চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরো ২৭ জন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে আরো ২৭ জন ডায়ারিয়ায় আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন রোগী। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, পূর্বে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ছিলেন ৩৪ জন। তাদের মধ্যে ৩১ জনকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। অন্যদিকে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ২৭ জন। বর্তমানে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩০ জনে। বুধবার জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুদ পারভেজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত আরো ২৫ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ডেঙ্গুতে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত আরো ২৫ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ২৫ জন। তাদের মধ্যে ১২ জন পুরুষ, ১২ জন জন মহিলা ও ১ জন শিশু রয়েছেন। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের ডেঙ্গু বিষয়ক তথ্যে জানা গেছে, পূর্বের রোগী ভর্তি ছিল ২৬ জন। তাদের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ৯ জন মহিলা ও ৪ জন শিশু ছিলেন। এই ২৬ জনের মধ্যে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ১১ জনকে। এই ১১ জনের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ৩ জন মহিলা ও ২ জন শিশু রয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি রোগী আছেন ৪০ জন। তাদের মধ্যে ১৯ জন পুরুষ, ১৮ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রোগী রয়েছেন। চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল বুধবার পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ৬২৫ জনে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মাসুদ পারভেজ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গোবরাতলায় প্রয়াসের সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ, সম্মাননা প্রদান ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত

গোবরাতলায় প্রয়াসের সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ, সম্মাননা প্রদান ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নে সমৃদ্ধি কর্মসূচির আওতায় বার্ষিক ক্রীড়া, পুরস্কার বিতরণ, সম্মাননা প্রদান ও উন্নয়ন মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বিকেলে পলশা আলিম মাদ্রাসা’র হল রমে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক হাসিব হোসেন। মাদ্রাসা’র অধ্যক্ষ মাওলানা মো. একরামুল হকের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রয়াসের পরিচালিত (মানব সম্পদ প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ) আলেয়া ফেরদৌস, সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান ও ইউনিট-১ এর ম্যানেজার অজিউর রহমান। অনুষ্ঠান টি সঞ্চালনা করেন সমৃদ্ধি কর্মসূচির সমন্বয়কারী তৌহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে ২৬টি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিবৃন্দ। এছাড়াও বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের শ্রেষ্ঠ পিতা, শ্রেষ্ঠ সন্তান, শ্রেষ্ঠ যুব নারী, পুরুষ, ও শ্রেষ্ঠ প্রবীনের পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর আগে উন্নয়ন মেলায় অংশ নেওয়া ৫টি স্টল পরিদর্শন করেন অতিথিবৃন্দ। স্টলে ঐতিহ্যবাহী গ্রামীন খাবার, দেশীয় ফল প্রদর্শিত হয়। এছাড়াও প্রয়াস হসপিটালের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, স্বাস্থ্যসেবীগণ অনুষ্ঠানে আগত দর্শনার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদার করেন। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)’র সহায়তায় অনুষ্ঠানের আয়োজন প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি।

শিবগঞ্জে দিনব্যাপি ইন-হাউজ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

শিবগঞ্জে দিনব্যাপি ইন-হাউজ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত শিবগঞ্জে দিনব্যাপি ইনহাউজ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ দিনব্যাপি সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উদ্যোগে সংস্থার হলরুমে এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজাহার আলী, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরি চালক উম্মে কুলসুম, সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক কাঞ্চন কুমার দাস, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট মোশরাফুল হাসান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম ও কৃষি বিপণন কর্মকর্তা মোমিনুল হক। প্রশিক্ষণে সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করে। প্রশিক্ষণে অপারেশন গাইড লাইন, শিশু আইনসহ শিশুদের তৈরিকৃত পণ্য বাজারজাতকরণ বিষয়ে আলোকপাত করা হয়।

