৬৬ বছর পর আর্জেন্টিনার কাছে এতো বড় ব্যবধানে হারল ব্রাজিল

৬৬ বছর পর আর্জেন্টিনার কাছে এতো বড় ব্যবধানে হারল ব্রাজিল ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাস অনেক পুরনো। তাদের লড়াইও অনেক পুরনো। তাইতো এটা শৈল্পিক নাম পেয়েছে ‘সুপার ক্লাসিকো’। যেখানে লড়াই হয় হাড্ডাহাড্ডি। উত্তেজনার পারদ থাকে তুঙ্গে। তেমনই এক উত্তেজনা ছড়ানো ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বুধবার (২৬ মার্চ) সকালে আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হয়েছিল ব্রাজিল। প্রত্যাশা ছিল ডরিভাল জুনিয়রের শিষ্যরা আর্জেন্টিনার মাঠ থেকে একটি ভালো ফল নিয়ে আসবে। কিন্তু উল্টো লজ্জাজনক হারকে সঙ্গী করেছে তারা। ছুঁয়ে ফেলেছে ৬৬ বছরের পুরনো লজ্জাজনক হারের রেকর্ডকে। ১৯১৪ সাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা একে অপরের মুখোমুখি হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত গেল ১১১ বছরে দল দুটি ১১৪ ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে। এই লম্বা সময়ে আর্জেন্টিনার কাছে হাতে গোনা কিছু ম্যাচে বড় ব্যবধানে হার মেনেছে ব্রাজিল। ১৯১৭ সালে কোপা আমেরিকার ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৪-২ ব্যবধানে হেরেছিল সেলেসওরা। এরপর ১৯২৫ সালে সেই কোপা আমেরিকাতেই ৪-১ ব্যবধানে হার মানে ব্রাজিল। ১৯৩৯ সালে অবশ্য হারের ব্যবধান বেড়ে হয়েছিল ৫-১। সেটা অবশ্য কোপা জুলিও রোকাতে। ১৯৪০ সালে কোপা জুলিও রোকাতেই ইতিহাসের সর্বোচ্চ ৬-১ ব্যবধানে আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছিল ব্রাজিল। একই বছর আরও একবার ৫-১ ব্যবধানে হেরেছিল হলুদ রঙের জার্সিধারীরা। অবশ্য ১৯৪৫ সালে কোপা জুলিও রোকায় আর্জেন্টিনাকে ৬-২ ব্যবধানে হারিয়েছিল ব্রাজিলও। ১৯৫৯ সালে কোপা আমেরিকার ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল ব্রাজিল। সেটাই ছিল ব্রাজিলের সবশেষ বড় ব্যবধানে হার আর্জেন্টিনার কাছে। ১৯৬০ কোপা জুলিও রোকায় প্রথমে আর্জেন্টিনার কাছে ৪-২ ব্যবধানে হারে ব্রাজিল। এরপর ব্রাজিল ৪-১ ব্যবধানে হারায় আর্জেন্টিনাকে। একই বছর কোপা ডেল আটলান্টিকোতে ৫-১ ব্যবধানে আর্জেন্টিনাকে উড়িয়ে দিয়েছিল সেলেসওরা। ২০১২ সালে এক প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার কাছে ৪-৩ ব্যবধানে হেরেছিল ব্রাজিল। তবে বহু বছর পর আজ আরও একবার আর্জেন্টিনা চারবার ব্রাজিলের জালে বল জড়ালো। তাতে ৬৬ বছর পর আর্জেন্টিনার কাছে ৪-১ ব্যবধানে হার মানলো রাফিনিয়া-মারকিনহোসরা। তবে চারবার করে জালে বল জড়ানোর ঘটনা দুই দল এ পর্যন্ত মোট ১০ বার ঘটিয়েছে। তার মধ্যে আর্জেন্টিনা ৭ বার এবং ব্রাজিল ৩ বার। সাল ব্যবধান টুর্নামেন্ট ১৯১৭ আর্জেন্টিনা ৪-২ ব্রাজিল কোপা আমেরিকা ১৯২৫ আর্জেন্টিনা ৪-১ ব্রাজিল কোপা আমেরিকা ১৯৫৯ আর্জেন্টিনা ৪-১ ব্রাজিল কোপা আমেরিকা ১৯৬০ আর্জেন্টিনা ৪-১ ব্রাজিল কোপা আমেরিকা ১৯৬০ আর্জেন্টিনা ৪-২ ব্রাজিল কোপা জুলিও রোকা ১৯৬৮ ব্রাজিল ৪-১ আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ ১৯৯৯ ব্রাজিল ৪-২ আর্জেন্টিনা আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ ২০০৫ ব্রাজিল ৪-১ আর্জেন্টিনা ফিফা কনফেডারেশন কাপ ২০১২ আর্জেন্টিনা ৪-৩ ব্রাজিল আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ ২০২৫ আর্জেন্টিনা ৪-১ ব্রাজিল বিশ্বকাপ বাছাই পাঁচবার করে জালে বল জড়ানোর ঘটনা আছে তিনটি। তার মধ্যে আর্জেন্টিনা একবার ও ব্রাজিল দুইবার জড়িয়েছে। সাল ব্যবধান টুর্নামেন্ট ১৯৪০ আর্জেন্টিনা ৫-১ ব্রাজিল কোপা জুলিও রোকা ১৯৬০ ব্রাজিল ৫-১ আর্জেন্টিনা কোপা ডেল আটলান্টিকো ১৯৬৩ ব্রাজিল ৫-২ আর্জেন্টিনা কোপা জুলিও রোকা আর ৬ গোলের ব্যবধানে উভয় দলের জয় আছে মাত্র ২টা। সাল ব্যবধান টুর্নামেন্ট ১৯৪০ আর্জেন্টিনা ৬-১ ব্রাজিল কোপা জুলিও রোকা ১৯৪৫ ব্রাজিল ৬-২ আর্জেন্টিনা কোপা জুলিও রোকা

