ইউরিন ইনফেকশনের কারণ কি ফ্রিজের খাবার?

ইউরিন ইনফেকশনের কারণ কি ফ্রিজের খাবার? ব্যস্ত জীবনযাপনে ফ্রিজ এখন প্রায় অপরিহার্য। একদিনের বাজার রেখে পরের দিন রান্না গরম করে খাওয়া, এই ধরনের অভ্যাস এখন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তবে জানেন কি, এই অভ্যাসই ইউরিন ইনফেকশন (ইউটিআই) এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে? সাম্প্রতিক গবেষণা ও চিকিৎসকদের মতে, ফ্রিজে রাখা খাবারও হতে পারে ইউটিআই-এর কারণ। ইউরিনারি ট্র্যাক ইনফেকশন এখন আর শুধু ব্যক্তিগত সমস্যা নয়, বরং একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৩৫ বছরে ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বেড়েছে, তেমনি বেড়েছে এ সংক্রান্ত মৃত্যুও। ২০২৩ সালের ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এক সমীক্ষায় জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে বছরে প্রায় পাঁচ লাখ ইউরিন ইনফেকশনের পেছনে দায়ী হচ্ছে দূষিত মাংস, এবং এই দূষণের বড় অংশই আসে অস্বাস্থ্যকরভাবে সংরক্ষিত বা রান্না করা খাবার থেকে।   ফ্রিজে রাখা খাবার কীভাবে ইউটিআই সৃষ্টি করতে পারে? বেঙ্গালুরুর সিনিয়র ইউরোলজিস্ট ডা. সুরি রাজু ভি জানান, ই-কোলাই ব্যাকটেরিয়া ইউরিন ইনফেকশনের প্রধান কারণ। এই ব্যাকটেরিয়া অনেক সময় ফ্রিজে রাখা মাংস বা পোল্ট্রি খাবার থেকে শরীরে প্রবেশ করে। বিশেষ করে মুরগি বা টার্কির মতো পোল্ট্রি পণ্যে এমন কিছু এনজাইম থাকে, যা যদি ঠিকভাবে রান্না না করা হয়, তবে ব্যাকটেরিয়া তৈরি হতে পারে। দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখা খাবারে এই ব্যাকটেরিয়া অনুপ্রবেশ করে, এবং সেগুলো সঠিকভাবে রান্না না হলে তা অন্ত্রের সংক্রমণ সৃষ্টি করে। পরে তা মূত্রনালিতে পৌঁছে ইউরিন ইনফেকশন সৃষ্টি করতে পারে। ইউরিন ইনফেকশন নিয়ে এতদিন শুধু অপরিচ্ছন্নতা দায়ী ছিল, তবে এখন চিকিৎসকেরা বলছেন, খাবার সংরক্ষণ এবং রান্নার ভুল অভ্যাসও একইভাবে দায়ী। ফ্রিজে রাখা খাবারে ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি মারা যায় না, তাদের বৃদ্ধি ধীর হয়ে যায়, তাই খাবার আবার গরম করলেও ঝুঁকি থেকে যায়। ইউরিন ইনফেকশন থেকে বাঁচতে ডা. সুরি রাজু কিছু পরামর্শ দিয়েছেন: • কাঁচা মাংস ও সবজির জন্য আলাদা কাটিং বোর্ড, ছুরি এবং পাত্র ব্যবহার করুন। • কাঁচা মাংস কাটার পর অবশ্যই হাত সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দিয়ে ধুতে হবে। • পচনশীল খাবার দীর্ঘদিন ফ্রিজে রেখে না খাওয়া ভালো। • পোল্ট্রি ও মাংস ভালোভাবে সিদ্ধ করে রান্না করুন। • মাংস যতটা সম্ভব তাজা অবস্থায় রান্না করে খাওয়া উচিত। ফ্রিজ আমাদের জীবনযাত্রা সহজ করে দিয়েছে, কিন্তু যদি ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বারবার ইউরিন ইনফেকশনে আক্রান্ত হলে, আপনার ফ্রিজের খাবারই দায়ী কিনা, তা জানার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

কোন রঙের গোলাপ দেবেন প্রিয়জনকে?