গোমস্তাপুরে অসহায় নারীকে সেলাইমেশিন ও কাপড় বিতরণ

গোমস্তাপুরে অসহায় নারীকে সেলাইমেশিন ও কাপড় বিতরণ গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরএলাকার এক অসহায় নারীকে স্বাবলম্বী করতে পাশে দাড়িয়েছে মানবতার সেবাই রহনপুর নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আজ বিকেলে স্টেশনপাড়াস্থ সংগঠনের কার্যালয়ে নাম প্রকাশে অনুচ্ছুক ওই নারীকে এগুলো বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, কোষাধ্যক্ষ মনিরুল ইসলাম,সদস্য খায়রুল আনাম, আজম আলী, আইনাল হকসহ গণমাধ্যম কর্মীরা। সেলাইমেশিন পেয়ে ওই নারী জানান, তাকে স্বাবলম্বী করতে মানবতার সেবাই রহনপুর এগিয়ে এসেছে এজনই তাদের কৃতজ্ঞতা জানাই। সেলাইমেশিন ও কাপড় দিয়ে টাকা উপার্জন করে পরিবারের অবদান রাখতে সুযোগ পাব। সংগঠনের সদস্যরা জানান, দীর্ঘদিন থেকে তারা এই এলাকায় মানবসেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। অসহায়, গরীব, হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া রোগীদের পরিবারসহ ভবঘুড়েদের মধ্যে প্রতিদিন খাবার বিতরণ করে চলেছে এই সংগঠনটি। গত সপ্তাহ রহনপুর পৌরসভার ট্রাফিকদের মধ্যে ছাতা বিতরণ করা হয়। মানুষের পাশে দাড়ানো এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সংগঠনের সদস্যরা জানিয়েছেন।

শ্রীলঙ্কায় সিরিজ ড্র করাই বড় অর্জন, মনে করেন হান্নান

শ্রীলঙ্কায় সিরিজ ড্র করাই বড় অর্জন, মনে করেন হান্নান বয়সভিত্তিক দলের সঙ্গে কাজ করার পর মাঝে এসেছিলেন জাতীয় দলের নির্বাচক হয়ে। সেই পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে ঢাকা লিগে কোচিংয়ের অভিষেকেই চ্যাম্পিয়নশিপ অর্জন। নির্বাচকের মতো লোভনীয় পদ হান্নান সরকার ছেড়েছিলেন কোচিং পেশার জন্য। এবার তার কাঁধে অনূর্ধ-১৭ দলের কোচিংয়ের ভার দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নির্বাচক থাকায় জাতীয় দলের পারফরম্যান্স কিংবা মূল্যায়ন তার নখদপর্ণে। এবার তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশ দলের শ্রীলঙ্কা সফর নিয়ে। সাবেক এই ক্রিকেটার মনে করেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট ড্র করাই বড় অর্জন হবে। মিরপুরে সোমবার হান্নান সরকার বলেন, “শ্রীলঙ্কায় খেলা অনেক কঠিন। শ্রীলঙ্কার কন্ডিশনে আমাদের ফলাফলও তেমন আশানুরূপ নয়। তবে আমাদের বেশকিছু অভিজ্ঞ খেলোয়াড় রয়েছে। টেস্ট দলের হিসেবে ওদের চেয়ে আমাদের খেলোয়াড়রা বেশি অভিজ্ঞ….তাই সিনিয়র খেলোয়াড়রা গাইড করতে পারবে। এই সিরিজটা যে ২-০ তে জিততে হবে এমনটা আমি ভাবি না। আমার কাছে মনে জয় সিরিজটা ড্র কর‍তে পারলে সেটাও একটা অর্জন হবে।“ আগামীকাল থেকে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শান্তর দল দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজে মুখোমুখি হবে। দলটির বিপক্ষে মাত্র ১টি টেস্ট জয়ের কীর্তি রয়েছে বাংলাদেশের। আর ৫টি ড্রয়ের বিপরীতে হার ২০টিতে। তার মধ্যে ২০১৩ সালে গল ও ২১ সালে পাল্লেকেলেতে ড্র করেছে বাংলাদেশ। সেই বিবেচনায় হয়তো হান্নান ড্রই বড় অর্জন মনে করেন। হান্নান বলেন, “শ্রীলঙ্কার মাটিতে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। আমাদের পারফরম্যান্সের কথা যদি বলি…শ্রীলঙ্কার সঙ্গে তুলনা করলে আমরা বেশ পিছিয়ে আছি। তবে রেকর্ড দিয়ে তো আর সবসময় বিচার করা যায় না। আসলে টি-টোয়েন্টির পারফরম্যান্স নিয়েই তো আলোচনা হচ্ছে…… তবে আমাদের টেস্ট দলটা নিয়ে আশা করতেই পারি। “ আমাদের দলে যারা আছে… সাদমান টেস্ট বিশেষজ্ঞ, মুমিনুল-মুশফিক খেলছে….শান্তও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় আমাদের, মিরাজ রয়েছে…..টি-টোয়েন্টির যে পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, সেখানে টেস্টে কিন্তু আলাদা করে চিন্তা করার সুযোগ রয়েছে। কারণ আমাদের অভিজ্ঞ খেলোয়াড় রয়েছে। টেস্টে যারা ভালো করবে বা ভালো খেলোয়াড় রয়েছে…. তারা কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে ছিল না। তাই টেস্ট নিয়ে আমি ইতিবাচক চিন্তা করতে চাই। টেস্ট জেতা কঠিন হবে কিন্তু অসম্ভব না“-আরও যোগ করেন হান্নান।

