১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আসাম

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আসাম অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম থেকে অন্তত ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, আসাম থেকে ১৫ জন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।এক্সে দেওয়া পোস্টে আসামের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‌‌‘‘আসাম গভীর রাতে পার্টি নয়, গভীর রাতে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। ঠিক সেটাই হয়েছে; আমাদের সদাসতর্ক থাকা নিরাপত্তা বাহিনী অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ১৫ বাংলাদেশিকে নির্বিঘ্নে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে।তিনি বলেন, ‘‘মনে রাখবেন, আপনারা নিজেদের মতো আসতে পারেন, কিন্তু যাবেন আমাদের শর্তে। সীমান্ত সতর্ক রয়েছে। আইন সক্রিয় রয়েছে। দারুণ কাজ।তবে কোন জেলা থেকে ওই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য জানাননি আসামের এই মুখ্যমন্ত্রী। সূত্র: সিয়াসাত।

চীনে সেনাবাহিনীতে বড় ‘শুদ্ধি’ অভিযান, তদন্তের মুখে শীর্ষ জেনারেল

চীনে সেনাবাহিনীতে বড় ‘শুদ্ধি’ অভিযান, তদন্তের মুখে শীর্ষ জেনারেল চীনের সামরিক বাহিনীতে ব্যাপক আকারে ‘শুদ্ধি’ অভিযান শুরু হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে দেশটির সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ ও আইন লঙ্ঘনের’ অভিযোগে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তের মুখে পড়া ওই কর্মকর্তার নাম জেনারেল ঝাং ইউশিয়া। ঝাং দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে, মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়নি। সাধারণত দুর্নীতির অভিযোগ বোঝাতে চীনে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়। একই ঘোষণায় আরও জানানো হয়, আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এই তদন্তের ঘোষণা আসে গত বছরের অক্টোবর মাসে। তখন নয়জন শীর্ষ জেনারেলকে বহিষ্কারের পরপরই এমন ঘোষণা দেয় শি প্রশাসন। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটি ছিল চীনের সামরিক বাহিনীতে সবচেয়ে বড় প্রকাশ্য শুদ্ধি অভিযানগুলোর একটি। ৭৫ বছর বয়সী জেনারেল ঝাং ইউশিয়া চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) সহ-সভাপতি ছিলেন। কমিউনিস্ট পার্টির এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তার হাতেই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। ঝাং একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্যও ছিলেন। ঝাং ইউশিয়ার পারিবারিক পটভূমিও উল্লেখযোগ্য। তার বাবা ছিলেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল। ঝাং ১৯৬৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। যাদের সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে এরকম হাতে গোনা কয়েকজন শীর্ষ সামরিক নেতার একজন ছিলেন ঝাং।চীনের সামরিক বাহিনীতে নির্ধারিত অবসর বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঝাংকে দায়িত্বে রাখা হয়েছিল যা এতদিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আস্থারই প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক তদন্তের ঘোষণায় সেই ধারণায় বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর থেকেই চীনে একের পর এক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সরকারি ও দলীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে এই অভিযান বিশেষভাবে সামরিক বাহিনীর দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। শি জিনপিং একাধিকবার বলেছেন, দুর্নীতিই কমিউনিস্ট পার্টির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই এখনো গুরুতর ও জটিল পর্যায়ে রয়েছে। সূত্র: বিবিসি

বিশ্বকাপ বর্জনের গুঞ্জনের মধ্যেই দল ঘোষণা পাকিস্তানের

বিশ্বকাপ বর্জনের গুঞ্জনের মধ্যেই দল ঘোষণা পাকিস্তানের বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের আলোচনা চলমান। পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি আসন্ন টুর্নামেন্টে নিজেদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নতুন করে ভাবার কথা জানিয়েছিলেন। তার একদিন পর অবশ্য টুর্নামেন্টে খেলার জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ঘোষিত দলে বড় চমক হিসেবে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার সালমান আলি আগাকে। সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম থাকলেও অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান বাদ পড়েছেন। রিজওয়ানের অনুপস্থিতিতে উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে দেখা যাবে তরুণ খাজা নাফেকে। কোচ মাইক হেসন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন কৌশলে এগোতে চাইছে পাকিস্তান। পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি আগেই জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান এই টুর্নামেন্ট বর্জনের হুমকি দিয়ে আসছিল। ভারতীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান অংশ না নিলে আইসিসি তাদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে দল ঘোষণা করাকে পিসিবির ‘কৌশলগত অবস্থান’ হিসেবে দেখছেন অনেকেই। পাকিস্তান স্কোয়াড: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাজা নাফে (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নেওয়াজ, সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, শাদাব খান, উসমান খান ও উসমান তারিক।

