বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল ফিলিপাইন

বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল ফিলিপাইন এশিয়ান কাপ প্লে-অফে উজবেকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে আগামী বছরের ব্রাজিল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ফিলিপাইন নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে তারা। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে অ্যাঞ্জেলা বিয়ার্ডের ভলিতে এগিয়ে যায় ফিলিপাইন। এরপর জ্যাকলিন সাওয়িকির হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়, যা শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে। এটি ফিলিপাইনের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো নারী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। এর আগে এশিয়ান কাপের সেমিফাইনালে ওঠার সুবাদে অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। আরো একটি স্থান নির্ধারণ হবে একই দিনে অনুষ্ঠিত অন্য প্লে-অফ ম্যাচে, যেখানে মুখোমুখি হবে উত্তর কোরিয়া ও তাইওয়ান। যদিও হেরে গেছে, তবু উজবেকিস্তানের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে। আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের মাধ্যমে আরো দুটি দল বিশ্বকাপে জায়গা পাবে, যেখানে তারা অংশ নিতে পারবে। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ৪০তম স্থানে থাকা ফিলিপাইন সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ উন্নতি করেছে অস্ট্রেলিয়ান কোচ মার্ক টরকাসোর অধীনে। গত বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জয়ের মাধ্যমে তাদের এই উত্থান আরো দৃশ্যমান হয়। ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেয় ফিলিপাইন। সেখানে একটি ম্যাচ জিতলেও দুটি হেরে গ্রুপের তলানিতে শেষ করেছিল দলটি। এদিকে, এশিয়ান কাপের ফাইনালে শনিবার মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।

ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে মুখ খুললেন ফিফা প্রেসিডেন্ট

ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিয়ে মুখ খুললেন ফিফা প্রেসিডেন্ট এশিয়ান কাপ প্লে-অফে উজবেকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে আগামী বছরের ব্রাজিল বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে ফিলিপাইন নারী ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্টে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে জয় নিশ্চিত করে তারা। ম্যাচের ৪৭তম মিনিটে অ্যাঞ্জেলা বিয়ার্ডের ভলিতে এগিয়ে যায় ফিলিপাইন। এরপর জ্যাকলিন সাওয়িকির হেডে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়, যা শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে। এটি ফিলিপাইনের ইতিহাসে দ্বিতীয়বারের মতো নারী বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ। এর আগে এশিয়ান কাপের সেমিফাইনালে ওঠার সুবাদে অস্ট্রেলিয়া, চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া ইতিমধ্যে ব্রাজিল বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করেছে। আরো একটি স্থান নির্ধারণ হবে একই দিনে অনুষ্ঠিত অন্য প্লে-অফ ম্যাচে, যেখানে মুখোমুখি হবে উত্তর কোরিয়া ও তাইওয়ান। যদিও হেরে গেছে, তবু উজবেকিস্তানের সামনে এখনো সুযোগ রয়েছে। আন্তঃমহাদেশীয় প্লে-অফের মাধ্যমে আরো দুটি দল বিশ্বকাপে জায়গা পাবে, যেখানে তারা অংশ নিতে পারবে। বিশ্ব র‍্যাংকিংয়ে ৪০তম স্থানে থাকা ফিলিপাইন সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ উন্নতি করেছে অস্ট্রেলিয়ান কোচ মার্ক টরকাসোর অধীনে। গত বছর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ান গেমসে স্বর্ণ জয়ের মাধ্যমে তাদের এই উত্থান আরো দৃশ্যমান হয়। ২০২৩ সালে অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে যৌথভাবে আয়োজিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নেয় ফিলিপাইন। সেখানে একটি ম্যাচ জিতলেও দুটি হেরে গ্রুপের তলানিতে শেষ করেছিল দলটি।এদিকে, এশিয়ান কাপের ফাইনালে শনিবার মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।

সিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দল ঘোষণা, ফিরলেন কারা

সিঙ্গাপুর-ভিয়েতনাম ম্যাচের দল ঘোষণা, ফিরলেন কারা সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামের বিপক্ষে আসন্ন ম্যাচকে সামনে রেখে ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। ঘোষিত দলে নতুন কোনো মুখ না থাকলেও দলে ফিরেছেন কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার, যা দলকে বাড়তি শক্তি জোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরেছেন ডিফেন্ডার বিশ্বনাথ ঘোষ। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ভুটানের বিপক্ষে দেশের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি। এরপর চোটের কারণে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে ছিলেন। প্রায় দেড় বছর পর আবারও জাতীয় দলে জায়গা করে নিলেন বসুন্ধরা কিংসের এই নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার। এ ছাড়া স্কোয়াডে ফিরেছেন ফাহমিদুল ইসলাম, আরমান ফয়সাল ও মিরাজুল ইসলাম। তারা কেউই সর্বশেষ গত নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে দলে ছিলেন না। মিরাজুল ইসলামের অভিষেক হয়েছিল ২০২৪ সালে ভুটানের বিপক্ষে, সেটিই এখন পর্যন্ত তার শেষ আন্তর্জাতিক ম্যাচ। অন্যদিকে আরমান ফয়সাল সর্বশেষ খেলেছেন গত বছরের এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে হংকংয়ের বিপক্ষে। একই ম্যাচে মাঠে ছিলেন ফাহমিদুল ইসলামও, তবে কার্ডজনিত নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতের বিপক্ষে ঘরের ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি।বাংলাদেশ স্কোয়াড : গোলকিপার : মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান ডিফেন্ডার : তারিক কাজী, রহমত মিয়া, শাকিল আহাদ, আবদুল্লাহ ওমর, জায়ান আহমেদ, বিশ্বনাথ ঘোষ, সাদ উদ্দিন মিডফিল্ডার : কাজেম শাহ, শেখ মোরছালিন, জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, শমিত সোম, হামজা চৌধুরী ফরোয়ার্ড : আরমান ফয়সাল, সুমন রেজা, শাহরিয়ার ইমন, ফয়সাল আহমেদ, ফাহমিদুল ইসলাম, মিরাজুল ইসলাম আগামী ২৬ মার্চ ভিয়েতনামের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে হাভিয়ের কাবরেরার শিষ্যরা। এরপর ৩১ মার্চ এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে সিঙ্গাপুরের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে আজ রাতেই দলের ভিয়েতনামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এশিয়ান কাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ আগেই শেষ হয়ে গেছে বাংলাদেশের। বাছাইপর্বে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে একটি জয় পেয়েছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা, যা এসেছে গত নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে। অন্য ম্যাচগুলোতে দুই ড্র ও দুই হারে মোট ৫ পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে দলটি।

শেষ সময়ে ছিটকে গেলেন সোহেল, আরো বাদ পড়লেন যারা

শেষ সময়ে ছিটকে গেলেন সোহেল, আরো বাদ পড়লেন যারা ভিয়েতনাম সফরের ঠিক আগ মুহূর্তে বড় ধাক্কা খেল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। নিয়মিত একাদশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সোহেল রানা জুনিয়র শেষ মুহূর্তে ইনজুরির কারণে দল থেকে ছিটকে গেছেন। আজ (শুক্রবার) রাতে ভিয়েতনামের উদ্দেশে দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে দলের। তার আগে ২৮ সদস্যের প্রাথমিক স্কোয়াড থেকে ২২ জনের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছেন কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা। তবে এই ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমক হয়ে এসেছে সোহেল রানার বাদ পড়া। দলের পরিকল্পনায় থাকা এই মিডফিল্ডার গতকাল অনুশীলনের সময় চোট পান। প্রথমে তাকে নিয়ে শঙ্কা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ভিয়েতনাম সফরের দল থেকে তাকে বাদ দিতে বাধ্য হন কোচ। এতে দলের মাঝমাঠে কিছুটা ভারসাম্যহীনতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। অন্যদিকে, ব্রাদার্স ইউনিয়নের গোলরক্ষক ইসহাক আকন্দের বাদ পড়া ছিল অনেকটাই প্রত্যাশিত। তবে অনেকদিন পর দলে ফেরা মিডফিল্ডার মানিকের আবারও বাদ পড়া হতাশার। মাত্র চার দিনের ব্যবধানে জাতীয় দল থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে তাকে। এছাড়াও ডিফেন্ডার ইসা ফয়সাল, শাকিল হোসেন ও রফিকও জায়গা করে নিতে পারেননি চূড়ান্ত স্কোয়াডে। এক সময় কোচ ক্যাবরেরার আস্থার জায়গায় থাকা ইসা ফয়সাল সাম্প্রতিক সময়ে নিয়মিত ডাক পেলেও চূড়ান্ত দলে সুযোগ পাচ্ছেন না। সাধারণত আন্তর্জাতিক সফরে ২৩ সদস্যের দল নেওয়া হলেও এবার ২২ জন ফুটবলার নিয়েই ভিয়েতনামে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইংল্যান্ডে খেলা হামজা চৌধুরী সরাসরি রবিববার দলের সঙ্গে যোগ দেবেন।