কোন রঙের গোলাপ দেবেন প্রিয়জনকে? ১৪ ফ্রেব্রুয়ারি ভালোবাসা দিবস। সাত দিন আগে থেকেই বিশ্ব জুড়ে শুরু হয় ভ্যালেন্টাইন উইক বা ভালোবাসা সপ্তাহ। প্রতি বছর ৭ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ রোজ ডে’র মধ্য দিয়ে ভালোবাসার সপ্তাহ শুরু হয়। সে হিসাবে আজ ‘রোজ ডে’ বা গোলাপ দিবস। গোলাপ হচ্ছে ভালোবাসা আর বন্ধুত্বের প্রতীক। অনেকের হয়তো জানা নেই, প্রিয়জনেকে শুধু একটা গোলাপ দিলেই হয় না, গোলাপের রঙের আড়ালে লুকিয়ে থাকে ভিন্ন ভিন্ন না বলা কথা। কথায় আছে, যা হাজারটা শব্দ দিয়ে বোঝানো যায় না, তা একটা গোলাপ দিয়ে অনায়াসেই প্রকাশ করা যায়। গোলাপ নানা রঙের হয়। প্রতিটা রঙের গোলাপের আলাদা তাৎপর্য রয়েছে। নতুন সম্পর্ক তৈরির ক্ষেত্রে একেক রঙের গোলাপ একেক অর্থ বহন করে। লাল গোলাপ : প্রেম, ভালোবাসা আর আবেগের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ হলো লাল গোলাপ। আপনি যদি কাউকে ভালোবাসেন এবং তাকে জীবনের সঙ্গী হিসেবে পেতে চান, তবে তাকে দিতে পারেন লাল গোলাপ। গোলাপি গোলাপ : সব ভালোবাসা মানেই কেবল প্রেম নয়। আপনার জীবনে এমন মানুষ থাকতে পারেন যাদের প্রতি আপনি কৃতজ্ঞ। কাউকে ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা জানাতে দিতে পারেন এই গোলাপ। এটি একই সাথে কোমলতা ও আভিজাত্যের প্রতীক। সাদা গোলাপ : কারও সঙ্গে সম্পর্কের তিক্ততা মিটিয়ে নতুন করে পথ চলা শুরু করতে চাইলে বেছে নিন সাদা গোলাপ। এটি শান্তির প্রতীক। এছাড়া কাউকে খুব মিস করলে তাকে সাদা গোলাপ পাঠাতে পারেন। হলুদ গোলাপ: বন্ধুত্বের উষ্ণতা প্রকাশ করতে হলুদ গোলাপের জুড়ি মেলা ভার। বন্ধুর নতুন চাকরি, সাফল্য বা আরোগ্য কামনায় হলুদ গোলাপ উপহার দিন। এটি আনন্দ এবং প্রাণশক্তির বার্তা বহন করে। কমলা গোলাপ : লাল এবং হলুদের মিশ্রণে তৈরি এই রঙটি তীব্র আবেগ ও উৎসাহের প্রতীক। সম্পর্কে যদি নতুন উন্মাদনা আনতে চাইলে কমলা গোলাপ বেছে নিতে পারেন। কাউকে অনুপ্রাণিত করতেও এই ফুল ম্যাজিকের মতো কাজ করে। বেগুনি গোলাপ : গুনি রঙ রাজকীয় সম্মানের প্রতীক। সঙ্গীকে রানির মতো মর্যাদা দিতে চাইলে বা তার ব্যক্তিত্বে মুগ্ধ হলে, তাকে বেগুনি গোলাপ দিতে পারেন।

সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন

সুস্থ থাকতে যেসব স্বাস্থ্যকর নাস্তা খেতে পারেন নাস্তা বলতে আমরা সাধারণত মুখরোচক কোনো খাবারকেই বুঝি। বিশেষ করে মসলাদার, ডুবো তেলে ভাজা অথবা অতিরিক্ত লবণ কিংবা চিনি মিশ্রিত নানা খাবার। কিন্তু এসব খাবারই সুস্থ থাকার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। তাই বলে কি আপনি নাস্তা খাবেন না? নিশ্চয়ই খাবেন। সেজন্য অস্বাস্থ্যকর বা শরীরের জন্য ক্ষতিকর খাবারের পরিবর্তে আপনাকে বেছে নিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। চলুন জেনে নেওয়া যাক নাস্তা হিসেবে কোন খাবারের বদলে কোন স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে পারেন- ১. বিস্কুটের পরিবর্তে বাদাম এবং বীজ : চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার পরিবর্তে কয়েকটি বাদাম, আখরোট অথবা কুমড়া এবং সূর্যমুখী বীজ খান। এগুলো স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। সেইসঙ্গে ময়দার তৈরি খাবারের চেয়ে অনেক ভালোভাবে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে। ২. চিপসের বদলে ছোলা : ভাজা চিপস অতিরিক্ত লবণ এবং অস্বাস্থ্যকর চর্বি দিয়ে ভরা থাকে। আরও ভালো পছন্দ হতে পারে ভাজা ছোলা। এগুলো হালকা, মুচমুচে, ফাইবার এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিনে ভরপুর, যা আপনি কোনো অপরাধবোধ ছাড়াই দীর্ঘক্ষণ ধরে খেতে পারবেন। ৩. চিনিযুক্ত দইয়ের বদলে টক দই : স্বাদযুক্ত দইয়ে অনেকটা চিনি থাকে। পেঁপে বা বেরির মতো তাজা ফলের সঙ্গে টক দই খান। এই মিশ্রণটি প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি এবং এতে প্রোবায়োটিক রয়েছে যা অন্ত্রকে পুষ্ট করে, চিনির ক্ষয় ছাড়াই স্থিতিশীল শক্তি প্রদান করে। ৪. চকোলেটের বদলে পিনাট বাটার : মিষ্টি কিছু খেতে ইচ্ছা হলে প্রক্রিয়াজাত চকোলেট বার বা ক্যান্ডির পরিবর্তে একটি আপেল বা কলার সঙ্গে এক চামচ পিনাট বাটার মিশিয়ে খান। এই সমন্বয় প্রাকৃতিক কার্বোহাইড্রেটকে স্বাস্থ্যকর চর্বি এবং প্রোটিনের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ করে, যা আপনাকে হঠাৎ এনার্জি ক্রাশের ক্ষতি এড়াতে সাহায্য করে। ৫. ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির : ইনস্ট্যান্ট নুডলস অনেকের কাছে সবচেয়ে সহজ এবং সবচেয়ে প্রিয় দ্রুত খাবারের মধ্যে একটি, তবে এতে পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট বেশি থাকে এবং প্রায় শূন্য পুষ্টি থাকে। এর বদলে সেদ্ধ ডিম বা পনির খাওয়ার চেষ্টা করুন। এগুলো হলো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার যা গুরুত্বপূর্ণ কাজ করার সময় আপনাকে সজাগ এবং উদ্যমী থাকতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশকে উড়িয়ে শিরোপা জিতল ভারত

