ইসলামাবাদে শিয়াদের মসজিদে বিস্ফোরণ

ইসলামাবাদে শিয়াদের মসজিদে বিস্ফোরণ পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে জুমার নামাজের সময় শিয়াদের প্রার্থনাস্থল ইমামবাড়ায় বিস্ফোরণে কমপক্ষে ৩১ জন নিহত এবং ১৬৯ জন আহত হয়েছেন। আজ এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ডন অনলাইন। রাজধানীর তারলাই এলাকার ইমামবাড়া খাদিজা আল-কুবরাতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। উজবেকিস্তানের রাষ্ট্রপতি শাভকাত মিরজিওয়েভের দুই দিনের সরকারি সফরের সময় এই হামলাটি ঘটলো। ইসলামাবাদ ক্যাপিটাল টেরিটরি পুলিশের মুখপাত্র তাকি জাওয়াদ জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের প্রকৃতি নির্ধারণ করা এখনো সম্ভব হয়নি। ফেডারেল রাজধানীর পলিক্লিনিক, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সেস এবং সিডিএ হাসপাতালেও জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

১৪৯০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন 

১৪৯০ জন বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ পেলেন  ৪৪তম বিসিএসে এক হাজার ৪৯০ জনকে বিভিন্ন ক্যাডারে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের সাত মাস পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ নিয়োগ আদেশ জারি করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নবনিয়োগ অধিশাখা থেকে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) নিয়োগসংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়, যা শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হয়। নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ২৪৪ জন, পুলিশ ক্যাডারে ৪৮ জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ৯ জন এবং নিরীক্ষা ও হিসাব ক্যাডারে ২৯ জনসহ বিভিন্ন ক্যাডারে কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের আগামী ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে সংশ্লিষ্ট ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়ের পদায়নকারী কার্যালয়ে যোগদান করতে হবে। ক্যাডার নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয় থেকে ভিন্ন কোনো নির্দেশ না এলে নির্ধারিত তারিখেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে অনিচ্ছুক বলে গণ্য হবেন এবং তাঁর নিয়োগপত্র বাতিল বলে বিবেচিত হবে। এ ছাড়া নিয়োগের পর কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিরূপ বা ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেলে, সে ক্ষেত্রে নিয়োগ আদেশ সংশোধন বা বাতিল করার অধিকার কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত বছরের ৩০ জুন বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ৪৪তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করে। এতে বিভিন্ন ক্যাডারের এক হাজার ৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ হাজার ৬৯০ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।

৪ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে

৪ লাখ প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে প্রবাসী নিবন্ধনকারীদের মধ্যে ৪ লাখ ১ হাজার ৪৬০টি পোস্টাল ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক ‘ওসিভি-এসডিআই’ প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি জানান, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৬ হাজার ৪৯৮ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। ৪ লাখ ৮২ হাজার ৮১৭ জন ইতোমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া ৪ লাখ ৪৯ হাজার ৬ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বিভাগে জমা দিয়েছেন। অপরদিকে ১ লাখ ২৪ হাজার ৭৪৬টি ব্যালট ইতোমধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তারা গ্রহণ করেছেন। বিদেশের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরে (আইসিপিভি) অবস্থানরত ভোটারদের কাছেও পোস্টাল ব্যালট পাঠানো শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরে ৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৪৬ জন নিবন্ধিত ভোটারের ঠিকানায় ব্যালট পাঠানো হয়েছে। ইসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত দেশের ভেতরে ৩ লাখ ২৪ হাজার ২ জন ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৯ হজার ৩৯৪ জন ভোট দিয়েছেন এবং ২ লাখ ১৩ হাজার ৬৯৭ জন তাদের ব্যালট পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৭০৬টি ব্যালট গ্রহণ করেছেন। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিতে দেশে ও প্রবাসে মিলিয়ে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮৪ জন ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধন করেছেন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ করা হবে।

এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ

এক দিনে কতটা আলু খাওয়া নিরাপদ বাঙালির রান্নাঘরে আর কোনো তরকারি থাকুক বা না থাকুক আলুর সরব উপস্থিতি অবশ্যই দেখা যায়। ভাজি, ভুনা, তরকারি, ভর্তা সবকিছুতেই এই সবজি ব্যবহার করা হয়। তাই অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, প্রতিদিন আলু খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য আদৌ উপকারি? আর দিনে কতটুকু আলু খাওয়া নিরাপদ? চলুন জেনে নিই পুষ্টিবিদরা এ সম্পর্কে কী বলেন? পুষ্টিবিদদের মতে, আলু খাওয়া বন্ধ করার কোনো প্রয়োজন নেই। বরং সঠিক পরিমাণে ও সঠিক পদ্ধতিতে রান্না করে খেলে আলু শরীরের জন্য উপকারী হতে পারে। সাধারণত একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ দিনে মাঝারি আকারের এক থেকে দুইটি আলু খেতে পারেন। ওজনের হিসাবে যা ১০০ থেকে ১৫০ গ্রামের সমান। তবে যেভাবে ইচ্ছে আলু খেলে চলবে না। ভাজা বা অতিরিক্ত তেল মসলা দিয়ে রান্না করা আলু খাওয়া যাবে না। আলুতে আছে শর্করা, যা শরীরে শক্তি জোগায়। তাই পরিশ্রমী মানুষ বা যারা শারীরিক কাজ করেন, তাদের জন্য আলু ভালো শক্তির উৎস হতে পারে। পাশাপাশি এতে থাকা খাদ্য আঁশ হজমের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে আলু খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা অনেক ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণে থাকে। আলুতে থাকা আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পটাশিয়াম। এই খনিজ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এছাড়াও আলুতে ভিটামিন সি ও ভিটামিন বি৬ থাকে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে। উপকারি হলেও আলু খাওয়ার ব্যাপারে কিছু সতর্কতা মানা জরুরি। এই সবজিটির গ্লাইসেমিক ইনডেক্স তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আলু পরিমিত খাওয়া জরুরি। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস থাকলে প্রতিদিন আলু না খাওয়াই ভালো। খেলেও অল্প পরিমাণে এবং অন্যান্য শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া উচিত। এছাড়া যারা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাদেরও বুঝেশুনে আলু খেতে হবে। সেদ্ধ বা অল্প তেলে রান্না করা আলু পরিমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, চিপস বা বেশি তেলে ভাজা আলু খেলে কমবে না ওজন। সব মিলিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতে, আলু খারাপ নয়, খারাপ হলো এটি অতিরিক্ত খাওয়া এবং ভুল রান্নার পদ্ধতি। দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পরিমাণ মেনে, ভারসাম্য রেখে আলু রাখতেই পারেন। এতে কোনো ক্ষতি হবে না। বরং মিলবে উপকার।

হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না

হাই প্রোটিন ডায়েটে যে ৩ ভুল করা যাবে না মানুষ যখন প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায় তখন অনেকেই অলসতা, কোষ্ঠকাঠিন্য বা সাধারণত অস্বস্তি বোধ করতে শুরু করে। দ্রুত ধারণা করা যায় যে প্রোটিনই এর জন্য দায়ী। পুষ্টিবিদদের মতে, সমস্যাটি প্রোটিন নিজে নয় বরং এটি বৃদ্ধি করার কারণে ঘটতে পারে। প্রোটিন কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি গ্রহণের সময় মানুষ কী ভুল করে তা জেনে নিন। প্রোটিন শরীরের বেশ কয়েকটি প্রয়োজনীয় কাজকে সাহায্য করে। টিস্যু মেরামত থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখা এবং পেশী তৈরিতে সহায়তা করা এর কাজ। এটি এমন কিছু যা আমাদের সত্যিই প্রয়োজন। কিন্তু অস্বস্তি তখনই শুরু হয় যখন মানুষ অন্য কোথাও সঠিক সমন্বয় না করে তাদের প্রোটিন গ্রহণ বাড়ায়। বেশি প্রোটিন মানে শরীরের আরও পানি, স্থির ফাইবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পটাসিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের প্রয়োজন যাতে হজম এবং সামগ্রিক ভারসাম্য ঠিক থাকে। এগুলো অন্তর্ভুক্ত করা না হলে শরীর চাপ অনুভব করে এবং প্রোটিনকে এই ঘাটতি থেকে আসা প্রতিক্রিয়ার জন্য দায়ী করা হয়, পুষ্টির কারণে নয়। উচ্চ প্রোটিনযুক্ত খাবার খাওয়ার সময় যে ৩টি ভুল এড়িয়ে চলবেন- ১. পর্যাপ্ত পানি পান না করা : প্রোটিন বেশি গ্রহণের ফলে বেশি ইউরিয়া তৈরি হয়। এটি একটি বর্জ্য পদার্থ যা কিডনি বের করে দেয়। প্রোটিনের পাশাপাশি পানির পরিমাণ বৃদ্ধি না পেলে শরীর এই বোঝা পরিষ্কার করতে কষ্ট পায়। তখন মাথাব্যথা, ক্লান্তি, প্রস্রাবের গাঢ় রঙ, কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। প্রোটিন ডিহাইড্রেট করে না, অপর্যাপ্ত হাইড্রেশন তৈরি করে। যদি প্রোটিন গ্রহণ বেড়ে যায়, তাহলে পানির পরিমাণও বাড়াতে হবে। ২. ফাইবার কমানো : অনেকে প্রোটিন বাড়ানোর সঙ্গেসঙ্গে অজান্তেই প্লেট থেকে ফাইবার সরিয়ে ফেলেন। যেহেতু প্রোটিন শেক এবং পাউডারের ফাইবার খুব কম বা কোনো ফাইবার থাকে না, তাই পূর্ণ খাবারের পরিবর্তে খেলে পাচনতন্ত্রের সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত ফাইবার এবং পর্যাপ্ত পানি ছাড়া হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। যে কারণে উচ্চ-প্রোটিন খাবারে কোষ্ঠকাঠিন্য সাধারণ হয়ে ওঠে। সমস্যাটি প্রোটিন নয় বরং ফল, শাক-সবজি, গোটা শস্য এবং ডালের অভাব যা অন্ত্রকে সচল রাখে। ৩. ফল এবং শাক-সবজি না খাওয়া : এটি সবচেয়ে উপেক্ষিত ভুলের মধ্যে একটি। কিছু প্রাণিজ প্রোটিন শরীরের খাদ্যতালিকায় অ্যাসিডের ভার বাড়ায়। ফল এবং শাক-সবজি এটি মোকাবিলা করতে সাহায্য করে কারণ সেগুলো পটাসিয়াম সরবরাহ করে। পটাসিয়াম হলো একটি খনিজ যা অ্যাসিডকে নিউট্রাল করে এবং শরীরের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণে রাখে। পটাসিয়ামের মাত্রা কম হলে পেট ফাঁপা, পেশীতে ক্র্যাম্প, রক্তচাপের ওঠানামা, কিডনির উপর অতিরিক্ত চাপ ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। উচ্চ প্রোটিন কম পটাসিয়ামের সঙ্গে মিলিত হলে এই সমস্যাগুলো দেখা দেয়।

