রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান

রাম চরণ-উপাসনার ঘরে এলো যমজ সন্তান দক্ষিণ ভারতীয় তারকা রাম চরণ ও তার স্ত্রী উপাসনা যমজ সন্তানের বাবা-মা হয়েছেন। তাদের ঘরে জন্ম নিয়েছে এক ছেলে ও এক মেয়ে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনযায়ী, খবরটি নিশ্চিত করেছেন রাম চরণের বাবা, কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবী। গভীর আনন্দ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি জানান, মা ও দুই নবজাতক তিনজনই সুস্থ আছেন। স্যোশাল মিডিয়ায়, চিরঞ্জীবী নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, যমজ সন্তানের আগমনে তাদের পরিবারে দ্বিগুণ আনন্দ এসেছে। তিনি লেখেন, এটি তাদের পরিবারের জন্য এক অনাবিল সুখের মুহূর্ত এবং সবার দোয়া, ভালোবাসা ও শুভকামনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পোস্টটিতে চিরঞ্জীবী ও তার স্ত্রী সুরেখা দুজনের নামেই স্বাক্ষর ছিল, যা দাদা-দাদির পক্ষ থেকে একটি অত্যন্ত ব্যক্তিগত ও আবেগঘন ঘোষণা হিসেবে ধরা হচ্ছে। চিরঞ্জীবীর এই পোস্টের পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছার বন্যা বয়ে যায়। নবজাতকদের জন্য সবাই ভালোবাসা ও আশীর্বাদ জানাচ্ছেন। রাম চরণ ও উপাসনা কোনিদেলার সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই ভক্তদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। ২০১১ সালের ডিসেম্বরে তাদের বাগ্‌দান হয় এবং ২০১২ সালের জুনে হায়দরাবাদে জমকালো আয়োজনে তাদের বিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব থেকেই তাদের সম্পর্ক ধীরে ধীরে প্রেমে রূপ নেয়। উপাসনা অ্যাপোলো চ্যারিটির ভাইস-চেয়ারপারসন এবং অ্যাপোলো হাসপাতাল গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রতাপ সি রেড্ডির নাতনি। অন্যদিকে, রাম চরণ হলেন কিংবদন্তি অভিনেতা চিরঞ্জীবীর ছেলে। ২০২৩ সালের জুনে এই দম্পতি তাদের প্রথম সন্তান কন্যাসন্তান ক্লিন কারাকে স্বাগত জানান। সে সময়ও চলচ্চিত্র অঙ্গন ও ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ উদ্‌যাপন দেখা যায়। ২০২৫ সালের দীপাবলিতে উপাসনা সামাজিক মাধ্যমে তার সীমান্থম (গর্ভাবস্থার বিশেষ অনুষ্ঠান) উপলক্ষে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে তিনি ‘ডাবল সেলিব্রেশন’, ‘ডাবল লাভ’ ও ‘ডাবল ব্লেসিং’-এর কথা উল্লেখ করে যমজ সন্তানের আগমনের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। ক্যারিয়ারের দিক থেকে রাম চরণ সম্প্রতি শংকরের পরিচালনায় কিয়ারা আদভানির বিপরীতে ‘গেম চেঞ্জার’ ছবিতে অভিনয় করেছেন। বর্তমানে তিনি তার পরবর্তী ছবি ‘পেড্ডি’র প্রস্তুতি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান

সিনেমায় লুক নিয়ে ট্রলের শিকার, জবাব দিলেন সালমান খান শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সুরাটে অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান স্ট্রিট প্রিমিয়ার লিগ (আইএসপিএল) ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকার্স ও দিল্লি সুপারহিরোসের মধ্যকার ম্যাচে উপস্থিত হয়ে তিনি তার আসন্ন ছবি ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ নিয়ে কথা বলেন এবং ছবির টিজারে নিজের লুককে ‘রোমান্টিক’ বলে যে ট্রলের শিকার হয়েছেন তার জবাব দেন। গত মাসে মুক্তি পাওয়া ছবিটির এক মিনিটের টিজারে সালমান খানকে একটি লাঠি হাতে নিয়ে সৈন্যদের যুদ্ধের জন্য একত্রিত করতে দেখা যায়। শত্রু পক্ষের সৈন্যরা বন্দুক নিয়ে এগিয়ে আসার সময়ও তাকে দৃঢ়ভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখতে দেখা যায়। তবে টিজারে অভিনেতার লুক ও দৃষ্টিভঙ্গিকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলের মুখে পড়তে হয় বলিউড ভাইজানকে, যেখানে মজা করে সেটিকে ‘রোমান্টিক’ বলে উল্লেখ করেছে নেটিজেনদের একাংশ। আইএসপিএল ম্যাচ চলাকালীন আবার সেই মুহূর্তটি সামনে এলো। ম্যাচে সালমান উপস্থিত হলে সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ তাকে একটি ব্যাট দিয়ে টিজারের সেই দৃশ্যটি পুনরায় তুলে ধরতে বলেন। তখন এই অভিনেতা হাসিমুখে ট্রলিংয়ের প্রসঙ্গ স্বীকার করে বলেন, ‘এখন, কিছু লোক মনে করে এটা একটা রোমান্টিক লুক। কিন্তু আমি একজন কর্নেল, ভাই। এটা একজন কর্নেলের লুক যিনি জানেন কীভাবে তার দল ও সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করতে হয় এবং আশা জাগাতে হয়। আমি চাইলে অন্য ধরনের লুকও দিতে পারি (গর্জন), কিন্তু তার কোনো মানে নেই। গালওয়ানের যুদ্ধের ক্ষেত্রে সেটার কোনো মানে নেই।‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ পরিচালনা করেছেন অপূর্ব লাখিয়া এবং ছবিটি সালমান খান ফিল্মসের ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন অভিনেতা নিজেই। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে সালমানের সহশিল্পী হিসেবে অভিনয় করেছেন চিত্রাঙ্গদা সিং।

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন

আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়ে মৌ বললেন এসব বন্ধ করুন নব্বইয়ের দশক থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত দেশের বিনোদনজগতে নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছেন সাদিয়া ইসলাম মৌ। কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুব একটা সক্রিয় নন তিনি। তবে তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অনলাইনে ভুয়া পেজ ও আইডি খোলার ঘটনায় চরম বিরক্তি, বিব্রতবোধ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেত্রীর দাবি, তার নাম ও ছবি ব্যবহার করে অসংখ্য ভুয়া অ্যাকাউন্ট থেকে নিয়মিত স্ট্যাটাস দেওয়া, ছবি আপলোড করা এবং তাঁর পরিচিতজনদের পোস্টে মন্তব্য করা হচ্ছে। সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, ফেসবুকে তার একটি মাত্র ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট রয়েছে, যার নাম ‘সাদিয়া ইসলাম’। ‘সাদিয়া ইসলাম মৌ’ নামে তার কোনো ফেসবুক আইডি বা পেজ নেই। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামসহ অন্য কোনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাঁর কোনো অ্যাকাউন্ট নেই বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে মৌ বলেন, ‘যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন, তাদের খুব সুন্দর করে অনুরোধ করছি এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধ করুন। আমার অনুমতি ছাড়া ছবি পোস্ট করা, লেখা দেওয়া এসব আইনত অপরাধ। ইতিমধ্যে এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সামনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভক্তদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ‘ভুয়া অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত হয়ে আপনারা প্রতারিত হবেন না। আবারও জানিয়ে দিচ্ছি আমার কোনো ফ্যান পেজ নেই, ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও নেই। যারা এসব করছে, সাবধান হোন। নইলে আইনি ব্যবস্থায় যা হওয়ার, তাই হবে।

