চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ ঘন্টা বন্ধের পর চালু আমনুরা জংশন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৮ ঘন্টা বন্ধের পর চালু আমনুরা জংশন চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমনুরা জংশন স্টেশনের প্রবেশমুখে তেলবাহী একটি ট্রেনের দুটি ওয়াগন লাইনচ্যূত হওয়ার ঘটনায় প্রায় ৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। গতকাল দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে খুলনা থেকে আসা আমনুরায় অবস্থিত বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য ফার্নেস ওয়েল বহনকারী একটি ট্রেনের দুটি ওয়াগন স্টেশনের প্রায় আধা কিলোমিটার আগে লাইনচ্যূত হয়। এতে আমনুরা-রহনপুর রুটের সব ধরণের ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। ঘটনার পর বিকেল ৫টার দিকে ঈশ্বরদী থেকে আসা রিলিফ ট্রেনের সাড়ে ৩ ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ৮টা ২০ মিনিটে ওয়াগন দুটি উদ্ধার করা হয়। এতে আমনুরা-রহনপুর রুটে সকল ধরনের ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হয়। দুর্ঘটনায় কোনো হতাহত বা তেল লিকেজের ঘটনা ঘটেনি। তবে এ সময় ডাউন কমিউটার ও ১টি লোকাল ট্রেন বাতিল হওয়ায় যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েন। আমনুরা জংশন মাষ্টার হাসিবুল হাসান জানান, লাইনের যান্ত্রিক ত্রুটিকে প্রাথমিকভাবে কারণ হিসেবে ধরা হচ্ছে এবং তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এদিকে আমনূরা জংশন হয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকলেও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ষ্টেশন থেকে আমনুরা বাইপাস ষ্টেশন হয়ে রাজশাহী রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল।

একনেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন

একনেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন একনেক সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দুটি পানি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি একনেক সভায় আজ ৪৫ হাজার ১৯১ কোটি ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ২৫টি প্রকল্প অনুমোদন করে। পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধান উপদেষ্টা ও একনেক চেয়ারপার্সন ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় মহানন্দা নদী ড্রেজিং ও রাবার ড্যাম নির্মাণ প্রকল্প এবং পদ্মা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ (১ম অংশ) প্রকল্প বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ, পানি ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন এবং কৃষি ও জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। আজকের সভায় অনুমোদিত ২৫টি প্রকল্প হলো— সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) ‘রাঙ্গামাটি (মানিকছড়ি)-মহালছড়ি-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক (আর-১৬২) প্রশস্তকরণ ও যথাযথমানে উন্নীতকরণ’ প্রকল্প, (২) ‘মুন্সীগঞ্জ সড়ক বিভাগাধীন ৩টি আঞ্চলিক মহাসড়ক ও ১টি জেলা মহাসড়ক যথাযথমান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্প। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, চট্টগ্রাম শহরের লালখান বাজার হতে শাহ-আমানত বিমানবন্দর পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বিদ্যমান রানওয়ে ও টেক্সিওয়ের শক্তিবৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (২) ‘চট্টগ্রামস্থ পারকিতে পর্যটন সুবিধাদি প্রবর্তন (২য় সংশোধন) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) স্যানিটেশনে নারী উদ্যোক্তা প্রকল্প, (২) কুমিল্লা জেলার গুরুত্বপূর্ণ গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প— (১) দেশের বিভিন্ন স্থানে ফাঁড়ি/তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প, নৌ-পুলিশ কেন্দ্র, রেলওয়ে পুলিশ থানা ও আউটপোস্ট, ট্যুরিস্ট পুলিশ সেন্টার এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য থানা/আউটপোস্ট নির্মাণ প্রকল্প, (২) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয় নির্মাণ (১ম পর্যায়) প্রকল্প। বাংলাদেশ রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, দোহাজারী হয়ে রামু হয়ে কক্সবাজার এবং রামু হতে মিয়ানমারের নিকটে গুনদুম পর্যন্ত সিঙেল লাইন ডুয়েলগেজ ট্র্যাক নির্মাণ (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, দেশের ৬৪ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি প্রকল্প (১ম সংশোধন) প্রকল্প। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) সিলেট টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প, (২) সিলেট টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট স্থাপন (২য় সংশোধিত) প্রকল্প। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প, বিদ্যালয় বহির্ভূত শিশুদের জন্য বিকল্প শিক্ষার সুযোগ প্রকল্প। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) এস্টাবলিশমেন্ট অব অ্যা ১,০০০-বেড বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশীপ জেনারেল হসপিটাল টু প্রোভাইড অ্যাডভান্সড মেডিকেল সার্ভিসেস টু দ্য পিপল অব নর্দার্ন রিজিয়ন অ্যান্ড নেইবরিং কান্ট্রিজ প্রকল্প, (২) হেলথ অ্যান্ড নিউট্রিশন সার্ভিসেস ইম্প্রুভমেন্ট অ্যান্ড সিস্টেম স্ট্রেনদেনিং প্রজেক্ট প্রকল্প। কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প, (১) আশুগঞ্জ-পলাশ সবুজ প্রকল্প (২) স্মলহোল্ডার এগ্রিকালচারাল কম্পিটিটিভনেস প্রজেক্ট (এসএসিপি) (৩য় সংশোধন) প্রকল্প। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ৬টি প্রকল্প, (১) পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার নদীসমূহের টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (১ম অংশ) প্রকল্প, (২) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় মহানন্দা নদী ড্রেজিং ও রাবার ড্যাম প্রকল্প, (৩) চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার পদ্মা নদীর উভয় তীর সংরক্ষণ (১ম অংশ) প্রকল্প, (৪) তেতুঁলিয়া নদীর ভাঙন হতে বরিশাল জেলার মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা রক্ষাকরণ প্রকল্প, (৫) শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পদ্মা নদীর ডান তীরের ভাঙন হতে মাঝিরঘাট জিরো পয়েন্ট এলাকা রক্ষা (১ম সংশোধন) প্রকল্প, (৬) আড়িয়াল বিল এলাকার জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পানি ও ভূমি সম্পদের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্প। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প— রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) অনুমোদন করা হয়েছে। সভায় পরিকল্পনা উপদেষ্টা কর্তৃক ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত ১০টি প্রকল্প সর্ম্পকে একনেক সভায় অবহিত করা হয়। সেগুলো হলো— (১) নির্বাচিত ৯টি সরকারি কলেজের উন্নয়ন (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (২) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি) এর উন্নয়ন-১ম পর্যায় (২য় সংশোধিত), (৩) সদর দপ্তর ও জেলা কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর শক্তিশালীকরণ (২য় সংশোধন) প্রকল্প, (৪) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মহাকাশ ও অবলোকন কেন্দ্র (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের কাজ অসমাপ্ত রেখে সমাপ্তকরণ প্রকল্প, (৫) নভোথিয়েটার খুলনা স্থাপন (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের কাজ অসমাপ্ত রেখে সমাপ্তকরণ প্রকল্প (৬) সাপোর্টং পিইডিপি৫ প্রিপারেশন অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন রেডিনেস থ্রো লার্নিং এনহ্যান্সমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্সিলারেশন ইন প্রাইমারি এডুকেশন (এলইএপি বাংলাদেশ), (৭) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর-এর অ্যাম্বুলেন্স সেবা সম্প্রসারণ (ফেজ-২) (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (৮) র‌্যাব ফোর্সেস সদর দপ্তর নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) প্রকল্প, (৯) নড়াইল শহরাংশের জাতীয় মহাসড়ক (এন-৮০৬) প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন (১ম সংশোধিত), (১০) সৈয়দপুর ১৫০ মে. ও ৪+১০% সিম্পল সাইকেল (এইচএসডি ভিত্তিক) বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ (২য় সংশোধিত) এবং প্রকল্পের ১টি নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ-এর স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠার পরিবর্তন হলো বাংলাদেশ মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাস প্রতিষ্ঠা।

