অবসরে গেলেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সুশিলা কার্কি

অবসরে গেলেন নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সুশিলা কার্কি নেপালের প্রথম নারী প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কি অবসর ভেঙে দেশের সবচেয়ে কঠিন দায়িত্ব নিয়েছিলেন। দুর্নীতিবিরোধী বিক্ষোভে সরকার পতনের পর তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন। দায়িত্ব পালন শেষে আবারও অবসরে ফিরে গেলেন তিনি। ৭৩ বছর বয়সী কার্কি সংকটময় সময়ে দেশের হাল ধরার জন্য প্রশংসিত হয়েছেন। ২০০৬ সালে গৃহযুদ্ধের অবসানের পর এটি ছিল দেশটির এক অস্থির সময়। বিদায়ী ভাষণে তিনি বলেন, ‘এই দায়িত্ব নেওয়ার সময় আমি ভয় ও অনিশ্চয়তায় ডুবে ছিলাম।’ কার্কি বলেন, ‘তবে আমি বিশ্বাস নিয়ে এসেছিলাম-সংকটের সময় অন্তত আশা জাগাতে পারব।’ তিনি এমন এক দেশের নেতৃত্ব দেন, যা তখন গভীরভাবে বিভক্ত ছিল। অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি যখন দায়িত্ব নেন, তখন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরের সহিংসতায় সংসদসহ বহু সরকারি ভবন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এতে ৭৭ জন নিহত হন। কার্কি বারবার বলেন, তিনি কখনো এই দায়িত্ব চাননি। জেন জি প্রজন্মের নেতৃত্বে শুরু হওয়া বিক্ষোভের কর্মীরা অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ডিসকর্ডের মাধ্যমে তার নাম প্রস্তাব করে। শেষ পর্যন্ত তিনি নির্বাচিত হন। নেপালের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। গতকাল রাতে তিনি বলেন, ‘পরিবর্তনের জন্য কাজ করা তরুণ প্রজন্মের অনুরোধে নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে আমি এই দায়িত্ব গ্রহণ করি।’ তিনি আরো বলেন, ‘এখন কিছুটা সন্তুষ্টি ও অনেক আশা নিয়ে বিদায় চাইছি।’ দায়িত্ব নেওয়ার পর তার প্রথম কাজগুলোর একটি ছিল সহিংসতা তদন্তে কমিশন গঠন। কমিশন তার পূর্বসূরি চারবারের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলিকে বিচারের আওতায় আনার সুপারিশ করেছে। নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাওয়া ৩৫ বছর বয়সী র‌্যাপার বালেন্দ্র শাহ ৫ মার্চ ভোট দেওয়ার পর কার্কির একটি ছবি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘আপনার নেতৃত্বে গণতন্ত্র জয়ী হয়েছে।’ ১৯৫২ সালে পূর্ব নেপালের শিল্পশহর বিরাটনগরে জন্ম কার্কির। ভারতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও কাঠমাণ্ডুতে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি। ১৯৭৯ সালে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এ সময়ে নারীদের জন্য আইন পেশায় প্রবেশ ছিল বিরল। দ্রুতই নির্ভীক আইনজীবী হিসেবে সুনাম অর্জন করেন তিনি। অনেকেই এড়িয়ে যেতেন এমন মামলাও তিনি গ্রহণ করতেন।

যুদ্ধে লেবাননে নিহত বেড়ে ১ হাজার ১১৬, বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ

যুদ্ধে লেবাননে নিহত বেড়ে ১ হাজার ১১৬, বাস্তুচ্যুত লাখো মানুষ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ক্রমেই ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। এরই মধ্যে লেবাননে প্রাণহানির সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১১৬ জনে। দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গ্তকাল পর্যন্ত এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে। শুধু প্রাণহানিই নয়, যুদ্ধের এই তীব্রতায় আহতের সংখ্যাও আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। লেবাননের বিপর্যয় ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা দপ্তর জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত আহত হয়েছেন ৩ হাজার ২২৯ জন। প্রতিনিয়ত সংঘর্ষের কারণে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুদ্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের জীবনে। নিরাপত্তাহীনতা ও লাগাতার হামলার মুখে দেশজুড়ে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন বিপুলসংখ্যক মানুষ। বাস্তুচ্যুত হয়েছে লাখো মানুষ। অনেকেই আশ্রয় নিয়েছেন অস্থায়ী ক্যাম্পে, আবার কেউ কেউ পার্শ্ববর্তী এলাকায় নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছেন। মানবিক সংকট ক্রমেই তীব্র হয়ে উঠছে। এর আগে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার পর পুরো মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর জেরে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। পরবর্তীতে লেবাননের প্রভাবশালী সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে হামলা চালালে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। পাল্টাপাল্টি হামলা ও সংঘর্ষে লেবাননের বিভিন্ন এলাকা এখন কার্যত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