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া

আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার শবনম ফারিয়া ছোট ও বড় পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া খানিকটা ‘ঠোঁটকাটা’ স্বভাবের। ব্যক্তিগত ও সমকালীন বিষয় নিয়ে তাকে খোলামেলা কথা বলতে দেখা যায়। গতকাল স্বামীর প্রশংসা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে আলোচনায় রয়েছেন। এরই মধ্যে চলমান রাজনীতি নিয়ে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন, যা নিয়ে চলছে নানা চর্চা। রবিবার (১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ভেরিফায়েড ফেসবুকে পোস্টটি দেন শবনম ফারিয়া। শুরুতে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার ধৈর্য একটু কমই ছিল আগে। যেহেতু আমি বাসায় সবার ছোট ছিলাম আর একা বড় হয়েছি, যখনই যা চাইতাম পেতাম, বেশিরভাগ সময় তো চাওয়ার আগেই পেতাম। তবে ২০২০ সালে কোভিডের পর থেকে আমার অ্যাবনরমাল লেভেলের ধৈর্য চলে এসেছে। সবকিছুতেই! আমি এখন আর কোনো কিছুতেই অল্পতে ধৈর্য হারাই না। উদাহরণ টেনে শবনম ফারিয়া বলেন, “একটা উদাহরণ দিই, সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো কার্পেট পরিষ্কার করার ভিডিও। আমি ঘণ্টার পর ঘণ্টা কার্পেট পরিষ্কার করা দেখতে পারি। আমার আরেকটা পছন্দের ভিডিও হলো হারমেস ব্যাগ কেনা-বেচার ভিডিও। একটা বারকিন বা কেলি ব্যাগের দাম আমার বাৎসরিক ইনকামের চেয়েও বেশি। এইরকম ইনকাম থাকলে জীবনে এই জিনিস কেনার কথা না (যদিও আমার জামাই বলেছে, সে একদিন না একদিন বড়লোক হবে আর আমাকে একটা বারকিন কিনে দেবে)। কিন্তু এই ব্যাগের সেকেন্ডারি মার্কেটে কেনা-বেচা দেখা আমার ডেইলি রুটিনের একটা অংশ। এরপর আরো কয়েকটি উদাহরণ টানেন শবনম ফারিয়া। তার ভাষায়, “আমি এখন জানি, কি কি চামড়া দিয়ে এই ব্যাগ বানানো হয়, কি কি সাইজে পাওয়া যায়, কি কি হার্ডওয়্যার ব্যবহার হয়, আর ‘হিমালায়ান’ নামে একটা বারকিন আছে, যার দাম প্রায় বাংলাদেশের জিডিপির সমান! তারপর আমার আরেকটা সবচেয়ে প্রিয় কনটেন্ট হলো, একজন মানুষ একটা পুরোনো বাড়ি কিনে, নিজে নিজে আর প্রতিবেশীদের সাহায্য নিয়ে সেটার রিনোভেশন করে। ভাই, তোর রিনোভেট করার এত টাকা থাকলে তুই এই জঙ্গলে বাড়ি না কিনে একটা ঠিকঠাক স্বাভাবিক বাড়ি কিনতে পারতি! কিন্তু না, ভাঙাচোরা বাড়ি কিনবে, তারপর বছরের পর বছর ধরে সেটাই ঠিক করবে, আর আমি সেই ভিডিও দেখি। একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিও দেখে বাস্তব জীবনে একা থাকার চেষ্টা করেন শবনম ফারিয়া। এরপর তার জীবনে আসে স্বামী তানজিম। এসব তথ্য স্মরণ করে এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার সবচেয়ে পছন্দের কনটেন্ট ক্রিয়েটরের নাম লিজিকি। ওকে দেখে ইনস্পায়ার্ড হয়ে আমি একা থাকা শুরু করেছিলাম। নিজে নিজে সব কিনতাম, বাসা গুছাতাম, বাজার করতাম, রান্না করতাম। আবার আমার কাউন্সেলরের পরামর্শে সেগুলো ভ্লগ বানানোর ট্রাইও করেছিলাম। ৩/৪টা বানিয়েছিলাম, এরপর আর সম্ভব হয়নি। এভাবে দুই বছরের একটু বেশি সময় একা থেকে বাসার সবাইকে টেনশনে ফেলে দিয়েছিলাম। তারপর আর বেশিদিন লিজিকি হওয়ার চেষ্টা করতে হয়নি, এরই মধ্যে তানজিম মিয়ার আগমন। শবনম ফারিয়াকে বেশ জ্বালাতন করেন তার স্বামী তানজিম। তা জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “তবে এখনো কেনাকাটা আর গুছানোর কাজটা আমাকেই করতে হয়। ট্রলি ঠেলার জন্য উনি থাকেন, ঘরের কাজের সময় আজেবাজে কাজ করে কাজ বাড়ানো কিংবা গুছানো বাসা অগোছালো করার দায়িত্বও উনার। তবে আমি অসুস্থ হলে অবশ্য জ্বালায় না। বরং অনেক হেল্পই করে। কালকেই তো অনেক প্রশংসা করলাম, আর না করি। শবনম ফারিয়ার দীর্ঘ এই বক্তব্যের মূল বিষয়বস্তু চলমান নির্বাচন নিয়ে পর্যবেক্ষণ। তার কথায় “যাইহোক করোনাকালে আমার আরেকটা প্রিয় কনটেন্ট ছিল মানুষের খাওয়া দেখা। শুকনা-শুকনা মেয়েরা বিশাল থালায় খাবার খায়, আমি রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিয়মিত সেই খাওয়ার ভিডিও দেখতাম। তবে এই মুহূর্তে আমার প্রিয় কনটেন্ট রাজনৈতিক মিথ‍্যাচার। জানি, যা বলছে সবই মিথ‍্যা আশ্বাস, তাও মনোযোগ দিয়ে দেখি। দুই ঘণ্টার মধ্যে শবনম ফারিয়ার এ পোস্টে রিঅ্যাক্ট পড়েছে প্রায় ৩ হাজার। মন্তব্য জমা পড়েছে দুই শতাধিক। ফারিয়া নামে একজন লেখেন, আপু আমি সবটা পড়ে একদম ক্লান্ত হয়ে গেছি, তারপর মোরাল অব দ্য স্টোরি পাইছি।” রেজমেন আক্তার লেখেন, “আমিও বাসায় সবার ছোট। বরাবরই ধৈর্য কম ছিল। কিন্তু বর্তমানে এফবিতে রাজনৈতিক মিথ্যাচারগুলা দেখি, দেখার পর বুঝতে পারতেছি, ধৈর্যের চরম লেবেলে আছি।” এমন অসংখ্য মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে।