দড়ি ছাড়াই ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় মার্কিন পর্বতারোহী

দড়ি ছাড়াই ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় মার্কিন পর্বতারোহী দড়ি বা নিরাপত্তা জাল ছাড়াই তাইওয়ানের রাজধানীতে তাইপেই-এর ১০১ তলা ভবনের চূড়ায় আরোহণ করেছেন মার্কিন পর্বতারোহী অ্যালেক্স হনল্ড। রবিবার বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবনগুলোর মধ্যে একটিতে আরোহণ করার সময় অ্যালেক্সের হাজার হাজার ভক্ত উল্লাস প্রকাশ করেন।তাইওয়ানের সবচেয়ে উঁচু ভবনের চূড়ায় পৌঁছাতে অ্যালেক্সের সময় লেগেছে ৯১ মিনিট। অভিযানের পরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “তাইপেই দেখার কী সুন্দর উপায়! ৫০৮ মিটার উচ্চতার তাইপেই ১০১ ভবনটি শহরের আকাশরেখায় আধিপত্য বিস্তার করে এবং একটি প্রধান পর্যটন আকর্ষণ। এটি ২০০৪ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ভবন ছিল। বর্তমানে দুবাইয়ের বুর্জ খলিফা সর্বোচ্চ ভবনটির স্থান দখল করেছে। নগর সরকারের পূর্ণ সহায়তা এবং অনুমতি নিয়ে এবং কোনো সুরক্ষা সরঞ্জাম ছাড়াই তাইপেই ১০১ ভবনে আরোহণটি সম্পন্ন হয়েছিল। অ্যালেক্স জানান, তিনি একবার অনুমতি ছাড়াই কাঠামোটিতে আরোহণের কথা ভেবেছিলেন। তিনি বলেন, “কিন্তু তারপর ভবনটির প্রতি শ্রদ্ধা এবং যারা আমাকে এটি দেখার অনুমতি দিয়েছিলেন, তাদের সবার প্রতি শ্রদ্ধার কারণে, আমি বলেছিলাম, অবশ্যই আমি এটি শিকার করব না, আমি লোকদের সম্মান করব এবং দেখব এটি কখনো অনুমতি আসে কিনা।

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আসাম

১৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে আসাম অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম থেকে অন্তত ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে ফেরত পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এই তথ্য জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি বলেছেন, আসাম থেকে ১৫ জন অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকার কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে বলেও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।এক্সে দেওয়া পোস্টে আসামের এই মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‌‌‘‘আসাম গভীর রাতে পার্টি নয়, গভীর রাতে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। ঠিক সেটাই হয়েছে; আমাদের সদাসতর্ক থাকা নিরাপত্তা বাহিনী অবৈধ অনুপ্রবেশকারী ১৫ বাংলাদেশিকে নির্বিঘ্নে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে।তিনি বলেন, ‘‘মনে রাখবেন, আপনারা নিজেদের মতো আসতে পারেন, কিন্তু যাবেন আমাদের শর্তে। সীমান্ত সতর্ক রয়েছে। আইন সক্রিয় রয়েছে। দারুণ কাজ।তবে কোন জেলা থেকে ওই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনও তথ্য জানাননি আসামের এই মুখ্যমন্ত্রী। সূত্র: সিয়াসাত।

