নাচোলে এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান-কে গণসংবর্ধনা

নাচোলে এমপি ড. মু. মিজানুর রহমান-কে গণসংবর্ধনা চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল-গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনের সংসদ সদস্য ড. মু. মিজানুর রহমান নির্বাচনের পর এলাকায় এসে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়। রোববার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নেজামপুর বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতি, আলিম মাদ্রাসা, গ্রিনভ্যালি অ্যাকাডেমি এবং বিভিন্ন সংগঠন ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা ফুলের তোড়া দিয়ে এমপিকে বরণ করেন। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর তিনি বরেন্দা গ্রামে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। গ্রামবাসীর সঙ্গে আলোচনায় সূতিহার দিঘি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের বিষয়ে কথা বলেন এবং সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে হাটবাকইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন তিনি। এছাড়া মুরগীডাঙ্গা, বকুলতলা বাজার, গোসাইপুর ও দোগাছী গ্রামেও তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে লর্ড ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মবার্ষিকী উদযাপন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে লর্ড ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মবার্ষিকী উদযাপন স্কাউট আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা লর্ড ব্যাডেন পাওয়েলের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জে বর্ণিল আয়োজন করেছে বাবুডাইং আলোর পাঠশালা। রোববার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। সকাল সাড়ে ১০টায় বিদ্যালয়ের মিলনায়তনে কাব শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে চিত্রাঙ্কন ও কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য তিনটি বিভাগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়। অন্যদিকে ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং নবম, দশম ও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দুটি পৃথক বিভাগে কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। চিত্রাঙ্কনের বিষয় ছিল জাতীয় শহীদ মিনার ও জাতীয় পতাকা। কুইজের বিষয় নির্ধারণ করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। কুইজ প্রতিযোগিতা শেষে দুপুর সাড়ে ১২টায় আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বাবুডাইং আলোর পাঠশালা স্কাউট গ্রুপের সভাপতি আলী উজ্জামান নূর এবং সম্পাদক ও সিনিয়র শিক্ষক সাঈদ মাহমুদসহ অন্য শিক্ষকবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কাব স্কাউট লিডার মেহেদী হাসান। আলোচনা পর্ব শেষে প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, লর্ড ব্যাডেন পাওয়েল ১৮৫৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯০৭ সালে ইংল্যান্ডে স্কাউট আন্দোলনের সূচনা করেন। বর্তমানে তাঁর প্রবর্তিত স্কাউট আন্দোলন বিশ্বের ১৭৪টি দেশে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
ঝিলিমে স্মার্ট প্রকল্পের এক্সপোজার ভিজিট, আমবাগানে সোলার ব্যবহারে প্রশিক্ষণ

ঝিলিমে স্মার্ট প্রকল্পের এক্সপোজার ভিজিট, আমবাগানে সোলার ব্যবহারে প্রশিক্ষণ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নের কালুপুর গ্রামে আয়োজিত এক এক্সপোজার ভিজিটে অংশ নিয়ে আমবাগানে সোলার প্যানেলের ব্যবহার ও এর বহুমুখী সুবিধা সম্পর্কে জানলেন ৩০ জন সদস্য। প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি পরিচালিত সাসটেইনেবল মাইক্রোএন্টারপ্রাইজ অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স ট্রান্সফরমেশন (স্মার্ট) প্রকল্পের উদ্যোগে রোববার বিকেলে এ ভিজিট অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা সরেজমিনে সোলার প্রযুক্তির প্রয়োগ পদ্ধতি, খরচ সাশ্রয় এবং পরিবেশবান্ধব দিকগুলো সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলম, টেকনিক্যাল অফিসার রিফাত আমিন, পরিবেশ কর্মকর্তা ইকবাল মাহমুদ, এমআইএস ও ডকুমেন্টেশন অফিসার মনজিলা আক্তার সুমি, সহকারী টেকনিক্যাল অফিসার আল মামুন শাহ, স্বপন কুমার সরকার এবং উদ্যোক্তা আব্দুল জব্বার। পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)-এর সহযোগিতায় এ এক্সপোজার ভিজিটের আয়োজন করা হয়। আয়োজকরা জানান, কৃষিখাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন আটক, থানায় মামলা

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদরে ৬ কেজি গাঁজাসহ ১জন আটক, থানায় মামলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়। আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের শিমুলতলা বালুচর গ্রামে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আটক ব্যক্তি হলেন একই গ্রামের বাসিন্দা মৃত মাহতাব উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম ওরফে বুধু মন্ডল। জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (ডিডি) চৌধুরী ইমরুল হাসান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে নুরুল ইসলামের হেফাজত থেকে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হয়? যা করবেন

ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হয়? যা করবেন সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে নানান ধরনের খাবার খাওয়া হয়। মসলাদার খাবার, ডুবো তেলে ভাজা মুখরোচক খাবার খেলে অ্যাসিডিটির সমস্যা বেশি দেখা দেয়। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে সচেতন থাকতে হবে। ইফতার ও সেহেরিতে মশলাদার ও ভাজা খাবার এড়িয়ে চলতে হবে। তরল ও কম মশলাযুক্ত খাবার খেতে হবে। এছাড়াও খেতে হবে নির্দিষ্ট কিছু খাবার, যা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। অ্যাসিডিটি দূর করতে কী খাবেন কলা তীব্র গ্যাস এবং অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে খাদ্যতালিকায় কলা রাখুন। প্রতিদিন সেহরি বা ইফতারে একটি পাকা কলা খান। কলা পাকস্থলীর অ্যাসিড কমাতে সাহায্য করে। এতে পটাসিয়াম ও প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড রয়েছে, যা পেটের আস্তরণকে আবৃত করে, অ্যাসিডিটির জ্বালাপোড়া কমায়। কলা হজম বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ ইফতারের পর অ্যাসিডিটি হলে এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পান করুন। দুধ পেটের অ্যাসিডকে কমাতে সাহায্য করে। ঠান্ডা দুধ পেটের অতিরিক্ত অ্যাসিড কার্যকরভাবে শোষণ করে। তবে আপনার যদি ল্যাক্টোজ ইনটলারেন্স থাকে তাহলে দুধ পান না করাই ভালো। ডাবের পানি রোজায় অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভুগলে লেবুর শরবতের বদলে বেছে নিন প্রাকৃতিক পানীয়। সেটি হতে পারে ডাবের পানি। অ্যাসিডিটি কমাতে ডাবের পানি বিশেষভাবে কার্যকরী। ডাবের পানি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। সেইসঙ্গে এ পানিতে থাকে উপকারী মিনারেলসও। পুদিনা পাতা ইফতার করার পর অ্যাসিডিটি হলে কয়েকটি পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন। চাইলে এক কাপ পানিতে কয়েকটি পুদিনা পাতা দিয়ে সেদ্ধ করে সেই পানিও পান করতে পারেন। এ পাতা অ্যাসিডিটি কমাতে সহায়ক। আদা অ্যাসিডিটি থেকে মুক্তি পেতে আদা কুচি করে কেটে লবণ দিয়ে খেতে পারেন। আদায় থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে সহায়ক। আদা খেতে অস্বস্তি লাগলে মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। এটি পাকস্থলী ও অন্ত্রের পেশিতে প্রভাব ফেলে যা কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাসের সমস্যা কমাতে সহায়তা করে।
রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন

রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন রোজার সময়ে খাবারের রুটিন পুরোটাই বদলে যায়। তিনবেলা খাবারের বদলে তখন দুইবেলা খাবার প্রাধান্য পায়- সেহরি ও ইফতার। রোজায় কী খাবেন তা নির্ভর করে কোন খাবারগুলো আপনার শরীরের জন্য সবচেয়ে ভালো কাজ করে তার ওপর। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পুষ্টিকর খাবারকে অগ্রাধিকার দেওয়া যাতে সীমিত ক্যালোরি গ্রহণের পরেও আপনি সুস্থ ও সতেজ থাকতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজায় সুস্থ থাকতে কী খাবেন- প্রচুর প্রোটিন খান প্রোটিন এবং ওজন হ্রাস একসঙ্গে চলে। রোজার সময় প্রোটিন গ্রহণ বজায় রাখা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ শরীর চর্বি এবং কার্বোহাইড্রেটের মতো প্রোটিন ধরে রাখতে পারে না। এটি দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে, ওজন হ্রাসের সময় পেশী হ্রাস রোধ করে। সঠিকভাবে পুষ্ট এবং শক্তিশালী থাকার জন্য প্রতিদিন প্রস্তাবিত ৬০ গ্রাম বা তার বেশি প্রোটিন গ্রহণ করার চেষ্টা করুন। মুরগির বুকের মাংস, ডিম, পনির, টক দই এবং বিভিন্ন ধরনের মাছ রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়। ফাইবার ফাইবার অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যাবশ্যক এবং বিশেষজ্ঞরা একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তিকে প্রতিদিন প্রায় ৩০ গ্রাম ফাইবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। এটি আমাদের পাচনতন্ত্রকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। ফাইবারের রয়েছে অনেক উপকারিত। ছোলা, ফুলকপি, ব্রোকলি এবং মটরশুটি রাখতে পারেন খাবারের তালিকায়। স্বাস্থ্যকর চর্বি স্বাস্থ্যকর চর্বিতে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন এবং খনিজ থাকে যেমন বি১২, আয়োডিন, ক্যালসিয়াম এবং ওমেগা-৩। এগুলো আপনাকে শক্তি দিতে, রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং সুস্থ কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করবে। যদিও স্বাস্থ্যকর চর্বিতে ক্যালোরি বেশি হতে পারে, তবুও রোজার সমেয় এগুলো খাবারের তালিকায় যোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। অলিভ অয়েল, অ্যাভোকাডো, বাদাম, জলপাই এবং তৈলাক্ত মাছ নিয়মিত খাওয়ার চেষ্টা করুন।
ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন

ক্রিকেটার শেখ মেহেদী মা হারালেন জাতীয় ক্রিকেট দলের অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী হাসানের মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তার মা মমতাজ বেগম রবিবার সকালে খুলনায় শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। বিষয়টি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে। বিসিবি শোক প্রকাশ করে জানিয়েছে, ‘মমতাজ বেগমের মৃত্যুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) গভীর শোক প্রকাশ করছে। আমরা শেখ মেহেদী হাসান এবং তার পরিবারের প্রতি আমাদের সমবেদনা ও সহানুভূতি জানাচ্ছি। শেখ মেহেদী টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে জাতীয় দলের নিয়মিত সদস্য। চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ঘোষিত স্কোয়াডেও ছিলেন তিনি। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ শ্রীলংকা থেকে বিকল্প ভেন্যুতে খেলার চেষ্টা করলেও আইসিসি সেই অনুরোধ গ্রহণ করেনি। মেহেদী ২০১৮ সালে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে অভিষেক করেন। এ ফরম্যাটে ৭০ ম্যাচে ৬৮ ইনিংসে ২৪.০৫ গড়ে ৬৮ উইকেট নিয়েছেন এবং ওভারপ্রতি ৬.৭৩ রান দিয়েছেন। ব্যাট হাতে ৪৮ ইনিংসে ১১.৮৬ গড়ে ৪২৭ রান করেছেন, স্ট্রাইকরেট ১০১.১৮। ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০২১ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এখন পর্যন্ত ১১ ম্যাচে ৩১.১৪ গড়ে ১৪ উইকেট এবং ব্যাট হাতে ১২২ রান, গড় ১৫.২৫ করেছেন তিনি।
বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা

বাংলাদেশকে অলআউট করে চ্যাম্পিয়ন ভারতের মেয়েরা ১৩৫ রানের লক্ষ্যটা বড়ই ছিল বলা যায় বাংলাদেশ ‘এ’ দলের জন্য। ভারতের মেয়েদের বোলিং তোপে মাত্র ৮৮ রানে অলআউট হয়েছে ফাহিমা খাতুনের দল। ৪৬ রানে জিতে আবারও এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত ‘এ’ দল। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ভারতের বোলারদের সম্মিলিত আক্রমণে ১০০ রানও করতে পারেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। ৮৮ রানে অলআউটে হয়েছ স্বপ্নভঙ্গ। ১১ ব্যাটারের ৭ জনই দুই অঙ্কের ঘর স্পর্শ করতে পারেনি বাংলাদেশের। এরমধ্যে একজন ছিলেন কোনো বল না খেলে শূন্য রানে অপরাজিত। সর্বোচ্চ ২০ রান করেছেন শামিমা সুলতানা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৮ রান এসেছে শারমিন সুলতানার ব্যাটে। অধিনায়ক ফাহিমা খাতুন করেছেন ১৪ রান। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট পেয়েছেন প্রেমা রাওয়াত। দুটি করে সোনিয়া মেনধিয়া ও তেনুজা কানওয়ার। একটি করে উইকেট গেছে সাইমা ঠাকুর, মিন্নু মানি ও রাধা যাদবের ঝুলিতে। এর আগে, বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে ১৩৫ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ভারতের নারীরা। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতের মেয়েরা। ব্যাট করতে নেমে শুরুতে ভারতের ওপর চাপ সৃষ্টি করে বাংলাদেশের মেয়েরা। ৪৪ রানেই তুলে নেয় ভারতের ৪টি উইকেট। এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় ভারতীয় মেয়েরা। তেজাল হাসাবনিস ও রাধা যাদবের ব্যাটে ৭৯ রানের জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ায় তারা। ৩০ বলে ৩৬ রান করে রাধা যাদব আউট হয়ে গেলেও তেজাল হাসাবনিস ৩৪ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন। এছাড়া ১৯ রান করেন দিনেশ ব্রিন্দা। শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৪ রান সংগ্রহ করে ভারতীয় নারী ক্রিকেট দল। বাংলাদেশের হয়ে ফাহিমা খাতুন ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে একাই নেন ৪ উইকেট। ১টি করে উইকেট নেন ফারজানা ইয়াসমিন ও ফাতিমা জাহান।
যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরিয়ে নিচ্ছে কাতার ও বাহরাইন থেকে

