ভর্তিতে জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারকে বিশেষ সুবিধা দেবে ঢাবি

ভর্তিতে জুলাই যোদ্ধাদের পরিবারকে বিশেষ সুবিধা দেবে ঢাবি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও তালিকাভুক্ত আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার (২৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই-আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে গেজেটভুক্ত শহীদ এবং তালিকাভুক্ত আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের শুধু ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষ আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, পরিবারের সদস্য হিসেবে স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে বিশেষ সুবিধা পাবেন। স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে না থাকলে শহীদ ও আহতদের ভাই-বোনরা এই সুবিধা পাবেন। সম্প্রতি ডিনস্ কমিটির এক সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভোলাহাটে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

ভোলাহাটে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ভোলাহাট উপজেলা থেকে সুলতানা রাজিয়া নামে এক গৃহবধুর গলায় ওড়নার ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বিকেলে খবর পাবার পর সন্ধ্যায় গোহালবাড়ি ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের খালে আলমপুর গ্রামে গৃহবধুর বাবার বাড়ির একটি কক্ষের ছাদের বাঁশের তীরের সাথে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি ওই গ্রামের মাফিজুল ইসলামের মেয়ে এবং একই ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের রাধানগর বজরাটেক গ্রামের ইদারুল ইসলামের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, গত মঙ্গলবার দুই শিশু সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়ি আসেন সুলতানা। বুধবার দুপুরের দিকে তিনি বাড়ির সকলের অগোচরে গলায় ফাঁস দেন। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ভেতর থেকে আটকানো দরজা ভে্েঙ্গ মরদেহ উদ্ধার করে। সংশ্লিস্ট ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াসিন আলী বলেন, খবর পেয়ে তিনি ওই বাড়ি যান। দাম্পত্য কলহ থেকে সুলতানা আত্মহত্যা করেছেন বলে শোনা গেছে। মৃত্যুর পূর্বে তিনি স্বামী ও শসুড় বাড়ির লোকজনকে দায়ী করে একটি দীর্ঘ চিঠি লিখে রেখে যান বলেও শোনা গেছে। ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক কলহের জেরে সুলতানা আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুর পূর্বে স্বামী ও শসুড় বাড়ির লোকজনকে দায়ী করে চিঠি লিখে যাবার ব্যাপারে ওসি বলেন, এমনটি শোনা গেছে। তবে এখনও ওই চিঠি উদ্ধার হয় নি। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ রয়েছে।
নাচোলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এসওডি’র সভা অনুষ্ঠিত

নাচোলে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সাথে এসওডি’র সভা অনুষ্ঠিত নাচোলে উপজেলা পর্যায়ে দূর্যোগ ব্যববস্থাপনা কমিটির সাথে স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টার এসওডির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে উপজেলা বিআরডিবি মিলনায়তনে ডাসকো ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ও হেক্স/ইপার এর সহযোগীতায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার নীলুফা ইয়াসমিন এর সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বক্তব্য দেন উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার সোহেল রানা, পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ, উপজেলা প্রকল্প বাস্থবায়ন কর্মকর্তা দুলাল হোসেন, ডাসকো ফাউন্ডেশন এর থ্রাইভ প্রকল্পের সমন্বয়কারী তোফাজ্জল হোসেন ও নাচোল ইউনিটের প্রকল্প কর্মকর্তা লুৎফর রহমান রাফিনসহ উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, সাংবাদিকবৃন্দ ও বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত থ্রাইভ প্রকল্পের কমিটির সদস্যবৃন্দ। নাচোল ইউনিটের প্রকল্প কর্মকর্তা লুৎফর রহমান রাফিন জানান, নাচোল উপজেলায় ২০২৪ সাল থেকে “থ্রাইভিং থ্রো ইক্যুটি ইকোনমিক এমপাওয়ারমেন্ট এন্ড ক্লাইমেন্ট রেজিলিয়েন্স”(থ্রাইভ)প্রকল্প থেকে কাজ করে আসছে। নাচোল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় কমিটি করে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে আলোচনা করে সচেতনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এছাড়া আদিবাসীদের জীবন মান উন্নয়নে আর্থিক সহায়তা, গরু, ছাগল, হাঁস মুরগি বিতরণ, যুব প্রশিক্ষণ ও এ্যাডভোকেসী সভা পরিচালনা করা হয়।
১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, ইউরোপা লিগে টটেনহ্যাম চ্যাম্পিয়ন

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান, ইউরোপা লিগে টটেনহ্যাম চ্যাম্পিয়ন এক যুগ পেরিয়ে আরও পাঁচ বছর। ৬ হাজার ২০০ দিনের দীর্ঘ খরা। অবশেষে টটেনহ্যাম হটস্পার পেল ট্রফি জয়ের স্বাদ। বুধবার (২১ মে) দিবাগত রাতে উয়েফা ইউরোপা লিগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে ১-০ গোলে হারিয়ে নতুন ইতিহাস লিখলো লন্ডনের ক্লাবটি। নিরপেক্ষ ভেন্যু স্পেনের সান মামেস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় ইউরোপা লিগ ২০২৪–২৫ মৌসুমের বহুল প্রতীক্ষিত ফাইনাল। যেখানে নাটকীয়তা, চাপ এবং আবেগের এক অনন্য মিশ্রণে নির্ধারিত হয় ইউরোপা সিংহাসনের নতুন উত্তরাধিকারী। শেষবার ২০০৮ সালে লিগ কাপ জিতেছিল টটেনহ্যাম। এরপর বহুবার সম্ভাবনার আলো দেখা গেলেও শিরোপার ঘরে কিছুই যোগ হয়নি। ক্লাব বদলেছে কোচ, বদলেছে প্রজন্ম, কিন্তু ট্রফির স্বাদ অধরাই ছিল। সেই অপূর্ণতা মুছে দিলেন ওয়েলশ উইঙ্গার ব্রেনান জনসন। ম্যাচের প্রথমার্ধেই আসে ভাগ্যনির্ধারণী মুহূর্তটি। পাপে মাতার সার-এর ডানপ্রান্ত থেকে বাড়ানো নিচু ক্রসে বল লেগে যায় ইউনাইটেড ডিফেন্ডার লুক শ’য়ের পায়ে, যা ফাঁকি দেয় ওনানার প্রহরাকে। জনসনের ক্রমাগত চেষ্টার ফলই যেন টটেনহ্যামের জন্য সোনার হরিণ হয়ে ধরা দেয়। এই গোলটি ছিল ইউরোপা ফাইনালের মঞ্চে স্পারসদের ১৬ বছরের প্রথম গোল এবং সবচেয়ে দামি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে দুই দলের অবস্থান বলছে ফাইনালে তাদের জায়গা পাওয়াই অনেকের কাছে বিস্ময়কর। ইউনাইটেড রয়েছে ১৬তম স্থানে এবং টটেনহ্যাম ১৭তম। এই মৌসুমে লিগে তাদের পারফরম্যান্স হতাশাজনক হলেও ইউরোপা লিগে দুই দলই ছিল উজ্জ্বল। তবে ফাইনাল ম্যাচে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল না কারও। ইউনাইটেড দ্বিতীয়ার্ধে বেশ কিছু সুযোগ পেলেও কাজের কাজ হয়নি। হইলুন্ড, শ ও গারনাচোর শটগুলো ব্যর্থ হয় গোলরক্ষক ভিকারিও এবং প্রতিরক্ষায় দুর্দান্ত থাকা মিকি ফন দ্য ফেনের কাছে। ম্যাচের অন্তিম সময়ে একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। পেদ্রো পোরোর ট্যাকলে লুক শ’ পড়ে গেলে ইউনাইটেড পেনাল্টির দাবি জানায়। কিন্তু রেফারি দৃঢ়ভাবে তা নাকচ করেন। এরপর অতিরিক্ত সময়ে শ’র হেডার দুর্দান্ত রিফ্লেক্সে বাঁচান ভিকারিও। যেটি নিশ্চিত করে টটেনহ্যামের বিজয়। এই জয়ে টটেনহ্যাম ইউরোপা লিগের ট্রফি জিতল তৃতীয়বারের মতো। এর আগে ১৯৭২ ও ১৯৮৪ সালে ইউরোপা কাপ (সাবেক নাম) জিতেছিল তারা। এই জয়ের ফলে তারা সরাসরি চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার সুযোগ পেল এবং আগামী আগস্টে উয়েফা সুপার কাপ ফাইনালে পিএসজি অথবা ইন্টার মিলানের বিপক্ষে খেলবে।
