স্বর্ণের দাম দুই দিনে কমল ৩০ হাজার টাকা

স্বর্ণের দাম দুই দিনে কমল ৩০ হাজার টাকা বিশ্ববাজারে স্বর্ণের রেকর্ড উচ্চতার পর হঠাৎ পতন হয়েছে। দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। দুই দিনের ব্যবধানে দেশে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৩০ হাজার টাকার বেশি। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বশেষ দফায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৭৪৬ টাকা পর্যন্ত দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণের ভরির দাম নেমে এসেছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা। বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে দরপতনের প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে বড় ধরনের সামন্বয় করা হয়েছে। আজ বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দাম  আজ থেকেই কার্যকর হবে। সংগঠনটি জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) স্বর্ণের দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমেছে। তবে মূল কারণ হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের বড় দরপতন হয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৮৯০ ডলারে নেমে এসেছে, যা গতকাল ৫ হাজার ২০০ ডলারে ছিল। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছিল।

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক

নির্বাচনে আসছেন ৩৩০ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ (ন্যাশনাল চার্টার) বিষয়ে গণভোট পর্যবেক্ষণে এখন পর্যন্ত ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে। আজ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা-সহ ৬টি আন্তর্জাতিক সংস্থা অন্তত ৬৩ জন পর্যবেক্ষক পাঠাতে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ১৬টি দেশ এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে যুক্ত ৩২ জন ব্যক্তি পর্যবেক্ষক হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেবেন।

 অস্ট্রেলিয়ান টেনিস ওপেনের নতুন রানি রিবাকিনা

অস্ট্রেলিয়ান টেনিস ওপেনের নতুন রানি রিবাকিনা অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখলেন এলেনা রিবাকিনা। এতেই বাজিমাত। বিশ্বের এক নম্বর আরিনা সাবালেঙ্কাকে হারিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের নারী এককে চ্যাম্পিয়ন হলেন কাজাখস্তানের এই টেনিস তারকা। ক্যারিয়ারে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের শিরোপা জিতলেন রিবাকিনা। ২০২২ সালে উইম্বলডন জিতেছিলেন বিশ্বের পাঁচ নম্বর র‌্যাংকিংধারী। তিন বছর পর আবারও ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন তিনি। অন্যদিকে ২০২৩ ও ২০২৪ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের পর টানা দুটি ফাইনালে হারলেন বেলারুশের সুন্দরী সাবালেঙ্কা। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) মেলবোর্নের রড লেভার অ্যারেনায় ফাইনালে ফেবারিট তকমাটা ছিল সাবালেঙ্কার নামের পাশেই। তবে ম্যাচের শুরুতে দাপট দেখান রিবাকিনা। ৬-৪ এ প্রথম সেট জেতেন। হাল ছাড়েননি সাবালেঙ্কাও। ঘুরে দাঁড়িয়ে ৬-৪ এ দ্বিতীয় সেট জেতেন। ম্যাচ নির্ধারণী তৃতীয় সেটেও ৩-০ তে লিড নিয়ে এগিয়ে যান তিনি। এরপর টানা দুটি ব্রেক করে ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন রিবাকিনা এবং তৃতীয় সেট জেতেন ৬-৪ এ।

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সাময়িক সরকারি কার্যক্রম শাটডাউন শুরু

যুক্তরাষ্ট্রে আবারও সাময়িক সরকারি কার্যক্রম শাটডাউন শুরু তহবিল আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত জটিলতার জেরে মাত্র ৩ মাসের ব্যবধানে আজ থেকে সাময়িকভাবে সরকারি কার্যক্রম বন্ধ বা শাটডাউন শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর আগে, গত অক্টোবরে একবার শাটডাউনে পড়েছিল দেশটি। গতকাল মধ্যরাতের সময়সীমার আগে সিনেটে একটি অর্থায়ন প্যাকেজ পাস হয়। তবে সেটি কার্যকর হতে প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) অনুমোদন প্রয়োজন যা আগামী সোমবারের আগে পাওয়া যাচ্ছে না। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকারি খাতগুলোতে প্রস্তাবিত বরাদ্দ প্যাকেজ সময়মতো পাস না হওয়ায় শুরু হয়েছে এই জটিলতা। যুক্তরাষ্ট্রের রীতি অনুযায়ী, যে কোনো বিল দেশটির পার্লামেন্ট কংগ্রেসের নিম্ন ও উচ্চ- উভয়পক্ষে পাস হওয়ার পর তা প্রেসিডেন্টের দপ্তরে যায়। সেখানে প্রেসিডেন্ট স্বাক্ষর করার পর তা আইন হিসেবে কার্যকর হয়।

