নির্বাচনে নাশকতা প্রতিরোধে যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া

নির্বাচনে নাশকতা প্রতিরোধে যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নাশকতা প্রতিরোধ ও সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‎সোমবার সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ‎মহড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার সদস্যরা অংশ নেন। মহড়াকালে সন্দেহভাজন তল্লাশি, চেকপোস্ট স্থাপন, তাৎক্ষণিক অভিযান এবং জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কৌশল প্রদর্শন করা হয়। ‎নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়।

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ

ভোটকেন্দ্রে সাংবাদিকদের মোবাইল নিয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা নেই : ইসি সানাউল্লাহ ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের দিন সাংবাদিক ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্রের ভেতরে মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ফলাফল বুথ পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকরা মোবাইল ফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করলে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বেন না। এর আগে নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করে একটি নির্দেশনা জারি করে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলামের স্বাক্ষরে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত চিঠি রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়। ইসির নির্দেশনায় বলা হয়, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে কেবল তিন শ্রেণির কর্মকর্তা মোবাইল ফোন বহনের অনুমতি পাবেন। তারা হলেন—সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা এবং ‘ইলেকশন সিকিউরিটি ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত দুইজন আনসার সদস্য (এম্বডায়েড আনসার/জেনারেল আনসার/ভিডিপি)। চিঠির মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, দেশের ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসক এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাসহ মোট ৬৯ জন রিটার্নিং কর্মকর্তাকে নির্দেশনাটি যথাযথভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের ফলে ভোটগ্রহণের দিন ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রার্থী ও সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ হওয়ায় সাংবাদিক সমাজে উদ্বেগ তৈরি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) সোমবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সাংবাদিকদের জন্য মোবাইল ফোন বহনে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদ জানায়। আরএফইডি সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে। তিনি বলেন, এমন সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধা সৃষ্টি করবে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব পালনে মোবাইল ফোন একটি অপরিহার্য উপকরণ। তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন তাদের আশ্বাস দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিষয়টি শিগগির প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হবে বলেও কমিশন আশ্বস্ত করেছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। ওইদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ সভা

বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ সভা বাল্যবিবাহ এবং শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অভিভাবক, কিশোর-কিশোরী ও অংশীজনদের সঙ্গে এক সংলাপ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার যাদুপুর দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সভা অনুষ্ঠিত হয়। যাদবপুর দুর্গাপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অতিথি ছিলেন, বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনোয়ারা খাতুন ও গোলাম মোস্তফা, একই স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক নুর হোসেন, সহকারী শিক্ষক আব্দুর রহমান, অভিভাবক জুল্লি রানী ও আব্দুল হালিম সহ অন্যরা। স্ট্রেংদেনিং সোশ্যাল অ্যান্ড বিহেভিয়ার চেঞ্জ (ঝঝইঈ) প্রকল্প, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ-এর আয়োজনে এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত এ সংলাপে সভায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি পেশাজীবী, শিক্ষক, অভিভাবক, ছাত্র-ছাত্রী, এনজিও প্রতিনিধি, যুব প্রতিনিধি এবং ১২- ১৮ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করেন। সভায় বক্তারা বলেন, বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতা শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এসব সামাজিক সমস্যা প্রতিরোধে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় নেতৃত্ব এবং সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সমন্বিত ভূমিকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে অভিভাবক ও পুরুষদের সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীরা শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করতে করণীয় বিষয়ে মতামত দেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, সহিংসতা হ্রাস এবং শিশু অধিকার রক্ষায় বাস্তবভিত্তিক সমাধান খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভা শেষে অংশগ্রহণকারীরা বাল্যবিবাহ ও শিশুর প্রতি সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চরাঞ্চলের ১৪টি সহ ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১১৫ টি