চীনে সেনাবাহিনীতে বড় ‘শুদ্ধি’ অভিযান, তদন্তের মুখে শীর্ষ জেনারেল

চীনে সেনাবাহিনীতে বড় ‘শুদ্ধি’ অভিযান, তদন্তের মুখে শীর্ষ জেনারেল চীনের সামরিক বাহিনীতে ব্যাপক আকারে ‘শুদ্ধি’ অভিযান শুরু হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে দেশটির সর্বোচ্চ পর্যায়ের এক সামরিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ‘গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গ ও আইন লঙ্ঘনের’ অভিযোগে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তদন্তের মুখে পড়া ওই কর্মকর্তার নাম জেনারেল ঝাং ইউশিয়া। ঝাং দীর্ঘদিন ধরে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সামরিক মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। তবে, মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে অভিযোগের সুনির্দিষ্ট বিবরণ দেওয়া হয়নি। সাধারণত দুর্নীতির অভিযোগ বোঝাতে চীনে এ ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়। একই ঘোষণায় আরও জানানো হয়, আরেক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল লিউ ঝেনলির বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এই তদন্তের ঘোষণা আসে গত বছরের অক্টোবর মাসে। তখন নয়জন শীর্ষ জেনারেলকে বহিষ্কারের পরপরই এমন ঘোষণা দেয় শি প্রশাসন। গত কয়েক দশকের মধ্যে এটি ছিল চীনের সামরিক বাহিনীতে সবচেয়ে বড় প্রকাশ্য শুদ্ধি অভিযানগুলোর একটি। ৭৫ বছর বয়সী জেনারেল ঝাং ইউশিয়া চীনের কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের (সিএমসি) সহ-সভাপতি ছিলেন। কমিউনিস্ট পার্টির এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাটির নেতৃত্বে রয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তার হাতেই দেশের সশস্ত্র বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ। ঝাং একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী ২৪ সদস্যের পলিটব্যুরোর সদস্যও ছিলেন। ঝাং ইউশিয়ার পারিবারিক পটভূমিও উল্লেখযোগ্য। তার বাবা ছিলেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল। ঝাং ১৯৬৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। যাদের সরাসরি যুদ্ধের অভিজ্ঞতা রয়েছে এরকম হাতে গোনা কয়েকজন শীর্ষ সামরিক নেতার একজন ছিলেন ঝাং।চীনের সামরিক বাহিনীতে নির্ধারিত অবসর বয়স পেরিয়ে যাওয়ার পরও ঝাংকে দায়িত্বে রাখা হয়েছিল যা এতদিন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের আস্থারই প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছিল। তবে সাম্প্রতিক তদন্তের ঘোষণায় সেই ধারণায় বড় ধাক্কা লেগেছে। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর থেকেই চীনে একের পর এক দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সরকারি ও দলীয় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে এই অভিযান বিশেষভাবে সামরিক বাহিনীর দিকে কেন্দ্রীভূত হয়েছে। শি জিনপিং একাধিকবার বলেছেন, দুর্নীতিই কমিউনিস্ট পার্টির জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি এবং এর বিরুদ্ধে লড়াই এখনো গুরুতর ও জটিল পর্যায়ে রয়েছে। সূত্র: বিবিসি

বিশ্বকাপ বর্জনের গুঞ্জনের মধ্যেই দল ঘোষণা পাকিস্তানের

বিশ্বকাপ বর্জনের গুঞ্জনের মধ্যেই দল ঘোষণা পাকিস্তানের বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বয়কটের আলোচনা চলমান। পিসিবি চেয়ারম্যান মোহসিন নাকভি আসন্ন টুর্নামেন্টে নিজেদের অংশগ্রহণের বিষয়টি নতুন করে ভাবার কথা জানিয়েছিলেন। তার একদিন পর অবশ্য টুর্নামেন্টে খেলার জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। ঘোষিত দলে বড় চমক হিসেবে অধিনায়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অলরাউন্ডার সালমান আলি আগাকে। সাবেক অধিনায়ক বাবর আজম থাকলেও অভিজ্ঞ উইকেটকিপার ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান বাদ পড়েছেন। রিজওয়ানের অনুপস্থিতিতে উইকেটের পেছনে গ্লাভস হাতে দেখা যাবে তরুণ খাজা নাফেকে। কোচ মাইক হেসন ইঙ্গিত দিয়েছেন, ব্যাটিং অর্ডারে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে নতুন কৌশলে এগোতে চাইছে পাকিস্তান। পিসিবি সভাপতি মহসিন নাকভি আগেই জানিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পাকিস্তান সরকারের ওপর নির্ভর করছে। এদিকে বাংলাদেশ দলকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান এই টুর্নামেন্ট বর্জনের হুমকি দিয়ে আসছিল। ভারতীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান অংশ না নিলে আইসিসি তাদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে দল ঘোষণা করাকে পিসিবির ‘কৌশলগত অবস্থান’ হিসেবে দেখছেন অনেকেই। পাকিস্তান স্কোয়াড: সালমান আলি আগা (অধিনায়ক), আবরার আহমেদ, বাবর আজম, ফাহিম আশরাফ, ফখর জামান, খাজা নাফে (উইকেটরক্ষক), মোহাম্মদ নেওয়াজ, সালমান মির্জা, নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, সাহিবজাদা ফারহান, সাইম আইয়ুব, শাদাব খান, উসমান খান ও উসমান তারিক।

