ইউরোতে লড়াইয়ের অপেক্ষা

ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জেতা যে দেশগুলো খেলছে এবারের আসরে, তাদের সবগুলোই উঠেছে নকআউট পর্বে। অঘটনের শিকার হয়ে কোনো দেশই বিদায় নেয়নি গ্রুপ পর্ব থেকে। এখন অপেক্ষা আসল লড়াইয়ের। জিতলে কোয়ার্টার ফাইনাল, হারলে বিদায়-এই সমীকরণ নিয়ে শনিবার শুরু হচ্ছে শেষ ষোলোর লড়াই। শুরুতেই পরীক্ষায় বসতে হবে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইতালি ও সাবেক চ্যাম্পিয়ন স্বাগতিক জার্মানিকে। রাত ১০ টায় বার্লিনে ইতালি খেলবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এবং রাত ১টায় ডর্টমুন্ডে জার্মানির প্রতিপক্ষ ডেনমার্ক। পরের দিন ভিন্ন ম্যাচে মাঠে নামবে ইংল্যান্ড ও স্পেন। ইংল্যান্ড খেলবে স্লোভাকিয়ার বিপক্ষে এবং স্পেনের প্রতিপক্ষ এবারের ইউরোতে চকম দেখানো জর্জিয়া। গত ইউরোর ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল ইতালি ও ইংল্যান্ড। ওয়েম্বলিতে স্বাগতিকদের হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ইতালি। এবার এই দুই দলের দেখা হতে পারে কোয়ার্টার ফাইনালেই; যদি তারা জিতে যায় নকআউট পর্বের প্রথম ম্যাচ। ইতালি ও ইংল্যান্ডের মধ্যে যারা শেষ ষোলো ও কোয়ার্টার ফাইনালের বাধা টপকে যাবে, তারা সেমিফাইনালে পাবে রোমানিয়া, নেদারল্যান্ডস, অস্ট্রিয়া ও তুরস্কের কোনো দলকে। লড়াইটা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা অন্য সেমিফাইনালে। স্পেন, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালের যেকোনো দুই দলের মধ্যেই হতে পারে আরেকটি সেমিফাইনাল। তবে জর্জিয়া, ডেনমার্ক, স্লোভেনিয়া ও বেলজিয়ামও হয়েতো ছেড়ে কথা বলবে না। জায়ান্টদের হারিয়ে তাদের কোনো দলও উঠে যেতে পারে সেমির লড়াইয়ে। অন্যদিকে সুইজারল্যান্ড ও স্লোভাকিয়ারও অঘটন ঘটানোর সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ইতালি ও ইংল্যান্ডকে স্বস্তি দিতে চাইবে না তারাও। শেষ ষোলোর খেলা ২৯ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত। ৫ ও ৬ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনাল। দুটি সেমিফাইনাল ৯ ও ১০ জুলাই। ফাইনাল ১৫ জুলাই।
স্লোভাকিয়ায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে নিহত ৭

স্লোভাকিয়ায় ট্রেন-বাস সংঘর্ষে ৭ জন নিহত এবং আরও ৫ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একটি ক্রসিংয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। জরুরি পরিষেবাগুলোর বরাতে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে। স্টেট রেলওয়ে কোম্পানি জেডএসএসকে জানিয়েছে, ১০০ জনের বেশি যাত্রী নিয়ে আন্তর্জাতিক ট্রেনটি প্রাগ থেকে বুদাপেস্টে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে রাজধানী ব্রাতিস্লাভা থেকে ১১০ কিমি (৬৮ মাইল) পূর্বে নভে জামকির কাছে সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। তবে সংঘর্ষের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়। স্লোভাক এবং চেক মিডিয়া জানিয়েছে, নিহতদের কেউই ট্রেনের যাত্রী ছিলেন না। তবে তাদের নাম ও পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।
‘দুষ্টু কোকিল’ গানে প্রসঙ্গে যা বললেন মিমি

শাকিব খানের ‘তুফান’ ঝড় তুলেছে সারা দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে। সিনেমাটি দুই দশকের ইতিহাসে বাংলা চলচ্চিত্রের মধ্যে সর্বোচ্চ শোর রেকর্ড গড়েছে। সিনেমাটির গান দুটো সুপারহিট। গান দুটোতেই কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী রয়েছেন। বাংলাদেশে ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ে শীর্ষে উঠে এসেছে ‘দুষ্টু কোকিল’। তিনি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘তুফান’ সিনেমা নিয়ে কথা বলেছেন। জানা গেছে, গত শুক্রবার সিনেমাটি একযোগে মুক্তি পাবে আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও বেলজিয়ামে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকি। এরইমধ্যে আরও একটি ইতিহাস গড়ার রেকর্ডের কথা জানিয়েছেন নির্মাতা রায়হান রাফী।এদিকে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘তুফান’ সিনেমা প্রসঙ্গে মিমি চক্রবর্তী বলেন, ‘অনেক দিন পরে বাণিজ্যিক বাংলা ছবির গান এত জনপ্রিয় হল। ‘তুফান’ শাকিব খানের ছবি জেনেই কাজ করার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু ছবির মেকিং এত ভাল হবে ভাবনাতে ছিল না। এতে শাকিব খান একদম আলাদা হয়ে ধরা দিয়েছে। এই ছবি বাংলাদেশের ২০ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।’ অভিনেত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র ‘তুফান’ ছবি দেখার জন্য বাংলাদেশে নতুন প্রেক্ষাগৃহ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ ভাল কাজকে দারুণ ভাবে গ্রহণ করতে জানে। এসি ছাড়া হলে এই গানের সঙ্গে অসংখ্য লোক নাচে। আর কলকাতায় এ গান শুনে মানুষ খারাপ মন্তব্য করতে ব্যস্ত। বাঙালিরা নাকউঁচু হয়ে যাচ্ছে। ভেবেই নিচ্ছে নাচ-গান খারাপ। বলছে বাণিজ্যিক ছবি দেখে না। তা হলে ‘দুষ্টু কোকিল’, ‘উরা ধুরা’ কারা দেখছে?। মিমি বলেন, শাকিবের সঙ্গে কাজের সূত্রেই বেশ বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছে। সে অনেক আন্তরিক। ‘দুষ্টু কোকিল’ গানের দৃশ্যে অভিনয়ের সময় শাকিব যখন বন্দুক দেখিয়ে নাচতে বলেছিলো সেই নাটকীয়তা আমার বেশ ভালো লেগেছিলো। প্রসঙ্গত, তুফান সিনেমা দেখার পর এমন কোনো দর্শক এখনও পাওয়া যায়নি যারা সিনেমাটির খারাপ রিভিউ দিয়েছে, এমনই দাবি প্রযোজকের। সিনেমাটি দেখার জন্য মধুমিতা হলে ভাংচুর হয়েছে। সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, আর গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী। আছেন দুই নায়িকা ঢাকার মাসুমা রহমান নাবিলা ও কলকাতার মিমি চক্রবর্তী। আরও রয়েছেন ফজলুর রহমান বাবু ও গাজী রাকায়েত। পুরোপুরি অ্যাকশন ধাঁচের এ সিনেমায় শাকিব খান একজন গ্যাংস্টারের চরিত্রে ধরা দিয়েছেন রুপালি পর্দায়।
বক্স অফিস কাঁপাচ্ছে প্রভাস-দীপিকার ‘কল্কি’

মুক্তি পেয়ে গেল বছরের অন্যতম প্রত্যাশিত ভারতীয় চলচ্চিত্র ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি।’ সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্রটি নিয়ে ভক্তদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। মুক্তির প্রথম দিনেই যার ছাপ দেখা গেছে ভারতীয় বক্স অফিসে। প্রথম দিনই রেকর্ড ব্রেকিং আয় করল প্রভাস এবং দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত কল্কি। গত বৃহস্পতিবার বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছে কল্কি। আর মুক্তির প্রথমদিনে ভারতীয় বক্স অফিসে ৯৫ কোটি রুপি আয় করে ফেলেছে সিনেমাটি। বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৮০ কোটি আয় করে নতুন ইতিহাস গড়ল কল্কি। বাণিজ্য ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুসারে, কল্কি ২৮৯৮ এডি ভারতীয় বক্স অফিসে ৯৫ কোটি রুপির মতো আয় করেছে প্রথম দিন।