রহনপুরে ১৮ দফা দাবিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র্যালি

রহনপুরে ১৮ দফা দাবিতে ইমারত নির্মাণ শ্রমিকদের র্যালি গোমস্তাপুরে ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ-ইনসাব এর ১৮ দফা দাবিতে র্যালি ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়। আজ বেলা ১০টায় র্যালীটি রহনপুর পৌর এলাকার বাগদুয়ার পাড়াস্থ সংগঠনের কার্যালয় থেকে বের হয়ে রহনপুর শহর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ করে। সেখানে বক্তব্য দেন, ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়ন বাংলাদেশ( ইনসাব) গোমস্তাপুর উপজেলা শাখা সভাপতি সাইদ আলি, সহ-সভাপতি মোঃ সেন্টু ও আলমগীর, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের, সহ সাধারণ সম্পাদক এস্তাব আলীসহ অন্যরা। আলোচনা সভায় শ্রমিকদের ১৮টি দাবী উপস্থাপন করা হয়। দাবিগুলো বাস্তবায়ন জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
পদ্মার ভাঙন কবলিত এলাকায় কম্বল বিতরণ

পদ্মার ভাঙন কবলিত এলাকায় কম্বল বিতরণ সদর উপজেলার চরবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের বাখেরআলী, মহারাজ নগর গ্রামে পদ্মা নদী ভাঙন কবলিত এলাকায় দরিদ্র শীতার্তদের মধ্যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে ভারতের আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রদের সংগঠন ‘আলিগড় ওল্ড বয়েজ অ্যাসোসিয়শন অব বাংলাদেশ’র পক্ষ থেকে কম্বলগুলো বিতরণ করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলন— আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র শফিউল আজম, রফিকুল ইসলাম বাবু ও জুলফিকার আলম সুমনসহ অন্যরা।
শব্দদূষণের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আদায়, হর্ন জব্দ

শব্দদূষণের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আদায়, হর্ন জব্দ চাঁপাইনবাবগঞ্জে শব্দদূষণবিরোধী মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী মহাসড়কের সদর উপজেলার হরিপুর এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এসময় যানবাহনে অনুমোদিত শব্দের মানমাত্রা অতিক্রমকারী হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার করার অপরাধে শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণL) বিধিমালা ২০২৫ অনুয়ায়ী ৩টি ট্রাকচালকের বিরুদ্ধে ৩টি মামলা করা হয় এবং ৩ হাজার টাকা জরিমানা করে তা আদায় করা হয়। এসময় অনুমোদিত শব্দের অতিরিক্ত মানমাত্রার শব্দ সৃষ্টিকারী ৫টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করা হয়। জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তরের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কার্যালয়। মোবাইল কোর্টের নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির আহমেদ রোবেল। প্রসিকিউশন করেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবু সাঈদ। অভিযানে জেলা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সেঞ্চুরির জবাব সেঞ্চুরিতে: হাসানের ঝড়ের পর তাওহীদের কারিশমা

সেঞ্চুরির জবাব সেঞ্চুরিতে: হাসানের ঝড়ের পর তাওহীদের কারিশমা বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) এক ম্যাচে জোড়া সেঞ্চুরির ঘটনা নতুন নয়। আগের আসরগুলোতে একই ম্যাচে দুই ইনিংসে দুই সেঞ্চুরির নজির রয়েছে। তবে বিপিএলের দ্বাদশ আসরে এবারই প্রথম এমন দৃশ্য দেখা গেল। রোববার রাউন্ড রবিন লিগের শেষ দিনে মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরির জবাব সেঞ্চুরিতে দেন রংপুর রাইডার্সের তাওহীদ হৃদয়। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ম্যাচটি হয়ে ওঠে স্মরণীয়। তবে দিন শেষে হাসিটা টিকিয়ে রাখতে পারেননি হাসান। বড় ব্যবধানে হেরেছে তার দল নোয়াখালী। প্রথমে ব্যাটিং করে নোয়াখালী এক্সপ্রেস হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরিতে ভর করে ২ উইকেটে ১৭৩ রান তোলে। জবাবে রংপুর রাইডার্স ১৯.