প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না

প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে শাসন হোক আর অপশাসন হোক মানুষ দেখেছে। ওটা দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। পুরাতন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না। জুলাই যোদ্ধারা সেদিন রাস্তায় নেমে বলেছিল, “‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ আমরা সর্বক্ষেত্রে ন্যায়বিচার চায়।” তার মানে হলো দেশে ন্যায়বিচার নেই। সেই ন্যায়বিচার আমরা প্রতিষ্ঠা করব। তিনি বলেন, রাজার জন্য যে বিচার, সকলের জন্যও সেই একই বিচার। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে বিচারে যেমন শাস্তি হবে, দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীও একই ধরনের অপরাধ করলে তাদেরকেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। সেই বিচার আমরা বাংলাদেশে কায়েম করতে চাই। এই বিচার মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, সাঁওতাল নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী, সকলের জন্য। এই বিচার যখন কায়েম করা হবে, বাংলাদেশে আর কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না। চাঁদাবাজির রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। চাঁদাবাজদের ধরে এনে কাজে নিয়োগ দেয়া হবে। তারাও সেদিন কাজ করে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরো বলেন— দুর্নীতি যারা করে তাদের দুর্নীতি করার প্রয়োজন হবে না। দুটি কারণে মানুষ দুর্নীতি করে, একটি হলো লোভ আর একটি হলো বাধ্য হয়ে। সামরিক বাহিনী, পুলিশ র‌্যাবসহ আধাসরকারি বাহিনীর সদস্যদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন— আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাত নেই, দিন নেই ২৪ ঘণ্টা অন ডিউটি পাগল হয়ে দৌড়ায়। তাদেরকে যদি ৮ ঘণ্টা ডিউটি করার লোকদের সমান বেতন দেয়া হয় তাহলে সেটা কি ইনসাফ হবে? হবে না, সেটা হবে চরম বেইনসাফি। আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। একজন কর্মচারী-কর্মকর্তা, সে সরকারি-বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়িত্তবশাসিত যেখানে হোক, সে যেন তার মেধা উজাড় করে সেবা দিতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করব। আর রাষ্ট্র ও নিয়োগকারী সংস্থাও যেন তাদের সম্মানের সাথে বসবাস করার মতো সুযোগ-সুবিধা করে দিতে পারে আমরা তা নিশ্চিত করব। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি, তারা কাজের জন্য আন্দোলন করেছে। আমরা ওয়াদা করছি, তোমাদের হাতে অপমানের বেকার ভাতা আমরা তুলে দিব না। বরং তোমাদের হাতগুলো আমরা দক্ষ বানিয়ে তোমাদের মর্যাদাপূর্ণ কাজ দিব। সেদিন তোমরা দেশ গড়বে। তৈরি হয়ে যাও, তোমাদের জন্যই আমরা এই দেশ গড়তে নেমেছি, তোমাদের হাতেই এই দেশের ভার আমরা তুলে দিতে চাই। বাংলাদেশ নামের যে উড়োজাহাজ, সেই উড়োজাহাজের চালকের সিটে বসবে যুবকরা আর আমরা বসব পেছনের যাত্রীর সিটে। যুবকরা রকেট গতিতে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে। পেছনে ফিরে তাকাবার আর আমাদের সময় নেই। সকল জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষকে বুকে ধারণ করে আমাদের এই যাত্রা শুরু। নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন— মা-বোনদের কাছে আমার অঙ্গীকার, আপনাদের বহুবিধ অবদান, তার একটিরও প্রতিদান দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, আপনাদের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুটি জিনিস আমরা মা-বোনদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই। একটি হলো সমাজের সকল স্তরে আপনাদের অধিকার ও মর্যাদা এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আজকে আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে পুরুষরা পাবে তাদের অধিকার এবং নারীরা পাবে তাদের অধিকার। কোনো জালিম আমার কোনো মা-বোন বা মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না। সেই নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা মায়েদের জন্য গড়তে চাই। ঘরে চলাচলে কর্মস্থলে সবস্তরে নারীরা নিরাপদে থাকবে ইনশাআল্লাহ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি উর্বর জেলা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন— এই জেলা হচ্ছে আমের রাজধানী, লিচুর রাজধানী, এখানে আরো অনেক কিছু উৎপাদন হয়। কিন্তু আসার সময় দেখলাম, মহানন্দা নদী এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা নদীগুলোকে জীবন্ত করে তুলব। নদীমাতৃক যোগযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলব, পদ্মায় যেখানে ব্যারেজ দিলে পানি পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যারেজ করা হবে। এই আমের রাজধানীতে আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই, আমরা ঘোষণা দিয়েছি গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় দরকার সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে, যেখানে গবেষণাগার দরকার, সেখানে তাই করা হবে। আম এবং লিচুর প্রসেসিং করে সারা বছর খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং বিশ্বেও রপ্তানি হবে। এভাবে দেশে এবং বিশ্বে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে তুলে ধরতে চাই। ডা. শফিকুর রহমান বলেন— আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট। একটি হচ্ছে— পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড আর অন্যটি হচ্ছে নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত। এর জন্য হ্যাঁতে ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি আর না মানে গোলামি। নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুজার গিফারী। এতে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল- গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, জামায়তের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ নজুরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাবেক এমপি লতিফুর রহমান, মুখলেশুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহা. ইসাহাক, ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইব্রাহিম রনি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির গোলাম রাব্বানী ও সেক্রেটারি আব্দুল আলিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া জামায়াতের শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামও বক্তব্য দেন। সকাল ৯টার দিকে থেকেই জামায়াত-শিবির ও কর্মী-সমর্থকরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা থেকে জনসভাস্থলে আসতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টায় নির্ধারিত সময়ে শুরু হয় জনসভার কার্যক্রম। একদিকে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য চলতে থাকে অন্যদিকে নেতাকর্মী-সমর্থকরাও আসতে থাকেন। একপর্যায়ে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে জামায়াত আমিরকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি সরকারি কলেজের পাশে পুরাতন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এরপর তিনি জনসভা মঞ্চে ওঠেন এবং বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্য শেষে তিন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান। এর আগে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠের জনসভায় বক্তৃতা করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত “জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি আজ বিকেলে রহনপুর মুক্ত মহাদল গণকেন্দ্র পাঠাগার প্রাঙ্গণ হতে বের হয়ে ওই এলাকার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে পাঠাগার হল রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর মুক্তমহাদলের সভাপতি শারফুদ্দীন আহমেদ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মফিজ আহমেদ নাদিমের সঞ্চালনায় অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার জাহান সুমন, খড়কাডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও স্কাউটার নুরুজ্জামান বাবু, রহনপুর পূণর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন সরকার হিরা, সহকারী অধ্যাপক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুর রাকিব, স্কাউটার ও ব্যবসায়ী তালাত মাহমুদ সরকার, সহকারী লিডার ট্রেনার ও শিক্ষক ফিরোজ আলী প্রমূখ। আলোচনা শেষে বই পাঠ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও কেক কর্তন করা হয়।