মিরাজ নেই, টস জিতে ব‌্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

মিরাজ নেই, টস জিতে ব‌্যাটিংয়ে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্টে গলে আগে ব‌্যাটিং করছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে দশটায় ম‌্যাচটি শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত টস জিতেছেন। তিনি ব‌্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। জ্বরের কারণে এই ম‌্যাচে খেলতে পারছেন না স্পিন অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ। পাথুম নিসাঙ্কা, লাহিরু উদারা, দিনেশ চান্দিমাল, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস, ধনঞ্জয়া ডি সিলভা (অধিনায়ক), কুসল মেন্ডিস, কামিন্দু মেন্ডিস, প্রবথ জয়সুরিয়া, থারিন্দু রথনায়েক, মিলন রথনায়েক ও অসিথা ফার্নান্দো। সাদমান ইসলাম, এনামুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, জাকের আলী, নাঈম হাসান, তাইজুল ইসলাম, নাহিদ রানা ও হাসান মাহমুদ। ৮ বছর পর গলে বাংলাদেশ সাগর পাড়ের স্টেডিয়াম গল। পৃথিবীর অন‌্যতম নয়নাভিরাম স্টেডিয়াম। ১৯৯৮ সালে এর যাত্রা শুরু হয়েছিল। বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কেবল দুটি ম‌্যাচ খেলেছে এই মাঠে। ২০১৩ এবং ২০১৭ সালে। ৮ বছর পর বাংলাদেশ এই মাঠে খেলতে যাচ্ছে। ২০১৩ সালে মুশফিকুর রহিম এই মাঠে প্রথম বাংলাদেশি ব‌্যাটসম‌্যান হিসেবে ডাবল সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। ম‌্যাচটি ড্র করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ২০১৭ সালে বাংলাদেশ পারেনি ম‌্যাচ বাঁচাতে। লম্বা সময় পর গলে ফিরে বাংলাদেশ কেমন করে সেটা দেখার। পিঠাপিঠি অবস্থানে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা সবশেষ টেস্ট চ‌্যাম্পিয়নশিপে পিঠাপিঠি অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা ১৩ ম‌্যাচে মাত্র ৫টিতে জিতেছিল। পয়েন্ট তালিকায় ছিল ছয় নম্বরে। বাংলাদেশ ১২ ম‌্যাচে মাত্র ৪টিতে জিতেছিল। পয়েন্ট টেবিলে অবস্থান ছিল সাতে। এবার দুই দল নিজেদেরকে কোথায় নিয়ে যেতে পারে সেটাই দেখার। টেস্ট চ‌্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্র শুরু আইসিসি টেস্ট চ‌্যাম্পিয়নশিপ বা টেস্ট বিশ্বকাপের চতুর্থ চক্রের খেলা শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার এই টেস্ট সিরিজ দিয়ে। ২০২৫ থেকে ২০২৭ সাল পর্যন্ত নয়টি দেশ এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। প্রতিটি দল দুই বছরের মধ্যে ছয়টি সিরিজ খেলবে। যার তিনটি দেশের মাটিতে, তিনটি প্রতিপক্ষের মাঠে। প্রতিটি সিরিজ হবে কমপক্ষে দুই টেস্টের। সর্বোচ্চ পাঁচটি টেস্ট থাকতে পারবে এক সিরিজে। এই সময়ে সিরিজ হবে মোট ২৭টি, যেখানে টেস্টের সংখ্যা ৭১টি। ২০২৭ সালের জুনে লিগ টেবিলের শীর্ষ দুই দলকে নিয়ে হবে ফাইনাল। শেষ তিন আসরের মতো ইংল্যান্ডেই বসবে সাতাশের ফাইনাল। সম্ভাব্য ভেন্যু লর্ডস।

