চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হরুনুর রশীদের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার শহরের পাঠানপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পোলিং এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রের এবং ভোট কক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন— প্রার্থী হারুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক তবিউল ইসলাম তরিফ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহানসহ অন্যরা। প্রশিক্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, ঝিলিম ও মহারাজপুর ইউনিয়নের পোলিং এজেন্টরা অংশগ্রহণ করেন। বাকি ১২টি ইউনিয়নের পোলিং এজেন্টদের আগামীকাল শনিবার একই ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না

প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে শাসন হোক আর অপশাসন হোক মানুষ দেখেছে। ওটা দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। পুরাতন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না। জুলাই যোদ্ধারা সেদিন রাস্তায় নেমে বলেছিল, “‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ আমরা সর্বক্ষেত্রে ন্যায়বিচার চায়।” তার মানে হলো দেশে ন্যায়বিচার নেই। সেই ন্যায়বিচার আমরা প্রতিষ্ঠা করব। তিনি বলেন, রাজার জন্য যে বিচার, সকলের জন্যও সেই একই বিচার। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে বিচারে যেমন শাস্তি হবে, দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীও একই ধরনের অপরাধ করলে তাদেরকেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। সেই বিচার আমরা বাংলাদেশে কায়েম করতে চাই। এই বিচার মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, সাঁওতাল নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী, সকলের জন্য। এই বিচার যখন কায়েম করা হবে, বাংলাদেশে আর কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না। চাঁদাবাজির রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। চাঁদাবাজদের ধরে এনে কাজে নিয়োগ দেয়া হবে। তারাও সেদিন কাজ করে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরো বলেন— দুর্নীতি যারা করে তাদের দুর্নীতি করার প্রয়োজন হবে না। দুটি কারণে মানুষ দুর্নীতি করে, একটি হলো লোভ আর একটি হলো বাধ্য হয়ে। সামরিক বাহিনী, পুলিশ র্যাবসহ আধাসরকারি বাহিনীর সদস্যদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন— আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাত নেই, দিন নেই ২৪ ঘণ্টা অন ডিউটি পাগল হয়ে দৌড়ায়। তাদেরকে যদি ৮ ঘণ্টা ডিউটি করার লোকদের সমান বেতন দেয়া হয় তাহলে সেটা কি ইনসাফ হবে? হবে না, সেটা হবে চরম বেইনসাফি। আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। একজন কর্মচারী-কর্মকর্তা, সে সরকারি-বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়িত্তবশাসিত যেখানে হোক, সে যেন তার মেধা উজাড় করে সেবা দিতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করব। আর রাষ্ট্র ও নিয়োগকারী সংস্থাও যেন তাদের সম্মানের সাথে বসবাস করার মতো সুযোগ-সুবিধা করে দিতে পারে আমরা তা নিশ্চিত করব। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি, তারা কাজের জন্য আন্দোলন করেছে। আমরা ওয়াদা করছি, তোমাদের হাতে অপমানের বেকার ভাতা আমরা তুলে দিব না। বরং তোমাদের হাতগুলো আমরা দক্ষ বানিয়ে তোমাদের মর্যাদাপূর্ণ কাজ দিব। সেদিন তোমরা দেশ গড়বে। তৈরি হয়ে যাও, তোমাদের জন্যই আমরা এই দেশ গড়তে নেমেছি, তোমাদের হাতেই এই দেশের ভার আমরা তুলে দিতে চাই। বাংলাদেশ নামের যে উড়োজাহাজ, সেই উড়োজাহাজের চালকের সিটে বসবে যুবকরা আর আমরা বসব পেছনের যাত্রীর সিটে। যুবকরা রকেট গতিতে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে। পেছনে ফিরে তাকাবার আর আমাদের সময় নেই। সকল জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষকে বুকে ধারণ করে আমাদের এই যাত্রা শুরু। নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন— মা-বোনদের কাছে আমার অঙ্গীকার, আপনাদের বহুবিধ অবদান, তার একটিরও প্রতিদান দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, আপনাদের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুটি জিনিস আমরা মা-বোনদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই। একটি হলো সমাজের সকল স্তরে আপনাদের অধিকার ও মর্যাদা এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আজকে আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে পুরুষরা পাবে তাদের অধিকার এবং নারীরা পাবে তাদের অধিকার। কোনো জালিম আমার কোনো মা-বোন বা মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না। সেই নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা মায়েদের জন্য গড়তে চাই। ঘরে চলাচলে কর্মস্থলে সবস্তরে নারীরা নিরাপদে থাকবে ইনশাআল্লাহ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি উর্বর জেলা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন— এই জেলা হচ্ছে আমের রাজধানী, লিচুর রাজধানী, এখানে আরো অনেক কিছু উৎপাদন হয়। কিন্তু আসার সময় দেখলাম, মহানন্দা নদী এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা নদীগুলোকে জীবন্ত করে তুলব। নদীমাতৃক যোগযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলব, পদ্মায় যেখানে ব্যারেজ দিলে পানি পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যারেজ করা হবে। এই আমের রাজধানীতে আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই, আমরা ঘোষণা দিয়েছি গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় দরকার সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে, যেখানে গবেষণাগার দরকার, সেখানে তাই করা হবে। আম এবং লিচুর প্রসেসিং করে সারা বছর খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং বিশ্বেও রপ্তানি হবে। এভাবে দেশে এবং বিশ্বে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে তুলে ধরতে চাই। ডা. শফিকুর রহমান বলেন— আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট। একটি হচ্ছে— পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড আর অন্যটি হচ্ছে নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত। এর জন্য হ্যাঁতে ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি আর না মানে গোলামি। নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুজার গিফারী। এতে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল- গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, জামায়তের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ নজুরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাবেক এমপি লতিফুর রহমান, মুখলেশুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহা. ইসাহাক, ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইব্রাহিম রনি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির গোলাম রাব্বানী ও সেক্রেটারি আব্দুল আলিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া জামায়াতের শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামও বক্তব্য দেন। সকাল ৯টার দিকে থেকেই জামায়াত-শিবির ও কর্মী-সমর্থকরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা থেকে জনসভাস্থলে আসতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টায় নির্ধারিত সময়ে শুরু হয় জনসভার কার্যক্রম। একদিকে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য চলতে থাকে অন্যদিকে নেতাকর্মী-সমর্থকরাও আসতে থাকেন। একপর্যায়ে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে জামায়াত আমিরকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি সরকারি কলেজের পাশে পুরাতন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এরপর তিনি জনসভা মঞ্চে ওঠেন এবং বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্য শেষে তিন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান। এর আগে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠের জনসভায় বক্তৃতা করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত “জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি আজ বিকেলে রহনপুর মুক্ত মহাদল গণকেন্দ্র পাঠাগার প্রাঙ্গণ হতে বের হয়ে ওই এলাকার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে পাঠাগার হল রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর মুক্তমহাদলের সভাপতি শারফুদ্দীন আহমেদ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মফিজ আহমেদ নাদিমের সঞ্চালনায় অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার জাহান সুমন, খড়কাডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও স্কাউটার নুরুজ্জামান বাবু, রহনপুর পূণর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন সরকার হিরা, সহকারী অধ্যাপক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুর রাকিব, স্কাউটার ও ব্যবসায়ী তালাত মাহমুদ সরকার, সহকারী লিডার ট্রেনার ও শিক্ষক ফিরোজ আলী প্রমূখ। আলোচনা শেষে বই পাঠ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও কেক কর্তন করা হয়।
প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলাশহরের বেলেপুকুরে অবস্থিত প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রধান কার্যালয়ের নকীব হোসেন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াসের পরিচালক (মানব সম্পদ ও প্রশাসন, প্রশিক্ষণ বিভাগ) আলেয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্ব ও পরিচালক (কার্যক্রম) পঙ্কজ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম পরিচালক নাসের উদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহকারি পরিচালক আবুল খায়ের খান, সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, তানভির আহম্মেদ রিয়াদ, ফিরোজ আলম, আব্দুস সালাম ও আবুল কালাম আজাদসহ, সকল আরএম, জোন প্রধান, আরএম (এমই), প্রকল্প ফোকাল পার্সন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি বৃন্দ। সভায় প্রয়াসের চলমান কার্যক্রম ও সংস্থার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সাথে সংস্থার কার্যক্রম দক্ষতার সাথে এগিয়ে নিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ না থাকায় কলকাতায় বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ধস!