প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলাশহরের বেলেপুকুরে অবস্থিত প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রধান কার্যালয়ের নকীব হোসেন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াসের পরিচালক (মানব সম্পদ ও প্রশাসন, প্রশিক্ষণ বিভাগ) আলেয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্ব ও পরিচালক (কার্যক্রম) পঙ্কজ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম পরিচালক নাসের উদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহকারি পরিচালক আবুল খায়ের খান, সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, তানভির আহম্মেদ রিয়াদ, ফিরোজ আলম, আব্দুস সালাম ও আবুল কালাম আজাদসহ, সকল আরএম, জোন প্রধান, আরএম (এমই), প্রকল্প ফোকাল পার্সন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি বৃন্দ। সভায় প্রয়াসের চলমান কার্যক্রম ও সংস্থার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সাথে সংস্থার কার্যক্রম দক্ষতার সাথে এগিয়ে নিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ ১০ জন পাচ্ছেন একুশে পদক

আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ ১০ জন পাচ্ছেন একুশে পদক একুশে পদক ২০২৬ ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর ১০ জনকে এ পদক দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- চলচ্চিত্রে ববিতা, চারুকলায় ড. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু, ব্যান্ড মিউজিকে ওয়ারফেজ, নাট্যকলায় পালাকার ইসলাম উদ্দিন, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার ও নৃত্যকলায় অথৈ আহমেদ।

রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ

রমজানে অফিস সময় নির্ধারণ এবারের রমজান মাসে সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং আধাস্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অফিস চলবে নতুন সময়ে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে প্রেসসচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান। প্রেসসচিব বলেন,  সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অফিস চলবে। এর মধ্যে দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত ১৫ মিনিট জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। তবে ব্যাংক, বীমা, সুপ্রিম কোর্ট, অন্যান্য স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সুবিধা অনুযায়ী অফিস সূচি নির্ধারণ করবে। উল্লেখ্য, রমজান মাসের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ বছর রোজা শুরু হতে পারে ২০ ফেব্রুয়ারি।

৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদন্ড

৬ লাশ পোড়ানোর মামলা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ৬ জনের মৃত্যুদন্ড জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার আশুলিয়ায় জীবিত একজনসহ ছয় মরদেহ পোড়ানো এবং অন্য একজনকে হত্যার ঘটনায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। রায়ে সাতজনকে যাবজ্জীবন ও দুজনকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া একজনকে ক্ষমা করে দেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এর আগে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে রায় ঘোষণা শুরু করেন আদালত। রায় সরাসরি সম্প্রচার করা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে। এছাড়া চিফ প্রসিকিউটরের লিংক থেকে সরাসরি দেখানো হয়।   এদিন সকালে মামলার ১৬ আসামির মধ্যে আট আসামিকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। সকালে প্রিজনভ্যানে করে কারাগার থেকে তাদের আনা হয়। আসামিরা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, ডিবির তৎকালীন পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, এসআই শেখ আবজালুল হক ও কনস্টেবল মুকুল। পলাতক আসামিরা হলেন ঢাকা-১৯ আসনের সাবেক এমপি মুহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার তৎকালীন ওসি এএফএম সায়েদ রনি, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, সাবেক পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) নির্মল কুমার দাস, সাবেক এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রনি ভূঁইয়া।

১৩ হাজার ৫৯৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন যেভাবে

১৩ হাজার ৫৯৯ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ-প্রধান শিক্ষক নিয়োগ, আবেদন যেভাবে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সুপারসহ ১৩ হাজার ৫৯৯টি প্রশাসনিক পদে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৬’ এর অনলাইন আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এ প্রক্রিয়া শুরু হয়। নতুন প্রকাশিত জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ অনুযায়ী, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের প্ল্যাটফর্ম হালনাগাদের সুবিধার্থে এই সময়সূচি পুনর্নির্ধারণ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এনটিআরসিএ’র পরিচালক (পরীক্ষা মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ থেকে গত ২ ফেব্রুয়ারি মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সংশ্লিষ্ট নতুন জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৬ প্রকাশ করা হয়েছে। জারি করা এই নতুন নীতিমালার আলোকে এনটিআরসিএ’র নিয়োগ পরীক্ষার অনলাইন আবেদন গ্রহণের প্ল্যাটফর্মটি হালনাগাদ করার কাজ বর্তমানে চলমান আছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অনিবার্য কারণে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ (প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধান) পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এনটিআরসিএ’র তথ্য অনুযায়ী, মাউশির স্কুল ও কলেজে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে মোট ১০ হাজার ২৭৮টি শূন্যপদ রয়েছে। এরমধ্যে স্নাতক (পাস) কলেজে অধ্যক্ষ ৫৮৪, উপাধ্যক্ষ ৬২৭টি। উচ্চমাধ্যমিক কলেজে অধ্যক্ষ পদে শূন্যপদ রয়েছে ৭৬৮টি। মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদ ৩ হাজার ৯২৩টি এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকের পদ ৩ হাজার ৮৭২টি। এ ছাড়া নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে ৫০৪টি। মাদরাসা অধিদপ্তরের আওতাধীন কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষের শূন্যপদ ৩৪টি এবং উপাধ্যক্ষ পদে শূন্য রয়েছে ৫৩টি। ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ পদ ২০২টি, ফাজিলের উপাধ্যক্ষ পদ ৩৪৩টি, আলিমের অধ্যক্ষ পদ শূন্য ২১৯টি, উপাধ্যক্ষ পদ ৩৭৭টি। এ ছাড়া দাখিল মাদরাসায় সুপার পদ শূন্য ৮৯১টি এবং সহকরী সুপারের ১ হাজার ৪টি শূন্যপদ রয়েছে। সবমিলিয়ে মাদরাসায় অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, সুপার ও সহকারী সুপারের শূন্যপদ ৩ হাজার ১৩১টি। অন্যদিকে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য অধ্যক্ষ পদ ১১০টি, ভোকেশনালে শূন্য সুপার পদ ৪০টি এবং সহকারী সুপার ৪০টি। সবমিলিয়ে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠানপ্রধান পদ শূন্য ১৯০টি। অপর এক বিজ্ঞপ্তিতে এনটিআরসিএ জানায়, যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের http://ngi.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে নির্ধারিত ফরম পূরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি পাওয়া যাবে এনটিআরসিএর ওয়েবসাইট https://ntrca.gov.bd এবং টেলিটকের ওয়েবসাইটে। আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত চলবে আবেদন গ্রহণ। এরপর দিন ২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ পর্যন্ত টাকা জমা দেওয়া যাবে।