বাংলাদেশকে উড়িয়ে শিরোপা জিতল ভারত সাফ উইমেনস অনূর্ধ্ব-১৯ চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ছন্নছাড়া খেলায় বড় ব্যবধানে হার মানল বাংলাদেশ। শনিবার নেপালের পোখারা রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে আলপি-তৃষ্ণাদের ৪-০ গোলে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এককভাবে ট্রফি জিতে নেয় ভারত। রাউন্ড রবিন লিগে বাংলাদেশের কাছে ২–০ ব্যবধানে হারের মধুর প্রতিশোধ ফাইনালেই নিল ভারত। এর আগে বয়সভিত্তিক এই প্রতিযোগিতায় দুইবারই ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ২০২১ সালে বাংলাদেশ ১–০ গোলে ভারতকে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল। আর ২০২৪ সালে সেই আলোচিত ‘টস কাণ্ড’-এর পর সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন (সাফ) দুই দলকে যৌথ চ্যাম্পিয়ন ঘোষণা করে। নেপাল এই প্রথম অনূর্ধ্ব-১৯ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করল। রাউন্ড রবিন লিগে নিজেদের জাল অক্ষত রেখে ১৮ গোল করে তিন জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে ফাইনালে নেমেছিল বাংলাদেশ। তবে ভারতের বিপক্ষে শুরুটা ছিল সাবধানী। রাউন্ড রবিনে একমাত্র হারের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে ভারতও ছিল সতর্ক-ফলে ম্যাচের শুরুটা ছিল ধীরগতির। দ্বিতীয় মিনিটেই ভারতের ফরোয়ার্ড বিপজ্জনক হয়ে উঠলে গোলরক্ষক ইয়ারজান পোস্ট ছেড়ে বেরিয়ে এসে জোরালো শটে দলকে বিপদমুক্ত করেন। ১৬তম মিনিটে বক্সের বাইরে আলবা দেবির সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন সুরভি আক্তার আফরিন। আভিস্তা বাসনেতের নেওয়া ফ্রি-কিক সরাসরি ইয়ারজানের হাতে ধরা পড়ে। ম্যাচে প্রাণ ফেরে ৪২তম মিনিটে। বাম দিক থেকে আসা ক্রস ঠিকমতো ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হন বাংলাদেশের রক্ষণভাগ। দূরের পোস্টে ফাঁকায় থাকা প্রীতিকা বর্মন বল পেয়ে শট না নিয়ে বাড়িয়ে দেন ঝুলান নংমাইথেমকে। ভারত অধিনায়ক সহজেই ইয়ারজানকে পরাস্ত করে লিড এনে দেন। চলতি আসরে এটাই ছিল বাংলাদেশের প্রথম গোল হজম। বিরতির পর সমতাসূচক গোলের খোঁজে মরিয়া হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। ৫২তম মিনিটে তৃষ্ণা সুবর্ণ সুযোগ পেলেও একা গোলরক্ষকের সামনে বল বাইরে মারেন। সুযোগ নষ্ট করে হতাশায় বক্সেই বসে পড়েন তিনি। ৬২তম মিনিটে এলিজাবেথ লাকরার সফল স্পট-কিকে ব্যবধান দ্বিগুণ করে ভারত। আক্রমণ প্রতিহত করতে গিয়ে ইয়ারজান পোস্ট ছেড়ে বেরোলেও বলের নাগাল পাননি। আলভা দেবি বল নিয়ন্ত্রণে নিতে গিয়ে প্রতিমা মুন্ডার হালকা স্পর্শে বক্সে পড়ে গেলে রেফারি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন।বাংলাদেশ ৬৮তম মিনিটে তৃতীয় গোল হজমের পর ম্যাচ থেকে কার্যত ছিটকে যায়। অর্পিতার ব্যাক-পাস ক্লিয়ার করতে সময় পেয়েও দেরি করেন ইয়ারজান। চাপের মুখে নেওয়া শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ফিরে এলে পার্ল ফার্নান্দেস আলতো টোকায় জালে জড়িয়ে দেন বল। ৮৩তম মিনিটে সতীর্থের কাটব্যাকে আনভিতা কোনাকুনির নিখুঁত শটে চতুর্থ গোল হজম করে বাংলাদেশ। তাতেই নেপাল থেকে ট্রফি নিয়ে ফেরার স্বপ্ন ভেঙে যায় পিটার জেমস বাটলারের শিষ্যদের। ফাইনালের হতাশাজনক পারফরম্যান্সে রানার্স-আপ হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হলো বাংলাদেশকে, আর ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো এককভাবে সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী চ্যাম্পিয়ন হলো ভারত।

জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি

জুনের মধ্যে ইউক্রেনযুদ্ধ বন্ধ চান ট্রাম্প: জেলেনস্কি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী জুনের মধ্যে রাশিয়া ও ইউক্রেনের যুদ্ধ বন্ধ চান। এ তথ্য জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তিনি বলেছেন, প্রায় চার বছর ধরে চলা এ সংঘাত বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র উভয় দেশকে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে।শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কিয়েভে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমেরিকানরা প্রস্তাব করছে যেন রাশিয়া ও ইউক্রেন আসছে গ্রীষ্মের শুরুর দিকেই যুদ্ধ শেষ করে এবং সম্ভবত তারা এই নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী উভয় পক্ষের ওপর চাপ তৈরি করবে।’ তবে তার এ মন্তব্য শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত প্রচার না করার শর্ত ছিল। জেলেনস্কি বলেন, ট্রাম্পের প্রশাসন সব ঘটনার জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সময়সীমার ওপর জোর দিয়েছে। তারা আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে (সম্ভবত মিয়ামিতে) পরবর্তী দফার ত্রিপক্ষীয় আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। ইউক্রেন ইতোমধ্যে এতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। ট্রাম্প ক্ষমতা নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার দম্ভোক্তি করেছিলেন। কিন্তু এক বছরেরও বেশি সময় পার হলেও কোনো শান্তিচুক্তি এখনও অধরা রয়ে গেছে। সমালোচকরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন যে, তিনি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মাধ্যমে প্রভাবিত হয়ে ক্রেমলিনের যুদ্ধের বয়ান এবং সর্বোচ্চ দাবিগুলোর দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবু ধাবিতে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে মার্কিন-মধ্যস্থতায় ত্রিপক্ষীয় আলোচনার পর এ নতুন সময়সীমা দেওয়া হলো। তবে ওই আলোচনায় খুব সামান্যই অগ্রগতি হয়েছে, কারণ উভয় পক্ষই তাদের বিপরীতমুখী দাবিতে অনড় ছিল। ক্রেমলিন দাবি করেছে যে, ইউক্রেনকে শিল্পসমৃদ্ধ পূর্ব দনবাস অঞ্চল (দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক) থেকে সরে যেতে হবে, যেখানে বর্তমানে সবচেয়ে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। কিয়েভ এই শর্ত দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এছাড়া ইউক্রেনের সংবিধান অনুযায়ী রাশিয়ার দাবি করা এ পূর্বাঞ্চলীয় ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া নিষিদ্ধ। উভয়পক্ষ ১৫৭ জন করে যুদ্ধবন্দী হস্তান্তরের বিষয়ে একমত হয়েছে। ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে, ৫ ফেব্রুয়ারি এই বিনিময় সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার জেলেনস্কি আরো জানান, চুক্তির আওতায় রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধবন্দী বিনিময় অব্যাহত থাকবে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, যিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে আমেরিকান মধ্যস্থতাকারী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বৃহস্পতিবার বলেন যে শান্তি আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য কাজ বাকি থাকলেও’ বন্দী বিনিময় প্রমাণ করে যে ‘নিরবচ্ছিন্ন কূটনৈতিক তৎপরতা বাস্তব ফলাফল বয়ে আনছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিচ্ছে। তবে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সমাধান না এলে কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সে বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা কিছু জানাননি। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রাশিয়ার আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।

২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে

২০২৬ সালের হজ ভিসা শুরু আগামীকাল ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমের জন্য আগামীকাল রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে ভিসা ইস্যু শুরু করবে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এ ঘোষণা দিয়েছে। খবর গালফ নিউজের। সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে, সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় হাজিদের সৌদি আরবে পৌঁছানোর কয়েক মাস আগেই সেবার প্রস্তুতি জোরদার ও কার্যক্রম সহজ করতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের হজের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে অনেক আগেই ২০২৫ সালের ৮ জুন থেকে। তারিখটি হিজরি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ১৪৪৬ সালের ১২ জিলহজের সঙ্গে মিলে যায়। ওই সময় বিশ্বজুড়ে হজের কার্যক্রম তদারককারী দপ্তরগুলোর কাছে প্রাথমিক পরিকল্পনার নথিপত্র পাঠায় সৌদি মন্ত্রণালয়। সফর মাসের শুরুতে ‘নুসুক মাসার’ নামে একটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে পবিত্র স্থানগুলোর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে। এতে পরিকল্পনা, পর্যালোচনা ও সমন্বয়ের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যাবে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৬ সালের শুরুর দিকে মক্কা ও মদিনার আবাসন, পরিবহন ও অন্যান্য সেবাসংক্রান্ত চুক্তি সম্পন্ন করা লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এরপর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিসা দেওয়া শুরু হবে। আর মার্চে ভিসা চূড়ান্তকরণ এবং হাজিদের আগমনের জন্য প্রস্তুতির তথ্য জমা দেওয়া হবে। ঘোষণা অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরির ১ জিলকদ) থেকে প্রথম দফার হাজিরা সৌদি আরবে পৌঁছাতে শুরু করবেন। হাজিদের আগমনের মাধ্যমে হজ মৌসুমের চূড়ান্ত কার্যক্রম শুরু হবে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হাজিদের আগমনের আগেই অবকাঠামো ও সেবাসমূহ পুরোপুরি প্রস্তুত রাখতে ঘোষিত সময়সূচি কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। গালফ নিউজ জানায়, এখন পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৭ লাখ হাজি নিবন্ধন করেছেন। এর মধ্যে নিজ নিজ দেশ থেকে সরাসরি প্যাকেজ বুক করেছেন প্রায় ৩০ হাজার হাজি। আন্তর্জাতিক হাজিদের জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং ৭৩টি হজ বিষয়ক দপ্তর তাদের মৌলিক চুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছে।