যুক্তরাষ্ট্র সেনা সরিয়ে নিচ্ছে কাতার ও বাহরাইন থেকে ইরানের সঙ্গে বাড়তে থাকা উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত শত শত সেনা সরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কাতার ও বাহরাইনে থাকা সামরিক ঘাঁটি থেকে এ প্রত্যাহার শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। পেন্টাগনের গোপন সূত্রের বরাতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে ইতোমধ্যে কয়েক শ মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটি, যেখানে নিয়মিত প্রায় ১০ হাজার সেনা মোতায়েন থাকেন। বাহরাইন থেকেও সেনা প্রত্যাহার করা হয়েছে। দেশটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম বহরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। এর আগে ২০ ফেব্রুয়ারি আল জাজিরা জানিয়েছিল, সিরিয়ায় অবস্থানরত প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন।বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় এসব পদক্ষেপ ‘সতর্কতামূলক ব্যবস্থা’ হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায়, তবে তেহরান পাল্টা জবাবে এ অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে। গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের মিশন এক চিঠিতে সতর্ক করে বলেছে, ইরান আক্রান্ত হলে এ অঞ্চলে থাকা শত্রু বাহিনীর সব ঘাঁটি ও স্থাপনাকে ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায়ভার ওয়াশিংটনকেই নিতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। তবে কাতার ও বাহরাইন থেকে সেনা কমালেও ইরাক, সিরিয়া, কুয়েত, সৌদি আরব, জর্ডান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিভিন্ন ঘাঁটিতে এখনো মার্কিন বাহিনী অবস্থান করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত সামরিক প্রস্তুতি জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রশাসন ও পেন্টাগনের কয়েকজন কর্মকর্তার মতে, প্রস্তুতি এমন পর্যায়ে রয়েছে যে চাইলে চলতি সপ্তাহের শেষের দিকেই ইরানে হামলা চালাতে পারে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে ১০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়ে সতর্ক করেছেন এই সময়ের মধ্যে সমঝোতা না হলে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের বৈশ্বিক পণ্যের ওপর শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন। বিবিসি, রয়টার্সসহ একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের বৈশ্বিক পাল্টা শুল্ক আরোপের পদক্ষেপ বাতিল করে রায় দেন। আদালত বলেন, অর্থনৈতিক জরুরি অবস্থা-সংক্রান্ত আইনের আওতায় উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করে প্রেসিডেন্ট তার ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আদালতের এই রায়ের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ভিন্ন একটি বাণিজ্য আইনে বিশ্বের প্রায় সব দেশের পণ্যে ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। শনিবার এটা বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছি যে, আজ থেকেই বিশ্বের সব দেশের ওপর আমাদের আরোপ করা ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হলো। অনেক দেশ বছরের পর বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রকে ঠকিয়ে আসছিল এবং এর কোনো বিচারও হচ্ছিল না (যতক্ষণ না আমি ক্ষমতায় এসেছি!)। এখন থেকে আইন মেনেই তাদের ওপর এই বাড়তি কর কার্যকর হবে। এর আগে শুক্রবার আদালত কর্তৃক বাতিল হওয়া শুল্কের জায়গায় যুক্তরাষ্ট্রে আসা সব পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের কথা বলেছিলেন ট্রাম্প। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি বলছে, ১৯৭৪ সালের ট্রেড অ্যাক্টের সেকশন ১২২–এর অধীনে নতুন করে ১৫ শতাংশ কর আরোপের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাজ্য ও অস্ট্রেলিয়াসহ কিছু দেশের জন্য প্রশ্ন তৈরি করেছে। কারণ এসব দেশ আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১০ শতাংশ শুল্ক চুক্তি করেছিল। আইনে বলা আছে, নতুন এই কর প্রায় পাঁচ মাস পর্যন্ত চালু রাখা যাবে। এরপর এটি চালিয়ে যেতে হলে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে হবে। আগামী মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) থেকেই তার ১০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হওয়ার কথা। এখন সেটি যদি ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হয় তাহলে সেটি কখন থেকে কার্যকর হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়। উল্লেখ্য, গত বছর জরুরি অর্থনৈতিক শক্তি আইন (আইইইপিএ)) এর অধীনে বিশ্বের সব দেশের ওপর পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেন ট্রাম্প। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে। আদালত বলেছেন, ট্রাম্প তার ক্ষমতার অধিক ব্যবহার করেছেন। শুল্ক আরোপের আগে তার কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া উচিত ছিল।