পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখের বেশি প্রবাসী

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৫ লাখের বেশি প্রবাসী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৬৬ জন প্রবাসী বাংলাদেশি পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত দেশে এসে পৌঁছেছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৪টি ব্যালট। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ওসিভি এবং আইসিপিভি প্রকল্পের টিম লিডার ড. সালীম আহমাদ খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রবাসীদের জন্য মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি পোস্টাল ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ২২৫ জন প্রবাসী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ৪ লাখ ১৮ হাজার ৯৬২টি ব্যালট এখনো সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট বক্সে রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮৫৯টি ব্যালট রিটার্নিং অফিসারদের কাছে পাঠানো হয়েছে। প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে যারা পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন, তাদের তথ্যও জানিয়েছে ইসি। সোমবার পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৫০৭টি ব্যালট পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে ৪৩ হাজার ৩১৯ জন ভোটার তাদের ভোট দিয়েছেন। ভোটাররা ডাকবক্সে জমা দিয়েছেন ২৯ হাজার ৩৩৪টি ব্যালট।

১৬ সেকেন্ডে শাকিবের বাজিমাত!

১৬ সেকেন্ডে শাকিবের বাজিমাত! ষোলো সেকেন্ডের একটি মোশন ফার্স্ট লুক! গায়ে কাটা দিয়ে ওঠার মতো বিজিএম! সেখানে মুখভর্তি দাঁড়ি, মাথায় লম্বা চুল, চোখে সানগ্লাস, হাতে ধরে আছেন একেবারে ইউনিক ডিজাইনের বড় মিউজিক্যাল বন্দুক! পরনে কালো গাউন, মারকাটারি অ্যাকশন লুক! বলছিলাম, আসন্ন ঈদে মুক্তি টার্গেট করে প্রকাশিত ‘প্রিন্স’ সিনেমার ফার্স্টলুক মোশন লুকে শাকিব খানের ঝলকের কথা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় প্রকাশিত এই ফার্স্টলুকে নজর কেড়েছেন এই মেগাস্টার। এর মাধ্যমে সিনেমাটিতে শাকিবের চরিত্রের ইঙ্গিত পাওয়া গেল। বোঝা গেল, তিনি একজন গ্যাংস্টার চরিত্রে হাজির হচ্ছেন। একইসঙ্গে মোশন লুক ইঙ্গিত দিচ্ছে, এ যাবতকালের অন্যতম বড় আয়োজনের অ্যাকশন সিনেমা হতে যাচ্ছে ‘প্রিন্স’। প্রকাশিত লুক সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে সংশ্লিষ্টরা ক্যাপশনে বলেছেন, “সে ক্ষমতার পিছনে ছোটে না, ক্ষমতাই তাকে অনুসরণ করে।” শিরিন সুলতানার প্রযোজনায়, ক্রিয়েটিভ ল্যান্ডের ব্যানারে শ্রীলঙ্কায় ‘প্রিন্স’ সিনেমার কিছু অংশের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে বাকি কাজ শেষ করার জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ। ‘প্রিন্স’ সিনেমার ট্যাগ লাইন ‘ওয়ান্স আপন অ্যা টাইম ইন ঢাকা’। এতে শাকিব ছাড়াও অভিনয় করছেন— তাসনিয়া ফারিণ, জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, সাবিলা নূর। আরো আছেন নাসির উদ্দিন খান, রাশেদ মামুন অপু, ইন্তেখাব দিনার, ডা. এজাজ, শরীফ সিরাজ প্রমুখ। শুরুতে গুঞ্জন ছড়িয়েছিল ‘প্রিন্স’ নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড গ্যাংস্টার কালা জাহাঙ্গীরের জীবনী নির্ভর! তবে নির্মাতা হায়াত আগেই পরিষ্কার করেন, তারা যে গল্প নিয়ে ‘প্রিন্স’ নির্মাণ করছেন-সেটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির জীবনী নির্ভর নয়। এটা স্রেফ গুজব ছাড়া কিছু নয়। তিনি বলেন, “এটি বড় আয়োজনের কমার্শিয়াল সিনেমা।”

আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক: পরীমণি

আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক: পরীমণি প্রায় ৩ বছর আগে ঢাকাই সিনেমার আলোচিত তারকা দম্পতি পরীমণি ও শরিফুল রাজের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। এই সংসার ভাঙার পেছনে তৃতীয় কোনো পক্ষের ভূমিকা ছিল কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা চলছিল। অবশেষে সেই আলোচনার ইতি টানলেন পরীমণি।  সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের পডকাস্টে অংশ নিয়ে শরিফুল রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ, ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং তৃতীয় পক্ষের গুঞ্জন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন এই অভিনেত্রী।  এ আলাপচারিতায় পরীমণি পরিষ্কারভাবে বলেন, “তৃতীয় পক্ষের কোনো বিষয় নয়; কেবল বোঝাপড়ার পার্থক্যের কারণেই বিচ্ছেদ হয়েছে। সংসার টিকিয়ে রাখতে যে চেষ্টা করতে হয়, এটা তো সে (রাজ) জানেই না। কিংবা কারো চেষ্টাকে সমর্থন জানাতে হয়, সেটাও তো জানে না।” বিনোদন অঙ্গনে তাদের সম্পর্ক নিয়ে ছড়িয়ে পড়া একটি ভুল ধারণার কথাও তুলে ধরেন পরীমণি। তিনি বলেন, “আমাদের ইন্ডাস্ট্রির মধ্যে একটা কথা ছড়িয়েছে—আমার জন্য সে নাকি বাচ্চার খোঁজ নিতে পারছে না। এটা খুবই ভুল একটা কথা।” এ প্রসঙ্গে শরিফুল রাজের প্রতি নিজের প্রত্যাশার কথাও জানান অভিনেত্রী। পরীমণির ভাষায়, “আমি চাই রাজ নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুক। কাউকে না বলেই বুঝুক যে তার একটি সন্তান আছে এবং সেই দায়িত্ব নিজে থেকেই উপলব্ধি করুক।” বলে রাখা ভালো, ২০২২ সালের জানুয়ারিতে পরীমণি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আনেন শরিফুল রাজ। একই সময় তারা তাদের বিয়ের বিষয়টিও নিশ্চিত করেন। দুজনের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৭ অক্টোবর পারিবারিক আয়োজনে তাদের বিয়ে হয়। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১০ আগস্ট জন্ম নেয় তাদের পুত্র সন্তান। তবে সন্তান জন্মের কিছুদিন পর থেকেই সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। আলাদা হওয়ার পর দুজনই বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে এসে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। সবশেষে ২০২৩ সালের শেষের দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিচ্ছেদ কার্যকর হয়।  বর্তমানে অভিনয় নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই দুই তারকা। পরীমণিকে চলতি বছর কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া ‘ফেলুবক্সী’ সিনেমায় দেখা গেছে। সম্প্রতি তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত একই নামের একটি সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। এ ছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে তার ‘গোলাপ’ ও ‘ডোডোর গল্প’ শিরোনামে দুটো সিনেমা। অন্যদিকে, শরিফুল রাজকে সর্বশেষ বড় পর্দায় দেখা গেছে গত ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘ইনসাফ’ সিনেমায়। বর্তমানে তিনি ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ ও ‘জীবন অপেরা’ নামে দুটি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

আরশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উসকে দিলেন সুনেরাহ

আরশের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন উসকে দিলেন সুনেরাহ এ সময়ের আলোচিত তারকা জুটি সুনেরাহ বিনতে কামাল ও আরশ খান। বেশ কিছু কাজ জুটি বেঁধে করেছেন তারা। অনেক দিন ধরে গুঞ্জন উড়ছে, ব্যক্তিগত জীবনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন এই যুগল। যদিও এই গুঞ্জন উড়িয়ে দাবি করেছেন “তারা সহকর্মী হিসেবে বন্ধু, এর বেশি কিছু নয়।” ফের যুগল ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আলোচনার জন্ম দিলেন সুনেরাহ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) আরশ খানের জন্মদিন। এ উপলক্ষে গতকাল রাতে সুনেরাহ তার ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, গাড়ির পেছনের সিটে বসে সেলফিবন্দি হয়েছেন সুনেরাহ-আরশ।  এ ছবির ক্যাপশনে সুনেরাহ লেখেন, “শুভ জন্মদিন, স্বপ্নবাজ। তোমার দিনটি যেন তোমার মতোই বিশেষ হয়। এমন একজন মানুষকে খুঁজে পেয়ে আমি নিজেকে ধন্য মনে করি, তিনি ভালোবাসতে জানেন, যত্ন নিতে জানেন এবং সবাইকে গুরুত্বপূর্ণ বলে অনুভব করাতে পারেন।” আরশের জন্য শুভকামনা জানিয়ে সুনেরাহ লেখেন, “তোমার সব পরিশ্রম ও নিষ্ঠা যেন তোমার প্রতিই বিশ্বস্ত থাকে। ভালোবাসা ও আশীর্বাদ রইল। সামনে আসা বছরটি তোমার জন্য সুন্দর ও সফল হোক।” সবকিছু ঠিক থাকলেও সুনেরাহর এই ক্যাপশন নিয়ে চর্চায় মেতেছেন নেটিজেনরা। কেউ কেউ বলছেন, “দুজনকে বেশ মানিয়েছে।” কেউ কেউ বলছেন, “অটুট থাকুক এই ভালোবাসা।” মঞ্চ ও টেলিভিশন মিলিয়ে আরশের এক যুগের বেশি সময়ের ক্যারিয়ার। এই জার্নিতে একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে জুটি হয়ে কাজ করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। তবে গত এক বছর ধরে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন সুনেরাহর সঙ্গে জুটি বেঁধে। কাজ করতে গিয়েই তাদের মাঝে তৈরি হয়েছে বন্ধুত্ব।

ভুল, ভাগ্য আর নৈপুণ্যের দোলাচলে পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি

ভুল, ভাগ্য আর নৈপুণ্যের দোলাচলে পয়েন্ট হারাল ম্যানসিটি দুই অর্ধের দুই ভিন্ন গল্প। প্রথম ভাগে একের পর এক ভুলে বিপর্যস্ত স্বাগতিকরা। আর বিরতির পর দৃঢ় মানসিকতায় ঘুরে দাঁড়ানো এক লড়াকু দল। সব মিলিয়ে রবিবারের নাটকীয় এক সন্ধ্যায় পূর্ণ তিন পয়েন্ট হাতছাড়া হলো ম্যানচেস্টার সিটির। আর শেষ হাসিটা ঠিকই তুলে নিল টটেনহ্যাম। নিজেদের মাঠে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় টটেনহ্যাম। মাঝমাঠে ঢিলেমি আর রক্ষণে সমন্বয়ের অভাব কাজে লাগিয়ে একের পর এক আক্রমণ শানায় সিটি। এরই ফল হিসেবে ম্যাচের প্রথম ভাগেই দুইবার জাল কাঁপে স্বাগতিকদের। প্রথম গোলটি আসে দ্রুত আক্রমণ থেকে। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে বক্সে ঢুকে ঠান্ডা মাথায় শট, গোলরক্ষকের আর কিছু করার ছিল না। বিরতির ঠিক আগে আবারও নিজেদের ভুলে সর্বনাশ ডেকে আনে টটেনহ্যাম। বল হারানোর পর নিখুঁত পাসে ব্যবধান দ্বিগুণ করে অতিথিরা। প্রথমার্ধ শেষে গ্যালারিতে তখন সিটির জয়গান। কিন্তু ফুটবল যে নব্বই মিনিটের খেলা, সেটা আবারও প্রমাণিত হয় বিরতির পর। দ্বিতীয়ার্ধে একেবারেই বদলে যাওয়া চেহারায় মাঠে নামে টটেনহ্যাম। আক্রমণে গতি, মাঝমাঠে চাপ আর দর্শকদের উৎসাহ; সব মিলিয়ে ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা শুরু হয়। সেই চেষ্টায় ভাগ্যের সহায়তাও মেলে। বক্সের ভেতরে ক্লিয়ার করতে গিয়ে ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে বল জড়িয়ে যায় নিজের জালেই। হঠাৎ করেই ম্যাচে প্রাণ ফিরে পায় স্বাগতিকরা। সমতায় ফেরার ক্ষুধা তখন চোখেমুখে। আর সেটার পূর্ণ রূপ দেখা যায় মাঝপথে। ডান দিক থেকে ভেসে আসা এক ক্রসে নিখুঁত দৃষ্টি আর অসাধারণ ভারসাম্যে পিছন ফিরে পা বাড়িয়ে জালে বল পাঠান সোলাঙ্কি। গোলটি শুধু স্কোরলাইন সমান করেনি, পুরো স্টেডিয়ামকে দাঁড় করিয়ে দেয়। এরপর সময় গড়িয়েছে উত্তেজনায়। দুই দলই জয়ের খোঁজে আক্রমণ চালিয়েছে। কখনো সিটির নিয়ন্ত্রিত বিল্ডআপ, কখনো টটেনহ্যামের দ্রুত পাল্টা হানা। কিন্তু শেষ বাঁশি পর্যন্ত আর কোনো গোল আসেনি। এই ড্রয়ের ফলে শিরোপা লড়াইয়ে বড় ধাক্কা খেল সিটি। জয়ের হাতছানি পেয়েও শেষ পর্যন্ত দুটি মূল্যবান পয়েন্ট ফেলে আসতে হলো তাদের। অন্যদিকে লিগে ধারাবাহিকতা না থাকলেও এমন একটি ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে পয়েন্ট আদায় টটেনহ্যামকে অন্তত আত্মবিশ্বাসের রসদ জোগাল।

পাকিস্তান বয়কট করলেও ম্যাচের দিন শ্রীলঙ্কায় যাবে ভারত

পাকিস্তান বয়কট করলেও ম্যাচের দিন শ্রীলঙ্কায় যাবে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এর বহুল আলোচিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ ঘিরে অনিশ্চয়তার মাঝেও নির্ধারিত সূচি ও নিয়ম মেনেই এগোচ্ছে ভারত। পাকিস্তান সরকার ১৫ ফেব্রুয়ারি গ্রুপ পর্বের এই ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিলেও ভারতীয় দল শ্রীলঙ্কা সফর করবে এবং সব ধরনের আইসিসি প্রটোকল অনুসরণ করবে বলে সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভারতের জাতীয় ক্রিকেট দল নির্ধারিত সময়েই শ্রীলঙ্কায় পৌঁছাবে। অনুশীলন সেশন, সংবাদ সম্মেলনসহ ম্যাচপূর্ব সব আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবে তারা। ম্যাচের দিন স্টেডিয়ামেও উপস্থিত থাকবে ভারতীয় দল। এরপর ম্যাচ রেফারির আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় থাকবে খেলা হবে কি না, তা নির্ধারণ করবেন তিনি। এই সিদ্ধান্তের পটভূমিতে রয়েছে পাকিস্তান সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তারা জানায়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এ অংশ নিলেও ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে দল মাঠে নামবে না। যদিও এই সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো নির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি। এদিকে ভারতীয় ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সহ-সভাপতি রাজীব শুক্লা জানিয়েছেন, পুরো পরিস্থিতি নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এর সঙ্গে আলোচনা চলবে এবং আইসিসির নির্দেশনার অপেক্ষায় থাকবে ভারত। ফর্মের বিচারে ভারত বিশ্বকাপে যাচ্ছে বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে। সম্প্রতি পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিউ জিল্যান্ডকে ৪-১ ব্যবধানে হারিয়েছে তারা। বিপরীতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে পাকিস্তানের রেকর্ড বেশ হতাশাজনক। এই টুর্নামেন্টে দু’দল আটবার মুখোমুখি হয়েছে, যেখানে ভারত জিতেছে সাত ম্যাচে, পাকিস্তানের জয় মাত্র একবার। পাকিস্তানের এই অবস্থানের পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বাংলাদেশ-আইসিসি বিরোধ। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ডকে তাদের বদলি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। বিষয়টি দক্ষিণ এশিয়ার ক্রিকেট রাজনীতিতে নতুন করে উত্তাপ ছড়ায়। গ্রুপ ‘এ’-তে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ভারত রয়েছে নামিবিয়া, নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সঙ্গে। ভারতের সূচি অনুযায়ী- ৭ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র, ১২ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডস ও ১৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলবে। আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত, ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে।

