পবিত্র কোরআন হাতে নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন মামদানি

পবিত্র কোরআন হাতে নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে শপথ নিলেন মামদানি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম শহর নিউ ইয়র্কের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে আনুষ্ঠানিকভাবে মেয়র হিসেবে শপথ নিয়েছেন জোহরান মামদানি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) নতুন বছরের প্রথম প্রহরে ম্যানহাটনের একটি পরিত্যক্ত ঐতিহাসিক সাবওয়ে স্টেশনে পবিত্র কোরআন ছুঁয়ে এই শপথ গ্রহণ করে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন তিনি। খবর আল-জাজিরার। এই শপথের মাধ্যমে ৩৪ বছর বয়সী মামদানি নিউ ইয়র্ক সিটির প্রথম মুসলিম এবং গত কয়েক প্রজন্মের মধ্যে কনিষ্ঠতম মেয়র হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন। শপথ অনুষ্ঠানে তিনি পবিত্র কোরআনের ওপর হাত রেখে তার দাপ্তরিক অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। শপথ অনুষ্ঠানে মামদানি তার দাদার ব্যবহৃত কোরআন এবং নিউ ইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরি থেকে সংগৃহীত ২০০ বছরের পুরোনো একটি কোরআন ব্যবহার করেন। নিউ ইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস তাকে এই ঐতিহাসিক শপথবাক্য পাঠ করান, যা শহরটির বৈচিত্র্যময় রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে এক অনন্য নজির স্থাপন করেছে। মধ্যরাতের এই ঘরোয়া অনুষ্ঠানের পর দুপুর ১টায় নিউ ইয়র্কের সিটি হলে আয়োজিত একটি বড় ধরনের জনসমাবেশে তিনি পুনরায় শপথ নেবেন। এ অনুষ্ঠানে মামদানি তার দাদা ও দাদির ব্যবহৃত দুটি কোরআন শরিফ ছুঁয়ে শপথ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন। এই মূল অনুষ্ঠানে মামদানির অন্যতম রাজনৈতিক আদর্শ ও মার্কিন সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স তাকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্তেজ উদ্বোধনী বক্তব্য রাখবেন। এরপর ব্রডওয়ের ‘ক্যানিয়ন অব হিরোস’-এ একটি বর্ণাঢ্য গণসংবর্ধনা ও ব্লক পার্টির আয়োজন করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের হাতেগোনা কয়েকজন রাজনীতিবিদের মধ্যে মামদানি একজন, যারা ধর্মীয় গ্রন্থ ছুঁয়ে শপথ নিয়েছেন। নিউ ইয়র্কে মেয়রের শপথ গ্রহণের জন্য কোনো ধর্মীয় গ্রন্থ ব্যবহার বাধ্যতামূলক নয়, তবে অতীতের অনেক মেয়র বাইবেল ব্যবহার করেছেন। সাবেক মেয়র মাইকেল ব্লুমবার্গ তার পারিবারিক ১০০ বছরের পুরোনো বাইবেল ব্যবহার করেছিলেন, বিল ডি ব্লাসিও ব্যবহার করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্র্যাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের একটি বাইবেল। আর মামদানির পূর্বসূরি এরিক অ্যাডামসও শপথের জন্য পারিবারিক বাইবেল ব্যবহার করেছিলেন।
১৭ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস

১৭ জেলায় বইছে শৈত্যপ্রবাহ, ঘন কুয়াশার পূর্বাভাস দেশের ১৭ জেলার ওপর দিয়ে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, সিলেট, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, চুয়াডাঙ্গা, কুষ্টিয়া, বরিশাল ও ভোলা জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। কিছু কিছু জায়গায় তা প্রশমিত হতে পারে। এছাড়াও মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অনেক স্থানে মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে এবং কোথাও তা দুপুর পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচল, অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন ও সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা সাময়িকভাবে ব্যাহত হতে পারে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আর দিনের তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়তে পারে। অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, উপমহাদেশীয় উচ্চবলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বুধবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল টেকনাফে ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যশোরে ৭.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ভোর ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। ঢাকায় বাতাসের গতি উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৫ থেকে ১০ কিলোমিটার বেগে প্রবাহিত হতে পারে।
পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়াল ১১ লাখ ৮৩ হাজার