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান বিশ্বের অন্যতম সেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে পরবর্তী সিরিজ থেকে খেলার সূযোগ পাচ্ছেন। শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা শেষে এ তথ্যজানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তিনি জানান, খেলার জন্য শারীরিকভাবে ফিট থাকা সাপেক্ষে সাকিবকে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।সিলেকশন প্যানেল সাকিব আল হাসানকে পরবর্তীতে সিলেকশনের জন্য বিবেচনা করবে। একই সঙ্গে বিসিবি সাকিব আল হাসানকে কেন্দ্রীয়ভাবে নতুন করে চুক্তির প্রস্তাবও জানাবে বিসিবি। ক্ষমতাচ্যুত আওযামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে বিসিবি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবে বলেও তিনি জানান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললেও বাংলাদেশের সামনে আগামী সিরিজ মার্চ মাসে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে সে সময় পাকিস্তানের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সিরিজ দিয়েই সাকিব আল হাসান জাতীয় দলে ফিরবেন। সাকিব দেশের হয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন কানপুরে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হওয়ায় বিক্ষোভের শঙ্কা করেছিল বিসিবি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায়ী টেস্ট খেলার কথা থাকলেও দুবাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয় তাকে। সর্বশেষ দুবাই থেকে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, তিনি দেশে ফিরতে চান এবং দেশে ফিরেই চেনা দর্শকদের সামনে বিদায় নিতে চান।

যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ

যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ  নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ চেয়েছিল ভেন্যু পরিবর্তন করে ভারতের পরিবর্তে শ্রীলংকায় গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সচিব ও বর্তমান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি জয় শাহর নেতৃত্বাধীন বোর্ড। নিরপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘরে বাইরে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এব্যাপারে বিসিবির বর্তমান পরিচালক ও জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর জানিয়েছেন, গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক বলেন, ‘গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের নিজস্ব প্রশ্ন ছিল এখানে। তাদের একটা গোয়েন্দা প্রতিবেদন থাকে যে আমাদের ক্রিকেটার, সাংবাদিক, দর্শক বা ট্যাকটিকাল লোকজন যাবে, তাদের নিরাপত্তা ইস্যু ও সেখানে যে ঘটনাগুলো ঘটে যাচ্ছে, সেগুলোকে মাথায় রেখেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মুহূর্তে যদি কোনো নাশকতামূলক ঘটনাও ঘটে, সেটার দায়দায়িত্ব আমরা নিতে পারি না। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত। বিসিবি পরিচালক আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপে যাচ্ছে না নিরাপত্তার হুমকির কারণে। সরকারের সঙ্গে যখন সরকারের আলোচনা হয়, সবার আগে নিরাপত্তা দেখা হয়। ক্যাবিনেটে রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিরাপত্তার কারণে যাব না। সেখানে অনেক কিছু ঘটতে পারে। আইসিসি একটি সংস্থা, বিসিবিও সংস্থা। তবে তারা রাষ্ট্র না। একটা রাষ্ট্র যখন নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলে, তখন সব দিক বিবেচনা করেই কথা বলে। আমাদের সরকার নিরাপত্তাঝুঁকির কথা জানানোর পর তথ্য, পররাষ্ট্র, ক্রীড়া, আইন এই চার মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভায় বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আমরা ঝুঁকি নেব না।

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ‍্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সাবিনা খাতুনের দল। বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলের ঐতিহাসিক সাফল্যে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপা অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গৌরবের। এই সাফল্য বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের অদম্য মনোবল, পরিশ্রম ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ। প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। ভবিষ্যতেও নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো?

