২০ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হলো রাজস্থান রয়্যালস

২০ হাজার কোটি টাকায় বিক্রি হলো রাজস্থান রয়্যালস ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন দল রাজস্থান রয়্যালস বিক্রি হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবসায়ী কাল সোমানির নেতৃত্বাধীন একটি কনসোর্টিয়াম দলটির শতভাগ মালিকানা অধিগ্রহণ করেছে। এই চুক্তির আর্থিক মূল্য প্রায় ১৬৩ কোটি মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। গত বছর আইপিএল শেষ হওয়ার পরই বর্তমান মালিকপক্ষ দল বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয় এবং সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়। একাধিক আগ্রহী পক্ষ থাকলেও শেষ পর্যন্ত সোমানির নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের সঙ্গেই চুক্তি চূড়ান্ত করা হয়। এই কনসোর্টিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুই প্রভাবশালী ব্যবসায়ী রব ওয়ালটন এবং হ্যাম্প পরিবার রয়েছে। বর্তমানে রাজস্থান রয়্যালসের ৬৫ শতাংশ মালিকানা রয়েছে ইমার্জিং মিডিয়া স্পোর্টিং হোল্ডিংস লিমিটেডের কাছে, যার নেতৃত্বে আছেন মনোজ বাদালে। এছাড়া অংশীদার হিসেবে রয়েছে রেডবার্ড ক্যাপিটাল পার্টনার্স (১৫ শতাংশ) এবং ল্যাচলান মার্ডক (১৩ শতাংশ শেয়ার)। এদিকে ব্ল্যাকস্টোনের একটি তহবিল আইপিএলে বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানা গেছে। তারা সরাসরি কোনো দল কিনতে না চাইলেও রাজস্থান রয়্যালস অথবা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে।
যুদ্ধে স্থগিত হওয়া এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ হবে জেদ্দায়

যুদ্ধে স্থগিত হওয়া এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচ হবে জেদ্দায় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক সংঘাতের প্রভাবে স্থগিত হওয়া এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এলিটের চারটি ম্যাচের ভেন্যু পরিবর্তন করা হয়েছে। ম্যাচগুলো আগামী মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় এক লেগে অনুষ্ঠিত হবে।গতকাল এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) নতুন সূচি ঘোষণা করে এ তথ্য জানায়। গত মাসের শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এর জবাবে ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। দুই পক্ষের মধ্যে চলমান সংঘাতের কারণে টুর্নামেন্টের সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। মূলত শেষ ষোলোর ম্যাচগুলো মার্চের প্রথম দুই সপ্তাহে কাতার, ইরান, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে আয়োজনের কথা ছিল। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে সেগুলো স্থগিত করে এএফসি। নতুন সূচি অনুযায়ী, শিরোপাধারী আল-আহলি মুখোমুখি হবে কাতারের আল-দুহাইলের। চারবারের চ্যাম্পিয়ন আল-হিলাল খেলবে আল-সাদের বিপক্ষে। এছাড়া আরব আমিরাতের শাবাব আল-আহলি খেলবে ইরানের ট্রাক্টর এফসির বিপক্ষে এবং আল-ওয়াহদা লড়বে সৌদি প্রো লিগ চ্যাম্পিয়ন আল-ইত্তিহাদের সঙ্গে। আগামী ১৩ ও ১৪ এপ্রিল শেষ ষোলোর ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে। একই ভেন্যু জেদ্দায় ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল কোয়ার্টার-ফাইনাল, সেমি-ফাইনাল ও ফাইনাল আয়োজন করা হবে। এদিকে, শেষ আটের ড্র আগামী বুধবার মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
২৮ বছর বয়সেই আরসিবির চেয়ারম্যান আর্যমান বিরলা

২৮ বছর বয়সেই আরসিবির চেয়ারম্যান আর্যমান বিরলা আইপিএলের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু বড় অঙ্কের চুক্তিতে মালিকানা বদল হয়েছে। ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের একটি কনসোর্টিয়াম দলটি কিনে নিয়েছে। নতুন মালিকানা পাওয়ার পর আলোচনায় উঠে এসেছে একটি নাম-আর্যমান বিরলা। মাত্র ২৮ বছর বয়সেই তিনি হচ্ছেন আরসিবির নতুন চেয়ারম্যান। দলের বর্তমান মালিক ইউনাইটেড স্পিরিটস লিমিটেড মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই কনসোর্টিয়ামে রয়েছে আদিত্য বিরলা গ্রুপ, ব্ল্যাকস্টোনের প্রাইভেট ইকুইটি ইউনিট, ডেভিড ব্লিটজারের বোল্ট ভেঞ্চারস এবং টাইমস অব ইন্ডিয়া গ্রুপ। প্রায় ১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই চুক্তি এখনো অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই নতুন মালিকপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব নেবে। একই সঙ্গে ঘোষণা করা হয়েছে, দলের চেয়ারম্যান হচ্ছেন আদিত্য বিরলা গোষ্ঠীর তরুণ পরিচালক আর্যমান বিরলা। আর্যমান বিরলা ভারতের প্রভাবশালী শিল্পপতি কুমার মাঙ্গালাম বিরলার ছেলে। তবে তিনি শুধু ব্যবসায়ী পরিবারের উত্তরাধিকারী নন, এক সময় ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্নও দেখেছিলেন। ১৭ বছর বয়সে তিনি মুম্বাই ছেড়ে