সাফে ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে দারুণ শুরু বাংলাদেশের

সাফে ভুটানকে ১২ গোলে উড়িয়ে দারুণ শুরু বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নের মতোই সাফ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। আজ নেপালের পোখারায় টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বাংলাদেশ ১২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে ভুটানকে। বাংলাদেশ প্রথমার্ধে ৪-০ গোলে এগিয়েছিল। এই টুর্নামেন্টের সর্বশেষ আসরে বাংলাদেশ ও ভারত যৌথভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। প্রথম গোল পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয় ২৭ মিনিট। তারপর ভুটানের মেয়েরা শুধু জাল থেকে বলই কুড়িয়েছেন। প্রথমার্ধে ৪ ও দ্বিতীয়ার্ধে ৮ গোল দিয়ে বাংলাদেশ রীতিমতো ভুটানকে বিধ্বস্ত করে ফেলে। ৪ গোল করেছেন মুনকি আক্তার। ৩টি করেছেন তৃষ্ণা রানী ও আলপি আক্তার। অধিনায়ক অর্পিতা বিশ্বাস, মামুনি চাকমা একটি করে গোল করেছেন। ৪ দেশের টুর্নামেন্টে লিগ ভিত্তিতে খেলা শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দলের মধ্যে হবে ফাইনাল। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ ২ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে।  

কারানের হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কাকে হারাল ইংল্যান্ড

কারানের হ্যাটট্রিকে শ্রীলঙ্কাকে হারাল ইংল্যান্ড বৃষ্টির বাগড়ায় ম্যাচের উত্তেজনা অনেকটাই কমে গিয়েছিল। তা-ও যে টুকু ছিল স্যাম কারান হ্যাটট্রিক করে সবটাই নিজের করে নিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দারুণ হ্যাটট্রিক করে ইংল্যান্ডকে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে দারুণ জয় এনে দিয়েছেন কারান। পাল্লেকেল্লেতে ডাকওয়ার্থ লুইস স্টার্ন আইনে শ্রীলঙ্কাকে ১১ রানে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। আগে ব্যাটিং নেমে ১৭ ওভারে শ্রীলঙ্কা ১৩৩ রানে গুটিয়ে যায়। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ ৩ ওভার কমে আসে। জবাবে ইংল্যান্ড ১৫ ওভারে ১২৫ রান তুলে নেয়। এরপর বৃষ্টির দাপটে আর খেলা শুরু করা সম্ভব হয়নি। বৃষ্টি আইনে ১১ রানে এগিয়ে থাকায় ম্যাচ ইংল্যান্ড জিতে নেয়।

রাতে চুল বেঁধে ঘুমানো কি ভালো?

রাতে চুল বেঁধে ঘুমানো কি ভালো? রাতে ঘুমানোর আগে অনেকেই চুল শক্ত করে বেঁধে ঘুমান। তারা মনে করেন চুল বেঁধে ঘুমালে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। কিন্তু রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাতে চুল শক্ত করে বাঁধলে গোড়ায় টান পড়ে। এ কারণে চুল বেশি পরিমাণে ঝরে যায়। আবার পুরো খুলে রাখলেও বিপদ। বালিশের সঙ্গে ঘষে ঘষে চুলের ডগা ফেটে যেতে পারে। তাই চুল ভালো রাখতে হালকা পনিটেল বা ঢিলেঢালা বেণী করে ঘুমানো ভালো। এতে ঘষাঘষি কম হয়। জটও কম পড়বে। চাইলে স্যাটিন কাপড়ের হেয়ার ক্যাপ মাথায় পরে ঘুমোতে পারেন। এতে চুল আরও সুরক্ষিত থাকে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুলে হালকা হেয়ার সিরাম মাখতে পারেন। ঘরোয়া টোটকা হিসেবে মাখতে পারেন অ্যালোভেরা জেলও। ভেজা চুল নিয়ে কখনোই ঘুমাতে যাবেন না। তাতে চুল ঝরার পরিমাণ বেড়ে যায়। ঘুমানোর আগে স্যাটিনের হেয়ার ক্যাপ, বালিশের কভারও ব্যবহার করতে পারেন।

