এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি

এলপিজি আমদানিতে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের প্রস্তাব, এনবিআরকে চিঠি এলপি গ্যাসের চলমান সংকট নিরসন এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট-ট্যাক্স অব্যাহতি দিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাট নির্ধারণের সুপারিশ করেছে জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ। এ বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) পাঠানো ওই চিঠিতে বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত এলপি গ্যাসের প্রায় ৯৮ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে আমদানি করা হয়, যা শিল্প ও গৃহস্থালি উভয় খাতেই ব্যবহৃত হচ্ছে। শীত মৌসুমে বিশ্ববাজারে এলপি গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি দেশে পাইপলাইনের প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ হ্রাস পাওয়ায় এলপি গ্যাসের চাহিদা বেড়ে যায়। ফলে বাজারে তীব্র সংকট সৃষ্টি হয়েছে, যার প্রভাব পড়ছে সাধারণ মানুষের জীবনে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমে এলপি গ্যাসের সংকট নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এলওএবি) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এলপি গ্যাসকে ‘গ্রিন ফুয়েল’ হিসেবে বিবেচনা করে আমদানি ও স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট ও ট্যাক্স পুনর্নির্ধারণের অনুরোধ জানানো হয়। এতে উপদেষ্টা পরিষদের গত ১৮ ডিসেম্বরের বৈঠকের কার্যবিবরণীর একটি অংশ উদ্ধৃত করে বলা হয়, আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ১০ শতাংশ ভ্যাট আরোপ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির প্রস্তাব সময়োপযোগী। তবে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে ভোক্তা পর্যায়ে ব্যয় কতটা কমবে, তা বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে। পরবর্তীতে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে সভায় এ সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা হলে তারা আমদানি পর্যায়ে ১০ শতাংশ ভ্যাটের পরিবর্তে শূন্য শতাংশ ভ্যাটের দাবি জানায়। চিঠিতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের আলোচনার সঙ্গে অপারেটররা মূলত একমত পোষণ করেছেন। সর্বশেষ চিঠিতে জানানো হয়, বর্তমান সংকট বিবেচনায় নিয়ে আমদানি পর্যায়ে ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি প্রত্যাহার করে তা ১০ শতাংশ বা এর নিচে নির্ধারণ এবং স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ভ্যাট, ব্যবসায়ী পর্যায়ের ভ্যাট ও আগাম কর অব্যাহতির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এনবিআরকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

বিয়ের পর শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন পাকিস্তানের হানিয়া আমির

বিয়ের পর শাকিবের নায়িকা হচ্ছেন পাকিস্তানের হানিয়া আমির সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকাই চলচ্চিত্রের সবচেয়ে সুপারহিট ছবি ছিল ‘প্রিয়তমা’। ২০২৩ সালের ঈদুল আজহায় মুক্তির পর শাকিব খানের এই ছবি লগ্নির বহুগুন অর্থ আয় করে। অনেক সিনেমা হল এই ছবির কল্যাণে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করে। ব্ল্যাকাররাও টিকিট বিক্রি করে দারুণ আয় করে। আরশাদ আদনান প্রযোজিত, হিমেল আশরাফ পরিচালিত এক ‘প্রিয়তমা’ দিয়ে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছিল বাংলা সিনেমা। গ্লোবালি বাংলা সিনেমার ব্যবসায়িক নতুন দুয়ার খুলে দেয় ছবিটি। এরপর শাকিব খানকে ‘তুফান’, ‘বরবাদ’, ‘তাণ্ডব’র মতো অ্যাকশন ঘরানার ছবিতেই বেশি দেখা যায়। এই নায়কের আসন্ন ছবি ‘প্রিন্স’-ও হতে যাচ্ছে অ্যাকশন ধামাকা। নতুন খবর হলো শাকিব আবার রোমান্টিক ধাঁচের ছবিতে ফিরছেন। আলোচনা চলছে সেখানে থাকবেন একজন পাকিস্তানি নায়িকা! শাকিব খানের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র এই খবরটি নিশ্চিত করে জানায়, চলতি বছরেই রোমান্টিক ছবিটিতে পাকিস্তানি কোনো একজন নায়িকা নিয়ে শুটিং শুরু করবেন শাকিব। এ বছরেই ছবিটি মুক্তি পাবে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে যোগাযোগও হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম নাম পাকিস্তানের জনপ্রিয় তারকা অভিনেত্রী হানিয়া আমির। তিনি গেল বছরের শেষদিকে বাংলাদেশে ঘুরে গেছেন। জানা গেছে, তার আগেই শাকিবের সঙ্গে সিনেমায় কাজ করতে তাকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। মৌখিকভাবে সেই প্রস্তাব পেয়ে হানিয়ার টিম থেকেও ব্যাপক আগ্রহ দেখানো হয়েছিল। চুক্তিবদ্ধ না হলেও প্রাথমিকভাবে শাকিব-হানিয়া জুটির সিনেমা করা অনেকটাই চূড়ান্ত ছিল। সূত্র জানাচ্ছে, হানিয়া আমির ধুমধাম আয়োজনে কয়েকমাসের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রেমিককে বিয়ে করতে যাচ্ছেন। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর সময়সূচি মিললে তাকে শাকিবের সঙ্গে সিনেমাটিতে রোমান্স করতে দেখা যাবে। সেই আলোচনা এখনও চলমান। সেজন্যই ছবিটির ঘোষণা আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো দেননি পরিচালক বা শাকিব টিমের কেউ।  সূত্রটি বলছে, শাকিবের বিপরীতে হানিয়া আমির অথবা পাকিস্তানি যে কোনো পরিচিত মুখ থাকবেন এটা মোটামুটি নিশ্চিত। চূড়ান্ত খবর জানতে আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। এদিকে শাকিব খানের ‘প্রিন্স’ সিনেমার শুটিং শুরু হয়েছে। সেখানে আরও অভিনয় করবেন জ্যোতির্ময়ী কুণ্ডু, তাসনিয়া ফারিণ, সাবিলা নূর প্রমুখ। এই সুপারস্টারের আরেক সিনেমা ‘সোলজার’ও মুক্তি অপেক্ষায় রয়েছে।

জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা

জোভানের নাটকীয় ক্ষমা প্রার্থনা নিয়ে আলোচনা ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভান। কয়েক দিন আগে একটি অনুষ্ঠানে প্রেমজীবন নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। এ আলাপচারিতায় জোভান বলেন, “অভিনয় জীবনের শুরুর দিকে একটি সম্পর্কে জড়িয়েছিলাম। সেই সম্পর্ক ভাঙার পর মাঝরাস্তায় দাঁড়িয়ে শিশুর মতো কেঁদেছিলাম।”জোভান আহমেদের এই সরল স্বীকারোক্তি মুহূর্তের মধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। কেবল তাই নয়, এ নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয় অন্তর্জালে। এ ঘটনার কয়েক দিন পর জাতি ও তার স্ত্রীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলেন এই অভিনেতা। তবে তার এই ক্ষমা প্রার্থনাকে ‘নাটকীয়’ বলছেন নেটিজেনরা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) জোভান তার ভেরিফায়েড ফেসবুকে একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। এতে জোভান আহমেদ বলেন, “সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আমি কিছু ভুল কথা বলেছি। আমি আজ জাতির সামনে বলতে চাই, কথাগুলো মন থেকে আসেনি। এগুলো স্ক্রিপটেড ছিল, সাজানো ছিল, এগুলো আমাকে শিখিয়ে দেওয়া হয়েছিল।” কথাগুলো বলতে বলতেই থেমে যান জোভান। এসময় তার পাশে তার স্ত্রীকে দেখা যায়। এরপর লিখিত বক্তব্য পড়তে থাকেন জোভান। এই অভিনেতা বলেন, “আসলে একটু বেশিই বলে ফেলেছি। এতটা বলা আমার ঠিক হয় নাই।” এ পর্যায়ে লিখিত বক্তব্য থামিয়ে পাশে বসে থাকা স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়েন তিনি। তারপর স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে হেসে ফেলেন। ‘সরি’ বলে পুনরায় বক্তব্যে ফিরেন জোভান। এ অভিনেতা বলেন, “এতটা বলা ঠিক হয় নাই। আমি খুবই অনুতপ্ত, লজ্জিত, সমাজের কাছে ও আমার বউয়ের কাছে। আমি আশা করছি, আপনারা সবাই এবং আমার বউ আমাকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।” এরপর বক্তব্যের ইতি টানেন জোভান; নিজেই নিজেকে প্রশ্ন করেন, আরো কিছু আছে কি না! তারপর কাগজের দিকে তাকিয়ে দেখে বলেন, “আর কিছু নেই, সব বলেছি।” এ পর্যায়েও হেসে ফেলেন জোভান ও তার স্ত্রী।  এ ভিডিও বার্তা দেখে নেটিজেনদের কেউ কেউ বলছেন, “প্রাক্তন প্রেমিকাকে নিয়ে মন্তব্য করে তোপের মুখে জোভান, স্ত্রীর চাপে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন।” তবে নেটিজেনদের বড় অংশ বলছেন, “ভিডিওটি মজা করে বানানো হয়েছে; সবই ফেক।” জোভানের স্ত্রী সাজিন আহমেদ নির্জনাও এ পোস্টে মন্তব্য করেছেন। তার বক্তব্য ভিডিওটির উদ্দেশ্য পরিষ্কার করেছে। তিনি লেখেন, “হাসতে মানা করেছিলাম! সবাই বোঝে যাচ্ছে এইটা মজা করে বানানো হইছে।” তার এ মন্তব্যে রিঅ্যাকশন পড়েছে চার শতাধিক। এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে জোভান আহমেদ লেখেন, “আমার বউ আমার প্রথম ও শেষ ভালোবাসা, কারো এটা শিখিয়ে দেওয়ার কিছু নাই।”

