, প্রায়োরিটি পাসকার্ড ২টি, মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্স কার্ড ১টিসহ আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ও মানিব্যাগে রাখা নগদ ১২ হাজার টাকা এবং একটি মেটালের কালো কালারের কার্ড হোল্ডার জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। ওয়াসিম ফিরোজ আরো জানান, এ ঘটনায় মো. রবিউল হক বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন। পরে তা মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার মামলা নং-২৫, তাং-১৭/০১/২০২৬ খ্রি. ধারা-৩৯৪ পেনাল কোড। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. জাহিদ হাসানসহ পুলিশের একটি দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ও সোর্সের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মো. এনামুল হক এনা, মো. রুবেল ও মো. আওয়ালকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ছিনতাই হওয়া নিম্নবর্নিত মালামাল উদ্ধার করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ জানান, উদ্ধারকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে— একটি ১১-প্রো মডেলের আইফোন, একটি ইমিটেশনের চেইন, একটি ভ্যানেটি ব্যাগ, ব্যবহৃত একটি পাঞ্জাবিসহ অন্যান্য কাপড়, আটটি ব্যাংকের চেকবই (দুবাই ইসলামিক ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এমিরেটস এনবিডি ব্যাংক), ব্যাংক ভিসা কার্ড ৮টি (ব্রাক ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, এমিরেটস এনবিডি ব্যাংক, মাসরিক ব্যাংক, এইচএসবিসি ব্যাংক, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক), এইচএসবিসি ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড ১টি, প্রায়োরিটি পাসকার্ড ২টি, মেটলাইফ ইন্স্যুরেন্স কার্ড ১টি, ছিনতাই কাজে ব্যবহৃত একটি হাঁসুয়া ও একটি বটি।
বাংলাদেশ অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলালো না ভারত অধিনায়ক

বাংলাদেশ অধিনায়কের সঙ্গে হাত মেলালো না ভারত অধিনায়ক ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেটের আঁচ ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেটেও। পাকিস্তান ক্রিকেট দলের সঙ্গে যা করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট দল, এবার ঠিক তাই করলো তারা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সঙ্গেও। পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল ভারতীয়রা। এবার ছোটদের ক্রিকেট, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ঠিক একই কাজ করলো বাংলাদেশের সঙ্গে। জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হলো বাংলাদেশ এবং ভারত। এই ম্যাচে টসের পর বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরারকে এড়িয়ে গেলেন ভারতের অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে। ভারত-বাংলাদেশ উত্তেজনার আঁচ যে এবার ২২ গজে পড়েছে, তা এ ঘটনাতেই প্রমাণ হয়ে গেলো। ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে বাংলাদেশের সহ-অধিনায়ক জাওয়াদ আবরারের সঙ্গে করমর্দন না করায় ম্যাচ শুরুর আগেই বিতর্ক তৈরি হলো। আয়ুষের হাতে ছিল টস কয়েন। ম্যাচ রেফারি ডিন কস্কার টসের নির্দেশ দিলে শূন্যে কয়েন ছুড়ে দেন আয়ুষ। আবরার ‘টেল’ বলেন। কয়েন মাটিতে পড়ার পর ডিন জানান, বাংলাদেশ টস জিতেছে। এরপরই সরে যান আয়ুষ। বাংলাদেশের সহ-অধিনায়কের সঙ্গে করমর্দন করেননি। আয়ুষ মাত্রে সরে দাঁড়ানোয় আবরারও উদ্যোগি হয়ে গিয়ে আর হাত মেলাননি। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়ক আজিজুল হাকিম টসের সময় প্রস্তুতি হতে না পারায় তিনি টস করতে পাঠান সহ-অধিনায়ককে। গত এশিয়া কাপের সময় সূর্যকুমার যাদব পাকিস্তানের অধিনায়ক সালমান আলি আগার সঙ্গে করমর্দন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ভারতের অন্য ক্রিকেটারেরাও পাক ক্রিকেটারদের এড়িয়ে গিয়েছিলেন। পরে ভারত-পাকিস্তান ছোটদের এবং নারী ক্রিকেটেও একই ঘটনা দেখা গিয়েছিল। এবার ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেটেও একই ঘটনা ঘটল। এ বার শুরু হল ছোটদের ক্রিকেট থেকে। গত বছর কাশ্মীরের পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে পাকিস্তান ক্রিকেটারদের সঙ্গে ক্রিকেটের স্বাভাবিক সৌজন্য এড়িয়ে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার বাস্তবায়ন ঘটিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদবরা। এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান মাহসিন নাকভির হাত থেকে ট্রফিও নেননি। এবার ভারত-বাংলাদেশ রাজনৈতিক উত্তাপের আঁচ পড়ল ২২ গজে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) আগামী আইপিএল থেকে মোস্তাফিজুর রহমানে বাদ দেওয়ার পর দু’দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক শিথিল হয়েছে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশের সরকার। তা নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থার (আইসিসি) সঙ্গে এখনও স্নায়ুযুদ্ধ চলছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি)। এই পরিস্থিতিতে ছোটদের বিশ্বকাপে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ নিয়ে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয় ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে। আবরারের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে আয়ুষও ভারতীয় শিবিরের অনমনীয় অবস্থানের বার্তা দিয়ে দিলেন।
ভালোবাসা দিবসে ধানুশকে বিয়ে করছেন ম্রুণাল?

