সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে

সুস্থ কিডনির রহস্য লুকিয়ে আছে যেসব খাবারে রক্ত পরিশোধন, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ (টক্সিন) অপসারণ এবং ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সামলায় কিডনি। তবে বর্তমানের অনিয়মিত জীবনযাপন আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের কারণে কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। কেবল পর্যাপ্ত পানি খেলেই কিডনি রক্ষা পায় না, প্রয়োজন সঠিক ও সুষম খাদ্যাভ্যাস। বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার হাতের কাছে থাকা কিছু সাধারণ খাবারই হতে পারে কিডনির সুরক্ষাকবচ। জেনে নিন কী কী রাখবেন আপনার দৈনন্দিন তালিকায়- ফুলকপি ও পেঁয়াজ : ডিটক্সের হাতিয়ার কিডনি থেকে টক্সিন বের করে দিতে ফুলকপির জুড়ি নেই। এটি ভিটামিন সি, ফোলেট এবং ফাইবার সমৃদ্ধ, যা শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়ায় দারুণ কাজ করে। অন্যদিকে, যারা পটাশিয়ামের ভয়ে সবজি বাছেন, তাদের জন্য পেঁয়াজ আদর্শ। এতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যেমন- অ্যাসিলিন ও কোয়ারসেটিন কিডনির ওপর চাপ কমিয়ে হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফল যখন মহৌষধ : আপেল ও তরমুজ কিডনিকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি শরীর থেকে বর্জ্য অপসারণে দ্রুত কাজ করে। এছাড়া আপেলের উচ্চ ফাইবার এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শুধু কিডনির প্রদাহই কমায় না, বরং রক্তে শর্করা এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণেও বিশেষ ভূমিকা রাখে। তেল ও ভেষজ গুণ : রান্নায় স্বাস্থ্যকর চর্বির উৎস হিসেবে জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার কিডনি রোগীদের জন্য আশীর্বাদস্বরূপ। পাশাপাশি যারা ওজন কমাতে গ্রিন টি খান, তারা জেনে খুশি হবেন যে এটি কিডনির জন্য একটি ‘প্রতিরক্ষামূলক ঢাল’ হিসেবে কাজ করে। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ কিডনির কার্যকারিতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। রসুন ও সামুদ্রিক মাছ : প্রদাহবিরোধী বা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ঠাসা রসুন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রেখে কিডনিকে সুরক্ষিত রাখে। এছাড়া খাদ্যতালিকায় স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ সামুদ্রিক মাছ রাখা জরুরি। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রদাহ কমিয়ে কিডনির সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করে।

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড

এপস্টেইন আইল্যান্ডের নিয়ন্ত্রিত গোপন কম্পাউন্ড মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জে অবস্থিত লিটল সেন্ট জেমস ও গ্রেট সেন্ট জেমস। এই দুই দ্বীপকে জেফরি এপস্টেইন পরিণত করেছিলেন একটি গোপন কম্পাউন্ডে। আর এখানেই তিনি মানবপাচারের শিকার নারী ও শিশুদের এনে আটক রাখতেন। সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, দুটি দ্বীপ মিলিয়ে মোট আয়তন ছিল প্রায় ২৩৭ একর। বাহ্যিকভাবে দ্বীপগুলো ছিল অভিজাত অতিথিদের জন্য বিলাসী স্বর্গ। আদতে বাস্তবে পাচার হওয়া ব্যক্তিদের জন্য এটি ছিল নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণে ঘেরা এক ভয়াবহ ফাঁদ। দ্বীপগুলোর বিচ্ছিন্ন ভৌগোলিক অবস্থাই জেফরি এপস্টেইনের কার্যক্রম পরিচালনাকে আরও সহজ করে তোলে। এই দ্বীপে রয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ভবন, উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গোপন ক্যামেরার মাধ্যমে অতিথিদের চলাফেরা ধারণ করার ব্যবস্থাও ছিল বলে জানা যায়। বার্তা সংস্থা এপি জানায়, দ্বীপ দুটিতে ব্যক্তিগত জেট, হেলিপ্যাডসহ নানা বিলাসী সুবিধা থাকলেও সেগুলো পরিচালিত হতো কঠোর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে। যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দ্বীপগুলো কার্যত একটি ‘লজিস্টিক হাব’ হিসেবে ব্যবহৃত হতো। নথি অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের সাধারণ পর্যটকের ছদ্মবেশে সেন্ট থমাস বিমানবন্দর দিয়ে এই দ্বীপে আনা হতো। এরপর তাদের দ্বীপে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখা হতো। তারা বাইরের দুনিয়া থেকে ওই দ্বীপের মতো নির্জন আর একা হয়ে পড়তেন।