এর মধ্যে ৬১ কোটি ৫০ লাখ টাকা আয় করেছে কেবল তেলুগু ভার্সন থেকেই। হিন্দি ভার্সনে এই সিনেমাটি প্রায় ২৪ কোটি রুপি আয় করেছে। জওয়ানের রেকর্ড ভেঙে (৬৫ কোটি) কল্কি এখন প্রথমদিনে সর্বাধিক আয়কৃত ভারতীয় সিনেমা। সেই সঙ্গে প্রথমদিনে ভারতে গ্রস কালেকশনের দিক থেকে ‘কেজিএফ ২’-এর রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে সিনেমাটি। ‘কেজিএফ ২’ ভারতে ১০৫ কোটি গ্রস কালেকশন করেছিল যেখানে কল্কি ১১০ কোটি রুপির বেশি তুলে নিয়েছে। তবে শুধু বক্স অফিসই নয়, দর্শকদের কাছ থেকেও দারুণ প্রশংসা পাচ্ছে নাগ অশ্বিনের সিনেমাটি। সমালোচকরাও দিচ্ছেন বাহবা। সিনেমার ভিএফএক্স ও চিত্রনাট্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই। সায়েন্স ফিকশন ও মিথলজির দারুণ সংমিশ্রন ঘটিয়েছেন নির্মাতা নাগ আশ্বিন, এমনটাই মন্তব্য সবার মুখে মুখে। ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’ পরিচালনা করেছেন নাগ অশ্বিন। এতে প্রধান ভূমিকায় অভিনয় করেছেন প্রভাস, দীপিকা পাড়ুকোন, অমিতাভ বচ্চন, কমল হাসান, দিশা পাটানি, প্রমুখ। এছাড়াও বিশেষ ক্যামিও দিয়েছেন বিজয় দেবেরকোন্ডা, দুলকার সালমান ও ¤্রুনাল ঠাকুরের মতো তারকা।
চরিত্রের জন্য খোলামেলা দৃশ্যেও আপত্তি নেই মিমির

শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও এখন অভিনয়েই ব্যস্ত অনিন্দিতা মিমি। আসছে ঈদেও একাধিক নাটকে দেখা যাবে ‘গার্লস স্কোয়াড’ দিয়ে পরিচিতি পাওয়া এই অভিনেত্রীকে। ‘গার্লস স্কোয়াড’ দিয়ে অভিনয় শুরু। শুরুর দিকে ভীষণ নার্ভাস ছিলেন তিনি। বলেন, ভয়ের চোটে প্রথম দৃশ্যটি ওকে করতে আমাকে ১৮টি শট দিতে হয়েছিল! সহশিল্পী ছিলেন সেমন্তী সৌমি। তার সঙ্গে আমার আগে থেকেই আমার পরিচয় ছিল। ফলে তিনি আমাকে ভীষণ সহযোগীতা করেছিলেন। এজন্য খুব একটা মানসিক চাপ নিতে হয়নি। এইখানে অনেক প্রতিযোগিতা, প্রথম কাজ পেতে তাকে অনেক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে বলে জানান মিমি। বললেন, নাটকের অঙ্গনে জায়গা করে নেওয়া অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। কারণ আমাদের এখানে মেধাবী ছেলে-মেয়ের কমতি নেই। সেই অনুযায়ী কাজের সুযোগ খুব কম। তাই নিজেকে যতোক্ষণ না কেউ প্রমাণ করতে পারছে, ততোক্ষণ তার দিকে কেউ ফিরেও তাকায় না। কাজ পাওয়া ভীষণ শক্ত, কম্পিটিশন অনেক বেশি। আমার ক্ষেত্রেও প্রথম কাজটা পাওয়া ছিল অনেক চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু একটি ভালো কাজে সুযোগ পেয়েছিলাম বলে তারপর থেকে বেশ মসৃণভাবে কাজ করছি। তবে আরও ভালো কাজের সুযোগ চাই। কেবল তো শুরু। মিমি আরও বলেন, আমি হারিয়ে যেতে চাই না। অভিনয় নিয়ে আমার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। গড়পড়তা যা পাচ্ছি তাই করছি না। বেছে বেছে ভালো মানের কাজগুলোই করছি। সিনেমায় ভালো ভালো চরিত্রে কাজ করতে চাই। এজন্য যত পরিশ্রম করতে হয় করবো। চরিত্রের প্রয়োজনে খোলামেলা হতেও আপত্তি নেই তার। মিমির ভাষ্যে, কোন চরিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য যদি আমাকে খোলামেলা দৃশ্যও করতে হয় তাতে আমার কোন ‘না’ নেই। কারিনা কাপুরের ‘হিরোইন’-এর মতো চরিত্র পেলে জান, প্রাণ দিয়ে কাজ করতাম। দেশীয় অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মিমির পছন্দের তালিকায় রয়েছে শাবানা, শাবনূর, মৌসুমী, অপূর্ব, নিশো, শাকিব খান, আরিফিন শুভ, সিয়াম আহমেদ, নুসরাত ফারিয়া ও মেহজাবীন চৌধুরী। পছন্দের নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, শিহাব শাহীন আর মিজানুর রহমান আরিয়ান।
সিনেমায় অভিনয় না করার কারণ জানালেন পড়শী