নজিরবিহীন পরিণতির শিকার দিল্লি

নজিরবিহীন পরিণতির শিকার দিল্লি আইপিএলের এবারের আসরে শুরুটা দেখে কেউই বুঝে উঠতে পারেনি শেষটা এতটা বেদনাদায়ক হবে দিল্লি ক্যাপিটালসের জন্য। সিজনের শুরুতে যেভাবে দলটি একের পর এক জয় তুলে নিচ্ছিল, তাতে প্লে-অফ নয়, বরং ট্রফির সম্ভাবনাই বড় করে দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু ক্রিকেটের এই অনিশ্চয়তার খেলায় মে মাসে এসে রীতিমতো ছন্দপতন ঘটে দিল্লির। প্রথম ছয় ম্যাচের মধ্যে দিল্লির পাঁচটি জয় দর্শকদের আশাবাদী করে তোলে। কিন্তু এরপর যেন একেবারে অন্য এক চিত্র দেখা দিলো দলটির শিবিরে। বাকি সাত ম্যাচে মাত্র একটি জয়। ধারাবাহিক ব্যর্থতার চূড়ান্ত রূপ দেখা গেল বুধবার রাতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে শেষের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে। এই ম্যাচে ৫৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিদায় নেয় দিল্লি। এই ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত হলো এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ডও। আইপিএলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দল নিজেদের প্রথম চার ম্যাচ জিতে শেষ চারে উঠতে পারেনি। এমন পরিণতির কথা কল্পনাও করেনি দলটির সমর্থকরা। অন্যদিকে ভিন্ন চিত্র মুম্বাই শিবিরে। তারা এবারের আসরে প্রথম ৯ ম্যাচের ৮টিতেই হেরেছিল। জিতেছিল মাত্র একটি। এরপর অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়ে টানা কয়েক ম্যাচ জিতে প্লে-অফের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। আর বুধবার রাতে দিল্লিকে বিদায় করে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা জায়গা করে নেয় শেষ চারে। তাদের আগে গুজরাট টাইটান্স, পাঞ্জাব কিংস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু প্লে-অফ নিশ্চিত করে রেখেছিল।
রিশাদকে উড়িয়ে নিলো লাহোর

রিশাদকে উড়িয়ে নিলো লাহোর বুধবার (২১ মে) রাতে জাতীয় দলের জার্সিতে রিশাদ হোসেন খেলেছেন শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকালেই রিশাদ উড়ে গেছেন পাকিস্তানের লাহোরে। পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) আজ লাহোর কালান্দার্সের ডু অর ডাই ম্যাচ। এলিমিনেটর ম্যাচে বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় খেলবে করাচি কিংসের বিপক্ষে। ম্যাচটি জিততে পারলে টুর্নামেন্টে টিকে থাকবে লাহোর। নয়তো বিদায়। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে জরুরিভিত্তিতে লাহোর নিজেদের দলে আবার যুক্ত করেছে লেগ স্পিনার রিশাদকে। লাহোরের জার্সিতে এর আগে ৫ ম্যাচ খেলেছেন রিশাদ। ১৬.৪৪ গড় ও ৮.৭০ ইকোনমিতে ৯ উইকেট পেয়েছিলেন তিনি। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার যুদ্ধর কারণে পিএসএল স্থগিত হয়েছিল। রিশাদ তখন পাকিস্তানেই ছিলেন। পিএসএল কর্তৃপক্ষ তাকে সুরক্ষিত অবস্থায় দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল। এরপর জাতীয় দলের খেলা থাকায় পিএসএল আবার শুরু হলে রিশাদ যেতে পারেননি। গতকাল সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ খেলে আজই উড়ে যান পাকিস্তানে। লাহোর দলে এই মুহূর্তে রয়েছেন তিন বাংলাদেশি ক্রিকেটার। সাকিব আল হাসান আগে থেকেই ছিলেন। মিরাজ গতকাল যোগ দিয়ে অনুশীলন করেছেন। রিশাদ হোসেন যোগ দিলেন আজ। তিনজনকে একই সঙ্গে মাঠে পাওয়া গেলে তা নিশ্চিতভাবে ক্রিকেটপ্রেমিদের জন্য বাড়তি পাওয়া হবে।
