বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সচিবালয়ের এক নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০১ নম্বর নিজ কক্ষের ৫০ শতাংশ লাইট ও ৫০ শতাংশ এসি কমিয়ে দেন তিনি। একই সঙ্গে সকল মন্ত্রণালয় ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজ প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় মন্ত্রিসভা বৈঠকে অর্ধেক লাইট ও এসি ব্যবহার করা হয়। তিনি জানান, এখন থেকে সচিবালয়ের এক নম্বর বিল্ডিংয়ের ২০১ নম্বর প্রধানমন্ত্রী নিজ কক্ষে অর্ধেক লাইট ও এসি চালানো হবে। আর বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দিনের বেলা কক্ষের জানালার পর্দা খোলা রাখা হবে, যাতে বাইরে থেকে আসা সূর্যের আলো সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পর্যায়ক্রমে দেশের সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি অফিস-আদালত, শপিংমল, বাণিজ্যিক কার্যালয় ও বাসা-বাড়িসহ সর্বত্রে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। আতিকুর রহমান রুমন জানান, আজকের মন্ত্রিসভা বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে বিশেষভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীকে বিশেষজ্ঞ টিমের মাধ্যমে কার্যত আরও কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সেই ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী পরামর্শ দেন।

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন

ঈদের ছুটি বেড়ে ৭ দিন পবিত্র ঈদুল ফিতরে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও ছুটির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ প্রস্তাব উপস্থাপন করা হলে তা অনুমোদন দেওয়া হয়। এর ফলে এবার ঈদে কার্যত ছুটি হবে মোট ৭ দিন। চলতি বছরের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন ধরে সেদিন সাধারণ ছুটি। ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ২২ ও ২৩ মার্চ ঈদুল ফিতরের আগে দুই ও পরে দুই দিনসহ মোট চার দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। সবমিলিয়ে ঈদুল ফিতরের ছুটি পাঁচ দিন। ১৭ মার্চ (মঙ্গলবার) পবিত্র শবেকদরের ছুটি। ১৮ মার্চ ছুটি অনুমোদন দিল মন্ত্রিপরিষদ। সবমিলিয়ে ঈদুল ফিতরে টানা ৭ দিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা।

খামেনির মৃত্যুতে মামুনুল হকের সমবেদনা, দূতাবাসের শোকবইয়ে স্বাক্ষর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। আজ ঢাকার গুলশানে অবস্থিত ইরান দূতাবাসে গিয়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানান মামুনুল হক। এ সময় তিনি দূতাবাসে সংরক্ষিত শোকবইতে স্বাক্ষর করেন। এসময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত জালিল রাহিমি জাহান আবাদি উপস্থিত ছিলেন। শোক প্রকাশের পর উভয় পক্ষ দোয়ায় অংশ নেন। সংক্ষিপ্ত সাক্ষাতে মামুনুল হক মুসলিম উম্মাহর শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ঐক্য কামনা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, ইরান বর্তমান পরিস্থিতি অতিক্রম করে দ্রুত স্থিতিশীলতা অর্জন করবে এবং দেশটির সার্বিক উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে।এসময় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিব ফারিদ খান। ইরান দূতাবাসের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন কনস্যুলার ও ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্স বিভাগের কর্মকর্তা মাহমুদ খসরভি। উভয় পক্ষ পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার গুরুত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং মুসলিম বিশ্বের শান্তি ও সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে গৃহবধুর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার সদর উপজেলা থেকে যশোদা রানী হালদার নামে এক গৃহবধুর গলায় রশির ফাঁস দেয়া ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি বারঘরিয়া ইউনিয়নের নীলকুঠির মাঠ এলাকার নান্টু হালদারের স্ত্রী। স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকাল ৩ টার দিকে স্বামীর বাড়িতে নিজ শয়নকক্ষের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করে ছাদের বাঁেশর তীরের সাথে ফাঁস দেন যশোধা। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সন্ধ্যায় জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম বলেন, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানান ওসি।