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত

পায়েলকে স্যালুট দেওয়া উচিত ছোট পর্দার জনপ্রিয় জুটি ফারহান আহমেদ জোভান ও কেয়া পায়েল। পর্দায় তাদের রসায়ন বরাবরই দর্শকদের পছন্দের। তবে সম্প্রতি এই জুটিকে দেখা যাচ্ছে এক ভিন্ন রূপে। বিশেষ করে কেয়া পায়েলের উষ্কখুষ্ক চুল আর মলিন পোশাকের ‘পাগলী’ লুকটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে নেটদুনিয়ায় ব্যাপক চর্চা শুরু হলেও এর আসল রহস্য ফাঁস করলেন তার সহশিল্পী ফারহান আহমেদ জোভান। েজোভান জানান, ভিডিওটি কোনো বাস্তব ঘটনা নয়, বরং একটি নাটকের বিশেষ দৃশ্য ছিল এটি। বাতাসের ভুল’ শিরোনামের একটি নাটকের শুটিংয়ের সময়কার এই দৃশ্য নিয়ে জোভান প্রশংসায় ভাসিয়েছেন পায়েলকে। তার মতে, পায়েল যে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তার জন্য তাকে স্যালুট জানানো উচিত। এক সাক্ষাৎকারে জোভান বলেন, ‘ভিডিওটি পুরো ফেসবুক জুড়ে ভাইরাল হয়েছে। কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার সেটি একটি নাটকের সিকোয়েন্সের জন্য আসলে ও পাগল সেজেছিল। নাটকের নাম ‘বাতাসের ভুল’, পরিচালনা করেছেন ইশান। খুব শিগগিরই এটি মুক্তি পাবে ইনশাআল্লাহ। অভিনেত্রীর নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে জোভান আরও বলেন, ‘ওই নাটকটাতে পায়েল খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা ক্যারেক্টার প্লে করেছে। আমি এতটুকু বলতে পারব যে, পায়েলকে আসলে স্যালুট দেওয়া উচিত। কারণ ও একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের চরিত্রে অভিনয় করেছে, যা যেকোনো শিল্পীর জন্যই অত্যন্ত কঠিন কাজ। চরিত্রটির গভীরতা নিয়ে জোভান জানান, এটি কেবল এক-দুটি দৃশ্য নয়, বরং পুরো একটি জার্নি। রাস্তায় রাস্তায় একজন অন্তঃসত্ত্বা পাগলের যে দীর্ঘ লড়াই ও পথচলা, তা পায়েল নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। জোভানের প্রত্যাশা, কাজটির নেপথ্য গল্প ও অভিনয়ের মুনশিয়ানা দর্শকের হৃদয় জয় করবে।

গোমস্তাপুরে ভোটকেন্দ্র বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে মতবিনিময়

গোমস্তাপুরে ভোটকেন্দ্র বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সময় গোমস্তাপুরের ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষে বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল বারিক। আজ গোমস্তাপুর থানায় এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় ক্যামেরা ব্যবহারকারী অফিসারদের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেওয়ার হয়। গোমস্তাপুর ওসি আব্দুল বারিক জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে পরিচালনার জন্য জেলা পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশনায় গোমস্তাপুর থানার বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র বাস্তব ব্যবহার সম্পন্ন করা হয়। পরে ব্যবহারকারী অফিসারদের সঙ্গে মতবিনিময় ও দিক নির্দেশনা দেওয়ার হয়। তিনি আরও জানান, গোমস্তাপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি ভোটকেন্দ্র দায়িত্বরত অফিসারের কাছে এই বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা থাকবে। পুলিশের হেডকোয়াটার্স এটা নিয়ন্ত্রণ করবে।

