ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশসহ ৫ দেশ

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলাদেশসহ ৫ দেশ বাংলাদেশ ও ভারতসহ মোট ৫ দেশে ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এর ফলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিকবার কম্পন অনুভূত হয়। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ১.৩৯ থেকে ভোর ৩.৪১ পর্যন্ত অনুভূত হয় কম্পনগুলো। এর মাত্রা ছিল ৪.০ থেকে ৪.৬ এর মধ্যে। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থার (ইউএসজিএস) তথ্য অনুযায়ী, কম্পন অনুভূত হয় বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, ভুটান ও চীনে। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সিকিমের নামচি এবং মাঙ্গান এলাকায়, ভূপৃষ্টের ৫ কিলোমিটার গভীরে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তথ্য অনুযায়ী, ভারতের কলকাতায় পর্যন্ত কম্পন অনুভূত হয়েছে। ওই অঞ্চলের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তারা কম্পন ও ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন এবং বিভিন্ন বস্তু নড়াচড়া হতে দেখেছেন। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, সিকিম ও সংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলটি ভূমিকম্পপ্রবণ ‘ফল্ট লাইন’-এর ওপর অবস্থিত। বড় কম্পনের পর ছোট ছোট আফটারশক হওয়া স্বাভাবিক। এর আগে গত মঙ্গলবার মিয়ানমারের প্রায় ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান কেঁপে ওঠে।
প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার আর নেই

প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার আর নেই প্রখ্যাত বাউল শিল্পী সুনীল কর্মকার মারা গেছেন। বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ শুক্রবার রাত আনুমানিক ৪টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই ছেলেসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। সুনীল কর্মকার ১৯৫৯ সালে ১৫ জানুয়ারি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া থানার বান্দনাল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাত্র সাত বছর বয়স থেকেই গানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কেবল কণ্ঠ নয়, বেহালা, দোতারা, তবলা ও হারমোনিয়াম-একাধিক বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পারদর্শী ছিলেন এ শিল্পী। বিখ্যাত বাউলশিল্পী ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর গান শুনেই গানের জগতে নিজেকে সঁপে দেন বালক সুনীল। ওস্তাদ জালাল উদ্দিন খাঁর অসংখ্য গানে তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন। এর মধ্যে বহু জনপ্রিয় ও খ্যাতনামা গান রয়েছে। এছাড়াও তার নিজের লেখা গানের সংখ্যাও কম নয় প্রায় দেড়শো থেকে দুইশোর কাছাকাছি গান রচনা করেছেন তিনি। ময়মনসিংহ বিভাগীয় বাউল সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো.নজরুল ইসলাম বলেন, উনি দীর্ঘকাল ধরে বাউল ও লোকসংগীতের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে আধ্যাত্মিক চেতনার বাণী পৌঁছে দিয়েছেন। সুনীল কর্মকার শুধু একজন গায়ক ছিলেন না, তিনি ছিলেন গ্রাম বাংলার লোকজ ঐতিহ্যের ধারক। একতারা ও দোতারার ছন্দে তার কণ্ঠে সেই বিশেষ আবেদন শ্রোতাদের মুগ্ধ করতো। সুনীল কর্মকারের কাছে সংগীতই ছিল একমাত্র ধ্যান ও জ্ঞান। ওস্তাদ জালাল উদ্দীন খাঁর ‘মানুষ ধরো, মানুষ ভোজ’ বিখ্যাত গান গেয়ে ভীষণ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন তিনি ।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, ডিপজল

আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, ডিপজল এক সময়ের জনপ্রিয় খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল উপহার দিয়েছেন দর্শকপ্রিয় ও ব্যবসাসফল অনেক সিনেমা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নতুন কোনো চলচ্চিত্রে অভিনয় না করলেও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও আয়োজনে তাকে তেমন দেখা যায় না। যদিও চলচ্চিত্র অঙ্গনে সরব না থাকলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিয়মিত সক্রিয় ডিপজল। আজ (৬ ফেব্রুয়ারি) শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে পবিত্র জুম্মা উপলক্ষে তিনি সবার জন্য দোয়া ও শুভেচ্ছা জানান। পোস্টে ডিপজল লেখেন, “পবিত্র জুম্মার দিনে আল্লাহ আমাদের সবাইকে ক্ষমা করুন, হেদায়েত দিন এবং শান্তিতে রাখুন। জুম্মা মোবারক। তার এই বার্তাটি মুহূর্তের মধ্যেই ভক্ত ও অনুসারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই লাইক ও মন্তব্যের মাধ্যমে ‘আমিন’ জানিয়ে জুম্মার শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। ১৯৬২ সালের এইদিনে জন্মগ্রহণ করেন ডিপজল। ‘সতী কমলা’ সিনেমায় প্রথম নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করেন তিনি। ‘টাকার পাহাড়’, ‘হাবিলদার’, ‘ডাকাত’সহ বেশ কিছু সিনেমায় নায়কের ভূমিকায় দেখা গেছে তাকে। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ‘তেজী’ সিনেমায় প্রথম খল চরিত্রে অভিনয় করেন এ অভিনেতা। এরপর অসংখ্য ব্যবসাসফল সিনেমায় খল চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। ডিপজল অভিনীত ও প্রযোজিত বেশ কয়েকটি সিনেমা বর্তমানে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।
সংসার জীবন নিয়ে গায়িকা সিঁথি

সংসার জীবন নিয়ে গায়িকা সিঁথি ভালোবেসে নিউজিল্যান্ড প্রবাসী এক তরুণকে বিয়ে করেছিলেন সংগীতশিল্পী সিঁথি সাহা। এ সংসারে তাদের একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে। তবে এ সংসার সুখের হয়নি শিল্পীর। কয়েক দিন আগে একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন। সংসার জীবনের অজানা অধ্যায় ভাগ করে নেন। সিঁথি সাহা জানান একজন রাক্ষস পাশে নিয়ে ঘুমাতেন তিনি। এ আলাপচারিতায় সঞ্চালক জানতে চান, প্রেম-বিয়ে নিয়ে আপনার একটা খামখেয়ালিপনা ছিল। আপনার কি মনে হয় এটা অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত ছিল? জবাবে সিঁথি সাহা বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই তাই মনে হয়। কারণ আমার বিয়েটাই ভুল ছিল। যে বিয়ের কারণে আমার ক্যারিয়ার নষ্ট হলো। ২০১০-১১ সাল আমার উঠতি ক্যারিয়ার ছিল। আমি রাইজিং সুপারস্টার ছিলাম। ওই সময়ে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া, পাগলের মতো প্রেমে পড়ে নিউজিল্যান্ড চলে যাওয়া, অবশ্যই একটি ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। এটা কোনো হ্যাপি ম্যারেজ ছিল না। আমার জীবনটা ধ্বংস করে দিয়েছে। প্রেম করে বিয়ের পরও এমনটা কেন হলো? এ প্রশ্নের উত্তরে সিঁথি সাহা বলেন, “এ বিয়েতে আমার বাবা-মা কেউই রাজি ছিলেন না। আমার পাগলের মতো প্রেম, তারপর বিয়ে। ছেলেও আমাকে বিয়ে করার জন্য মরিয়া ছিল। আমাকে বিয়ে করার জন্য নিউজিল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে চলে আসে। তারপর বিয়ে হয়। এটা একটা অসম সম্পর্ক ছিল। খানিকটা ব্যাখ্যা করে সিঁথি সাহা বলেন, “শুরুতে তাদের (শ্বশুরবাড়ির লোকজন) কাছে আমার গান ভালো লাগত। বিয়েটা হয়ে যাওয়ার পর শ্বশুরবাড়িতে নিয়ম করা হলো রাত ৯টার পর আমি বাড়ির বাইরে থাকতে পারব না। সুতরাং আমি আর রাতে কোনো শো করতে পারতাম না। আমার বন্ধুরা দাওয়াত দিলেও যেতে পারতাম না। আর যদি যেতামও তাড়াতাড়ি চলে