ক্লাবের মান ও দর্শকপ্রিয়তার দিক থেকে বিশ্বের জনপ্রিয় লিগ ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ। তাই স্বাভাবিকভাবেই অর্থের ঝনঝনানিও থাকে ইংল্যান্ডের লিগটিতে। তারকাদের দলে ভেড়াতে তাই গাঁটের টাকা খরচ করে ক্লাবগুলো। লিগে সপ্তাহে সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া খেলোয়াড়দের নিয়েই একাদশ সাজিয়েছে যুক্তরাজ্যে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ভিত্তিক একটি স্বাধীন যৌথ ক্রীড়া সংবাদ মাধ্যম প্লানেট ফুটবল। ৪-৩-৩ ফর্মেশনের একাদশে কারা সুযোগ পেয়েছেন চলুন দেখে নেই।
গোলরক্ষক:
জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা (ম্যানচেস্টার সিটি)
লিগের সর্বোচ্চ পারিশ্রমিক পাওয়া গোলরক্ষক ইতালির জিয়ানলুইজি দোন্নারুমা।
ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে সপ্তাহে ২ লাখ ৬৫ হাজার পাউন্ড আয় করেন তিনি।
ডিফেন্ডার
ডমিনিক সোবসজলাই (লিভারপুল)
ডমিনিক সোবসজলাই মিডফিল্ডার হলেও খেলতে পারেন বিভিন্ন পজিশনে। রাইটব্যাক, রাইট উইংয়ে পারদর্শী লিভারপুলের এই তারকা। তাই হাঙেরিয়ান ফুটবলারকে ডিফেন্ডার রেখে একাদশ সাজিয়েছে ক্রীড়া সংবাদ মাধ্যমটি। সপ্তাহে ২ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড আয় করেন তিনি।
জসকো গাভার্দিওল (ম্যানচেস্টার সিটি)
ম্যানচেস্টার সিটির জসকো গাভার্দিওলও একজন ভার্সেটাইল ফুটবলার। একাধারে তিনি খেলতে পারেন লেফ্টব্যাক এবং সেন্টারব্যাকে। তবে এই একাদশে তাকে লেফ্টব্যাকে রাখা হয়েছে। ক্রোয়েশিয়ান ডিফেন্ডার সপ্তাহে আয় করেন ২ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড। উইলিয়াম সালিবা (আর্সেনাল) ও ভার্জিল ফন
ডাইক (লিভারপুল)
সেন্টার ব্যাকে জুটি বাঁধছেন উইলিয়াম সালিবা এবং ভার্জিল ফন ডাইক। আর্সেনাল ও ফ্রান্সের ডিফেন্ডার সপ্তাহে আয় করেন ২ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড। বিপরীতে লিভারপুল ও নেদারল্যান্ডস ডিফেন্ডার সপ্তাহে আয় করেন ৩ লাখ ৫০ হাজার পাউন্ড।
সেন্ট্রাল মিডফিল্ডার
রায়ান গ্রাভেনবার্গ (লিভারপুল) ও ব্রুনো ফার্নান্দেজ (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)
একাদশে দুজন পিভট রাখা হয়েছে। তারা হচ্ছেন লিভারপুলের রায়ান গ্রাভেনবার্গ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ব্রুনো ফার্নান্দেজ। নেদারল্যান্ডসের গ্রাভেনবার্গের ২ লাখ ৮০ হাজার পাউন্ডের বিপরীতে ৩ লাখ পাউন্ড আয় করেন পর্তুগিজ তারকা ফার্নান্দেজ।
অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার
জ্যাক গ্রিলিশ (ম্যানচেস্টার সিটি)
অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের ভূমিকায় আছেন জ্যাক গ্রিলিশ। ম্যানচেস্টার সিটি ও ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার সপ্তাহে ৩ লাখ পাউন্ড আয় করেন।
ফরোয়ার্ড
বুকায়ো সাকা (আর্সেনাল)
রাইট উইংয়ে জায়গা পেয়েছেন বুকায়ো সাকা। আর্সেনাল ও ইংল্যান্ডের ফরোয়ার্ড সপ্তাহে ৩ লাখ পাউন্ড আয় করেন।
মার্কাস রাশফোর্ড (ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড)
ধার শেষে বার্সেলোনা থেকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে আবারও যোগ দেওয়া মার্কাস রাশফোর্ড আছে লেফ্ট উইংয়ে। ইংলিশ ফরোয়ার্ডের সপ্তাহে আয় ৩ লাখ পাউন্ড।
আর্লিং হালান্ড (ম্যানচেস্টার সিটি)
স্ট্রাইকার পজিশনে অবধারিতভাবেই আছেন আর্লিং হালান্ড। সপ্তাহের আয়ে ২০২২ সালে সিটিতে যোগ দেওয়া স্ট্রাইকারের ধারে কাছে কেউ নেই। নওরেজিয়ান তারকা ৫ লাখ ২৫ হাজার পাউন্ড আয় করেন।