বাংলাদেশের কোচ হতে আগ্রহী জার্মান অ্যান্টোইন হে

সান মারিনোর বিপক্ষে জুনের আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচের আগেই জাতীয় দলের ডাগআউটে দেখা যাবে নতুন কোচ। দুই বছরের চুক্তিতে কোচ নিয়োগ দিতে চাচ্ছে বাফুফে। হাভিয়ের কাবরেরার মেয়াদ ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত। তবে চার বছরের বেশি সময় থাকা এই কোচের সঙ্গে চুক্তি বাড়াতে আগ্রহী নয় বাফুফে। নতুন কোচ নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ইতিমধ্যে নজরে এসেছে অভিজ্ঞ জার্মান কোচ অ্যান্টোইন হের। হামজা-শমিতদের কোচ হতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি। বাংলাদেশের একাধিক গণমাধ্যমে এ নিয়ে খবর প্রকাশিত হয়েছে।  অ্যান্টোইন হে উয়েফা প্রো-লাইসেন্সধারী কোচ, যার এশিয়া ও আফ্রিকার ফুটবলে দীর্ঘ দুই দশকের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি এরই মধ্যে মায়ানমার, রুয়ান্ডা, কেনিয়া, লাইবেরিয়া, গাম্বিয়া এবং লেসোথো জাতীয় দলের প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া বাহরাইন ও লিবিয়া ফুটবল ফেডারেশনে টেকনিক্যাল ডিরেক্টর হিসেবেও তার কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে।  খেলোয়াড় হিসেবে তিনি জার্মান বুন্দেসলিগার শালকে ০৪ ও ফরচুনা ডুসেলডর্ফের মতো বড় ক্লাবে খেলেছেন। বাফুফের মানদণ্ড অনুযায়ী, নতুন কোচকে অবশ্যই এশীয় ফুটবল সংস্কৃতি ও খেলোয়াড়দের মানসিকতা সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। অ্যান্টোইন হে মায়ানমার জাতীয় দলের হয়ে দুই মেয়াদে চার বছর কাজ করায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ফুটবল পরিবেশ সম্পর্কে বেশ অভিজ্ঞ। পিছিয়ে থাকা দলকে বড় মঞ্চে তুলে আনার চ্যালেঞ্জ নিতে পারেন। মায়ানমার ও রুয়ান্ডার মতো দলের সঙ্গে তার অতীত রেকর্ড এমনই বলছে। সর্বশেষ আলজেরিয়ান ইএস শেতিফে গত বছর যোগ দেন তিনি। তবে তিন মাসের বেশি টিকতে পারেননি। নতুন কোচ নিয়োগের ক্ষেত্রে বাফুফের আরেকটি বড় চিন্তা বাজেট। কাবরেরা পারিশ্রমিক পেতেন প্রায় ১৪ হাজার ডলারের। যদিও শুরুতে ২০২২ সালে যখন প্রথম মেয়াদে বাংলাদেশের কোচ হন তখন তার বেতন ছিল ৮ হাজার ডলার। তবে সব ছাপিয়ে টেকনিক্যাল স্কিলকে জোর দেওয়া হবে বেশি। অ্যান্টোইন হে ছাড়াও বাফুফের কোচ হতে আবেদন এসেছে রোমানিয়ান, ফরাসি ও পর্তুগিজ কোচের।