চাঁপাইনবাবগঞ্জে চরাঞ্চলের ১৪টি সহ ঝুঁকিপূর্ণ ভোট কেন্দ্র ১১৫ টি চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৫টি উপজেলার তিনটি সংসদীয় আসনে এবাওে মোট ভোট কেন্দ্র রয়েছে ৫১৫টি। পোষ্টাল ব্যালটের নিবন্ধিত ১৮ হাজার ৬৭৫ জন ভোটার ছাড়া কেন্দ্রের ভোটার ১৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৬৬০ জন। ইতিমধ্যে প্রশাসন ১১৫টি ভোট কেন্দ্রকে ঝঁকিপূর্ণ বা অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে। জেলার চরাঞ্চল সমূহে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ১৪টি। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ আসনে ২৩টি। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে ৬৬টি। নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট এই তিনটি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে গোমস্তাপুরে ৩২টি,নাচোলে ২১টি ও ভোলাহাটে ১৪টি কেন্দ্রকে ঝঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনের ২৫ কেন্দ্র ঝূঁকিপূর্ণ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) ওয়াসিম ফিরোজ ও জেলা নির্বাচন অফিসার আজাদুল হেলাল এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, প্রতিটি সাধারণ কেন্দ্রে নূন্যতম ১ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ন্যূণতম ২ জন সশস্ত্র পুলিশ ফিক্সড দায়িত্ব পালন করবে। জেলার ৫টি থানা এলাকায় ১হাজার ৮২ জন পুলিশ দায়িত্বরত থাকবে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসন শিবগঞ্জে ২৯২ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন (গোমস্তাপুরে-১৯০,নাচোলে-১২৬ ও ভোলাহাটে-৯০ জন) ৪০৬ জন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসন সদরে ৩৮৪ জন পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কমান্ড্যান্ট আরিফুর রহমান বলেন, ঝূঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র আনসার, ৬ জন লাঠিদারী আনসার ও ৪ জন নারী আনসার ও ভিডিপি সদস্য( মোট-১৩ জন) ফিক্সড দায়িত্ব পালন করবে। সাধারণ কেন্দ্রে ফিক্সড দায়িত্বে থাকবে ২জন অস্ত্রধারী আনসার,৭ জন পুরুষ ও ৪ জন নারী আনসার সদস্য। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (৫৩বিজিবি) অধিনায়ক লে.কর্নেল কাজী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনে ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন হবে। এর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জে ৩ প্লাটুন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ- ২ আসনের ভোলাহাটে ৪ প্লাটুন, নাচোলে ২ প্লাটুন ও গোমস্তাপুরে ২ প্লাটুন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ সদর আসনে ১ প্লাটুন রিজার্ভ সহ ৪ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন হবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও রির্টার্নিং কর্মকর্তার দপ্তরে স্থাপিত নির্বাচন সেলে দায়িত্বরত এক্্িরকিউটিভ ম্যাজিষ্টেট আজামাইন মাহতাব বলেন, জেলাব্যাপী নির্বাচনী দায়িত্বে যুক্ত করা হয়েছে ১০ জন জুডিশিয়াল এবং ২১ জন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্টেটকে। কর্মকর্তারা বলছেন, এর বাইরে প্রয়োজনীয় সংখ্যক র‌্যাব ও সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং পোর্ষ হিসেবে ও মোবাইল টিম নিয়ে মাঠে থাকবে। চরাঞ্চলের ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা দিয়ে যথা সময়ে ভোট সামগ্রী প্রেরণ ও ভোটগ্রহণ শেষে নিয়ে আসা হবে বলেও জানানো হয়েছে বিভাগীয় কমিশনার ও ডিআইজি,রাজশাহীর উপস্থিতিতে সর্বশেষ আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের বিশেষ সভায়। মানুষের শংকা কাটাতে ভোটের দিন সামনে রেখে বাহিনীগুলো ক্রমান্বয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে বলেও ওই সভায় জানানো হয়।

চাঁপাইনবাবঞ্জে র‌্যাবের অভিযনে ৬.২৭ কেজি গানপাওডার ও বোমা তৈরির বিপুল পরিমান উপকরণ জব্দ