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো? অ্যান্টি-এজিং নিয়ে ভাবলে আমাদের মন সাধারণত দামি সিরাম, মাস্ক এবং হাই-টেক ফেসিয়ালের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে কার্যকর পণ্যটি আমাদের প্লেটেই থাকে। আপনি যদি সেরা অ্যান্টি-এজিং সাপ্লিমেন্ট খুঁজে থাকেন, তাহলে প্রোটিনই হতে পারে আপনার সমাধান। প্রোটিন পেশী তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে এটি ত্বকের উপকারিতা প্রদান করে। প্রোটিন কীভাবে ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং ত্বককে অকাল বার্ধক্য থেকে রক্ষা করতে কাজ করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. ঝুলে পড়ার বিরুদ্ধে ভিত্তি তৈরি বার্ধক্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ হল স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস। আমাদের ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখার জন্য কোলাজেন এবং ইলাস্টিন স্ট্রাকচারাল প্রোটিনের প্রয়োজন হয় এবং প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখে। পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে কাঁচামাল (অ্যামাইনো অ্যাসিড) সরবরাহ হয় যা এই কাঠামোকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ, ত্বক দৃঢ় এবং তরুণ থাকা নিশ্চিত করে। ২. কোষীয় পুনর্জন্মকে শক্তিশালী করা ত্বক প্রতিদিন পরিবেশগত হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় যার মধ্যে রয়েছে UV বিকিরণ এবং দূষণ। ত্বকের উজ্জ্বল চেহারা বজায় রাখার জন্য শরীরকে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে নতুন কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। প্রোটিন মৌলিক উপাদান হিসাবে কাজ করে যা মেরামত প্রক্রিয়াকে চালিত করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে যা ত্বককে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যকর চেহারা বজায় রেখে ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম করে। ৩. গভীর হাইড্রেশনে আটকে থাকা শুষ্ক ত্বক অনেকগুলো ত্বকের সমস্যা যেমন ফাইন লাইন, বার্ধক্য এবং আরও অনেক কিছু তৈরি করে। টপিকাল ময়েশ্চারাইজার সাহায্য করলেও, প্রকৃত হাইড্রেশন শুরু হয় ভেতর থেকে। শরীরের সঠিক আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন প্রয়োজন। প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে। ত্বকের এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের প্রয়োজন হয় আর্দ্রতা তৈরি করার জন্য যা ত্বকের গঠনের ভেতরে প্রবেশ করে এবং থাকে। ত্বকের এই অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন ব্যবহার করে ত্বকের শুষ্কতা বন্ধ করা হয় যা ত্বককে সুস্থ রাখে। ৪. ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো অকাল বার্ধক্যের অন্যতম প্রধান কারণ, যা প্রায়শই সূর্যের আলো এবং বিষাক্ত পদার্থের কারণে হয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম উৎপাদনে সহায়তা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করতে কাজ করে। প্রোটিন ত্বককে আণবিক স্তরে রক্ষা করে কারণ এটি এনজাইম উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা একটি অদৃশ্য প্রতিরক্ষা গঠন করে। ৫. দৃঢ়তার জন্য হরমোনের ভারসাম্য হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা এবং ঘনত্ব হ্রাস অনুভব করে। খাদ্যতালিকাগত প্রোটিন সর্বোত্তম হরমোনের মাত্রা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক বার্তাবাহক হিসেবে এর ভূমিকা অনুসারে তেল উৎপাদন এবং কোলাজেন পুনর্জন্ম স্থাপনের জন্য ত্বকের হরমোনের প্রয়োজন। সঠিক পুষ্টি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে যা ত্বককে দৃঢ় এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণগুলি প্রতিরোধ করে। বার্ধক্য বিরোধী প্রক্রিয়ার জন্য ভেতর থেকে পরিবর্তন প্রয়োজন। ত্বক তার তারুণ্যের চেহারা বজায় রাখে কারণ প্রোটিন প্রয়োজনীয় শক্তি এবং হাইড্রেশন তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে সঠিক প্রোটিন গ্রহণ ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং বার্ধক্যের দৃশ্যমান লক্ষণ হ্রাস করতে পারে।