মধ্যপ্রদেশে গিয়ে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলেন। ইংল্যান্ডেও ক্লাব ক্রিকেটে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। ২০১৭ সালে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফিতে খেলেন আর্যমান। তার আগে সি কে নাইডু ট্রফিতে দারুণ পারফরম করে নজর কাড়েন। সেই আসরে তিনি ৬০২ রান করেছিলেন এবং তিনটি শতক করেছিলেন। পরে রঞ্জি ট্রফিতেও শতকের দেখা পান। সেই সময় তার সতীর্থ ছিলেন বর্তমান বেঙ্গালুরু অধিনায়ক রজত পাতিদার ও অলরাউন্ডার ভেঙ্কটেশ আইয়ার। ২০১৮ সালে রাজস্থান তাকে দলে নিলেও ম্যাচ খেলার সুযোগ পাননি। ২০১৯ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে তিনি ক্রিকেট থেকে বিরতি নেন। সে সময় তিনি মানসিক চাপের কারণে খেলা থেকে দূরে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছিলেন। ক্রিকেট ছেড়ে তিনি পুরোপুরি ব্যবসায় মন দেন। বর্তমানে তিনি আদিত্য বিরলা গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে কাজ করছেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেছেন এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে ব্যবসা প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এছাড়া বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও উচ্চতর ডিগ্রি রয়েছে তার। দীর্ঘদিন পর আবার ক্রিকেটের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন আর্যমান, তবে এবার মাঠে নয়, নেতৃত্বের ভূমিকায়। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “বেঙ্গালুরুর ভবিষ্যৎ গড়ার এই যাত্রায় যুক্ত হতে পেরে আমি গর্বিত। আমরা মাঠে ও মাঠের বাইরে সমর্থকদের জন্য নতুন কিছু করতে চাই।”
মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে সম্পত্তির দাম কমছে দুবাইয়ে

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে সম্পত্তির দাম কমছে দুবাইয়ে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। এই যুদ্ধ তিন সপ্তাহ পেরিয়ে চার সপ্তাহে পড়েছে। এ কারণে ইউএইর বাণিজ্যিক কেন্দ্র দুবাইয়ের ‘নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে গড়ে ওঠা ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে দুবাইয়ে প্রোপার্ট মার্কেট বা সম্পত্তির বাজারে লেনদেনের পরিমাণ দ্রুত কমছে। ইতোমধ্যে কিছু আবাসন এজেন্ট দাম কমানোর ইঙ্গিত দিচ্ছেন। এদিকে আবাসন কোম্পানিগুলোর শেয়ারের দামও কমেছে। বুর্জ খলিফার নির্মাতা ইমার প্রোপার্টিজের শেয়ার যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দুবাই শেয়ারবাজারে ২৬ শতাংশের বেশি কমেছে। চলতি সপ্তাহে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকসের বিশ্লেষকদের এক নোট অনুযায়ী, চলতি মার্চের প্রথম ১২ দিনে ইউএইর আবাসন খাতে লেনদেনের পরিমাণ গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৭ শতাংশ কমেছে। একইভাবে গত মাসের (ফেব্রুয়ারি) একই সময়ের তুলনায় লেনদেন পরিমাণ ৪৯ শতাংশ কম। ইতিমধ্যে ইউএইর কিছু সম্পত্তি বড় ছাড়ে বিক্রির প্রস্তাব দেওয়া হচ্ছে। রিয়েল এস্টেট এজেন্টদের তথ্য ও রয়টার্সের পর্যালোচনা করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বার্তা অনুযায়ী, সম্পত্তির দাম কোথাও কোথাও ১২-১৫ শতাংশ পর্যন্ত কমানো হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রিয়েল এস্টেট খাতের উত্থান দুবাইয়ের অর্থনৈতিক উত্থানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলেছে। তবে টানা পাঁচ বছর দাম বাড়ার পর বাজারে মন্দার আশঙ্কা আগে থেকেই ছিল। বর্তমান সংঘাত এই বাজারের জন্য এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে দেখা দিচ্ছে। করমুক্ত নীতির কারণে ধনী অভিবাসীদের ঢলই এত দিন চাহিদা বাড়িয়ে রেখেছিল। সিটি ব্যাংকের বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই যুদ্ধ দুবাইয়ে ভবিষ্যৎ জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রত্যাশায় ‘উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি’ তৈরি করেছে। এতে বাড়ির ক্রেতা ও সম্পত্তি বিনিয়োগকারীরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি বন্ধসহ ৫ শর্ত ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটি বন্ধসহ ৫ শর্ত ইরানের ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে পাঁচটি শর্ত দিয়েছে ইরান। সোমবার হিব্রু গণমাধ্যম জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারির শেষভাগ থেকে চলমান যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে সম্মত হওয়ার জন্য ইরান পাঁচটি শর্ত দিয়েছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত পরোক্ষ আলোচনার অংশ হিসেবে এই সংঘাত নিরসনে ইরান কিছু কঠোর আনুষ্ঠানিক দাবি তুলে ধরেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথম শর্ত হিসেবে ইরান চেয়েছে ভবিষ্যতে আর যেন যুদ্ধ শুরু না হয়-এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট নিশ্চয়তা দিতে হবে। দ্বিতীয়ত, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গঠনের দাবি জানিয়েছে তেহরান। ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ওই এলাকার নিয়ন্ত্রণ কার্যত তাদের হাতেই থাকতে হবে। তৃতীয় শর্ত হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছে ইরান। তাদের মতে, এসব ঘাঁটি থেকেই অঞ্চলজুড়ে উত্তেজনা বাড়ছে। চতুর্থ শর্তে যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে তেহরান। ইরানি কর্মকর্তাদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক হামলায় দেশের অবকাঠামো ও অর্থনীতির বড় ক্ষতি হয়েছে, তাই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পঞ্চম শর্ত হিসেবে ইরান অভিযোগ করেছে, কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক প্রচার চালাচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচারিক ব্যবস্থা নেওয়া বা তাদের হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে দেশটি। এর আগে সোমবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ওয়াশিংটন বেশ কিছুদিন ধরে ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে তেহরান আলোচনায় বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে উত্তেজনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। এরপর থেকে ইরান ও তাদের মিত্রদের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি হামলা চলছেই।
৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার

৪র্থ বারের মতো ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জির সরকার পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি মেয়াদে ক্ষমতায় আসতে পারে মমতা ব্যানার্জি-এর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ২৯৪ আসনের মধ্যে দলটি ১৮৪–১৯৪টি আসন পেতে পারে বলে একটি জনমত জরিপে আভাস মিলেছে। সর্বভারতীয় গণমাধ্যম CNN-News18-এ প্রকাশিত ‘ভোট-ভাইব’ জরিপ অনুযায়ী, প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) পেতে পারে ৯৮–১০৮টি আসন। ফলে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তারা অনেকটাই পিছিয়ে থাকবে। জরিপে আরও বলা হয়েছে, ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস এবং বামফ্রন্ট-সহ অন্যান্য দল মিলিয়ে পেতে পারে মাত্র ১-৩টি আসন। ভোটের হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেস পেতে পারে ৪১.৯ শতাংশ এবং বিজেপি ৩৪.৯ শতাংশ ভোট। জরিপে বলা হচ্ছে, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের প্রবণতারই প্রতিফলন ঘটতে পারে এবারের বিধানসভা ভোটে। সম্প্রদায়ভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মুসলিম ভোটারদের মধ্যে তৃণমূলের শক্ত অবস্থান বজায় রয়েছে—৫৭.৬ শতাংশ তাদের সমর্থন করছে। অন্যদিকে তফসিলি উপজাতিদের মধ্যে বিজেপির সমর্থন ৫১ শতাংশ। তফসিলি জাতি ও দলিত ভোটারদের মধ্যে কিছুটা বিভাজন থাকলেও ৪৩ শতাংশ বিজেপি এবং ৩৯.৫ শতাংশ তৃণমূলকে সমর্থন করছে। মুখ্যমন্ত্রী পদের পছন্দের তালিকাতেও এগিয়ে রয়েছেন মমতা ব্যানার্জি—৪৮.৫ শতাংশ সমর্থন নিয়ে শীর্ষে। তাঁর পরে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (৩৩.৪ শতাংশ)। এছাড়া মোহাম্মদ সেলিম পেয়েছেন ৪.৩ শতাংশ এবং অধীর রঞ্জন চৌধুরী পেয়েছেন ৩.৭ শতাংশ সমর্থন। জরিপে উঠে এসেছে, এবারের নির্বাচনের অন্যতম প্রধান ইস্যু বেকারত্ব—৩৭.২ শতাংশ উত্তরদাতা এটিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া আইন-শৃঙ্খলা, নারী নিরাপত্তা, মূল্যবৃদ্ধি ও দুর্নীতিও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে। একই সঙ্গে জরিপে বলা হয়েছে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণও প্রভাব ফেলতে পারে নির্বাচনে। বিশেষ করে ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ (এজেইউপি) এবং অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (এআইএমআইএম)-এর জোট তৃণমূলের ভোটব্যাংকে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জরিপ অনুযায়ী, বর্তমান সরকারের কাজকে ৪৩.৩ শতাংশ মানুষ ‘ভালো’ বা ‘খুব ভালো’ বললেও ৩৮.৯ শতাংশ একে ‘খারাপ’ বা ‘খুব খারাপ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন। এতে বোঝা যায়, সরকারের প্রতি সমর্থনের পাশাপাশি কিছুটা অসন্তোষও রয়েছে। অন্যদিকে বিজেপির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উঠে এসেছে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, নেতৃত্বের অভাব, দুর্বল সংগঠন ও জনসংযোগের ঘাটতি। উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ১৫২ আসনে এবং দ্বিতীয় দফায় ২৯ এপ্রিল ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গণনা হবে ৪ মে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়িয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস, জনসমর্থন নেমেছে ৩৬ শতাংশে ইরানের বিরুদ্ধে শুরু করা যুদ্ধের জেরে ও জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি আমেরিকানদের কাছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় বড় ধরনের ধস নেমেছে। রয়টার্স/ইপসোস এর সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্পের জনসমর্থন এখন সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সোমবার শেষ হওয়া চার দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ আমেরিকান ট্রাম্পের কর্মদক্ষতার ওপর আস্থা রেখেছেন। গত সপ্তাহে রয়টার্স/ইপসোস-এর জরিপে এই হার ছিল ৪০ শতাংশ। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান ও ইসরায়েলের সমন্বিত হামলার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশের অর্থনীতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকানদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। জরিপে অংশ নেওয়া মাত্র ২৫ শতাংশ মানুষ জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের পদক্ষেপকে সমর্থন করেছেন; অথচ ২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারণায় এই বিষয়টিই ছিল তার অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি। দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় ট্রাম্পের ওপর আস্থা রেখেছেন মাত্র ২৯ শতাংশ মানুষ। এটি ট্রাম্পের দুই মেয়াদের রাষ্ট্রপতিত্বের মধ্যে সর্বনিম্ন রেটিং। এমনকি তার পূর্বসূরি ডেমোক্র্যাট জো বাইডেনের সর্বনিম্ন অর্থনৈতিক রেটিংয়ের চেয়েও এটি কম। প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনগুলোতে ট্রাম্পের সামগ্রিক জনসমর্থন ছিল ৪৭ শতাংশ এবং গত বছরের গ্রীষ্মকাল থেকে এটি মূলত ৪০ শতাংশের আশপাশে ছিল। বর্তমান রেটিং তার প্রথম মেয়াদের সর্বনিম্ন রেটিং (৩৩ শতাংশ) এবং জো বাইডেনের সর্বনিম্ন রেটিংয়ের (৩৫ শতাংশ) চেয়ে কিছুটা উপরে। ক্ষমতায় আসার আগে ট্রাম্প ‘বোকামিপূর্ণ যুদ্ধ’ এড়িয়ে চলার প্রতিশ্রুতি দিলেও ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি পাল্টে দিচ্ছে। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৫ শতাংশ আমেরিকান ইরানের ওপর হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন, যা গত সপ্তাহে ছিল ৩৭ শতাংশ। অন্যদিকে, ৬১ শতাংশ মানুষ এই হামলার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন, গত সপ্তাহে যা ছিল ৫৯ শতাংশ।
মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে ১০০০ প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে যুক্তরাষ্ট্র ইরান যুদ্ধে উত্তেজনার বৃদ্ধির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে এক হাজার প্যারাট্রুপার মোতায়েন করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের মতে, মার্কিন সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় এক হাজার সৈন্য আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা হবে। এর ফলে ওই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি আরও বাড়বে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসন বলছে- তারা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে আলোচনা করছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই দলে ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল ব্র্যান্ডন টেগটমায়ার এবং ডিভিশন স্টাফ অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও রয়েছে ১ম ব্রিগেড কমব্যাট টিমের একটি ব্যাটালিয়ন, যা বর্তমানে ডিভিশনের ইমিডিয়েট রেসপন্স ফোর্স (আইআরএফ) হিসেবে কাজ করছে। বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত একটি সূত্র জানিয়েছে, ডিভিশন স্টাফ এবং ব্যাটালিয়নের প্রাথমিক অংশ এক সপ্তাহের মধ্যে মোতায়েন শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে; ব্রিগেডের অন্যান্য অংশও পরবর্তীতে মোতায়েন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও পরিস্থিতির অগ্রগতির সাথে সাথে এই প্রত্যাশাগুলো পরিবর্তিত হতে পারে। সূত্রটি জানিয়েছে, ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যের ‘প্রস্তুত ইউনিট’ হিসেবে কাজ করবে। যেকোনও সময় প্রয়োজনে তাদের তলব করা হবে। ২০২০ সালে ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার পর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল। আইআরএফ হলো এমন একটি ব্রিগেড, যা স্বল্প সময়ের নোটিশে স্থানান্তরের জন্য প্রস্তুত থাকে এবং একটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া বাহিনী হিসেবে কাজ করে, যা তলব করা হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মোতায়েন হতে সক্ষম। সেনাবাহিনীর ব্রিগেডের বিভিন্ন দলের মধ্যে আইআরএফ-এর এই দায়িত্ব পর্যায়ক্রমে বদল হয়। উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের ওপর যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল। ওই দিন থেকেই পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। এভাবেই টানা ২৬তম দিন গড়িয়েছে যুদ্ধ। ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে অবস্থিত বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনায় অনবরত হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। এতে অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। সেই সঙ্গে বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটি হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে তেহরান। এতে সারাবিশ্বে জ্বালানির বাজারে চরম অস্থিরতা শুরু হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত

মুক্তিযুদ্ধ-জুলাই স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করেছেন। গ্তকাল ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তায় উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস ও সংগ্রাম সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার আগ্রহ থেকেই রাষ্ট্রদূত এই পরিদর্শন করেন। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ‘অ্যাম্বাসেডরস ফান্ড ফর কালচারাল প্রিজারভেশন’-এর আর্থিক সহায়তায় মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহ্য সংরক্ষণে সহায়তা করেছে।
২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা

২ লাখ শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস-কেডস বিতরণের ঘোষণা দেশের শিক্ষা খাতের আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৮০ দিনের বিশেষ অগ্রাধিকার কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এই কর্মসূচির আওতায় ‘জুলাই বিপ্লবে’ শহীদ ও আহতদের সন্তানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতকরণসহ সংশ্লিষ্টদের একগুচ্ছ নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর মঙ্গলবার প্রথম কর্মদিবসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় সভায় তিনি এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন। সভায় তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য বাস্তবায়নে এই ১৮০ দিনের কর্মসূচি, ২০২৬-২০২৭ অর্থ বছরের পরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের শিক্ষা খাতের উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। সভায় শিক্ষামন্ত্রী সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, শিক্ষা খাতে আধুনিকায়ন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, বাধ্যতামূলক তৃতীয় ভাষা শিক্ষা, সবার জন্য কারিগরি শিক্ষা এবং ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়াও বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও জুতা (কেডস) প্রদান, বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য শিক্ষার্থী ঋণ সুবিধা এবং হাফেজে কুরআনদের সম্মান ও স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়েও জোর দেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক প্রশিক্ষণের জট দূর করতে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। প্রয়োজনে একাধিক শিফটে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে দ্রুত সব শিক্ষকের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথা বলেন তিনি। জাতীয়করণকৃত ৫০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সি শিক্ষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনার নির্দেশনা দেন। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস বিতরণ করা হবে। একই সাথে খুব দ্রুততম সময়ে সারা দেশে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস ও কেডস প্রাথমিকের সকল শিক্ষার্থীকে দেয়া হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়। পাশাপাশি, এক বছরের মধ্যে প্রাথমিক, কারিগরি, মাদ্রাসা এবং স্কুল-কলেজের সকল শিক্ষকদের হাতে ট্যাব সরবরাহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সভায় গণঅভ্যুত্থান ও ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের সন্তান এবং আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারী ‘জুলাই শিক্ষার্থী যোদ্ধা’দের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। এছাড়া, ২ লাখ শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে উপজেলা পর্যায়ে গণিত অলিম্পিয়াড চালু এবং প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও বিতর্ক ক্লাব গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। শিক্ষামন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। এ কর্মসূচি দেশের মানুষের কল্যাণে এবং তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়ন করাই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের লক্ষ্য।’ সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।