ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হয়? যা করবেন

সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে নানান ধরনের খাবার খাওয়া হয়। মসলাদার খাবার, ডুবো তেলে ভাজা মুখরোচক খাবার খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে সচেতন থাকতে হবে। ইফতার ও সেহেরিতে মশলাদার ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তরল ও কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। এছাড়াও খেতে হবে নির্দিষ্ট কিছু খাবার, যা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। অ্যাসিডিটি দূর করতে কী খাবেন

কলা
তীব্র গ্যাস এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে খাদ্যতালিকায় কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি বা ইফতারে একটি পাকা কলা খান। কলা পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করে, অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমায়। কলা হজম বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে।

ঠান্ডা দুধ
ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করুন। দুধ পেটের অ্যাসিডকে কমাতে সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ পান না করাই ভালো।

ডাবের পানি
রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগলে লেবুর শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক পানীয়। সেটি হতে পারে ডাবের পানি। অ্যাসিডিটি কমাতে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সেইসঙ্গে এ পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও।

পুদিনা পাতা
ইফতার করার পর অ্যাসিডিটি হলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। চাইলে এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানিও পান করতে পারেন। এ পাতা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক।

আদা
অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে খেতে পারেন। আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সহায়ক। আদা খেতে অস্বস্তি লাগলে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশিতে প্রভাব ফেলে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।