গাঁজা সেবনের অপরাধে একজনকে ১ মাসের কারাদন্ড

গাঁজা সেবনের অপরাধে একজনকে ১ মাসের কারাদন্ড চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার ১৫নং ওয়ার্ডের ম্যাথর পাড়া মোড়ে গাঁজা সেবনের অপরাধে একজনকে ১ মাসের কারাদ- দিয়েছেন মোবাইল কোর্টের বিচারক। আজ বিকেলে তাকে এই দ- প্রদান করা হয়। দ-প্রাপ্ত ব্যাক্তি হলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বালুবাগান এলাকার মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাফিন আলী। মোবাইল কোর্টে উপস্থিত থাকা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক ইলিয়াস হোসেন তালুকদার জানান, বিকেলে বালুবাগান এলকায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মীর আল মুনসুর শোয়াইব নেতৃত্বে এই মোবাইল কোট পরিচালনা করা হয়। এসময় গাঁজাসহ আটক করে মোবাইল কোর্টে বিচার করা হয়। বিচারে তাকে ১ মাসের কারাদ- ও ২০০ টাকা করে অর্থদ- প্রদান করা হয়।
আবারও দক্ষিণ কোরিয়ায় আবর্জনা বোঝাই বেলুন পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া

আবারও দক্ষিণ কোরিয়ায় আবর্জনা বোঝাই বেলুন পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া আবারও আবর্জনা বোঝাই কয়েকশ বেলুন দক্ষিণ কোরিয়ায় পাঠিয়েছে উত্তর কোরিয়া। সিউলের সামরিক বাহিনী মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে। সিউলের জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফ বলেছেন, পিয়ংইয়ং সোমবার সন্ধ্যায় প্রায় ৩৫০টি বেলুন উড়িয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১০০টি দক্ষিণে, প্রধানত উত্তর গিয়াংগি প্রদেশ এবং রাজধানী সিউলে নেমেছে। বেলুনের সাথে সংযুক্ত ব্যাগগুলোতে ‘কাগজের বর্জ্য’ ছিল। অবশ্য এগুলো জনসাধারণের জন্য কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করেনি। সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী অবিলম্বে তার মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ চালানোর জন্য প্রস্তুত। এর প্রতিক্রিয়া উত্তর কোরিয়ার কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করছে।’ এর আগে উত্তর কোরিয়া এক হাজারেরও বেশি বেলুন সিউলে পাঠিয়েছিল। এগুলোতে আবর্জনা বোঝাই ছিল। উত্তরের শাসন বিরোধী প্রচার বহনকারী বেলুনগুলোর প্রতিশোধ হিসাবে এগুলো পাঠানো হয়েছে বলে ওই সময় বলেছিল পিয়ংইয়ং। এর প্রতিক্রিয়ায় সিউল উত্তরের সীমান্তে লাউডস্পিকার থেকে কিছু প্রচার প্রচারণা পুনরায় চালু করেছে।
খাবার-পানির ভয়াবহ সংকটে গাজা, সাগরের নোনা জলই এখন শেষ ভরসা

খাবার-পানির ভয়াবহ সংকটে গাজা, সাগরের নোনা জলই এখন শেষ ভরসা দুর্ভিক্ষের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে গাজা। সেখানে ৪ লাখ ৯৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি ভয়াবহ খাদ্য ঘাটতির মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। ইসরায়েলি বাহিনী ভয়াবহ আগ্রাসনে ত্রাণবাহী কোনো ট্রাকও সেখানে প্রবেশ করতে পারছে না। ফলে একদিকে খাবার নিয়ে ত্রাণবাহী গাড়ি অপেক্ষা করছে অন্যদিকে তীব্র ক্ষুধায় ছটফট করছে গাজার ছোট ছোট শিশু, নারী, পুরুষ এবং বয়স্ক লোকজন। ত্রাণসামগ্রী নিতে যাওয়া লোকজনের ওপরও হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এমনকি ত্রাণবাহী গাড়ি, বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থাও হামলার শিকার হচ্ছে। ফিলিস্তিন শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ বিষয়ক সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। ট্রাকে করে খাবার এবং বিশুদ্ধ পানি নিয়ে অপেক্ষায় থাকার পরেও শিশুরা অপুষ্টি এবং পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে। ইসরায়েলের ক্রমাগত হামলায় ফিলিস্তিনিদের কাছে ত্রাণ সহায়তায়ও পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। প্রায় ৮ মাস ধরে সেখানে সংঘাত চলছে। এই পুরোটা সময়ের মধ্যে কয়েকবার মাত্র ত্রাণবাহী গাড়ি গাজায় প্রবেশের অনুমতি পেয়েছে। বাইরে থেকে কোনো সহায়তা না পাওয়ায় এবং ক্রমাগত হামলা চলতে থাকায় গাজায় ভয়াবহ বিপর্যয় তৈরি হয়েছে। ছোট ছোট শিশুরা খাবারের অভাবে এবং তীব্র পুষ্টিহীনতায় মারা যাচ্ছে। একদিকে দফায় দফায় বোমা হামলা অন্যদিকে খাদ্য সংকট, বাসস্থানের সংকট, একটু মাথা গোজার নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব সবকিছু মিলিয়ে ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগের যেন কোনো শেষ নেই। কবে এই পরিস্থিতি ঠিক হবে সেটাও কারও জানা নেই। গ্রীষ্মের প্রচণ্ড তাপ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে শুরু করেছে। গাজার ছোট ছোট শিশুরা লাইনে দাঁড়িয়ে বিশুদ্ধ পানির জন্য অপেক্ষা করছে। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও সামান্য পানির ব্যবস্থা হচ্ছে না। পানির এমন তীব্র সংকটের কারণে হাজার হাজার পরিবার এখন সাগরের নোনা পানিই ব্যবহার করতে শুরু করেছে। উত্তর গাজার উত্তর গাজা ইমার্জেন্সি কমিটি জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় অবরুদ্ধ এই উপত্যকার সব কূপ ধ্বংস হয়ে গেছে। ফলে সেখানে পানির সংকট আরও তীব্র হয়েছে। গত ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের সীমান্তে প্রবেশ করে আকস্মিক হামলা চালায় হামাস। এরপরেই গাজায় পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে অভিযানের নামে গত ৮ মাসে কমপক্ষে ৩৭ হাজার ৬২৬ জনকে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই নারী এবং শিশু। এছাড়া আহত হয়েছে আরও ৮৬ হাজার ৯৮ জন। এদিকে আল-শাতি ক্যাম্পে ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলায় হামাসপ্রধান ইসমাইল হানিয়েহের বোনসহ ১০ জন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
সাপে কাটা ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত সংরক্ষণ চেয়ে সরকারকে নোটিশ

সাপে কাটা ভ্যাকসিনের পর্যাপ্ত সংরক্ষণ চেয়ে সরকারকে নোটিশ রাসেলস ভাইপার সাপের কামড়ে মৃত্যুর ঘটনায় দেশের প্রতিটি হাসপাতাল-ক্লিনিক-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমের সংরক্ষণের পদক্ষেপ চেয়ে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। একইসঙ্গে প্রচার ও ভ্যাকসিন দেওয়া চিকিৎসকদের দ্রুত সময়ের মধ্যে উন্নত প্রশিক্ষণ এবং দেশে পরিবেশ উপযোগী এ জাতীয় ভ্যাকসিন উৎপাদনের পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে প্রয়োজনীয় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হবে। জনস্বার্থে মঙ্গলবার (২৫ জুন) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. বাহাউদ্দিন আল ইমরান জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালকে কাছে এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দেশের বেশ কিছু জেলায় রাসেলস ভাইপার সাপ নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের কারণে বিষয়টি নিয়ে দেশবাসী উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। অনেকে প্রচার করছেন যে সাপটি কামড় দিলে দ্রুত মানুষের মৃত্যু হয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, রাসেলস ভাইপার সাপ মেরে ফেরার প্রচারণাও চালাচ্ছেন অনেকে। ‘রাসেলস ভাইপার খুব দ্রুত বংশ বিস্তার করে। ফলে সহসা দেশের গ্রামাঞ্চলে এ সাপের আধিক্য মানুষের জন্য হুমকি তৈরি করবে’ বলে ব্যাপক প্রচারণা রয়েছে। ফলে এ নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ব্যাপক হারে প্রচারের প্রয়োজনীতা দেখা দিয়েছে। ‘স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বিষের বিরুদ্ধে কার্যকর বা বিষ নিষ্ক্রিয় করতে পারে এমন উপাদানকে অ্যান্টিভেনম বলা হয়। সাপের কামড় বা দংশনের পরে দ্রুত অ্যান্টিভেনম ইনজেকশন দিলে, অ্যান্টিভেনমের অ্যান্টিবডিগুলো বিষকে নিষ্ক্রিয় করে। এর ফলে আক্রান্ত ব্যক্তির জীবন বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বেঁচে যায়। ’ ‘সাম্প্রতিক সময়ে দেশের কয়েকটি জেলায় রাসেল’স ভাইপারের কামড়ে কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার কাছেই মানিকগঞ্জের কিছু এলাকায় গত তিন মাসে বিষধর রাসেলস ভাইপার সাপের কামড়ে অন্তত পাঁচজন মারা গেছেন বলে সরকারি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এরপর