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে ভারতীয় সম্প্রচারক

পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটে বিলিয়ন ডলার ক্ষতির মুখে ভারতীয় সম্প্রচারক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ এ ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়তে যাচ্ছে ভারতীয় সম্প্রচার সংস্থাগুলো। পাকিস্তান সরকারের অনুমোদনের পর এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ায় শুধু মাঠের লড়াই নয়, টুর্নামেন্টের বাণিজ্যিক কাঠামোতেও নেমে এসেছে তীব্র ঝাঁকুনি। গ্রুপ ‘এ’-তে থাকা পাকিস্তান দল বিশ্বকাপে তাদের সব ম্যাচ খেলবে শ্রীলঙ্কায়। সূচি অনুযায়ী ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে টুর্নামেন্ট শুরু করবে তারা। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে পাকিস্তান। তবে ১৫ ফেব্রুয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে মাঠে না নামার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। যা বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচটি কার্যত বাতিলের পথে ঠেলে দিয়েছে। বাণিজ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে বলা হয় বিশ্বকাপের ‘আর্থিক ইঞ্জিন’। এই এক ম্যাচই সম্প্রচারমূল্য, বিজ্ঞাপন, স্পনসরশিপ ও টিকিট বিক্রির বড় অংশের যোগান দেয়। ভারতীয় এক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একটি ভারত-পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মোট বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৫০ কোটি মার্কিন ডলারের সমান। যেখানে সম্প্রচারস্বত্ব, বিজ্ঞাপন, স্পনসর অ্যাক্টিভেশন ও আনুষঙ্গিক ব্যবসার হিসাব ধরা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ম্যাচে ১০ সেকেন্ডের একটি বিজ্ঞাপন স্পটের দামই পড়ে ২৫ থেকে ৪০ লাখ রুপি পর্যন্ত। যা ভারতের অন্য যেকোনো নকআউট ম্যাচের চেয়েও বেশি। ফলে ম্যাচটি না হলে সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে অফিসিয়াল সম্প্রচারস্বত্বধারীদের ওপর। শুধু বিজ্ঞাপন থেকেই সম্ভাব্য আয় ছিল প্রায় ৩০০ কোটি রুপি। এ ছাড়া ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডও তাৎক্ষণিকভাবে প্রায় ২০০ কোটি রুপির ক্ষতির মুখে পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাবেক পাকিস্তানি ক্রিকেটার রশিদ লতিফ বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করে বলেন, এই বিশ্বকাপে ইতোমধ্যে বিপুল কর্পোরেট বিনিয়োগ হয়ে গেছে। তার ভাষায়, ভারতীয় এক বৃহৎ ব্যবসায়িক গোষ্ঠী প্রায় ৯০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। যেখানে বিশ্বের বাকি অংশ মিলিয়ে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলার। রশিদ লতিফের মতে, “এত বড় বাজারে যখন ধাক্কা লাগে, তখন এর প্রভাব শুধু একটি সম্প্রচার সংস্থায় সীমাবদ্ধ থাকে না। এতে ভারত, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এবং শেষ পর্যন্ত বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে, মাঠের বাইরে এই বয়কট সিদ্ধান্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অর্থনৈতিক কাঠামোকে বড় পরীক্ষার মুখে ফেলেছে। এখন দেখার বিষয় এই ক্ষতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত কী সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনবে ভারত: ট্রাম্প

ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনবে ভারত: ট্রাম্প মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভারত ইরানের পরিবর্তে ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনবে। শনিবার ওয়াশিংটন ডিসি থেকে ফ্লোরিডা যাওয়ার পথে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। ট্রাম্প বলেছেন, “আমরা ইতিমধ্যেই সেই খসড়া চুক্তি করেছি।” তিনি জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার তেল কেনার জন্য আমেরিকার সাথে চুক্তি করতে চীনও স্বাগত। বিষয়টির সাথে পরিচিত তিনজন ব্যক্তি রয়টার্সকে জানিয়েছেন, একদিন আগেই ভারতকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, তারা রাশিয়ার পরিবর্তে ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনতে পারে।  ওয়াশিংটন সম্প্রতি দিল্লির ওপর বাণিজ্য শুল্ক বৃদ্ধি করার পর ভারত রাশিয়ার অপরিশোধিত তেল ক্রয় কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ভারত আগামী মাসগুলোতে রাশিয়ার তেল আমদানি প্রতিদিন কয়েক লাখ ব্যারেল কমানোর পথে রয়েছে বলে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র জানিয়েছে। ট্রাম্প ২০২৫ সালের মার্চ মাসে ভেনেজুয়েলার তেল ক্রয়কারী দেশগুলোর উপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিলেন। তবে জানুয়ারিতে ট্রাম্পের প্রশাসন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণ করে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে নিয়ে যায়। এরপরই ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দেন।

ইউক্রেনে যাত্রীবাহী বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ১২

ইউক্রেনে যাত্রীবাহী বাসে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় নিহত ১২ ইউক্রেনে একটি যাত্রীবাহী বাসে ভয়াবহ ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।  সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ইউক্রেনের বেসরকারি বিদ্যুৎ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ডিটিইকে’র বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। ডিটিইকে জানায়, রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) পূর্ব ইউক্রেনের দিনিপ্রোপেত্রভস্ক অঞ্চলে শ্রমিকবাহী একটি বাসকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালায় রাশিয়া। ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা বিভাগের তথ্যানুসারে, এই ঘটনায় আরো অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এর আগে, শনিবার রাত এবং রবিবার দিনের অন্যান্য রুশ হামলায় অন্তত আরো দুজন জন নিহত এবং ৯ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে জাপোরিঝিয়া শহরে একটি প্রসূতি হাসপাতালে ড্রোন হামলায় ছয়জন আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজন নারী ছিলেন যারা হামলার সময় সন্তান জন্ম দিচ্ছিলেন। জাপোরিঝিয়া অঞ্চলের প্রধান ইভান ফেদোরভ টেলিগ্রামে এক পোস্টে এই ঘটনাকে ‘জীবনের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুদ্ধের আরো একটি প্রমাণ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা গেছে, হাসপাতালের অফিস কক্ষ, রোগীদের বিছানা এবং শিশুদের কক্ষের জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে ধ্বংসস্তূপে ঢেকে গেছে। কোনো কোনো ভিডিওতে হাসপাতালের প্রথম তলায় আগুন জ্বলতে এবং দমকল কর্মীদের রোগীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে দেখা গেছে। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহার মতে, হাসপাতালের ওপর এই হামলা প্রমাণ করে যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শান্তি প্রচেষ্টার বিপরীতে ‘বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ’ চালিয়ে যাচ্ছেন। জানুয়ারি মাস থেকে মস্কো ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড লক্ষ্য করে দফায় দফায় হামলা চালাচ্ছে। এতে করে তীব্র শীতের মধ্যে (যেখানে তাপমাত্রা মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নামার পূর্বাভাস রয়েছে) অসংখ্য মানুষ বিদ্যুৎহীন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার জানিয়েছিলেন, পুতিন তীব্র শীতের এই সময়ে হামলা বন্ধ রাখতে সম্মত হয়েছেন। তবে ক্রেমলিন পরবর্তীতে জানায় যে, এই বিরতির মেয়াদ রবিবার শেষ হবে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ইউক্রেন, রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার দ্বিতীয় ধাপ আগামী বুধবার আবুধাবিতে শুরু হবে। এই আলোচনা রবিবার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও কেন পিছিয়ে গেছে তার কোনো কারণ জানানো হয়নি। শান্তি আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অধিকৃত ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ। রাশিয়া বর্তমানে ইউক্রেনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ দখল করে আছে। মস্কো চায় দনবাস অঞ্চলের বাকি অংশও তাদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হোক, অন্যদিকে ইউক্রেন চায় জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে।