নিজের জন্য গর্ববোধ করো – অপু বিশ্বাস

নিজের জন্য গর্ববোধ করো – অপু বিশ্বাস ঢালিউড চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস । অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ সরব। সম্প্রতি একগুচ্ছ শেয়ার করা ছবিতে দেখা যায়, কালো পোশাকে ধরা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী যা মুহূর্তেই ভক্তদের দৃষ্টি কাড়ে। কালো রঙের আধুনিক কাটের ব্লাউজ ও লম্বা স্কার্টে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন অপু বিশ্বাস। পোশাকের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে এক পাশ থেকে ঝুলে থাকা স্বচ্ছ কালো ওড়না, যা বাতাসে ভেসে ছবিটিতে নাটকীয়তা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া এনেছে। এদিকে ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নিজের জন্য গর্ববোধ করো, তুমি প্রতিবার পড়ে গিয়েও আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছ। অপুর চুল পরিপাটি করে খোঁপায় বাঁধা, চোখে গাঢ় আই-মেকআপ আর ঠোঁটে ন্যুড শেডের লিপস্টিক রয়েছে সব মিলিয়ে তার সাজে রয়েছে আত্মবিশ্বাসী ও পরিণত সৌন্দর্যের প্রকাশ। কানে ও গলায় নীল পাথরের গয়না কালো পোশাকের সঙ্গে কনট্রাস্ট তৈরি করে লুকটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এদিকে কমেন্ট বক্সে অপুরে রূপের বেশ প্রশংসা করেছেন। একজন নেটিজেন লিখেছেন, ‘আমি তো দেখে ফিদা, এক কথায় অসাধারণ।’ আরেকজনের কথায়, ‘আগের সেই সিম্পল অপু আর নেই,এখন আরো কনফিডেন্ট।

চিত্রাঙ্গদার পঞ্চাশেও উছলে পড়ছে তারুণ্য, কোন মন্ত্রে চিরযৌবনা?

চিত্রাঙ্গদার পঞ্চাশেও উছলে পড়ছে তারুণ্য, কোন মন্ত্রে চিরযৌবনা? বয়স যে একটি সংখ্যামাত্র, তা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়। আর বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে ৫০ পেরোনো অভিনেত্রীর সংখ্যা নেহাত কম নয়। অভিনেত্রী মালাইকা অরোরা, কাজল, কারিশমা কাপুর, সুস্মিতা সেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন প্রত্যেকেরই বয়স ৫০ থেকে ৫২ বছরের মধ্যে। এ তালিকায় নতুন সংযোজন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। বয়স বাড়লে তার প্রভাব চেহারায় এসে পড়বেই। কিন্তু সেই নিয়মকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে দিনের পর দিন আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছেন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং। নামিদামি প্রসাধনী কিংবা বিদেশি ফলের গুণে প্রভাব নয়, অভিনেত্রী জানিয়েছেন তার ছিপছিপে গড়ন ও উজ্জ্বল ত্বকের রহস্য লুকিয়ে আছে প্রতিদিনের কিছু অভ্যাসে। বয়সের দিক থেকে খাতা-কলমে হাফসেঞ্চুরি ছুঁয়ে ফেলেছেন চিত্রাঙ্গদা। এ সময়ে নারীরা মেনোপজ অর্থাৎ রজোনিবৃত্তির মধ্য দিয়ে যান। ফলে শরীর ও মনে নানা ধরনের পরিবর্তন আসে। হরমোনের তারতম্যে মনমেজাজ বিগড়ে যায় এবং ত্বক নিষ্প্রাণ হতে শুরু করে। কোনো কাজেই এনার্জি পাওয়া যায় না। তাই এ সময় থেকেই শরীর ও মনের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে চিত্রাঙ্গদা জানিয়েছেন, দিনের শুরুতে তিনি এমন কিছু খাবার ও পানীয় খান, যেগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি এ নিয়ম মেনে চলেন। ‘রাত আকেলি হ্যায়: দ্য বনশল মার্ডার্স’ -এর অভিনেত্রী বলেন, দিনের শুরুতে আমি এক কাপ উষ্ণ পানি খাই। কাপটি কিন্তু অনেক বড়। তারপর আগের দিন রাত থেকে ভিজিয়ে রাখা জিরা ও জোয়ানের পানি খাই। পানিটা সকালে একবার ফুটিয়ে নিই। এর মধ্যে আমি কয়েক ফোঁটা লেবুর রসও দিই। এর সঙ্গে আমার ডায়েটে থাকে কয়েকটি ভেজানো কাঠবাদাম। মিনিট দশেক পর আমি ফল খাই। মূলত কিউই ও পাকা পেঁপে থাকে বাটিতে। এ বিষয়ে পুষ্টিবিদরা বলছেন, চিত্রাঙ্গদা যে বয়সকালের মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, সেই সময়ে শরীর ও মনের বিশেষ যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। অক্সিডেটিভ স্ট্রেসও বাড়তে থাকে। তাই প্রতিদিনের ডায়েটে এমন খাবার ও পানীয় রাখতে হবে, যেগুলো অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ। যে ধরনের খাবার ও পানীয় তিনি খেয়ে থাকেন, সেগুলো অন্ত্রের জন্য ভালো। হজমসংক্রান্ত সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য নিরাময়ে গরম পানি কিংবা জিরা-জোয়ানের পানি দুই-ই ভালো। শরীরে ফ্লুইডের সমতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে। পেটফাঁপার সমস্যা নিরাময় করে। বয়সের সঙ্গে সঙ্গে বিপাকহার বা মেটাবলিক রেট কমতে থাকে। এ পানীয়গুলো তা বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে। এর সঙ্গে পাতিলেবুর রস যোগ করলে ভিটামিন সির ঘাটতিও পূরণ হয়। বাকি রইল ফল। কিউই ও পাকা পেঁপে দুটি ফলেই যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও রয়েছে।