৫০ জন স্পন্সরশীপ শিক্ষার্থীদের মাঝে মশারি বিতরণ

৫০ জন স্পন্সরশীপ শিক্ষার্থীদের মাঝে মশারি বিতরণ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫০ জন স্পন্সরশীপ শিক্ষার্থীদের মাঝে মশারি বিতরণ করা হয়েছে। আজ সকালে চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনের মাঠে অনুষ্ঠিত বিতরণ সভায় উপস্থিত ছিলেন, অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতাউল হক কমল, সংরক্ষিত মহিলা ইউপি সদস্য শিরিন বেগম ও মতিউর রহমান, মানপুর বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিমসহ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ। ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজনে সহায়তা করেন ঝঙচ সহায়তাকারী যুবায়ের।

খরা সহিঞ্চু ফল ও ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ

খরা সহিঞ্চু ফল ও ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ খরা সহিঞ্চু ফল ও ফসলের চাষাবাদ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে ৭নং চরঅনুপনগর ইউনিয়ন পরিষদ হল রুমে এক্সটেনডেড কমিউনিটি ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রজেক্ট-ড্রাউট (ইসিসিসিপি-ড্রাউট) প্রকল্পের আওতায়, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ও গ্রীণ ক্লাইমেট ফান্ড (জিসিএফ)- এর সহযোগিতায় প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। প্রশিক্ষণে জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর লক্ষ্যে টেকসই কৃষি অনুশীলনের উপর আলোকপাত করা হয়। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন ২০ জন সিসিএজি সদস্য। এ সময় সিসিএজি সদস্যদের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, এর প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা, টেকসই কৃষি অনুশীলন ও খরা সহনশীল কৃষি কৌশল সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হয়। একইসাথে খরা সহিষ্ণু ফল ও ফসল নির্বাচন, বসতবাড়ির উঠানবাগান তৈরি, ভার্মিকম্পোস্ট প্রস্তুত এবং পানি সংরক্ষণ কৌশল নিয়ে হাতে-কলমে নির্দেশনা দেওয়া হয়। প্রশিক্ষণে আলোচনা করেন জহুরুল ইসলাম, শস্য বিশেষজ্ঞ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং মিজানুর রহমান, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ। বরেন্দ্র অঞ্চলের বাস্তব জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে করণীয় সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন মনিটরিং ও ইভালুয়েশন অফিসার কৃষিবিদ ফয়জুল হক। প্রশিক্ষণের অন্যতম বিষয় ছিল পরিবেশবান্ধব কৃষি বিস্তারে জৈব সার ব্যবহারে কৃষকদের উৎসাহ দেওয়া। এই লক্ষ্যে ভার্মিকম্পোস্ট তৈরির উপায় ও উপকারিতা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রয়াসের ইসিসিসিপি-ড্রাউট প্রকল্পের আওতায় চালু থাকা ঋণ কার্যক্রম সম্পর্কেও অবহিত করা হয়। অল্প লাভ দিয়ে ঋণ পেয়ে কৃষকরা খুবই খুশি এবং তারা খরা সহনশীল ফল ফসল চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় ইসিসিসিপি- ড্রাউট ঋণ কার্যক্রম সম্পাদনা করার জন্য ঋণ এর নীতিমালা ও ধরন নিয়ে আলোচনা করেন প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি’র ইউনিট-১২ এর শাখা ব্যবস্থাপক ইতিআরা খাতুন। কর্মশালায় সহযোগিতা করেন কমিউনিটি মোবিলাইজিং অফিসার, সিএমও (সিভিল) রোকনুজ্জামান এবং সম্পুর্ণ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমটি সমন্বয় সাধন করেন প্রকল্পের প্রকল্প সমন্বয়কারী জনাব বকুল কুমার ঘোষ।

ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি’র মতবিনিময় সভা

ভোলাহাট উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সাথে নবনির্বাচিত এমপি’র মতবিনিময় সভা ভোলাহাটে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে নবনির্বাচিত এমপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ উপজেলা মডেল মসজিদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহীন মাহমুদ-এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মু. মিজানুর রহমান। সংসদ সদস্য মনোযোগ দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের কথা শোনেন এবং তা পর্যায়ক্রমে সকলের সহযোগিতা নিয়ে সমস্যা গুলো সমাধানের আশ্বাস দেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষ যেন কোনোভাবেই হয়রানি বা ভোগান্তির শিকার না হন সে বিষয়ে সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আরও মানবিক, দায়িত্বশীল ও সেবামুখী মনোভাব নিয়ে কাজ করতে হবে। পাশাপাশি উপজেলার সব দপ্তরের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করে ভোলাহাট উপজেলাকে একটি উন্নত ও জনবান্ধব উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এ সময় তিনি বলেন, কৃষকদের স্বার্থ সবার আগে বিবেচনায় নিতে হবে। নির্ধারিত মূল্য সময়মতো ও পর্যাপ্ত পরিমাণে রাসায়নিক সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে, যাতে চাষাবাদে কোনো ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি না হয় এবং উৎপাদন ব্যাহত না হয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো ডিলার সার সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে প্রয়োজনে তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনোভাবেই অসাধু চক্রের কারণে কৃষকরা যেন ভোগান্তির শিকার না হন সে বিষয়টি প্রশাসনকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে প্রশাসনকে আরও সক্রিয় ও কঠোর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা সহকারীকে কমিশনার (ভূমি) শামীম হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুলতান আলী, উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী আহরাম আলী, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃ পঃ কর্মকর্তা শোভন পাল, সমাজসেবা কর্মকতা নাসিম উদ্দিন, বিএম ডিএ কর্মকর্তা লোকমান হাকিম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আজমির শেখ, এস আই খাইরুল ইসলাম, ভোলাহাট উপজেলা ৪টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পিয়ার জাহান, ইয়াসিন আলী শাহ, মোজাম্মেল হক চুটু, আফাজউদ্দিন পানু মিয়াসহ উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ইনজেকশন মামলায় কারবারির যাবজ্জীবন

চাঁপাইনবাবগঞ্জে মাদক ইনজেকশন মামলায় কারবারির যাবজ্জীবন চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৫০ পিস নেশাজাতীয় বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখার অভিযোগে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় মাহিদুর রহমান নামে এক ব্যাক্তিকে যাবজ্জীবন করাদন্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। সেই সাথে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাস কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে। একই মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় মো. রিপন নামে অপর এক যুবককে বেকসুর খালাস দিয়েছে আদালত। আজ বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জের দায়রা জজ হায়দার আলী খোন্দকার দন্ডিত আসামীর অনুপস্থিতিতে এ আদেশ প্রদান করেন। দন্ডিত মাহিদুর শিবগঞ্জ উপজেলার কানসাট ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের শিবনগর কাইট্টাপাড়া গ্রামের মৃত ফজলুর রহমানের ছেলে।। মামলার বিবরণ ও আদালত সূত্রে জানা যায় এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আব্দুল ওদুদ বলেন, ২০২১ সালের ৭ জুলাই শিবগঞ্জের কানসাট ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের বিশ্বনাথপুর মুন্নাপাড়া গ্রামে র‌্যাব-৫ ব্যাটালিয়নের চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের অভিযানে দুইশত পঞ্চাশ এ্যাম্পুল (পিস) নেশাজাতীয় (মাদক) বুপ্রেনরফিন ইনজেকশন সহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন মাহিদুর। এ ঘটনায় ওইদিন র‌্যাবের তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান শিবগঞ্জ থানায় দু’জনকে আসামী করে মামলা করেন। ২০২১ সালের ৩১ আগষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) এবং শিবগঞ্জ থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল ইসলাম দু’জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে মামলার চার্জশীট দাখিল করেন। ১৩ জনের সাক্ষ্য,প্রমাণ ও শুনানীর পর আদালত বুধবার একমাত্র মাহিদুরকে (পলাতক) দন্ডিত করে রায় ঘোষনা করেন। আসামীপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এড.মাসুদ রানা।

তৃষার কারণে ভাঙছে বিজয়ের সংসার?