তামিমের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, চলছে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি

তামিমের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল, চলছে বিদেশে নেওয়ার প্রস্তুতি জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। সাভার থেকে ঢাকায় স্থানান্তরের পর স্বাভাবিক অবস্থায় আছেন তামিম। অল্পস্বল্প সলিড খাওয়া খেতে পারছেন। প্রাথমিক বিপদ কেটে যাওয়ার পর এখন সুস্থ হয়ে উঠছেন। গতকাল সকাল থেকে অল্পস্বল্প হাঁটা শুরু করেছিলেন। সাভারের কেপিজে হাসপাতাল থেকে ঢাকার এভারকেয়ারে স্থানান্তরের পর তার শারীরিক পরীক্ষা করেছেন চিকিৎসকরা। সেখানে আশাব্যঞ্জক ফল পেয়েছেন তারা। খুব বেশি জটিলতা তাদের কাছেও ধরা পড়েনি। শুরুর চিকিৎসা প্রক্রিয়া ভালো হওয়ায় তামিম দ্রুত উন্নতি করছেন বলে মত দিয়েছেন। আপাতত দুয়েকদিন তামিম থাকবেন এভারকেয়ার হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণে। এরপর বাসায় ফিরতে পারেন। তবে উন্নত চিকিৎসা, সেবা এবং রিহ্যাব প্রক্রিয়ার জন্য তামিমকে দেশের বাইরে নিয়ে যেতে চায় পরিবার। এজন্য ভিসা প্রক্রিয়ার কাজও শুরু হয়ে গেছে। সিঙ্গাপুরের ভিসা রয়েছে তার। থাইল্যান্ডের ভিসা করার প্রক্রিয়া চলছে। দুই দেশে তার যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অ্যাপয়েনমেন্ট পাওয়ার ওপর নির্ভর করছে তার বিদেশ যাত্রা। তবে ভালো খবর, আগের চেয়ে অনেক ভালো অবস্থায় আছেন তামিম। গত (২৪ মার্চ) বিকেএসপিতে ঢাকা লিগের ম্যাচ খেলতে নামার আগে প্রথ‌মে মাইনর ও প‌রে ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ অজ্ঞান হ‌য়ে পড়েন তামিম। তাকে কে‌পি‌জে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়েছিল যে, ২২ মিনিট সময় ধ‌রে সি‌পিআর ও তিনটি ডি‌সি শক দি‌তে হ‌য়ে‌ছে। এরপর দ্রুত এন‌জিওগ্রাম ক‌রে শতভাগ ব্লক থাকা একটা আর্টারিতে রিং লা‌গি‌য়ে‌ছেন চিকিৎসকরা। অবিশ্বাস্য গ‌তি‌তে হ‌য়ে‌ছে সব‌কিছু। চিকিৎসকদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সময়মতো হওয়ায় তামিম পেয়েছেন নতুন এক জীবন। গতকাল রাতে তামিমকে দেখতে হাসপাতাল গিয়েছিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। একই সময়ে সেখানে হাজির হন বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হকও।

দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানলে নিহত ২৪

দক্ষিণ কোরিয়ায় দাবানলে নিহত ২৪ দক্ষিণ কোরিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে একাধিক দাবানলে কমপক্ষে ২৪ জন নিহত হয়েছেন। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগেরই বয়স ৬০ থেকে ৭০ এর কোঠায়। প্রায় ২৬ জন আহত হয়েছেন – যাদের মধ্যে ১২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভয়াবহ দাবানলে ২৩ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। আগুনে উইসং শহরের এক হাজার ৩০০ বছরের পুরনো গৌনসা মন্দিরটি পুড়ে গেছে। ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হান ডাক-সু বলেছেন, “আমাদের জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ দাবানলের রেকর্ড পুনর্লিখন হচ্ছে।” কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে সানচেং কাউন্টিতে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা উইসং কাউন্টিতে ছড়িয়ে পড়ে।  বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, তীব্র ও শুষ্ক বাতাসের কারণে দাবানল পার্শ্ববর্তী কাউন্টি আন্দং, চেওংসং, ইয়ংইয়ং এবং ইয়ংডিওকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ফরেস্ট সায়েন্সের বন দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ লি বায়ুং-ডু রয়টার্সকে বলেন, উইসংয়ের দাবানল ‘অকল্পনীয়’ মাত্রা এবং গতিতে ছড়িয়ে পড়ছে। কর্তৃপক্ষের মতে, বুধবার দুপুরের পর উইসং কাউন্টির পাহাড়ে একটি অগ্নিনির্বাপক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য হাজার হাজার অগ্নিনির্বাপক কর্মী এবং প্রায় পাঁচ হাজার সামরিক কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। এর পাশাপাশি কোরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনীর হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।