৪ ওভারে ৮ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে। এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার তিন নম্বরে থেকে লিগ শেষ করেছে রংপুর। ফলে তারা দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে সিলেট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে। পয়েন্ট টেবিলের দুই নম্বরে উঠতে হলে রংপুরকে ম্যাচটি জিততে হতো মাত্র ৭.১ ওভারে, যা ছিল কার্যত অসম্ভব। তাই স্বাভাবিক ছন্দেই রান তাড়া করে দলটি। ওপেনিং জুটিতে ডেভিড মালান ও তাওহীদ হৃদয় ৭৮ রানের জুটি গড়েন। যদিও মালান ছিলেন অনেকটাই দর্শকের ভূমিকায়। ১৭ বলে মাত্র ১৫ রান করেন তিনি। অন্যপ্রান্তে তাওহীদ আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন। ২৭ বলেই ফিফটি তুলে নেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। তিন নম্বরে নামা লিটন দাস ইনিংসের শুরুতে মেহেদী হাসান রানার হাতে জীবন পেলেও ধীরগতির ইনিংস খেলেন। তবে তাওহীদের দাপুটে ব্যাটিংয়ে রানের গতি কমেনি। আগের ম্যাচে রাজশাহীর বিপক্ষে ৯৭ রানে অপরাজিত থাকা তাওহীদ এবার সেঞ্চুরির অপেক্ষা ঘোচান। ৫৭ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ১৪টি চার ও ২টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি শেষ হয় ১০৯ রানে। সেঞ্চুরি পূর্ণ করে ব্যাট ঝাঁকিয়ে উদযাপনের পর হেলমেট খুলে মাঠে সিজদাহ দেন তিনি। পরে হাসান মাহমুদের স্লোয়ারে বোল্ড হয়ে ফেরেন। লিটন দাস অপরাজিত থেকে ম্যাচ শেষ করেন। ৩৫ বলে ৩৯ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল ২টি চার ও ১টি ছক্কা। এর আগে নোয়াখালীর ইনিংসের মূল ভরসা ছিলেন হাসান ইসাখিল। সিলেটে অভিষেক ম্যাচে ৬০ বলে ৯২ রান করে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি মিস করা এই ব্যাটসম্যান ঢাকায় এসে অপেক্ষার অবসান ঘটান। রংপুরের বিপক্ষে ইনিংসের শেষভাগে ঝড় তুলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন তিনি। ইনিংসের শুরুতে ছিলেন বেশ ধীর। প্রথম ৮ বলে তার রান ছিল মাত্র ১। তৃতীয় ওভারে নাহিদ রানার বিপক্ষে চার ও ছক্কা হাঁকিয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পান। এরপর ফাহিম আশরাফের বলে মিড উইকেট দিয়ে ছক্কা মারলেও ডট বলের কারণে রান তুলতে সময় নেন। ফিফটি করতে লাগে ৫০ বল। তবে ফিফটির পর একেবারেই রূপ বদলে যায় তার ব্যাটিং। পরের ২০ বলে হাঁকান ৭টি বাউন্ডারি, যার মধ্যে ৬টিই ছিল ছক্কা। নার্ভাস নাইন্টিজে বিচলিত না হয়ে আকিফ জাভেদের ওভারে টানা দুই ছক্কা হাঁকান। অনসাইডে আলতো ঠেলে দুই রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হাসান। শেষ পর্যন্ত ৭২ বলে ৪টি চার ও ১১টি ছক্কায় ১০৭ রান করেন তিনি। ৩৬ রানে ২ উইকেট হারানোর পর তৃতীয় উইকেটে অধিনায়ক হায়দার আলীর সঙ্গে ৭৪ বলে ১৩৭ রানের জুটি গড়েন হাসান ইসাখিল। যা এবারের বিপিএলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জুটি। হায়দার আলী ৩২ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থাকেন, তার ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ১টি ছক্কা। হাসান ইসাখিলের সেঞ্চুরির আলো শেষ পর্যন্ত ম্লান করে দেয় তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরি। ম্যাচসেরার পুরস্কারও ওঠে রংপুরের এই ব্যাটসম্যানের হাতেই।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার নির্দেশ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণার নির্দেশ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পর্যায়ে গণভোট বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ প্রচারণায় ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে গুরুত্বারোপ করতে বলা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) কার্যালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইউজিসির প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা সূত্রে জানা যায়, দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুল ও মাদরাসা পর্যায়ে গণভোট বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হবে। এর অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘পরিবর্তনের জন্য হ্যাঁ’ শিরোনামে লিফলেট ও পুস্তিকা বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি মোবাইল