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির

নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রতারক চক্র থেকে সাবধান থাকার আহ্বান ইসির আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতারক চক্র থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়েছে, ‘সম্প্রতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, একটি প্রতারক চক্র নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন সম্মানী প্রদানের কথা বলে তাদের কাছ থেকে বিকাশ নম্বর সংগ্রহের চেষ্টা করছে। প্রতারকরা ০১৩৪২-০৪৬২৩২ ও ০১৬১২-৬৭৭০৭৪ নম্বর দু’টি ব্যবহার করে প্রতারণামূলক ফোনকল করছে।’ এতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য হলো- আসন্ন গণভোট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে প্রিজাইডিং অফিসারদের মাধ্যমে স্ব স্ব কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে বিধি অনুযায়ী নির্বাচনকালীন সম্মানি প্রদান করা হবে। এ জন্য কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের প্রয়োজন নেই। বিজ্ঞপ্তিতে নির্বাচন কমিশন নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তাকে এই ধরনের প্রতারক চক্রের ফোনকলে সাড়া না দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে এ জাতীয় জালিয়াতি এড়াতে সকলকে সর্বোচ্চ সচেতন থাকতেও বলা হয়েছে।

আকাশে দেখা গেল ফেব্রুয়ারির ‘স্নো মুন’, আসছে সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ

আকাশে দেখা গেল ফেব্রুয়ারির ‘স্নো মুন’, আসছে সুপারমুন ও চন্দ্রগ্রহণ বাংলাদেশ সময় গত সোমবার ভোরে আকাশে দেখা গেছে ফেব্রুয়ারির পূর্ণিমা, যাকে ‘স্নো মুন’ নামে ডাকা হয়। উত্তর আমেরিকায় এ সময় তুষারপাত বেশি হয় বলে এই নামটি জনপ্রিয়। পূর্ণিমার চাঁদ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেই দেখা যায়। বাংলাদেশে রবিবার রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত চাঁদ ছিল প্রায় পূর্ণিমার মতো উজ্জ্বল। আর্থস্কাই-এর তথ্য অনুযায়ী, পূর্ণিমা সর্বোচ্চ উজ্জ্বল হয়েছিল রবিবার বিকাল ৫টা ৯ মিনিটে (ইস্টার্ন টাইম)। বাংলাদেশ সময় তা ছিল সোমবার ভোর ৪টা ৯ মিনিটে। ফলে দেশে চাঁদ দেখার সবচেয়ে ভালো সময় ছিল রবিবার রাত এবং সোমবার ভোর। নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিজ্ঞানী নোয়া পেট্রো জানান, পূর্ণিমার সময় চাঁদের পৃষ্ঠে আলো-অন্ধকার অংশ খালি চোখেও দেখা যায়। টেলিস্কোপ বা দূরবীন ব্যবহার করলে চাঁদের গর্ত (ক্রেটার) ও বিভিন্ন গঠন আরও স্পষ্ট বোঝা সম্ভব। এদিকে আকাশপ্রেমীদের জন্য সামনে আরও কয়েকটি বড় জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা রয়েছে। ফারমার্স অ্যালমানাকের তালিকা অনুযায়ী, ৩ মার্চ আবার পূর্ণিমা হবে (ওয়ার্ম মুন)। একই দিনে এশিয়া অঞ্চলের আকাশে পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ লালচে দেখাতে পারে, যাকে অনেকে ‘ব্লাড মুন’ (রক্তিম চাঁদ) বলেন। এছাড়া ২০২৬ সালের নভেম্বর ও ডিসেম্বরে দেখা যেতে পারে সুপারমুন ; চাঁদ পৃথিবীর তুলনামূলক কাছাকাছি চলে এলে এটি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় ও উজ্জ্বল দেখায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব দৃশ্য উপভোগ করতে শহরের অতিরিক্ত আলো এড়িয়ে খোলা জায়গা বেছে নেওয়া ভালো। আকাশ পরিষ্কার থাকলে বাংলাদেশ থেকেও এসব ঘটনা সহজে দেখা যাবে।