তামিমকে দেখতে গেলেন সাকিবের বাবা-মা

তামিমকে দেখতে গেলেন সাকিবের বাবা-মা সোমবারই সতীর্থ, বন্ধু ও দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা তামিম ইকবালের জন্য দোয়া চেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। সন্ধ্যায় তামিমের স্ত্রী আয়েশা ইকবালের সঙ্গে ফোনে কথা বলে খোঁজখবর নেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার। আজ মঙ্গলবার হার্ট অ্যাটাকের পর সাভারের কেপিজে স্পেশালাইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তামিমকে দেখতে গেছেন সাকিবের বাবা ও মা। সাকিবের বাবা খন্দকার মাসুরুর রেজা ও মা শিরিন রেজা মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে তামিমকে দেখতে যান। সেখানে দেশসেরা ওপেনারের জন্য দোয়া করেন এবং শারীরিক অবস্থান খোঁজ-খবর নেন তারা। প্রায় ১ ঘণ্টা তামিমের কক্ষে অব্স্থান করেন মাসুরুর রেজা ও শিরিন রেজা। এরপর তামিমের পারিবারের সঙ্গে অনেকটা সময় কাটান তারা। পরে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে এসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন সাকিবের বাবা। মাসরুর রেজা বলেন, ‘তামিমের সঙ্গে সাকিবের কথা হয়েছে কি না, আমি জানি না। তবে তামিম ভালো আছে। খুব শিগগিরই বাসায় চলে যেতে পারে।’ ‘আমাদের এখন দোয়া করা ছাড়া আর কী আছে। তামিমকে দেখলাম, তার জন্য দোয়া করলাম। আমি গতকালও তার জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করেছি।’ জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক ক্রিকেট মিলিয়ে তামিম-সাকিবের বন্ধুত্ব প্রায় দুই দশকের। তবে সাকিবের বাবা যোগ করলেন নতুন তথ্য। মাসরুর রেজা জানালেন, তামিমের সঙ্গে পরিচয়েরও অনেক আগে তামিমের পরিবারের সঙ্গে তার পরিচয়। ‘(তামিম) ছেলের মতো না…তামিমের আব্বা তো আমার খেলার বন্ধু। ইকবাল ভাই আমার খেলার বন্ধু। তামিমের মায়ের বিয়ের আগেই কিন্তু তার বাবার সঙ্গে আমার সম্পর্ক।’ এর আগে গতকাল সোমবার ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএল) শাইনপুকুরের বিপক্ষে খেলতে নামার আগে হার্ট অ্যাটাক হয় মোহামেহান স্পোর্টিং ক্লাবের অধিনায়ক তামিমের। পরিস্থিতি জটিল হলে দ্রুত তাকে স্থানীয় কেপিজে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ওই হাসপাতালেই তামিমের এনজিওগ্রাম, এনজিওপ্লাস্টি এবং স্টেন্টিং করানো হয়। স্টেন্টিংয়ের মাধ্যমে দ্রুত ব্লক পড়া ধমনীতে রিং পরানো হয়। এরপর আস্তে আস্তে শঙ্কা কাটতে শুরু করে। গতকাল দুপুরের পরই জ্ঞান ফেরে তামিমের। মায়ের সঙ্গে কথাও বলেন তিনি। ওইদিন বিকালের দিকে হাসপাতালের ডাক্তাররা আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, তামিম ইকবাল পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত নন। পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। রাতের দিকে খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তখন জানা গেছে, তামিমের অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে। তামিম ইকবালের সঙ্গে কেপিজে হাসপাতালে অবস্থান করা তার বন্ধু এবং সাংবাদিক মিনহাজউদ্দিন খান জাগোনিউজকে জানিয়েছেন, ‘তামিম আগের চেয়ে অনেকটা ভালো বোধ করছেন। রাতে ভালো ঘুমও হয়েছে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে তার। একজনের সাহায্য নিয়ে রুমের মধ্যে হাঁটাচলাও করেছেন।’ তামিমের চাচা, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবি পরিচালক আকরাম খান জাগোনিউজকে বলেছেন, ‘তামিমের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। রিং পরানোর কারণে হার্টে রক্তের চলাচলও অনেকটা স্বাভাবিক হয়েছে। তার অবস্থা দেখে কেপিজে হাসপাতালের ডাক্তার যদি অনুমতি দেয়, তাহলে আজই আমরা তাকে রিলিজ করে এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে আসতে চাই। এখানে এনে পরীক্ষা করতে চাই তার হার্টের ড্যামেজ কতটা হয়েছে। এর চেয়ে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন হবে কি না।’

মুক্তিতে বাধাহীন ‘দাগি’

মুক্তিতে বাধাহীন ‘দাগি’ অনেক দিন ধরেই আলোচনায় ঈদুল ফিতরে মুক্তি প্রতীক্ষিত ‘দাগি’ সিনেমা। শিহাব শাহীন পরিচালিত সিনেমাটিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো ও তমা মির্জা। সোমবার (২৪ মার্চ) সিনেমাটি সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। এতে করে ঈদের সিনেমার দৌড়ে একধাপ এগিয়ে গেল ‘দাগি’। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে এসভিএফ ও আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড। এটি ইউ গ্রেডের (ইউনিভার্সাল গ্রেড) সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়েছে। অর্থাৎ সব বয়সিরাই দেখতে পারবেন সিনেমাটি। আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এমডি) শাহরিয়ার শাকিল বলেন, “ঈদে সবাই মিলে যেন সিনেমা উপভোগ করতে পারেন, তেমন সিনেমাই আমরা করতে চেয়েছিলাম এবং সেটি করতে পেরেছি বলে মনে হয়। কারণ সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড সিনেমাকে ইউ গ্রেড দিয়েছে।” ‘দাগি’ মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প বলে জানিয়েছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন। সেন্সর সার্টিফিকেট পেয়ে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বসিত তিনি। এ নির্মাতা জানান, ‘দাগি’ গল্প নির্ভর সিনেমা, দেখার মতো অভিনয়ের সিনেমা। এমন গল্প দেশে হয়নি বললেই চলে। শিহাব শাহীন বলেন, “নিশান–জেরিনের ভালোবাসা–বিরহের গল্প ‘দাগি’। একই সঙ্গে চরিত্র দুটির অনুশোচনার গল্পও। প্রকাশিত টিজার এবং রোমান্টিক গানে দর্শকরা এটা বুঝতে পেরেছেন বলে আশা করছি। আবার এখানে কারাগারের ব্যাপারও আছে। আর জেলের দাগ একবার যার লাগে, বাকি জীবন সে দাগি হয়ে থাকে। এখান থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ক্ষমার বিষয়টি। যা আমাদের জীবনে তো বটেই, ধর্ম ও মানবতারও অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তাই আমরা বলছি, ‘দাগি’ মুক্তি বা প্রায়শ্চিত্তের গল্প। সৈয়দপুর, রাজশাহী, ঢাকায় ‘দাগি’ সিনেমার শুটিং হয়েছে। নিশো-তমা ছাড়াও আরো অভিনয় করেছেন তমা মির্জা, সুনেরাহ বিনতে কামাল, শহীদুজ্জামান সেলিম, গাজী রাকায়েত, মিলি বাশার, রাশেদ মামুন অপু প্রমুখ। সিনেমার গল্প, চিত্রনাট্য, সংলাপ লিখেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।