ঢালিউড নায়িকাদের যুদ্ধ: শিল্পে নয়, লড়াই ফেসবুকে

ঢালিউড নায়িকাদের যুদ্ধ: শিল্পে নয়, লড়াই ফেসবুকে নায়িকারা রূপালি পর্দায় থাকেন রোমাঞ্চ ও সৌন্দর্যের প্রতীক হয়ে। অথচ তাদের বাস্তব জীবনে আড়ালে চলে—অসন্তোষ, দোষারোপ আর প্রতিযোগিতার লড়াই। ঢাকাই সিনেমার ইতিহাস ঘাঁটলে এমন বহু প্রমাণ পাওয়া যায়। সম্প্রতি অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর প্রকাশ্য বিবাদ আবারো সামনে এনেছে পুরোনো সেই প্রশ্ন—কেন বারবার নায়িকাদের দ্বন্দ্বে ইন্ডাস্ট্রি মুখর হয়ে ওঠে? ৮০–৯০-এর দশকে শাবানা-চম্পা কিংবা ডলি জহুর-রোজিনার মধ্যে সরাসরি বিবাদ না থাকলেও কে ‘প্রথম নায়িকা’ বা কে বেশি পারিশ্রমিক পান, তা নিয়ে চলত চাপা প্রতিযোগিতা। ২০০০ সালের দিকে মৌসুমী-শাবনূর বা শাবনূর-পূর্ণিমার মধ্যেও ছিল আলোচিত গুঞ্জন ও দ্বন্দ্ব। একবিংশ শতকে এসে অপু-বুবলীর মতামত, পোস্ট ও পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া—সবকিছুই সোশ্যাল মিডিয়ায় দৃশ্যমান। অন্যদিকে পরীমণি ও মিমকে কেন্দ্র করে শরিফুল রাজের নাম জড়িয়ে যে উত্তাপ ছড়ায়, তা কোনো গুজব ছিল না। সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে একে অন্যকে পরোক্ষভাবে আক্রমণ করার উদাহরণ নতুন নয়। পরীমণি ও বুবলীর মধ্যেও দেখা গেছে প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব। এছাড়া তমা মির্জা–মিষ্টি জান্নাত কিংবা অধরা খান–জাহারা মিতুর দ্বন্দ্বের খবরও চাউর হয়েছে। এই চিত্র কেবল ঢালিউডে সীমাবদ্ধ নয়। বলিউডে রেখা-জয়ার ঠান্ডা যুদ্ধ, ক্যাটরিনা-দীপিকা, কঙ্গনা-তাপসী কিংবা ঐশ্বরিয়া-ক্যাটরিনা—সবখানেই নায়িকা বনাম নায়িকার চাপা সংঘাত। টলিউডেও শ্রাবন্তী-পায়েল, কোয়েল-রচনা, সায়ন্তিকা-নুসরাত দ্বন্দ্ব মিডিয়ায় ঘুরেছে বহুবার। তবে আন্তর্জাতিক ইন্ডাস্ট্রিগুলো এসব সামলাতে ব্যবহার করে পেশাদার পিআর টিম। ঢাকাই সিনেমায় সেই কাঠামোর ঘাটতি স্পষ্ট। ফলে ব্যক্তিগত রেষারেষি প্রায়ই শিল্পের জায়গা দখল করে নেয়। এসব কারণে সবচেয়ে ক্ষতি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রির সামগ্রিক ভাবমূর্তির। নির্মাতারা পড়েন দোটানায়—কাকে নেবেন, কার বিরুদ্ধে গেলে ‘ব্যান’ হতে হবে। প্রযোজকরা ভয় পান দ্বন্দ্ব যেন প্রমোশন বা শুটিং ক্ষতিগ্রস্ত না করে। আর দর্শক? তারা ভক্তির জায়গা থেকে সরে গিয়ে অপছন্দ করতে শুরু করেন। এসব নায়িকাদের সিনেমার নাম না জানলেও, ব্যক্তিজীবনের রগরগে গল্প দর্শকরা মুখস্ত রাখেন। নায়িকাদের এই প্রতিযোগিতা যদি শিল্পের উৎকর্ষে হতো, তবে তা কল্যাণকর হতো। কিন্তু বাস্তবে তা হয়ে উঠেছে ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে জবাব-প্রতিজবাব, খোঁচা আর মুঠোফোনে দেওয়া গসিপের লড়াই। এভাবে চলতে থাকলে শুধু ব্যক্তিজীবন নয়, শিল্পজীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই এখন সময় এসেছে প্রশ্ন তোলার—নায়িকারা কী নিজেদের মধ্যে লড়াই থামিয়ে একে অপরকে শ্রদ্ধা করতে শিখবেন না?

আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি: অপু বিশ্বাস

আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি: অপু বিশ্বাস ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়িকা অপু বিশ্বাস। বিশ্ব বাবা দিবস উপলক্ষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি আবেগঘন ও স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন তিনি। এ পোস্টে অপু জানান, আর কোনো ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতায়’ নেই। বরং নিজের সন্তান, কাজ এবং শান্তিপূর্ণ জীবনের পথেই হাঁটতে চান এই অভিনেত্রী।  সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত নিজের কাজ ও ব্যক্তিজীবনের কিছু মুহূর্ত ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নেন অপু বিশ্বাস। গতকাল (১৫ জুন) একটি স্ট্যাটাসের সঙ্গে সাবেক স্বামী শাকিব খান ও পুত্র আব্রাম খান জয়ের একটি ছবিও শেয়ার করেন। ছবির ক্যাপশনে লেখেন, “সন্তানের সুন্দর শৈশবের জন্য বাবা-মা হিসেবে আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। এটা নিয়ে কেউ যদি অস্বস্তি বোধ করে, সেটা আমার দায় নয়।” অন্য সাধারণ নারীর মতোই অপুর জীবন। এ তথ্য উল্লেখ করে অপু বিশ্বাস লেখেন, “আমি একজন মা, একজন অভিনেত্রী, একজন উদ্যোক্তা। ক্যামেরার বাইরে আমার জীবনটা অন্য সব নারীর মতোই—হাজারো কাজ, পরিকল্পনা আর স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা। কাউকে কিছু প্রমাণ করার ইচ্ছা নেই। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় দর্শকদের সামনে কেটেছে। এখানে লুকোচুরি বা নাটকের কিছু নেই।” অপু বিশ্বাসের দাবি, অসুস্থ কোনো প্রতিযোগিতায় নেই। তার ভাষায়, “অনেকদিন ধরেই দেখছি, আমার কোনো সাধারণ পারিবারিক পোস্টের পরেই কাউন্টার পোস্ট বা প্রচেষ্টা দেখা যায়। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই—আমি সেই অসুস্থ প্রতিযোগিতায় নেই।”কৃতজ্ঞতা জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “সম্মান অর্জন করতে হয় নিজের আচরণ দিয়ে, অন্যকে ছোট করে নয়। আমি কারো সঙ্গে পাল্লা দিতে আসিনি। নিজের জায়গাতেই স্বাচ্ছন্দ্যে আছি। যারা আমাকে ভালোবাসেন, পাশে থাকেন—আপনাদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। আমি আপনাদের বিশ্বাস ভাঙতে চাই না। আর নিজের ব্যক্তিত্ব নষ্ট করে কারো সঙ্গে পা মেলাতে রাজি নই।”অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর পাল্টাপাল্টি ফেসবুক পোস্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। দুই নায়িকাই চিত্রনায়ক শাকিব খানের সন্তানদের মা হওয়ায় ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন স্ট্যাটাসে একে অপরকে লক্ষ্য করে মন্তব্য করছেন বলে অনেকের ধারণা। অপু বিশ্বাস এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন। তার এই বার্তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন, একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে এটি একটি পরিণত ও মর্যাদাপূর্ণ সিদ্ধান্ত।

