নাচোলে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন

নাচোলে জাতীয় ফল মেলার উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা-২০২৫। বৃহস্পতিবার সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে এ মেলার উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নীলুফা সরকার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষি অফিসার সলেহ্ আকরাম। এবারের জাতীয় ফল মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘দেশী ফল বেশি খাই, আসুন ফলের গাছ লাগাই’। সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ইউএনও বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষকে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দিতে সরকার নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে। বর্তমানে একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের দৈনিক ফলের চাহিদা যেখানে ২০০ গ্রাম, সেখানে আমরা খাচ্ছি মাত্র ৫৫-৬০ গ্রাম। এই ব্যবধান কমাতে ফলের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি জনগণকে ফল খাওয়ায় অভ্যস্ত করতে হবে। তিনি আরো বলেন, চালের উৎপাদনে আমরা যেমন বিপ্লব করেছি, তেমনি ফল উৎপাদনেও বিপ্লব ঘটাতে চাই। দেশী ফল যাতে বিলুপ্ত না হয়, সে জন্য এর জার্মপ্লাজম সংরক্ষণের কাজও চলছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং ফল উৎপাদনে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির প্রশংসা করেন। দর্শনার্থীরা বিভিন্ন ধরনের দেশী ফল ও ফল চাষ প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার পাশাপাশি রাসায়নিকমুক্ত ফল ক্রয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।

তিন দিনব্যাপী ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

তিন দিনব্যাপী ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষিপ্রযুক্তি মেলা শুরু হয়েছে। সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে তিন দিনের এই মেলার উদ্বোধন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি। বুধবার বিকেলে ফিতা কেটে মেলার উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুস সামাদ, রাজশাহীর জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মো. আতিকুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূরুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আঞ্জুমান সুলতানা, সদর উপজেলা কৃষি অফিসার সুনাইন বিন জামান, কৃষি সম্প্রসাণ অফিসার আনিসুল হক মাহমুদসহ অন্যরা। এবারের মেলায় আম, কাঁঠালসহ দেশীয় বিভন্ন ধরনের ফল, বিভিন্ন ধরনের বৃক্ষের চারা, নতুন নতুন কৃষিপ্রযুক্তির বিভিন্ন যন্ত্রপাতি, আমজাত পণ্য, মধুসহ কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন পণ্য উপস্থাপন করা হচ্ছে। আগামী শুক্রবার শেষ হবে এই মেলা।

নেপালের রাষ্ট্রদূত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান শফিকুর রহমান

