চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনে বৈধ ১৬ প্রার্থীর কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন- এ প্রতিদ্বন্দিতার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া ১৬ প্রার্থীর সকলেই বৈধ হবার পর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ বিকেল ৫টার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার না করায় ১৬ জনই প্রতিদ্বন্দিতায় রয়েছেন। এর মধ্যে গত ৩ জানুয়ারী রির্টানিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে ৩টি আসনে বাতিল হয়ে নির্বাচন কমিশনে আপীল করে প্রার্থীতা ফিরে পাওয়া ৩ প্রার্থীও রয়েছেন ।
আজ বিকেলে জেলা নির্বাচন অফিসার আজাদুল হেলাল এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাচন সেলের দায়িত্বে থাকা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিষ্টেট আজমাইন হাসান এ সব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ শিবগঞ্জ, আসনে প্রতিদ্বন্দিতায় রইলেন ৬ প্রার্থী। এরা হলেন, বিএনপির শাহাজাহান মিঞা, জামায়াতের কেরামত আলী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম,বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো: শামসুল হোদা, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্েিতেজাটের আব্দুল হালিম। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বাতিল হবার পর আপীলে প্রার্থীতা ফির পান জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট আসনে প্রতিদ্বন্দিতায় রইলেন ৫ জন। এঁরা হলেন, বিএনপির আমিনুল ইসলাম, জামায়াতের ড.মিজানুর রহমান, কমিউনিষ্ট পার্টির সাদেকুল ইসলাম, জাতীয় পার্টির মু: খুরশিদ আলম বাচ্চু এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইব্রাহিম খলিল। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বাতিল হবার পর আপীলে প্রার্থীতা ফির পান জাতীয় পার্টির মু: খুরশিদ আলম।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দিতায় রইলেন ৫ জন। এরা হলেন, বিএনপির হারুনুর রশীদ, জামায়াতের নুরুল ইসলাম বুলবুল, জেএসডি’র ফজলুর ইসলাম খাঁন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম এবং গণ অধিকার পরিষদের শফিকুল ইসলাম। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তার বাছাইয়ে বাতিল হবার পর আপীলে প্রার্থীতা ফির পান জেএসডি প্রার্থী ফজলুর ইসলাম খাঁন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেন, নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর জমা দেওয়া সব মনোনয়নপত্র খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই-বাছাই শেষে যেসব প্রার্থী যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন, তাদের নিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর নির্ধারিত সময় অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং শেষ ধাপে বৈধ প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দসহ প্রয়োজনীয় সব আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষ করা হবে।