ভোলাসহ আরও কয়েকটি জেলায় এ ধরনের সাপ ধরে ফেলার সংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হয়েছে। ফলে কৃষকেরা মাঠে ফসল উৎপাদন-আহরণের ক্ষেত্রে আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন। ’ ‘গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য মতে, দেশে প্রতিবছর অনেকে বিষধর সাপের কামড়ে মারা যান শুধুমাত্র সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পাওয়া, বিশেষ করে হাসপাতালে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম না থাকার কারণে। কারণ, দেশে স্থানীয়ভাবে কোনও অ্যান্টিভেনম তৈরি হয় না। দেশে সাপের কামড়ের চিকিৎসায় এখন যেসব অ্যান্টিভেনম প্রয়োগ করা হয় তা ভারত থেকে আসে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে, সাপের কামড়ের রোগীর চিকিৎসার জন্য স্থানীয় সাপ থেকে অ্যান্টিভেনম তৈরি হলে তা সবচেয়ে কার্যকর হয়। অন্য দেশের অ্যান্টিভেনম এ দেশে শতভাগ কার্যকর নাও হতে পারে। কারণ, একেক দেশের সাপের প্রকৃতি একেক রকম। ভারতে যেসব সাপ থেকে বিষ সংগ্রহ করা হয়, সেগুলোর পুরোপুরি বাংলাদেশের সাপের সঙ্গে মেলে না। অথচ বছরের পর বছর ধরে ভারতের অ্যান্টিভেনম দিয়েই বাংলাদেশের সাপের কামড়ের রোগীদের সেবা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অ্যান্টিভেনমকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ বললেও বাংলাদেশ এখনও নিজেদের সাপের বিষের অ্যান্টিভেনম বানাতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। ‘ ‘দেশের হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন নেই’ বলে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। গত ২৩ জুন দৈনিক ভোরের কাগজে ‘রাজশাহীজুড়ে ‘রাসেল ভাইপার’ আতঙ্ক, নেই পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। যা রাজশাহীসহ সারা দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য বড় আতঙ্কের বিষয় হয়ে উঠেছে। ’ তাই এ নোটিশ পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে সারা দেশের হাসপাতাল, ক্লিনিক ও স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম ভ্যাকসিন সংরক্ষণ, ভ্যাকসিন দেওয়া চিকিৎসকদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে উন্নত প্রশিক্ষণ, দেশের অভ্যন্তরে পরিবেশ উপযোগী সাপের বিষের প্রতিরোধক ভ্যাকসিন উৎপাদনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। অন্যথায় এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রতিকার চেয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হবে বলেও নোটিশে জানানো হয়েছে
বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে আফগানিস্তানের ইতিহাস

বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়াকে বিদায় করে আফগানিস্তানের ইতিহাস দ্বাদশ ওভারের প্রথম বল। রশিদ খানের গুগলিটা পাঞ্চ করে লং অনে ঠেলে ১ রান নিলেন তানজিম হাসান সাকিব। স্কোর বোর্ডে ১ রান যোগ হলেও বাংলাদেশ ছিটকে গেল চলমান বিশ্বকাপের বোর্ড থেকে। শেষ হয়ে যায় সেমিফাইনালের আশা। সেখান থেকে ম্যাচ জেতার সম্ভাবনা থাকলেও সেটা হলো না। বৃষ্টি আইনে ৮ রানে হেরে সুপার এইটেই বিশ্বকাপ মিশনের সমাপ্তি ঘটলো নাজমুল হোসেনের দলের। বাংলাদেশকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার সেমিফাইনালে উঠলো আফগানিস্তান। সেই সঙ্গে নেট রান রেটে পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়াকেও পেছনে ফেলে ইতিহাস গড়েছে রশিদ খানের দল। আজ মঙ্গলবার (২৫ জুন) সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নেস ভ্যালে স্টেডিয়ামে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশের বোলিং তোপে ১১৫ রান করতে পারে আফগানিস্তান। সেমিফাইনালে যেতে হলে ১১৬ রানের লক্ষ্য ১২.১ ওভারেই পার হতে হতো বাংলাদেশকে। সেই উদ্দেশ্যে রান তাড়ায় নামলেও লক্ষ্য ছুঁতে পারেনি বাংলাদেশ। শেষমেশ জিততে পারেনি ম্যাচও। ১৭.