নেপালের রাষ্ট্রদূত হয়েছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের সন্তান শফিকুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃতী সন্তান ও পেশাদার কূটনীতিক শফিকুর রহমানকে বাংলাদেশ সরকার প্রতিবেশী দেশ নেপালে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে। গত ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে নেপালের রাষ্ট্রপতির কাছে রাষ্ট্রদূত হিসেবে শফিকুর রহমান পরিচয়পত্র পেশ করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভাধীন দ্বারিয়াপুর গ্রামের স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ অধ্যাপক হাবিবুর রহমান এবং জোবাইদা বেগমের ৫ সন্তানের মধ্যে শফিকুর রহমান তৃতীয়। ছেলেদের মধ্যে কনিষ্ঠ। তার মা এলাকায় একজন গুণী, পরোপকারী ও সমাজসেবী নারী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শফিকুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হরিমোহন সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৮ সালে এসএসসি পাস করেন। রাজশাহী কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকসহ ১৯৯৬ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক এবং ১৯৯৮ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। মেধাবী শফিকুর রহমান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে প্রতিটি স্তরে প্রথম স্থান (উচ্চতর দ্বিতীয় শ্রেণীতে প্রথম) অধিকার করেন। পেশাগত জীবনেও তিনি উচ্চতর ডিগ্রি লাভে জাপান সরকারের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অধ্যয়নেও বিশেষ কৃতিত্ব দেখান। জাপানের নিগাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১০-২০১২ শিক্ষাবর্ষে সকল অনুষদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সর্বোচ্চ স্কোরার হিসেবে শ্রেষ্ঠ গ্র্যাজুয়েট এবং ওই শিক্ষাবর্ষের সমাপনী অনুষ্ঠানে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান নির্বাচিত হন। এই কারণে সকল ছাত্রছাত্রীর পক্ষে ভ্যালেডিক্টোরিয়ান স্পিচ দেয়ার প্রদানের বিরল সম্মান লাভ করেন। ২১তম বিসিএসের পররাষ্ট্র ক্যাডারে নির্বাচিত হয়ে ২০০৩ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন শফিকুর রহমান। নেপালে রাষ্ট্রদূত হিসেবে পদায়নের আগে তিনি দীর্ঘদিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনসহ পশ্চিম এশিয়া তথা মধ্যপ্রাচ্য অনুবিভাগে মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মক্ষেত্রে তিনি অস্ট্রেলিয়া, ইউকে, নরওয়ে ও জাপানসহ বিভিন্ন দেশে পেশাগত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এছাড়া কর্মজীবনে পেশাগত দায়িত্ব পালনে তিনি বিদেশস্থ বাংলাদেশ মিশন সৌদি আরব, মিশর (কায়রো)সহ ঢাকাস্থ সাত জাতিভুক্ত সহযোগিতা সংস্থা বিমসটেক সচিবালয়ের প্রথম পরিচালক (বাংলাদেশ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। শফিকুর রহমান পারিবারিক জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। নিজ এলাকার আর্থসামাজিক উন্নয়নে সম্পৃক্ত থাকার ক্ষেত্রে তার বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। এছাড়া ২০২১ সাল হতে মা-বাবার স্মরণে এইচজে ফাউন্ডেশন নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে আসছেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, নতুন আক্রান্ত ৫৩ জন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, নতুন আক্রান্ত ৫৩ জন চাঁপাইনবাবগঞ্জে গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আরো ৫৫ জনের দেহে ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪১ জনকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ৪১ জনের মধ্যে ২৪ জন পুরুষ, ১৪ জন মহিলা ও ৩ জন শিশু রয়েছেন। বাকি ১৪ জন বহির্বিভাগে শনাক্ত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে ভর্তি হননি। জেলা হাসপাতালের প্রতিদিনের প্রতিবেদনে আজ বলা হয়েছে, পূর্বের মোট ভর্তি রোগী ছিলেন ৩৮ জন। তাদের মধ্যে ৭ পুরুষ, ২৭ জন মহিলা ও ৪ জন শিশু ছিলেন। একই সময়ে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে ২৪ জনকে। এই ২৪ জনের মধ্যে ১৩ জন পুরুষ, ১১ জন মহিলা রয়েছেন। অন্যদিকে অবস্থার অবনতি হওয়ায় ২ জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) স্থানান্তর করা হয়েছে। এই ২ জনরে মধ্যে ১ জন পুরুষ, ১ জন শিশু রোগী রয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৫৩ জন। তাদের মধ্যে ১৭ জন পুরুষ, ৩০ জন মহিলা ও ৬ জন শিশু রোগী রয়েছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ৯৮৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন। এদের মধ্যে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নতুন ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৭৩ জনে। এছাড়া বহির্বিভাগে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩৭৭ জন।

গোমস্তাপুরে কৃষি কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা

গোমস্তাপুরে কৃষি কর্মকর্তাকে বিদায় সংবর্ধনা গোমস্তাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকারকে পদোন্নতি জনিত বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে তার সহকর্মীরা। আজ বিকেলে কৃষি প্রশিক্ষন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক কৃষি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক। বক্তব্য দেন কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা শুভ ভৌমিক ও জেসমিন আক্তার লাবনী, উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষন কর্মকর্তা সেরাজুল ইসলাম,উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফজলুর রহমান, আব্দুর রাকিব,মমিনুল ইসলাম, ইব্রাহিম খলিলসহ গণমাধ্যম কর্মীরা।