‘বর্ডার টু’ সিনেমার আয় ৫২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে

‘বর্ডার টু’ সিনেমার আয় ৫২৮ কোটি টাকা ছাড়িয়ে জে পি দত্ত নির্মিত বলিউড সিনেমা ‘বর্ডার’। ২৯ বছর পর নির্মিত হয়েছে সিনেমাটির সিক্যুয়েল। ‘বর্ডার টু’ শিরোনামে এ সিনেমা পরিচালনা করেছেন অনুরাগ সিং। পূর্বের মতো এ সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন ববি দেওল। তবে সুনীল শেঠি নেই, কিন্তু তার পুত্র আহান শেঠি যুক্ত হয়েছেন। তাছাড়া নতুন করে যুক্ত হয়েছেন—বরুণ ধাওয়ান, দিলজিৎ দোসাঞ্জে, মোনা সিং প্রমুখ। গত ২৩ জানুয়ারি ৪ হাজার ৮০০ পর্দায় মুক্তি পেয়েছে ‘বর্ডার টু’ সিনেমা। মুক্তির পর থেকে দর্শক-সমালোচকদের কাছ থেকে ভূয়সী প্রশংসা কুড়াচ্ছে। তরন আদর্শ সিনেমাটির অত্যন্ত ইতিবাচক রিভিউ দিয়েছেন। পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। কেবল তাই নয় এটিকে ‘আউটস্ট্যান্ডিং’ বলেও মন্তব্য করেছেন। বলিউড হাঙ্গামা সিনেমাটিকে পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। চিত্রনাট্য, পরিচালনা, আবেগের গভীরতা, অভিনয় এবং অ্যাকশন দৃশ্যের প্রশংসা করেছে। যদিও কিছু ভিজ্যুয়াল এফেক্ট আরো ভালো হতে পারত, সিনেমার দৈর্ঘ্য কিছুটা কম হলে ভালো হতো বলে মত দিয়েছে। ডেইলি নিউজ অ্যান্ড অ্যানালিসিসের সিমরান সিং সিনেমাটিকে পাঁচে রেটিং দিয়েছেন সাড়ে ৪। এটিকে যুদ্ধের সেরা চলচ্চিত্রগুলোর একটি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কেবল দর্শক-সমালোচকদের প্রশংসাই কুড়াচ্ছে না, বক্স অফিসেও বেশ সাড়া ফেলেছে সিনেমাটি। যদিও সময়ের সঙ্গে বক্স অফিসে আয় ওঠানামা করছে। বলি মুভি রিভিউজের তথ্য অনুসারে, মুক্তির প্রথম দিনে ‘বর্ডার টু’ সিনেমা আয় করে ২৮ কোটি রুপি (নিট), দ্বিতীয় দিনে আয় করে ৩৫ কোটি রুপি (নিট), তৃতীয় দিনে আয় করে ৪৯ কোটি রুপি (নিট), চতুর্থ দিনে আয় করে ৫৩ কোটি রুপি (নিট), পঞ্চম দিনে আয় করে ১৯.৫ কোটি রুপি (নিট)। ৬ষ্ঠ দিনে আয় করে ১৩ কোটি রুপি (নিট), সপ্তম দিনে আয় করে ১১.২৫ কোটি রুপি (নিট), অষ্টম দিনে আয় করে ১০.২৫ কোটি রুপি (নিট), নবম দিনে আয় করে ১৬.৫ কোটি রুপি (নিট), দশম দিনে আয় করে ২০ কোটি রুপি (নিট), ১১ দিনে আয় করে ৫.৫ কোটি রুপি (নিট), ১২ দিনে আয় করে ৫.৫ কোটি রুপি (নিট)। যার মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২৬৬ কোটি রুপি (নিট)। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে ৩৫৮ কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৮১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুসারে, ‘বর্ডার টু’ সিনেমা ১২ দিনে ভারতে আয় করেছে ২৮৬ কোটি রুপি (নিট)। ভারতে গ্রস আয় ৩৪২.৫০ কোটি রুপি। বিশ্বব্যাপী সিনেমাটি আয় করেছে ৩৯২.৫০  কোটি রুপি (গ্রস)। বাংলাদেশি মুদ্রায় ৫২৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ‘বর্ডার টু’ সিনেমায় যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সৈন্যদের বীরত্বের গল্প বলেছেন নির্মাতারা। সিনেমাটির নারী চরিত্রে রয়েছেন—মোনা সিং, অন্যা সিং, সোনম বাজওয়া ও নবাগত মেধা রানা। সিনেমাটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০০ কোটি রুপি।