তৃষার কারণে ভাঙছে বিজয়ের সংসার? ভারতের দক্ষিণী সিনেমার তারকা অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয়। ব্যক্তিগত জীবনে সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের সঙ্গে ঘর বেঁধেছেন। কয়েক যুগ পর পরকীয়া প্রেমের অভিযোগে ২৭ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়ের স্ত্রী। এরপর থেকে বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকাকে নিয়ে চর্চা চলছে। বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকা কে তা পরিষ্কারভাবে বলেননি সংগীতা। বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে যেভাবে বর্ণনা করেছেন, তা দেখে নেটিজেনরা দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়েছেন। তাদের ভাষ্য—বিজয়ের পরকীয়া প্রেমিকা অন্য কেউ নন, দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। কিন্তু সত্যি কি তৃষার সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়? এই প্রশ্নের উত্তর জানতে নেটিজেনদের হিসাবনিকাশ একনজরে দেখে নেওয়া যাক— বিজয়ের স্ত্রীর কী অভিযোগ? বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনে বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা দাবি করেছেন, একজন অভিনেত্রীর সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। ২০২১ সালে বিষয়টি তিনি জানতে পারেন, এখনো সেই সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন বিজয়। সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গম দাবি করেছেন, সেই অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি টানার আশ্বাস দিয়েছিলেন বিজয়। তবে তা করেননি। ওই অভিনেত্রীর সঙ্গে বিদেশ সফর করেন বিজয়। পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও দুজনের ছবি প্রকাশ করেন। বিষয়টি নিয়ে দুই সন্তান ও তিনি অপমান বোধ করছেন বলে জানিয়েছেন সংগীতা। কেবল তাই নয়, সংগীতাকে সামাজিক ও পেশাগত জীবন থেকে দূরে রাখা হয়েছে, এমনকি আর্থিক ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতাতেও বিজয় হস্তক্ষেপ করেন বলে অভিযোগ সংগীতার। বিজয়ের প্রাক্তন প্রেমিকা তৃষা বিজয়ের সঙ্গে পুনরায় তৃষার নাম জড়ানোর অন্যতম কারণ হলো—তারা প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা। পর্দার বাইরে বাস্তব জীবনে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন তৃষা-বিজয়। এটি ২০০৫ সালের ঘটনা। ‘গিলি’ সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে তাদের ঘনিষ্ঠতা বাড়ে বলে গুঞ্জন উঠেছিল। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা কম হয়নি। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর স্ত্রী সংগীতার সঙ্গে বিজয়ের দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে এ সম্পর্ক আর আগায়নি এবং সংসারে মন দেন বিজয়। তবে এ ঘটনার পর অর্থাৎ ২০০৮ সালেও ‘কুরুভি’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। এরপর তাদের আর কোনো সিনেমায় একসঙ্গে দেখা যায়নি। তৃষা-বিজয়কে নিয়ে রাজনীতিবিদের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য কিছুদিন আগে তৃষা-বিজয়কে জড়িয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন তামিলনাড়ু রাজ্যের বিজেপির সভাপতি নাইনন নাগেদ্রন। অভিনেতা-রাজনীতিবিদ থালাপাতি বিজয়কে কটাক্ষ করে বলেন, “বিজয় খুবই সরল, রাজনীতি বোঝেন না। প্রথমে তাকে নিজের খোলস থেকে বের হতে হবে। তামিলনাড়ুর তৃণমূল স্তরের পরিস্থিতি বুঝতে হলে তাকে তৃষার বাড়ি থেকেও বের হতে হবে।” প্রেমিকার সঙ্গে বিজয়ের ছবি নিয়ে প্রশ্ন সংগীতা বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন পত্রে বলেছেন, পরকীয়া প্রেমিকার সঙ্গে তোলা বিজয়ের ছবিও সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রকাশ করা হচ্ছে। তার এই বক্তব্যের সঙ্গে নেটিজেনরা তৃষা নামে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা ছবিকে মিলিয়েছেন। সেই পোস্টে বলা হয়েছে—“আমি খুবই অধিকারপ্রিয়। আমি তোমাকে আর কারো সঙ্গে ভাগ করে নেব না। তুমি শুধু আমার।” নেটিজেনদের অনেকে মনে করেন তৃষার এই বার্তা বিজয়ের স্ত্রী সংগীতাকে খোঁচা দেওয়ার জন্য লেখা। তবে এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যে অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটি করা হয়েছে, সেটি তৃষার অফিসিয়াল কোনো অ্যাকাউন্ট নয়। ফলে সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তৃষা-বিজয় কী বলছেন? সংগীতার বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনের খবর প্রকাশ্যে আসার পর বিজয়কে নিয়ে চর্চা চলছে, এ চর্চায় যুক্ত হয়েছেন তৃষা কৃষ্ণানও। তবে এ নিয়ে এখনো টুঁ-শব্দ করেননি এই দুই তারকা।