কানের লাল গালিচায় অন্য ঐশ্বরিয়া

কানের লাল গালিচায় অন্য ঐশ্বরিয়া ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসেছে চলচ্চিত্রজগতের সম্মানজনক আসর কান চলচ্চিত্র উৎসব। গত ১৩ মে এ উৎসবের ৭৮তম আসরের পর্দা উঠেছে। বরাবরের মতো এবারের আসরে হাজির হয়ে নজর কাড়লেন প্রাক্তন বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তবে ওয়েস্টার্ন লুকে নয়, শাড়ি পরে লাল গালিচায় হেঁটে প্রশংসায় ভাসছেন এই তারকা। কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেটে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন পরেন সাদা রঙের বেনারসি। শাড়ির সঙ্গে পেয়ারআপ করেন এমেরাল্ড পিঙ্ক জুয়েলারি। ঐশ্বরিয়া রাইয়ের শাড়ির ডিজাইন করেন মণীশ মালহোত্রা। তবে বচ্চন-বধূর যে জিনিসটা সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তা হলো— সিঁথি ভরা সিঁদুর, যা পুরো সাজটাই বদলে দিয়েছে। ঐশ্বরিয়া শাড়ির সঙ্গে বেছে নিয়েছেন সাদা রঙের ফুল স্লিভ ব্লাউজ। একই সঙ্গে শাড়ির সঙ্গে ম্যাচিং ওড়নাও বয়ে বেড়ান। মেকআপও একেবারে সামান্য রেখেছিলেন অভিনেত্রী। ন্যুড মেকআপের সঙ্গে ব্রাউন লিপস্টিক ঠোঁটে লাগান। ঐশ্বরিয়ার গলার হারটি ২৯০ ক্যারেটেরও বেশি মোজাম্বিক রুবি দিয়ে তৈরি করা। এটি ডিজাইন করেছেন মণীশ মলহোত্রা। এই স্টেটমেন্ট পিসটির সঙ্গে ৩০ ক্যারেটেরও বেশি রুবি দিয়ে তৈরি একটি নেকলেস ব্যবহার করেছেন, যাতে হীরা বসানো। সঙ্গে নজর কাড়ে রাই-সুন্দরীর রেনেসাঁ অফ রুবিস স্টেটমেন্ট আংটিটি। কানের লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়ার হাঁটার নানা মুহূর্ত ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যা দেখে ভূয়সী প্রশংসা করছেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। আশু মিশ্রা লেখেন, “আমাদের রানি এখানে।” আরশাদ লেখেন, “অবশেষে কানের রানি।” কাজল লেখেন, “ঐশ্বরিয়াকে ছাড়া কান অসম্পূর্ণ।”একজন লেখেন, “উফ এই সিঁদুরটা! সবটা বদলে দিল।” অন্য একজন লেখেন, “আসল রানি, কোনো তুলনা হয় না।” প্রগতি সিনহা লেখেন, “সাদা শাড়িতেও কীভাবে কাউকে এত সুন্দর লাগতে পারে। ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে।
আদালত চত্বরে মমতাজের ওপর ডিম-জুতা নিক্ষেপ

আদালত চত্বরে মমতাজের ওপর ডিম-জুতা নিক্ষেপ মানিকগঞ্জের সিংগাইরে চারজনকে হত্যা এবং হরিরামপুরে হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে দায়ের করা দুই মামলায় মানিকগঞ্জ-২ (সিংগাইর ও হরিরামপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। আদালতের কার্যক্রম শেষে প্রিজন ভ্যানে নেওয়ার সময় বিএনপি সমর্থিত নেতাকর্মীরা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২২ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল আদালত-১ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুন নূর সিংগাইর উপজেলার হত্যা মামলায় মমতাজের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় চিফ জুডিশিয়াল আদালত-৩ এর বিচারক আইভি আক্তার হরিরামপুর