‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে তিন পরিবর্তন নিয়ে নামতে পারে ভারত

‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে তিন পরিবর্তন নিয়ে নামতে পারে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হেরে চাপে ভারত। সেমিফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে হলে আজ জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে সূর্যকুমার যাদবদের। মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে একাদশ বাছাই নিয়েও সতর্ক ভারত। দেশটির গণমাধ্যমের বরাতে জানা যাচ্ছে, প্রথম একাদশে তিনটি পরিবর্তন করতে পারে ভারত। চলমান বিশ্বকাপে একেবারেই ছন্দে নেই অভিষেক শর্মা। তবে তাকে আরও একটা সুযোগ দেওয়ার পক্ষে টিম ম্যানেজমেন্ট। তাই আজকের ম্যাচেও ওপেনিং জুটি পরিবর্তন হচ্ছে না। অভিষেকের সঙ্গে থাকছেন ইশান কিশান। তিন নম্বরে ব্যাট করবেন তিলক বার্মা। ব্যাটিং অর্ডারের চারে থাকবেন অধিনায়ক সূর্যকুমার। পাঁচে দেখা যেতে পারে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে। ছয় নম্বরে ব্যাট করবেন সম্ভবত শিবাম দুবে। ছন্দে থাকা দুবের খেলাও একপ্রকার নিশ্চিত। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ভারত সম্ভবত পাচ্ছে না রিঙ্কু সিংহকে। অসুস্থ বাবাকে দেখতে টিম হোটেল ছেড়ে গেছেন তিনি। তার জায়গায় প্রথম একাদশে আসতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। উইকেটরক্ষক এই ব্যাটারকে চেন্নাইয়ের ফিনিশারের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। তিনি নামবেন সাত নম্বরে। আট নম্বরে আরও এক অলরাউন্ডার থাকবেন। দলে ফিরবেন সহ-অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল। শেষ তিনটি জায়গা বিশেষজ্ঞ বোলারদের। চেন্নাইয়ের স্পিন সহায়ক ২২ গজে জিম্বাবুয়েকে স্পিনের জালে ফাঁসানোর পরিকল্পনা করতে পারেন গম্ভীররা। তাই একমাত্র বিশেষজ্ঞ পেস বোলার হিসাবে থাকবেন জসপ্রীত বুমরাহ। দু’জন বিশেষজ্ঞ স্পিনারের খেলার সম্ভাবনা রয়েছে। বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা যেতে পারে কুলদীপ যাদবকে। বুমরাহর সঙ্গে পেস আক্রমণের দায়িত্ব সামলাবেন হার্দিক এবং শিবাম দুবে।
রোজা রাখার মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

রোজা রাখার মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতা রোজা রাখার ফলে আমাদের শরীর নানাভাবে উপকার লাভ করে, একথা এখন বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। তবে এখানেই শেষ নয়, শারীরিক নানা উপকারিতার পাশাপাশি রোজা রাখার অনেকগুলো মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। পুরো একমাস রোজা থাকার ফলে জীবনযাপনের অনেক বিষয়ই নিয়ন্ত্রণে চলে আসে, জন্মায় পরিমিতবোধ। রোজা মানুষকে আরও বেশি সংযত হতে শেখায়, শেখায় সহমর্মিতা। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রোজা রাখার কিছু মানসিক স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে- আধ্যাত্মিকভাবে রমজান মাসে মানসিক স্বাস্থ্য আরও ধ্যানমগ্ন হয়ে ওঠে, যা আপনাকে দৈনন্দিন আরাম-আয়েশের সঙ্গে নিজেকে জড়িত করার পরিবর্তে আধ্যাত্মিক ক্ষমতায় প্রার্থনা এবং প্রতিফলিত করার সুযোগ দেয়। আত্ম-নিয়ন্ত্রণ এবং সংযম রোজার বিশাল কারণ, যা আল্লাহর সঙ্গে আপনার সংযোগকে শক্তিশালী করে। এর কারণ হলো আপনি আপনার যা প্রয়োজন তা সরবরাহ করার এবং আপনার চাহিদা দূর করার জন্য তাঁর ওপর আস্থা স্থাপন করেন। আবেগগতভাবে রমজানে গভীর ইবাদতে মগ্ন হওয়া একটি গভীর আবেগগত অভিজ্ঞতা হতে পারে। মনের শান্তি থেকে তৃপ্তি পর্যন্ত, রমজান হলো আল্লাহ আপনাকে যা উপহার দিয়েছেন তা উপলব্ধি করার উপযুক্ত সময়। ইফতারের মুহূর্তটি এমন একটি সময় যা পরিবারের সঙ্গে কাটানো উচিত, যার ফলে এক মাসের ত্যাগের পরে ভালোবাসা এবং সান্ত্বনার অনুভূতি তৈরি হয়। অভ্যাসগতভাবে প্রত্যেকেই খারাপ অভ্যাস বা আসক্তির জন্য দোষী, তা যত তীব্র বা ছোটই হোক না কেন। তাই রমজানে আমরা সবাই নিজেদের উন্নতির জন্য কিছু করতে পারি। ধূমপান ত্যাগ করা, অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকা অথবা মিথ্যা বলা বন্ধ করা যাই হোক না কেন, রমজান হলো এই ইতিবাচক পরিবর্তনগুলো আনার আদর্শ সময়। যদি আপনি আপনার খারাপ অভ্যাসগুলো দূর করতে প্রস্তুত না হন, তাহলে আপনি রমজানকে একগুঁয়েমি বা পরচর্চার মতো অপ্রীতিকর ব্যক্তিত্বের বৈশিষ্ট্যর বিরুদ্ধে লড়াই করার সময় হিসাবে বেছে নিতে পারেন। মুসলমানদের উচিত রমজানের সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমস্ত খারাপ ও ক্ষতিকর অভ্যাস ত্যাগ করা, যার ফলে জীবনযাত্রা উন্নত হবে। জীবনযাত্রার উন্নতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রেও আপনি রমজানের রোজার উপকারিতা অনুভব করতে পারবেন।
চীনে মিলল কাঁটায় ঢাকা ডাইনোসর !

চীনে মিলল কাঁটায় ঢাকা ডাইনোসর ! ডাইনোসর মানেই বিশাল দেহ আর ভয়ংকর চেহারা—এমন ধারণাই সবার। কিন্তু এবার চীনে পাওয়া গেল এক ভিন্ন রকম ডাইনোসরের জীবাশ্ম। তার শরীরজুড়ে ছিল সজারুর মতো ফাঁপা কাঁটা। এমন বৈশিষ্ট্য আগে কোনো ডাইনোসরের মধ্যে দেখা যায়নি। চীনের লিয়াওনিং প্রদেশের শিয়াওউজিয়াজি গ্রামের কাছে এই জীবাশ্মটি পাওয়া যায়। বিজ্ঞানীরা ডাইনোসরটির নাম দিয়েছেন হাওলং ডোঙ্গি। প্রায় ১২ কোটি ৫০ লাখ বছর আগে, আর্লি ক্রিটেশিয়াস যুগে এটি পৃথিবীতে বাস করত। এই জীবাশ্মটি একটি অল্পবয়সী ডাইনোসরের। এত ভালোভাবে সংরক্ষিত যে এর কোষ পর্যন্ত দেখা গেছে। গবেষকেরা এক্স-রে স্ক্যান ও অতি পাতলা অংশ কেটে উচ্চক্ষমতার মাইক্রোস্কোপে পরীক্ষা করেন। তারা নিশ্চিত হন, কাঁটাগুলো হাড়ের অংশ নয়, বরং চামড়ার অংশ ছিল। হাওলং ডোঙ্গি ইগুয়ানোডন্টিয়া গোষ্ঠীর সদস্য। এরা ছিল তৃণভোজী ডাইনোসর। তাদের ঠোঁট ছিল চঞ্চুর মতো এবং পেছনের পা ছিল শক্তিশালী। ‘ইগুয়ানোডন্টিয়া’ শব্দের অর্থ ‘ইগুয়ানার দাঁত’, কারণ তাদের দাঁত আধুনিক ইগুয়ানার মতো ছিল। এই গোষ্ঠী প্রথম চিহ্নিত হয় ১৮২২ সালে। গবেষকদের মতে, সেই সময়ে চীনে ছোট আকারের মাংসাশী ডাইনোসরও ছিল। তাই ধারণা করা হচ্ছে, এই ফাঁপা কাঁটা শিকারিদের ভয় দেখাতে বা দূরে রাখতে কাজে লাগত। অনেকটা আজকের সজারুর কাঁটার মতো। এছাড়া কাঁটাগুলো শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। এমনকি আশপাশের নড়াচড়া টের পেতেও ভূমিকা থাকতে পারে। তবে এটি যেহেতু অল্পবয়সী ডাইনোসর, বড় হলে কাঁটা থাকত কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, আরও জীবাশ্ম মিললে এই রহস্যের সমাধান হতে পারে।
গ্রিনল্যান্ডের বরফ ভেতর থেকে নরম হচ্ছে, গলছে আগের চেয়ে দ্রুত !