ফোন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে গণভোটভিত্তিক ডকুমেন্টারি, ভিডিও ক্লিপ ও গান প্রকাশ করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যানার, ফেস্টুন ও স্টিকার সাঁটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আলী রীয়াজ বলেন, এবারের গণভোট ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙে রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে। তিনি আরও বলেন, একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে রায় দেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। সভায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার, ইউজিসি চেয়ারম্যান এস এম এ ফায়েজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ এবং ইউজিসি সদস্য প্রফেসর মোহাম্মদ তানজীমউদ্দিন খান উপস্থিত ছিলেন।
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানের ব্যাখ্যা দিল সরকার

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানের ব্যাখ্যা দিল সরকার আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অন্তর্বর্তী সরকার ও প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের প্রকাশ্য সমর্থন গণতান্ত্রিক আদর্শের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বলে জানিয়েছে সরকার। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়। পোস্টে বলা হয়, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার বাস্তবায়নে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ নিয়ে গণভোটে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানকে কেউ কেউ অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতার পরিপন্থী বলে মন্তব্য করছেন। তবে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা, অন্তর্বর্তী সরকারের ম্যান্ডেট এবং আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার আলোকে এ ধরনের সমালোচনার কোনো ভিত্তি নেই। সংকটকালে নীরবতা নিরপেক্ষতার প্রতীক নয়; বরং তা দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ঘাটতির ইঙ্গিত দেয়। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কেবল দৈনন্দিন রাষ্ট্র পরিচালনা বা নির্বাচন তত্ত্বাবধানের জন্য গঠিত হয়নি। দীর্ঘদিনের অপশাসন, শাসনতান্ত্রিক দুর্বলতা ও জনঅনাস্থার প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই সরকার গঠিত হয়েছে। এর মূল দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রকে স্থিতিশীল করা, গণতান্ত্রিক বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করা এবং নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে প্রয়োজনীয় সংস্কারের একটি গ্রহণযোগ্য কাঠামো তৈরি করা। পোস্টে আরও বলা হয়, গত আঠারো মাসে রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, পেশাজীবী ও তরুণদের সঙ্গে ব্যাপক আলোচনার ভিত্তিতেই বর্তমান সংস্কার প্রস্তাব তৈরি হয়েছে। যে সরকার সংস্কারের দায়িত্ব নিয়ে গঠিত, গণতান্ত্রিক সিদ্ধান্তের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সেই সংস্কার থেকে নিজেদের দূরে রাখবে—এমন প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়। আন্তর্জাতিক গণতান্ত্রিক চর্চার উদাহরণ টেনে সরকার বলেছে, বিশ্বের বহু দেশে সরকারপ্রধানরা গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনসংক্রান্ত গণভোটে প্রকাশ্যে পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। যুক্তরাজ্য, স্কটল্যান্ড, তুরস্ক, কিরগিজস্তান ও ফ্রান্সের গণভোটের নজির উল্লেখ করে বলা হয়, এসব ক্ষেত্রে সরকারপ্রধানদের ভূমিকা গণতান্ত্রিক রীতির অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়েছে। সরকার আরও জানায়, বাংলাদেশের গণভোটে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো নির্বাচনী বা রাজনৈতিক স্বার্থ জড়িত নয়। সংস্কার গৃহীত বা প্রত্যাখ্যাত হলে তার বাস্তবায়নের দায়িত্ব থাকবে ভবিষ্যৎ নির্বাচিত সরকারের ওপর। ফলে অযথা প্রভাব বিস্তারের ঝুঁকি সীমিত। জেলা পর্যায়ে সরকারি প্রচারণা প্রসঙ্গে বলা হয়, এর উদ্দেশ্য জনগণকে সংস্কারের বিষয়বস্তু ও গুরুত্ব সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া, যাতে বিভ্রান্তি দূর হয় এবং নাগরিকরা তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। উপসংহারে সরকার বলেছে, এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি সমর্থনে নয়, বরং দ্বিধা ও নীরবতায়। সংস্কারের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থান কোনো নীতিগত লঙ্ঘন নয়; বরং এটি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতারই প্রকাশ। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেবে দেশের জনগণ—এটাই গণতন্ত্রের মূল শক্তি।
বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত অন্তত ৫ হাজার, স্বীকার করলো ইরান

বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত অন্তত ৫ হাজার, স্বীকার করলো ইরান ইরানে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে প্রথমবারের মতো দেশটির সরকার স্বীকার করেছে। রোববার দেশটির আঞ্চলিক এক সরকারি কর্মকর্তা বিক্ষোভ সহিংসতায় হতাহতের শিকার লোকজনের তথ্য যাচাই-বাছাইয়ে কর্তৃপক্ষ এমন পরিসংখ্যান পেয়েছে বলে জানিয়েছেন। ওই কর্মকর্তা বলেছেন, দেশে চলমান বিক্ষোভে অন্তত ৫ হাজার মানুষের প্রাণহানির তথ্য কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছে। নিহতদের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ৫০০ সদস্য রয়েছেন। তিনি এসব হত্যাকাণ্ডের জন্য বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও সশস্ত্র দাঙ্গাবাজদের দায়ী করে বলেছেন, তারা ‘‘নিরীহ ইরানিদের’’ হত্যা করেছে। বিষয়টি স্পর্শকাতর হওয়ায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তা ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই তথ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি অধ্যুষিত এলাকায় সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাত ও সর্বাধিক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ওই অঞ্চলে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় রয়েছেন এবং দেশটির অতীতের অস্থিতিশীলতার সময়ও সেখানে ভয়াবহ সহিংসতার রেকর্ড রয়েছে। দেশটির সরকারি ওই কর্মকর্তা বলেছেন, বিক্ষোভ-সহিংসতায় প্রাণহানির চূড়ান্ত সংখ্যায় বড় ধরনের উল্লম্ফনের সম্ভাবনা নেই। একই সঙ্গে ইসরায়েল ও বিদেশে থাকা সশস্ত্র বিভিন্ন গোষ্ঠী রাস্তায় নামা লোকজনকে সমর্থন ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। ইরানি কর্তৃপক্ষ দেশটিতে বিভিন্ন সময়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির জন্য বিদেশি শত্রুদের দায়ী করে থাকে। এর মধ্যে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কট্টর বিরোধী প্রতিদ্বন্দ্বী ইসরায়েলও রয়েছে। গত বছরের জুনে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রও সাম্প্রতিক বিক্ষোভ-সহিংসতায় উসকানি ও অস্ত্র সরবরাহ করেছে বলে অভিযোগ করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এদিকে, শনিবার যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ বলেছে, ইরান বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩ হাজার ৩০৮ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া দেশটির নজিরবিহীন এই সংঘাতে আরও ৪ হাজার ৩৮২ জনের বিষয়ে তথ্য যাচাই-বাছাই চলছে। সংস্থাটি বলেছে, বিক্ষোভ চলাকালীন ইরানি কর্তৃপক্ষ ২৪ হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে। নরওয়ে-ভিত্তিক ইরানি কুর্দিপন্থীদের মানবাধিকার সংগঠন হেঙ্গাও বলেছে, গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে ইরানের যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তা সবচেয়ে সহিংস আকারে ছড়িয়ে পড়ে উত্তর-পশ্চিমের কুর্দি অধ্যুষিত বিভিন্ন এলাকায়। অন্যদিকে, রোববার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম সানডে টাইমসের এক প্রতিবেদনে ইরানি চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সাড়ে ১৬ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহতদের বেশিরভাগের বয়স ৩০ বছরের কম এবং তরুণ। এছাড়া বিক্ষোভে আহত