৫ ওভারে ১০৫ রানেই গুটিয়ে গেছে লাল-সবুজের দল। লক্ষ্য তাড়ায় নেমে প্রথম ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ফজল হক ফারুকির গুড লেংথের বল একপাশে সরাতে গিয়ে মিস করেন তানজিদ হাসান তামিম। বল আঘাত করে তার প্যাডে। আঙ্গুল তুলে দেন আম্পায়ার। রিভিউ নিয়েও অবশ্য রক্ষা হয়নি। ৩ বলে কোনো রান না করেই ফিরে যান তানজিদ। দ্বিতীয় ওভারে আবারও উইকেট হারায় বাংলাদেশ। নাভিন-উল-হকের ফুল লেংথের স্লোয়ার বুঝতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত। উড়িয়ে দিয়েছিলেন ডিপ স্কয়ার লেগে। অনায়াস ক্যাচ নেন মোহাম্মদ নবী। পরের বলে সাকিব আল হাসানকেও ফেরান নাভিন। নিজের বলেই ক্যাচ নিয়ে সাকিবকে শূন্য রানে বিদায় করেন তিনি। এরপর ক্রিজে আসেন সৌম্য সরকার। একপ্রান্তে ভালো খেলতে থাকা লিটনের সঙ্গে জুটি বাঁধেন এই বাঁহাতি। এরপরই শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টিতে কিছুক্ষণ খেলা বন্ধ থাকে। পুনরায় খেলা শুরু হলে দলকে নিয়ে এগোতে থাকেন লিটন-সৌম্য। পাওয়ারপ্লে’তে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩ উইকেট হারিয়ে ৪৬ রান। এরপরই উইকেট বিলিয়ে দিয়ে আসেন সৌম্য সরকার। ১০ বলে ১০ রান করে রশিদের লেগ স্পিনে ধরা খান তিনি। সৌম্যের আউটের পর দুই চারে ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তাওহীদ হৃদয়। তবে তাকেও ফিরিয়ে বাংলাদেশকে এক প্রকার খাদে ঠেলে দেন আফগান অধিনায়ক রশিদ। এরপর মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এসে জুটি বাঁধেন লিটনের সঙ্গে। কিন্তু দলের সেমিফাইনালের স্বপ্নের পালে হাওয়া লাগানোর বদলে উল্টো আশার শেষটুকুও নিরাশা করে দেন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ৯ বলে ৬ রান করে বিদায় নেন তিনি। সেই সঙ্গে শেষ হয় বাংলাদেশের সেমির আশা। পরের বলে রিশাদ এসে ফেরেন কোনো রান না করেই। তানজিম সাকিবও পারলেন না টিকতে। ৩ রানে তাকে আউট করেন গুলবাদিন। দলের এই বিপর্যয়ের মাঝেই ফিফটি করেন লিটন। একপ্রান্ত আগলে ৪১ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়ে যান এই ওপেনার। এরপর লিটনকে সঙ্গ দেন তাসকিন। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শেষে মোস্তাফিজকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেই উল্লাসে মেতে ওঠে আফগানরা। এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে প্রথম ১০ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৮ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। একাদশ ওভারে আফগান শিবিরে প্রথম আঘাত করেন রিশাদ হোসেন। তার লেগ স্পিনে সাজঘরে ফেরান ২৯ বলে ১৮ রান করা ইব্রাহিম জাদরান। এ সময় টানা ১২ ডট বল খেলে আফগানিস্তান। চতুর্দশ ওভারে মিস হয় আজমতউল্লাহ ওমরজাইয়ের ক্যাচ।
‘তুফান’ ১০০ কোটি আয় করলে আমার ২৫ কোটি: শাকিব খান

‘তুফান’ ১০০ কোটি আয় করলে আমার ২৫ কোটি: শাকিব খান শাকিব খান অভিনীত ‘তুফান’ সিনেমা ঈদুল আজহায় প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে। সোমবার (২৪ জুন) রাজধানীর স্টার সিনেপ্লেক্সের সনি স্কয়ার শাখায় ‘তুফান’ সিনেমার বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এদিন দর্শক সারিতে বসে সিনেমাটি দেখেন শাকিব খান, চঞ্চল চৌধুরী, মাসুমা রহমান নাবিলা, রায়হান রাফীসহ সিনেমার কলাকুশলীরা। এ সময় শাকিব খান বলেন, “আজকে শুধু সিনেমা দেখতে এসেছি। আমি খুব অপেক্ষায় ছিলাম, কখন যাব, কখন সিনেমাটা দেখব। বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমার দেশের মানুষকে। ‘তুফান ১০০ কোটি আয় করলে আমার ২৫ কোটি। আর ২০০ কোটি আয় হলে ৫০ কোটি আমার।” তুফান’ সিনেমা দেখে দর্শক প্রতিক্রিয়া চান পরিচালক রায়হান রাফী। তিনি বলেন, ‘সিনেমাটা দেখেন, তারপর যা ভালো লাগে আমাদের বলেন। দো’আ করবেন যেন সামনে আরো ভালো কিছু করতে পারি।’ একজন গ্যাংস্টারের গল্পে তৈরি হয়েছে ‘তুফান’ সিনেমা। যেখানে উঠে এসেছে নব্বই দশকের চিত্র। সে সময়ের এক নামকরা গ্যাংস্টারের কাহিনি নিয়েই এগিয়েছে সিনেমাটির গল্প। শাকিব খান, মিমি চক্রবর্তী ছাড়াও এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, নাবিলা, মিশা সওদাগর প্রমুখ।
অষ্টম শ্রেণি চালুর জন্য প্রস্তুত ১৫৪ স্কুল, ৩ বছরে আরও ১ হাজার

