বছরে তিনটির বেশি বিদেশি লিগ খেলতে পারবেন না রশিদ-নবীরা
আফগান ক্রিকেটারদের দেশের বাইরে লিগে অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন নীতি গ্রহণ করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। নতুন নীতি অনুযায়ী- ইচ্ছেমতো সব লিগে খেলার অনুমতি আর দেওয়া হবে না রশিদ খান, মোহাম্মাদ নবীদেরকে। বছরে তিনটির বেশি বিদেশের লিগে খেলতে পারবেন না তারা। কাবুলে এসিবির বার্ষিক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এসিবির বিবৃতিতে বলা হয়, নানা দিক ভাবনায় রেখে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্রিকেটারদের ফিটনেসের সুরক্ষা ও মানসিকভাবে ভালো থাকার ব্যাপারটিকে প্রাধান্য দিয়ে বিদেশি লিগের ব্যাপারে নতুন নীতি অনুমোদন করেছে বোর্ড। ক্রিকেটাররা এখন থেকে আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ এবং আর মাত্র তিনটি আন্তর্জাতিক লিগে খেলতে পারবেন। ক্রিকেটারদের ওয়ার্কলোড সামলানো এবং জাতীয় দলের হয়ে সেরা পারফরম্যান্স নিশিচত করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বোর্ডের এই সিদ্ধান্তে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে আফগান ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা রাশিদ খানের ওপর। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সফলতম বোলার আইপিএলে খেলছেন গুজরাট টাইটান্সে। চলতি এসএ টোয়েন্টিতে এমআই কেপ টাউনের অধিনায়ক তিনি। এই ফ্র্যাঞ্চাইজিরই অন্যান্য লিগের দল এমআই এমিরেটস ও এমআই নিউ ইয়র্কে তিনি খেলে থাকেন। এছাড়া অন্যান্য প্রায় সব লিগেই তিনি খেলেন বা খেলেছেন নানা সময়ে।
এছাড়াও মোহাম্মাদ নবী, নুর আহমাদ, আজমাতউল্লাহ ওমারজাই, রাহমানউল্লাহ গুরবাজ, মুজিব উর রাহমান, এএম গাজানফার, নাভিন উল হাক, ফাজালহাক ফারুকিদের দেখা যায় বিভিন্ন লিগে। আফগান বোর্ডের সভাপতি এখন মিরওয়াইস আশরাফ, যিনি রাশিদ-নাবিদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলেছেন দীর্ঘদিন।
ক্রিকেটারদের বিদেশের লিগে খেলার ক্ষেত্রে নানারকম বাধ্যবাধ্যকতা আছে অন্য কিছু দেশের বোর্ডেরও। ভারতের ক্রিকেটাররা দেশের বাইরের কোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার অনুমতি পান না। পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের বছরে দুটি বিদেশি লিগে খেলার ছাড়পত্র দেওয়া হয়।