গোমস্তাপুরে থানা পুলিশের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

গোমস্তাপুরে থানা পুলিশের সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর থানা পুলিশের আয়োজনে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণে এক সচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার রাতে উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের নজরপুর মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় পুলিশ সদস্যদের পাশাপাশি সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদসহ বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে করণীয় বিষয়ে আলোচনা করা হয়। সম্প্রতি রহনপুর–আড্ডা সড়কসহ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রাতের বেলায় সংঘটিত ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় জনগণের সঙ্গে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ। সচেতনতামূলক এই সভায় সভাপতিত্ব করেন গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল বারিক। বক্তব্য দেন গোমস্তাপুর উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা মেজর সাদনান, গোমস্তাপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিকুল ইসলাম আজম, পার্বতীপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইমাইনুল হকসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাসান তারেক বলেন, রহনপুর–আড্ডা ও আড্ডা–বড়দাদপুর সড়কে গোমস্তাপুর থানা পুলিশের তিনটি টিম দায়িত্ব পালন করছে। তবে পুলিশ সদস্য সংখ্যা সীমিত এবং যানবাহনের সমস্যাও রয়েছে। অপরাধীরা সুযোগ নিয়ে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতি ও ছিনতাই করছে। পুলিশ অপরাধীদের ধরতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে, তবে এক্ষেত্রে সাধারণ জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত প্রয়োজন। সড়কে এ ধরনের ঘটনা ঘটলে দ্রুত পুলিশকে জানালে অপরাধীদের আটক করা সহজ হবে। তিনি আরও বলেন, কোনো পুলিশ সদস্য দায়িত্বে অবহেলা বা অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক ব্যক্তিদের গতিবিধির বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সভায় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মেজর সাদনান বলেন, এলাকাবাসীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। এর আগেও এই সড়কে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল, তখন সবাই একসঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। বর্তমানে পাহারা ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ায় অপরাধীরা সুযোগ নিচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকেও পাহারার দায়িত্ব নিতে হবে। ভয় না পেয়ে ডাকাতদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য তিনি সবাইকে উৎসাহিত করেন। তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী নিয়মিত টহলের মাধ্যমে সড়কে নিরাপত্তা জোরদার রাখবে।
গাজায় পাকিস্তানকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প

গাজায় পাকিস্তানকে স্বাগত জানিয়েছেন ট্রাম্প গাজা শাসনের জন্য ঘোষিত বোর্ড অব পিস বা শান্তি পরিষদে যোগ দিতে পাকিস্তানকে আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে আমন্ত্রণ জানানোর খবরটি নিশ্চিত করেছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উদ্যোগে পাকিস্তান সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকবে। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র তাহির আন্দ্রাবি শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বলেছেন, ‘জাতিসংঘের প্রস্তাবনার আলোকে ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে গাজায় শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টায় পাকিস্তান সম্পৃক্ত থাকবে। ট্রাম্পের এই শান্তি পরিষদের ঘোষণা ভালোভাবে নেয়নি ইসরাইল। দখলদার দেশটির হাতে অবরুদ্ধ ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে চলমান গণহত্যা বন্ধে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত পরিকল্পনার দ্বিতীয় ধাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এই পরিষদ। রোববার এই বিষয়ে বিরোধীতা করে শাসক জোটের অংশীদারদের নিয়ে বৈঠক ডাকেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।এএফপি জানিয়েছে, শনিবার গভীর রাতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় গাজা বিষয়ক নির্বাহী বোর্ডের গঠন নিয়ে আপত্তি তোলে। নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, বোর্ড অব পিসের অধীন গঠিত গাজা নির্বাহী বোর্ডের গঠন সংক্রান্ত ঘোষণা ইসরাইলের সঙ্গে সমন্বয় না করেই দেওয়া হয়েছে। এটি ইসরায়েলের নীতির পরিপন্থী।তবে আপত্তির সুনির্দিষ্ট কারণ বিবৃতিতে ব্যাখ্যা করা হয়নি। যদিও ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ‘শান্তি পরিষদ ঘোষণা করতে পারা আমার জন্য বিরাট সম্মানের, বোর্ড অব পিস গঠিত হয়েছে।’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন, এই পরিষদের সদস্যদের নাম ‘শিগগির’ ঘোষণা করা হবে।
জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি

জেনে নিন সবজি পরোটা তৈরির রেসিপি পরোটা তৈরি করা যায় নানাকিছু দিয়ে। আপনি নিশ্চয়ই আলু পরোটা কিংবা কিমা পরোটা খেয়েছেন? তবে চাইলে সবজি দিয়ে তৈরি করতে পারেন সুস্বাদু পরোটা। এটি তৈরি করতে খুব বেশি সময় লাগে না, আবার উপকরণও লাগে কম। সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় তৈরি করতে পারেন সবজি পরোটা। চলুন জেনে নেওয়া যাক রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে গাজর কুচি- ১ কাপ বরবটি কুচি- আধা কাপ পেঁয়াজ কুচি- ২-৩টি আলু সেদ্ধ- ২টি গরম মশলা- ১/২ চা চামচ হলুদের গুঁড়ো- ১/২ চা চামচ কাঁচা মরিচ- ২ টি ধনিয়া পাতা কুচি- ২ চা চামচ। ডো তৈরি করতে যা লাগবে ময়দা- ১ কাপ লবণ- স্বাদমতো তেল- ১ চা চামচ পানি- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন প্যানে ১/২ চা চামচ তেল নিয়ে গরম করে তাতে পেঁয়াজ কুচি, গাজর কুচি, বরবটি কুচি, গরম মসলা, হলুদের গুঁড়া, ধনিয়া পাতা ও কাঁচা মরিচ দিয়ে ভালোভাবে নেড়ে ভেজে নিন। তারপর নামিয়ে ফেলুন। ম্যাশড আলু মিশিয়ে নিন। একটি পাত্রে ডো তৈরির সব উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে ডো তৈরি করে ২০ মিনিট রেখে দিন। এবার ডো থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে মোটা রুটির মতো বেলে নিন। এরপর একেকটির মধ্যে পুর ভরে গোল বড় বল তৈরি করুন। এবার পরোটা বেলে নিন। এবার ভেজে গরম গরম পরিশেবন করুন।
নেপালে বাংলাদেশের দুই সিনেমা

নেপালে বাংলাদেশের দুই সিনেমা ৯ম নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশের দুটি স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা। একটি শাহরিয়ার আজাদের ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’, অন্যটি ফখরুল আলমের ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’।‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’ প্রসঙ্গে শাহরিয়ার আজাদ জানান, এটি নির্মিত হয়েছে একজোড়া কবুতরকে ঘিরে, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে তার শৈশবের স্মৃতি। নির্মাতা বলেন, ‘যশোর জেলার ঝিকরগাছার প্রত্যন্ত এক এলাকায় আমার বেড়ে ওঠা। আমার স্বল্পদৈর্ঘ্যের মধ্যদিয়ে শৈশবের নানা অনুভূতি তুলে ধরেছি। আমার দেখা গ্রামীণ নানা ঘটনা যেমন এতে আছে, তেমনি গ্রামীণ জনজীবন, প্রকৃতি এবং ভেতরের জটিল আবেগ গল্পে প্রকাশ পেয়েছে। ‘দ্য পেয়ার অব হোয়াইট পিজিয়নস’-এ অভিনয় করেছেন এস কে শাহরিয়ার ও শাহীন হোসাইন। এদিকে, ‘মেমোরিজ অ্যান্ড মিজারিস’ নিরীক্ষাধর্মী সিনেমা, যেখানে স্বর্গ ও পৃথিবীর মাঝামাঝি এক অদ্ভুত অবস্থানে আটকে থাকা একটি আত্মার যাত্রা দেখানো হয়। সেই আত্মা নিজের জীবনের দুটি ভিন্ন অধ্যায় ফিরে দেখে। এক অধ্যায়ে সে একজন লেখক, যে মানুষের গল্প খুঁজে বেড়ায়, অনুভূতি আর অভিজ্ঞতার ভাষা খোঁজে; অপর অধ্যায়ে সে একজন পাদ্রী- যুদ্ধবিধ্বস্ত সময়ের সাক্ষী, যে মানুষের কষ্ট, অপরাধবোধ ও স্বীকারোক্তি শুনে অভ্যস্ত। ফখরুল আলমের এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন শরিফ সিরাজ ও খালিদ হাসান। উল্লেখ্য, আগামী ২ থেকে ৬ এপ্রিল নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে এ চলচ্চিত্র উৎসব।
রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি

রবীন্দ্রনাথের ‘শাস্তি’ থেকে সিনেমা, প্রথমবার জুটি চঞ্চল-পরীমণি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘শাস্তি’ অবলম্বনে নির্মিত হতে যাচ্ছে নতুন পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘শাস্তি’। লীসা গাজীর পরিচালনায় এই সিনেমায় প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী ও পরীমণি। চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হবে আগামী সোমবার। নির্মাতা জানিয়েছেন, রবীন্দ্রনাথের গল্পকে কেন্দ্র করে কাজ হলেও এটি হুবহু পুনর্নির্মাণ নয়। বরং নতুন সময়, সমসাময়িক ভাষা ও প্রেক্ষাপটের আলোকে গল্পটিকে পুনর্নির্মাণের চেষ্টা চলছে। ফলে দর্শকরা পাবেন পুরনো গল্পের নতুন রূপ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শাস্তি’ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও গভীর মানবিক গল্প। সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক সম্পর্ক, পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এবং নারীর নীরব আত্মত্যাগ এসব বিষয় গল্পটিকে আজও প্রাসঙ্গিক করে রেখেছে। মূল গল্পে দুই ভাই- চিদাম ও দুখিরামের পারিবারিক জীবনের মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় কাহিনি। এক তুচ্ছ ঝগড়ার জেরে দুখিরামের স্ত্রী খুন হন, আর আইনের হাত থেকে বাঁচতে চিদাম হত্যার দায় চাপিয়ে দেন নিজের স্ত্রী চন্দরার ওপর। চন্দরা নির্দোষ হয়েও দায় স্বীকার করে নেন এবং মৃত্যুদণ্ডের আগে সত্য বলার সুযোগ পেয়েও নীরব থাকেন। তার এই নীরবতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিবাদ- আত্মসম্মান, বিশ্বাসভঙ্গ ও অবিচারের বিরুদ্ধে। চলচ্চিত্রটির প্রযোজনায় যুক্ত রয়েছে একাধিক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। পরিচালক ও শিল্পীরা মনে করছেন, ‘শাস্তি’ সিনেমাটি শুধু একটি সাহিত্যকর্মের রূপান্তর নয়; এটি সমকালীন সমাজে নারীর অবস্থান, নৈতিক সংকট ও মূল্যবোধের প্রশ্নকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে দর্শককে।
‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা

‘খান’ পদবি বাদ দিলেন রোজা জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান রহমান খানের ব্যক্তিজীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রে। বিয়ের এক বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই ভেঙে গেল তার দ্বিতীয় সংসার। যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী রূপসজ্জাশিল্পী রোজা আহমেদের সঙ্গে তাহসানের বিচ্ছেদের খবর আগেই প্রকাশ্যে আসে। এবার সেই বিচ্ছেদের ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট করলেন রোজা নিজেই। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রাম থেকে তাহসানের সঙ্গে তোলা সব ছবি সরিয়ে ফেলেছেন রোজা আহমেদ। শুধু তাই নয়, নিজের নামের সঙ্গে যুক্ত করা ‘খান’ পদবিটিও মুছে ফেলেছেন তিনি। একসময় তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের নাম ছিল রোজা আহমেদ খান, যা এখন পরিবর্তিত হয়ে শুধু রোজা আহমেদ হয়ে গেছে। এর আগে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশের পরও রোজার ইনস্টাগ্রামে তাহসানের সঙ্গে তোলা স্মৃতিময় ছবিগুলো অক্ষত ছিল। ফলে অনেক ভক্তই আশা করেছিলেন, হয়তো এই সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে পারে। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সাম্প্রতিক পরিবর্তনের পর সেই সম্ভাবনাও কার্যত শেষ হয়ে গেল বলে মনে করছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয়ের পর রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তাহসান খান। রোজা একজন পেশাদার মেকআপ আর্টিস্ট। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। নিউইয়র্কে রয়েছে তার নিজস্ব মেকআপ প্রতিষ্ঠান। এর আগে ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তাহসান। দীর্ঘ ১১ বছরের সেই দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটে ২০১৭ সালে। সেই সংসারে তাহসানের একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা তাহরিম খান রয়েছে।
আসিফের মন্তব্যের জবাব দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী

আসিফের মন্তব্যের জবাব দিয়ে প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী দেশের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। গত বছরের শেষের দিকে একটি পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে চিত্রনায়ক ওমর সানীকে ‘সহজ-সরল’, ‘চাপ বিক্রেতা’ এবং ‘নারী শাসিত পুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন আসিফ। তারপর এ নিয়ে তৈরি হয় আলোচনা। এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন ওমর সানী। এ ঘটনার পর কেটে গেছে বেশ খানিকটা সময়। একই পডকাস্টে অতিথি হিসেবে হাজির হয়েছেন ওমর সানী। এ আলাপচারিতায় সঞ্চালক বলেন, এর আগে সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর এই পডকাস্টে এসে আপনার দোষ-গুণ নিয়ে কথা বলেছিলেন। আপনাকে ‘সহজ-সরল’ মানুষ বলেছিলেন, পাশাপাশি কিছু সমালোচনাও করেছিলেন। এ বিষয়ে আপনার মতামত জানতে চাই জবাবে ওমর সানী বলেন, “সে আমাকে যথেষ্ট পরিমাণে ‘সরি’ বলেছে এবং এসব কথা বলা উচিত হয় নাই বলেও জানিয়েছে। তার ছোট ছেলের জন্য দোয়া করতে বলেছে। ছোট ছেলের বিয়েতে দাওয়াত দিয়েছিল। ও আমাকে ভয়েস ওভার পাঠিয়েছিল। আমি বাংলাদেশে থাকলে ওর ছেলের বিয়েতে যেতাম; আমি ওর ছেলের জন্য দোয়া করি। আসিফ আকবরের সঙ্গে এই তর্ক-বিতর্কের অবসান চান ওমর সানী। তার ভাষায় “আগেও বলেছি, এখনো বলছি, চেয়ারের গরমের কারণে কাউকে কিছু দেওয়া (বলা) উচিত না। আমার মনে হয়, এটা এখানেই ফুল স্টপ হয়ে যাক। ওর ব্যাপারে আমি কোনো মন্দ কথা বলব না। এটুকু বলব, ওর জন্য দোয়া করি। ওর দুটো ছেলে আছে, মেয়ে আছে, স্ত্রী আছে ওরা সবাই ভালো থাকুক। আমি দোয়া করি, এ ধরনের কথাবার্তা থেকে যেন আল্লাহ পাক ওকে নিস্তার দেন। ওমর সানীর এই বক্তব্যের ভিডিও এখন ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্জালে। বিনয়ী বক্তব্যের কারণে ভূয়সী প্রশংসা কুড়াচ্ছেন ওমর সানী। জ্যোতির্ময় তালুকদার লেখেন, “কুকুরের কাজ কুকুর করেছে, কামড় দিয়েছে পায়, তাই বলে কি কুকুরকে কামড়ানো মানুষের শোভা পায়? ধন্যবাদ ওমর সানী সাহেব!” ফরহাদ আব্দুল্লাহ লেখেন, “ভালো মানুষের উত্তর এমনই হয়, ওমর সানী ভাইর প্রতি ভালোবাসাটা বেড়ে গেল। আরেকজন লেখেন, “ওমর সানী একজন ভালো মানুষ।” মুহাম্মদ আইয়াস লেখেন, “ধন্যবাদ। বড় ভাইয়ের কাজ করছেন সানী ভাই।” লাভলী ইয়াসমীন লেখেন, “বাহ! দারুণ বলেছেন।” এমন অনকে মন্তব্য শোভা পাচ্ছে কমেন্ট বক্সে।
অবসরের পরিবর্তে যা চাইলেন অমিতাভ

