৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার

৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জি-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসনের মধ্যে দলটি ১৮৪–১৯৪টি আসন পেতে পারে বলে একটি জনমত জরিপে আভাস মিলেছে। সর্বভারতীয় গণমাধ্যম CNN-News18-এ প্রকাশিত ‘ভোট-ভাইব’ জরিপ অনুযায়ী, প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পেতে পারে ৯৮–১০৮টি আসন। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকবে। জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট-সহ অন্যান্য দল মিলিয়ে পেতে পারে মাত্র ১-৩টি আসন। ভোটের হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৪১.৯ শতাংশ এবং বিজেপি ৩৪.৯ শতাংশ ভোট। জরিপে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রবণতারই প্রতিফলন ঘটতে পারে এবারের বিধানসভা ভোটে। সম্প্রদায়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুসলিম ভোটারদের মধ্যে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান বজায় রয়েছে—৫৭.৬ শতাংশ তাদের সমর্থন করছে। অন্যদিকে তফসিলি উপজাতিদের মধ্যে বিজেপির সমর্থন ৫১ শতাংশ। তফসিলি জাতি ও দলিত ভোটারদের মধ্যে কিছুটা বিভাজন থাকলেও ৪৩ শতাংশ বিজেপি এবং ৩৯.৫ শতাংশ তৃণমূলকে সমর্থন করছে। মুখ্যমন্ত্রী পদের পছন্দের তালিকাতেও এগিয়ে রয়েছেন মমতা ব্যানার্জি—৪৮.৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে শীর্ষে। তাঁর পরে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (৩৩.৪ শতাংশ)। এছাড়া মোহাম্মদ সেলিম পেয়েছেন ৪.৩ শতাংশ এবং অধীর রঞ্জন চৌধুরী পেয়েছেন ৩.৭ শতাংশ সমর্থন। জরিপে উঠে এসেছে, এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু বেকারত্ব—৩৭.২ শতাংশ উত্তরদাতা এটিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা, নারী নিরাপত্তা, মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতিও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে জরিপে বলা হয়েছে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণও প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনে। বিশেষ করে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেইউপি) এবং অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর জোট তৃণমূলের ভোটব্যাংকে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরিপ অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের কাজকে ৪৩.৩ শতাংশ মানুষ ‘ভালো’ বা ‘খুব ভালো’ বললেও ৩৮.৯ শতাংশ একে ‘খারাপ’ বা ‘খুব খারাপ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। এতে বোঝা যায়, সরকারের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের অভাব, দুর্বল সংগঠন ও জনসংযোগের ঘাটতি। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ১৫২ আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ৪ মে।

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধের জেরে ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি আমেরিকানদের কাছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স/ইপসোস এর সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ আমেরিকান ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার ওপর আস্থা রেখেছেন। গত সপ্তাহে রয়টার্স/ইপসোস-এর জরিপে এই হার ছিল ৪০ শতাংশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন; অথচ ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় এই বিষয়টিই ছিল তার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাম্পের ওপর আস্থা রেখেছেন মাত্র ২৯ শতাংশ মানুষ। এটি ট্রাম্পের দুই মেয়াদের রাষ্ট্রপতিত্বের মধ্যে সর্বনিম্ন রেটিং। এমনকি তার পূর্বসূরি ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সর্বনিম্ন অর্থনৈতিক রেটিংয়ের চেয়েও এটি কম। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনগুলোতে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ এবং গত বছরের গ্রীষ্মকাল থেকে এটি মূলত ৪০ শতাংশের আশপাশে ছিল। বর্তমান রেটিং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং (৩৩ শতাংশ) এবং জো বাইডেনের সর্বনিম্ন রেটিংয়ের (৩৫ শতাংশ) চেয়ে কিছুটা উপরে। ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প ‘বোকামিপূর্ণ যুদ্ধ’ এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পাল্টে দিচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান ইরানের ওপর হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মানুষ এই হামলার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, গত সপ্তাহে যা ছিল ৫৯ শতাংশ।

মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে উত্তেজনার বৃদ্ধির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের মতে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। এর ফলে ওই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি আরও বাড়বে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে- তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই দলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছে ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়ন, যা বর্তমানে ডিভিশনের ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স (আইআরএফ) হিসেবে কাজ করছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিভিশন স্টাফ এবং ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ এক সপ্তাহের মধ্যে মোতায়েন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে; ব্রিগেডের অন্যান্য অংশও পরবর্তীতে মোতায়েন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও পরিস্থিতির অগ্রগতির সাথে সাথে এই প্রত্যাশাগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। সূত্রটি জানিয়েছে, ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যের ‘প্রস্তুত ইউনিট’ হিসেবে কাজ করবে। যেকোনও সময় প্রয়োজনে তাদের তলব করা হবে। ২০২০ সালে ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল। আইআরএফ হলো এমন একটি ব্রিগেড, যা স্বল্প সময়ের নোটিশে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করে, যা তলব করা হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মোতায়েন হতে সক্ষম। সেনাবাহিনীর ব্রিগেডের বিভিন্ন দলের মধ্যে আইআরএফ-এর এই দায়িত্ব পর্যায়ক্রমে বদল হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল। ওই দিন থেকেই পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। এভাবেই টানা ২৬তম দিন গড়িয়েছে যুদ্ধ। ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এতে সারাবিশ্বে জ্বালানির বাজারে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। গ্তকাল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও সংগ্রাম সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার আগ্রহ থেকেই রাষ্ট্রদূত এই পরিদর্শন করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডরস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন’-এর আর্থিক সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহায়তা করেছে।

২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা

২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা দেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ শহীদ ও আহতদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণসহ সংশ্লিষ্টদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর মঙ্গলবার প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। সভায় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই ১৮০ দিনের কর্মসূচি, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা খাতে আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) প্রদান, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কুরআনদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও জোর দেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। জাতীয়করণকৃত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সি শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। একই সাথে খুব দ্রুততম সময়ে সারা দেশে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি, এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা এবং স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকদের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভায় গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা’দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এছাড়া, ২ লাখ  শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শিক্ষামন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ কর্মসূচি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য।’ সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বিশ্বব্যাংকের লাল তালিকায় বাংলাদেশ