গান বাইরে অভিনয়েও নিজেকে জানান দিয়েছেন সংগীত শিল্পী সাবরিনা পড়শী। দুই বছর ধরে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। গত ঈদেও অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে জুটি বেঁধে ‘প্রথম ভালোবাসা’ নামে একটি নাটকে কাজ করেছেন। এর আগে, সিনেমায় দেখা গেছে তাকে। ২০১৬ সালে ঢাকাই ছবির শীর্ষ নায়ক শাকিব খানের সঙ্গে ‘মেন্টাল’ সিনেমায় পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর আর বড় পর্দায় দেখা যায়নি এই গায়িকাকে। কেন আর সিনেমায় দেখা যায়নি তা নিয়ে মুখ খুলেছেন পড়শী। সম্প্রতি এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, তার অভিনয় শুধুমাত্র নাটকের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চান; এর বাইরে আর তাকে দেখা যাবে না। পড়শী বলেন, ‘নাটক পর্যন্ত ঠিক আছে; নাটকের ক্ষেত্রে তিন-চারদিনের কাজের সেই সময়টুকু নেওয়ার ক্ষমতা আমার রয়েছে। আমি মনে করি যে, এই তিন-চারদিন পর্যন্ত ডিরেক্টর আমাকে সহ্য করতে পারবেন। এর বেশি সময় ডিরেক্টর আমাকে সহ্য করতে পারবে না।’ চলচ্চিত্রের কাজ তার জন্য দুঃসাহসিকতা বলেও মনে করেন এই শিল্পী। তার ভাষ্য, ‘আমি যেটি করেছি, পুরোটাই পছন্দের জায়গা থেকে। যেহেতু আমি পেশাদার না, সেই জায়গাতে এমন দুঃসাহস করতেও যাব না।’ সাবরিনা পড়শী ছোটবেলাতেই সংগীত প্রতিযোগিতায় নাম লেখিয়ে গানের জগতে জায়াগা করে নেন। উপহার দিয়েছেন অনেক জনপ্রিয় গান। সবশেষ গত শনিবার মুক্তি পেয়েছে পড়শীর ডুয়েট গান ‘ভালোবাসা বলে কি তারে’। গানটিতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুল।
ত্বক উজ্জ্বল করতে ফলের ব্যবহার

ত্বক উজ্জ্বল করতে ফলের ব্যবহার সৌন্দর্য চর্চা কিংবা রূপচর্চা মানেই পার্লারে গিয়ে অনেক সময় কিন্তু অনেক অর্থ ব্যয় করে কিছু করা সেরকম নয়, ঘরে বসে খুব অল্প সময়ে খুব অল্প উপকরণ দিয়ে চাইলে ত্বকের যতœ নেওয়া যায়। তাই খুব সহজেই কিছু ফেসপ্যাক বানানো যাক আর সেগুলো যদি হয় মৌসুমি ফল দিয়ে তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাহলে চলুন কিছু মৌসুমি ফল দিয়ে রূপচর্চার করা যাক: আমে আছে ভিটামিন সি, এ, ই ও বি৬। এই ভিটামিনগুলো ত্বক ভালো রাখতে দারুণ কার্যকরী। সেইসঙ্গে আমে থাকে কপার এবং ফোলেট। এই উপাদানগুলো ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে। ১ চামচ মুলতানি মাটি, ১/২ চামচ টক দই, ১/২ চামচ মধু ও পাকা আম মিক্স করে ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট রাখুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন ত্বক মসৃণ উজ্জ্বল এবং কোমল লাগবে সাথে তোকে একটা বাড়তি উজ্জ্বল ভাবও আসবে। পেঁপেতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং কলাতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম থাকে দুটোই ত্বকের জন্য খুবই ভালো। পেঁপে এবং কলার মিশ্রণটি একসাথে মিক্স করে সেখানে হাফ চা চামচ চন্দন গুড়া ও পানি মিশিয়ে নিন। ১৫ মিনিট তোকে রাখুন এরপর ধুয়ে ফেলুন ত্বকের অতিরিক্ত তৈলাক্ত ভাব এবং ত্বকে থাকা ময়লা দূর হয়ে যাবে। রোদে পোড়া দাগ দূর করে ত্বক উজ্জ্বল করতে পারে শসা। শসা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং সিলিকা সমৃদ্ধ, যা ত্বককে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে। শসার রসের সাথে সামান্য হলুদ গুঁড়া ও মধু মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ত্বকে ১৫-২০ মিনিটের জন্য লাগিয়ে রাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। শসার প্রশান্তিদায়ক উপাদান ত্বককে উজ্জ্বল করে তুলবে।
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে করনীয় কী?

