১০ বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে, কেন ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন ঊর্মিলা?

১০ বছরের ছোট ছেলেকে বিয়ে, কেন ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন ঊর্মিলা? একটা সময়ে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে একের পর এক সুপারহিট সিনেমায় অভিনয় করে দশর্কদের মাতিয়ে রেখেছিলেন অভিনেত্রী ঊর্মিলা মাতন্ডকর। সিনেমায় তার অভিনয়ের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছিলেন সবাই। অসংখ্য হিট সিনেমা উপহার দেওয়ার পরও একটা সময়ে অভিনয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নেন অভিনেত্রী। যে সময়ে তার ক্যারিয়ার ছিল তুঙ্গে। খুব অল্প বয়সেই ক্যামেরার মুখোমুখি হয়েছিলেন তিনি। মাত্র তিন বছর বয়সে ‘কর্মা’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেছিলেন ঊর্মিলা। এর পর ‘মাসুম’ সিনেমায় অভিনয় করেন। পড়াশোনার পাশাপাশিই অভিনয় চালিয়ে গিয়েছিলেন ঊর্মিলা। কিন্তু হঠাৎ করেই কেন ক্যারিয়ারের শীর্ষে থেকে ইন্ডাস্ট্রি ছেড়েছিলেন অভিনেত্রী? ১৯৯৫ সালে ‘রঙিলা’ সিনেমার মাধ্যমে সবার মন ছুঁয়েছিলেন ঊর্মিলা মাতন্ডকর। যে সিনেমা তার ভাগ্য সম্পূর্ণরূপে বদলে দিয়েছিল। অভিনেতা আমির খান ও জ্যাকি শ্রফের মতো বড় তারকাদের মধ্যেও ঊর্মিলা সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছিলেন। তার নাচ, আত্মবিশ্বাস ও স্টাইল সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মুগ্ধ করেছিল। এরপর তিনি ‘রঙিলা গার্ল’ নামে পরিচিত হন। এরপরেই পরিচালক রাম গোপাল ভার্মার সঙ্গে প্রেম চর্চা শুরু হয়েছিল ঊর্মিলার। পরিচালকের সাবেক স্ত্রী রত্না সেই প্রেমের গুজবের মধ্যেই একদিন শুটিং সেটে এসে ভীষণ তর্কবিতর্কের মাঝেই কষিয়ে চড় মারেন ঊর্মিলাকে। রত্নার দাবি, এ সম্পর্কের গুঞ্জনের প্রভাব পড়েছিল তাদের বিবাহিত জীবনেও। তবে সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো যখন ঊর্মিলা তার ক্যারিয়ারের শীর্ষে, তখনই সিনেমা জগৎ থেকে সরে যান। যে বয়সে অভিনেত্রীরা সাধারণত তাদের ক্যারিয়ার আরও ভালোভাবে শুরু করেন, সেই সময়ে তিনি ক্যামেরা থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। এ সিদ্ধান্ত কোনো বাধ্যবাধকতা বা ব্যর্থতার জন্য নয়। বরং নিজের ইচ্ছায় সে কাজ করেন ঊর্মিলা মাতন্ডকর। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে সিনেমা জগৎ থেকে দূরে থাকার পর অভিনেত্রী হিন্দু রীতি অনুসারে কাশ্মীরি ব্যবসায়ী মহসিন আখতার মীরকে বিয়ে করেন। তার মুম্বাইয়ের বাড়িতে একটি মণ্ডপ তৈরি করা হয় এবং সেখানেই বিয়ে করেন। স্বামী তার চেয়ে প্রায় ১০ বছরের ছোট ছিলেন। আট বছরের বিবাহিত জীবন কাটানোর পর ২০১৪ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। যদিও তাদের কোনো সন্তান নেই।
বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন সাফা কবির

বিয়ে প্রসঙ্গে যা বললেন সাফা কবির ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাফা কবির। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে শোবিজে কাজ করছেন। অভিনয় দিয়ে জয় করেছেন দর্শকদের মন। চরিত্রের প্রয়োজনে নিজেকে বারবার ভেঙেছেন আবার গড়েছেন। সাফা কবিরের সমসাময়িক অভিনেত্রীদের মধ্যে মেহজাবীন চৌধুরী, মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া, শবনম ফারিয়া, সাবিলা নূর, শেহতাজ মুনিরা হাশেম ইতিমধ্যেই সংসারী। তাই প্রায়ই সাফাকে শুনতে হয়- কবে বিয়ে করছেন? এ বিষয়ে সাফা কবির বলেন, ‘আমার পরিবার থেকে কোনো তাড়াহুড়া নেই। আব্বু-আম্মু সব সময় আমাকে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছেন। তারা সব সময় বলেছেন, সাফা যেটা চাইবে সেটাই হবে। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন একটা সময়ে বিয়ে করতে চাই, যখন আমার জীবনে এমন একজন মানুষ আসবে, যার সঙ্গে সারা জীবন দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই থাকা যাবে। হুটহাট বিয়ে করে কিছুদিন পর ভেঙে যাওয়ার চেয়ে, আস্থার সঙ্গে বিয়ে করাটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সাফার কথায়, সে রকম কাউকে এখনও খুঁজে পাননি। তার ভাষ্য, ‘আমি অনেক কাজ নিয়ে ব্যস্ত। সামনে হয়তো হবে। দোয়া করি, আল্লাহ একজন ভালো মানুষ দেবেন। আমার বিশ্বাস আছে। এদিকে, সম্প্রতি কক্সবাজারে ‘মৎস্যকন্যা’ নাটকের শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন সাফা। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরেই শুরু হয়েছে নতুন কাজের ব্যস্ততা। পাশাপাশি ঈদ সামনে রেখে প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি।
দ্বীনের পথে অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া, অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা

দ্বীনের পথে অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া, অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা অভিনয় জগৎ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন তরুণ অভিনেত্রী নওবা তাহিয়া। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে শোবিজ ছাড়ার সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। ফেসবুক পোস্টে অভিনয় ছাড়ার কারণ ব্যাখ্যা করে নওবা তাহিয়া লেখেন, “এই মুহূর্তে আমি আমার দ্বীনের মধ্যে, নিজের ভেতরে, শেখার মধ্যে এবং যাদের সঙ্গে থাকলে ঘরের মতো অনুভূতি হয় তাদের সঙ্গেই শান্তি খুঁজে পাচ্ছি। শোবিজে চারটি সুন্দর বছর কাটানোর পর এখন থামার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নওবা তাহিয়া। এই সময়টা তার জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরণীয় ছিল উল্লেখ করে এতদিন পাশে থাকা সবাইকে ধন্যবাদ জানান এই অভিনেত্রী। পোস্টে নওবা তাহিয়া স্পষ্ট করে জানান, এখন থেকে তার আর কোনো নতুন কাজ আসবে না না নাটক, না টিভিসি, না ওটিটি প্ল্যাটফর্মে। তবে আগে করা কিছু কাজ ভবিষ্যতে প্রকাশ পেতে পারে, যদিও সেগুলোর সঙ্গে তিনি আর সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবেন না। দর্শক-ভক্তদের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে নওবা তাহিয়া লেখেন, “এতদিন যে ভালোবাসা ও সমর্থন পেয়েছেন, তার জন্য হৃদয়ের গভীর থেকে কৃতজ্ঞ। ছোটবেলায় শিশুদের অনুষ্ঠান উপস্থাপনার মাধ্যমে মিডিয়ায় পথচলা শুরু করেন নওবা তাহিয়া। পরে নাটক ও ওটিটিতে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজর কাড়েন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে টিভি নাটক‘চুপি চুপি’, ‘প্রথম প্রেমে বানান ভুল’, ‘মায়াপূরাণ’, ‘শুধু তুমি’, ক্লোজআপ কাছে আসার গল্প ‘কন্ট্রোল প্লাস জেড’ এবং চরকির ওয়েবফিল্ম ‘পুনর্মিলন’। পড়াশোনার কারণে আগেও কয়েক মাস অভিনয় থেকে দূরে ছিলেন নওবা তাহিয়া। তবে এবার শোবিজকে একেবারেই বিদায় জানানোর সিদ্ধান্ত নিলেন এই অভিনেত্রী।
ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে নতুন ভুবনে বালাম

ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে নতুন ভুবনে বালাম গায়কি একান্তই তাঁর মতো। তাই কারও সঙ্গে তুলনা করতে যাওয়া বৃথা। কিন্তু গায়কি নিয়ে ক্ষণে ক্ষণে নিজেকে বদলে দেওয়া যায়, ভিন্ন অবয়বে বারবার ফিরে আসা যায় দর্শক-শ্রোতার মাঝে। এর একাধিক উদাহরণ দেওয়া যায় বালামের বেলায়। পুরো নাম বালাম জাহাঙ্গীর। নামের প্রথম অংশ তাঁর পরিচিতির জন্য যথেষ্ট এবং সেই ‘বালাম’ শব্দটি অগণিত সংগীতপ্রেমীর ভীষণ প্রিয়। অনেকে জানান, বালাম শুধু সময়ের আলোচিত শিল্পীই নন, একাধারে সুরকার ও সংগীত পরিচালক। তাই কখন কোন সুরে গাইতে হবে, কোন মূর্ছনায় সংগীতপ্রেমীদের হৃদয় স্পন্দনের উঠানামা করে– তা বালামের খুব ভালোভাবেই জানা। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, যে শিল্পী, সুরকার ও সংগীতায়োজক সহজেই শ্রোতার পাল্স বুঝতে পারেন; তাঁর সম্পর্কে শ্রোতারা খুব বেশি কিছু জানার সুযোগ পান না। এই যেমন কদিন আগে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার ‘ও প্রিয়তমা’ গানের জন্য শ্রেষ্ঠ কণ্ঠশিল্পী হিসেবে পেলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, অথচ এ নিয়ে বালামের অনুভূতি কী? তা জানার সুযোগ হলো ভক্তদের। বালামের কথা থেকে কেবল এটুকু জানা গেছে, এই স্বীকৃতি নিয়ে তিনি এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা সবাই আনন্দিত। রাষ্ট্রীয় এই স্বীকৃতির জন্য ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার টিম ও ভক্তদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও প্রকাশ করেছেন। তারপরও এত বড় একটি অর্জন নিয়ে অনেকে যেভাবে উচ্ছ্বাস উল্লাস প্রকাশ করেন, তেমন কিছুই চোখে পড়েনি বালামের বেলায়। আসলে বালামের বেলায় এটাই স্বাভাবিক। কারণ, বরাবরই তিনি নিভৃতচারী; কিছুটা অন্তর্মুখী। সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয় নন বালাম। তাই কখন কী করছেন, সংগীত নিয়ে নতুন পরিকল্পনা, ক্যারিয়ার নিয়ে ভাবনা, এমন অনেক বিষয় অজানা থেকে যায়। তবে এটাও সত্যি, প্রতিটি সৃষ্টির পেছনে নিজেকে তিনি উজাড় করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। তাঁর গায়কি আর সংগীতায়োজন থেকে তারই প্রমাণ মেলে। সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিজেকে ভেঙে নতুনভাবে তুলে ধরার চেষ্টা দেখা গেছে বহুবার। সে কারণেই রেনিগেডস ব্যান্ডের বালামের সঙ্গে ওয়াফেইজের বালামকে কখনও মেলানো যায়নি। একইভাবে একক ক্যারিয়ার গড়ার পরও এই শিল্পী ও সংগীতায়োজককে নতুনভাবে আবিষ্কারের সুযোগ পেয়েছেন শ্রোতারা। ‘ভুবন’ এরপর আরও তিনটি একক অ্যালবামের পাশাপাশি মিশ্র অ্যালবাম ‘প্রেম শিকারি’, ‘আঁধার’, ‘দ্য গুরুস অব লাভ’, ‘ছায়াশিকারি’, দ্বৈত অ্যালবাম ‘বালাম ফিচারিং জুলি’, একক গান ‘চুপচাপ চারিদিক’সহ তাঁর আরও বেশ কিছু আয়োজন সংগীতপ্রেমীদের মনে আজও অনুরণন তুলে যাচ্ছে। কিন্তু অবাক করা বিষয় হলো, যার একের পর এক সৃষ্টি শ্রোতাদের মাঝে সাড়া জাগিয়ে যাচ্ছিল, সেই বালাম হঠাৎ করেই উধাও হয়ে গিয়েছিলেন গানের ভুবন থেকে। দীর্ঘদিন সেভাবে দেখা মেলেনি নন্দিত এই শিল্পীর। কী হলো, কেন আড়ালে চলে গেলেন বালাম? এই প্রশ্ন যখন অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল তখনই জানা যায়, গুরুতর অসুস্থ স্ত্রীকে সময় দিতেই সবকিছু থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এরপর অনেক ঝড়-ঝাপটা পেরিয়ে কয়েক বছরের বিরতি ভেঙে নতুনভাবে ফিরলেন বালাম। ‘ও প্রিয়তমা’ গানের মধ্য দিয়ে তুলছেন আলোড়ন। ‘প্রিয়তমা’ ছবির এই গানটি স্বল্প সময়ে শুধু ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে জায়গা করে নেয়নি, কোটি কোটি দর্শক-শ্রোতার হৃদয়ও