খাদ্য মূল্যস্ফীতিতে বিশ্বব্যাংকের লাল তালিকায় বাংলাদেশ বাংলাদেশে খাদ্য মূল্যস্ফীতি নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির কারণে বিশ্বব্যাংকের ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর ‘লাল তালিকায়’ রয়েছে বাংলাদেশ। দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্যদ্রব্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় এর প্রভাব ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। বিশ্বব্যাংক গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত বৈশ্বিক খাদ্য মূল্যস্ফীতির চিত্র তুলে ধরলেও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দেশের খাদ্য মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯.৩০ শতাংশ, যা গত ১৩ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে খাদ্য মূল্যস্ফীতি ছিল ১০.৭২ শতাংশ। এরপর কিছুটা কমে এলেও সাম্প্রতিক পাঁচ মাস ধরে আবারও ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। একই সময়ে খাদ্যবহির্ভূত খাতেও মূল্যস্ফীতি কম নয়; ফেব্রুয়ারি মাসে এ খাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯.১ শতাংশ। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই প্রবণতা দেশের নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সবচেয়ে বেশি চাপ সৃষ্টি করছে। কারণ এসব শ্রেণির মানুষের আয়ের বড় অংশই ব্যয় হয় খাদ্যের পেছনে। অনেক ক্ষেত্রে তাদের মোট আয়ের দুই-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত খাবার কিনতেই চলে যায়। ফলে খাদ্যের দাম সামান্য বাড়লেও তাদের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। সহজভাবে বললে, এক বছর আগে যে পরিমাণ খাবার কিনতে ১০০ টাকা খরচ হতো, এখন একই পরিমাণ খাবার কিনতে খরচ হচ্ছে ১০৯ টাকা ৩০ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকায় খরচ বেড়েছে ৯ টাকা ৩০ পয়সা। এই বাড়তি খরচ সামাল দিতে গিয়ে অনেক পরিবারকে হয় ঋণের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে, না হয় খাবারের তালিকা ছোট করতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মূল্যস্ফীতি অনেকটা অদৃশ্য করের মতো কাজ করে। আয় স্থির থাকলেও ব্যয় বেড়ে গেলে মানুষের প্রকৃত ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতি বজায় থাকলে তা দারিদ্র্য বাড়াতে এবং পুষ্টিহীনতার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশে গত তিন বছরের বেশি সময় ধরে খাদ্য মূল্যস্ফীতি তুলনামূলক বেশি পর্যায়ে রয়েছে। এত দীর্ঘ সময় ধরে এমন পরিস্থিতি অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। এর ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের ভোগান্তি দীর্ঘস্থায়ী আকার নিয়েছে। বিশ্বব্যাংকের শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, উচ্চ খাদ্য মূল্যস্ফীতির দেশগুলোকে বিভিন্ন রঙে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে ‘বেগুনি’ শ্রেণি সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং ‘লাল’ শ্রেণি উচ্চঝুঁকির নির্দেশক। বাংলাদেশ বর্তমানে এই লাল তালিকায় অবস্থান করছে, যা পরিস্থিতির গুরুতর দিকটি তুলে ধরে। একই সময়ে বিশ্বের কয়েকটি দেশ আরো খারাপ অবস্থায় রয়েছে। মালাউয়ি টানা ৯ মাস ধরে বেগুনি শ্রেণিতে রয়েছে। ইরান ও জাম্বিয়া আট মাস এবং তুরস্ক ও আর্জেন্টিনা সাত মাস ধরে এই উচ্চঝুঁকির তালিকায় অবস্থান করছে। অন্যদিকে কিছু দেশ পরিস্থিতির উন্নতি ঘটিয়ে লাল বা বেগুনি থেকে হলুদ কিংবা সবুজ তালিকায় উঠতে সক্ষম হয়েছে। সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, খাদ্য মূল্যস্ফীতির এই ঊর্ধ্বগতি শুধু অর্থনীতির একটি সূচক নয়, বরং এটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। আয় না বাড়লেও ব্যয় বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষকে ক্রমেই কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যকর নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

স্বাধীনতা দিবসের স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাধীনতা দিবসের স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ১০ টাকা মূল্যমানের একটি স্মারক ডাকটিকেট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে তিনি ১০ টাকা মূল্যমানের একটি উদ্বোধনী খাম, ৫ টাকা মূল্যমানের একটি ডাটাকার্ড ও একটি বিশেষ সিলমোহর উদ্বোধন করেন। এসময় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। আজ সকাল সাড়ে ৯টায় রাজধানীর বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এগুলো অবমুক্ত করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্মারক ডাকটিকেট ও উদ্বোধনী খামে বিশেষ সিলমোহর ব্যবহার করে এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবমুক্ত করা এই স্মারক ডাকটিকেট, উদ্বোধনী খাম ও ডাটাকার্ড আজ (বুধবার) ঢাকা জিপিওর ফিলাটেলিক ব্যুরো থেকে বিক্রি করা হবে। পরবর্তীতে দেশের অন্যান্য জিপিও এবং প্রধান ডাকঘরগুলো থেকেও ডাকটিকেট সংগ্রাহক ও সাধারণ গ্রাহকরা এগুলো সংগ্রহ করতে পারবেন।