পোস্টাল ভোট: নিবন্ধন ছাড়াল ১১ লাখ ৮৩ হাজার গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য “পোস্টাল ভোট বিডি” অ্যাপে নিবন্ধন ছাড়িয়েছে ১১ লাখ ৮৩ হাজার। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) সকালে ইসির ওয়েবসাইট ((https://portal.ocv.gov.bd/report/by-country) থেকে বিষয়টি জানা গেছে। গত ১৯ নভেম্বর থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে, চলবে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। যেসব দেশে নিবন্ধন চলছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে- দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান, দক্ষিণ আফ্রিকা, চীন, মিশর, মোজাম্বিক, লিবিয়া, মরিশাস, হংকং, ব্রাজিল, উগান্ডা, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো, ইথিওপিয়া, নাইজেরিয়া, লাইবেরিয়া, বতসোয়ানা, কেনিয়া, রুয়ান্ডা, আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, তানজানিয়া, সোমালিয়া, ঘানা, গিনি, মরক্কো, দক্ষিণ সুদান, চিলি, সিয়েরা লিওন, ইকুয়েডর, তাইওয়ান, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গাম্বিয়া, পেরু, জিম্বাবুয়ে, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব, বাংলাদেশ ইত্যাদি। মোট নিবন্ধন করেছেন (দুপুর ১২টা পর্যন্ত) ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৪৫৪ জন, যা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে। ইসি জানিয়েছে, অ্যাপে নিবন্ধনকারীদের ঠিকানায় পোস্টাল ব্যালট ডাকযোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ভোটার ভোট দিয়ে ফিরতি খামে তা আবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠাবেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট করবে ইসি।
পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার

পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই আইন কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপান করলে বিদ্যমান আইনে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে অন্যান্য অপরাধের শাস্তিও বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়। এতে বলা হয়, এ আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমার্জিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন: ১. ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Nicotine Delivery System (ENDS), Heated Tobacco Product (HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এরূপ যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ২. পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, শাস্তি বাড়ল কয়েকগুণ

ধূমপান ও তামাক নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ কার্যকর, শাস্তি বাড়ল কয়েকগুণ বিদ্যমান আইনকে আরও শক্তিশালী করে প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদন দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে এই আইন কার্যকর হয়েছে। সংশোধিত অধ্যাদেশে পাবলিক প্লেসে ধূমপানসহ বিভিন্ন অপরাধে কয়েকগুণ শাস্তি বাড়ানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানায়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানায়, বিদ্যমান ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০০৫’ আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রস্তাবিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুমোদিত হয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে কার্যকর হয়। এতে বলা হয়, এ আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো তামাক ও নিকোটিনজাত দ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়া, বিড়ি উৎপাদন সংক্রান্ত পৃথক অধ্যাদেশ বাতিল করে একীভূত আইন প্রণয়ন, ই-সিগারেট, ভ্যাপ, হিটেড টোব্যাকোসহ ইমার্জিং তামাকপণ্য সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা। ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ও সংযোজন: ১. ‘তামাকজাত দ্রব্য’-এর সংজ্ঞা সম্প্রসারণ: তামাকজাত দ্রব্যের সংজ্ঞায় ই-সিগারেট, Electronic Nicotine Delivery System (ENDS), Heated Tobacco Product (HTP), নিকোটিন পাউচসহ সব উদীয়মান পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকার এ ধরনের যেকোনো পণ্যকে গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে তামাকজাত দ্রব্য হিসেবে ঘোষণা করতে পারবে। এছাড়াও ‘নিকোটিন’ ও ‘নিকোটিন দ্রব্য’-এর পৃথক সংজ্ঞা সংযোজনসহ ‘পাবলিক প্লেস’-এর সংজ্ঞা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করা হয়েছে। ২. পাবলিক প্লেসে নিষেধাজ্ঞা: সকল পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘনের অপরাধে জরিমানা ৩০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২,০০০ টাকা করা হয়েছে। ৩. বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক, ইন্টারনেট, সোশ্যাল মিডিয়া, OTT প্ল্যাটফর্মসহ সব মাধ্যমে তামাকের বিজ্ঞাপন নিষিদ্ধ, বিক্রয়স্থলে (Point of Sales) প্যাকেট প্রদর্শন ও প্রচারণা নিষিদ্ধ, CSR কার্যক্রমে তামাক কোম্পানির নাম/লোগো ব্যবহার এবং কোনো অনুষ্ঠান/কর্মসূচির নামে তামাক কোম্পানির আর্থিক সহায়তা প্রদান নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালের আশপাশে বিক্রয় নিষিদ্ধ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলার মাঠ ও শিশুপার্কের ১০০ মিটারের মধ্যে তামাক বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৫. ই-সিগারেট ও উদীয়মান তামাকপণ্য (ইমার্জিং টোব্যাকো প্রোডাক্টস) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ: উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, সংরক্ষণ, বিক্রয় ও ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। বিধান লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ ৬ মাস কারাদণ্ড ও ৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। ৬. কুম্ভি পাতা ও টেন্ডু পাতার বিড়ি নিষিদ্ধ: উৎপাদন, বিপণন ও ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পৃথক Bidi Manufacture (Prohibition) Ordinance, 1975 বাতিল করা হয়েছে। ৭. আসক্তিমূলক দ্রব্য মিশ্রণ নিষিদ্ধ: তামাক বা তামাকজাত দ্রব্যের সঙ্গে কোনো ক্ষতিকর আসক্তিমূলক দ্রব্য মেশানো শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিধান রাখা হয়েছে। ৮. স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং: প্যাকেটের ৭৫ শতাংশ জায়গাজুড়ে রঙিন ছবি ও সতর্কবাণী বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজিং ছাড়া তামাকজাত দ্রব্য বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ৯. শাস্তি ও প্রয়োগ জোরদার: জরিমানা ও কারাদণ্ডের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি, কোম্পানির ক্ষেত্রে লাইসেন্স বাতিল ও মালামাল জব্দের বিধান রাখা হয়েছে এবং ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী মামলা পরিচালনার বিধান সন্নিবেশ করা হয়েছে।
খালেদা জিয়ার মৃত্যু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোক সভা ও দোয়া মহফিল