ইকরাকে নিয়ে নতুন পোস্ট দিয়ে বিতর্কে আলভী

ইকরাকে নিয়ে নতুন পোস্ট দিয়ে বিতর্কে আলভী কয়েক দিন আগে মারা গেছেন অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী ইভনাথ খান ইকরা। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়, আত্মহত্যা করেছেন ইকরা। আলভী নিজেও ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটা দাবি করেছেন। ইকরার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে তুমুল বিতর্কের মুখে পড়েছেন যাহের আলভী। এরই মধ্যে প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিলেন এই অভিনেতা।  ফেসবুকে দেওয়া পোস্টে যাহের আলভী বলেন, “ইকলি, তোকে একটা প্রশ্ন করি? কোনো একদিন তোর কাছে এসে উত্তরটা শুনে নিবো! আচ্ছা, আজকে তোর জায়গায় যদি আমি চলে যেতাম, তখনো কি সমগ্র পৃথিবী তোর বিরুদ্ধে চলে যেত! তোকে টেনেহিঁচড়ে নিচে নামানোর চেষ্টা করতো? তখনো কি সবাই আমাদের রিযিককে নিয়ে মায়া কান্না করতো?” প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে আলভী বলেন, “এতই যদি রিযিকের জন‍্য ওদের মায়া কাজ করতো, তাহলে ওরাও কি পারতো এভাবে ওর ভবিষ‍্যতের কথা না ভেবে তোকে নোংরাভাবে এক্সপোজ করতে? নাকি ভাবতো ছেলেটা বড় হয়ে এসব দেখলে মেন্টালি আনস্ট‍্যাবল হয়ে যাবে। তখনো কি আমার বান্ধুরা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মিথ‍্যে বলে সাধারণ মানুষের মাঝে তোকে খারাপের চেয়ে খারাপ বানাতো?” প্রয়াত স্ত্রী ইকরাকে উদ্দেশ্য করে আলভী বলেন, “খুব শিগগির তোর সাথে কোনো এক পাহাড়ের চূড়ায় বসে, গল্প করতে করতে শুনে নিবো তোর কাছ থেকে। শুনবো কেমন লাগছিল তোর, আমার আগে চলে এসে এই মিথ‍্যে জগতের লীলা খেলা! তৃপ্তি পেয়েছিলি খুব? রাগ করব, অভিমান করব, আবার তুই সরি বলবি, আমি জড়িয়ে ধরে ইটস ওকে বলব। সন্ধ‍্যা হয়ে আসবে, আবার দুইজন হারিয়ে যাব।” আলভীর আবেগঘন এসব বক্তব্য নেটিজেনদের হৃদয় খুব একটা স্পর্শ করতে পারেনি। এ পোস্টে যত রিঅ্যাক্ট পড়েছে, তার অধিকাংশই হাসির ইমোজি। তাছাড়া কমেন্ট বক্স সাক্ষী দিচ্ছে। পাল্টা আক্রমণ করে মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। অনেকে নোংরা ভাষায়ও আলভীকে উদ্দেশ্য করে বক্তব্য রেখেছেন। বর্ণা দাস নামে একজন লেখেন, “হায়রে নাটকবাজ।” মুস্তাফিজ লেখেন, “নির্লজ্জ বেডা।” তিথি বিশ্বাস লেখেন, “নাটক কম করো পিও।” এমন অনেক মন্তব্য কমেন্ট বক্সে ভেসে বেড়াচ্ছে। যদিও এসব মন্তব্য নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেননি আলভী।  বলে রাখা ভালো, ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে বিয়ে করেন আলভী ও ইকরা। তাদের সংসারে রিযিক নামে একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসা থেকে ইকরার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জাহের আলভীকে আসামি করে রাজধানীর পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেছেন ইকরার বাবা।