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় লাল মাংস খাওয়ার পরামর্শ

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় লাল মাংস খাওয়ার পরামর্শ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আমেরিকানদের জন্য নতুন স্বাস্থ্য গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ডের। নতুন এই ফেডারেল ডায়েটারি গাইডলাইনে মার্কিন নাগরিকদেরকে উচ্চ প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনি এড়িয়ে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে লাল মাংস (রেড মিট) ও ফুল-ফ্যাটযুক্ত দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়ার বিষয়টিকে উৎসাহিত করা হয়েছে, এটি এমন এক পরিবর্তন যা পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। নতুন গাইডলাইনে পূর্বের সুপারিশগুলোর তুলনায় প্রোটিনের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে মাংস, দুগ্ধজাত পণ্য এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাটকে ফল ও সবজির পাশাপাশি অবস্থানে রাখা হয়েছে। ওটসের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ দানাদার খাবারগুলোকে একেবারে নিচে রাখা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র বলেন, “এই নির্দেশিকা আমেরিকানদের খাদ্যাভ্যাসে ‘বিপ্লব’ ঘটাবে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সরকার প্রতি পাঁচ বছর পর এই নির্দেশিকা আপডেট করে। এবারের আপডেটে চিনি গ্রহণের বিষয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। এতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে, ১০ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের অতিরিক্ত মিষ্টিজাতীয় খাবার দেওয়া যাবে না এবং চিনিযুক্ত পানীয়ের বিরুদ্ধে সতর্ক করা হয়েছে। আমেরিকানদের সাদা পাউরুটি বা টরটিলার মতো রিফাইনড কার্বোহাইড্রেট (পরিশোধিত শর্করা) সীমিত করতে এবং প্যাকেটজাত খাবারের চেয়ে ‘হোল ফুড’ বা প্রাকৃতিক খাবারকে প্রাধান্য দিতে উৎসাহিত করা হয়েছে। ফেডারেল তথ্য অনুযায়ী, গড় আমেরিকান ডায়েটের প্রায় ৫৫ শতাংশ ক্যালরি আসে অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে। তবে সমালোচকরা বলছেন, ফ্যাট এবং মাংসের বিষয়ে দেওয়া পরামর্শগুলো কিছুটা অস্পষ্ট। আগের নির্দেশিকাগুলোতে চর্বিহীন মাংস এবং উদ্ভিদ-ভিত্তিক প্রোটিনকে উৎসাহিত করা হলেও, নতুন নথিতে লাল মাংস এবং ফুল-ফ্যাট দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকায় দৈনিক প্রোটিন গ্রহণের পরিমাণ শরীরের ওজনের প্রতি কেজির বিপরীতে ১.২ থেকে ১.৬ গ্রাম সুপারিশ করা হয়েছে, যেখানে আগের নির্দেশিকা ছিল প্রায় ০.৮ গ্রাম। নতুন স্বাস্থ্য নির্দেশিকায় স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বি গ্রহণের পরিমাণ দৈনিক ক্যালরির ১০ শতাংশের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার আগের নিয়মটি বহাল রাখা হয়েছে, তবে রান্নার ক্ষেত্রে অলিভ অয়েলের পাশাপাশি মাখন বা গরুর চর্বি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

‘খালেদ অবাক করে দিয়েছিলেন সবাইকে’

