তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন

তারেক রহমানকে প্রধান উপদেষ্টার অভিনন্দন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে জয়লাভ করায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে অভিনন্দন বার্তার বিষয়ে জানানো হয়। অভিনন্দন বার্তায় তারেক রহমানের উদ্দেশে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় জনগণের এই সুস্পষ্ট রায় দেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি রাষ্ট্র পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আপনার প্রজ্ঞা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও জনকল্যাণমুখী চেতনার আলোকে আপনি দেশকে একটি স্থিতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নয়নমুখী পথে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। আমি স্মরণ করছি আপনার পিতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ  ও রাষ্ট্রদর্শন এবং আপনার মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকারের কথা। তাদের আদর্শ ও মহান কর্ম আপনার আগামী দিনের চলার পথকে আলোকিত করবে বলে আমি একান্তভাবে আশা করি।’ প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে এক নতুন সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক রূপান্তর, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি, জলবায়ু সহনশীলতা, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে সক্রিয় অংশগ্রহণ—এসব ক্ষেত্রে সুসমন্বিত মেধা, মননশীলতা ও প্রজ্ঞার প্রয়োগ অপরিহার্য। আশা করি, আপনার নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় হবে এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, আইনের শাসন ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা আরো শক্তিশালী হবে।’ ড. ইউনূস বলেন, ‘একই সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব পালনকালে আপনার মূল্যবান সহযোগিতা ও গঠনমূলক ভূমিকার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পরিবর্তনের এই সংবেদনশীল সময়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখা, সহনশীলতা প্রদর্শন এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকার ক্ষেত্রে আপনার ইতিবাচক অবস্থান জাতীয় স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। পরিশেষে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দেশের মানুষের কল্যাণ, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে আপনার সব উদ্যোগ সফল হোক—এই কামনা করি। মহান আল্লাহ আপনাকে দেশ ও জাতির সেবায় প্রজ্ঞা, ধৈর্য ও দৃঢ়তা দান করুন।’

বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন তারেক রহমান

বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে আসছেন তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে বিজয়ের পর সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে বিএনপি। আজ শনিবার বিকেল ৩টায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের বলরুমে এই নির্বাচনোত্তর সংবাদ সম্মেলন হবে। দলটির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেবে বিএনপি। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেবেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের ফলাফল, সরকার গঠনের প্রস্তুতি, সম্ভাব্য জোট রাজনীতি এবং আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তারেক রহমান গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দেবেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী জেলার ৫টি উপজেলার ৩টি সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ভোটারসহ মোট ভোটার ছিলেন ১৪ লাখ ১০ হাজার ৯৯৭ জন। তাদের মধ্যে গণভোটে পোস্টাল ভোটসহ হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ৬ লাখ ৬৭ হাজার ৪২৬ জন ভোটার। অন্যদিকে না ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৯ জন ভোটার। জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার শাহাদাত হোসেন মাসুদ আজ সকালে জেলা প্রশাসন ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় আয়োজিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ফলাফল একত্রীকরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৮২০ জন। এর মধ্যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২৫ হাজার ৯৩৩ জন এবং না ভোট দিয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার ৬৮ জন। অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩৭২ জন। তাদের মধ্যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ১৩ হাজার ১৯২ জন এবং না ভোট দিয়েছেন ৯৫ হাজার ৭৪৭ জন। অপরদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে ভোটার ছিলেন ৪ লাখ ৬০ হাজার ৮০৫ জন। তাদের মধ্যে গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিয়েছেন ২ লাখ ২৮ হাজার ৩০১ জন এবং না ভোট দিয়েছেন ৬৭ হাজার ৭০৪ ভোট।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনেই জয় পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এই নির্বাচনে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্য প্রার্থীদের শোচনীয় পরাজয়। গতকাল অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পর আজ জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শাহাদাত হোসেন মাসুদের স্বাক্ষরিত ফলাফল শিট থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ্বি বাদে নির্বাচনি মাঠে থাকা অন্য সব প্রার্থীই তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে তার জামানত রক্ষা করতে হলে মোট প্রদত্ত ভোটের অন্তত ৮ ভাগের ১ ভাগ পেতে হয়। তবে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জনই এই ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হয়েছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭ আসনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০৯টি আসন বিএনপি, ৬৮টি জামায়াত, এনসিপি ৬টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২টি, ইসলামি আন্দোলন ১টি, খেলাফত মজলিস ১টি, গণসংহতি ১টি, বিজেপি ১টি, গণঅধিকার ১টি, স্বতন্ত্র ৭টি আসনে জয় লাভ করেছে। আজ দুপুর আড়াইটার দিকে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, চট্টগ্রাম-২ ও চট্টগ্রাম-৪ আসনের ফলাফল ঘোষণা স্থগিত রাখা হয়েছে। এই দুটি আসনের ফলাফল পরে ঘোষণা করা হবে। একটি আসনের ফলাফল আগেই স্থগিত করা হয়। আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচনে মোট ভোট দিয়েছে ৫৯. ৪৪ শতাংশ। আর গণভোটে ৬০.২৬ শতাংশ প্রদান করেছে সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে ‘হ্যা’ ভোট দিয়েছে ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ এবং ‘না’ ভোট দিয়েছে ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি। তিনি আরও বলেন, গণভোটে ২৯৯টি আসনের গণভোট গণনা করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ ভোট পড়েছে। আজ নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। গতকাল ভোটে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন হয়েছে। শেরপুর-৩ আসনে একজন বৈধ প্রার্থী শেষ দিকে মৃত্যুবরণ করায় সেই আসনের ভোট স্থগিত রেখেছে কমিশন। এই আসনের এখন নতুন তফসিল দিয়ে ভোট করতে হবে। নির্বাচনে দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। শেরপুর-৩ আসনের চার লাখ ১৩ হাজার ৩৩৭ জন ভোটার সঙ্গত কারণে এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাননি। ফলে ২৯৯ আসনের নির্বাচনে ভোট দেওয়ার সুযোগ পেয়েছেন ১২ কোটি ৭২ লাখ ৯৮ হাজার ৪৫৬ জন।

এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন স্বাভাবিক

এমএফএস ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং লেনদেন স্বাভাবিক বিকাশ, রকেট ও নগদের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু হয়েছে। এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাকার অপব্যবহার রোধে ৪ দিনের জন্য এসব লেনদেন সীমিত করা হয়েছিল। গতকাল রাত ১২টার পর থেকে এসব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এর আগে, ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে এসব সেবা সীমিত করার ঘোষণা দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ৯ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত এ সীমা কার্যকর থাকবে। একই সময়ে ব্যাংকের অ্যাপ ও ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ স্থানান্তর বন্ধ থাকবে।

গণভোটের হার কত শতাংশ, জানালেন ইসি সচিব

গণভোটের হার কত শতাংশ, জানালেন ইসি সচিব ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনুষ্ঠিত গণভোটে গড়ে ৬০ দশমিক ২৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। আজ (শুক্রবার) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি। ইসি সচিব বলেন, এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনুষ্ঠিত গণভোটে শতকরা ভোট পড়েছে ৬০ দশমিক ২৬। হ্যাঁ-এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯ জন। আর ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭ জন। ফলে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হয়েছে। তিনি বলেন, এখন অনেকের প্রশ্ন হতে পারে জাতীয় নির্বাচনের চেয়ে গণভোট বেশি কেন। এর কারণ যে দুটো আসনে আদালতের নির্দেশনায় ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি। সেখানে গণভোটের ওপরে কোনো কিছু বলা নেই। সেজন্য এ শতাংশ বেড়েছে। এ সময় ২৯৭ আসনে কোন দল কত আসন পেয়েছে, সেই হিসাবও তুলে ধরেন তিনি। আখতার আহমেদ বলেন, আমাদের কাছে প্রাপ্ত বার্তা অনুযায়ী তথা ২৯৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি পেয়েছে ২০৯, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ৬৮, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ৬, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১, গণঅধিকার পরিষদ ১, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ১, গণসংহতি আন্দোলন ১, খেলাফত মজলিস ১ ও স্বতন্ত্র পেয়েছে ৭ আসন।

বেশি বয়সে এমপি হচ্ছেন মোশাররফ, কম বয়সি হান্নান মাসউদ

বেশি বয়সে এমপি হচ্ছেন মোশাররফ, কম বয়সি হান্নান মাসউদ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সে সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ। আর সবচেয়ে বেশি বয়সী বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন। নির্বাচনের বেসরকারি ফলাফল ও প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। হলফনামা অনুযায়ী, খন্দকার মোশাররফের জন্ম ১৯৪৬ সালের ১ অক্টোবর। তার বর্তমান বয়স ৭৯ বছর ৪ মাস। তিনি কুমিল্লা–১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বেসরকারি ফলাফলে তিনি ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৪০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান পেয়েছেন ৯৪ হাজার ৮৪৫ ভোট। এর আগে ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন খন্দকার মোশাররফ। সে সময় তিনি ৯৬ হাজার ৩৭৮ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। এদিকে নোয়াখালী ৬ (হাতিয়া) আসন থেকে জয়ী হয়েছেন হান্নান মাসউদ। তিনি পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মাহবুবের রহমান শামীম পেয়েছেন ৬৪ হাজার ২১ ভোট। নির্বাচনি হলফনামা অনুযায়ী, হান্নান মাসউদের জন্ম ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি। তার বর্তমান বয়স ২৬ বছর ১ মাস। এবারের নির্বাচনেই প্রথমবারের মতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তিনি সম্মুখসারির নেতা হিসেবে পরিচিতি পান। পরে তিনি এনসিপিতে যোগ দেন এবং ১১–দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন।

বাংলাদেশের জনগণ ও বিএনপিকে চীনের অভিনন্দন

বাংলাদেশের জনগণ ও বিএনপিকে চীনের অভিনন্দন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে তারা বিএনপির নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে। আজ শুক্রবার এক বার্তায় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা বলেছে, ‘একটি অবাধ ও সফল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন। সেই সঙ্গে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকেও (বিএনপি) জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। চীনা দূতাবাস আরও বলেছে, ‘আমরা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করতে এবং চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় রচনার অপেক্ষায় রয়েছি।