বাংলাদেশ ঠিকই করেছে’ ভারত ইস্যুতে বললেন কিংবদন্তি

বাংলাদেশ ঠিকই করেছে’ ভারত ইস্যুতে বললেন কিংবদন্তি আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, সেখানে এবার প্রকাশ্যেই বাংলাদেশের অবস্থানকে সমর্থন জানালেন ইংল্যান্ড কিংবদন্তি ও ক্রিকেট বিশ্লেষক নাসের হুসেইন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোর জন্য পাকিস্তানের ভূমিকাকেও প্রশংসা করেছেন। স্কাই স্পোর্টসের এক পডকাস্টে মাইক অ্যাথারটনের সঙ্গে আলাপকালে নাসের হুসেইন বলেন, ‘আমি আসলে বাংলাদেশ তাদের অবস্থানে অটল থাকায় খুশি। তারা তাদের খেলোয়াড় মুস্তাফিজুর রহমানের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। আর পাকিস্তানের বিষয়টাও আমার ভালো লেগেছে রাজনৈতিক হলেও তারা বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভারত সফরে দল পাঠাতে অস্বীকৃতি জানালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শ্রীলঙ্কা ও ভারতে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দশম আসরে এই সিদ্ধান্ত ঘিরেই শুরু হয় ব্যাপক বিতর্ক। ঘটনার সূত্রপাত হয় ৩ জানুয়ারি, যখন বিসিসিআইয়ের নির্দেশে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) বাংলাদেশি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দল থেকে বাদ দেয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই পরিস্থিতি দ্রুত জটিল আকার নেয়। বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে পাকিস্তান ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা দেয়। নাসের হুসেইনের মতে, আইসিসি বা ভারতকে চাপ দেওয়ার ক্ষেত্রে এটিই পাকিস্তানের সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্র। তিনি বলেন, ‘এক পর্যায়ে তো কাউকে বলতে হবে এই রাজনীতি অনেক হয়েছে, এবার ক্রিকেটে ফিরে যাই। বাস্তবতা হলো, পাকিস্তান আইসিসি বা ভারতকে যে জায়গায় আঘাত করতে পারে, তা হলো ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের অর্থনৈতিক দিক। বিশ্ব ক্রিকেটে সবচেয়ে শক্তিশালী আর্থিক শক্তি হিসেবে ভারতের ভূমিকাও তুলে ধরেন নাসের হুসেইন। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘ভারতীয় সমর্থকরা বলতে পারেন, ‘আমাদের টাকা আছে’। কিন্তু ক্ষমতার সঙ্গে দায়িত্বও আসে। বারবার যদি বাংলাদেশ বা পাকিস্তানকে কোণঠাসা করা হয়, তাদের ক্রিকেট দুর্বল হবে। তখন ভারত-বাংলাদেশ বা ভারত-পাকিস্তানের সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচগুলো একপেশে হয়ে যাবে।

৮০ বলে ১৭৫ বৈভবের, রেকর্ডবুকে তোলপাড়

৮০ বলে ১৭৫ বৈভবের, রেকর্ডবুকে তোলপাড় একজন বৈভব সূর্যবংশী। যেদিন ব্যাট হাতে ক্রিজে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে যান, সেদিন গড়েন অংসখ্য রেকর্ড। অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথম ইনিংসের অর্ধেক সময় ব্যাট করলেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। সেঞ্চুরির পর সুযোগ ছিল ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার। কিন্তু ব্যাটিংয়ে অধিক আগ্রাসনের কারণে থেমেছেন ১৭৫ রানে। এরপরও গড়েছেন অসংখ্য রেকর্ড। জিম্বাবুয়ের হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ভারত। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ২০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন দলনেতা আয়ুস মাত্রে। তাকে নিয়েই নিজের ব্যাটিং আগ্রাসন বৈভব সূর্যবংশী। চার-ছক্কার ফুলঝুরিতে ইংলিশ বোলারদের তুলোধূনো করতে থাকেন তিনি। ফাইনালে বৈভবের ইনিংসটি থামে ৮০ বলে ১৭৫ রানে। ইনিংসে ছিল ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কা। এর মাধ্যমে তিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে দেড়শ রান ছোঁয়ার কীর্তিও গড়েন। বিহারের ১৪ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান ব্যাটার গড়েছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম শতকের রেকর্ডও। এর আগে ২০২২ সালে উগান্ডার বিপক্ষে ৬৯ বলে শতক করেছিলেন রাজ অঙ্গদ বাওয়া। সূর্যবংশীই প্রথম ভারতীয় ব্যাটার, যিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ৬০ বলের কমে শতক করলেন। শুধু তাই নয়, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালেও এটাই সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। এছাড়া বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রান ও দ্রুততম দেড়শ রানের রেকর্ডটিও নিজের অধীনে করে নিলেন ১৪ বছরের এই বাঁহাতি ব্যাটার। ভারতের হয়ে যুব বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংসটিও বৈভবের দখলে। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল রাজ বাওয়ার। উগান্ডার বিপক্ষে ১৬২ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন তিনি। পুরো টুর্নামেন্টে সূর্যবংশীর ব্যাট ছিল আরও ভয়ংকর। তিনি আসরে মোট ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়ে ভেঙেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের আগের রেকর্ড (১৮ ছক্কা)। এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন মানদণ্ড এখন তার নামেই। সব মিলিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্রুততম শতকের তালিকায় সূর্যবংশী উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাইজুক। মাত্র ৫১ বলে শতক করেছিলেন তিনি। সূর্যবংশীর নিচে রয়েছেন পাকিস্তানের কাসিম আকরাম ও ইংল্যান্ডের বেন মায়েস।