থানার হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের মামলায় দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে সকাল সাড়ে ৮টায় মমতাজ বেগমকে মামলার শুনানির জন্য গাজীপুরের কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মানিকগঞ্জ আদালতে আনা হয়। মমতাজ বেগমকে আদালতে ওঠানোর সময় বিএনপিপন্থি আইনজীবী ও নেতাকর্মীরা তার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা মধ্যে রিমান্ড শুনানি শেষে প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় আসামি মমতাজ বেগমের ওপর বিএনপির নেতাকর্মীরা ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করেন। কোর্ট ওসি আবুল খায়ের জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে সিঙ্গাইর উপজেলার গোবিন্দল এলাকায় হরতালের সমর্থনে করা মিছিলে পুলিশের গুলিতে চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় ২০২৪ সালে ২৫ অক্টোবর মমতাজ বেগমকে তিন নম্বর আসামি করে সিঙ্গাইর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন উপজেলার গোবিন্দল গ্রামের মো. মজনু মোল্লা। এর পর তার নির্বাচনি এলাকা হরিরামপুর থানায় হামলা, মারধর ও ভাঙচুরের অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। গত ২৯ অক্টোবর হরিরামপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. দেলোয়ার হোসেন মামলাটি দায়ের করেন। ওসি আরো জানান, বৃহস্পতিবার পৃথক দুটি আদালতে রিমান্ড শুনানি হয়। একটি আদালতে দুই দিন ও অন্য আদালতে চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়। আসামিকে গাজীপুর কাশিমপুর কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে ঢাকায় বেশকিছু থানায় দায়ের করা হত্যা মামলায় মমতাজ বেগম চার দিনের রিমান্ডে ছিলেন। রিমান্ড শেষে মমতাজ বেগমকে কাশিমপুর কারাগারে রাখা হয়েছিল।
সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল, সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি

সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল, সুরক্ষা অধ্যাদেশ জারি ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি, অনলাইন জুয়া নিষিদ্ধ ও অনলাইনে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ উল্লেখ করে ‘সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করেছে সরকার। একইসঙ্গে ২০২৩ সালের সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (২১ মে) রাতে আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। এর আগে গত ৬ মে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়। এ অধ্যাদেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ৯টি ধারা বাদ দেওয়া হয়েছে। অধ্যাদেশে আগের আইনের মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জাতীয় সংগীত বা জাতীয় পতাকা সম্পর্কে বিদ্বেষ, বিভ্রান্তি, কুৎসামূলক প্রচারণার দণ্ড, মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার সংক্রান্ত ধারাগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানো, এর অপরাধ ও দণ্ড, আক্রমণাত্মক, মিথ্যা বা ভীতি প্রদর্শন, তথ্য-উপাত্ত প্রেরণ প্রকাশ ইত্যাদি ধারাও বিলুপ্ত করা হয়েছে। অধ্যাদেশে ইন্টারনেটকে নাগরিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, নিষিদ্ধ করা হয়েছে অনলাইন জুয়া। এছাড়া অনলাইনে নারী ও শিশু নির্যাতন এবং যৌন হয়রানিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিলে নীতিগত সিদ্ধান্ত আগের আইনের