বিশেষ বিমানে বাহরাইন থেকে ফিরছেন ২৮২ বাংলাদেশি

বিশেষ বিমানে বাহরাইন থেকে ফিরছেন ২৮২ বাংলাদেশি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাহরাইন থে‌কে দেশে ফিরছেন ২৮২ বাংলাদেশি। শুক্রবার (২০ মার্চ) বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তারা বাহরাইন থেকে দাম্মাম হয়ে ঢাকায় ফিরবেন। মানামার বাংলাদেশ দূতাবাস জানায়, বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে গালফ এয়ারলাইনসের একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইট আজ সকাল ৯টায় ২৮২ জন যাত্রী নিয়ে বাহরাইন থেকে দাম্মাম হয়ে ঢাকা যাত্রা করে। এই বিশেষ ফ্লাইটের যাত্রী বাহরাইন প্রবাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার উদ্দেশ্যে গোল্ডেন টিউলিপ হোটেলে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার উপস্থিত হয়ে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি যাত্রীদের যাত্রার আগে শুভ কামনা জানান এবং গালফ এয়ারলাইনসের কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।

৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, কবলে পড়তে পারেন নৌপথের যাত্রীরা

৮০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস, কবলে পড়তে পারেন নৌপথের যাত্রীরা ঈদযাত্রায় দক্ষিণাঞ্চলের লঞ্চযাত্রীরা আজ কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়তে পারেন। আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ আজ দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা যাচ্ছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত নোঙ্গর করে ঝড় শেষ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। ফেসবুক পোস্টে পলাশ জানান, আজ শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যেসব জাহাজ পথে থাকবে সেসব জাহাজ শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়তে যাচ্ছে। বিষয়টি শতভাগ নিশ্চিত বলে দাবি করেছেন তিনি। এই ঝড়ের প্রভাবে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে জানিয়েছে তিনি বলেন, বিশেষ করে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে যে সকল জাহাজ এই মুহুর্তে চলাচল করছে সেগুলো প্রচণ্ড ঝুঁকিতে রয়েছে। সম্ভব হলে দ্রুত জাহাজগুলোকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নোঙ্গর করে ঝড় শেষ হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার জন্য পরামর্শ দেওয়া যাচ্ছে। মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, কালবৈশাখী ঝড় একটি স্বল্পস্থায়ী কিন্তু উচ্চঝুঁকিপূর্ণ আবহাওয়া ঘটনা। সতর্কতা অবলম্বন করলেই নৌ-দুর্ঘটনা ও প্রাণহানী এড়ানো সম্ভব। কালবৈশাখী ঝড় বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি।

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করুক।’ আজ শুক্রবার দুপুরে এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ঈদুল ফিতর মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের একটি।মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও সংযমের পর পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জীবনে আনন্দ, শান্তি, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে। পবিত্র রমজান মাস সংযম, ত্যাগ, খিদমত ও আত্মশুদ্ধির অনন্য শিক্ষা দেয়। এই এক মাসের সাধনা আমাদের আত্মসংযমী হতে এবং অন্যের কষ্ট অনুভব করতে শেখায়। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার মনোভাব জাগ্রত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রমজানের শিক্ষা ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রজীবনে প্রতিফলিত করাই ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য। ঈদ আমাদের ধনী-গরিব, ছোট-বড় সব ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানায়। এই আনন্দের দিনে আমরা যেন সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়াই এবং সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই—এটাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।’ তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদুল ফিতর আমাদের জাতীয় ঐক্য, পারস্পরিক সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করুক, এই প্রত্যাশা করি। ’ তিনি সবাইকে ঈদের মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।  তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মহান আল্লাহ তাআলার দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ, রহমত ও বরকত আমাদের সবার জীবনে বর্ষিত করেন। মহান আল্লাহ আমাদের দেশ ও জাতিকে শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং সমগ্র মুসলিম উম্মাহর কল্যাণ নিশ্চিত করেন।’

জ্বালানি ব্যয় মেটাতে ২০০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার

জ্বালানি ব্যয় মেটাতে ২০০ কোটি ডলার ঋণ নিচ্ছে সরকার আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে জ্বালানির আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) ডলার ঋণ সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার (২০ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।  প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ঋণের মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চলমান ঋণ কর্মসূচির আওয়াতায় ১৩০ কোটি (১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) ডলার এবং বাকি ৭০ কোটি  ডলার এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) থেকে পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। সরকার বহুপক্ষীয় ঋণদাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে জুনের মধ্যে এই অর্থ সংগ্রহ করতে চায় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে। তবে সরকারিভাবে এই ঋণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘আমরা দাতা সংস্থাগুলোর কাছ থেকে তুলনামূলক কিছুটা কম সুদের হার নিয়ে আলোচনা করছি। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সঙ্গে আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে, ফলে আমরা নিশ্চিতভাবেই সেই ঋণ পেতে যাচ্ছি। একইভাবে আইএমএফ থেকেও পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বহুপক্ষীয় সংস্থাগুলোর কাছ থেকে এই ঋণ পাওয়া গেলে তা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করবে এবং জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার সম্ভাবনা কমাবে।