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে করনীয় কী? এই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর মধ্যে সব থেকে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে ফেসবুক। অধিকাংশ ব্যবহারকারী ফেসবুকে স্ট্যাটাস পোস্ট করার পাশাপাশি নিজের কিংবা পরিবারের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে থাকেন। তাই ফেসবুকে প্রয়োজন বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। যদিও এরইমধ্যে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা ফিচার যুক্ত করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। তবে নিরাপত্তা ফিচার থাকার পরও হ্যাক হতে পারে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে যা করবেন: ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হলে বেশ কয়েকটি কাজ করতে হবে। প্রথমেই ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে আপনার অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার তথ্য। এরপর যত দ্রুত সম্ভব ফেসবুকের বন্ধুদের জানাবেন, যেন তারা কোনো বিড়ম্বনায় না পড়ে। এ ছাড়া থানায় জিডি করতে হবে। হ্যাকারের যদি কোনো অসৎ উদ্দেশ্য থেকে থাকে তাহলে আপনার আইডি দিয়ে অপরাধমূলক কাজ করতে পারে। সেই দায়ভার এড়াতে থানায় জিডি করুন। যেভাবে ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানাবেন: অ্যাকাউন্ট হ্যাকের বিষয়টি ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানাতে প্রথমে Facebook.com/hacked সাইটে যেতে হবে। অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত ইমেইল অ্যাড্রেস বা ফোন নম্বর লিখতে হবে। এরপর বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। যেসব তথ্য চাওয়া হবে তা দিতে হবে। কারণ এটি প্রমাণ করবে যে আপনিই ওই অ্যাকাউন্টের প্রকৃত মালিক। এরপর রিপোর্ট করলে ফেসবুক ওই অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত ইমেইল অ্যাড্রেস বা ফোন নম্বর ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট রিকভার করতে সহায়তা করবে। ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে জানানোর পর বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। বন্ধুদের আপনার হ্যাক হওয়া অ্যাকাউন্টটিতে রিপোর্ট করতে বলুন। কারণ ওই অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার বিষয়ে ফেসবুকে যত বেশি রিপোর্ট পড়বে, তত দ্রুত অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়া যাবে। সূত্র: ফেসবুক সাপোর্ট
হারানো জিনিস খুঁজে দিবে গুগল অ্যাস্ট্রা

হারানো জিনিস খুঁজে দিবে গুগল অ্যাস্ট্রা বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল। প্রতিষ্ঠানটি ব্যবহারকারীদের জন্য নিয়মিত নতুন নতুন ফিচার নিয়ে হাজির হচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবার প্রোজেক্ট গুগল অ্যাস্ট্রা নামে আরো একটি নতুন ফিচার নিয়ে আসছে। এর সাহায্যে ব্যবহারকারীরা সহজেই তাদের ফোন থেকে হারানো জিনিস খুঁজে পাবেন। গুগল অ্যাস্ট্রা সার্চ ইঞ্জিনের নতুন প্রোজেক্ট। যেখানে আরো আধুনিক এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট তৈরি করা যাবে। যা অনেকটা ওপেনএআইয়ের নতুন জিপিটি ৪০ মডেলের অনুরূপ। যা ক্যামেরার মাধ্যমে প্রত্যেকটি জিনিস বিশ্লেষণ করতে পারবে। এআইয়ের কাছে যা যা ধরা পড়বে (ফোনের ক্যামেরার মাধ্যমে) তা সবই স্টোরেজে সেভ করে নেবে। সেফটিপিন থেকে স্মার্টফোন