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এক, আক্রান্ত ২৭

করোনাভাইরাস: ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু এক, আক্রান্ত ২৭ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন আরো ২৭ জন। বুধবার (২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছর করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৯ জন। এ পর্যন্ত দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ৫২ হাজার ১৫৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মোট ৫১৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ কোটি ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৭৯৭ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। চলতি বছর করোনায় এ পর্যন্ত মোট ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে শুরু থেকে এ পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৫২৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ২১ শতাংশ। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। সুস্থতার হার ৯৮ দশমিক ৪১ শতাংশ। ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন করোনায় সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

ঋতুপর্ণার জোড়া গোল, মিয়ানমারকে হারিয়ে মূল পর্বের পথে বাংলাদেশ

ঋতুপর্ণার জোড়া গোল, মিয়ানমারকে হারিয়ে মূল পর্বের পথে বাংলাদেশ ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ৭৩ ধাপ এগিয়ে থাকা মিয়ানমারকে হারানো মোটেই সহজ কাজ নয়। তবে সেই কঠিন কাজটি সেরে বাছাই পেরিয়ে মূল পর্বের পথে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। জোড়া গোল করে তাদের কাজটি সহজ করে দিলেন ঋতুপর্ণা চাকমা।  এএফসি উইমেন’স এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের ‘সি’ গ্রুপের ম্যাচে বুধবার ইয়াংগুনের থুয়ান্না স্টেডিয়ামে ২-১ গোলে জিতেছে বাংলাদেশ। দুই অর্ধে একটি করে গোল করেছেন ঋতুপর্ণা। দ্বিতীয়ার্ধের শেষ মিনিটে একটি গোল শোধ করেছে মিয়ানমার। তুর্কমেনিস্তানকে ৮-০ গোলে উড়িয়ে বাছাই শুরু করেছিল মিয়ানমার। আজকের হারে তাদের পয়েন্ট ৩-ই রয়ে গেল। আর বাহরাইনের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৭-০ ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। দুই জয়ে বাংলাদেশের পয়েন্ট হলো ৬। গ্রুপের শীর্ষেও তারা। ফলে আজকের জয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে মূল পর্বে টিকিট পাওয়ার দাবিদার হলো বাংলাদেশের মেয়েরা। আগামী শনিবার গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তুর্কমেনিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এই ম্যাচে পা না হড়কালে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলা নিশ্চিত হবে আফঈদাদের। গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটির শুরু থেকেই বেশ সাবলীল ফুটবল খেলে বাংলাদেশের মেয়েরা। অষ্টাদশ মিনিটে দুই ডিফেন্ডারের ফাঁক দিয়ে বেরিয়ে যেতে চেয়েছিলেন শামসুন্নাহার জুনিয়র। কিন্তু বক্সের ভেতরে ফাউলের শিকার হন তিনি। ফ্রি-কিক নেন ঋতুপর্ণা। তবে তার কিক মিয়ানমারের রক্ষণে প্রতিহত হলে তার ফিরতি নিচু শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে যায়। আনন্দে মেতে উঠে বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা। ৬ মিনিট পরে বাম প্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার ক্রসে ছোট বক্সের ভেতরে শামসুন্নাহার জুনিয়র ট্যাপ করলেও বল পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। ৩৭তম মিনিটে অল্পের জন্য গোল হজম করেনি বাংলাদেশ। আক্রমণ ঠেকাতে পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন রুপনা। তবে ক্লিয়ার করতে পারেননি তিনি। বল চলে যায় খিন মো মো তুনের পারে। তবে মিয়ানমার অধিনায়কের শট বাইরে দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মিয়ানমারের একটি আক্রমণ ব্যর্থ হয় ক্রসবারে লেগে। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশের রক্ষণে চাপ বাড়ায় মিয়ানমার। তবে শামসুন্নাহার সিনিয়র, আফঈদা খন্দকাররা প্রতিপক্ষের প্রচেষ্টা দারুণভাবে প্রতিহত করেন। ৭২তম মিনিটে ম্যাচে আসে ঋতুপর্ণার দ্বিতীয় গোল। বক্সের একটু উপর থেকে বল নিয়ে কিছুটা দৌড়ে এক ডিফেন্ডারের সামনে থেকে বাম পায়ে শট নেন ঋতুপর্ণা। বল হাওয়ায় ভেসে গোলরক্ষককের মাথার উপর দিয়ে জালে জড়ায়। বাংলাদেশ যখন উৎসবের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন মরিয়া মিয়ানমার ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায়। সতীর্থের আড়াআড়ি ক্রসে আনমার্কড থাকা উইন উইন নিখুঁত শটে রুপনাকে পরাস্ত করেন। তবে এরপর আর বিপদ হতে দেয়নি বাংলাদেশের মেয়েরা।

১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম কমল

১২ কেজি এলপি গ্যাসের দাম কমল ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। বুধবার (২ জুলাই) নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেওয়া হয়। আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে এ দাম কার্যকর হবে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৩৬৪ টাকা। আগের দাম ছিল ১ হাজার ৪০৩ টাকা। কমানো হয়েছে ৩৯ টাকা। জুন মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২৮ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৪০৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’, থাকবে সাধারণ ছুটি

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’, থাকবে সাধারণ ছুটি জুলাই অভ্যুত্থানের বিষয়টি স্মরণীয় করে রাখতে সরকার প্রতি বছর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা করেছে। এ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। আর ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ পালন না করা এবং ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বুধবার (২ জুলাই) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পৃথক পৃথক পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়, সরকার প্রতি বছর ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণভ্যুত্থান দিবস’ (সাধারণ ছুটিসহ) ঘোষণা করেছে। দিবসটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ পালন না করার সিদ্ধান্ত আরেক পরিপত্রে বলা হয়, অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সম্প্রতি ঘোষিত ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ উদযাপন/পালন না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ২৫ জুলাই জারি হওয়া পরিপত্রটি বাতিল করা হয়েছে। ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ আরেক পরিপত্রে বলা হয়, সরকার প্রতি বছর ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছে। দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত দিবস করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে প্রতিপালনের জন্য সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর আগে সরকার প্রতিবছর ৮ আগস্ট ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ এবং ১৬ জুলাই ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে গত ২৫ জুন পৃথক পরিপত্র জারি করেছিল সরকার।

‘সাগরের তীর থেকে’ গানের শিল্পী জীনাত রেহানা মারা গেছেন

‘সাগরের তীর থেকে’ গানের শিল্পী জীনাত রেহানা মারা গেছেন প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী জীনাত রেহানা মারা গেছেন। বুধবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন জীনাত রেহানা। তার চিকিৎসা চলছিল। জীনাত রেহানার স্বামী ছিলেন দেশের টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব মোস্তফা কামাল সৈয়দ। শিল্পীর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার জোহরের নামাজের পর গুলশান আজাদ মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে জীনাতের দ্বিতীয় জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।   ১৯৬৪ সালে জীনাত রেহানা বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী হন। ১৯৬৮ সালে জীনাত রেহানার ‘সাগরের তীর থেকে’ গানটি রেকর্ড করা হয়। এটি প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। ১৯৬৫ সাল থেকে টেলিভিশনের শিল্পী হিসেবে গান শুরু করেন জীনাত। জীনাতের গাওয়া জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘একটি ফুল আর একটি পাখি বলতো কি নামে তোমায় ডাকি’, ‘আমি কাকন দিয়ে ডেকেছিলেম মুখে লজ্জা ছিল বলে’, ‘কপালে তো টিকলি পরব না’, ‘আমি যার কথা ভাবছি মনে আনমনে’ প্রভৃতি।