আরও ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আরও ১৭১ মিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিলামের মাধ্যমে আরও ১৭১ মিলিয়ন বা ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। কাটঅফ মূল্য ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে দুই দফায় মোট ৩৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার কেনা হয়েছে। এর আগেও চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে কয়েক দফায় নিলামের মাধ্যমে ডলার কিনেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন পর্যন্ত মোট কেনা হয়েছে ৪৩২ কোটি ৩০ লাখ বা ৪.৩২ বিলিয়ন ডলার।

দেবের নায়িকা হচ্ছেন তাসনিয়া ফারিণ!

দেবের নায়িকা হচ্ছেন তাসনিয়া ফারিণ! দেশের শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খানের বিপরীতে অভিনয়ের পর এবার ওপার বাংলার সিনেমায় কাজ করার গুঞ্জনে আলোচনায় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। গুঞ্জন উড়ছে, ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবের বিপরীতে নতুন একটি চলচ্চিত্রে তাকে দেখা যেতে পারে।  এর আগেও দেব অভিনীত ‘প্রজাপতি টু’ সিনেমায় ফারিণের কাজ করার কথা ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সেই প্রজেক্টটি আর বাস্তবায়িত হয়নি। কলকাতায় কাজের প্রসঙ্গে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, “ওপারে কাজ করার আগ্রহ অবশ্যই আছে। বেশ কিছু প্রস্তাব নিয়ে কথা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত কিছু বলতে ভয় লাগে। কারণ আগের অভিজ্ঞতা আমাকে সতর্ক করেছে।”  কোনো প্রজেক্ট বাতিল হলে দর্শক ও অনুরাগীরা কষ্ট পান। তাই কোনো প্রজেক্ট নিশ্চিত হওয়ার আগে কিছু প্রকাশ করতে চান না। পরিচালক অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর সম্ভাব্য একটি সিনেমার শুটিং নিয়েও আপাতত মন্তব্য করতে নারাজ এই নায়িকা। বলে রাখা ভালো, ২০২২ সালে অতনু ঘোষ পরিচালিত ‘আরো এক পৃথিবী’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক হয় তাসনিয়া ফারিণের। প্রথম কাজেই সমালোচকদের প্রশংসা কুড়ান তিনি। এরপর ‘প্যাট্রি চাই’ নামে আরেকটি কলকাতার সিনেমায় চুক্তিবদ্ধ হলেও পরবর্তীতে সেই প্রজেক্ট থেকে সরে আসেন।  এদিকে, শাকিব খানের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়েও কথা বলেছেন ফারিণ। তার ভাষ্য, “এত বড় তারকার বিপরীতে অভিনয় করা নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ। তবে চরিত্রের গুরুত্ব আর অভিনয়ে নতুনত্ব দেখে কাজটি করতে রাজি হয়েছিলাম।” সব মিলিয়ে দেবের সঙ্গে তাসনিয়া ফারিণের সম্ভাব্য জুটি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষায়। তবে গুঞ্জন যে দর্শকের কৌতূহল বাড়াচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।  