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান

জাতীয় দলে ফিরছেন সাকিব আল হাসান বিশ্বের অন্যতম সেরা অল রাউন্ডার সাকিব আল হাসান বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে পরবর্তী সিরিজ থেকে খেলার সূযোগ পাচ্ছেন। শনিবার বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভা শেষে এ তথ্যজানিয়েছেন বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন। তিনি জানান, খেলার জন্য শারীরিকভাবে ফিট থাকা সাপেক্ষে সাকিবকে জাতীয় দলের হয়ে খেলার সুযোগ দেওয়া হবে। বোর্ড সর্বসম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।সিলেকশন প্যানেল সাকিব আল হাসানকে পরবর্তীতে সিলেকশনের জন্য বিবেচনা করবে। একই সঙ্গে বিসিবি সাকিব আল হাসানকে কেন্দ্রীয়ভাবে নতুন করে চুক্তির প্রস্তাবও জানাবে বিসিবি। ক্ষমতাচ্যুত আওযামী লীগের সাবেক এই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে থাকা মামলা ও আইনি বিষয়গুলো নিয়ে বিসিবি সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবে বলেও তিনি জানান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললেও বাংলাদেশের সামনে আগামী সিরিজ মার্চ মাসে। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে সে সময় পাকিস্তানের ঢাকায় আসার কথা রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ওই সিরিজ দিয়েই সাকিব আল হাসান জাতীয় দলে ফিরবেন। সাকিব দেশের হয়ে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন কানপুরে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তাঁর বিরুদ্ধে জনরোষ তৈরি হওয়ায় বিক্ষোভের শঙ্কা করেছিল বিসিবি। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বিদায়ী টেস্ট খেলার কথা থাকলেও দুবাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যেতে হয় তাকে। সর্বশেষ দুবাই থেকে এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, তিনি দেশে ফিরতে চান এবং দেশে ফিরেই চেনা দর্শকদের সামনে বিদায় নিতে চান।

যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ

যে রিপোর্টের কারণে ভারতে দল পাঠায়নি বাংলাদেশ  নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কারণে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বাংলাদেশ চেয়েছিল ভেন্যু পরিবর্তন করে ভারতের পরিবর্তে শ্রীলংকায় গিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে। কিন্তু তাতে রাজি হয়নি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) সাবেক সচিব ও বর্তমান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সভাপতি জয় শাহর নেতৃত্বাধীন বোর্ড। নিরপত্তা ইস্যুতে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলতে ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ করে দিয়েছে আইসিসি। বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘরে বাইরে অনেক সমালোচনা হচ্ছে। এব্যাপারে বিসিবির বর্তমান পরিচালক ও জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পী আসিফ আকবর জানিয়েছেন, গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিসিবি পরিচালক বলেন, ‘গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সরকারের নিজস্ব প্রশ্ন ছিল এখানে। তাদের একটা গোয়েন্দা প্রতিবেদন থাকে যে আমাদের ক্রিকেটার, সাংবাদিক, দর্শক বা ট্যাকটিকাল লোকজন যাবে, তাদের নিরাপত্তা ইস্যু ও সেখানে যে ঘটনাগুলো ঘটে যাচ্ছে, সেগুলোকে মাথায় রেখেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই মুহূর্তে যদি কোনো নাশকতামূলক ঘটনাও ঘটে, সেটার দায়দায়িত্ব আমরা নিতে পারি না। এটা সরকারের সিদ্ধান্ত। বিসিবি পরিচালক আরও বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বকাপে যাচ্ছে না নিরাপত্তার হুমকির কারণে। সরকারের সঙ্গে যখন সরকারের আলোচনা হয়, সবার আগে নিরাপত্তা দেখা হয়। ক্যাবিনেটে রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিরাপত্তার কারণে যাব না। সেখানে অনেক কিছু ঘটতে পারে। আইসিসি একটি সংস্থা, বিসিবিও সংস্থা। তবে তারা রাষ্ট্র না। একটা রাষ্ট্র যখন নিরাপত্তার বিষয়ে কথা বলে, তখন সব দিক বিবেচনা করেই কথা বলে। আমাদের সরকার নিরাপত্তাঝুঁকির কথা জানানোর পর তথ্য, পররাষ্ট্র, ক্রীড়া, আইন এই চার মন্ত্রণালয় মন্ত্রিসভায় বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে আমরা ঝুঁকি নেব না।

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

সাফজয়ী নারী ফুটসাল দলকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন প্রথমবারের মতো আয়োজিত সাফ নারী ফুটসাল চ‍্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ দিনে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় সাবিনা খাতুনের দল। বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দলের ঐতিহাসিক সাফল্যে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের পাঠানো এক অভিনন্দন বার্তায় বিষয়টি জানানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে শিরোপা অর্জন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের জন্য গৌরবের। এই সাফল্য বাংলাদেশের নারী ক্রীড়াবিদদের অদম্য মনোবল, পরিশ্রম ও সক্ষমতার উজ্জ্বল প্রমাণ। প্রধান উপদেষ্টা বিজয়ী দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় আরও উৎসাহিত করবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করবে। ভবিষ্যতেও নারী ক্রীড়াবিদদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন প্রধান উপদেষ্টা।

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো?