‘খালেদ অবাক করে দিয়েছিলেন সবাইকে’ সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বুধবার চট্টগ্রাম রয়্যালসের দেওয়া ১৯৯ রানের লক্ষ্য থেকে ১৪ রান দূরে থামে সিলেট টাইটান্স। তবে শেষ ওভারেও কিছুটা হলেও জয়ের সম্ভাবনা ছিল সিলেটের৷ মূলত দুর্দান্ত এক ক্যামিওতে প্রায় মিরাকল ঘটিয়ে দিচ্ছিলেন সিলেটের খালেদ। তার এমন ব্যাটিংয়ে অবাক হয়েছেন চট্টগ্রামের মাহমুদুল হাসান জয়। ১৮তম ওভারে খালেদ যখন ১১ নম্বর ব্যাটার হিসেবে ব্যাটিংয়ে নামেন তখনও ১৩ বলে ৪২ রান প্রয়োজন সিলেটের। ১৯তম ওভারে শরিফুল ইসলামকে প্রথম দুই বলে মারেন টানা দুই ছক্কা। ওই ওভারে আরও এক চারে আসে ১৭ রান। শেষ ওভারে সমীকরণ দাঁড়ায় ২৫ রানের। শেষ ওভার করতে তানভীর ইসলামকেও প্রথম বলে ছক্কা হাঁকান তিনি। তবে চতুর্থ বলে আউট হয়ে যান খালেদ। তার ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ২৫ রান। খালেদের এমন ব্যাটিং নিয়ে জয় বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই। খালেদ ভাই একটু সারপ্রাইজ করেই দিয়েছিল সবাইকে। আমাদের মেইন বোলার শরিফুল-তানভীর। ওদের কয়েকটা ভালো ছয় মেরে দিয়েছিল। একটু তো সারপ্রাইজ সবাই হয়ে গেছিল।’ বুধবার চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ২১ বলে ৪৪ রানের ইনিংস খেলেছেন জয়। প্রায় ২১০ স্ট্রাইক রেটে ব্যাট চালিয়েছেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার। নিজের ইনিংস নিয়ে ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ম্যাচসেরা জয় বলেন, ‘আমি যখন ব্যাটিংয়ে যাই তখন মনে হয়েছিল উইকেট খুবই ভালো। মারলে হয়তোবা লাগবে। তাই আমি চেষ্টা করেছি।’

মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই

মোহামেডানের ‘আতা ভাই’ আর নেই ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের একনিষ্ঠ ও বর্ষীয়ান সমর্থক আতাউর রহমান আতা আর নেই। ক্রীড়াঙ্গনে তিনি ‘আতা ভাই’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বার্ধক্যজনিত কারণে বুধবার রাত আনুমানিক ১১টায় নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেছেন তিনি (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার নামাজে জানাযা আজ বাদ যোহর টিকাটুলি জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। তিনি পরিবার-পরিজনসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি স্টেডিয়ামে গলা ফাটিয়েছেন তার প্রিয় দল মোহামেডানের জন্য এবং দেশের ফুটবলের জন্য। তার কণ্ঠ, তার উপস্থিতি ও নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ছিল দেশের ফুটবলের জন্য এক অনন্য প্রেরণা। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেড গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছেন, ‘তিনি শুধু মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সমর্থক ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ফুটবলের একজন প্রকৃত সৈনিক। ফুটবলের প্রতি তার এই অবদান ও ভালোবাসা চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ আতা ভাইকে দেখা গেছে কখনো জাতীয় স্টেডিয়াম, কখনো মিরপুরে মোহামেডানের জন্য গলা ফাটাতে। তিনি পুরো গ্যালারি একাই মাতিয়ে রাখতেন। আবাহনীকে তীর্যক ভাষায় ভাষায় আক্রমণও করতেন। খেলা শুরুর আগেই বলতে থাকতেন ‘ওই আবাহনীর ভায়েরা, আজ তোমাদের তিন গোল দিয়ে দেবো।’ মোহামেডান হারতে থাকলেও তিনি সাদাকালো পতাকা দুলিয়ে চিল্লাতে থাকতেন। মনে হতো তার জন্মই হয়েছে আকাশি-নীলদের বিরোধিতা আর সাদা-কালোদের জন্য যুদ্ধ করতে।

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ

সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য বহন নিষিদ্ধ সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো ধরনের অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে ‘নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট (হাইকোর্ট বিভাগ) বিধিমালা, ১৯৭৩ (১২ নভেম্বর, ২০১২ তারিখে সংশোধিত) অধ্যায়- ১৬এ-এর বিধি ৩ এর দফা ৪ অনুযায়ী ‘কোনো ব্যক্তি, তিনি বারের সদস্য বা আইনজীবী সহকারী বা আদালতের কর্মী বা অন্য কোন ব্যক্তি আদালত প্রাঙ্গণে বা আদালত ভবনের কোন অংশে কোন মিছিল, স্লোগান, প্রচার, সভা বা বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না’।  সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে বৈধ ও অবৈধ যে কোনো প্রকার অস্ত্র, মারণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদকদ্রব্য বহন সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করা হলো। এছাড়া নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে নির্ধারিত পার্কিং ব্যতীত রাস্তা, ভবনের গেটের সামনে গাড়ি ও রিকশা পার্ক করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