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস

ফেসবুক ও জিমেইলের ১৪৯ মিলিয়নের বেশি তথ্য ফাঁস বিশ্বজুড়ে অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফেসবুক ও জিমেইলসহ বিভিন্ন জনপ্রিয় অনলাইন সেবার ১৪৯ মিলিয়নের বেশি লগইন তথ্য একটি উন্মুক্ত অনলাইন ডাটাবেজে পাওয়া গেছে। এতে কোটি কোটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ঝুঁকির মুখে পড়েছে। তবে এটি গুগল বা মেটার সার্ভারে সরাসরি কোনো বড় হ্যাক নয়। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যবহারকারীদের ডিভাইসে ঢুকে পড়া ‘ইনফোস্টিলার’ ধরনের ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে দীর্ঘ সময় ধরে এসব তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। যেভাবে ফাঁস হয় তথ্য সাইবার নিরাপত্তা গবেষক জেরেমায়া ফাওলার একটি প্রায় ৯৬ গিগাবাইট আকারের ডাটাবেজ শনাক্ত করেন, যা কোনো পাসওয়ার্ড বা এনক্রিপশন ছাড়াই উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই যে কেউ এই ডাটাবেজে প্রবেশ করতে পারত। ডাটাবেজটিতে ইমেইল ঠিকানা, ইউজারনেম, সরাসরি পাসওয়ার্ড এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইটের লগইন লিংক সংরক্ষিত ছিল—যা সাইবার অপরাধীদের জন্য কার্যত প্রস্তুত তালিকার মতো। কোন কোন সেবার তথ্য বেশি গবেষণায় দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি তথ্য ছিল ইমেইল অ্যাকাউন্টের। আনুমানিক হিসাবে, জিমেইল: ৪৮ মিলিয়ন, ফেসবুক: ১৭ মিলিয়ন, ইনস্টাগ্রাম: ৬.৫ মিলিয়ন, ইয়াহু মেইল: ৪ মিলিয়ন, নেটফ্লিক্স: ৩.৪ মিলিয়ন, আউটলুক: ১.৫ মিলিয়ন, আইক্লাউড মেইল: ৯ লাখ ও টিকটক: ৭.৮ লাখ। কেন ইমেইল অ্যাকাউন্ট সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, একটি ইমেইল অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ পেলে হ্যাকাররা সহজেই অন্যান্য অ্যাকাউন্টও দখল করতে পারে। কারণ ব্যাংকিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কিংবা স্বাস্থ্যসেবার মতো অধিকাংশ সেবার পাসওয়ার্ড রিসেট লিংক ইমেইলে পাঠানো হয়। ফলে ব্যক্তিগত নথি, বিল, ভ্রমণের তথ্যসহ সংবেদনশীল ডেটা ঝুঁকিতে পড়ে। কীভাবে ছড়ায় ম্যালওয়্যার এই তথ্য একদিনে চুরি হয়নি। ভুয়া সফটওয়্যার আপডেট, সন্দেহজনক ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট, ক্ষতিকর ব্রাউজার এক্সটেনশন কিংবা বিভ্রান্তিকর অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ম্যালওয়্যার ডিভাইসে ঢুকে পড়ে। ব্যবহারকারী যখন পাসওয়ার্ড টাইপ করেন বা ব্রাউজারে সেভ করেন, তখনই তা চুরি হয়ে যায়। গবেষক ডাটাবেজটির বিষয়ে হোস্টিং কোম্পানিকে জানালেও প্রায় এক মাস এটি উন্মুক্ত অবস্থায় ছিল। বিশেষজ্ঞদের সতর্কতা সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সার্ভার তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত হলেও ব্যবহারকারীর নিজস্ব ডিভাইস দুর্বল হলে ঝুঁকি থেকেই যায়। তাই ব্যক্তিগত সাইবার সচেতনতা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আমি ভীষণ মিথ্যেবাদী ছিলাম: জয়া আহসান