ত্বকে বয়সের ছাপ, পর্যাপ্ত প্রোটিন খাচ্ছেন তো? অ্যান্টি-এজিং নিয়ে ভাবলে আমাদের মন সাধারণত দামি সিরাম, মাস্ক এবং হাই-টেক ফেসিয়ালের দিকে ঝুঁকে পড়ে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে কার্যকর পণ্যটি আমাদের প্লেটেই থাকে। আপনি যদি সেরা অ্যান্টি-এজিং সাপ্লিমেন্ট খুঁজে থাকেন, তাহলে প্রোটিনই হতে পারে আপনার সমাধান। প্রোটিন পেশী তৈরির উপাদান হিসেবে কাজ করে, সেইসঙ্গে এটি ত্বকের উপকারিতা প্রদান করে। প্রোটিন কীভাবে ত্বকের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে এবং ত্বককে অকাল বার্ধক্য থেকে রক্ষা করতে কাজ করে, চলুন জেনে নেওয়া যাক- ১. ঝুলে পড়ার বিরুদ্ধে ভিত্তি তৈরি বার্ধক্যের সবচেয়ে দৃশ্যমান লক্ষণ হল স্থিতিস্থাপকতা হ্রাস। আমাদের ত্বকের টানটান ভাব বজায় রাখার জন্য কোলাজেন এবং ইলাস্টিন স্ট্রাকচারাল প্রোটিনের প্রয়োজন হয় এবং প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে কাজ করে যা ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখে। পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করলে কাঁচামাল (অ্যামাইনো অ্যাসিড) সরবরাহ হয় যা এই কাঠামোকে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ, ত্বক দৃঢ় এবং তরুণ থাকা নিশ্চিত করে। ২. কোষীয় পুনর্জন্মকে শক্তিশালী করা ত্বক প্রতিদিন পরিবেশগত হুমকির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় যার মধ্যে রয়েছে UV বিকিরণ এবং দূষণ। ত্বকের উজ্জ্বল চেহারা বজায় রাখার জন্য শরীরকে সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত কোষগুলোকে নতুন কোষ দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হবে। প্রোটিন মৌলিক উপাদান হিসাবে কাজ করে যা মেরামত প্রক্রিয়াকে চালিত করে। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার শরীরকে কোষকে পুনরুজ্জীবিত করতে সাহায্য করে যা ত্বককে মসৃণ এবং স্বাস্থ্যকর চেহারা বজায় রেখে ক্ষতি থেকে পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম করে। ৩. গভীর হাইড্রেশনে আটকে থাকা শুষ্ক ত্বক অনেকগুলো ত্বকের সমস্যা যেমন ফাইন লাইন, বার্ধক্য এবং আরও অনেক কিছু তৈরি করে। টপিকাল ময়েশ্চারাইজার সাহায্য করলেও, প্রকৃত হাইড্রেশন শুরু হয় ভেতর থেকে। শরীরের সঠিক আর্দ্রতা বজায় রাখার জন্য অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন প্রয়োজন। প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড দিয়ে গঠিত, যা প্রাকৃতিক হিউমেক্ট্যান্ট হিসেবে কাজ করে। ত্বকের এই অ্যামাইনো অ্যাসিডের প্রয়োজন হয় আর্দ্রতা তৈরি করার জন্য যা ত্বকের গঠনের ভেতরে প্রবেশ করে এবং থাকে। ত্বকের এই অভ্যন্তরীণ হাইড্রেশন ব্যবহার করে ত্বকের শুষ্কতা বন্ধ করা হয় যা ত্বককে সুস্থ রাখে। ৪. ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করা অক্সিডেটিভ স্ট্রেস হলো অকাল বার্ধক্যের অন্যতম প্রধান কারণ, যা প্রায়শই সূর্যের আলো এবং বিষাক্ত পদার্থের কারণে হয়। প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এনজাইম উৎপাদনে সহায়তা করে। শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ফ্রি র‍্যাডিকেলকে নিউট্রাল করতে কাজ করে। প্রোটিন ত্বককে আণবিক স্তরে রক্ষা করে কারণ এটি এনজাইম উৎপাদন বৃদ্ধি করে যা একটি অদৃশ্য প্রতিরক্ষা গঠন করে। ৫. দৃঢ়তার জন্য হরমোনের ভারসাম্য হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বক দ্রুত আর্দ্রতা এবং ঘনত্ব হ্রাস অনুভব করে। খাদ্যতালিকাগত প্রোটিন সর্বোত্তম হরমোনের মাত্রা বজায় রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাসায়নিক বার্তাবাহক হিসেবে এর ভূমিকা অনুসারে তেল উৎপাদন এবং কোলাজেন পুনর্জন্ম স্থাপনের জন্য ত্বকের হরমোনের প্রয়োজন। সঠিক পুষ্টি হরমোনের ভারসাম্য বজায় রাখে যা ত্বককে দৃঢ় এবং শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে এবং বার্ধক্যের লক্ষণগুলি প্রতিরোধ করে। বার্ধক্য বিরোধী প্রক্রিয়ার জন্য ভেতর থেকে পরিবর্তন প্রয়োজন। ত্বক তার তারুণ্যের চেহারা বজায় রাখে কারণ প্রোটিন প্রয়োজনীয় শক্তি এবং হাইড্রেশন তৈরি করে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন যে সঠিক প্রোটিন গ্রহণ ত্বকের দৃঢ়তা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে এবং বার্ধক্যের দৃশ্যমান লক্ষণ হ্রাস করতে পারে।