চাঁপাইনবাবঞ্জে র‌্যাবের অভিযনে ৬.২৭ কেজি গানপাওডার ও বোমা তৈরির বিপুল পরিমান উপকরণ জব্দ   শিবগঞ্জ উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ৬.২৭ কেজি গানপাওডার এবং বোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ জব্দ হয়েছে। বোমার উপকরণের মধ্যে রয়েছে ১.৭ কেজি ছোট পাথর, ১.৪ কেজি কাঁচের গুঁড়া, ৩৮৫ গ্রাম লোহার পেরেক, ৩১ টি জর্দার কৌটা, ২৯টি গ্যাস লাইটার, ১২টি লাল রং এর স্বচটেপ। তবে এ অভিযানে কেউ আটক হয় নি। র‌্যাব জানায়, গতকাল রাত ১০টার দিকে পারঘোড়াপাখিয়া গ্রামের একটি সরিষা ক্ষেতের ভেতর পরিত্যক্ত একটি প্লাষ্টিকের বস্তার উপর ৩টি আলাদা পলিথিনের প্যাকেটে মোড়ানো ছয় কেজি দুইশ সত্তর গ্রাম গানপাওডার সদৃশ গুঁড়া পদার্থ এবং একটি সাদা পলিথিন ব্যাগের ভেতর বোমা তৈরির সরঞ্জামগুলো পাওয়া যায়। আজ সকালে র‌্যাব-৫ এর পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, আসন্ন সংসদ নির্বাচনে অশান্তি সৃষ্টির লক্ষ্যে নাশকতার পরিকল্পনায় দূষ্কৃতিকারিরা ওইসব বিস্ফোরক দ্রব্য মজুদ রেখেছিল। এ ঘটনায় শিবগঞ্জ থানায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব।

নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ

নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। নির্বাচন কমিশন ইসি জানিয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন। নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন। আর হিজড়া ১ হাজার ২২০ জন। ৩০০ আসনে মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে। আর সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা নিয়োজিত থাকবেন। এর পাশাপাশি প্রায় ৯ লাখ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নিরাপত্তা দায়িত্ব পালন করবেন।

দেশে এসেছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট

দেশে এসেছে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট   আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। আজ প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এ তথ্য জানান। তিনি জানান, আজ সকাল ১১ টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।

আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আজ থেকে মাঠে সেনাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে আজ থেকে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে নামছে। ভোটের আগে চারদিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পর দুইদিনসহ মোট সাতদিন তারা দায়িত্ব পালন করবে। এ হিসেবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে। নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানান, আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকবে।

৪৬তম বিসিএসে ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সাময়িক সুপারিশ

৪৬তম বিসিএসে ১৪৫৭ জনকে নিয়োগের সাময়িক সুপারিশ ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষা-২০২৩ এর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ১ হাজার ৪৫৭ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগে সাময়িকভাবে সুপারিশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। আজ সন্ধ্যায় এ ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় সাময়িকভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা ১৮ জানুয়ারি শুরু হয়ে শেষ হয় ২৬ জানুয়ারি। গত বছরের ২৭ নভেম্বর লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়। এতে ৪ হাজার ৪২ জন উত্তীর্ণ হন। এর আগে ২৪ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত আবশ্যিক বিষয় এবং ১০ আগস্ট থেকে ২১ আগস্ট পর্যন্ত পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ৪৬তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা গত বছরের ৮ মে থেকে ১৯ মে পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। পরে পরীক্ষার্থীদের দাবির মুখে তা স্থগিত করা হয়। ২০২৩ সালের ৩০ নভেম্বর ৪৬তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এ বিসিএস থেকে ৩ হাজার ১৪০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সবচেয়ে বেশি নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন ১ হাজার ৬৮২ জন, সহকারী ডেন্টাল সার্জন ১৬ জন, শিক্ষা ক্যাডারে শিক্ষায় ৫২০ জন।

রমজান মাসে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা

রমজান মাসে সরকারি অফিস ৯টা থেকে সাড়ে ৩টা পবিত্র রমজান মাসে সরকারি অফিসের সময়সূচি নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। অন্যান্য বছরের মতো এবারও রমজানে সব সরকারি দপ্তরে অফিস চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) হিজরি ১৪৪৭ সনের পবিত্র রমজান মাসে সেহরি ও ইফতারের সময় বিবেচনায় এই সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ সময়সূচি সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। রমজানে প্রতিদিন দুপুর সোয়া ১টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত জোহরের নামাজের বিরতি থাকবে। সাপ্তাহিক ছুটি আগের মতোই শুক্র ও শনিবার বহাল থাকবে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। বর্তমানে সরকারি অফিসের নিয়মিত সময়সূচি সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান, ডাক বিভাগ, রেলওয়ে, হাসপাতাল, রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, কলকারখানা এবং জরুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিজ নিজ আইন ও বিধি অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনায় সময়সূচি নির্ধারণ ও অনুসরণ করবে।