গ্রিনল্যান্ডের বরফ ভেতর থেকে নরম হচ্ছে, গলছে আগের চেয়ে দ্রুত ! পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বরফস্তূপ গ্রিনল্যান্ড আইস শিট নিয়ে নতুন দুই গবেষণা বিজ্ঞানীদের ভাবিয়ে তুলেছে। তারা বলছেন, এই বিশাল বরফস্তূপ ভেতর থেকে আগের ধারণার চেয়ে অনেক নরম। শুধু তাই নয়, ১৯৯০ সালের পর থেকে সেখানে অস্বাভাবিক হারে বরফ গলা বেড়েছে। প্রথম গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘দ্য ক্রায়োস্ফিয়ার’ সাময়িকীতে। নরওয়ের বার্গেন বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা রাডার দিয়ে বরফের গভীরে অদ্ভুত স্তম্ভের মতো গঠন খুঁজে পান। তারা জানান, ভূত্বক থেকে উঠে আসা ভূ-তাপ বরফের নিচের অংশকে ধীরে ধীরে গরম করছে। এতে বরফ শক্ত থাকলেও ভেতরে ধীর গতিতে নড়াচড়া করছে। অনেকটা ফুটন্ত পানির ভেতর পাস্তা ঘোরার মতো। গবেষণার প্রধান রবার্ট ল বলেন, বরফের ভেতরে এভাবে ‘থার্মাল কনভেকশন’ (তাপের কারণে ভেতরে ঘূর্ণন) হবে—এটি আগে কল্পনাও করা হয়নি। উত্তর গ্রিনল্যান্ডে এই প্রক্রিয়া বেশি দেখা গেছে, যেখানে বরফের পুরুত্ব ২ হাজার ২০০ মিটারের বেশি। গবেষণায় বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলের গভীর বরফ আগের ধারণার চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি নরম। এতে ভবিষ্যতে সমুদ্রপৃষ্ঠ কতটা বাড়বে, তার হিসাবও বদলে যেতে পারে। দ্বিতীয় গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘নেচার কমিউনিকেশনস’-এ। বার্সেলোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জোসেপ বনসোমসের নেতৃত্বে করা এই গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯০ সালের পর থেকে চরম গলনের এলাকা প্রতি দশকে ২৮ লাখ বর্গকিলোমিটার হারে বেড়েছে। আগে প্রতি দশকে ১২.৭ গিগাটন বরফ গলত, এখন তা বেড়ে ৮২.৪ গিগাটনে পৌঁছেছে। ২০০০ সালের পর সবচেয়ে ভয়াবহ ১০টি গলনের ঘটনার মধ্যে ৭টি ঘটেছে। বিজ্ঞানীরা সতর্ক করেছেন, এভাবে বরফ গলতে থাকলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা দ্রুত বাড়বে। এতে উপকূলীয় দেশগুলো বড় ঝুঁকিতে পড়বে। পাশাপাশি সমুদ্রের স্রোত ও বৈশ্বিক পরিবেশেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে।
ক্যামেরায় ধরা পড়ল বজ্রঝড়ে গাছের মাথায় নীল আলোর ঝলক

ক্যামেরায় ধরা পড়ল বজ্রঝড়ে গাছের মাথায় নীল আলোর ঝলক বজ্রঝড়ের রাতে গাছের মাথায় নাকি হালকা নীল রঙের বিদ্যুতের ঝলক দেখা যায়—এমন ধারণা বিজ্ঞানীদের ছিল প্রায় একশ বছর ধরে। কিন্তু চোখে দেখা প্রমাণ ছিল না। এবার সেই রহস্যের পর্দা উঠল। যুক্তরাষ্ট্রের পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রথমবারের মতো বাস্তব ঝড়ের মধ্যে গাছের চূড়ায় ক্ষীণ নীল বিদ্যুৎঝলক ধরতে পেরেছেন। এই ক্ষীণ ঝলককে বলা হয় ‘করোনা’ (খুব হালকা বৈদ্যুতিক স্ফুলিঙ্গ)। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে ‘জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্স’ সাময়িকীতে। গবেষণার প্রধান প্যাট্রিক ম্যাকফারল্যান্ড জানান, তারা একটি ২০১৩ সালের টয়োটা সিয়েনা গাড়িকে ছোট চলমান গবেষণাগারে পরিণত করেন। গাড়িতে বসানো হয় আবহাওয়া মাপার যন্ত্র, বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র নির্ণায়ক (ইলেকট্রিক ফিল্ড ডিটেক্টর), লেজার যন্ত্র ও অতিবেগুনি রশ্মি ধরতে পারে এমন বিশেষ ক্যামেরা। কারণ এই ঝলক খালি চোখে দেখা যায় না। ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে দলটি ফ্লোরিডা থেকে পেনসিলভানিয়া পর্যন্ত ঝড়ের পিছু নেয়। নর্থ ক্যারোলাইনার পেমব্রোকে একটি সুইটগাম গাছের ডগায় ক্যামেরা তাক করে তারা ৯০ মিনিটে ৪১টি করোনা দেখতে পান। প্রতিটি ঝলক সর্বোচ্চ তিন সেকেন্ড স্থায়ী হয় এবং এক পাতা থেকে আরেক পাতায় ছড়িয়ে পড়ে। অন্য গাছেও একই দৃশ্য দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা বলেন, ঝড়ের মেঘে জমা বিদ্যুৎ মাটিতে বিপরীত চার্জ তৈরি করে। সেই চার্জ গাছের উঁচু পাতার ডগা দিয়ে বের হয়ে ক্ষীণ স্ফুলিঙ্গ তৈরি করে। ২০২২ সালের আগের এক গবেষণায় দেখা গেছে, এসব করোনা ‘হাইড্রক্সিল র্যাডিক্যাল’ (এক ধরনের রাসায়নিক কণা) তৈরি করে। এটি মিথেনের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস কমাতে সাহায্য করলেও ওজোন ও বায়ুদূষণও তৈরি করতে পারে। ল্যাবে দেখা গেছে, করোনা পাতার ডগা পুড়িয়ে দিতে পারে। গবেষকদের ধারণা, বহু বছর ধরে এমন ঘটনা গাছের বৃদ্ধি ও বিবর্তনে প্রভাব ফেলতে পারে। এখন বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত—ঝড়ের রাতে গাছের মাথায় সত্যিই লুকানো আলোর খেলা চলে।
২ মার্চ ইসির সব দপ্তরে বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নির্দেশ

২ মার্চ ইসির সব দপ্তরে বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নির্দেশ আগামী ২ মার্চ সারাদেশে পালিত হতে যাচ্ছে ‘৮ম জাতীয় ভোটার দিবস’। দিবসটি বর্ণাঢ্য ও যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে ঢাকায় কর্মরত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সব স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি। সম্প্রতি ইসি সচিবালয়ের সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। আদেশে জানানো হয়েছে, ২ মার্চ সকালে নির্বাচন ভবনের সামনে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে দিবসের উদ্বোধন করা হবে। এরপর একটি র্যালি ও বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। ভোটারদের সচেতন করতে এবং তরুণদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তিতে উৎসাহিত করতে প্রতি বছর এই দিনটি পালন করা হয়। আগামী ২ মার্চ সকাল ৯টার মধ্যে নির্বাচন ভবনের সামনে নির্ধারিত ৭টি দপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে সমবেত হতে বলা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (NID), নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (ETI), নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের অধীনে পরিচালিত সকল প্রকল্প, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়, সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার সকল থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়। অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমেই এই আদেশ জারি করা হয়েছে। কোনো প্রকার ব্যত্যয় ছাড়াই সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য বলা হয়েছে।
ফেব্রুয়ারিতেই দেশে ৮ বার ভূমিকম্প কিসের ইঙ্গিত !