হাফপ্যান্ট পরেই গ্র্যামির মঞ্চে, আলোচনায় জাস্টিন বিবার

হাফপ্যান্ট পরেই গ্র্যামির মঞ্চে, আলোচনায় জাস্টিন বিবার গানের পাশাপাশি বৈচিত্র্যময় লাইফস্টাইল ও অদ্ভুত ফ্যাশন সেন্সের জন্য প্রায়ই সংবাদের শিরোনাম হন জনপ্রিয় পপ তারকা জাস্টিন বিবার। এবার সংগীতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ আয়োজন ‘গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস’-এর মঞ্চে পোশাক নিয়ে রীতিমতো হইচই ফেলে দিয়েছেন এই তারকা। কারণ পারফর্মের সময় তার পরনে ছিল শুধু হাফপ্যান্ট আর মোজা; যা নিয়ে এখন আলোচনায় এই শিল্পী। ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হঠাৎ করে বিবারকে এমন অবস্থায় দেখে একরকম হকচকিয়ে যান আয়োজক ও বিচারকেরা। আর বিবারের এমন খামখেয়ালি পোশাকের বিষয়ে আগে থেকে কিছুই জানতেনও না তারা। গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের নির্বাহী প্রযোজক বেন উইনস্টন এক পডকাস্টে জানান, বিবার যে এমন পোশাকে পারফর্ম করবেন, তা তিনি আগে থেকে কাউকেই জানাননি। বলেন, আমার মনে হয় না মঞ্চে ওঠার আগ পর্যন্ত তিনি ঠিক করেছিলেন কী পরবেন। সৃজনশীল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়ও তিনি কোনো আভাস দেননি, শুধু বলেছিলেন- মঞ্চে উঠে গান গাইবেন। জানা গেছে, সেদিন জাস্টিন বিবার তার নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডের তৈরি করা একটি সাটিন বক্সার শর্টস পরে পারফর্ম করতে মঞ্চে ওঠেন। আয়োজকরা জানান, এই বিশেষ পারফরম্যান্সের জন্য বিবার খুব একটা সময় নষ্ট করতে চাননি, তাই হয়তো বিবার এমন পোশাকেই চলে আসেন। এবারের অনুষ্ঠানে জাস্টিন বিবারের পোশাক ছাড়াও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কিংবদন্তি গায়িকা চের-এর একটি ভুল। ‘রেকর্ড অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরির বিজয়ী ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি ভুলবশত ২০০৫ সালে প্রয়াত সংগীতশিল্পী লুথার ভ্যানড্রসের নাম বলে ফেলেন। তবে দ্রুতই ভুল শুধরে নিয়ে আসল বিজয়ী কেনড্রিক ল্যামারের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

‘কেন ওরা রাজনীতিতে গেল, ববিতার প্রশ্ন

‘কেন ওরা রাজনীতিতে গেল, ববিতার প্রশ্ন শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা। একুশে পদক প্রাপ্তির পর জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি মনে করি, শিল্পীদের একেবারেই রাজনীতিতে জড়ানো উচিত নয়। একজন শিল্পী যেভাবে কাজ করেছেন, পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন, একটা সময় দেশের মানুষ তাদের অনেক ভালোবাসেন। কিন্তু যে মুহূর্তে শিল্পী রাজনীতিতে জড়ান, সব কিছু জিরো হয়ে যায়। এ সময় তিনি একুশে পদক প্রাপ্তির জন্য ভক্ত-দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘‘ভক্ত-দর্শকের ভালোবাসায় আমি ববিতা হয়েছি, একটা পর্যায়ে পৌঁছেছি। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সাক্ষাৎকারে শিল্পীদের রাজনীতিতে জড়ানোর নেতিবাচক দিক তুলে ধরে ববিতা বলেন, “শিল্পী সবসময় শিল্পী। সে রাজনীতি সচেতন হবে, কিন্তু কেন সে রাজনীতি করবে? এটা আমার খুব অপছন্দ। যে যা-ই বলুক, আমার একটাই কথা শিল্পীরা কখনোই রাজনীতিতে যাবে না। এ সময় তিনি অভিনেতা রিয়াজ ও ফেরদৌসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “এই যে দেখেন রিয়াজ, ফেরদৌসসহ আরও কে কে তো শিল্পী হিসেবে ভালোই ছিল। কেন ওরা রাজনীতিতে গেল! রিয়াজ এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে কেন? রাজনীতি এমন একটা জায়গা, এখানে কাল কী হবে কেউ বলতে পারে না। এসব কারণে শিল্পী হিসেবে মানুষ তার নাম ভুলে যাচ্ছে। ববিতা মনে করেন একজন শিল্পীর গ্রহণযোগ্যতা রাজনীতিবিদের চেয়েও বেশি। তিনি বলেন, “যত দিন দল ক্ষমতায়, রাজনীতিবিদ তত দিন শক্তিশালী। যে মুহূর্তে দল ক্ষমতায় নাই, রাজনীতিবিদের সবকিছু তখনই শেষ। কিন্তু একজন শিল্পীর ক্ষমতা সবসময় থেকে যাবে, যত দিন যাবে বাড়বে। উল্লেখ্য গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছর একুশে পদক প্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। ববিতা একুশে পদক চলচ্চিত্রকার, সাহিত্যিক জহির রায়হানকে উৎসর্গ করেছেন।