ভোলাহাটে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড 

ভোলাহাটে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড  আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটে মো. এরফান আলী নামে এক সরকারি কর্মচারীকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন মোবাইল কোর্টের বিচারক। শনিবার ভোলাহাট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলার বীরেশ্বরপুর গ্রামে এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। দণ্ডিত ব্যক্তি ওই গ্রামের মৃত ইলিয়াস আলীর ছেলে। মোবাইল কোর্টের বিচারক মো. শামীম হোসেন জানান, শনিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী এরফান আলী বীরেশ্বরপুর গ্রামে নিজ বাসভবনে খাবারের আয়োজন করেন এবং নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন— এমন সংবাদ পেয়ে সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা ২০২৫ এর ২১(খ) ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী মো. এরফান আলীকে ২৭ (ক) ধারায় ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে তা আদায় করা হয়।

দিনব্যাপী জব ফেয়ারে চাকরি পেলেন ৫০ জন

দিনব্যাপী জব ফেয়ারে চাকরি পেলেন ৫০ জন ‘কারিগরি শিক্ষা নিলে-দেশ বিদেশে কর্ম মিলে, একটাই লক্ষ্য— হতে হবে দক্ষ’— এই স্লোগানকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চাকরি মেলা (জব ফেয়ার) অনুষ্ঠিত হয়েছে। দিনব্যাপী জব ফেয়ারে চাকরি পেয়েছেন ৫০ জন। আজ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অ্যাসেট প্রকল্পের আওতায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ মেলার আয়োজন করে। জেলার অন্যতম কারিগরি এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির চত্বরে দিনব্যাপী এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। মেলা উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ফাতেমা খানম। এতে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জে নেসকোর নির্বাহী প্রকৌশলী আলিউল আজিমসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। সূচনা বক্তব্য দেন— শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির রসায়ন বিভাগের ইন্সট্রাক্টর আব্দুর রাজ্জাক। বক্তারা কারিগরি শিক্ষার গুরুত্বের কথা তুলে ধরে বলেন, কারিগরি শিক্ষা এমন এক শিক্ষা যে, চাকরির পেছনে শিক্ষার্থীদের ছুটতে হয় না, চাকরিই তাদের খুঁজে বের করে। তার প্রমাণ আজকের জব ফেয়ারে প্রাণসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান দক্ষ শিক্ষার্থীদের চাকরি দিতে এখানে ছুটে এসেছে। কাজেই মন দিয়ে লেখাপড়াটা শেষ করতে পারলেই চাকরি নিশ্চিত। জব ফেয়ারে ১০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। যোগ্যতানুসারে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা ৫০ জনকে প্রাণ গ্রুপসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান চাকরিতে নিয়োগ দেয়। পাশাপাশি আরো ৫০ জনের আবেদন নেয়া হয়, যাদেরকে পরবর্তীতে চাকরি দেয়া হবে বলে জানানো হয়।

নাচোলে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

নাচোলে গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার নাচোলে ১ কেজি গাঁজাসহ স্বামী-স্ত্রীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সদস্যরা। আটককৃতরা হলো— মৃত হারুনের ছেলে দানেশ আলী ও তার স্ত্রী তাহেরা বেগম। আজ সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলার নেজামপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চন্ডিপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে গাঁজাসহ তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। সংস্থাটির পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম বলেন, তারা স্বামী-স্ত্রী নিজ বাড়িতে পরস্পর যোগসাজশে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নাচোল থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা

পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ আইনে জরিমানা চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় শব্দ দূষণ বিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কেরছে পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়। আজ বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ—রাজশাহী মহাসড়কের হরিপুর এলাকায় এই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এসময় যানবাহনে অনুমোদিত শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার অপরাধে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা ২০২৫ আওতায় ৫ টি ট্রাক চালককে মোট ৫টি মামলায় ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তা আদায় করা হয়। একই সঙ্গে অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ১০ টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ রোবেল। প্রসিকিউশন করেন পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালন আবু সাঈদ। জেলা পুলিশের একটি দল মোবাই কোর্ট পরিচলনায় সহযোগিতা করে।