অষ্টম শ্রেণি চালুর জন্য প্রস্তুত ১৫৪ স্কুল, ৩ বছরে আরও ১ হাজার সিদ্ধান্তহীনতা কাটিয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অষ্টম শ্রেণিতে উন্নীত করার বিষয়ে ফের তৎপর সরকার। এই মুহূর্তে দেশের আরও ১৫৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি চালু করার জন্য প্রস্তুত আছে এবং আগামী তিন বছরে আরও এক হাজার স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার মতো অবকাঠামো আছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহাম্মদ। মঙ্গলবার (২৫ জুন) সচিবালয়ে প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রদান ও জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নের জবাবে সচিব এ তথ্য জানান। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি চালুর অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেন, ২০১০ সালের শিক্ষানীতিতে বলা আছে প্রাথমিক শিক্ষা হবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত। এটি পর্যায়ক্রমে হবে। এটি আসলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সঙ্গে সমন্বয়ের ব্যাপার। এখানে পলিসি মেকিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদের সিদ্ধান্তে আমরা ৬৯৫ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করেছি। আমরা সাতশ’র বেশি চালু করেছিলাম। একসময় সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগার কারণে নতুন স্কুল অন্তর্ভুক্ত করিনি। তিনি বলেন, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পর্যায়ের সমন্বয় সভায় আবারও সিদ্ধান্ত হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত ও শতভাগ অবৈতনিক করা। আমরা হিসাব করে দেখেছি ৬৫ হাজার ৫৬৬টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে পাঁচ হাজারের কাছাকাছি স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করতে পারি এবং মাধ্যমিকে ২৩ হাজারের কছাকাছি নিম্ন মাধ্যমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে, সেগুলো যদি তারা অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক করতে পারে, তাহলে সরকারের এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা সম্ভব। ফরিদ আহাম্মদ বলেন, এটা করতে হলে তিন চ্যালেঞ্জ- অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ ও পদ সৃজন এবং তাদের প্রশিক্ষণ। কারণ আমরা আমাদের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেই পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। ‘আমরা মাঠপর্যায় থেকে যে তথ্য-উপাত্ত পেয়েছি, তাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলে আমরা এই মুহূর্তে আরও ১৫৪ স্কুলে অষ্টম শ্রেণি চালু করতে পারি। পাশাপাশি আগামী তিন বছরে আরও এক হাজার স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত চালু করার মতো অবকাঠামো আছে। এটা একটি ধারাবাহিক এবং নীতি-নির্ধারণী প্রক্রিয়া। কবে নাগাদ সব স্কুলে পুরোপুরি অষ্টম শ্রেণি চালু হবে হবে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, এটা ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এটার সঙ্গে অনেক বিষয় জড়িত। অবকাঠামো, শিক্ষক নিয়োগ ও পদ সৃজন এবং তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়গুলো আছে। এই কাজগুলো আমরা শুরু করেছি। আগামী তিন বছরের একটা টার্গেট নিয়ে কাজ করছি। তিনি আরও বলেন, আমরা ‘স্মার্ট প্রাইমারি এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-৫’ এর দিকে যাচ্ছি। সেখানেও বিষয়টিকে আমরা গুরুত্ব দিয়েছি, যাতে অবকাঠামো সুবিধা বৃদ্ধি, ষষ্ঠ-সপ্তম-অষ্টমের শিক্ষক-কর্মচারীর পদ সৃজন ও প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়। আমাদের পিডিপি-৫ এর কাজ শুরু হলে এই কাজ আরও ত্বরান্বিত হবে।
সিএমএসএমই সেক্টরে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময়