বাংলাদেশ না থাকলেও বিশ্বকাপে থাকছেন আতহার আলী

বাংলাদেশ না থাকলেও বিশ্বকাপে থাকছেন আতহার আলী নিরাপত্তা শঙ্কায় বাংলাদেশ ভারতে ম্যাচ না খেলার অনুরোধ জানিয়েছিল, তবে আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বৈশ্বিক এই আসরে বাংলাদেশ দল না থাকলেও দেশটির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পাচ্ছেন আতহার আলী খান। আইসিসির মেগা ইভেন্টটির ধারাভাষ্যকার প্যানেলে আছেন তিনি। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ধারাভাষ্যকার প্যানেল ঘোষণা করেছে আইসিসি। ভারত ও শ্রীলঙ্কায় যৌথভাবে অনুষ্ঠিতব্য এই মেগা ইভেন্টের ধারাভাষ্য কক্ষে থাকছেন ক্রিকেট বিশ্বের সাবেক কিংবদন্তি ও বর্তমান তারকারা। বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান। আইসিসি জানিয়েছে, টুর্নামেন্টজুড়ে মোট ৫৫টি ম্যাচে এই ধারাভাষ্যকারদের বিভিন্ন ম্যাচে ব্যবহার করা হবে। আইসিসি ডট টিভির সম্প্রচারে থাকবে প্রাক্‌-ম্যাচ অনুষ্ঠান, ইনিংস বিরতির বিশ্লেষণ, ম্যাচ শেষে আলোচনা ও প্রতিদিনের হাইলাইটস শো। নকআউট পর্ব ও ৮ মার্চের ফাইনাল পর্যন্ত পুরো টুর্নামেন্টের উত্তাপ ধরা পড়বে এসব অনুষ্ঠানে। এবারের বিশ্বকাপের ধারাভাষ্য প্যানেলে আছেন ৪০ জন। এই প্যানেলের নেতৃত্ব দেবেন রবি শাস্ত্রী, নাসের হুসেইন, ইয়ান স্মিথ এবং ইয়ান বিশপের মতো কিংবদন্তিরা। তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন ২০২১ সালের বিশ্বকা জয়ী অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। এ ছাড়া সাবেক বিশ্বজয়ীদের মধ্যে থাকছেন দিনেশ কার্তিক, কুমার সাঙ্গাকারা, স্যামুয়েল বদ্রি, রবিন উথাপ্পা এবং কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ইয়ন মরগান, ওয়াসিম আকরাম, সুনীল গাভাস্কার, ম্যাথু হেইডেন এবং রমিজ রাজার মতো সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। ডেল স্টেইন, মাইকেল আথারটন, ওয়াকার ইউনিস এবং সাইমন ডুলের মতো আইকনিক কণ্ঠস্বরগুলোও মাঠের লড়াইয়ের বিশ্লেষণ করবেন। বর্তমান ক্রিকেটারদের মধ্য থেকেও থাকছেন বিশেষ কয়েকজন। সদ্য আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা ধারাভাষ্যে অংশ নেবেন। এ ছাড়া ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসও আছেন তালিকায়।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা শুরু নানান জল্পনা ও কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত আলোচনায় বসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ওমানের রাজধানী মাস্কাটে বৈঠক শুরু হয়। এতে ইরানকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে আছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফ। এছাড়া ট্রাম্পের জামাতা জের্ড ক্রুসনারও ওমানে এসেছেন। বৈঠক শুরুর আগে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন তারা তাদের জাতীয় স্বার্থ এবং যুক্তরাষ্ট্রের অস্বাভাবিক দাবিদাওয়া ও রাজনৈতিক হঠকারিতার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষার জন্য প্রস্তুত আছেন। স্টিভ উইটকোফের সঙ্গে বৈঠকের আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনায় বসেন আরাগচি। তিনি সেখানে জানান, ইরানের জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় তারা কূটনীতির পথকে বেঁছে নেবেন। এদিকে গত বছরের জুনেও আলোচনায় বসেছিল যুক্তরাষ্ট্র ইরান। কিন্তু ওই আলোচনার মধ্যেই ইরানে হামলা চালিয়ে বসে দখলদার ইসরায়েল। এরপর শুরু হয় যুদ্ধ। যা ১২দিন স্থায়ী হয়। সে যুদ্ধে ইসরায়েলের পক্ষে যোগ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রও। মার্কিনিরা মূলত ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। আলোচনার মধ্যে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে হামলা চালানোয় মার্কিনিদের বিশ্বাস করা বন্ধ করে দেয় ইরান। যদিও যুক্তরাষ্ট্র ফের সেই বিশ্বাস অর্জনের চেষ্টা করছে। জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমের পাশপাশি ব্যালিস্টিক মিসাইল ও প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা নিয়েও আলোচনা করতে চায়। তবে ইরান জানিয়ে দিয়েছে তারা তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