অবসরের পরিবর্তে যা চাইলেন অমিতাভ বলিউডের কিংবদন্তী অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। এদিকে বয়সের চাকা আশি পেরিয়েছে বেশ আগে। শরীর সায় না দিলেও মনের জোরে আজও ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়ে যান তিনি। দীর্ঘ ছয় দশকের অভিনয় জীবনে কতই না চড়াই-উতরাই দেখেছেন। বড় পর্দা থেকে ছোট পর্দা, এমনকি আধুনিক ওটিটি বা সোশ্যাল মিডিয়া সব মাধ্যমেই তিনি সমান জনপ্রিয়। কিন্তু দীর্ঘ এই পথচলার শেষে এসে এক গভীর আক্ষেপ প্রকাশ করলেন এই কিংবদন্তি। সম্প্রতি নিজের ব্লগে অমিতাভ জানিয়েছেন, প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তন এবং নতুন নতুন মাধ্যমের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া কতটা কঠিন। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকে আমূল পরিবর্তনের এই নিরন্তর চেষ্টা তাকে মাঝে মাঝে ক্লান্ত করে তোলে। তবুও তিনি থেমে থাকেননি; আধুনিক সংস্কৃতির সঙ্গে একাত্ম হতে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে গেছেন। এই বদলে যাওয়া সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নিতে গিয়ে তাকে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হচ্ছে। তার আক্ষেপ যদি এই পরিবর্তনের শিক্ষা বা কারিগরি জ্ঞান তিনি আরও আগে অর্জন করতে পারতেন, তবে পথচলাটা হয়তো আরও সহজ হতো। জনপ্রিয় টেলিভিশন শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি) থেকে শুরু করে ব্লগিং বা টুইটার সবখানে অমিতাভকে অ্যাক্টিভ দেখা গেলেও পর্দার পেছনের লড়াইটা সহজ ছিল না। তিনি মনে করেন, সময়ের সাথে তাল মেলানোটা এখনকার প্রজন্মের জন্য যতটা সহজ, তার মতো সিনিয়রদের জন্য ততটাই চ্যালেঞ্জিং। আর এই দেরি করে শেখার বিষয়টিই তাকে পোড়ায়। ৮৩ বছর বয়সেও অমিতাভ বচ্চন কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত। তবে এই নিরন্তর পরিবর্তনের চাপে মাঝে মাঝে যে তিনি হাঁপিয়ে ওঠেন, সেটাই ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তার লেখনীর মাধ্যমে।
জানা গেল শবেবরাতের সম্ভাব্য তারিখ

জানা গেল শবেবরাতের সম্ভাব্য তারিখ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে হিজরি ১৪৪৭ সনের শাবান মাসের চাঁদের সন্ধান করা হবে আজ রবিবার (১৮ জানুয়ারি)। বর্তমানে ওই অঞ্চলে রজব মাসের ২৯তম দিন চলছে। শাবান মাসের ১৫তম রাতে মুসলমানদের ধর্মীয় রাত শবেবরাত পালিত হয়। সংবাদমাধ্যম গালফ টুডে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের হিসাব অনুযায়ী আজ মধ্যপ্রাচ্যের কোথাও শাবানের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। ফলে রজব মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হতে পারে এবং আগামী মঙ্গলবার থেকে শাবান মাস শুরু হতে পারে। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্রের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মেদ শওকত ওদেহ জানান, আজ শাবানের চাঁদের জন্ম হলেও সূর্যাস্তের আগেই তা অস্ত যাবে। এ কারণে আজ খালি চোখে চাঁদ দেখা অসম্ভব। তবে আগামীকাল সোমবার খালি চোখেই চাঁদ দেখা যেতে পারে। বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ওমান, জর্ডান, সিরিয়া, লিবিয়া, মরক্কো, মৌরিতানিয়া ও আলবেনিয়ায় সোমবার টেলিস্কোপের মাধ্যমে শাবানের চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । এই হিসাবে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মধ্যপ্রাচ্যে শবেবরাত পালিত হতে পারে। বাংলাদেশেও যদি সোমবার শাবানের চাঁদ দেখা যায়, তাহলে একই রাতে শবেবরাত পালিত হবে। তবে চাঁদ দেখা না গেলে দেশে শবেবরাত পালিত হতে পারে ৪ ফেব্রুয়ারি রাতে।
নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। তিনি বলেছেন, মানবিক মর্যাদা ও আইনের শাসন রক্ষা অনেকটাই মাঠপর্যায়ের পুলিশের আচরণের ওপর নির্ভর করে। জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত। নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় এক লাখ পুলিশ সদস্যকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। রবিবার (১৮ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর সারদা পুলিশ একাডেমিতে সহকারী পুলিশ সুপারদের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা জনগণের করের টাকায় পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মচারী। পুলিশ বাহিনীর মূল দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করা। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের সময় শতভাগ নিরপেক্ষ থাকতে হবে এবং কোনো অনৈতিক সুবিধা বা আপ্যায়ন গ্রহণ করা যাবে না। ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হলে রিটার্নিং অফিসারের পরামর্শ অনুযায়ী তা কঠোরভাবে দমন করতে হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ কোনো সাধারণ বাহিনী নয়; এটি রাষ্ট্র ও জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করবে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে পুলিশের ভিত্তি হতে হবে জ্ঞান, নৈতিকতা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং জনবান্ধব সেবা।