টিকা সংক্রান্ত সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি

টিকা সংক্রান্ত সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের টিকা কমিটি টিকা সংক্রান্ত সব সুপারিশ পুনর্বিবেচনা করছে। কমিটির শীর্ষ উপদেষ্টার মতে,  টিকা প্রতিটি ব্যক্তির ডাক্তারের পরামর্শে গ্রহণ করা উচিত। টিকাদান অনুশীলন সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির (এসিআইপি) সভাপতি কার্ক মিলহোয়ানের অবস্থান, কয়েক দশক ধরে মার্কিন টিকা সুপারিশ তৈরির দায়িত্বপ্রাপ্ত দলের জন্য নাটকীয় প্রস্থানের প্রতিনিধিত্ব করে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের রুটিন টিকাগুলোর প্রতি ক্রমবর্ধমান প্রতিকূল মনোভাবের ইঙ্গিত দেয়। মার্কিন স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (এইচএইচএস) সচিব এবং দীর্ঘদিনের টিকা সমালোচক রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়রের অধীনে শৈশব টিকা সময়সূচিতে আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে কিছু তার নির্বাচিত টিকা উপদেষ্টাদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যাদের মধ্যে অনেকেই কয়েক দশকের প্রমাণ সমর্থিত অসুস্থতা, হাসপাতালে ভর্তি এবং মৃত্যুর বিরুদ্ধে সুরক্ষার সুবিধার তুলনায় টিকাগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার খুব বিরল ঝুঁকি সম্পর্কে অসামান্য আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট মিলহোয়ান জানান, চলতি বছর শৈশবকালীন টিকাদানের সময়সূচিতে উল্লেখযোগ্য অতিরিক্ত পরিবর্তন আনা হতে পারে। কমিটি ‘ঝুঁকি এবং সুবিধাসহ সমস্ত টিকা পণ্য পুনর্মূল্যায়ন করছে।’ গত বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ‘হোয়াই শুড আই ট্রাস্ট ইউ?’ পডকাস্টে  মিলহোয়ান জানিয়েছিলেন, তিনি সম্মিলিত জনসাধারণের উপর ব্যক্তিদের সমর্থন করেছেন এবং টিকা বিতর্ককে ‘স্বায়ত্তশাসন বনাম জনস্বাস্থ্য’ হিসাবে উপস্থাপন করেছেন। তিনি বলেছেন, “সবার জন্য কী ভালো এবং ব্যক্তির জন্য কী ভালো তার মধ্যে সর্বদা একটি উত্তেজনা থাকবে।” ইয়েল স্কুল অফ পাবলিক হেলথের স্বাস্থ্য নীতি ও ব্যবস্থাপনার সহযোগী অধ্যাপক জেসন শোয়ার্টজ জানিয়েছেন, টিকাগুলো ব্যক্তি এবং তাদের সংস্পর্শে আসা উভয়ের জন্যই সুরক্ষা প্রদান করে। তিনি বলেন, “এটিকে প্রায়শই বৃহত্তর কল্যাণের ধারণা হিসেবে চিত্রিত করা হয়, কিন্তু এটি একটি ব্যক্তিগত সুবিধা যা আমাদের সম্প্রদায়ের জন্যও অনেক কল্যাণ বয়ে আনে।”