ভালোবাসা দিবসে ধানুশকে বিয়ে করছেন ম্রুণাল? ২০২৫ সালের শুরু থেকেই ম্রুণাল ঠাকুর ও ধানুশের প্রেমের গুঞ্জন চলছিল। তবে ২০২৫ সালের আগস্টে সেই গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলে ম্রুণাল। এই অভিনেত্রী জানান, ধানুশ তার কাছে ‘শুধুই একজন ভালো বন্ধু’। নতুন করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বিয়ে করার পরিকল্পনা করছেন ম্রুণাল ঠাকুর ও ধানুশ। গুঞ্জন অনুযায়ী, এই বিয়ে হবে একেবারেই ব্যক্তিগত পরিসরে, যেখানে থাকবেন কেবল পরিবারের সদস্য ও বন্ধুরা। তবে এই বিষয় নিয়ে এখন পর্যন্ত দুই অভিনয়শিৈল্পী বা তাদের টিমের পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। ‘সন অব সরদার ২’-এর বিশেষ প্রদর্শনীতে হাজির হয়েছিলেন ধানুশ। তখন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ম্রুণালের জন্যই চেন্নাই থেকে মুম্বাই উড়ে এসেছেন ধানুশ। এ বিষয়ে ম্রুণাল বলেছিলেন, ধানুশ ‘সন অব সরদার ২’-এর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে এটা নিয়ে কেউ যেন ভুল না বোঝেন। তাকে আমি নই, আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন অজয় দেবগন। এ ছাড়া ধানুশের ‘তেরে ইশ্ক মে’-এর সঙ্গে যুক্ত না থাকা সত্ত্বেও ম্রুণাল তার সিনেমার র্যাপআপ পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন, যা নিয়েও অনুরাগীরা নানা প্রশ্ন তোলেন। ১ আগস্ট ম্রুণালের জন্মদিনের পার্টিতেও উপস্থিত ছিলেন ধানুশ। ধানুশ এর আগে ২০০৪ সালে অভিনেতা রজনীকান্তর কন্যা নির্মাতা ঐশ্বরিয়া রজনীকান্তকে বিয়ে করেন। ২০২২ সালে তারা আলাদা থাকার সিদ্ধান্ত ও ২০২৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
মায়ের শাড়িতে তাসনিয়া ফারিণ, ফেরালেন শৈশবের স্মৃতি
মায়ের শাড়িতে তাসনিয়া ফারিণ, ফেরালেন শৈশবের স্মৃতি ছোট পর্দার অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। সম্প্রতি শাড়ি পরা একগুচ্ছ ছবি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে জানিয়েছেন মায়ের শাড়ির প্রতি তার ভালোবাসার কথা। পোস্টের ক্যাপশনে ফারিণ শৈশবের স্মৃতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘প্রত্যেকটা মেয়ের শাড়ি পরার শখ জন্মায় মাকে দেখে। ছোটবেলা থেকে আম্মুর আলমারি ভর্তি শাড়ি দেখতাম আর ভাবতাম কবে বড় হব। কবে বড়দের মতো শাড়ি পরে বিয়ে খেতে যাবো।’ মায়ের প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন, ‘এখনও আম্মু কোনো শাড়ি কিনলে আম্মুর আগে আমারই পরা হয়। কিছু শাড়ি তো আমার মা কখনও পরেই নাই, আমি নিয়ে রেখে দিছি।’ সবশেষ ফারিণ লেখেন, ‘আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর শাড়ি হচ্ছে আমার মায়ের শাড়িগুলা। আমার তো মনে হয় আম্মু আসলে কিছু শাড়ি আমার পরার জন্য ইচ্ছা করে কিনে আলমারিতে উঠায় রাখে। মায়েরা হয়ত এমনি। প্রসঙ্গত, ২০১৭ সালে ‘আমরা আবার ফিরবো কবে’ নাটকে অভিনয় দিয়ে ছোট পর্দায় তাসনিয়া ফারিণের অভিষেক হয়। ২০১৮ সালে ফারিণ অভিনীত ভালোবাসা দিবসে ‘এক্স বয়ফ্রেন্ড’ নাটকটি বেশ পরিচিতি এনে দেয় তাকে। এরপর আর পেছন ফিরে তাঁকাতে হয়নি তাকে।
ছেলেকে পর্দায় নিয়ে আসবেন প্রসেনজিৎ?