হয়েছেন প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। বেশিরভাগই মানুষ নিহত হয়েছেন দু’দিনের ব্যবধানে। ইরানি-জার্মান চক্ষু চিকিৎসক প্রফেসর আমির পারাস্তা সানডে টাইমসকে বলেছেন, এটি অন্য মাত্রার নৃশংসতা। এবার তারা মিলিটারি গ্রেডের অস্ত্র ব্যবহার করেছে। আমরা মাথা, গলা, বুকে গুলি এবং শার্পনেলের আঘাত দেখতে পেয়েছি। সানডে টাইমস বলছে, ইরানের বড় আটটি চক্ষু হাসপাতাল এবং ১৬টি হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হতাহতের ওই পরিসংখ্যান পাওয়া গেছে। চিকিৎসকরা সাধারণ ইন্টারনেট বন্ধ থাকা সত্ত্বেও নিষিদ্ধ স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহার করে যোগাযোগ করতে সমর্থ হয়েছেন বলে দাবি করেছে সানডে টাইমস। আহতদের অনেকে চোখে আঘাত পেয়েছেন বলেও এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যরা বিক্ষোভকারীদের ওপর শটগান থেকে গুলিবর্ষণ করেছেন। গুলিতে প্রায় ৭০০ জন অন্ধ হয়ে গেছেন। গত মাসের শেষ দিকে ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং গত ৭ ও ৮ জানুয়ারি তা সহিংস আকার ধারণ করে। ওই সময় আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতনের শঙ্কাও তৈরি হয়। তবে দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী কঠোর অবস্থানে যাওয়ায় বর্তমানে বিক্ষোভ প্রায় স্থিমিত হয়ে পড়েছে। সূত্র: রয়টার্স, সানডে টাইমস।
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এর মাধ্যমে বহুল প্রত্যাশিত এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথে আরও এক ধাপ অগ্রগতি হলো। রোববার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ পর্যায়ের সব আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর অধ্যাদেশটি সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই এটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এর আগে বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অধ্যাদেশটি চূড়ান্ত করার আগে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও স্বচ্ছ ধাপ অনুসরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর মতামত গ্রহণ, জনমতের জন্য ওয়েবসাইটে খসড়া প্রকাশ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের অভিমত নিয়ে একটি সর্বজনগ্রাহ্য কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, খসড়া অধ্যাদেশ প্রণয়নের ক্ষেত্রে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের লক্ষ্য ছিল একটি আধুনিক, যুগোপযোগী ও অংশীজনদের প্রত্যাশা-প্রতিফলিত শিক্ষা কাঠামো তৈরি করা, যাতে বিদ্যমান উদ্বেগ ও প্রশ্নেরও সমাধান থাকে। এদিকে অধ্যাদেশটি বর্তমানে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় বলছে, একটি টেকসই ও বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিটি ধাপ সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা প্রয়োজন। এ সময় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয় বা স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়—এমন কোনো কর্মসূচি কিংবা আবেগপ্রসূত কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা দীর্ঘদিনের এই অগ্রযাত্রাকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়। অতিরিক্ত সচিব মো. মাহবুবুল হক পাটওয়ারী বলেন, দীর্ঘদিনের পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ের এই ধারা অব্যাহত থাকলে খুব শিগগিরই ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
মোদির সভা শুরুর আগেই ডিম-ভাত খেলেন বিজেপি কর্মীরা