বাংলাদেশ না থাকায় কলকাতায় বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ধস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতে খেলতে আপত্তি জানানোয় আসন্ন বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। টাইগারদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোয় আগেই ইডেনে দর্শকখরার আশঙ্কা করা হয়েছিল। অবশেষে সেটিই সত্যি হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিই হচ্ছে না ইডেনে। টিকিটের লাইনে চার-পাঁচ জনের বেশি মানুষ দেখাই যাচ্ছে না। আরও জানা যাচ্ছে, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে অফলাইন টিকিটের যে স্টলগুলো দেওয়া হয়েছে, সেখানে হাতে গুনে ছ’জনের বেশি দেখা যায়নি। ইডেন গার্ডেন্সে সব মিলিয়ে ৬৫ হাজার দর্শকাসন। অথচ সব ম্যাচ মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ২১ হাজার টিকিটও বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার। য়েস্ট ইন্ডিজ বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচের টিকিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৯১৭টি। স্কটল্যান্ড-ইতালি ম্যাচে মাত্র ৩৪৮টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ম্যাচে ২০৭৫ টিকিট কিনেছেন দর্শকরা। ইংল্যান্ড-ইতালি ম্যাচে টিকিট বিক্রির সংখ্যা ৪৯৭০। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইতালির খেলা দেখতে আসবেন এখনও পর্যন্ত ১২৪৮ জন। সুপার এইট এবং সেমিফাইনাল মিলিয়ে মোট ৯০০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। গ্রুপ পর্বে ভারতের কোনও ম্যাচ দেওয়া হয়নি ক্রিকেটের নন্দনকাননে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশ না আসায় যে আগ্রহ ছিল দর্শকদের, সেটাও চলে গিয়েছে। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) অবশ্য ক্ষতি হচ্ছে না। ম্যাচ আয়োজন করার যে মূল্য তারা পাচ্ছে তাতেই খরচ উঠে আসছে। মাঠে দর্শক আনার জন্য বাড়তি কিছুও করা হচ্ছে না। বিশ্বকাপকে ঘিরে শহরে কোনও আগ্রহ নেই ক্রিকেটপ্রেমীদের। বরং ঘরোয়া লিগের ম্যাচ ঘিরে অনেক বেশি চর্চা হচ্ছে।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুঃসংবাদ পেল ভারত

বিশ্বকাপ শুরুর আগে দুঃসংবাদ পেল ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হবে শনিবার। এবারের আসরের আয়োজক দেশ ভারত ও শ্রীলংকা। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগে দুঃসংবাদ ভারতীয় ক্রিকেট দল। চোটে পড়েছেন দলটিরর তারকা পেসার হার্ষিত রানা। মুম্বাইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্পোর্টস অ্যাকাডেমি মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে ভারত। সেখানে হার্ষিত মাত্র এক ওভার বল করে ১৬ রান দেন এবং এর পরই অস্বস্তি নিয়ে মাঠ ছাড়েন। ম্যাচের বাকি সময়ে আর মাঠে ফেরেননি। নিজের করা একমাত্র ওভারটিতে হার্ষিতকে চোটে ভুগতে দেখা যায়। দুইবার তিনি রান-আপ নেওয়ার সময় মাঝপথে থেমে যান। কিছুক্ষণ পরই তাকে হাঁটু চেপে ধরে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে মাঠ ছাড়তে দেখা যায়। হার্ষিতের চোট নিয়ে তার সতীর্থ এবং কোচিং স্টাফরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন। তবে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। ফলে হার্ষিতের চোট কতটা গুরুতর, তা নিয়ে চিন্তা থাকছে। এদিকে অলরাউন্ডার ওয়াশিংটন সুন্দরেরও চোট রয়েছে। তাকে নিয়ে অনিশ্চয়তা আগে থেকেই ছিল। এবার হার্ষিতের চোট ভারতের দুশ্চিন্তা আরও বাড়াল। তবে তাদের জন্য কিছুটা স্বস্তির খবর হল, চোট সারিয়ে মাঠে ফিরেছেন তিলক বর্মা।
৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে লাহোর কালান্দার্সে মোস্তাফিজ

৬ কোটি ৪৪ লাখ রুপিতে লাহোর কালান্দার্সে মোস্তাফিজ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) থেকে বাদ পড়ার পর থেকে মোস্তাফিজুর রহমান ক্রিকেট বিশ্বের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। তার বাদ পড়া, বাংলাদেশের বিশ্বকাপ বয়কট করা, পাকিস্তানের ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করা, আইসিসির আর্থিক ক্ষতি কতো কিছু হয়ে গেল। সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দুতে বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর। আইপিএল থেকে বাদ পড়ার পর মোস্তাফিজুরকে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) যুক্ত করা হয়। রাখা হয় নিলাম তালিকায়। কিন্তু নিলামের আগেই তাকে দলে ভিড়িয়েছে পিএসএলের দল লাহোর কালান্দার্স। ৬ কোটি ৪৪ লাখ পাকিস্তানি রুপিতে দল পেয়েছেন মোস্তাফিজুর। গতবার এই দলে খেলেছিলেন সাকিব আল হাসান, রিশাদ হোসেন ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তারা এখনও দল পাননি। নিলামের তালিকায় আছেন। সময়ের অন্যতম সেরা পেসার মোস্তাফিজুর নিলামের আগেই দলভুক্ত হবে তা বোঝা যাচ্ছিল। কেননা একাধিক দল তাকে নিয়ে আলোচনা করছিল। বৃহস্পতিবার লাহোর কালান্দার্স সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বার্তায় জানিয়েছে, এবারের আসরের জন্য বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তি করেছে তারা। পিএসএলে খেলার সুবাদে প্রায় ৩ কোটি বাংলাদেশি টাকা পাবেন মোস্তাফিজুর। ২০১৮ সালের পর তিনি পিএসএলে খেলার অপেক্ষায়। সেবার পাঁচটি ম্যাচ খেলেছিলেন লাহোর কালান্দার্সের হয়ে। উইকেট নিয়েছিলেন চারটি। ৮ বছর পর মোস্তাফিজুর পিএসএলে ফিরলেন পুরোনো দলে। আইপিএলের দল কলকাতা নাইট রাইডার্স ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মোস্তাফিজুরকে দলে ভিড়িয়েছিল। ২ কোটি ভিত্তিমূল্য থেকে তিন দলের কাড়াকাড়ির পর নিলাম থেকে মোস্তাফিজুরকে কিনে নিয়েছিল মেগা স্টার শাহরুখ খানের দল। এজন্য হিন্দুত্ববাদীদের কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েন বলিউড বাদশা ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ খান। এ নিয়ে ব্যাপক উত্তেজনার মধ্যে আইপিএল কর্তৃপক্ষ মোস্তাফিজুরকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। তারপর ক্ষোভ দেখা যায় বাংলাদেশেও। বাংলাদেশ সরকার সিদ্ধান্ত নেয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে খেলতে যাবে না বাংলাদেশ। যেখানে মোস্তাফিজুরকে নিরাপত্তা দিতে পারেনি ভারত, সেখানে বাংলাদেশের পুরো দলকে নিরাপত্তা দেবে সেই প্রশ্ন তোলা হয়। আগামী ২৬ মার্চ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে আইপিএল। পিএসএল শুরু হবে তার তিন দিন আগে। এবার ৬ দল থেকে বাড়িয়ে ৮ দলের টুর্নামেন্ট করা হয়েছে।
আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ ১০ জন পাচ্ছেন একুশে পদক

আইয়ুব বাচ্চু ও ববিতাসহ ১০ জন পাচ্ছেন একুশে পদক একুশে পদক ২০২৬ ঘোষণা করেছে সরকার। এ বছর ১০ জনকে এ পদক দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক বিফ্রিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- চলচ্চিত্রে ববিতা, চারুকলায় ড. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু, ব্যান্ড মিউজিকে ওয়ারফেজ, নাট্যকলায় পালাকার ইসলাম উদ্দিন, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার ও নৃত্যকলায় অথৈ আহমেদ।
ওয়াশিংটন পোস্টের ৩৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা

ওয়াশিংটন পোস্টের ৩৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসের মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট বড় ধরনের রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ৮০০ সাংবাদিকের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশকে ছাঁটাই করেছে মালিকপক্ষ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) অনেক কর্মীকে বাড়িতে থাকার নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স সংবাদমাধ্যমটির মুখপাত্র জানান, ছাঁটাই কার্যক্রমে প্রতিষ্ঠানটির অন্তত তিন ভাগের এক ভাগ কর্মী চাকরি হারাবেন। নিউজরুমের ‘শত শত’ কর্মী চাকরি হারাবেন বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন-বাল্টিমোর গিল্ড ইউনিয়ন। পোস্টের কর্মীরা ওই ইউনিয়নের সদস্য। দুইজন অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, কোম্পানি প্রায় ৩০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই করেছে। এতে ব্যবসায়িক বিভাগ এবং প্রায় ৮০০ সাংবাদিকের মধ্যে ৩০০ জনেরও বেশি বাদ পড়েছে। অনলাইনে একটি লাভজনক সংবাদপত্র গড়ে তোলার এবং চালানোর পথ খুঁজে পাননি বলেই এই ছাঁটাই করেছেন বেজোস। তার মালিকানার প্রথম আট বছরে পত্রিকাটি সম্প্রসারিত হয়েছিল। কিন্তু সম্প্রতি সংস্থা বেশ হোঁচট খেয়েছে। নতুন এই ছাঁটাইয়ের কারণে বন্ধ হয়ে যেতে পারে গণমাধ্যমটির কয়েকটি বিট ও কার্যক্রম। সংকুচিত হবে বেশ কিছু সেক্টরও। ওয়াশিংটন পোস্টের নির্বাহী সম্পাদক ম্যাট মারে বলেন, ‘পুরোনো আমলে স্থানীয় পত্রিকাগুলো যেমন একচেটিয়া ব্যবসা করতো, সেরকম একটি ব্যবসায়িক কাঠামো আমরা দীর্ঘদিন ধরে অনুসরণ করে এসেছি। আমাদেরকে এখন সামনে এগিয়ে যাওয়ার নতুন পথ খুঁজে পেতে হবে এবং আরও শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করতে হবে। এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, তারা ভবিষ্যতের দিকে তাকিয়ে কয়েকটি কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং সে অনুযায়ী যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা দাবি করে, ব্যবসায়িক কারণেই এসব সিদ্ধান্ত। নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, দ্য পোস্টের ক্রীড়া বিভাগ বন্ধ করা হবে, যদিও কিছু রিপোর্টার থাকবেন এবং ফিচার বিভাগে