ফেব্রুয়ারিতেই দেশে ৮ বার ভূমিকম্প কিসের ইঙ্গিত ! চলতি ফেব্রুয়ারির ২৫ দিনে দেশে মোট ৮ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল রাতে আঘাত হানে ৪ দশমিক ১ মাত্রা ভূমিকম্প। কিন্তু ঘন ঘন এই ভূমিকম্প কিসের ইঙ্গিত? ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের আশপাশের অঞ্চল এবং দেশের ভেতরে ছোট ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের সংখ্যা বাড়ছে। ভূতাত্ত্বিকভাবে এটি বড় ধরনের ভূমিকম্পের পূর্ব লক্ষণ হতে পারে। চলতি ফেব্রুয়ারিতে প্রথম ভূকম্পনটা অনুভূত হয় মাসের প্রথম দিনেই। সেদিন ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় মৃদু ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩। এর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট শহর থেকে পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে পরপর দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যেগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। ওই দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ এবং ৫ দশমিক ২। একই দিন ভোর ৪টা ৩৬ মিনিট ৪৬ সেকেন্ডে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও ভূকম্পন অনুভূত হয়। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা, যা ঢাকা থেকে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। এরপর ৯ ফেব্রুয়ারি ভোরে এবং ১০ ফেব্রুয়ারি বিকালে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় দুটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ দুটি ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৩ দশমিক ৩ এবং ৪। ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ৪৬ মিনিটে আবার সিলেট অঞ্চলে ভূকম্পন অনুভূত হয়। ওই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা। এর মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে সর্বশেষ বুধবার পর্যন্ত দেশে মোট আটবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ঘন ঘন এই ভূমিকম্পের ঘটনায় বিশেষজ্ঞরা বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, সবশেষ বুধবার রাত ১০টা ৫১ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডে যে ভুমিকম্পটি অনুভূত হয়, সেটির উৎপত্তিস্থল ছিল মিয়ানমারে। ভূমিকম্প বিষয়ক ওয়েবসাইট ভলকানো ডিসকভারি জানিয়েছে, মিয়ানমারের সাগাইং অঞ্চলে আঘাত হানে ৫ দশমিক ১ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। যার কম্পন বাংলাদেশেও অনুভূত হয়। অন্যদিকে ইউরো-মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউটিসি সময় ১৬টা ৫১ মিনিট ৪৮ সেকেন্ডে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ২৩.০৩১ অক্ষাংশ ও ৯৪.৭৪৪ দ্রাঘিমাংশে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০১ কিলোমিটার। কম্পনটির কেন্দ্র ছিল মিয়ানমারের মোনইয়া শহর থেকে প্রায় ১১০ কিলোমিটার উত্তর-উত্তরপশ্চিমে এবং মাওলাইকের প্রায় ৭৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। গভীরতায় উৎপত্তি হওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাজধানী ঢাকায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। এর আগে গত ২১ নভেম্বর দেশে বড় ধরনের একটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। সেসময় ঢাকাসহ সারাদেশে ১০ জন মারা যান, আহত হন ছয় শতাধিক। পাশাপাশি অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রথম বিশ্বনেতা হিসেবে ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন ক্লাবে মোদী