খালেদা জিয়ার মৃত্যু : চাঁপাইনবাবগঞ্জে শোক সভা ও দোয়া মহফিল বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলের পক্ষ থেকে সাত দিনের শোক পালিত হচ্ছে। বুধবার চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিএনপির পক্ষ থেকে শোকসভা, কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল ও ইউনিয়নে ইউনিয়নে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা বিএনপির আয়োজনে নবাবগঞ্জ ক্লাব মিলনায়তনে শোক সভা, কোরআনখানি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া জাকা, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম টিপু, বিএনপি নেতা ইসমাইল বিশ্বাস, আব্দুস সালাম, জহুরুল হক বিশ্বাস বুলুসহ বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। কোরআনখানি শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মাওলানা আব্দুল মতিন। অন্যদিকে বিকেলে বিএনপির চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর শাখা ও অঙ্গসংগঠনের ব্যানারে জেলাশহরের পাঠানপাড়ায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন— প্রফেসর মোহাম্মদ ইব্রাহিম হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মতি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ময়েজ উদ্দিন, বিএনপি নেতা সাইদুর রহমান, আহসান হাবীব, এনামুল হক, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহানসহ অন্যরা। এছাড়াও সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোয় বিকেলে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। নাচোল : বিএনপির চেয়ারপারসন, তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বুধবার বিকেল ৪টায় উপজেলার দুটি পৃথক স্থানে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেন। বিকেল ৪টায় স্থানীয় রেলস্টেশন মাঠে অনুষ্ঠিত গায়েবানা জানাজায় উপস্থিত ছিলেন— উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম মজিদুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের খোকন। এ সময় জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন— পৌর জামায়াতের আমির মনিরুল ইসলাম এবং নায়েবে আমির ডা. রফিকুল ইসলাম। একই সময়ে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আরেকটি গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন—বিএনপির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট মঈনুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা মোবারক আলী এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম। শিবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার বিকেলে শিবগঞ্জ সরকারি মডেল হাই স্কুল মাঠে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন শিবগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা নবীবুর রহমান। জানাজার আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন— শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আশরাফুল হক, শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির আহ্বায়ক সফিকুল ইসলাম, শিবগঞ্জ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাসার ও শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র শামীম কবির হেলিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। শেষে খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত হাজারো নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে প্রিয় নেত্রীর গায়েবানা জানাজায় অংশ নেন। এ সময় জানাজাস্থল এক আবেগঘন পরিবেশে পরিণত হয়। খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এই গায়েবানা জানাজায় অংশগ্রহণ করেন।
শিবগঞ্জ কালিনগর গ্রাম থেকে মাদকসহ৭ জন মাদক কারবারী আটক

শিবগঞ্জ কালিনগর গ্রাম থেকে মাদকসহ৭ জন মাদক কারবারী আটক শিবগঞ্জ থানার কালিনগর গ্রাম থেকে ৫৯ পিচ ইয়াবা ও ১০ গ্রাম হেরোইনসহ গ্রেফতার মাদক চক্রের ৭ জন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র্যাব-৫। আটককৃতরা হলো মিজানুর রহমান, নাসির, বাবু, সিরাজুল ইসলাম, কাওছার, সাহালাল ইসলাম, এনাদুল। র্যাবের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানানো হয়, গতকাল রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে ১৩নং ঘোড়াপাখিয়া ইউনিয়নের কালিনগর গ্রামে কলা বাগানের ভিতর কিছু ব্যক্তি মাদক ক্রয় বিক্রয় করছে এমন সংবাদে ঐ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাদকসহ তাদের আটক করা হয়। আটককৃত আসামী ও উদ্ধারকৃত আলামত পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানায় র্যাব।
এখনো হাসপাতালেই অভিনেতা তিনু করিম, অর্থকষ্টে পরিবার
এখনো হাসপাতালেই অভিনেতা তিনু করিম, অর্থকষ্টে পরিবার অভিনেতা তিনু করিমের শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। টানা ২৩ দিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ২৬ ডিসেম্বর তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখান থেকে মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তাকে কেবিনে স্থানান্তরের কথা রয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অভিনেতার স্ত্রী হুমায়রা নওশিন। হুমায়রা নওশিন বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে। চার দিন আগে লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা হয়েছে। গতকাল তাকে আইসিইউ থেকে কেবিনে দেওয়ার হয়েছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।’এদিকে বেসরকারি হাসপাতালে ব্যয়বহুল চিকিৎসার কারণে আর্থিক সংকটে পড়েছে তিনু করিমের পরিবার। এখন পর্যন্ত ছোট পর্দার অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন ‘অ্যাক্টরস ইকুইটি’ থেকে এক লাখ টাকা এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঁচ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তা পেয়েছেন তারা। তবে চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে আরও অনেক টাকার প্রয়োজন রয়েছে।হুমায়রা নওশিন বলেন, ‘সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও অ্যাক্টরস ইকুইটি থেকে আমরা সহায়তা পেয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত যে বিল এসেছে এবং সামনে যে খরচ আসবে তাতে আরও অনেক টাকার প্রয়োজন।’ গত ৮ নভেম্বর বরিশালে গ্রামের বাড়িতে যান তিনু করিম। সেখানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গেলে ২৪ নভেম্বর তাকে ঢাকায় আনা হয়। এরপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। অবস্থার সাময়িক উন্নতি হলে তাকে কেবিনে নেওয়া হলেও পরে রক্তচাপ ও সুগার লেভেল কমে গিয়ে তিনি জ্ঞান হারান। এরপর পুনরায় আইসিইউতে নেওয়া হয় এবং ৩ ডিসেম্বর বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত তিনু করিম। ২০০১ সালে ‘সাক্ষর’ নাটকের মাধ্যমে টেলিভিশন নাটকে অভিষেক ঘটে তার। পরে ২০১০ সালে ‘অপেক্ষা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিনয় শুরু করেন। এরপর ‘রাত জাগা ফুল’, ‘আলতা বানু’সহ অসংখ্য নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেছেন তিনি।
প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ

প্রকাশ্যে আসলো বিজয়-রাশমিকার বিয়ের তারিখ দক্ষিণী সিনেমার দুই সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের ভালোবাসাকে পরিণয়ের মোড়কে বাঁধছেন। গত অক্টোবরে হায়দরাবাদে বিজয়ের বাড়িতে ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও পরিবারের উপস্থিতিতে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল। যদিও বাগদানের কোনো ছবি প্রকাশ্যে আসেনি, দুজনের আঙুলে থাকা এনগেজমেন্ট রিং থেকেই বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। বিজয়ের টিম ইতিমধ্যেই জানিয়েছিল, বাগদান সম্পন্ন হয়েছে এবং বিয়ে হবে ২০২৬ সালে। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজস্থানের উদয়পুরের একটি ঐতিহাসিক রাজকীয় প্রাসাদে অনুষ্ঠিত হবে এই তারকাবহুল বিয়ে। অনুষ্ঠান হবে একান্ত ব্যক্তিগত, যেখানে উপস্থিত থাকবেন শুধুমাত্র পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনরা। তবে বিয়ের পরপরই হায়দরাবাদে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুদের জন্য আলাদা উদযাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে। সম্প্রতি রাশমিকার ‘দ্য গার্লফ্রেন্ড’ সিনেমার সাফল্য উদযাপনে দুজনের প্রকাশ্য ভালোবাসার মুহূর্ত দর্শকদের দৃষ্টি কাড়ে। একটি অনুষ্ঠানে বিজয় রাশমিকার হাত ধরে চুম্বন করেন এবং রাশমিকা মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকান, যা তৎক্ষণাৎ আলোচনার জন্ম দেয়। উল্লেখ্য, রাশমিকার জীবনে এটি দ্বিতীয়বারের মতো বাগদান থেকে বিয়ের পথে এগোনো। ২০১৭ সালে অভিনেতা রক্ষিত শেঠির সঙ্গে তার বাগদান হয়েছিল, যা ২০১৮ সালে ভেঙে যায়। বিজয় ও রাশমিকার বয়সের ব্যবধান সাত বছর, রাশমিকার জন্ম ১৯৯৬ সালে এবং বিজয়ের ১৯৮৯ সালে। সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের দক্ষিণী শোবিজের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রতীক্ষিত বিয়ের তালিকায় এই জুটির নাম শীর্ষে থাকবে।
দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন সালমা

দাম্পত্য জীবনের ইতি টানলেন সালমা জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী ও ‘ক্লোজআপ ওয়ান’ তারকা মৌসুমি আক্তার সালমার দাম্পত্য জীবনে আবারও ছেদ পড়েছে। দীর্ঘ সাত বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনে আলাদা হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিচ্ছেদের বিষয়টি জানান তাঁর স্বামী আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগর। পরে নিজেও বিচ্ছেদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সালমা। সালমা জানান, ‘হ্যাঁ, আমাদের বিচ্ছেদ হয়েছে। গত ২৯ নভেম্বর আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয়। বিষয়টি নিয়ে এখন আর কিছু বলতে চাই না।’ বিচ্ছেদের পর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এই জনপ্রিয় শিল্পী জানান, ব্যক্তিগত জীবনের অধ্যায় পেছনে ফেলে এখন তিনি পুরোপুরি গানেই মনোযোগ দিতে চান। তাঁর ভাষায়, ‘এখন শুধু গানে মনোযোগ দিতে চাই। বিচ্ছেদ নিয়ে ভাবতে চাই না। ভালো ভালো গান গাইতে চাই।’ অন্যদিকে সানাউল্লাহ নূর সাগর তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে পারস্পরিক মতের অমিল ও মানসিক দূরত্বের কথা উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, ‘কণ্ঠশিল্পী সালমার সঙ্গে আমার দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছি। পারস্পরিক মতের অমিল, চিন্তা ও মানসিকতার দূরত্বই আলাদা হওয়ার কারণ। পারস্পরিক সম্মান ও মর্যাদা বজায় রেখেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি, এ বিষয়ে সবাই নেতিবাচক মন্তব্য থেকে বিরত থাকবেন।’ ‘ক্লোজ-আপ ওয়ান-তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতার দ্বিতীয় আসরের চ্যাম্পিয়ন সালমা খুব অল্প সময়েই সংগীতাঙ্গনে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। লোকগান ও আধুনিক গানের সমান জনপ্রিয় এই শিল্পী ২০১১ সালে পারিবারিকভাবে শিবলী সাদিককে বিয়ে করেছিলেন। তবে সেই সংসারের বিচ্ছেদ হয় ২০১৬ সালে। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে আইনজীবী সানাউল্লাহ নূর সাগরের সঙ্গে দ্বিতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সালমা। কিন্তু সাত বছরের সাজানো সেই সংসারও শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হলো না।