আসতাম। এমনকি, এখনো সেই আতঙ্ক কাজ করে; আমাকে রাত ৯টার মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে। ওই বাসার মধ্যে অসুস্থ একটা পরিবেশ ছিল, আমি অ্যাবিউজড হয়েছি। প্রেম পবিত্র জিনিস। বিয়ের আগে তো ক্যারিয়ার নিয়েও কথাবার্তা হয়, সেরকম কিছু আপনাদের হয়নি? জবাবে সিঁথি বলেন, “প্রেম তো মানুষ অন্ধভাবে করে। বিয়ের আগে এতসব বুঝতে পারি নাই। তখন ওরা যথেষ্ট বিনয়ী ছিল। একটি ঘটনা বর্ণনা করে সিঁথি সাহা বলেন, “বিয়ের পর যেদিন আমি ওদের বাড়ি গেলাম। বিয়ের পরের দিন ওর বাবা-মা-বোন সবাই মিলে একটা গোল মিটিং করছিল। সেখানে আমাকে ডেকে নিয়ে বলল, ‘গীতা ছুঁয়ে বলো তুমি আর তোমার বাবা-মায়ের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে পারবে না।’ বিয়ের দিন একটা সমস্যা হয়েছিল, সেটা নিয়ে এমন বক্তব্য আসে। কিন্তু তাই বলে এটা তো হতে পারে না! এটা একটা ছোট ঘটনা। যাইহোক, বাসাটার মধ্যে একটা অসুস্থ পরিবেশ ছিল; আমার দম বন্ধ হয়ে আসছিল। কারণ আমি মানসিক-শারীরিকভাবে অ্যাবিউজড ছিলাম।” সিঁথিকে তার স্বামী নির্যাতন করতেন। এ তথ্য স্মরণ করে এই শিল্পী বলেন, “আমি ছোটবেলায় ভূত খুব ভয় পেতাম। আমি ওয়াশরুমে গেলেও মা দাঁড়িয়ে থাকতেন। যেদিন আমার বিয়ে হয়েছে, তারপর থেকে আমি আর ভূত ভয় পাই না। কারণ আমি আমার পাশে একজন রাক্ষস নিয়ে ঘুমাতাম। দেখা যেত, রাতে কোথাও থেকে ফিরল, এসেই আমাকে টর্চার করা শুরু করল। একপর্যায়ে আমার জীবন হুমকির মুখে পড়ে গেল। ওর বাবা-মা থানায় জিডি করতে গেল। এটা বাংলাদেশের ঘটনা, নিউজিল্যান্ডেও এরকম হয়েছে। সংসার টিকানোর চেষ্টা করেছেন সিঁথি। সবশেষে তা সম্ভব হয়নি। এ বিষয়ে সিঁথি সাহা বলেন, “আমরা তো বাবা-মাকে দেখেই বড় হই। আমাদের হিন্দু ধর্মে বলা হয়, একটাই স্বামী। বিয়ে একবারই হয়। একটু সহ্য করো সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। ওর মা-ও বলত, বাবু (সিঁথির স্বামী) ছোট মানুষ, একটু ধৈর্য ধরো সব ঠিক হয়ে যাবে। এই ঠিক হয়ে যাওয়ার চক্করে আমার জীবন থেকে ১০টি বছর নাই হয়ে গেছে। শেষ অধ্যায়ে কী পেলাম? কিছুই না। চেষ্টা করলাম সংসার টিকানোর, সংসারও টিকলো না, ক্যারিয়াও নষ্ট হয়ে গেল। আর এই যে ট্রমা নিলাম, এই ট্রমার কারণে এখনো রাতেরবেলায় মনে হয়, কেউ আমার উপরে হামলে পড়বে! শৈশবে মায়ের কাছ থেকে সংগীতের হাতেখড়ি সিঁথি সাহার। তারপর শাস্ত্রীয়, লোক ও আধুনিক সংগীত রপ্ত করেন ছায়ানট ও সম্মেলন পরিষদ থেকে। রবীন্দ্রসংগীতের জন্য চারটি জাতীয় পুরস্কারসহ অনেক সম্মাননা পেয়েছেন এই শিল্পী। এরই মধ্যে তার শরীরে ক্যানসার বাসা বেঁধেছিল। তবে এই যুদ্ধে জয়ী হয়ে সুস্থ হয়েছেন। এখন সন্তান ও গান নিয়েই ব্যস্ত সময় পার করছেন এই শিল্পী।
সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে অজানা কথা শোনাবেন মিথিলা

সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে অজানা কথা শোনাবেন মিথিলা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ বিজয়ী ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম উজ্জ্বল করা মডেল তানজিয়া জামান মিথিলা এবার বড় পর্দায় অভিষেক ঘটাতে যাচ্ছেন। জনপ্রিয় পডকাস্ট ‘বিহাইন্ড দ্য ফেইম উইথ আরআরকে’-র নতুন এক পর্বে অতিথি হয়ে নিজের সাবেক ও বর্তমান প্রেম নিয়ে বেশ কিছু অজানা তথ্য শেয়ার করেছেন তিনি। একইসঙ্গে বড় পর্দায় নায়িকা হিসেবে আসার খবরটি। থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৫’-এ সেরা ৩০-এর মধ্যে ১২তম স্থান অধিকার করে আলোচনায় আসা এই তারকা জানান, সিনেমার জন্য সব কথাবার্তা চূড়ান্ত। আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যেই প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে আসবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। আগে ওটিটির জন্য নির্মিত ‘রোহিঙ্গা’ সিনেমায় কাজ করলেও অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে আরও ভাঙতে চান মিথিলা। পডকাস্টে নিজের সীমাবদ্ধতা নিয়ে অকপটে তিনি বলেন, অভিনেত্রী হিসেবে আমার অনেক ধরনের সীমাবদ্ধতা আছে। আমি এখনো নায়িকাদের মতো নাচতে পারি না। তবে আমি একজন অভিনেত্রী হওয়ার জন্য যা যা জানা দরকার, সব কিছুই জানতে চাই, শিখতে চাই। মডেলদের অভিনয় দক্ষতা নিয়ে প্রচলিত ধারণা প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেন, অনেকে বলেন, মডেলরা অভিনয় পারেন না। কিন্তু যারা আজ সুপ্রতিষ্ঠিত অভিনেত্রী, তাদের মধ্যেও অনেকে শুরুতে অভিনয় পারতেন না। তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত হওয়ার পেছনে দীর্ঘ সময় পাড়ি দিতে হয়েছে। মডেলরাও লেগে থাকলে ভালো অভিনয় করতে পারবে। জেড আই ফয়সাল প্রযোজিত এবং রুম্মান রশীদ খানের সঞ্চালনায় এই পর্বটি আগামী শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টায় মাছরাঙা টেলিভিশন এবং রেডিও দিনরাত ৯৩.৬ এফএম-এ প্রচারিত হবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি প্রার্থী হারুনের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হরুনুর রশীদের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার শহরের পাঠানপাড়ায় দলীয় কার্যালয়ে এই প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পোলিং এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রের এবং ভোট কক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন— প্রার্থী হারুনুর রশীদ, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক তবিউল ইসলাম তরিফ, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি সারোয়ার জাহানসহ অন্যরা। প্রশিক্ষণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ড এবং সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা, ঝিলিম ও মহারাজপুর ইউনিয়নের পোলিং এজেন্টরা অংশগ্রহণ করেন। বাকি ১২টি ইউনিয়নের পোলিং এজেন্টদের আগামীকাল শনিবার একই ধরনের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না

প্রধানমন্ত্রী অপরাধ করলেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে শাসন হোক আর অপশাসন হোক মানুষ দেখেছে। ওটা দেখতে দেখতে মানুষ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। পুরাতন বন্দোবস্তের রাজনীতি আর দেখতে চায় না। জুলাই যোদ্ধারা সেদিন রাস্তায় নেমে বলেছিল, “‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ আমরা সর্বক্ষেত্রে ন্যায়বিচার চায়।” তার মানে হলো দেশে ন্যায়বিচার নেই। সেই ন্যায়বিচার আমরা প্রতিষ্ঠা করব। তিনি বলেন, রাজার জন্য যে বিচার, সকলের জন্যও সেই একই বিচার। একজন সাধারণ মানুষ অপরাধ করলে বিচারে যেমন শাস্তি হবে, দেশের প্রেসিডেন্ট বা প্রধানমন্ত্রীও একই ধরনের অপরাধ করলে তাদেরকেও ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। সেই বিচার আমরা বাংলাদেশে কায়েম করতে চাই। এই বিচার মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, সাঁওতাল নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠী, সকলের জন্য। এই বিচার যখন কায়েম করা হবে, বাংলাদেশে আর কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেয়া হবে না। চাঁদাবাজির রাস্তা বন্ধ হয়ে যাবে। চাঁদাবাজদের ধরে এনে কাজে নিয়োগ দেয়া হবে। তারাও সেদিন কাজ করে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জামায়াত আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত আমির আরো বলেন— দুর্নীতি যারা করে তাদের দুর্নীতি করার প্রয়োজন হবে না। দুটি কারণে মানুষ দুর্নীতি করে, একটি হলো লোভ আর একটি হলো বাধ্য হয়ে। সামরিক বাহিনী, পুলিশ র্যাবসহ আধাসরকারি বাহিনীর সদস্যদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন— আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা রাত নেই, দিন নেই ২৪ ঘণ্টা অন ডিউটি পাগল হয়ে দৌড়ায়। তাদেরকে যদি ৮ ঘণ্টা ডিউটি করার লোকদের সমান বেতন দেয়া হয় তাহলে সেটা কি ইনসাফ হবে? হবে না, সেটা হবে চরম বেইনসাফি। আমরা বৈষম্য দূর করতে চাই। একজন কর্মচারী-কর্মকর্তা, সে সরকারি-বেসরকারি, আধাসরকারি, স্বায়িত্তবশাসিত যেখানে হোক, সে যেন তার মেধা উজাড় করে সেবা দিতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করব। আর রাষ্ট্র ও নিয়োগকারী সংস্থাও যেন তাদের সম্মানের সাথে বসবাস করার মতো সুযোগ-সুবিধা করে দিতে পারে আমরা তা নিশ্চিত করব। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের যুবক-যুবতীরা বেকার ভাতার জন্য আন্দোলন করেনি, তারা কাজের জন্য আন্দোলন করেছে। আমরা ওয়াদা করছি, তোমাদের হাতে অপমানের বেকার ভাতা আমরা তুলে দিব না। বরং তোমাদের হাতগুলো আমরা দক্ষ বানিয়ে তোমাদের মর্যাদাপূর্ণ কাজ দিব। সেদিন তোমরা দেশ গড়বে। তৈরি হয়ে যাও, তোমাদের জন্যই আমরা এই দেশ গড়তে নেমেছি, তোমাদের হাতেই এই দেশের ভার আমরা তুলে দিতে চাই। বাংলাদেশ নামের যে উড়োজাহাজ, সেই উড়োজাহাজের চালকের সিটে বসবে যুবকরা আর আমরা বসব পেছনের যাত্রীর সিটে। যুবকরা রকেট গতিতে দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে। পেছনে ফিরে তাকাবার আর আমাদের সময় নেই। সকল জাতি, গোষ্ঠী, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সমস্ত মানুষকে বুকে ধারণ করে আমাদের এই যাত্রা শুরু। নারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন— মা-বোনদের কাছে আমার অঙ্গীকার, আপনাদের বহুবিধ অবদান, তার একটিরও প্রতিদান দেয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়, আপনাদের ঋণ পরিশোধ করা সম্ভব নয়। কিন্তু দুটি জিনিস আমরা মা-বোনদের জন্য নিশ্চিত করতে চাই। একটি হলো সমাজের সকল স্তরে আপনাদের অধিকার ও মর্যাদা এবং দ্বিতীয়টি হচ্ছে আপনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। আজকে আমরা এমন একটি সমাজ গড়তে চাই, যেখানে পুরুষরা পাবে তাদের অধিকার এবং নারীরা পাবে তাদের অধিকার। কোনো জালিম আমার কোনো মা-বোন বা মেয়ের দিকে চোখ তুলে তাকাবার সাহস পাবে না। সেই নিরাপদ বাংলাদেশ আমরা মায়েদের জন্য গড়তে চাই। ঘরে চলাচলে কর্মস্থলে সবস্তরে নারীরা নিরাপদে থাকবে ইনশাআল্লাহ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাকে একটি উর্বর জেলা উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন— এই জেলা হচ্ছে আমের রাজধানী, লিচুর রাজধানী, এখানে আরো অনেক কিছু উৎপাদন হয়। কিন্তু আসার সময় দেখলাম, মহানন্দা নদী এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা নদীগুলোকে জীবন্ত করে তুলব। নদীমাতৃক যোগযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলব, পদ্মায় যেখানে ব্যারেজ দিলে পানি পাওয়া যাবে, সেখানেই ব্যারেজ করা হবে। এই আমের রাজধানীতে আম সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার নেই, আমরা ঘোষণা দিয়েছি গোটা উত্তরবঙ্গকে কৃষি শিল্পের রাজধানীতে পরিণত করব। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় দরকার সেখানেই বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে, যেখানে গবেষণাগার দরকার, সেখানে তাই করা হবে। আম এবং লিচুর প্রসেসিং করে সারা বছর খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হবে এবং বিশ্বেও রপ্তানি হবে। এভাবে দেশে এবং বিশ্বে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে তুলে ধরতে চাই। ডা. শফিকুর রহমান বলেন— আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দুটি ভোট। একটি হচ্ছে— পুরনো বন্দোবস্তকে লাল কার্ড আর অন্যটি হচ্ছে নতুন বন্দোবস্তকে স্বাগত। এর জন্য হ্যাঁতে ভোট দিতে হবে। হ্যাঁ মানে আজাদি আর না মানে গোলামি। নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুজার গিফারী। এতে বক্তব্য দেন— চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী নূরুল ইসলাম বুলবুল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. কেরামত আলী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ (নাচোল- গোমস্তাপুর-ভোলাহাট) আসনে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী ড. মিজানুর রহমান, জামায়তের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ নজুরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির সাবেক এমপি লতিফুর রহমান, মুখলেশুর রহমান, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোহা. ইসাহাক, ছাত্রশিবিরের সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ইব্রাহিম রনি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির গোলাম রাব্বানী ও সেক্রেটারি আব্দুল আলিমসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। এছাড়া জামায়াতের শরিক দল জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির জেলা সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলামও বক্তব্য দেন। সকাল ৯টার দিকে থেকেই জামায়াত-শিবির ও কর্মী-সমর্থকরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর, শিবগঞ্জ, নাচোল, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলা থেকে জনসভাস্থলে আসতে থাকেন। সকাল সাড়ে ১০টায় নির্ধারিত সময়ে শুরু হয় জনসভার কার্যক্রম। একদিকে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য চলতে থাকে অন্যদিকে নেতাকর্মী-সমর্থকরাও আসতে থাকেন। একপর্যায়ে নবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে জামায়াত আমিরকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি সরকারি কলেজের পাশে পুরাতন স্টেডিয়ামে অবতরণ করে। এরপর তিনি জনসভা মঞ্চে ওঠেন এবং বক্তব্য শুরু করেন। বক্তব্য শেষে তিন প্রার্থীর হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন ডা. শফিকুর রহমান। এর আগে নওগাঁ শহরের এটিম মাঠের জনসভায় বক্তৃতা করেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।
গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত

গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত “জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোমস্তাপুরে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে শোভাযাত্রা ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি আজ বিকেলে রহনপুর মুক্ত মহাদল গণকেন্দ্র পাঠাগার প্রাঙ্গণ হতে বের হয়ে ওই এলাকার সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে পাঠাগার হল রুমে আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রহনপুর মুক্তমহাদলের সভাপতি শারফুদ্দীন আহমেদ। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মফিজ আহমেদ নাদিমের সঞ্চালনায় অন্য অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সারওয়ার জাহান সুমন, খড়কাডাঙ্গা দাখিল মাদ্রাসার প্রভাষক ও স্কাউটার নুরুজ্জামান বাবু, রহনপুর পূণর্ভবা মহানন্দা আইডিয়াল কলেজের সহকারী অধ্যাপক নাজিমউদ্দীন সরকার হিরা, সহকারী অধ্যাপক ও সংগঠনের সহ-সভাপতি আব্দুর রাকিব, স্কাউটার ও ব্যবসায়ী তালাত মাহমুদ সরকার, সহকারী লিডার ট্রেনার ও শিক্ষক ফিরোজ আলী প্রমূখ। আলোচনা শেষে বই পাঠ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ ও কেক কর্তন করা হয়।
প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

প্রয়াসের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে জেলাশহরের বেলেপুকুরে অবস্থিত প্রয়াস মানবিক উন্নয়ন সোসাইটির প্রধান কার্যালয়ের নকীব হোসেন মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রয়াসের পরিচালক (মানব সম্পদ ও প্রশাসন, প্রশিক্ষণ বিভাগ) আলেয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্ব ও পরিচালক (কার্যক্রম) পঙ্কজ কুমার সরকারের সঞ্চালনায় সভায় উপস্থিত ছিলেন, যুগ্ম পরিচালক নাসের উদ্দিন, জ্যেষ্ঠ সহকারি পরিচালক আবুল খায়ের খান, সহকারী পরিচালক মু. তাকিউর রহমান, কনিষ্ঠ সহকারী পরিচালক ফারুক আহমেদ, তানভির আহম্মেদ রিয়াদ, ফিরোজ আলম, আব্দুস সালাম ও আবুল কালাম আজাদসহ, সকল আরএম, জোন প্রধান, আরএম (এমই), প্রকল্প ফোকাল পার্সন, প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধি বৃন্দ। সভায় প্রয়াসের চলমান কার্যক্রম ও সংস্থার কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সাথে সংস্থার কার্যক্রম দক্ষতার সাথে এগিয়ে নিতে উপস্থিত কর্মকর্তাদের দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশ না থাকায় কলকাতায় বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ধস!

বাংলাদেশ না থাকায় কলকাতায় বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিতে ধস! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের তিনটি ম্যাচ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে খেলার কথা ছিল বাংলাদেশের। তবে শেষ মুহূর্তে ভারতে খেলতে আপত্তি জানানোয় আসন্ন বিশ্বকাপ খেলা হচ্ছে না লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। টাইগারদের জায়গায় স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করেছে আইসিসি। বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ সরে দাঁড়ানোয় আগেই ইডেনে দর্শকখরার আশঙ্কা করা হয়েছিল। অবশেষে সেটিই সত্যি হচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টিকিট বিক্রিই হচ্ছে না ইডেনে। টিকিটের লাইনে চার-পাঁচ জনের বেশি মানুষ দেখাই যাচ্ছে না। আরও জানা যাচ্ছে, মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের সামনে অফলাইন টিকিটের যে স্টলগুলো দেওয়া হয়েছে, সেখানে হাতে গুনে ছ’জনের বেশি দেখা যায়নি। ইডেন গার্ডেন্সে সব মিলিয়ে ৬৫ হাজার দর্শকাসন। অথচ সব ম্যাচ মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ২১ হাজার টিকিটও বিক্রি হয়নি বলে জানিয়েছে আনন্দবাজার। য়েস্ট ইন্ডিজ বনাম স্কটল্যান্ড ম্যাচের টিকিট বিক্রি হয়েছে ২ হাজার ৯১৭টি। স্কটল্যান্ড-ইতালি ম্যাচে মাত্র ৩৪৮টি টিকিট বিক্রি হয়েছে। ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ম্যাচে ২০৭৫ টিকিট কিনেছেন দর্শকরা। ইংল্যান্ড-ইতালি ম্যাচে টিকিট বিক্রির সংখ্যা ৪৯৭০। ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইতালির খেলা দেখতে আসবেন এখনও পর্যন্ত ১২৪৮ জন। সুপার এইট এবং সেমিফাইনাল মিলিয়ে মোট ৯০০০ টিকিট বিক্রি হয়েছে। গ্রুপ পর্বে ভারতের কোনও ম্যাচ দেওয়া হয়নি ক্রিকেটের নন্দনকাননে। অনেকেই মনে করছেন, বাংলাদেশ না আসায় যে আগ্রহ ছিল দর্শকদের, সেটাও চলে গিয়েছে। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গলের (সিএবি) অবশ্য ক্ষতি হচ্ছে না। ম্যাচ আয়োজন করার যে মূল্য তারা পাচ্ছে তাতেই খরচ উঠে আসছে। মাঠে দর্শক আনার জন্য বাড়তি কিছুও করা হচ্ছে না। বিশ্বকাপকে ঘিরে শহরে কোনও আগ্রহ নেই ক্রিকেটপ্রেমীদের। বরং ঘরোয়া লিগের ম্যাচ ঘিরে অনেক বেশি চর্চা হচ্ছে।