বর্ষার বক্তব্য নিয়ে তারকাদের সমালোচনা

বর্ষার বক্তব্য নিয়ে তারকাদের সমালোচনা কয়েক দিন আগে অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা দেন চিত্রনায়িকা বর্ষা। কারণ হিসেবে এ অভিনেত্রী বলেন— “ছেলেরা বড় হচ্ছে, বড় হয়ে তারা যদি দেখে, তার মা সিনেমার নায়িকা, তখন কী ভাববে? এসব চিন্তা করেই সিনেমা ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” বর্ষা অভিনয় ছাড়ার বক্তব্যের একটি ফটো কার্ড নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী দীপা খন্দকার। পাশাপাশি বর্ষার বক্তব্যর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করে লেখেন— “আপনার সন্তান যদি আপনাকে চলচ্চিত্রের তারকা হিসেবে দেখে, এটা হবে গর্বের মুহূর্ত।”অভিনয় ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বর্ষা যে বক্তব্য দিয়েছেন তা নিয়ে আপত্তি করেছেন দীপা খন্দকার। তার এ পোস্টে শোবিজ অঙ্গনের অনেকে মত প্রকাশ করেছেন। বর্ষার উদ্দেশ্যে ছুড়ে দিয়েছেন কিছু প্রশ্ন।  অভিনেতা জিতু আহসান লেখেন, “সম্মানের সঙ্গে বলছি, তার মানে সিনেমার নায়িকারা খারাপ? ছেলে ১৪-১৫ বছর বয়সে মাকে সিনেমার নায়িকা দেখলে খারাপ, তাহলে উনি এখন যে নায়িকা (জোর করে) সেটা খারাপ না? আর এটা এত যে খারাপ পেশা, সেখানে স্বামীর প্রযোজনা সিনেমায় জোর করে নায়িকা হয়ে থাকার দরকার কি?” জিতু আহসানের কমেন্টের জবাবে দীপা খন্দকার লেখেন, “ভাই, আমি বুঝিয়েছি, সন্তান যদি ওই বয়সে মাকে নায়িকা দেখে তাহলে এটা একটা গর্বের মুহূর্ত হবে। আর আমি আমার শেষ নিশ্বাস পর্যন্ত অভিনয় করতে চাই। সুতরাং উনার কথার সঙ্গে সহমত পোষণের প্রশ্নই আসে না।” এরপর আরেকটি মন্তব্য করেন দীপা। তাতে তিনি লেখেন, “ওই মহিলার কথা শুনে আমার খারাপ লাগছে। একটা মশাও তো তার স্বামীকে চিনত না। মিডিয়াতে এসে মানুষ চেনার পর সেই মিডিয়া খারাপ! যে পাতে খায়, সেই পাতে…।” এ মন্তব্যের সঙ্গে সহমত পোষণ করেন জিতু আহসান। দীপা খন্দকার, জিতু আহসানের ভাবনার সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন তাদের ভক্ত ও সহকর্মীরাও। অনেকে বর্ষার বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করছেন। অভিনেতা স্বাধীন খসরু লেখেন, “ভয়ংকর অপদার্থ।” গায়ক লুৎফর হাসান লেখেন, “আহারে মুনাফিক। যে পাতে খায়, সেই পাতেই ডট ডট।” নাট্যনির্মাতা আশিকুর রহমান লেখেন, “এরা এমন ভণ্ড কেন? এরা নিজেরা ইয়াং বয়সে সিনেমার নায়িকা হবে, নেম-ফেম উপভোগ করবে। কিন্তু সন্তানকে শেখাবে সিনেমার নায়িকা একটা খারাপ জিনিস!” তা ছাড়াও নির্মাতা মোস্তাফিজুর রহমান মানিকসহ অনেকে আপত্তি জানিয়েছেন।