জাপানে সচল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

জাপানে সচল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘ ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর জাপানে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে। ২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর থেকে কাশিয়াজাকি-কারিওয়া নামের এই বিশাল স্থাপনাটি বন্ধ ছিল। টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) পরিচালিত এই কেন্দ্রটির একটি রিঅ্যাক্টর ৯ ফেব্রুয়ারি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান প্ল্যান্টের প্রধান তাকেইউকি ইনাগাকি। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রি-অ্যাক্টরটি চালু করার চেষ্টা করা হলেও একটি সতর্কঘণ্টা বা অ্যালার্ম বেজে ওঠায় পরদিনই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। কারিগরি ত্রুটির কারণে ওই অ্যালার্মটি বেজে উঠলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বর্তমানে রিঅ্যাক্টরটি অপারেশনের জন্য নিরাপদ বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন মূলত ১৮ মার্চ বা তার পরবর্তী সময়ে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাশিয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে মোট সাতটি রিঅ্যাক্টর থাকলেও আপাতত মাত্র একটি চালু করা হচ্ছে। ২০১১ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্রে বিপর্যয় ঘটার পর জাপান তাদের সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বর্তমানে জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশটি পুনরায় পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই কেন্দ্রটির সচল হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সরকার।বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর বিষয়টি কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিগাতা প্রিফেকচারের এক জরিপ বলছে, প্রায় ৬০ শতাংশ বাসিন্দা কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। গত জানুয়ারিতে সাতটি প্রতিবাদী গোষ্ঠী প্রায় ৪০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর করা একটি আবেদন জমা দিয়ে দাবি করেছে যে এই স্থাপনাটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ চ্যুতির ওপর অবস্থিত। তাদের আশঙ্কা, ২০০৭ সালের মতো শক্তিশালী কোনো ভূমিকম্প আবারও এখানে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে সব শঙ্কা ও বিতর্ক কাটিয়ে টেপকো চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকেই এগোচ্ছে। সূত্র: এনডিটিভি।