জয় করেছে। কোনালের সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া এবং আসিফ ইকবালের লেখা ও আকাশ সেনের সুরের এই গানটি বালামকে এনে দিয়েছে পুনর্জন্মের স্বাদ। সবশেষে এই গানে এনে দিয়েছে সেরা শিল্পীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অথচ এমন সাফল্যের পরও বালাম শুধু এটুকুই বলেন, ‘শ্রোতা আমার গান শুনেছেন, ভালো লাগার কথা প্রকাশ করছেন, ভালোবাসা দিচ্ছেন– এটা পরম পাওয়া। আসলে হঠাৎ করেই ‘ও প্রিয়তমা’ গানটি গাওয়ার সুযোগ এসেছে। নিজেকে উজাড় করে গেয়েছি। এরপর যা হয়েছে, সেটাকে ম্যাজিক ছাড়া আর কিছু বলার নেই।’ বালামের এ কথা যে একটুকু ভুল নয়, তার প্রমাণ মেলে ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার পর প্লেব্যাকে নিয়মিত ব্যস্ত হয়ে ওঠায়। ‘প্রিয়তমা’র পর ‘রাজকুমার’ সিনেমায় প্লেব্যাক করে দেশজুড়ে আলোড়ন তুলেছেন তিনি। যার সুবাদে তাঁর শ্রোতার প্রত্যাশা বেড়ে গেছে আরও কয়েক গুণ। আর সেটি বুঝতে পেরে বালামও দীর্ঘ এক যুগ পর অ্যালবাম প্রকাশের ঘোষণাও দিয়েছেন। জানিয়েছেন, আসছে ঈদে পূর্ণাঙ্গ একক অ্যালবাম প্রকাশ করতে যাচ্ছেন তিনি। শিরোনাম ‘মাওলা’। এর প্রতিটি গানের সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন এই শিল্পী নিজেই। তাঁর এই কথা থেকে এটাও অনুমান করতে কষ্ট হয় না যে, পঞ্চম এই একক অ্যালবামের সূত্র ধরে শ্রোতারা বালামকে আরও একবার নতুনভাবে আবিষ্কারের সুযোগ পাবেন। কেননা, সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আনকোরা সংগীতায়োজন তুলে ধরাই নন্দিত এই শিল্পীর লক্ষ্য, যার প্রমাণ মিলেছে বহুবার।
নৈতিকতার প্রথম সোপান ধর্মীয় মূল্যবোধ: জেলা প্রশাসক

নৈতিকতার প্রথম সোপান ধর্মীয় মূল্যবোধ: জেলা প্রশাসক চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ বলেছেন, নৈতিকতার প্রথম সোপান হচ্ছে ধর্মীয় মূল্যবোধ। নীতি-নৈতিকতাবোধ ছাড়া প্রকৃত মানুষ গড়ে ওঠে না। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন পরিচালিত কালেক্টরেট ইংলিশ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া, বনভোজন ও পুরস্কার বিতরণ–২০২৬ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, কালেক্টরেট ইংলিশ স্কুল ও গ্রিন ভিউ স্কুলকে মডেল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে চায় জেলা প্রশাসন। শুধুমাত্র ইংরেজি শেখানোই শিক্ষার লক্ষ্য নয়; শিক্ষার্থীদের মানবিক, নৈতিক ও বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জন জরুরি। এ ক্ষেত্রে মাতৃভাষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। জেলা প্রশাসক বলেন, অতীতে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী নৈতিকতা হারিয়ে নেতিবাচকভাবে আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশ চায় নীতিনৈতিকতাসম্পন্ন, দায়িত্বশীল ও মেধাবী নাগরিক। শিক্ষার্থীদের মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, না জানা কোনো অপরাধ নয়; তবে ভুল উত্তর দেওয়া অপরাধ। শিক্ষার্থীদের প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। কালেক্টরেট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোছা. রুমানা আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক উজ্জ্বল কুমার ঘোষ এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মারুফ আফজাল রাজন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ভাইস প্রিন্সিপাল মো. সাদিকুল ইসলাম। আলোচনা শেষে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ

গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফোরণ গোমস্তাপুর থানার ফটক ও বাজারে ২ টি ককটেল বিস্ফারণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল গভীর রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। তবে ঘটনা দু’টিতে হতাহতের কোন খবর পাওয়া যায়নি। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ – ওসি আব্দুল বারিক এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করেন ও গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ওসি আব্দুল বারিক জানান, গতকাল রাত ১২ টার দিকে গোমস্তাপুর থানার ফটকে ককটেল সদৃশ বস্তু বিস্ফোরিত হয়ে শব্দ সৃষ্টি হয়। অন্যদিকে একই সময় গোমস্তাপুর বাজারে আরেকটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। ওসি আরও জানান, কে বা কারা, কোন উদ্যেশ্যে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ চলছে। উপজেলায় পুলিশের নজরদারি জোরদার ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রীয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওসি।
ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা

ভারত ম্যাচ না খেললে মামলা হতে পারে, পিসিবিকে আইসিসির সতর্কবার্তা ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে বড় আর্থিক ও আইনি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। আজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) পাকিস্তানকে সতর্ক করে জানিয়েছে, নির্ধারিত ম্যাচটি অনুষ্ঠিত না হলে টুর্নামেন্টের অফিসিয়াল সম্প্রচারক জিওস্টার আইনি পদক্ষেপ নিতে পারে। পাকিস্তান সরকারের নির্দেশে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় অনুষ্ঠিতব্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পিসিবি। তবে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ এখনো লিখিতভাবে আইসিসিকে জানানো হয়নি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে পিসিবি সূত্র জানিয়েছে, ভারত ম্যাচ বর্জনের কারণে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশীদারিত্ব থেকে প্রায় ৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কেটে নিতে পারে। সেই অর্থ সম্প্রচারককে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। পিসিবি সূত্র আরও জানায়, অবস্থান পরিবর্তন না করলে শুধু আর্থিক জরিমানাই নয়, সম্প্রচারকের পক্ষ থেকে সরাসরি মামলার মুখেও পড়তে হতে পারে বোর্ডকে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসর শুরু হচ্ছে শনিবার ৭ ফেব্রুয়ারি।
নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নতুন সেবা চালু

নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে নতুন সেবা চালু আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সঠিক, নির্ভরযোগ্য তথ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সহযোগিতায় এটুআইয়ের ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে বিশেষ তথ্যসেবা চালু করা হয়েছে। ইসির সহযোগিতায় এটুআই-এর ন্যাশনাল হেল্পলাইন ৩৩৩-এর মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। মূলত নির্বাচন প্রক্রিয়াকে আরো স্বচ্ছ, অংশগ্রহণমূলক ও নাগরিকবান্ধব করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের যেকোনো মোবাইল অপারেটর থেকে সম্পূর্ণ টোল-ফ্রি নম্বর ৩৩৩-এ কল করে ৯ চাপলে নাগরিকরা নির্বাচনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা পাবেন। এই সেবার আওতায় ভোটাররা ভোট প্রদানের নিয়ম ও পদ্ধতি, নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রের অবস্থান এবং জাতীয় পরিচয়পত্রসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে পারবেন। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন আচরণবিধি, প্রবাসী ভোটারদের ভোট প্রদানের নিয়ম এবং প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও নারী ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধাসংক্রান্ত তথ্যও এখানে মিলবে। এ ছাড়া, জরুরি নির্দেশনা, প্রয়োজনীয় যোগাযোগ নম্বর এবং নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত স্মার্ট ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও পোস্টাল ভোটিং অ্যাপ ব্যবহারের পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত জানানো হচ্ছে। গত ১৬ জানুয়ারি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট আকারে) চালু হওয়া এই বিশেষ সেবার মাধ্যমে ইতিমধ্যে ১ হাজার ৬৪৩ জন নাগরিক প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা নিয়েছেন। এই হেল্পলাইনটি শুধু তথ্যসেবাই নয়, বরং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সংক্রান্ত তথ্য গ্রহণ এবং সম্ভাব্য অস্থিরতা আগাম শনাক্ত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত অবহিত করার একটি সহায়ক মাধ্যম হিসেবেও কাজ করবে। তবে এটি সরাসরি পুলিশ কন্ট্রোলরুম হিসেবে কাজ করবে না; বরং একটি ‘ইনফরমেশন ইনটেক, আর্লি ওয়ার্নিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং সিস্টেম’ হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করবে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রাপ্ত তথ্য জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
পাল্লেকেলের ফাঁদেই আটকাল স্বাগতিকরা, প্রস্তুতির সিরিজে নিখুঁত ইংল্যান্ড

পাল্লেকেলের ফাঁদেই আটকাল স্বাগতিকরা, প্রস্তুতির সিরিজে নিখুঁত ইংল্যান্ড আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক হয়েও প্রস্তুতির মঞ্চে চরম হতাশার ছবি দেখল শ্রীলঙ্কা। নিজেদের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে একটিও ম্যাচ জিততে না পেরে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হলো দাসুন শানাকার দলকে। মঙ্গলবার পাল্লেকেলেতে অনুষ্ঠিত শেষ টি-টোয়েন্টিতে কম রানের ম্যাচে নিজেদের তৈরি স্পিন-নির্ভর উইকেটেই আটকে গেল স্বাগতিকরা। ১২৯ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শেষ পর্যন্ত ১১৬ রানেই গুটিয়ে যায় শ্রীলঙ্কা। ফলে সিরিজ শেষ হয় ৩-০ ব্যবধানে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে। এই সিরিজের তিনটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হয়েছে পাল্লেকেলেতে। তবে প্রতিটি ম্যাচে উইকেটের আচরণ ছিল ভিন্ন। প্রথম ম্যাচে বৃষ্টির কারণে ওভার কমলেও স্পিন খুব বেশি প্রভাব ফেলেনি। দ্বিতীয় ম্যাচ ছিল তুলনামূলক ব্যাটিং-বান্ধব। আর শেষ ম্যাচে স্পিনারদের আধিপত্যই ঠিক করে দেয় ফলাফল। প্রথমে লঙ্কান বোলাররা ইংল্যান্ডকে চাপে ফেললেও পরে সেই একই ফাঁদে নিজেরাই পড়েন স্বাগতিক ব্যাটাররা। এর আগে দুই দল তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছিল। সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেও পরের দুই ম্যাচে হেরে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ খোয়ায় শ্রীলঙ্কা। টি-টোয়েন্টিতে এসে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। এই নিয়ে ইংল্যান্ডের কাছে টানা ১১টি টি-টোয়েন্টিতে হারল শ্রীলঙ্কা। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এটি তাদের ইংলিশদের বিপক্ষে দ্বিতীয় হোয়াইটওয়াশ। ঘরের মাঠে প্রথম। এর আগে ২০২১ সালে ইংল্যান্ডে একই পরিণতি হয়েছিল। শেষ ম্যাচে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সফরকারীরা। মাত্র ৬০ রান তুলতেই ছয় উইকেট হারিয়ে ফেলে হ্যারি ব্রুকের দল। সেই ধাক্কা সামলে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন স্যাম কারান। ৪৮ বলে ৫৮ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন তিনি, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও একটি ছক্কা। এছাড়া জস বাটলার করেন ২৫ রান। নির্ধারিত ২০ ওভারে ইংল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১২৮। শ্রীলঙ্কার হয়ে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন দুষ্মন্ত চামিরা। মাত্র ২৪ রানে পাঁচ উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম পাঁচ উইকেটের কীর্তি গড়েন তিনি। ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি শ্রীলঙ্কার। ইনিংসের তৃতীয় বলেই শূন্যরানে ফিরে যান ওপেনার কামিল মিশারা। পাথুম নিশাঙ্কা আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে কিছুটা আশা জাগালেও ২৩ রানেই থেমে যান। পাওয়ারপ্লেতে ৪৬ রান তুলে লঙ্কানরা ম্যাচে থাকলেও মাঝের ওভারে দ্রুত উইকেট হারানোয় সেই সম্ভাবনা ফিকে হয়ে যায়। ৬২ রানের মধ্যে পভন রত্ননায়েক ও কুশল মেন্ডিস ফিরে গেলে চাপ আরও বাড়ে। কামিন্দু মেন্ডিস ও জানিথ লিয়ানাগে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও সেটি যথেষ্ট হয়নি। শেষ ছয় উইকেট পড়ে যায় মাত্র ২৬ রানের ব্যবধানে। ইংল্যান্ডের বোলিংয়ে বড় ভূমিকা রাখেন স্পিনাররা। জ্যাকব বেথেল নেন চারটি উইকেট। আর উইল জ্যাকস শিকার করেন তিনটি। ম্যাচ ও সিরিজসেরার পুরস্কার উঠেছে স্যাম কারানের হাতেই। ব্যাটে-বলে তার অবদানই এই সিরিজে ইংল্যান্ডের নিখুঁত সাফল্যের প্রতিচ্ছবি। বিশ্বকাপের আগে যেখানে প্রস্তুতির আত্মবিশ্বাস গড়ার কথা ছিল, সেখানে ঘরের মাঠে এমন পরাজয় শ্রীলঙ্কার জন্য বড় সতর্কবার্তা হয়েই রইল।
জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি

জেনে নিন বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি হালুয়ার স্বাদ কে না পছন্দ করেন! বিশেষ করে মিষ্টি খাবার খেতে যারা বেশি ভালোবাসেন, তাদের কাছে পছন্দের একটি পদ হলো হালুয়া। অতিথি আপ্যায়নে বা বিশেষ কোনো আয়োজনে থাকে নানা স্বাদের হালুয়া। সাধারণত আমাদের দেশে ছোলার ডাল কিংবা সুজির হালুয়া বেশি খাওয়া হয়। তবে আরও অনেক কিছু দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু হালুয়া। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক বিটরুটের হালুয়া তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : বিটরুট- ১টি লবণ- ১ চিমটি সুজি- ১/২কাপ ময়দা- ১/২কাপ ঘি- ১/২ কাপ এলাচ- ২টি গুঁড়া দুধ- ৩ টেবিল চামচ পানি- পরিমাণমতো গোলাপ জল- ১/২চা চামচ কিশমিশ, বাদাম ও কোকোনাট পাউডার- সাজানোর জন্য। যেভাবে তৈরি করবেন প্রথমে বিটরুট ধুয়ে গ্রেট করে তারপর ব্লেন্ড করে নিন। এবার বিটের রসটুকু ছেঁকে নিন। একটি ননস্টিক কড়াইয়ে ঘি গরম করে তাতে ময়দা ও সুজি একসঙ্গে মিশিয়ে অনবরত নেড়েচেড়ে ভেজে নিন। একটু লালচে ভাব হয়ে এলে তাতে বিটের রস, চিনি ও গুঁড়া দুধ মিশিয়ে নেড়েচেড়ে নিন। হালুয়া কড়াইয়ের গা ছেড়ে এলে গোলাপজল ও কাজু পেস্তা কুচি ছড়িয়ে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এরপর পছন্দমতো শেইপে কেটে নিন। উপরে কোকোনাট পাউডার ও কিশমিশ-বাদাম ছিটিয়ে পরিবেশন করুন।