সব কিছুই বোঝার ও বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা থাকবে এআই অ্যাসিস্ট্যান্টের কাছে। একটি কার্যকর এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট হতে চলেছে গুগল অ্যাস্ট্রা। এটি যেকোনো কোডও পড়তে পারবে এবং সেই বিষয়ে বিশদ তথ্য জানিয়ে দেবে। আপনার এলাকা দেখে আপনি কোথায় থাকেন, কী নাম সব বলে দেবে এই অ্যাসিস্ট্যান্ট। এমনকি কোন জিনিস শেষ কোথায় দেখেছিল তাও জানাতে সক্ষম। এআইয়ের মধ্যে এটি একটি যুগান্তকারী আবিষ্কার হতে পারে। এ ছাড়াও গুগল অ্যাস্ট্রাকে ব্যবহারকারী একাধিক প্রশ্ন করতে পারবেন। তবে এটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে সময় লাগবে। তবে গুগল জানিয়েছে, এটির বেশকিছু সুবিধা জেমিনিতে পাওয়া যাবে। শুধু ক্যামেরা ওপেন করলেই ফিচারটি অন হয়ে যাবে। এই ফিচারের সঙ্গে ওপেনএআই জিপিটি ৪০-এর অনেকটা মিল রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। যা কিছুদিন আগেই উন্মোচন করেছে কোম্পানিটি। এখানে শুধু সোজা একটি লাইন এঁকে এআই অ্যাসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন করতে পারেন। হারানো জিনিসও খুব সহজে খুঁজে পাবেন। গুগল এআই অ্যাসিস্ট্যান্ট ছাড়াও, নতুন অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড ১৫ নিয়েও বড় ঘোষণা দিয়েছে গুগল। যা শিগগিরই গুগল পিক্সেল ৮এ সিরিজ স্মার্টফোনে রোল আউট হচ্ছে। ওয়ানপ্লাস এবং স্যামসাংয়েরও বেশ কিছু ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনে আসছে অ্যান্ড্রয়েড ১৫।
হাসিব হোসেন

হাসিব হোসেন বছরঘুরে আবারো বলতে হচ্ছে, বিভিন্ন চড়াই-উতরাই পেরিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সংবাদপত্রশিল্পে দৈনিক গৌড় বাংলা আপন মহিমায় আরো একটি বছর পার করে ফেলল। আজ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ দশ বছরে পদার্পণ করল পাঠকপ্রিয় পত্রিকা দৈনিক গৌড় বাংলা। সফলভাবে ৯টি বছর অতিক্রম করতে পারার মূল কারিগর এর প্রতিনিধি, পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা, পত্রিকা বিক্রেতা, শুভানুধ্যায়ী ও শুভাকাক্সক্ষীরা। তাদের ভালোবাসা ও আন্তরিকতা না থাকলে এ পথ অতিক্রম করা সহজ হতো না। ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্রের আয়োজন করা হয়েছে। এবার লক্ষ্য ছিল, ক্রোড়পত্রে পুরো চাঁপাইনবাবগঞ্জকে বিষয়ভিত্তিক উপস্থাপন করার। সে লক্ষ্য শতভাগ পূরণ করতে পেরেছি, তা বলা যাবে না। কেননা সময়ের সীমাবদ্ধতা ও আরো অন্যান্য কারণে তা পেরে উঠা যায়নি। তবে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি, আগামীতে অবশ্যই পুরোপুরি চেষ্টা থাকবে। তবুও এ কথা জোর দিয়ে বলতে পারি যে, যেটুকু হয়েছে তা প্রত্যেকের কাছে ভালো লাগার একটি সংখ্যা হবে। বিশেষ ক্রোড়পত্রে যাঁরা লেখা দিয়েছেন, তাঁদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। এর আগেও তাঁরাসহ আরো অনেকে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ লেখা দিয়ে গৌড় বাংলাকে সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছেন। কৃতজ্ঞতাপূর্ণ ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন নাচোলের কৃতী সন্তান আলপ্তগীন তুষারকে। তাঁর আঁকা শিল্পকর্ম দিয়ে ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ ক্রোড়পত্রের প্রচ্ছদ করা হয়েছে। গৌড় বাংলা তাঁর শিল্পকর্ম দিয়ে প্রচ্ছদ করতে পেরে নিজেদের ধন্য মনে করছে। ঐতিহাসিক জনপদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে অন্যান্য পত্রিকার পাশাপাশি ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি পথচলা শুরু করে গৌড় বাংলা। অনেক যত্নে গড়া সেদিনের গৌড় বাংলা ৯টি বছর পার করে ফেলল, এ বড় পরম তৃপ্তিÑ এই সময়ের প্রেক্ষাপটে। এই কারণে যে, মূল্যবৃদ্ধির চাপে, বিশেষ করে কাগজসহ ছাপাসংক্রান্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য কিছুর দাম বৃদ্ধিতে ব্যয়বহুল প্রকাশনা শিল্প নিয়মিত চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কঠিন একটি কাজ। তবে সেসবকে উপেক্ষা করে বিবেকের তাড়নায় এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জকে সর্বত্র তুলে ধরার প্রয়াসে এই অসাধ্য কাজটিও চালিয়ে যাচ্ছে গৌড় বাংলা। বয়স হিসেবে ৯ বছর খুব কমও নয়, আবার খুব বেশিও নয়; বিশেষত পত্রিকা প্রকাশের ক্ষেত্রে। তবে এটা অনস্বীকার্য যে, এই সময়ে আমরা পাঠকপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি, শুধুমাত্র আমাদের বস্তুনিষ্ঠতা ও তথ্যনিরপেক্ষতার কারণে। আমাদের পরিবেশিত সংবাদে চাকচিক্য না থাকলেও তথ্যনিরপেক্ষতা বজায় রাখা হয়েছে সবসময়, এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারে। এই ৯ বছরের পথচলাতে এই মন্ত্র আমাদের সর্বদাই জাগ্রত করেছে। আর তাই তো দৈনিক গৌড় বাংলা জেলার অনেক মানুষের ‘জীবনের কথা সময়ের সঙ্গী’ হয়ে উঠেছে। একটি দৈনিক পত্রিকার সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস তার পাঠককুল। আরো একটি শক্তি বিজ্ঞাপন। এ দুটো বিষয়ই পত্রিকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞাপনই পত্রিকার অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত করে। কিন্তু এ কথা বলাই যেতে পারে যে, বিজ্ঞাপনের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও গৌড় বাংলা শুধুমাত্র পাঠকের ভালোবাসাতেই ৯টি বছর নিয়মিত প্রকাশ হয়ে আসছে। এক্ষেত্রে অবশ্যই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি, সেসব শুভানুধ্যায়ীদের; যাঁরা গৌড় বাংলার পথচলার ৯ বছরে বিভিন্ন সময়ে তাঁদের নিজের, প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিয়ে আমাদের প্রকাশনা টিকিয়ে রাখতে সহযোগিতা করেছেন। আশা রাখছি, আমাদের প্রতি পাঠকের ভালোবাসা, আস্থা আগামীতেও থাকবে এবং পাঠকসংখ্যা অতীতকে ছাড়িয়ে যাবে। সেই সঙ্গে পুরোনোদের সঙ্গে নতুন করে আরো শুভানুধ্যায়ীদের আমাদের পাশে পাবো, বিজ্ঞাপন দিয়ে সহযোগিতা করার জন্য। পাশাপাশি আন্তরিক শুভেচ্ছাসহ ধন্যবাদ জানাচ্ছি এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে। একটি পত্রিকা একটি পরিবারের মতো। এর শাখা-প্রশাখাও আছে। কেউ সংবাদ পাঠাচ্ছেন, কেউ তা সম্পাদনা করছেন এবং কেউ তা পৃষ্ঠাসজ্জা অর্থাৎ মেকআপ করছেন। প্রত্যেকেই গৌড় বাংলাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাই গৌড় বাংলার ১০ম বছরে পদার্পণের এই দিনে সকল প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আবারো জানাচ্ছি প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। পরিশেষে গৌড় বাংলার ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই পরিবারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞাপনদাতা, শুভানুধ্যায়ী, এজেন্ট ও পত্রিকা বিক্রেতাদেরও প্রতি রইল আন্তরিক ভালোবাসা ও অভিনন্দন। আর অন্তরের অন্তস্তল থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি গৌড় বাংলার অগণিত পাঠকদের।