গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত গাজা উপত্যকায় ইরায়েলের চালানো হামলায় ভোর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ১৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। খবর আল জাজিরার। নিহতদের মধ্যে রয়েছে শাতি শরণার্থী শিবিরে হামলায় নিহত আটজন, দেইর আল-বালাহতে একটি বাড়িতে বোমা হামলায় নিহত হয়েছেন দুজন এবং খান ইউনিসে তাঁবুতে ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছেন আরও দুজন। এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু গত ২৪ ঘণ্টায় দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেছেন। তবে এখনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। ইসরায়েলি বাহিনী টানা বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে গাজায়। সোমবার সারাদিনে চালানো হামলায় অন্তত ৯৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন।  গাজায় চলমান ইসরায়েলের অবরোধের কারণে জ্বালানি সংকট ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, এই সংকট চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং আরও মৃত্যু ও দুর্ভোগ তৈরি করবে এই অবরুদ্ধ উপত্যকায়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুসারে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ৫৭ হাজার ৫৭৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন এক লাখ ৩৬ হাজার ৮৭৯ জন।

১২ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান

১২ ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত বাংলাদেশ-চীন-পাকিস্তান ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন  বলেছেন, কুনমিংয়ে যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে, সেখানে ১২ টি ক্ষেত্রে একসঙ্গে কাজ করতে সম্মত হয়েছে তিন দেশ। বুধবার (৯ জুলাই) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে আয়োজিত এক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ কথা বলেন। চায়না-বাংলাদেশ শিল্প ও সরবরাহ চেইন সহযোগিতা- শীর্ষক এক সেমিনারে আয়োজন করে চায়নিজ এন্টারপ্রাইজ অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ -সিএইবি । সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন । সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইয়াও  ওয়েন  বলেন, দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় ক্ষেত্রে  চীন ও বাংলাদেশের  সমান  স্বার্থ রক্ষার অধিকার রয়েছে। সে লক্ষ্যেই কুনমিংয়ে যে ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে,  সেখানে ১২ টি ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে তিন দেশ। এসব  ক্ষেত্রের  মধ্যে রয়েছে  বাণিজ্য, শিল্প, পরিবেশ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা, সংস্কৃতি সহযোগিতা ইত্যাদি। তিন দেশের সহযোগিতার ভিত্তি হলো পারস্পরিক  আস্থা। এই বৈঠক অন্য কোনো দেশকে টার্গেট করে হয়নি বলেও জানান তিনি। সম্প্রতি বাংলাদেশ, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে কুনমিংয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের  নতুন শুল্ক নীতির পরিপ্রেক্ষিতে চীন সুরক্ষা পেতে কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে  বাংলাদেশকেও সুরক্ষার জন্য উদ্যোগ নিতে হবে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা নিয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের সক্ষমতা রয়েছে। আশা করি, বাংলাদেশ এটা কাটিয়ে উঠতে পারবে। জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা জামায়াতে ইসলামী ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির মধ্যে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। সে লক্ষ্যেই এই বৈঠক হয়েছে। তবে সেখানে  বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে আলোচনা হয়নি, কেননা নির্বাচন বাংলাদেশের জনগণের বিষয়।

সন্তান আছে প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা দেবেন তানজিন তিশা

সন্তান আছে প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা দেবেন তানজিন তিশা সন্তান আছে- এটা প্রমাণ করতে পারলে ২৫ লাখ টাকা পুরস্কার দেওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা। সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই ঘোষণা দেন। সম্প্রতি জায়েদ খানের সঞ্চালনায় একটি টক শোতে অংশ নিয়ে মা হওয়ার ইচ্ছার কথা জানান তানজিন তিশা। তিনি বলেন, ‘আমি মা হতে চাই। ’ এরপর সাংবাদিক জাওয়াদ নির্ঝর সামাজিকমাধ্যমে তিনটি ছবি প্রকাশ করে দাবি করেন, এগুলো তানজিন তিশার সন্তান ও সাবেক স্বামীর ছবি। জাওয়াদ নির্ঝর ছবিগুলোর ক্যাপশনে লেখেন, ‘সেলিব্রিটি হওয়ার পর মানুষ কী তার গর্ভের সন্তানকেও অস্বীকার করতে পারে? এই ছবিগুলো তিশার মিডিয়ায় আসার আগের। তার সাবেক স্বামী বর্তমানে দুবাইয়ে থাকেন। সেই ঘরে তাদের একটি পুত্রসন্তান জন্ম নেয়, যে বর্তমানে ঢাকায় দাদির সঙ্গে থাকে। ’ এর জবাবে শনিবার (৫ জুলাই) রাতে তানজিন তিশা সামাজিকমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করে লেখেন, ‘যদি কেউ প্রমাণ করতে পারে আমার সন্তান আছে, তাকে ২০ হাজার ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫ লাখ টাকা) দেব। ’ তিনি আরও বলেন, ‘যারা আমার ভাগ্নে-ভাগ্নির ছবি দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করছে, তারা এখন সুবর্ণ সুযোগ পেল। আমার যত লুকানো বাচ্চাকাচ্চা আছে, সবাইকে আমার কাছে পৌঁছে দিলে নগদ ২০ হাজার ডলার পুরস্কার। ’

‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে মেসির হ্যাটট্রিক

‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কারে মেসির হ্যাটট্রিক ইন্টার মায়ামির জার্সি গায়ে তুলে যেন ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার নিজের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতেই রূপান্তর করে ফেলেছেন লিওনেল মেসি। বরাবরের মতো এবারও ব্যতিক্রম হয়নি। মেজর লিগ সকারের (এমএলএস) চলতি মৌসুমে তৃতীয়বারের মতো এই পুরস্কার জিতেছেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি। মন্ট্রিয়েলের বিপক্ষে ৪-১ গোলের জয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেন মেসি। করেছেন দুটি চমৎকার গোল। ড্রিবল, গতি আর বাঁ পায়ের নিখুঁত ফিনিশে একের পর এক প্রতিপক্ষকে বোকা বানিয়ে দেখিয়েছেন পায়ের জাদু। গোল দুটো এমন ছিল, যা দেখে কেউই বিশ্বাস করতে পারবে না তিনি এখন ৩৮ বছর বয়সী! এই ম্যাচসেরা পারফরম্যান্সের সুবাদে মেসি মায়ামির হয়ে মোট ৯ বার জিতলেন ‘প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ’ পুরস্কার। এমএলএসের ইতিহাসে এটা এক অনন্য কীর্তি। ১৯৯৬ সালে লিগ শুরুর পর মাত্র ১১ জন খেলোয়াড় এমন কীর্তি গড়েছেন। তবে বেশিরভাগই সেটা করেছেন বহু মৌসুম খেলে। সেখানে মাত্র দুই বছরের মধ্যে মেসি উঠে এলেন ঐতিহাসিক সেই তালিকায়। বর্তমানে খেলছেন এমন ফুটবলারদের মধ্যে এই রেকর্ড আছে মাত্র দু’জনের। তারা হলেন জোসেফ মার্তিনেজ (আটালান্টা ইউনাইটেড) ও লিওনেল মেসি। তবে মেসি এখনই সুযোগ পাচ্ছেন সবার ওপরে উঠে যাওয়ার। আগামী ১০ জুলাই নিউ ইংল্যান্ড রেভ্যুলুশনের মাঠে পরবর্তী ম্যাচ খেলবে ইন্টার মায়ামি। সেই ম্যাচেই দশম পুরস্কার ছোঁয়ার হাতছানি রয়েছে মেসির সামনে।

কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি

কাজল-রানীদের ঐতিহ্যবাহী ফিল্মিস্তান স্টুডিও বিক্রি বিক্রি হয়ে গেছে বলিউড ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ ফিল্মিস্তান স্টুডিও। গত ৩ জুলাই, ১৮৩ কোটি রুপিতে এটি কিনে নিয়েছে মুম্বাইভিত্তিক আর্কেড ডেভেলপার লিমিটেড।  টাইমস নাউ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ৮২ বছর আগে এটি প্রতিষ্ঠা করেন অভিনেত্রী কাজল-রানী মুখার্জির দাদা শশধর মুখার্জি এবং তার শ্যালক প্রয়াত অভিনেতা অশোক কুমার। তাদের সঙ্গে ছিলেন জ্ঞান মুখার্জি ও রাই বাহাদুর চুনীলাল। ১৯৪৩ সালে বম্বে টুকিজ ছেড়ে দেন অশোক কুমার। এরপর এই স্টুডিও তৈরি করেন। সেই সময়ে এই স্টুডিওতে কেবল শুটিং হতো না, বরং প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো সেখানেই পুরো সিনেমা তৈরি করতেন। বছরের পর বছর অভিনেতা-অভিনেত্রীরা মাসিক বেতনের ভিত্তিতে সেখানে কাজ করতেন। এই স্টুডিওর জায়গায় নির্মিত হবে বিলাসবহুল বহুতল ভবন। প্রায় তিন হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে আর্কেড ডেভেলপার লি.। ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। ৫০ তলা ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাওয়ার। স্টুডিওটি বিক্রির খবর প্রকাশ্যে আসার পর, আপত্তি জানিয়েছে ‘অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন’ (এআইসিডব্লিউএ)। এ নিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠিয়েছে সংগঠনটি। এ চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওতে অবস্থিত। ১৯৪৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এটি। ভারতীয় ফিল্ম স্টুডিওর ইতিহাসে এটি সবচেয়ে আইকনিক একটি স্টুডিও। এই ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ভারতীয় চলচ্চিত্রের উত্থান দেখেছে এবং লাখ লাখ টেকনিশিয়ান, শিল্পী, জুনিয়র শিল্পীদের কর্মক্ষেত্র হয়ে উঠেছে। জানা গেছে, এটি আর্কেড ডেভেলপারের কাছে ১৮৩ কোটি রুপিতে বিক্রি করা হয়েছে।”  ফিল্মিস্তান স্টুডিওর অবদান ব্যাখ্যা করে চিঠিতে বলা হয়েছে, “ফিল্মিস্তান স্টুডিও সৃজনশীল কাজের ভিত্তি হিসেবে কয়েক দশক ধরে কাজ করেছে। অসংখ্য বলিউড এবং ভারতীয় সিনেমা প্রযোজনার সুযোগ তৈরি করেছে। এটি কেবল একটি অবকাঠামো নয়; এটি সিনেমার উত্তরাধিকার, ক্যামেরার পেছনের শ্রমিক শ্রেণির ঘাম এবং কঠোর পরিশ্রমের প্রতীক।”  সরকারি হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠিতে বলা হয়েছে, “অল ইন্ডিয়ান সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশন (এআইসিডব্লিউএ), মহারাষ্ট্র সরকারকে এ বিষয়ে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করার বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ঐতিহ্যবাহী ফিল্ম স্টুডিওগুলোকে, বিশেষ করে ফিল্মিস্তানকে রক্ষার জন্য এবং সরকারের অধীনে আনার জন্য একটি জি. আর. জারি করার জন্য আবেদন করছি।” তবে এ নিয়ে এখনো কোনো ধরনের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি কাজল কিংবা রানী মুখার্জি।

দেশের উন্নতির জন্যই শাকিবের বিদেশি নায়িকা চান না দীপা

দেশের উন্নতির জন্যই শাকিবের বিদেশি নায়িকা চান না দীপা আগামী ঈদুল ফিতরে নতুন সিনেমা নিয়ে হাজির হবেন শাকিব খান। নাম ‘ওয়ানস আপন আ টাইন ইন ঢাকা’। ট্যাগলাইন- ‘আমি কালা’। ঢাকার নব্বই দশকের আন্ডারওয়ার্ল্ডকে কেন্দ্র করে নির্মিত এই সিনেমার কাহিনী অনেকটাই সত্য ঘটনা অবলম্বনে। শাকিব অভিনয় করবেন এক সময়ের আলোচিত সন্ত্রাসী কালা জাহাঙ্গীরের চরিত্রে। এ সিনেমার মাধ্যমে ছোট পর্দার জনপ্রিয় নির্মাতা আবু হায়াত মাহমুদ পা রাখছেন বড় পর্দায়। সিনেমায় শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করার কথা শোনা যাচ্ছে টলিউডের মধুমিতা সরকারের। আর এই খবর ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। অভিনেত্রী দীপা খন্দকার গতকাল এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এটা কি যৌথ প্রযোজনার সিনেমা? যদি শুধু বাংলাদেশের হয়, তাহলে আমাদের দেশে কি লিড ফিমেল (নায়িকা) রোল করার মতো কোনো শিল্পী নেই? কেন এমন কাস্টিং হচ্ছে?’ দীপার এই মন্তব্য ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা গেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তার জবাবেই আজ (৮ জুলাই) মঙ্গলবার অভিনেত্রী আরও একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি স্পষ্ট করেছেন কেন শাকিবের বিদেশি নায়িকা নিয়ে তার আপত্তি। মূলত দেশের উন্নতির স্বার্থেই তিনি শাকিবের সঙ্গে দেশের নায়িকা চান বলে দাবি করেন। দীপা তার পোস্টে লিখেছেন, ‘জি আমি স্বার্থপর। আমি চাই আমার দেশের উন্নতি হোক। আমার মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির উন্নতি হোক। আর্টিস্টদের লাভ হোক। শাকিব খানের সিনেমা মানেই বিশাল কিছু। সেখানের একটা অংশ কেন আমরা অন্যদের দিয়ে দিব?’ শাকিবের সিনেমায় নারী লিড রোলে বেশি সুযোগ থাকে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যেখানে নারী লিড রোলের সুযোগ খুব বেশি থাকে না। যাও দুই একটা থাকে তা যদি অন‍্য দেশের আর্টিস্টদের দিয়ে দেয়া হয় তাহলে আমাদের আর্টিস্টদের জন্য কি থাকল? অলরেডি অনেক আর্টিস্টই সিনেমায় প্রমাণিত। চিন্তা ভাবনা বদলাতে হবে। গল্প নির্ভর সিনেমা বানাতে হবে।’ শাকিব খানের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনার ‘ভাইজান এলোরে’ সিনেমায় অভিনয় করেন দীপা খন্দকার।