সিএমএসএমই সেক্টরে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে মতবিনিময় চাঁপাইনবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র, মাঝারি ও শিল্প কারখানায় সিএমএসএমই সেক্টরে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষে ব্যাংক কর্মকর্তা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলার প্রান্তিক উদ্যোক্তাদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টায় শহরের একটি রেস্টুরেন্টের সম্মেলন কক্ষে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের আয়োজনে মতবিনিময় সভায় জেলায় পরিচালিত ৩৬টি ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।g অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ও অঞ্চল প্রধান মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন- বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর নির্বাহী পরিচালক রূপ রতন পাইন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন- অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি রাজশাহী সার্কেলের মহাব্যবস্থাপক সুধীর রঞ্জন বিশ্বাস, বাংলাদেশ ব্যাংক রাজশাহীর অতিরিক্ত পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপমহাব্যবস্থাপক আবুল হাসনাত মো. নাজমুল কামাল। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বারের সিনিয়র সহসভাপতি মসিউল করিম বাবু, নারী উদ্যোক্তা খাদিজা খাতুন, শরিফা খাতুন ডেজি, আদিবা সুলতানা। মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি সকল ব্যাংকের ব্যবস্থাপকদের বলেন, আপনারা উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবেন। গ্রাহকদেরকে সিএমএসএমই সেক্টরে সচেতনতা বৃদ্ধি করবেন। এ ব্যাপারে সকলকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে। সঞ্চালনায় ছিলেন অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলের প্রিন্সিপাল অফিসার নাজির হাসান। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন, অগ্রণী ব্যাংক পিএলসি সদর ঘাট শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার শফিকুল ইসলাম।
গোমস্তাপুরে আমন ধানের বীজ পাচ্ছেন ১৬০০ জন কৃষক

গোমস্তাপুরে আমন ধানের বীজ পাচ্ছেন ১৬০০ জন কৃষক গোমস্তাপুরে চলতি রোপা আমন মৌসুমে বিনামূল্যে ধানের বীজ ও রাসায়নিক সার পাচ্ছেন ১ হাজার ৬০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষক। এই উপলক্ষ্যে আজ সকালে উপজেল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গোমস্তাপুর আয়োজিত বিতরনী উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়। এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রাণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মু. জিয়াউর রহমান। পরে উপজেলা সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিশাত আনজুম অনন্যা। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জেসমিন আকতার লাবনী, কৃষক রবিউল ইসলামসহ অন্যরা। উল্লেখ্য চলতি ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে খরিফ-২/২০২৪/২৫ মৌসুমে রোপা আমণ ধান চাষাবাদের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচীর আওতায় প্রতিজন কৃষক ৫ কেজি উফসি রোপা ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার পাবেন।
সদর উপজেলা পরিষদের বাজেট ঘোষণা

সদর উপজেলা পরিষদের বাজেট ঘোষণা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বাজেট সভায় উপজেলা পরিষদের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা করা হয়। বাজেটে এ বছর উপজেলার আয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ১৩ লাখ ৭৪ হাজার টাকা এবং ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৬ লাখ ৫ হাজার ১১৬ টাকা। উদ্বৃত্ত রাখা হয়েছে ৭ লাখ ৬৮ হাজার ৮৮৪ টাকা। এছাড়া সরকারি উন্নয়ন তহবিল থেকে আয় ও ব্যয় দেখানো হয়েছে ৮ কোটি ৮০ লাখ ১০ হাজার ৫০০ টাকা। বাজেট ঘোষণা করেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. তাছমিনা খাতুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান তসিকুল ইসলাম তসি, সদর মডেল থানার ওসি মেহেদি হাসান, সদর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তসিকুল আলম বাবুল, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাসরিন আক্তারসহ উপজেলার বিভিন্ন অফিসের কর্মকর্তাগণ।