সত্য সংকটে মম

সত্য সংকটে মম জনপ্রিয় অভিনেত্রী জাকিয়া বারী মম নাটক ও সিনেমায় নিয়মিত অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকদের কাছে নিজেকে ভিন্ন ভিন্ন চরিত্রে উপস্থাপন করে আসছেন। সেই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি হাজির হচ্ছেন এক ব্যতিক্রমী নারী চরিত্রে। যেখানে সব গঞ্জনা আর সামাজিক বাঁধা উপেক্ষা করে একজন সত্যবাদী মানুষকে আপন করে নেওয়ার সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যাবে তাকে। ফুলবানু নামের এই চরিত্রটি থাকছে ‘সত্য সংকট’ শিরোনামের একক নাটকে। নাটকটির গল্প লিখেছেন আসাদ সরকার। পরিচালনার পাশাপাশি এতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সালাহউদ্দিন লাভলু। ইতোমধ্যে নাটকটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। লাভলু ও মমের পাশাপাশি এতে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন সায়েকা আহমেদ, আমিন আজাদ, আনিসুর রহমান বরুণ, সুজিত বিশ্বাস, আনোয়ার শাহি, মাহাবুব আলমসহ আরও অনেকে। নাটকের গল্প আবর্তিত হয়েছে মজনু নামের এক তরুণকে ঘিরে, যিনি যেকোনো পরিস্থিতিতেই সত্য বলা থেকে বিরত থাকতে পারেন না। তার এই অকপট সত্যবাদিতাই হয়ে দাঁড়ায় জীবনের সবচেয়ে বড় সংকট। বিয়ের সম্বন্ধ এলেই কনেপক্ষের সামনে নিজের সব সত্য অকপটে তুলে ধরে মজনু। ফলে একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া হয়, আর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বুড়ো হতে থাকে সে। ঠিক এই সময়েই তার জীবনে আসে ফুলবানু। মজনুর সত্যবাদিতায় মুগ্ধ হয়ে তাকেই জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেয় সে। নাটকটি সম্পর্কে জাকিয়া বারী মম বলেন, “সালাহউদ্দিন লাভলু একাধারে একজন বড় মাপের নির্মাতা এবং নন্দিত অভিনেতা। তাঁর পরিচালনায় এবং তাঁর বিপরীতে অভিনয়ের অভিজ্ঞতা সত্যিই ভিন্ন রকম। ‘সত্য সংকট’-এর ফুলবানু চরিত্রটি দর্শকদের মনে দাগ কাটবে বলে বিশ্বাস করি। গল্প, চরিত্র, অভিনয় ও নির্মাণ সব মিলিয়ে নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে। সত্য সংকট’ নাটকটি আসন্ন ঈদে চ্যানেল আইতে প্রচারিত হবে।