দ্বিতীয় দফায় ইরান থেকে ফিরলেন আরো ৩২ জন

দ্বিতীয় দফায় ইরান থেকে ফিরলেন আরো ৩২ জন ইরানে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের দ্বিতীয় দফার প্রত্যাবাসন সম্পন্ন হয়েছে।  মঙ্গলবার (৮ জুলাই) আরো ৩২ জন বাংলাদেশি ইরান থেকে দেশে ফিরেছেন বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ফেরত আসা বাংলাদেশিরা সড়কপথে তেহরান থেকে মাশহাদ যান এবং সেখান থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ হয়ে ঢাকায় পৌঁছান। ইরানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস তাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সমন্বয় করে। এর আগে, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম দফায় ২৮ জন বাংলাদেশিকে গত ১ জুলাই দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। তারা ২৫ জুন তেহরান থেকে সড়কপথে যাত্রা শুরু করে তাফতান সীমান্ত হয়ে পাকিস্তান প্রবেশ করেন। পরে করাচি ও দুবাই হয়ে তারা ঢাকায় ফেরেন। ওই দলে নারী, শিশু ও চিকিৎসার জন্য ইরানে অবস্থানরত ব্যক্তিরা ছিলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইরান থেকে দেশে ফেরার জন্য এখন পর্যন্ত ২৫০ জন বাংলাদেশি তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসে নিবন্ধন করেছেন। সরকার তাদের ধাপে ধাপে দেশে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তবে সংঘাত কমে আসায় পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও ধীরে ধীরে সচল হচ্ছে, ফলে অনেকেই নিজ উদ্যোগে ফিরতে পারবেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইরানে প্রায় দুই হাজার বাংলাদেশি অবস্থান করছেন। এর মধ্যে তেহরানে রয়েছেন প্রায় ৪০০ জন। তালিকাভুক্ত বাংলাদেশির সংখ্যা ৬৭২, যাদের মধ্যে ৬৬ জন শিক্ষার্থী।

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দল ঘোষণা, নেই একাধিক তারকা

বাংলাদেশ সফরে পাকিস্তান দল ঘোষণা, নেই একাধিক তারকা বিশ্বকাপের আগে নতুন সম্ভাবনার খোঁজে বেরিয়েছে পাকিস্তান। আগামী ২০ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ সফরের জন্য ঘোষিত ১৫ সদস্যের টি-টোয়েন্টি দলে নেই একাধিক তারকা। অধিনায়ক বাবর আজম, উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান, পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি, অলরাউন্ডার শাদাব খান কিংবা স্পিডস্টার হারিস রউফ; কেউ-ই নেই স্কোয়াডে। এমন দল দেখে ক্রিকেট বিশ্লেষকদের মত, এই স্কোয়াড মূলত বিশ্বকাপের আগমুহূর্তে একটি ‘এক্সপেরিমেন্টাল প্যাকেজ’। তরুণ ও কম অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্স দেখে নেওয়াই এবার পিসিবির মূল উদ্দেশ্য। সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে ঢাকার মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। সূচি অনুযায়ী, পাকিস্তান দল বাংলাদেশে পা রাখবে ১৬ জুলাই। এরপর ২০, ২২ ও ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে তিনটি ম্যাচ। প্রতিটি শুরু সন্ধ্যা ৬টায়। সফর শেষ করেই ২৫ জুলাই দেশে ফিরবে দলটি। এই সিরিজটি হঠাৎ করে আয়োজিত হয়নি। পেছনে রয়েছে বিসিবি ও পিসিবির শীর্ষপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনার ফলাফল। আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সময় দুই বোর্ডের বৈঠকে এমন একটি প্রস্তুতি সিরিজ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলে এটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং বিশ্বকাপ পূর্ববর্তী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এরই মধ্যে পাকিস্তান দলের অনুশীলন শুরু হয়েছে করাচির জাতীয় স্টেডিয়ামে। ৮ জুলাই থেকে স্কোয়াডের সদস্যরা মাঠে নেমেছেন ধারাবাহিক প্রস্তুতি নিতে। লক্ষ্য একটাই— বিশ্বমঞ্চের আগে শক্তির গভীরতা যাচাই করে নেওয়া। বাংলাদেশ সিরিজ শেষে পাকিস্তান দল ক্যারিবীয় সফরে যাবে, যেখানে তারা খেলবে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: সালমান আলী আঘা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, আহমেদ দানিয়াল, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, হাসান নওয়াজ, হুসেইন তালাত, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ আব্বাস আফ্রিদি, মোহাম্মদ হারিস (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নাওয়াজ, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, সালমান মির্জা ও সুফিয়ান মোকিম। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি: ২০ জুলাই: প্রথম টি-টোয়েন্টি, মিরপুর। ২২ জুলাই: দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর। ২৪ জুলাই: তৃতীয় টি-টোয়েন্টি, মিরপুর।