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস

বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনতে সুইজারল্যান্ডের সহযোগিতার আশ্বাস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি সাক্ষাৎ করেছেন। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে দুই দেশের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ইস্যু, সন্ত্রাসবাদ দমন, সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা, পুলিশসহ বিভিন্ন খাতে সংস্কার, আর্থিক খাতের সংস্কার, মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ, স্ক্যাম ও ডিজিটাল প্রতারণা দমন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা, পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রদূতকে স্বাগত জানান। এসময় রাষ্ট্রদূত নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন। সরকার প্রকৃত সংসদীয় গণতন্ত্রের চর্চা নিশ্চিত করতে চায়। দেশের সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ আয়োজনসহ গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, তবে তা যেন জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করে সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি অতীতের শাসনামলের সমালোচনা করে বলেন, সে সময় রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে পুলিশকে ব্যবহার করা হয়েছে, যা দুঃখজনক। রাষ্ট্রদূত রেটো রেংগলি পুলিশ বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও সংস্কারে সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে কারিগরি ও কৌশলগত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি বর্তমান সরকারের সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে চান এবং কার্যকর সংসদ পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক অঙ্গনে শান্তিপূর্ণ বিতর্ক ও আলোচনা গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। সম্প্রতি অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত ১৬-১৭ মার্চের ‘গ্লোবাল ফ্রড সামিট ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রতারণার প্রায় ৪০ শতাংশই ডিজিটাল স্ক্যামের মাধ্যমে সংঘটিত হচ্ছে। এটি একটি বৈশ্বিক সংকট এবং আন্তঃদেশীয় সহযোগিতা ছাড়া এ সমস্যা মোকাবিলা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রদূতও ডিজিটাল প্রতারণাকে উদ্বেগজনক উল্লেখ করে আন্তর্জাতিক সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন। বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, দেশে চরমপন্থা বা উগ্রবাদ সীমিত পরিসরে থাকলেও তা কখনোই সন্ত্রাসবাদে রূপ নেয়নি। সন্ত্রাসবাদ দমনে পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছে। আর্থিক খাতের সংস্কার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনে সংস্কার অপরিহার্য। রাষ্ট্রদূত একমত পোষণ করে বলেন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা যেকোনো দেশের উন্নয়নের অন্যতম প্রধান শর্ত। তিনি মানি লন্ডারিংয়ের মাধ্যমে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনা এবং সামগ্রিক সংস্কার কার্যক্রমে সহযোগিতা বাড়ানোর আশ্বাস দেন। বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান এবং সুইজারল্যান্ড দূতাবাসের কাউন্সেলর আলবার্তো জিওভানেত্তিসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ বিষয়ক দপ্তর (ইউএনওডিসি)-এর দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক পরিচালক ক্রিস্টিয়ান হোলজ পৃথক বৈঠকে মিলিত হন।

সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী নির্দেশনা সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরী নির্দেশনা সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সারা দেশে শহর ও গ্রাম অঞ্চলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে দিক-নির্দেশনা প্রদানের লক্ষ্যে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়কে আহ্বায়ক করে এ কমিটি গঠন করা হয়। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে দেওয়া সিনিয়র সহকারী সচিব মুহাম্মদ হেলাল চোঁধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গঠিত কমিটির কার্যপরিধি অনুযায়ী ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিতকরণ এবং বছরব্যাপী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এতে আরো বলা হয়, বিষয়টি অতীব জরুরী। এমতাবস্থায়, আপনার অধীন সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিম্নোক্ত নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো : ক) ঈদ উল ফিতর ২০২৬ এর ছুটি শেষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পূর্বে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে হবে। খ) প্রতিদিন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য নিয়মিত তদারকি জোরদার করতে হবে। গ) প্রতি সপ্তাহে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করতে হবে। ঘ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ ও বাগান পরিচর্যা নিশ্চিত করতে হবে। ঙ) শিক্ষার্থীদের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবেলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে এই সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সকাল ৯টা ২ মিনিটে সচিবালয়ে আসেন এবং তার কিছু দাপ্তরিক কাজ সারেন। এরপর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে স্মারক ডাক টিকিট উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নিজ দপ্তরে তিনি ‘জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয়’ নিয়ে সভায় সভাপতিত্ব করেন।