ভাষা শহিদদের স্মরণে সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ব্যতিক্রমী আয়োজন

ভাষা শহিদদের স্মরণে সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর ব্যতিক্রমী আয়োজন সদর উপজেলার আমনুরায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ভাষা শহিদদের স্মরণ করেছে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী। SIL International বাংলাদেশ ও ন্যাশনাল এজেন্সি ফর গ্রীন রেভ্যুলেশন সংস্থার যৌথ উদ্যোগে এ আয়োজন করা হয়। প্রথমবারের মতো সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে তাবিথা কিন্ডারগার্টেন স্কুল, আমনুরা মিশন বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সেন্ট এন্ড্রু জুনিয়র স্কুলের শিক্ষার্থী এবং আমনুরা মিশন যুব সংঘের সদস্যরা সাঁওতালি ভাষায় ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গান পরিবেশন করে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানান। তাদের এ উদ্যোগ উপস্থিত সবার মাঝে বিশেষ আবেগের সঞ্চার করে। দিনব্যাপী কর্মসূচির মধ্যে ছিল চিত্রাঙ্কন, কবিতা আবৃত্তি, রচনা প্রতিযোগিতা, সাঁওতালি, বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় পাঠ প্রতিযোগিতা, সাঁওতালি ভাষায় বিতর্ক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে অমর একুশ উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ চাঁপাইনবাবগঞ্জের এরিয়া ম্যানেজার নিকোলাস মুরমু, সুপারভাইজার ইসরাইল হাজরা, আদিবাসী নেত্রী রুমালি কোল, কল্পনা কোল হাঁসদা, আদিবাসী নেতা কর্নেলিস মুর্মুসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।  

ভাষা শহিদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজন

ভাষা শহিদদের স্মরণে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নানা আয়োজন চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ। বক্তারা প্রমিত বাংলার শুদ্ধ চর্চা, বাংলা ভাষাকে প্রযুক্তির সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত করা, সর্বক্ষেত্রে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানান। দিবসটি পালন করতে জেলা প্রশাসনসহ শিবগঞ্জ, গোমস্তাপুর, নাচোল ও ভোলাহাট উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর, পৌরসভা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে একুশের প্রথম প্রহরে শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এতে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ। এ সময় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসসহ প্রশাসন ও পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। শনিবার ভোর থেকে জেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে প্রভাতফেরি বের করা হয়। প্রভাতফেরি শেষে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজের শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা, শিশুদের আবৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন, জেলা শিক্ষা অফিসার আব্দুল মাতিন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. ইয়াছিন আলী, জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক শুকলাল বৈদ্য, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শাহিনূর রহমান, জেলা তথ্য অফিসার রূপ কুমার বর্মন এবং জেলা আনসার কমান্ড্যান্ট আরিফুর রহমান। আলোচনায় বক্তারা ভাষা শহিদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিচারণ করেন এবং বাংলা ভাষার শুদ্ধ ব্যবহার ও চর্চার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা একুশভিত্তিক কবিতা আবৃত্তি করে উপস্থিতদের মুগ্ধ করে। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে ভাষা শহিদদের বীরত্বগাঁথা তুলে ধরাই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। তিনি শিক্ষার্থীদের দেশপ্রেমিক ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং ভাষা শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। শেষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

সরকারি শিশু পরিবারে এরফান গ্রুপের ইফতারী বিতরণ

সরকারি শিশু পরিবারে এরফান গ্রুপের ইফতারী বিতরণ চাঁপাইনবাবগঞ্জে পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে অসহায়, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে। মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এ এই আয়োজন করা হয়। এরফান গ্রুপের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা) প্রাঙ্গণে নিবাসী শিশুদের হাতে ইফতারের প্যাকেট তুলে দেন অতিথিরা। এ সময় তারা শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন। ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক ইকবাল হোসেন, রেড ক্রিসেন্ট জেলা ইউনিটের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট নূরে আলম সিদ্দিকী আসাদ, ইউনিট সেক্রেটারি মো. খাইরুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী সদস্য মফিজ উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক শফিউর রহমান বিপ্লব, কার্যনির্বাহী সদস্য ও সিটি প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেহেদি হাসান এবং রেড ক্রিসেন্টের ইউএলও মাহমুদুর রহমান। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এরফান গ্রুপের এ মহতী উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করার সুযোগ পাচ্ছে। মাসব্যাপী এই কর্মসূচির আওতায় জেলার বিভিন্ন এতিমখানা ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে প্রতিদিন ইফতার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ সময় রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবীরা সুশৃঙ্খলভাবে শিশুদের মাঝে ইফতার পরিবেশন করেন। অতিথিরা শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং সমাজের বিত্তবানদের এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