কিছু কিছু ধারায় পরিবর্তন এনে অধ্যাদেশে রাখা হয়েছে। ধর্মীয় বা জাতিগত বিষয়ে সহিংসতা, ঘৃণা ও বিদ্বেষ মূলক তথ্য প্রকাশ ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ডের বিষয়টি পরিবর্তন এনে রাখা হয়েছে। মত প্রকাশের মামলা জামিনযোগ্য রাখা হয়েছে। অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে যদি সাইবার অপরাধ করা হয় সেটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণ এবং প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে প্রচার বা বিজ্ঞাপিত করেন তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা জরিমানা বা উভয়দণ্ড পেতে হবে।
ভারতে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ অভিযানে শীর্ষ মাওবাদী নেতাসহ নিহত ২৭

ভারতে ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ অভিযানে শীর্ষ মাওবাদী নেতাসহ নিহত ২৭ ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে দেশকে মাওবাদী-মুক্ত করা হবে। তারপর থেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় মাওবাদী দমন অভিযান শুরু হয়। সেই অভিযানের অংশ হিসাবেই বুধবার (২১ মে) ছত্তিশগড়ে নারায়ণপুরের অবুঝমাঢ়ে নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের গুলির লড়াই চলে। এই সংঘর্ষে শীর্ষনেতাসহ ২৭ মাওবাদী নিহত হয়েছেন। দুর্গম পাহাড়ি এলাকা অবুঝমাঢ় মাওবাদীদের শক্ত ঘাঁটি বলেই পরিচিত। গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে খবর ছিল, অবুঝমাঢ়ে লুকিয়ে রয়েছেন এক মাওবাদী কমান্ডার। প্রথমে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তবে পরে জানা যায়, ওই কমান্ডার হলেন বাসভরাজু। বুধবার ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’ অভিযানের পরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “দেশকে নকশালবাদ থেকে মুক্ত করতে এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। আজ ছত্তিশগড়ের নারায়ণপুরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ২৭ জন মাওবাদীর মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সিপিআই-মাওবাদীর সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসভরাজু। নকশালবাদের বিরুদ্ধে তিন দশকের লড়াইয়ে এই প্রথম আমাদের বাহিনীর অভিযানে সাধারণ সম্পাদক পদমর্যাদার কোনো মাওবাদী নেতার মৃত্যু হয়েছে।” মাওবাদী শীর্ষনেতার মৃত্যুর পরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক যোগাযাগমাধ্যমে লিখেছেন, ‘‘এই অসাধারণ সাফল্যের জন্য আমাদের বাহিনীর জন্য গর্ব হচ্ছে। আমাদের সরকার মাওবাদী আতঙ্ক দূর করতে এবং আমাদের জনগণের জন্য শান্তি ও অগ্রগতির জীবন নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’’ গত ২১ এপ্রিল থেকে কারেগুট্টা পাহাড় এলাকায় নতুন করে শুরু হয় মাওবাদী দমন অভিযান ‘অপারেশন ব্ল্যাক ফরেস্ট’। কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফের জঙ্গলযুদ্ধে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কমান্ডো বাহিনী ‘কোবরা’র পাশাপাশি ছত্তিশগড়ের সশস্ত্র পুলিশ ও ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড বাহিনী, মহারাষ্ট্র পুলিশের সি-৬০, তেলঙ্গানা পুলিশের মাওবাদী দমন বাহিনী রয়েছে ওই দলে। মাঝে এক দিনের জন্য অভিযান বন্ধ রাখা হয়েছিল। তবে তারপর এই অভিযান ফের শুরু হয়। মাওবাদী পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মিকে নির্মূল করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য।