কুমড়ার বীজ বেশি খেলে শরীরে যা ঘটে

কুমড়ার বীজ বেশি খেলে শরীরে যা ঘটে কুমড়োর বীজ ছোট, মুচমুচে এবং একসঙ্গে অনেক খেলেও অরুচি হয় না, যার ফলে ইচ্ছার চেয়ে বেশি খাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ পদার্থে ভরপুর এই বীজ পরিমিত পরিমাণে খেলে বেশ কিছু উপকারিতা পাওয়া যায়। তবে বেশিরভাগ পুষ্টিকর খাবারের মতো কুমড়ার বীজও একসঙ্গে বেশি খেয়ে ফেললে আমাদের শরীর অস্বস্তি বোধ করতে পারে। অতিরিক্ত কুমড়ার বীজ খাওয়ার ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক কুমড়ার বীজ বেশি খেলে কী হয়- ১. পেট ফাঁপা এবং গ্যাস হতে পারে : কুমড়ার বীজে যথেষ্ট পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা পরিমিত পরিমাণে খেলে হজমে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত ফাইবার অন্ত্রকে চাপে ফেলতে পারে, যার ফলে পেট ফাঁপা, গ্যাস এবং পেটে চাপ তৈরি হয়। জনস হপকিন্স ব্লুমবার্গ স্কুল অফ পাবলিক হেলথের একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ ফাইবারযুক্ত খাবার গ্রহণকারীদের পেট ফাঁপা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ ফাইবার অন্ত্রে গাঁজন বৃদ্ধি করে এবং উপজাত হিসেবে গ্যাস তৈরি করে। ২. কোষ্ঠকাঠিন্য বা ডায়রিয়া হতে পারে : কুমড়ার বীজ অতিরিক্ত খেলে স্বাভাবিক মলত্যাগ ব্যাহত হতে পারে কারণ এতে দ্রবণীয় এবং অদ্রবণীয় উভয় ধরনের ফাইবার থাকে। অত্যধিক অদ্রবণীয় ফাইবার অপাচ্য পদার্থকে খুব দ্রুত অন্ত্রের মধ্য দিয়ে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে আলগা মল তৈরি হয়। পর্যাপ্ত পানির অভাবে একই ফাইবার বর্জ্য পদার্থকে শক্ত করে কোষ্ঠকাঠিন্যের দিকে নিয়ে যেতে পারে। ৩. পেটে ক্র্যাম্প এবং বদহজম : কুমড়ার বীজের একটি শক্ত বাইরের স্তর থাকে এবং এতে চর্বি থাকে যা পেট ভেঙে ফেলতে বেশি সময় নেয়। একবারে অনেক বেশি খাওয়ার ফলে পেটে ক্র্যাম্প, ভারী হওয়া বা বদহজম হতে পারে। কুমড়ার বীজ উষ্ণ প্রকৃতির এবং সংবেদনশীল পাচনতন্ত্রের লোকেদের অ্যাসিডিটি বা বদহজম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ৪. বেশি ক্যালোরি গ্রহণ : কুমড়ার বীজ পুষ্টিকর কিন্তু এতে ক্যালোরিও বেশি থাকে। এক কাপ ভাজা কুমড়ার বীজে প্রায় ২৮৫ ক্যালোরি থাকে, যা আপনার দৈনন্দিন চাহিদার চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। যদি অতিরিক্ত খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়, তাহলে এই লুকানো ক্যালোরিগুলো ধীরে ধীরে ওজন বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে। ৫. সোডিয়াম গ্রহণকে বাড়িয়ে তুলতে পারে : অনেক প্যাকেজ করা কুমড়ার বীজ প্রচুর লবণাক্ত থাকে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উচ্চ সোডিয়াম গ্রহণের দিকে নিয়ে যায়। অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণের ফলে পানি ধরে রাখা, পেটফাঁপা এবং তৃষ্ণার মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে এবং সাময়িকভাবে রক্তচাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে

পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে চুলের যত্নে পেঁয়াজের ব্যবহার হয়ে আসছে অনেক আগে থেকে। এতে থাকা সালফার মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। হেয়ার ফলিকল মজবুত করে। এখন শুধু চুলের যত্নেই নয়, রূপচর্চায়ও ব্যবহৃত হচ্ছে এ উপাদান। রূপবিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেঁয়াজের মধ্যে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা, তারুণ্য ধরে রাখতে সহায়তা করে। তবে এর জন্য জানতে হবে পেঁয়াজের সঙ্গে কী মেশালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে এবং বলিরেখা দূর হবে। পেঁয়াজের রস ও মধু : পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে মেখে মিনিট দশেক রেখে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাক মাখলে যেমন ত্বকের পোরস পরিষ্কার হবে, তেমনই বাড়বে রক্ত সঞ্চালন। পেঁয়াজের রস ও টক দই : পেঁয়াজের রসের সঙ্গে টক দই মিশিয়ে মুখে মাখলে আলাদা করে এক্সফোলিয়েট করার প্রয়োজন পড়বে না। ত্বকে জমে থাকা মৃত কোষ সহজেই উঠে যাবে। ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। পেঁয়াজের রস ও লেবুস : দ্রুত ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে কয়েক ফোঁটা পাতিলেবুর রস মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মুখে মেখে মিনিট দশেক অপেক্ষা করুন। তারপর ধুয়ে ফেলুন। পেঁয়াজের রস ও অ্যালোভেরা : শুষ্ক খসখসে ত্বকে উজ্জ্বলতা বাড়াতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে মিশিয়ে নিন অ্যালোভেরা। এতে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকবে। পেঁয়াজের রস ও বেসন : তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা দূর করতে পেঁয়াজের রসের সঙ্গে বেসন মিশিয়ে নিন। এই প্যাক মুখে মাখুন। ত্বকের অতিরিক্ত সেবাম ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে এই মিশ্রণ। ত্বকের টেক্সচারও ভালো করে।

চুলকানি ত্বকের ঘরোয়া সমাধান

চুলকানি ত্বকের ঘরোয়া সমাধান জীবনে একবারও ত্বকে চুলকানি হয়নি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা হয়তো। খুব সাধারণ এই ব্যাপারটি অসহ্যকর একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় যখন ত্বকের চুলকানি বেড়ে যায়। অনেকেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আশ্রয় নেয় নানান মলম বা ক্রিমের যা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়ার আছে প্রাকৃতিক কিছু উপায়। ঘরোয়া এই উপায়গুলোতে খুব সহজেই ত্বকের ক্ষতি ছাড়াই চুলকানির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাবেন আপনি। জেনে নিন চুলকানির ঘরোয়া কিছু প্রতিকার সম্পর্কে। লেবু: লেবুর রসে আছে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি উপাদান যা ত্বকের চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়তা করে। চুলকানির প্রতিকার পাওয়ার জন্য লেবুর রস ব্যবহার করাও খুব সহজ। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি অনুভূত হচ্ছে সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে ফেলুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। তুলসী পাতা: তুলসী পাতায় আছে ইউজেনল যা একটি অ্যান্সথেটিক উপাদান। এই উপাদানটি চুলকানি কমিয়ে দিতে সহায়ক। এক মগ ফুটন্ত পানিতে ১৫/২০টি তুলসী পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস বের করে নিন। এরপর একটি পরিষ্কার টাওয়েলে পানিটি লাগিয়ে হালকা গরম থাকা অবস্থাতেই চুলকানির স্থানে লাগিয়ে নিন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বেশ আরাম অনুভূত হবে। পুদিনা পাতা: পুদিনা পাতারও আছে অ্যান্সথেটিক ও ইনফ্লেমেটরি উপাদান। চুলকানির প্রতিষেধক হিসেবে তাই পুদিনা পাতাও অত্যন্ত উপকারী। এক মগ ফুটন্ত পানিতে এক আউন্স পুদিনা পাতা জ্বাল দিয়ে নির্যাস তৈরি করে নিন। এরপর এই পানিটি চুলকানির স্থানে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। অ্যালোভেরা: ত্বকের যত্নে অ্যালোভেরা ব্যবহারের কথা তো সবাই জানেন। চুলকানি প্রতিকারেও অ্যালোভেরার জুড়ি নেই। ত্বকের যে স্থানে চুলকানি হচ্ছে সেখানে একটি তাজা অ্যালোভেরা পাতা থেকে রস বের করে লাগিয়ে রাখুন। চুলকানি কমে যাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই। বেকিং সোডা: বেকিং সোডা ত্বকের পিএইচ ভারসাম্যহীনতাকে মোকাবেলা করতে পারে এবং আপনার ত্বকের অ্যালার্জি প্রশমিত করতে প্রদাহ বিরোধী হিসাবে কাজ করে।