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত, ১৯ জনের মৃত্যু

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত, ১৯ জনের মৃত্যু ভারী বৃষ্টিপাতে পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখওয়া এবং রাজধানী ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডিতে ঘরবাড়ি ধস ও পানিতে ডুবে অন্তত ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগামী দুই দিন দেশটির বিভিন্ন অংশে ভারি বর্ষণ ও বন্যার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খবর দ্য ডনের। পাকিস্তানের জাতীয় জরুরি পরিচালনা কেন্দ্র সতর্কতা জারি করে জানিয়েছে, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধান নদীগুলোর উজানে এবং বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এতে করে বেশ কয়েকটি এলাকায় হঠাৎ বন্যার সৃষ্টি হতে পারে। এই সতর্কতার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে বন্যা মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। বেলুচিস্তানের প্রাদেশিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (পিডিএমএ) জানিয়েছে, গত ৪৮ ঘণ্টায় প্রদেশটির বিভিন্ন অংশে হওয়া ভারী বৃষ্টিতে ঘরবাড়ি ধসে অন্তত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। প্রদেশটির অন্তত ২২টি জেলা বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ওয়াশুক, আওরান, ঝাল ম্যাগসি, খুজদার, মুসাখাইল, কিলা সাইফুল্লাহ, বারখান, কহলু, লোরালাই, ও ঝব-শেরানি জেলার বিভিন্ন এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডি শহরের বিভিন্ন অংশে বৃষ্টিজনিত দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যাদের মধ্যে তিনজন শিশু। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খাইবার পাখতুনখাওয়ার মালাকান্দ, বুনের, মানসেহরা ও কারাক জেলায় বৃষ্টির কারণে আরও ৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আাগামী দুই দিনের জন্য দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির সতর্কতা জারি করেছে পাকিস্তানের ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার (এনইওসি)।

এসএসসির ফল কখন-কীভাবে পাওয়া যাবে, জানাল বোর্ড

এসএসসির ফল কখন-কীভাবে পাওয়া যাবে, জানাল বোর্ড এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৫-এর ফল আগামী ১০ জুলাই দুপুর ২টায় দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া যাবে। এসএমএসের মাধ্যমেও জানা যাবে ফল। বাংলাদেশ আন্তঃ শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সব পরীক্ষাকেন্দ্র বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফল সংগ্রহ করতে হবে। আর পরীক্ষার্থীরা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট বোর্ডের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ফলাফল সংগ্রহ করতে পারবে। এ ছাড়া নির্ধারিত শর্ট কোড ১৬২২২-তে এসএমএসের মাধ্যমে ফল পাওয়া যাবে। শিক্ষাবোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকায় ফল পাওয়া যাবে না। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানান, এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে মোবাইলে এসএসসি<>বোর্ডের নাম (প্রথম তিন অক্ষর)<> রোল<> বছর- টাইপ করে  ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: SSC Dha 123456 2025 Send to 16222। ফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য এসএমএসের মাধ্যমে ১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হবে। আবেদন পদ্ধতি শিক্ষাবোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট এবং টেলিটকের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যাবে।