মোদির সভা শুরুর আগেই ডিম-ভাত খেলেন বিজেপি কর্মীরা ভারতের হুগলির সিঙ্গুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেগা জনসভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে জনসভায় যোগ দেওয়ার আগে জেলার বিভিন্ন প্রান্তের বিজেপি কর্মীরা দলবেঁধে ডিম-ভাত খেয়ে সভার প্রস্তুতি সারেন। সারাদিন সভার ব্যস্ততায় খাওয়ার সময় পাওয়া যাবে না এই আশঙ্কায় সকাল সকাল পেট ভরে আহার সেরে নেন তারা। আনন্দবাজার অনলাইনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিজেপি কর্মীদের এই ‘ডিম-ভাত’ ভোজ মূলত ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের ব্রিগেডের সেই আলোচিত ‘ডিম্ভাত’ স্মৃতিকেই নতুন করে উসকে দিয়েছে।রোববার সকালে হুগলির গ্রামাঞ্চলে শীতের আমেজ থাকলেও মোদির সভাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীদের মধ্যে ছিল বনভোজনের মেজাজ। ইটের অস্থায়ী উনুন বানিয়ে বড় কড়াইয়ে চলছে রান্না। মেনু হিসেবে প্রায় সর্বত্রই ছিল গরম ভাত আর ডিমের ঝোল, কোথাও আবার বাড়তি পদ হিসেবে ছিল সয়াবিনের তরকারি। বিজেপি কর্মীদের দাবি, কম সময়ে এবং স্বল্প খরচে ডিম-ভাতের চেয়ে পুষ্টিকর ও দ্রুত তৈরি করা যায় এমন খাবার আর নেই। তাই দীর্ঘক্ষণ সভায় থাকার শক্তি জোগাতে তারা এই পদকেই বেছে নিয়েছেন। বাংলার রাজনীতিতে বড় সভার আগে সমর্থকদের ডিম-ভাত খাওয়ানোর সংস্কৃতি দীর্ঘদিনের এবং এটি কোনো বিশেষ দলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ২০১৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন ব্রিগেডে বিরোধী জোটের সমাবেশের আয়োজন করেছিলেন, তখন তৃণমূলের পক্ষ থেকে কর্মীদের জন্য ডিম-ভাতের ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই সময় দেওয়াল লিখনে বানান ভুলের কারণে ‘ডিম্ভাত’ শব্দটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি হয়েছিল। এমনকি বামপন্থীদের সভাতেও কর্মীদের ডিম-ভাত খেতে দেখা গেছে। মোদির সভার আগে বিজেপির এই আয়োজন প্রমাণ করল যে রাজনৈতিক আদর্শ ভিন্ন হলেও জনসভার ঝক্কি সামলাতে সব পক্ষই শেষ পর্যন্ত সস্তা ও সুষম আহার হিসেবে ডিম-ভাতের ওপরই ভরসা রাখে। সিঙ্গুরের ‘টাটার মাঠে’ আয়োজিত এই সভায় যোগ দিতে সকাল থেকেই বাসে করে রওনা দেন কর্মীরা। মূলত তৃণমূলের দুর্নীতি এবং সিঙ্গুরের হারানো শিল্প ফিরিয়ে আনার দাবিকে সামনে রেখেই এই ‘পরিবর্তন সংকল্প জনসভা’র আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আসার আগেই কর্মীদের মধ্যে চনমনে ভাব বজায় রাখতে দলীয় স্তরে এই খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। রাজনীতির মাঠে ‘ডিম্ভাত’ নিয়ে যতই ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ হোক না কেন, বাস্তব চিত্র হলো কঠোর পরিশ্রমী কর্মী-সমর্থকদের কাছে চার দেয়ালের রাজনীতির চেয়েও পাতের এই সহজলভ্য আহারটি অনেক বেশি তৃপ্তিদায়ক ও কার্যকর। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
দেশের ৮০ কেন্দ্রে দেওয়া হবে হজযাত্রীদের টিকা

দেশের ৮০ কেন্দ্রে দেওয়া হবে হজযাত্রীদের টিকা হজযাত্রীদের জন্য টিকাদান কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ২০২৬ সালের হজে অংশগ্রহণকারী যাত্রীদের দেশের ৮০টি কেন্দ্র থেকে মেনিনজাইটিস ও ইনফ্লুয়েঞ্জার টিকা দেওয়া হবে। শনিবার ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-১ শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সারা দেশের ৬৪টি সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে হজযাত্রীরা টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। এ ছাড়া ঢাকা মহানগরীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ), কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ সচিবালয় ক্লিনিক থেকেও টিকা নেওয়ার সুযোগ থাকবে। ঢাকার বাইরে গাজীপুরের শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতাল ও শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল এবং দিনাজপুরের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতাল থেকেও হজযাত্রীরা টিকা গ্রহণ করতে পারবেন। টিকা প্রদানের নির্ধারিত তারিখ পরবর্তীতে হজযাত্রীদের মোবাইল ফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। টিকা গ্রহণের সময় স্বাস্থ্য পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার রিপোর্ট এবং হজ পোর্টাল (www.hajj.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করা ই-হেলথ প্রিন্ট সঙ্গে রাখতে হবে। হজ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য হজ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হটলাইন নম্বর ১৬১৩৬-এ যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।