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না: যৌথ বিবৃতিতে জি৭

ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না: যৌথ বিবৃতিতে জি৭ কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত অর্থনৈতিক জোট জি৭ একটি যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাতে ‘উত্তেজনা কমানোর’ আহ্বান জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার। কানাডায় ৫১তম শীর্ষ সম্মেলনের জন্য বৈঠকে থাকা জি-৭ দেশগুলো তাদের যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, ইসরায়েলের ‘আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। আরো বলা হয়েছে, ‘ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না’। বিবৃতিতে বলা হয়, “আমরা নিশ্চিত করছি, ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে স্পষ্ট করে বলেছি, ইরান কখনই পারমাণবিক অস্ত্র রাখতে পারবে না।” “আমরা জোর দিয়ে বলছি যে, ইরানি সংকটের সমাধানের ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপকভাবে শত্রুতা হ্রাস পাবে, যার মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতিও অন্তর্ভুক্ত।” মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে কানাডায় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন থেকে একদিন আগেই ফিরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবিলম্বে তেহরান খালি করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প তার মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে একটি পোস্টে বলেছেন, “ইরানের পারমাণবিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করা উচিত ছিল। আমি তাদের চুক্তি স্বাক্ষর করতে বলেছিলাম। এটা লজ্জার, আর মানব জীবনের ক্ষতি। সাধারণভাবে বলছি: ইরান কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে পারবে না। আমি এটি বারবার বলেছি। সবাই জরুরিভিত্তিতে তেহরান খালি করে দিন।” ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাব দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। মঙ্গলবার (১৭ জুন) সিএনএন’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে মাখোঁ সাংবাদিকদের জানান, “এই প্রস্তাবটি আলোচনা শুরু করার জন্য।” ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ফরাসি ভাষায় বলেন, “যদি যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাত থামাতে সক্ষম হয়, তা খুবই ভালো বিষয় এবং ফ্রান্স তা সমর্থন করবে এবং আমরা এ জন্য শুভকামনা জানাই। তিনি আরো বলেন, “উভয় পক্ষেরই হামলা বন্ধ করা উচিত, বিশেষ করে নিরীহ জনসংখ্যার ওপর সমস্ত হামলা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া জরুরি।” এ ধরনের কোনো হামলা কখনোই যুক্তিসঙ্গত হতে পারে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।  মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে কানাডায় জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন থেকে একদিন আগেই ফিরছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবিলম্বে তেহরান খালি করার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, “ইরান আমার প্রস্তাবিত চুক্তি মেনে নিলে আজকের প্রাণহানি এড়ানো যেত। এটা দুঃখজনক ও অনর্থক প্রাণহানি। পরিষ্কার করে বলছি—ইরান পারমাণবিক অস্ত্র গ্রহণ করতে পারে না। আমি বারবার এটা বলেছি!” যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘তেহরান খালি করার’ আহ্বানকে “ভয়াবহ ও চরমভাবে উদ্বেগজনক” বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের থিঙ্ক ট্যাংক ‘সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসি’-এর নির্বাহী সহসভাপতি ম্যাথিউ ডাস। তিনি আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “এটা আসলে ভয়াবহ। তেহরান একটি মহানগরী যেখানে ১ কোটি ৫০ লাখের বেশি মানুষ বাস করে। এই বিশাল জনসংখ্যাকে হঠাৎ করে সরিয়ে নেওয়া এক কথায় অসম্ভব। তেলের সংকটের মধ্যে মানুষকে পায়ে হেঁটে পালাতে হবে- এটা এক ভয়ঙ্কর কল্পনা।” দুর্ভাগ্যবশত, ডোনাল্ড ট্রাম্প যা বলছেন তা কতটা গুরুত্ব সহকারে নেওয়া উচিত তা জানা কঠিন… তবুও, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রাষ্ট্রপতির এই ধরণের ভাষা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আমাদের সকলের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত,” তিনি বলেন। ডাস আরো বলেন, “ট্রাম্প যা বলেন, তার কতটুকু গুরুত্ব দেওয়া উচিত সেটা বোঝা কঠিন হলেও, এমন ভাষা একজন মার্কিন প্রেসিডেন্টের কাছ থেকে শোনা গভীর উদ্বেগের বিষয়। আমাদের সবার সতর্ক হওয়া উচিত।” এর আগে ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে পোস্ট করে বলেন, “সবাই এখনই তেহরান ছেড়ে চলে যাও!” ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের মধ্যে ট্রাম্প কেন এমন বিবৃতি দিলেন সেটি স্পষ্ট নয়। তবে বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের উদ্দেশ্য হলো ইরানি কর্মকর্তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে যেকোনো চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা, তার মনে যে চুক্তিই থাকুক না কেন। ইরানের গোপন পারমাণবিক স্থাপনা ‘ফোরদো’-তে হামলা চালানোর ক্ষমতা একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেরই রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত মাইকেল হেরজোগ। তার এই বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে হেরজোগ বলেন, “ফোরদো একটি গভীর ভূগর্ভস্থ স্থাপনা। যুক্তরাষ্ট্রের কাছেই কেবল এমন বোমা আছে যা সেখানে আঘাত হানতে পারে।” তিনি আরো বলেন, “ইরানের পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা প্রতিরোধে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।” ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনাটি ইরানের একটি পাহাড়ি অঞ্চলে গভীরভাবে ভূগর্ভে অবস্থিত। বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মন্তব্য ইসরায়েলের পক্ষ থেকে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কৌশল হতে পারে।  এদিকে, ইরান এখনো বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত। তবে পশ্চিমা দেশগুলোর সন্দেহ, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে। এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।