ভাষা শহিদদের প্রতি ‘প্রয়াস’ পরিবারের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

ভাষা শহিদদের প্রতি ‘প্রয়াস’ পরিবারের গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি চাঁপাইনবাবগঞ্জে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে। এর অংশ হিসেবে ‘প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটি’ ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে। সকালে সংগঠনের প্রধান কার্যালয় বেলেপুকুর থেকে একটি প্রভাতফেরি বের করা হয়। প্রভাতফেরিটি শহরের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের স্মরণ করা হয়। প্রয়াসের সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমানের নেতৃত্বে এ সময় কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক আব্দুস সালাম, ফারুক আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপক জহুরুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক ইসরাত জাহান, রেডিও মহানন্দার সহকারী স্টেশন ম্যানেজার রেজাউল করিম, প্রয়াস হাসপাতালের প্রোগ্রাম ম্যানেজার জাহিদুল ইসলাম লিটনসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। এদিকে দিবসটি উপলক্ষে রেডিও মহানন্দায় দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠানমালা সম্প্রচার করা হয়, যেখানে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়।

দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আগামী পাঁচ বছরে মন্ত্রণালয়ের কোথাও কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে আমার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে না, এমনকি কাউকে দুর্নীতি করতেও দেওয়া হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। তিনি বলেছেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষার ভিত্তি শক্ত করতে হবে এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সব দপ্তরে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। আমরা নিজেরা দুর্নীতিতে জড়াবো না এবং অন্যদের ক্ষেত্রেও কঠোর নজরদারিতে থাকবো। দেশকে ভালোবাসার প্রমাণ শুধু আন্দোলনে নয়, কর্মক্ষেত্রেও দিতে হবে। দুর্নীতিমুক্ত, মানসম্মত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারবে। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২১ ফেব্রুয়ারি জাতির জন্য বিশেষ তাৎপর্যময় দিন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন শুধু একটি ঐতিহাসিক ঘটনা নয়, বরং বাঙালির মৌলিক অধিকার আদায়ের প্রতীক। ভাষা মানুষের সবচেয়ে ব্যক্তিগত ও মৌলিক অধিকার। একইসঙ্গে নিজের পরিবার, অনুভূতি ও চেতনার সঙ্গে ভাষার সম্পর্ক গভীর। সেই ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠায় বাঙালিকে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, ত্যাগ ও সংগ্রাম ছাড়া কোনো জাতি অধিকার অর্জন করতে পারেনি। সাম্প্রতিক সময়েও অধিকার আদায়ে আন্দোলন ও ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। নির্বাচিত সরকার নিয়ে ববি হাজ্জাজ বলেন, দীর্ঘ সময় পর দেশে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব পেয়েছেন এটাই বড় প্রাপ্তি। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, শিক্ষা হলো রাষ্ট্রগঠনের ভিত্তি। ভিত্তি দুর্বল হলে উঁচু ভবন দাঁড় করে লাভ নেই। তাই শিক্ষার অবকাঠামো মজবুত করাই সবার দায়িত্ব। শিক্ষার মানোন্নয়নে তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দিতে হবে। সেটি হচ্ছে ‘কারিকুলাম, ক্লাসরুম ও কনসিস্টেন্সি’। পাঠ্যক্রম ভালো হতে হবে, শ্রেণিকক্ষে কার্যকরভাবে পাঠদান নিশ্চিত করতে হবে এবং সারা দেশে শিক্ষার মানে সামঞ্জস্য থাকতে হবে। বর্তমানে দেশে বাংলা মাধ্যম, ইংরেজি মাধ্যম, কারিগরি শিক্ষা ও বিভিন্ন ধারার মাদ্রাসাসহ বহু শিক্ষাধারা রয়েছে। এসব ধারার মধ্যে মানগত সমন্বয় জরুরি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার দ্য হান্ড্রেডের নিলামে  

বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার দ্য হান্ড্রেডের নিলামে   ইংল্যান্ডের জনপ্রিয় ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট দ্য হান্ড্রেডের আগামী আসরের নিলামের জন্য নাম লিখিয়েছেন প্রায় এক হাজার ক্রিকেটার। এই দীর্ঘ তালিকায় বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটারও রয়েছেন। এমনটাই জানিয়েছে, ক্রিকেটভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম। মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন এই প্রতিযোগিতায় খেলতে নাম লিখিয়েছেন। তবে সাকিব আল হাসান নাম দেননি। নিলামের জন্য নিবন্ধন করা ক্রিকেটারদের তালিকা নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে দ্য হান্ড্রেড টুর্নামেন্ট কর্তৃপক্ষ। তালিকার ২১তম স্থানে নাম রয়েছেন মোস্তাফিজুর। তারকা এ পেসারের ভিত্তিমূল্য ১ লাখ পাউন্ড। আগামী ১১ ও ১২ মার্চ প্রথমবারের মত দ্য হান্ড্রেডের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে। আগে প্লেয়ার ড্রাফটের মাধ্যমে খেলোয়াড়দের দলে নেওয়া হত। ২১ জুলাই শুরু হয়ে টুর্নামেন্ট চলবে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত। দ্য হান্ড্রেডের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। পাঁচটি আসর হলেও এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটার এই প্রতিযোগিতায় খেলার সুযোগ পাননি। এবার মোস্তাফিজুর দল পান কি না, সেটাই বড় কৌতূহলের বিষয় হয়ে উঠেছে। শুধু মোস্তাফিজুরই নন, রিশাদ হোসেনকে নিয়েও আলোচনা আছে। দুজনই ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ছন্দে আছেন। তাদের দিকে বাড়তি নজর পড়তে পারে দলগুলোর। বাংলাদেশিদের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভিত্তিমূল্য রিশাদ হোসেনের, ৭৫ হাজার পাউন্ড। বাকি ২১ জনেরই ভিত্তিমূল্য ৩১ হাজার পাউন্ড করে। দ্য হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশি ক্রিকেটাররা: মোস্তাফিজুর রহমান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, জাকের আলী, লিটন দাস, মেহেদী হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, তানজিম হাসান, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, হাসান মাহমুদ, রিপন মণ্ডল, মোহাম্মদ নাঈম, নাহিদ রানা, শরীফুল ইসলাম, তাইজুল ইসলাম, শামীম হোসেন, পারভেজ হোসেন , নাজমুল হোসেন, তাওহীদ হৃদয়, সাব্বির রহমান ও সৌম্য সরকার।

সামিত সোমের ছবি দিয়ে মাতৃভাষা দিবসে অংশ নিলো ফিফাও

সামিত সোমের ছবি দিয়ে মাতৃভাষা দিবসে অংশ নিলো ফিফাও সারা বিশ্বে আজ (২১ ফেব্রুয়ারি) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২ সালের এই দিনে সালাম, বরকত, রফিক, শফিউর ও জব্বারসহ নাম না জানা অনেকে প্রাণ দিয়েছেন। ক্রীড়াঙ্গন ও মহান শহীদ ও মাতৃভাষা দিবস বিশেষভাবে পালন করছে। ফিফা বিশ্বকাপের ফেসবুক পেজ থেকে অংশ নিয়েছে মাতৃভাষা দিবসে। কানাডিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশি তারকা ফুটবলার সামিত সোমের ছবি দিয়ে তারা ক্যাপশনে লিখেছে ‘ভিন্ন ভাষায় একই আবেগ।’ পাশে ফুটবল ও ভালোবাসার ইমোজি দেওয়া হয়েছে। আর সামিতের ছবিতেও বাংলা ভাষায় লেখা হয় ‘ফুটবলই আমাদের ভাষা।’ অর্থাৎ, বাংলা ভাষার মাধ্যমে ফুটবলেরও নিজস্ব ভাষা আছে সেটাই স্মরণ করিয়ে দিলো ফিফা। অবশ্য ফিফার ওই পোস্ট দেওয়া হয়েছে প্রাইভেসি ‘কাস্টম’ করে, কেবল বাংলাদেশের ফেসবুক ব্যবহারকারীরা সম্ভবত পোস্টটি দেখতে পারবেন। যুক্তরাজ্য প্রবাসী হামজা চৌধুরীর পথ ধরে আরও বেশ কয়েকজন ফুটবলার বাংলাদেশ জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়েছেন। বিশ্বফুটবলে তারা নতুন করে তুলে ধরছেন লাল-সবুজের পতাকা। তারই প্রতীকি চিত্র ফুটে উঠল ফিফা বিশ্বকাপের পেজে সামিত সোমের ছবি ব্যবহারে! এর আগে বাংলাদেশের নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে লিখেছেন, ‘মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আমাদের মাতৃভাষার অধিকার, তাদের স্মৃতি চিরদিন বাঙালির হৃদয়ে অম্লান হয়ে থাকবে। শহীদদের রক্তে রাঙানো একুশ আমাদের গৌরব, আমাদের পরিচয়। নিজেদের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), ‘তারুণ্যের নব চেতনায় একুশ রবে সকলের অনুপ্রেরণায়। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের শুভেচ্ছা।

অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার

অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ভারতীয় নাগরিক গ্রেফতার পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার হাঁসখালিতে অবৈধ অনুপ্রবেশে সহায়তার অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তির নাম প্রকাশ টিকাদার। জানা যায়, হাঁসখালি থানার অন্তর্গত বড় চুপায়া এলাকায় প্রকাশ টিকাদারের বাড়িতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা এক বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন বলে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিশ। খবর পাওয়া মাত্রই প্রকাশের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে প্রকাশ এবং কথিত সেই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রের দাবি, কয়েকদিন আগে বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন ওই নারী। তাকে ভারতে প্রবেশের সাহায্য করেন প্রকাশ টিকাদার। এ কারণে দুজনকেই গ্ৰেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় হাঁসখালি থানায় সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। এর সঙ্গে আর কারা জড়িত তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে হাঁসখালি থানার পুলিশ।

ব্যক্তিগত তথ্য চুরির অভিযোগে ‘টেলিগ্রাম’ নিষিদ্ধ করছে রাশিয়া

ব্যক্তিগত তথ্য চুরির অভিযোগে ‘টেলিগ্রাম’ নিষিদ্ধ করছে রাশিয়া রাশিয়ার সামরিক বাহিনী, আইনপ্রণেতা এবং সরকারি কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরির অভিযোগে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ ‘টেলিগ্রাম’ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে রুশ কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং যোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘রসকমনডজোর’ অ্যাপটির বিরুদ্ধে নাশকতা ও সন্ত্রাসবাদে সহায়তার অভিযোগ আনে। রুশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সাইবার ক্রাইম বিভাগের মতে, টেলিগ্রামের বিভিন্ন ‘বট’ ব্যবহার করে অবৈধভাবে নাগরিকদের ‘ডিজিটাল প্রোফাইল’ তৈরি করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর সংগ্রহ করে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত এক মাসে এই ধরণের ১৩ হাজারের বেশি অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, যার ফলে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ বিলিয়ন রুবল (প্রায় ১৯ কোটি ডলার)। টেলিগ্রাম কর্তৃপক্ষ রাশিয়ার আইনি অনুরোধগুলো উপেক্ষা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিজিটাল উন্নয়নমন্ত্রী মাকসুত শাদায়েভ জানান, শিশু পর্নোগ্রাফি এবং মাদক সংক্রান্ত ১ লক্ষ ৫০ হাজারের বেশি কন্টেন্ট সরানোর অনুরোধ উপেক্ষা করেছে টেলিগ্রাম। এই পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার থেকে রাশিয়ায় অ্যাপটির গতি কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রসকমনডজোর। ফেডারেশন কাউন্সিলের সাংবিধানিক আইন কমিটির প্রধান আন্দ্রেই ক্লিশাস স্পুটনিক রেডিওকে বলেন, আইন মেনে চলতে ব্যর্থ হলে টেলিগ্রাম রাশিয়ায় সম্পূর্ণ ব্লক বা নিষিদ্ধ হতে পারে। সম্প্রতি মেটা’র মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ-এর ওপরও কড়াকড়ি আরোপ করেছে রাশিয়া। এই পরিস্থিতিতে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ নাগরিকদের রাষ্ট্রীয়ভাবে তৈরি ন্যাশনাল মেসেঞ্জার ‘ম্যাক্স’ ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সাল থেকে রাশিয়ায় নতুন সব ডিভাইসে এই অ্যাপটি থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। টেলিগ্রামের প্রতিষ্ঠাতা পাভেল দুরোভ এর আগে জানিয়েছিলেন, এই ধরনের বিধিনিষেধ মূলত ব্যবহারকারীদের রাষ্ট্রীয় নজরদারিতে থাকা প্ল্যাটফর্মগুলোর দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি চেষ্টা। মেটা কর্তৃপক্ষও এই ধরণের পদক্ষেপকে রাজনৈতিক সেন্সরশিপ হিসেবে বর্ণনা করেছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইফতারে দই-চিড়া কেন খাবেন?

ইফতারে দই-চিড়া কেন খাবেন? রমজানে সারাদিন রোজা রাখার পর ইফতারে এমন খাবার খাওয়া উচিত, যা সহজপাচ্য, পুষ্টিকর এবং শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগাতে সক্ষম। এ ক্ষেত্রে দই-চিড়া হতে পারে একটি চমৎকার স্বাস্থ্যকর বিকল্প। এটি শুধু সুস্বাদু ও সহজপ্রস্তুত খাবারই নয়, বরং প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর, যা শরীরের জন্য উপকারী। চলুন জেনে নিই দই চিড়ার উপকারিতা: ইফতারে চিড়া দই খাওয়ার অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। এটি সহজপাচ্য, দ্রুত শক্তি প্রদানকারী, হজমে সহায়ক, পানিশূন্যতা দূরকারী এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি খাবার। যারা স্বাস্থ্যকর এবং হালকা কিছু খেতে চান, তাদের জন্য এটি একটি দারুণ খাবার। চিড়া, যা শুকনো চাল থেকে তৈরি হয়, সহজে হজমযোগ্য এবং দ্রুত শক্তি সরবরাহ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, দই প্রাকৃতিকভাবে প্রোবায়োটিক, প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ একটি খাবার, যা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এই দুই উপাদান একসঙ্গে মিশিয়ে তৈরি চিড়া দই ইফতারের জন্য একদম সঠিক একটি খাবার, বিশেষত যারা স্বাস্থ্যসম্মত ও হালকা খাবার খেতে চান। দই- চিড়া খাওয়ার কারণ ও উপকারিতা তাৎক্ষণিক শক্তি সরবরাহ করে সারাদিন রোজা রাখার পর শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে, কারণ শরীর দীর্ঘ সময় ধরে কোনো খাবার ও পানীয় পায় না। চিড়ায় প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট (শর্করা) থাকে, যা দ্রুত গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে শরীরকে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়। ফলে এটি ইফতারের জন্য একটি আদর্শ খাবার হতে পারে। সহজে হজম হয় ও পাকস্থলীর জন্য আরামদায়ক অনেকেই ইফতারে ভারী ও তেল-মশলাযুক্ত খাবার খাওয়ার ফলে হজমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি বা গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভোগেন। চিড়া ও দই খুব সহজপাচ্য খাবার, যা হজমে সহায়তা করে এবং পাকস্থলীর জন্য আরামদায়ক। বিশেষ করে, দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান হজমশক্তি বাড়ায় ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা কমায়। পানিশূন্যতা দূর করে রমজানে দীর্ঘ সময় পানি পান না করার ফলে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। দই শরীরের পানিশূন্যতা পূরণ করতে সাহায্য করে এবং ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স বজায় রাখে। বিশেষ করে গরমের সময় রোজা রাখলে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণে পানি ও লবণ বের হয়ে যায়, যা পূরণ করতে দই বেশ কার্যকর। পেট ঠান্ডা রাখে ও অ্যাসিডিটি কমায় অনেকেই সারাদিন না খেয়ে থাকার ফলে ইফতারের সময় অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভোগেন। দই পাকস্থলীর জন্য একটি ঠান্ডা ও আরামদায়ক খাবার, যা গ্যাস্ট্রিক ও অম্লতার সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। প্রোটিনের ভালো উৎস দই উচ্চমানের প্রোটিনসমৃদ্ধ একটি খাবার, যা শরীরের কোষ পুনর্গঠনে সাহায্য করে এবং পেশি গঠনে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে যারা রোজার সময়ও শারীরিক পরিশ্রম করেন বা ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য এটি একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়ক যারা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান, তাদের জন্য চিড়া দই একটি ভালো বিকল্প। এটি কম ক্যালোরিযুক্ত এবং ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং বারবার খাওয়ার প্রবণতা কমায়। হাড়ের জন্য উপকারী দইয়ে প্রচুর ক্যালসিয়াম থাকে, যা হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে রোজার সময় শরীর পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে হাড় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। তাই ইফতারে দই খেলে হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে দইয়ে থাকা প্রোবায়োটিক উপাদান অন্ত্রের ভালো ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধিতে (উৎসাহিত) করে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া দইয়ের ভিটামিন ও মিনারেল শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি জোগায়। ঘুম ভালো হয় ও মানসিক চাপ কমায় দইয়ে ট্রিপটোফ্যান নামে একটি উপাদান থাকে, যা মস্তিষ্কে সেরোটোনিন উৎপাদনে সাহায্য করে এবং ঘুমের মান উন্নত করে। রোজার সময় পর্যাপ্ত ঘুম না হলে দই খাওয়া মানসিক প্রশান্তি আনতে পারে। তাই এই রমজানে তেল-মশলাযুক্ত ও ভাজাপোড়া খাবারের পরিবর্তে স্বাস্থ্যকর চিড়া দই রাখতে পারেন ইফতারিতে, যা আপনাকে সুস্থ ও সতেজ রাখবে।