ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে নতুন ভূমিকায় মলিনো

আগামী ১৯ মার্চ ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল। ১৯ থেকে ২৩ মার্চ সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল গ্রাউন্ডে ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। আসন্ন সিরিজে চাপ ও চোটো কথা বিবেচনা করে অস্ট্রেলিয়া নারী দলের অধিনায়ক সোফি মলিনো শুধু ব্যাটার হিসেবেই খেলাতে চান নির্বাচকরা। ওয়ানডে এবং টেস্ট ফরম্যাট থেকে অ্যালিসা হিলির অবসর ভেঙে ফেরার পর, গত মাসে ভারতের বিপক্ষে তিনটি টি-টোয়েন্টিতে অজিদের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

কোমরের নিচের অংশের চোট থেকে ফিরে ২৮ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় সেন্ট ভিনসেন্টে তিনটি টি-টোয়েন্টিতেই খেলবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তবে সেন্ট কিটসে তিনটি ওয়ানডেতে তার অংশগ্রহণ পুনর্বিবেচনা করা হবে। মলিনোর দীর্ঘ চোটের ইতিহাস এবং তিন মাস পরের আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে, অস্ট্রেলিয়া এই সফরে তাকে শুধুমাত্র একজন ব্যাটার হিসেবে খেলানোর বিকল্পটি খোলা রেখেছে।

ইএসপিএনক্রিকইনফোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মলিনো বলেন, আমি আবার মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে আছি। ওই টেস্টটা দেখা কষ্টকর ছিল, বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে শেষ ম্যাচের অংশ হতে না পারাটা। আবার মাঠে ফিরতে পারলে দারুণ হবে।

বোলিং না করাটা মলিনোর জন্য একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হবে, যিনি ২০১৮ সালে তার স্পিন বোলিংয়ের মাধ্যমে জাতীয় দলে জায়গা করে নেন এবং তারপর থেকে খেলা প্রতিটি আন্তর্জাতিক ম্যাচেই বোলিং করেছেন। তবে, অস্ট্রেলিয়া তাকে দলের পাশে রাখতে আগ্রহী, কারণ ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে মাল্টি-ফরম্যাট সিরিজ শেষে হিলির অবসরের পর এই সফরেই প্রথমবার দলটি পুরোপুরি তার নেতৃত্বে রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মলিনো বলেন, এটা আমাদের সবার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আমাদের হাতে খুব বেশি ম্যাচ নেই। একসঙ্গে খেলা প্রতিটি ম্যাচই খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের লক্ষ্যে ঠিক করতে হবে। দায়িত্ব নিয়ে দলকে নেতৃত্ব দেওয়ার এই সুযোগটির জন্য আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।

ওয়ানডে সিরিজে মলিনো সুযোগ না পেলেও, সহ-অধিনায়ক অ্যাশলে গার্ডনারের পাশাপাশি তাহলিয়া ম্যাকগ্রাকেও দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে।

গত মাসে ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে ভারতের কাছে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। এ বিষয়ে মলিনো বলেন, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিখুঁত খেলাটা খুব কঠিন। এটা হলো দীর্ঘ সময় ধরে আরও ভালো খেলা এবং যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে এমন মুহূর্তগুলো উপলব্ধি করে সেগুলোতে জয়ী হওয়া। এটা কেবল আমাদের আক্রমণাত্মক খেলার ধরনের ওপর আস্থা রাখা এবং সে সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।