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসী

পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার প্রবাসী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে প্রথমবারের মতো প্রবাসীরা ভোট দেয়ার সুযোগ পেয়েছে। ভোট দিতে আগ্রাহী প্রবাসীদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানোর কাজ আগেই শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাসীরা পোস্টাল ব্যালট হাতে পেয়ে ভোটদান সম্পন্ন করে ব্যালট বাংলাদেশে পাঠানো শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন প্রবাসী ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপ থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রবাস থেকে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২ জন প্রবাসী ভোটারের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন প্রবাসী ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ভোট প্রদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪১৬ জন। প্রবাসী ভোটারদের মধ্যে ৪ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫২টি পূরণকৃত ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাকবাক্সে জমা দেওয়া হয়েছে।এর মধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে ৩ লাখ ৭৯ হাজার ৯২৪টি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে দেশের অভ্যন্তর থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪২ জন ভোটার। তাদের মধ্যে আইনি হেফাজতে থাকা ভোটার রয়েছেন ৬ হাজার ২৪০ জন। দেশের অভ্যন্তরে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং আইনি হেফাজতে থাকা ভোটারদের কাছে পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১টি পোস্টাল ব্যালট পাঠানো হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত যেসব পোস্টাল ব্যালট পৌঁছাবে, কেবল সেগুলোই গণনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য

ভোটকেন্দ্রের আঙিনায় টহল দেবে এক লাখ সেনা সদস্য আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। প্রথমবারের মতো এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলিস্তানে রোলার স্কেটিং কমপ্লেক্সে ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় নিয়োজিত সেনাবাহিনীর কার্যক্রম সম্পর্কিত বিষয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মনজুরুল ইসলাম এ তথ্য জানান। নির্বাচনে এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, এর আগের নির্বাচনে কত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছিল, আগের চেয়ে বাড়তি সদস্য মোতায়েন করা হলো কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য মোতায়েন করেছি। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এবার এক লাখ সদস্য কেন মোতায়েন করা হয়েছে। অন্যান্য নির্বাচন থেকে এবারের নির্বাচনে আমাদের সদস্য মোতায়েনের পার্থক্য হচ্ছে, এবার ভোটকেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগের নির্বাচনগুলোতে এই অনুমতি ছিল না। আগের নির্বাচনগুলোতে আমরা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দূরবর্তী জায়গায় অবস্থান করেছি। তিনি বলেন, ‘এবার সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সেনা সদস্যদের রেখে বাকি সব সেনা সদস্যকে নিয়োগ করেছেন সুষ্ঠু ইলেকশন করার জন্য।’ তিনি আরো বলেন, ‘যে কারণে আমরা চেষ্টা করছি, আমাদের যে প্রয়োজনীয় যানবাহন অপ্রতুল, আমরা অসামরিক প্রশাসনের কাছে সাহায্য চেয়েছি যেন তারা রিকুইজিশন করে আমাদের গাড়ি দেয়। সেটাও যখন দিতে পারছে না তখন আমরা গাড়ি হায়ার করে হলেও সেনা সদস্যরা যাতে টহল দিতে পারে সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সেনা সদস্যরা প্রস্তুত এটার জন্য, অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন দিনরাত টহল পরিচালনা করছেন, মাত্র ভোটারদের আস্থার জায়গাটা ফিরিয়ে আনার জন্য। এটা জোরদার করা হয়েছে গত ২০ জানুয়ারি থেকে।’  

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নতুন সেবা চালু

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নতুন সেবা চালু আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সঠিক, নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় এটুআইয়ের ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে বিশেষ তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে।  ইসির সহযোগিতায় এটুআই-এর ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। মূলত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নাগরিকবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে সম্পূর্ণ টোল-ফ্রি নম্বর ৩৩৩-এ কল করে ৯ চাপলে নাগরিকরা নির্বাচনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন। এই সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট প্রদানের নিয়ম ও পদ্ধতি, নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের অবস্থান এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রদানের নিয়ম এবং প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধাসংক্রান্ত তথ্যও এখানে মিলবে। এ ছাড়া, জরুরি নির্দেশনা, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও পোস্টাল ভোটিং অ্যাপ ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হচ্ছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট আকারে) চালু হওয়া এই বিশেষ সেবার মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ জন নাগরিক প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা নিয়েছেন। এই হেল্পলাইনটি শুধু তথ্যসেবাই নয়, বরং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ এবং সম্ভাব্য অস্থিরতা আগাম শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করার একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবেও কাজ করবে। তবে এটি সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোলরুম হিসেবে কাজ করবে না; বরং একটি ‘ইনফরমেশন ইনটেক, আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং সিস্টেম’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হবে।