ছেলেকে পর্দায় নিয়ে আসবেন প্রসেনজিৎ? স্বজনপোষণ বিতর্কে বারবার বলিউডের একাধিক তারকার নাম উঠে এসেছে। সেই আলোচনার বাইরে নেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গের টলিউডও। তারকা-সন্তানেরা মা-বাবার পথ অনুসরণ করলেই অনেক সময় ধেয়ে আসে কটাক্ষের ঝড়। প্রশ্ন ওঠে যোগ্যতা আর পরিশ্রমের মানদণ্ড নিয়েও। অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে তৃষাণজিৎ ওরফে মিশুককে নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শোনা যাচ্ছে, বাবার মতোই অভিনয়কেই পেশা হিসেবে বেছে নিতে চলেছেন তিনি। তারকা-সন্তান হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার আগেই তাকে ঘিরে কৌতূহল, প্রত্যাশা ও সমালোচনা, সবই দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এক সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন প্রসেনজিৎ। তিনি জানান, ছেলে মিশুক এখন অভিনেতা হয়ে ওঠার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছে। ছেলের স্বপ্নপূরণে তিনি পাশে থাকলেও, পর্দায় হাতেখড়ির ক্ষেত্রে তারকা বাবার কোনও রকম হস্তক্ষেপ থাকবে না। অভিনেতার কথায়, ও যদি অভিনেতা হতে চায়, ওকেও আর দশজন অভিনেতার মতোই ওই জার্নিটার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। যেটা ও করছে। মুম্বাই যাচ্ছে, ভালো ভালো মানুষদের কাছে সাতদিন-আটদিন করে ওয়ার্কশপ করছে। প্রসেনজিৎ জানান, ইতোমধ্যেই অভিনেতা হিসাবে পরিণত হওয়ার পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছেন মিশুক। নিজেকে সব দিক থেকেই প্রস্তুত করছেন তিনি। অভিনেতা বলেন, এই জায়গাটা খুব কঠিন। শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করে কিছু হয় না। তাই ও প্রস্তুত হোক। যেদিন ও বুঝবে, ও ওর মতো করে আসতে পারবে, আসবে। আমি ওকে বলে দিয়েছি, এই জায়গাটা একটা যুদ্ধক্ষেত্র। লড়াই করতে হবে। এর মধ্যে ভালো থাকবে, মন্দ থাকবে। তোমাকে লড়াই করতে হবে। পূজায় মুক্তি পাওয়া ‘দেবী চৌধুরাণী’র সাফল্যের পর নতুন সিনেমা নিয়ে বড়পর্দায় ফিরছেন প্রসেনজিৎ। আবারো জনপ্রিয় চরিত্র ‘কাকাবাবু’র ভূমিকায় তাকে দেখা যাবে। চলতি মাসেই মুক্তি পেতে চলেছে ‘বিজয়নগরের হীরে’। আপাতত তারই প্রস্তুতিতে ব্যস্ত অভিনেতা।
জানাজায় যাওয়ার পথে পাকিস্তানে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪

জানাজায় যাওয়ার পথে পাকিস্তানে ট্রাক উল্টে নিহত ১৪ পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের সরগোধায় ঘন কুয়াশায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাক উল্টে অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির উদ্ধারকারী সংস্থার কর্মকর্তারা। তারা সবাই একটি জানাজায় অংশ নিতে যাচ্ছিলেন। খবর জিও টিভির। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) ভোরে সরগোধা শহরের কোট মোমিন এলাকার ঘালাপুর বাংলা খালের পাশে পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি খাদে পড়ে যায়। ঘটনার সময় ট্রাকটিতে মোট ২৩ জন যাত্রী ছিলেন। জিও টিভি জানিয়েছে, ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ঘটনাস্থলেই ৭ জনের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে উদ্ধারকারীরা। হতাহতদের উদ্ধার করে নিকটবর্তী টিএইচকিউ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও ৭ জন মারা যান। উল্লেখ্য, পুরো পাঞ্জাব প্রদেশ এখন ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে কুয়াশার কারণে খাইবার পাখতুনখোয়ার ডেরা ইসমাইল খানেও একই ধরণের দুর্ঘটনা ঘটে। সেখানে ইন্দাস মহাসড়কের তাউন্সা শরিফ সীমান্তবর্তী বাস্তি দাওয়ানা এলাকায় চিনিবাহী একটি ট্রেইলার ও যাত্রীবাহী ভ্যানের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ১৪ জন আহত হন।