সুষ্ঠু ভোটাধিকার প্রয়োগের দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সুষ্ঠু ভোটাধিকার প্রয়োগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ ধর্মীয় সংখালঘুদের নিরাপত্তা, সুষ্ঠু ভোটাধিকার প্রয়োগ সহ ৫ দফা দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সংবাদ সম্মেলন করেছে উত্তরবঙ্গ আদিবাসী ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটি। আজ সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ফোরামের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এড. প্রভাত টুডু। তিনি বলেন, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ও ধর্মীয় সংখালঘুরা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারেন সেজন্য বিশেষ নিরাপত্তা দিতে হবে। নির্বাচন পূর্ব ও পরে এ জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীকে প্রস্তুত থাকতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে এজন্য আরও সক্রিয় হতে হবে। কোন ভয়ভীতি,হুমকির ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষনিক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের ইশতেহারে উত্তরবঙ্গ থেকে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী একজন টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী এবং সংরক্ষিত আসনে একজন সংসদ সদস্য করার ঘোষনা দিতে হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে হবে। সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় ও ভূমি কমিশন গঠন করতে হবে। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের ভোটের প্রতি সচেতনতা ও আস্থা বাড়াতে সংশ্লিস্টদের আরও কাজ করতে হবে। প্রভাত টুুডু আরও বলেন, আমরা আর প্রতিশোধমূলক রাজনীতি চাই না। বরং শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণমূলক রাজনীতি চাই। অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক প্রদীপ হেমব্রম, রাজশাহী মহানগর কমিটির সভাপতি সুমি মুরমু, চাঁপাইনবাবগঞ্জের কোল সম্প্রদায়ের নেত্রী রুমালী হাসদা, রাজোয়াড় সম্প্রদায়ের নেত্রী কুটিলা রাজোয়াড়, আদিবাসী নেত্রী মনিকা সরেনসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

শিবগঞ্জে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২

শিবগঞ্জে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় নিহত ২ শিবগঞ্জে উপজেলায় পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় একজন মোটরসাইকেল আরোহি এবং একজন নসিমন চালকসহ দু’জন নিহত হয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত ও দুপুরে নয়ালাভাঙ্গা ইউনিয়নে সোনামসজিদ স্থলবন্দর মহাসড়কে দূর্ঘটনা দুটি ঘটে। নিহতরা হলেন, একই ইউনিয়নের সাবেক লাভাঙ্গা গ্রামের সাদিকুল ইসলামের ছেলে নসিমন চালক মোহাম্মদ আলী এবং পার্বতীপুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে ও মোটরসাইকেল আরোহি রেজাউল করিম। রেজাউল করিম পেশায় দুরপাল্লার কোচ চালক ছিলেন। শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির বলেন, গতকাল রাত সোয়া ৮টার দিকে হরিনগর এলাকায় পাথর বোঝাই একটি ট্রাককে মোটরসাইকেল চালিয়ে ওভারটেক করতে গিয়ে ট্রাকের পেছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে আহত হন রেজাউল করিম। তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে রাত ৯টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে গতকাল দুপুরে নামোসুন্দরপুর এলাকায় সড়কে অন্য যানবাহনকে সাইড দিতে গিয়ে সড়ক পাশে নসিমন উল্টে গেলে ঘটনাস্থলে আহত হন মোহাম্মদ আলী। তাঁকে উদ্ধার করে জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। উভয় ঘটনায় পুলিশ মরদেহ উদ্ধারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করেছে। এসব ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীণ বলেও জানান ওসি।