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো নিউজিল্যান্ড

শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো নিউজিল্যান্ড দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের ওশেনিয়া অঞ্চলের দেশ নিউজিল্যান্ডে শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৭। তাৎক্ষণিক কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স। নিউজিল্যান্ডের সরকারি ভূতাত্ত্বিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা জিওনেটের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার স্থানীয় সময় দুপুর ২:৪৩ মিনিটে দেশটির সাউথ আইল্যান্ডে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। তবে কোনো সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। দেশটির সাব-অ্যান্টার্কটিক দ্বীপপুঞ্জের সবচেয়ে উত্তরে অবস্থিত স্নারেস দ্বীপপুঞ্জের প্রায় ১৬০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ৩৩ কিলোমিটার (২১ মাইল) গভীরে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে।  স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের ফলে সাউথ আইল্যান্ডের ইনভারকারগিল, গোর, তে আনাউ, ক্রমওয়েল, কুইনস্টাউন এবং ডুনেডিনসহ বিভিন্ন স্থানে জিনিসপত্র পড়ে গেছে এবং ভবনগুলো দুলতে দেখা গেছে। নিউজিল্যান্ডের জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, সাউথল্যান্ড এবং ফিওর্ডল্যান্ড অঞ্চলের বাসিন্দাদের সমুদ্র সৈকত এবং সামুদ্রিক এলাকা থেকে দূরে থাকা উচিত। কারণ তীব্র এবং অস্বাভাবিক স্রোত বিপদ ডেকে আনতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় আবহাওয়া ব্যুরো জানিয়েছে, মূল ভূখণ্ড, দ্বীপপুঞ্জ বা অঞ্চলগুলোতে সুনামির কোনো হুমকি নেই।

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭ শিশুসহ নিহত ২৩

গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৭ শিশুসহ নিহত ২৩ ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজায় হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। মেডিকেল সূত্রের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার রাতভর ইসরায়েলি হামলায় ২৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ শিশু রয়েছে। নিহতদের অধিকাংশ মধ্য ও দক্ষিণ গাজার বাসিন্দা। এর আগের দিন গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ জন নিহত হয়েছেন, এমনটি জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। এই পরিস্থিতিতে মিশর ফিলিস্তিনের এই ভূখণ্ডে যুদ্ধবিরতি ফেরাতে নতুন একটি প্রস্তাব দিয়েছে, যা এখনো ইসরায়েল আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেনি। গত মঙ্গলবার গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। এর মধ্য দিয়ে গাজায় প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটে। মঙ্গলবারের একদিনের হামলায় গাজায় চার শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজার স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত মঙ্গলবার থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর শুরু হওয়া হামলায় সোমবার পর্যন্ত প্রায় ৭০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে অন্তত ৪০০ জন নারী ও শিশু। হামাস জানিয়েছে, তাদের বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা হামলায় নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিবাদে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালালে গাজা যুদ্ধের সূত্রপাত হয়। ইসরায়েলে হামাসের হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ ব্যক্তি নিহত হন। নিহত ব্যক্তিদের বেশির ভাগই বেসামরিক নাগরিক। এ ছাড়া ২৫১ জনকে জিম্মি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস। জবাবে হামাসকে ধ্বংস করতে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন।