প্রথম বিশ্বনেতা হিসেবে ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন ক্লাবে মোদী ইনস্টাগ্রামে ১০ কোটি বা ১০০ মিলিয়ন অনুসারীর মাইলফলক ছুঁয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ভারতের সরকারি কর্মকর্তারা জানান, ইনস্টাগ্রামে ১০০ মিলিয়ন অনুসারি অর্জন করা বিশ্বের প্রথম রাজনীতিক ও প্রথম বিশ্বনেতা হলেন মোদী। ২০১৪ সালে ইনস্টাগ্রামে যোগ দেন নরেন্দ্র মোদী। গত এক দশকে তার অ্যাকাউন্টটি বিশ্বনেতাদের মধ্যে অন্যতম আকর্ষণীয় ও আলোচিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানান। বিশ্বের প্রধান নেতাদের মধ্যে এখন ইনস্টাগ্রামে সর্বোচ্চ অনুসারী মোদীর। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যার চেয়েও মোদীর অনুসারীর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, বিশ্বের পরবর্তী পাঁচজন বড় নেতার মোট অনুসারী যোগ করলেও তা নরেন্দ্র মোদীর ব্যক্তিগত অনুসারীর সংখ্যাকে ছুঁতে পারবে না। ইনস্টাগ্রামে বিশ্বনেতাদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে আছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার অনুসারী ৪৩ দশমিক ২ মিলিয়ন বা ৪ কোটি ৩২ লাখ। ১৫ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৫০ লাখ অনুসারী নিয়ে তৃতীয় স্থানে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুবিয়ান্তো। এরপর চতুর্থ স্থানে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা, তার অনুসারীর সংখ্যা ১৪ দশমিক ৪ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৪৪ লাখ। ১১ দশমিক ৬ মিলিয়ন আ ১ কোটি ১৬ লাখ অনুসারী নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। আর আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেই ৬ দশমিক ৪ মিলিয়ন বা ৬০ লাখ ৪০ হাজার অনুসারী নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম অনুসারীর সংখ্যার দিকে থেকে ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকদের চেয়েও অনেক এগিয়ে আছেন মোদী। ১৬ দশমিক ১ মিলিয়ন বা ১ কোটি ৬১ লাখ অনুসারী নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আর তৃতীয় স্থানে আছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, যার অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১২.৬ মিলিয়ন বা ১ কোটি ২৬ লাখ।
এপস্টেইন তদন্ত: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগসহ কয়েক ডজন ফাইল উধাও

এপস্টেইন তদন্ত: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগসহ কয়েক ডজন ফাইল উধাও যৌন অপরাধী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথিপত্র নিয়ে সাম্প্রতিক তদন্তে গুরুতর অস্পষ্টতা প্রকাশ পেয়েছে। এক প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পর্কিত সাক্ষাৎকারসহ কয়েক ডজন এফবিআই ফাইল উধাও হয়ে গেছে। পার্সটুডের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, মার্কিন বিচার বিভাগ কর্তৃক এপস্টেইনের নথিপত্র ব্যাপকভাবে প্রকাশের সময় প্রায় ৩২৫টি এফবিআই সাক্ষীর সাক্ষাৎকারের প্রতিবেদনের মধ্যে ৯০টিরও বেশি ফাইল বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর বের হয়েছে। এই নথিগুলো যৌন পাচারের অভিযোগে অভিযুক্ত এক আমেরিকান অর্থদাতা জেফ্রি এপস্টেইনের তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। হারিয়ে যাওয়া নথিপত্রের মধ্যে তিনটি প্রতিবেদন এমন এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কিত যিনি দাবি করেছিলেন যে, এপস্টেইন ১৩ বছর বয়স থেকেই তাকে নির্যাতন করেছিলেন এবং মার্কিন ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধেও তিনি যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেছিলেন। হাউজ ওভারসাইট কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট রবার্ট গার্সিয়া এপস্টেইনের নথিপত্রের কথা উল্লেখ করে বলেন, আমাদের একজন বেঁচে থাকা ব্যক্তি আছেন যিনি প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করেছেন, কিন্তু তার সঙ্গে এফবিআইয়ের কিছু সাক্ষাৎকার পাওয়া যায়নি। মামলার সঙ্গে সম্পর্কিত নথি প্রকাশের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকার আইন কতটা মেনে চলছে তা নিয়ে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। এদিকে মার্কিন বিচার বিভাগের এক মুখপাত্র নথি অপসারণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেছেন, আমরা কিছুই সরিয়ে ফেলিনি এবং সব প্রাসঙ্গিক নথি প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু নথি ‘নকল, গোপনীয়তা বা চলমান তদন্তের সঙ্গে প্রাসঙ্গিকতার কারণে প্রকাশ করা হয়নি। বিচারিক স্বচ্ছতা নিয়ে উদ্বেগ আইনি বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, এফবিআইয়ের তথাকথিত ‘৩০২’ প্রতিবেদন যা সাক্ষাৎকারের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে এপস্টেইনের নথিগুলোর বহু বছরের তদন্ত বোঝার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এফবিআইয়ের সাবেক উপ-পরিচালক অ্যান্ড্রু ম্যাককেব নথিগুলোকে ‘যে কোনো তদন্তের কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি’ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। একই সঙ্গে কিছু ভুক্তভোগী এপস্টেইনের নথি সম্পূর্ণ প্রকাশের ক্ষেত্রে ‘স্বচ্ছতার অভাব’ রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন। এই ব্যর্থতা কেবল প্রশাসনিক নয়, এটি গভীরভাবে ব্যক্তিগত এবং ধামাচাপা দেওয়ার জন্য দায়ী বলে একজন বাদী ফেডারেল বিচারকের কাছে লেখা একটি চিঠিতে জানিয়েছেন। এপস্টেইনের মামলাটি আমেরিকার সবচেয়ে বিতর্কিত রাজনৈতিক ও বিচারিক কেলেঙ্কারিগুলোর মধ্যে একটি এবং এর কিছু নথির ভাগ্য নিয়ে অনিশ্চয়তা আমেরিকান প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা সম্পর্কে নতুন প্রশ্ন উত্থাপন করেছে।
মার্কিন নৌযানে পাল্টা অভিযান চালাল কিউবা, নিহত ৪

মার্কিন নৌযানে পাল্টা অভিযান চালাল কিউবা, নিহত ৪ মার্কিন নৌযানে পাল্টা অভিযান চালিয়ে চারজনকে হত্যা করেছে কিউবার নৌবাহিনী। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, নিজেদের জলসীমায় ঢুকে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা-নিবন্ধিত একটি স্পিডবোট থেকে কিউবান নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালানো হলে এই পাল্টা অভিযান চালানো হয়। এতে নৌকাটিতে থাকা চারজন নিহত হন। এ ঘটনায় এক কিউবান কর্মকর্তাসহ আরও ছয়জন আহত হয়েছেন। বুধবার এক বিবৃতিতে কিউবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনাটি ঘটে দেশটির উত্তর উপকূলের কাছে কায়ো ফ্যালকোনেসের উত্তর-পূর্বে প্রায় এক মাইল দূরে। গোলাগুলির সময় নৌকাটি কিউবার জলসীমার ভেতরে অবস্থান করছিল বলেও দাবি করা হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, অভিযানে জড়িত স্পিডবোটটির নিবন্ধন নম্বর তাদের কাছে রয়েছে, তবে নৌকাটিতে থাকা ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। পরে কিউবান কর্তৃপক্ষ দাবি করে, ওই নৌকাটিতে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী কিউবানরা ছিলেন, যারা কিউবায় অনুপ্রবেশ করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াএ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা বিষয়টি তাদের নিজেদের মতো করে যাচাই করবে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, এটি কোনও মার্কিন সরকারি অভিযান ছিল না এবং এতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কেউ জড়িত ছিলেন না। নৌকাটিতে থাকা ব্যক্তিরা মার্কিন নাগরিক বা স্থায়ী বাসিন্দা ছিলেন কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রুবিও আরও বলেন, খোলা সমুদ্রে এ ধরনের গোলাগুলি খুবই অস্বাভাবিক। এটা প্রতিদিন ঘটে না। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, হোয়াইট হাউস পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আমরা চাই এটা যেন আমাদের আশঙ্কার মতো গুরুতর না হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের অ্যাটর্নি জেনারেল জেমস উটমেয়ার জানিয়েছেন, ফেডারেল, অঙ্গরাজ্য ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় করে ঘটনাটি তদন্ত শুরু করতে তিনি স্টেটওয়াইড প্রসিকিউশন অফিসকে নির্দেশ দিয়েছেন। এই ঘটনাটি কিউবা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।