চলে এসে ক্রীড়ার সংস্কৃতি কভার করবেন। মেট্রো বিভাগ সংকুচিত হবে, এবং বই বিভাগ বন্ধ হবে, তদুপরি দৈনিক নিউজ পডকাস্ট বন্ধ হবে। ম্যাট মারে জানান, আন্তর্জাতিক কভারেজও কমে যাবে, তবে সাংবাদিকরা প্রায় একটি ডজন লোকেশনে থাকবেন। মধ্যপ্রাচ্য, ভারত এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিবেদক এবং সম্পাদক ছাঁটাই করা হয়েছে। সাক্ষাৎকারে মারে এই ছাঁটাইয়ের দায়িত্ব নেন। তিনি জানান, এটি তার এবং তার টিমের পরিকল্পনার অংশ। ২০১৩ সালে পত্রিকাটি কিনে নেওয়ার সময় বেজোস কথা দিয়েছিলেন তিনি এর দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবেন না। ২০২৩ সালে পত্রিকাটির লোকসানের পরিমাণ ছিল ১০০ মিলিয়ন ডলার। বেজোস ২০২৩ সালের শেষদিকে উইল লুইসকে প্রকাশক হিসেবে নিয়োগ দেন দ্য পোস্টকে লাভজনক করার জন্য। কারণ পত্রিকা দর্শক ও সাবস্ক্রিপশন কমে যাচ্ছিল। লুইস বিভিন্ন পরিবর্তন পরীক্ষা করেছেন, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে মন্তব্য, পডকাস্ট এবং নিউজ অ্যাগ্রিগেশন চালু করার ক্ষেত্রে। এরপরই আসে এই ছাঁটাইয়ের ঘোষণা।
মধ্যপ্রাচ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু

মধ্যপ্রাচ্যে ১৭ ফেব্রুয়ারি রমজানের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা কতটুকু পবিত্র রমজান মাসের অপেক্ষা প্রায় শেষের পথে। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে হবে শাবান মাসের ২৯তম দিন। সেদিন রমজানের অর্ধচন্দ্রের অনুসন্ধান করা হবে। ওইদিন কি চাঁদ দেখা যাবে? সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহর জ্যোতির্বিদ্যা, মহাকাশ ও বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি জানিয়েছে, তারা সূক্ষ্ম বিশ্লেষণ করে দেখেছে ১৭ ফেব্রুয়ারি চাঁদ দেখা ‘অসম্ভব’। যে দলটি বিশ্লেষণ করেছে তারা বলেছে, ওইদিন আমিরাতের স্থানীয় সময় ৪টা ১ মিনিটে নতুন চাঁদের জন্ম হবে। সেদিন সূর্যাস্তের সময় নতুন চাঁদের বয়স হবে ২ ঘণ্টা ১৪ মিনিট। সূর্যাস্তের ঠিক আগ মূহুর্তে ওই চাঁদ অস্ত যাবে। যার অর্থ চাঁদ ও সূর্য একই সঙ্গে অস্ত যাবে। ফলে ওইদিন সন্ধ্যার পর রমজানের চাঁদ দেখা অসম্ভব। জ্যোতির্বিদ্যা, মহাকাশ ও বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি আরও বলেছে, শুধুমাত্র খালি চোখে নয়; উন্নত প্রযুক্তির টেলিস্কোপেও চাঁদ দেখা যাবে না। এছাড়া শুধু যে আমিরাত বা শারজাহতে চাঁদের দেখা মিলবে না, এমনটি নয়। ইসলামিক বিশ্বের কোনো দেশেই রমজানের চাঁদ দেখা যাবে না। কিন্তু পরেরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি বুধবার সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে খালি চোখেই দেখা যাবে নতুন অর্ধচন্দ্র। ওইদিন চাঁদটির বয়স ২৬ ঘণ্টা পেরিয়ে যাবে এবং চাঁদ দিগন্ত থেকে প্রায় ১২ ডিগ্রি ও ২১ আর্ক-মিনিট উচ্চতায় থাকবে। ফলে আকাশ পরিষ্কার থাকলে কোনো যন্ত্র ছাড়াই মহিমান্বিত মাসের চাঁদ দেখতে পারবেন মুসল্লিরা। ফলে ওই অঞ্চলে প্রথম রোজা হবে ১৯ ফেব্রুয়ারি। অ্যাকাডেমিটি বলেছে, যেসব দেশ খালি চোখের বদলে জ্যোতির্বিদ্যার হিসাব-নিকাশ অনুযায়ী রমজান শুরুর ঘোষণা দেয়, সেসব দেশে প্রথম রোজা হবে ১৮ ফেব্রুয়ারি। সূত্র: খালিজ টাইমস