যুক্তরাষ্ট্রে গির্জায় বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৬

যুক্তরাষ্ট্রে গির্জায় বন্দুক হামলায় নিহত ২, আহত ৬ যুক্তরাষ্ট্রে একটি গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় দুজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরো ছয়জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। খবর এনডিটিভির।  প্রতিবেদনে বলা হয়, উটাহ অঙ্গরাজ্যের সল্ট লেক সিটিতে স্থানীয় সময় বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ বর্তমানে ঘটনাস্থলে রয়েছে। সল্টলেক সিটি পুলিশের মুখপাত্র গ্লেন মিলস জানান, শহরের দ্য চার্চ অব জিজাস ক্রাইস্ট অব ল্যাটার-ডে সেন্টস’-এর সভাকক্ষের পার্কিং লটে আকস্মিক গুলিবষর্ণের এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সে সময় গির্জার ভেতরে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া চলছিল। ‘দ্য চার্চ অব জিজাস ক্রাইস্ট অব ল্যাটার-ডে সেন্টস’-এর মুখপাত্র স্যাম পেনরড বুধবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেন, এই ট্র্যাজেডিতে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের জন্য আমরা প্রার্থনা করছি। কোনো উপাসনার পবিত্র স্থান কেন এই ধরনের সহিংসতার শিকার হবে, তা নিয়ে আমরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি।”একটি সন্দেহভাজন গাড়ি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজনদের ব্যাপারে তাদের কাছে একাধিক তথ্য রয়েছে। তবে বন্দুকধারী একজন না কি একাধিক, সে বিষয়ে তারা এখনও নিশ্চিত নয়। বর্তমানে কোনো সন্দেহভাজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়নি। এফবিআই সল্টলেক সিটি অফিস এক্স-এ (সাবেক টুইটার) একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমরা সল্টলেক সিটির ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত এবং আইন প্রয়োগকারী অংশীদারদের সহায়তা করছি।”

ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর

ভোটের অভিযোগ ফোনে নেবে ইসি, জানাল ৫টি নম্বর গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অভিযোগ ফোনে নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এজন্য একটি সমন্বয় সেল গঠন করেছে সংস্থাটি। বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণভোট ও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল স্থাপন করা হয়েছে। সমন্বয় সেলে যোগাযোগের টেলিফোন নম্বরগুলো হলো— ০২৫৫০০৭৪৭০, ০২৫৫০০৭৪৭১, ০২৫৫০০৭৪৭২, ০২৫৫০০৭৪৭৪ এবং ০২৫৫০০৭৫০৬। টেলিফোন নম্বরগুলো দেশের যেকোনো নাগরিক নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন, অনিয়ম এবং অপপ্রচার-সংক্রান্ত অভিযোগ/তথ্য আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেলে জানাতে পারবেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় সেল চালু থাকবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা

সারাদেশে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি বন্ধের ঘোষণা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ‍্যাস (এলপিজি) সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) থেকে সারাদেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখা হবে বলে জানিয়েছে তারা। বুধবার (৭ জানুয়ারি) এক নোটিশে এ ঘোষণা দেয় সংগঠনটি। নোটিশে বলা হয়, আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সকল এলপি গ্যাস বিপণন ও সরবরাহ কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এছাড়াও সকল কোম্পানি প্ল্যান্ট থেকে গ্যাস উত্তোলন কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। এর আগে বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সংবাদ সম্মেলন করে নিজেদের দাবি তুলে ধরে এলপিজি ব্যবসায়ী সমিতি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দাবি মানা না হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধের হুমকি দেয় তারা। এরপর সন্ধ্যায় বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে তারা। সকালে সমিতির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) থেকে নতুন করে এলপিজি সিলিন্ডারের মূল্য সমন্বয় করতে হবে। প্রশাসন দিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি ও জরিমানা বন্ধ করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব দাবি পূরণ না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ থাকবে। রাত ১১টার দিকে এলপি গ‍্যাস ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি সেলিম খান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধ থাকবে। দুপুর ৩টায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সঙ্গে তাদের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। বৈঠকে দাবি মানা হলে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি শুরু হবে। আর না হলে বিক্রি বন্ধ থাকবে।