আমি ভীষণ মিথ্যেবাদী ছিলাম: জয়া আহসান দুই বাংলা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী অভিনেত্রী জয়া আহসান। আজ ঢাকা তো কাল কলকাতা—এভাবেই চলছে তার দিনকাল। নতুন কাজের জন্য এখন কলকাতায় অবস্থান করছেন জয়া। বেশ সময় ঢাকায় অবস্থান করে এবার কলকাতায় গিয়েছেন এই অভিনেত্রী। ভারতীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাজ নিয়ে যেমন কথা বলেছেন, তেমনই ব্যক্তিগত নানা বিষয় নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেছেন জয়া। এ আলাপচারিতায় জানতে চাওয়া হয়, জয়া আহসানের ভালো থাকার চাবিকাঠি কী?  এ প্রশ্নের জবাবে জয়া আহসান বলেন, “আমি তো বরাবরই প্রকৃতির কাছাকাছি থাকা মানুষ। আমার নিজের একটা জগৎ আছে, আমার পোষ্যদের নিয়ে দিনের অনেকটা সময় কাটে। ওগুলোই আমাকে ভালো রাখে। পাশাপাশি বোধহয় আমি ব্যক্তিগত বিষয়টা ব্যক্তিগত রাখতে চাই বলে জীবনে জটিলতা কম। আমাকে বাইরে থেকে মানুষ যেভাবে চেনেন, সেটা জয়া আহসানের ইমেজ, ভেতরের মানুষটা সম্পূর্ণ আলাদা।” ছোটবেলার এমন কোনো স্মৃতি আছে, যা এখনো আপনার মনে ছাপ রেখেছে? জবাবে জয়া আহসান বলেন, “আমি ছোট থেকেই একটু অন্যরকম ছিলাম। একা থাকতে ভালো লাগত, আর কল্পনা প্রবণতা তো আমার শুরু থেকেই ছিল। এখন বললে অনেকে ভুল বুঝবেন, আমি ভীষণ মিথ্যেবাদী ছিলাম। নিজের মনে যা বিশ্বাস করতাম, তাই বলতাম। আর সবাই সেটা বিশ্বাসও করে নিত। এখনো অনেক সত্যি উদঘাটন হলে সবাই চমকে ওঠে। এই সমস্যার উৎপত্তির কারণ আমার জানা নেই। কিন্তু একটা সমস্যা যে ছিলই সেটা বুঝেছি। নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেছি।” জয়া আহসানের পরবর্তী সিনেমা ‘ওসিডি’। সিনেমাটিতে জয়া আহসান অভিনয় করেছেন শ্বেতা নামে একজন চিকিৎসকের চরিত্রে। অতীতের ধূসর ছায়া যেন তার পুরো জীবন জুড়ে লেপ্টে আছে। মনের গভীরে জমে থাকা অন্ধকার তাকে প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়ায়। একসময় তার অতীত সম্পর্কে এক রোগী জেনে যাওয়ার পর শ্বেতার জীবনে নেমে আসে ভয়াবহ পরিণতি। আশপাশের মানুষজন এবং যারা তার বিরুদ্ধাচরণ করে, তাদের প্রতি ক্রমশ বিতৃষ্ণ হয়ে ওঠে সে। শেষ পর্যন্ত শ্বেতার পরিণতি কী, তার উত্তর মিলবে ‘ওসিডি’ সিনেমার গল্পে।  সৌকর্য ঘোষাল পরিচালিত এ সিনেমা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে। জয়া আহসান ছাড়াও সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন—কৌশিক সেন, ফজলুর রহমান বাবু, অনসূয়া মজুমদার, কনীনিকা ব্যানার্জি প্রমুখ।

২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার

২ লাখ ১০ হাজার টন সার কিনবে সরকার মরক্কো, সৌদি আরব ও দেশীয় প্রতিষ্ঠান কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) থেকে ২ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ৮০ হাজার টন ডিএপি সার, ৭০ হাজার টন ইউরিয়া এবং ৬০ হাজার টন টিএসপি সার রয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে এক হাজার ৩৭০ কোটি ৯১ লাখ ৭৮ হাজার ৯৭৫ টাকা। গতকাল সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এসব সার কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে মরক্কোর ওসিপি নিউট্রিক্রপস এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) এর মধ্যে সই হওয়া চুক্তির আওতায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মরক্কো থেকে এই সার আনতে ব্যয় হবে ৩১৯ কোটি ৫১ লাখ ৮ হাজার টাকা। প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম পড়বে ৬৫১ মার্কিন ডলার।