হাঁটা-চলা করছেন, কেবিনে থেকে আবার সিসিইউতে তামিম

হাঁটা-চলা করছেন, কেবিনে থেকে আবার সিসিইউতে তামিম তামিম ইকবালের হার্টে রিং পরানো চিকিৎসক মনিরুজ্জামান মারুফ জানিয়েছেন, মঙ্গলবার সকাল থেকে তামিমের শরীর বেশ ভালো রেসপন্স করছে। রাতে তার ভালো ঘুমও হয়েছে। অল্প-স্বল্প হাঁটা-চলা শুরু করেছেন। গতকাল গভীর রাতে তাকে দেওয়া হয়েছিল খাবার। সেই খাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে পেরেছেন। সাভারের কেপিজে হাসপাতালে তত্ত্বাবধানে থাকা আরেক সহকারী চিকিৎসক মোহাম্মদ রাসেলও জানিয়েছেন, কথা বলে ভালো রেসপন্স করতে পারছেন তামিম। তবে এখনও নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাকে রাখতে হচ্ছে। কোনো প্রকার ঝুঁকি নিতে নারাজ তারা। মঙ্গলবার সকালে তামিমকে কিছুক্ষণের জন্য সিসিইউ থেকে বেরিয়ে কেবিনে নেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে আবার নিয়ে যাওয়া হয় সিসিইউতে। আপাতত তামিম সেখানেই থাকবেন। লোকসমাগম কম এবং বাড়তি নিরাপত্তার কথা ভেবেই তাকে সিসিইউতেই রাখা হয়েছে। গতকাল (২৪ মার্চ) বিকেএসপিতে ঢাকা লিগের ম্যাচ খেলতে নামার আগে প্রথ‌মে মাইনর ও প‌রে ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ অজ্ঞান হ‌য়ে পড়েন তামিম। তাকে কে‌পি‌জে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থা এতোটাই খারাপ হয়েছিল যে, ২২ মিনিট সময় ধ‌রে সি‌পিআর ও তিনটি ডি‌সি শক দি‌তে হ‌য়ে‌ছে। এরপর দ্রুত এন‌জিওগ্রাম ক‌রে শতভাগ ব্লক থাকা একটা আর্টারিতে রিং লা‌গি‌য়ে‌ছেন চিকিৎসকরা। অবিশ্বাস্য গ‌তি‌তে হ‌য়ে‌ছে সব‌কিছু। চিকিৎসকদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত সময়মতো হওয়ায় তামিম পেয়েছেন নতুন এক জীবন। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘‘তামিমের যেটা হয়েছিল, ম‌্যাসিভ হ‌্যার্ট অ‌্যাটাক হলে ১০-১৫ শতাংশ রোগী হাসপাতালে পৌঁছতে পারেন না। তামিম ভাগ‌্যবান যে হাসপাতালে আসতে পেরেছিল। রক্ষা যেটা তার সঙ্গে ডাক্তার ছিলেন। কার্ডিয়াক ম‌্যাসেজ করতে পেরেছেন। হার্ট যখন পাম্প করতে পারছিল না। আমরা জোর করে ফোর্স করে পাম্প করিয়ে রাখতে পেরেছিলাম। এখানে আসার পর তাকে ক‌্যাথলাবে নিয়ে গিয়ে দেখা হয়েছে এবং তার যে বন্ধ আর্টারিটা ছিল তা সাথে সাথে খুলে দেওয়া হয়েছে। তামিম যেই অবস্থায় ছিল সেখান থেকে উঠে আসা সব সময় হয় না। উপযুক্ত সুচিকিৎসা, অ্যাপ্রোপিয়েট সিদ্ধান্ত পাওয়ার কারণে আমরা তামিমকে ফেরত পেয়েছি।’’ ‘‘আজ সকালে তার ইকোকার্ডিয়াক করে তার হার্টের ফাংশন দেখা হচ্ছিল। দেখে মনে হয়েছে, কোনো সমস‌্যাই নেই। একেবারে তরতাজা। মনে রাখতে হবে, এটাই কিন্তু ছদ্মবেশ। হার্টে আবার সমস‌্যা হতে পারে। সম্ভাবনা কমে গেছে। স্লাইট সম্ভাবনা আছে এজন‌্য ৪৮-৭২ ঘন্টা পর্যবেক্ষণে রয়েছে। এ সময়ে কম কথা বলা, বিশ্রামে থাকা উচিত। ইনিশিয়াল পিরিয়ড এখানে স্টাবেল হয়ে তারপর রিহ্যাবে ভালো কোথাও যেতে চাইলে সে যেতে পারবে।’’ – যোগ করেন তিনি। আপাতত তামিম কেপিজে হাসপাতালেই থাকবেন। তাকে পর্যবেক্ষণেই রাখা হচ্ছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হলে তার অন্তত তিন মাস লাগবে।

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন। মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টায় তিনি ভাষণ দেবেন। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে এই ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।