ইরানি হামলায় ৮০০ মার্কিন ও ১ হাজার ৩২১ ইসরায়েলি সেনা নিহত : শেকারচি

ইরানি হামলায় ৮০০ মার্কিন ও ১ হাজার ৩২১ ইসরায়েলি সেনা নিহত : শেকারচি পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক কাঠামো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে এবং এই অঞ্চলে মোতায়েন থাকা মার্কিন সেনাদের প্রতিটি পদক্ষেপ ইরান গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানিয়েছেন ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জ্যেষ্ঠ মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুলফজল শেকারচি। গতকাল দেশটির জাতীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, মার্কিন সেনাবাহিনী এখন এতটাই বিপর্যয়ের মুখে রয়েছে যে তারা নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ছেড়ে সাধারণ নাগরিকদের ব্যবহৃত হোটেলে আশ্রয় নিতে বাধ্য হচ্ছে। শেকারচির মতে, বেসামরিক স্থাপনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার এই প্রবণতা আসলে মার্কিন বাহিনীর চরম পরাজয় এবং আত্মরক্ষায় তাদের অক্ষমতারই বহিঃপ্রকাশ। ইরানি জেনারেল তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্যে এ পর্যন্ত অন্তত ১৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি অকার্যকর করে দেওয়া হয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে তাদের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলোও আর নিরাপদ নয়। তিনি স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, যে দেশই ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন চালাবে, তাকে ধ্বংস না করা পর্যন্ত তেহরান শান্ত হবে না। গত জুনের ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরান তাদের সামরিক নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে এবং এখন তারা ‘প্রতিরক্ষামূলক অবস্থান’ থেকে সরে এসে ‘আক্রমণাত্মক নীতি’ গ্রহণ করেছে। শেকারচি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইসলামি বিপ্লবের নতুন নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মুজতবা খামেনির দেওয়া চার দফা শর্ত পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এবং হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা মার্কিন বাহিনীকে রেহাই দেবেন না। সাক্ষাৎকারে জেনারেল শেকারচি যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতির একটি পরিসংখ্যানও তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, চলমান সংঘাতে এ পর্যন্ত ৬০০ থেকে ৮০০ মার্কিন সেনা নিহত হয়েছে এবং প্রায় ৫ হাজার সেনা আহত হয়েছে। এ ছাড়া ইরানি হামলায় ১,৩২১ জন ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার তথ্যও তিনি প্রদান করেন, যদিও ইসরায়েল এই সংখ্যাটি গোপন করার চেষ্টা করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শেকারচি মুসলিম দেশগুলোকে আহ্বান জানান যাতে তারা মার্কিন বাহিনীকে কোনো প্রকার আশ্রয় প্রদান না করে। তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, যদি কোনো দেশের ভূমি বা আকাশপথ ব্যবহার করে ইরানের ওপর হামলা চালানো হয়, তবে সেই দেশকেও চরম পরিণাম ভোগ করতে হবে। মার্কিন ও ইসরায়েলি শক্তির ওপর ক্রমাগত আঘাত এবং ন্যাটোর অনীহা—সব মিলিয়ে এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের দিন ফুরিয়ে এসেছে বলেই ইরান মনে করছে।

বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থন-সংহতি পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের

বাংলাদেশের প্রতি অব্যাহত সমর্থন-সংহতি পুনর্ব্যক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশের প্রতি অবিচল সমর্থন ও সংহতির আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এ কথা জানান জাতিসংঘের মহাসচিব। আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে গুতেরেস নবগঠিত বাংলাদেশ সরকারকে অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানবিক ভূমিকারও প্রশংসা করেন। বৈঠকে বৈশ্বিক নানা ইস্যু নিয়েও আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী চলমান বিশ্বব্যাপী তেল সংকটের প্রভাব তুলে ধরে বলেন, এতে উন্নয়নশীল ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, বিশেষ করে দরিদ্র দেশগুলোর ওপর এর প্রভাব অসমভাবে পড়ছে। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের মহাসচিবকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। গুতেরেস আমন্ত্রণটি সানন্দে গ্রহণ করেন এবং কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

আইএলও’র গভর্নিং বডির সভায় যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন শ্রমমন্ত্রী

আইএলও’র গভর্নিং বডির সভায় যোগ দিতে ঢাকা ছাড়লেন শ্রমমন্ত্রী সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ৩৫৬তম গভর্নিং বডির সভায় অংশ নিতে ঢাকা ছেড়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। একই সভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিনও জেনেভায় যাবেন বলে জানা গেছে। আজ সকালে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওয়ানা হন মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় তার জেনেভা পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরসূচি অনুযায়ী, মন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মূল অধিবেশনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের শ্রমমন্ত্রী এবং আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন। সভায় বাংলাদেশের শ্রম খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আন্তর্জাতিক শ্রম মানদণ্ড বাস্তবায়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরা হবে। আগামী ৪ এপ্রিল প্রতিনিধিদলের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২৮ দিনে ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল

শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ২৮ দিনে ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বাংলাদেশের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৯৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এই অবস্থা শুরু হওয়ার পর ২৮ দিনের পরিসংখ্যান এটি। আজ সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে। ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডানের আকাশসীমা বন্ধ থাকার কারণে আজও বাতিল হয়েছে ২২টি ফ্লাইট। আজ বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে, কুয়েত এয়ারওয়েজের ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়া (শারজাহ) ৬টি, গালফ এয়ার (বাহরাইন) ২টি, কাতার এয়ারওয়েজ ৪টি, এমিরেটস এয়ারলাইনস ২টি এবং জাজিরা এয়ারওয়েজ (কুয়েত) ৪টি ফ্লাইট। এদিকে, ফ্লাইট বাতিলের এই পরিস্থিতির মধ্যেও মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু ফ্লাইট সীমিত পরিসরে পরিচালিত হয়েছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৭ মার্চ পর্যন্ত মোট পরিচালিত ও পরিকল্পিত ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৫৮টি। এ সময়ে ওমানের মাস্কাট, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী বিভিন্ন ফ্লাইট চলাচল করেছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ২৭ মার্চ মোট ৪৩টি ফ্লাইট পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এর মধ্যে মাস্কাটগামী ৬টি, সৌদি আরবগামী ১৭টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ২০টি ফ্লাইট রয়েছে। ইউএইগামী ফ্লাইটগুলোর মধ্যে দুবাই ১২টি, আবুধাবি ৪টি এবং শারজাহগামী ৪টি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত।