প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ : মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ, এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ : মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ বলে বর্ণনা করেছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। আজ সকালে নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে প্রধানমন্ত্রীর ২৮ পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন মাহদী আমিন। স্ট্যাটাসে মাহদী আমিন লিখেছেন, আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন। এখানে ২৮ দিনে নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হলো, যা সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে। সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা ১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি–৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ। ২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানি–৪৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানি পাচ্ছেন। ৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ–নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার। ৪. প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থা–দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক যাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ। কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি ৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ–প্রায় ২৭০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা। ৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি–২০০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন ৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময়–প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন; কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। ৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস–প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত। ৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত–উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। ১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল–শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে। অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা ১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা–রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়। ১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ–১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া। ১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ–সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ। ১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু–পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি। ১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি–স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু। শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন ১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল–প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল; লটারির পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত। ১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা–রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি। ১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ–৯০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার। ১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি–শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত; নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু। স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ ২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র–স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু; ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী। ২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান–সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম। আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা–গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস–সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ। রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ ২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়–সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি; অপচয় রোধে ইফতার সীমিত। ২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ–কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ। ২৬. শহীদ সেনা দিবস–২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ। ২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল–উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ। ২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট–ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন। সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্খাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রা নতুন প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে, ইনশাআল্লাহ।

ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি

ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : আইজিপি ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে সরাসরি পুলিশকে জানানোর পরামর্শ দিয়ে আইজিপি আলী হোসেন ফকির বলেছেন, ঈদযাত্রায় বেশি ভাড়া নিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া ঈদকে ঘিরে কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলেও জানান আইজি। আজ সকালে গাবতলী বাসটার্মিনাল পরিদর্শনে এসে এ কথা বলেন তিনি। আলী হোসেন জানান, ঈদে মহাসড়কে মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হয়। যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং এবং অযাচিত কারণে যানজট রুখতে ট্রাফিক বিভাগকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন অতিরিক্ত যানজট তৈরি না হয়। লোকাল পর্যায়েও যানজট নিরসনে কাজ করছে পুলিশ। যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং এবং যাত্রী নামানোর কারণে যানজট বাড়ে জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে সচেতন থাকলে ঈদযাত্রা আরও ভালো হবে।

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির বিয়ে?

দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠির বিয়ে? ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী আনুশকা শেঠি। বহু বছর ধরে তার বিয়ে নিয়ে নানা জল্পনা চাউর হয়েছে। যদিও তার কোনোটিই বাস্তবে রূপ নেয়নি। ফের বিয়ে নিয়ে নতুন করে খবরের শিরোনাম হলেন ৪৪ বছরের আনুশকা। ভক্ত-অনুরাগীদের পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনেও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। সিয়াসাত ডটকম এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন ‘বাহুবলি’ তারকা আনুশকা শেঠি। এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার কথা ভাবছেন এই অভিনেত্রী। এই ব্যবসায়ী অভিনেত্রীর পরিবারের পরিচিত। এখন দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ে নিয়ে আলোচনা চলছে। দুজনের সম্মতিতেই বিয়ে ঠিক হতে পারে। একটি সূত্র সংবাদমাধ্যমটিকে বলেন, “পাত্র প্রতিষ্ঠিত একজন ব্যবসায়ী। আনুশকা শেঠির পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। বিয়ের দিন-তারিখ চূড়ান্ত হলে, ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। দুই পরিবারের সদস্য ও চলচ্চিত্র জগতের কয়েকজন বন্ধু উপস্থিত থাকবেন।” আনুশকা শেঠি বরবরই তার ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রেখেছেন। প্রেম-বিয়ে নিয়ে নানা সময়ে নানা কথা সামনে এলেও খুব কমই এসব বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। ফলে তার বিয়ে নিয়ে নতুন কোনো খবর এলেই মানুষের কৌতূহল বেড়ে যায়। এবারো তার ব্যতিক্রম নয়। তবে এখনো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটে আছেন আনুশকা। বলে রাখা ভালো, বহুল আলোচিত ‘বাহুবলি’ সিনেমায় অমরেন্দ্র বাহুবলি ও দেবসেনা চরিত্র রূপায়ন করেন অভিনেতা প্রভাস ও আনুশকা শেঠি। পর্দায় এ জুটির রসায়ন ভক্তদের মনে এতটাই দাগ কাটে যে, বাস্তব জীবনেও তাদের জুটি হিসেবে ভেবে নেন তারা। ‘বাহুবলি-টু’ মুক্তির পর প্রভাস ও আনুশকার প্রেম ও বিয়ে নিয়ে নানা গুঞ্জন চাউর হতে থাকে। তাছাড়া দুজনই এখনো অবিবাহিত। দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে চলতে থাকে নানা জল্পনা-কল্পনা। যদিও পরবর্তীতে দুজনই এই গুঞ্জন অস্বীকার করেন। আনুশকা শেঠি এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন—“আমি প্রভাসকে ১৫ বছর ধরে চিনি। সে আমার এমন বন্ধু যাকে রাত ৩টা সময়ও ফোন কল করতে পারি।” আনুশকা শেঠি অভিনীত সবশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘ঘাটি’। গত বছরের ৫ সেপ্টেম্বর মুক্তি পায় এটি। বর্তমানে তার হাতে মালায়ালাম ভাষার ‘কাঠানার’ সিনেমার কাজ রয়েছে। এখন সিনেমাটির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি বছরে মুক্তি পাবে এটি।

আজ থেকে ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু

আজ থেকে ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু পবিত্র ঈদুল ফিতরের টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু হয়েছে আজ থেকে । গতকাল ছিল ঈদুল ফিতরের আগে শেষ কর্মদিবস। এরপরই বিকেল থেকে সড়কে মানুষের ঢল নামে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২১ মার্চ শনিবার দেশে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। সম্ভাব্য এই তারিখ ধরে আগেই পাঁচ দিনের ছুটির তারিখ নির্ধারণ করে রেখেছিল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সে অনুযায়ী ১৯ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। এর মধ্যে ২১ মার্চ ঈদুল ফিতরের দিন সাধারণ ছুটি। এ ছাড়া ঈদের আগে ১৯ ও ২০ মার্চ এবং ঈদের পরে ২২ ও ২৩ মার্চ নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারণ করা ছিল। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পূর্বঘোষিত ছুটির পাশাপাশি ১৮ মার্চও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা করে সরকার। আর ১৭ মার্চ শবে কদরের ছুটি মিলিয়ে টানা সাত দিনের ছুটি পেয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। এর আগে, ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি কমাতে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার দাবি ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ মার্চ ছুটি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। পরে ৮ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওই দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপনও জারি করে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যবণ্টন (কার্যপ্রণালী বিধিমালা, ১৯৯৬)-এর তফসিল অনুযায়ী জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্ষমতাবলে ১৮ মার্চ ছুটি নির্বাহী আদেশে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জরুরি সেবাগুলো এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসা সেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহনও এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোও খোলা থাকবে।

সফলতার জন্য কী করবেন?

সফলতার জন্য কী করবেন? সাফল্য হলো নিজেকে ভেতর থেকে সমৃদ্ধ করা, কেবল সম্পদ বা খ্যাতি দ্বারা এটি সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। সাফল্য অর্জনের জন্য যৌক্তিক চিন্তাভাবনা এবং মানসিক বুদ্ধিমত্তার মিশ্রণ প্রয়োজন, যা আমাদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে এবং গঠনমূলকভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম করে। অধ্যবসায় এবং ধৈর্য হলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গুণাবলী, কারণ অর্থপূর্ণ সাফল্য অনিবার্য বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা এবং স্থিতিস্থাপকতার মাধ্যমে তৈরি হয়। সাফল্য কী? এটি কি একটি অর্জন? নাকি সম্পদ? সম্ভবত স্বীকৃতি? ঠিক আছে, সাফল্যকে সংজ্ঞায়িত করা সত্যিই সহজ নয়। কারও কারও কাছে এর অর্থ তাদের লক্ষ্যে পৌঁছানো হতে পারে। অন্যদের কাছে এটি ব্যক্তিগত সন্তুষ্টি বা অভ্যন্তরীণ শান্তি। সংজ্ঞা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। সময় এবং অভিজ্ঞতার সঙ্গে এটি বিকশিত হতে পারে, এমনকি অগ্রাধিকারের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে। এর অর্থ যাই হোক না কেন, আমরা সবাই সাফল্যের পেছনে ছুটছি। অতএব, সাফল্য বোঝার জন্য খ্যাতি, মর্যাদা বা সম্পদের প্রচলিত ধারণার বাইরে তাকাতে হবে। এখানে কিছু মূল নীতি রয়েছে যা আপনার মনে রাখা উচিত। সাফল্য একটি ব্যক্তিগত যাত্রা সাফল্যের কোনো সার্বজনীন সংজ্ঞা নেই। আপনি যাকে সাফল্য বলে মনে করেন তা অন্য কারও কাছে একই অর্থ বহন করতে পারে না। শুধু তাই নয়, আপনি আজ যা সাফল্য বলে ধরে নিচ্ছেন তা আগামীকাল একই রকম না-ও লাগতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শিক্ষাগত বা ক্যারিয়ারের অর্জন জীবনের প্রথম দিকে সাফল্যের মতো মনে হতে পারে। পরে এটি ব্যক্তিগত শান্তি, মানসিক স্থিতিশীলতা এবং একটি নিরাপদ সহায়তা ব্যবস্থা থাকার দিকে স্থানান্তরিত হতে পারে। সাফল্যের এই দিকটি বোঝা সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। যুক্তি এবং আবেগের মধ্যে ভারসাম্য সাফল্য অর্জনের জন্য, আপনার যৌক্তিক চিন্তাভাবনা এবং মানসিক সচেতনতা উভয়েরই প্রয়োজন। সমস্যা বিশ্লেষণ, তথ্যবহুল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং কার্যকর কৌশল বিকাশের ক্ষেত্রে যৌক্তিক বুদ্ধিমত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্লেষণাত্মক চিন্তাভাবনা এবং সুষ্ঠু বিচারের প্রয়োজন এমন পেশাদার ক্ষেত্রগুলোতে এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। তবে, আবেগগত বুদ্ধিমত্তাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শক্তিশালী মানসিক বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন ব্যক্তিরা চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে, কার্যকরভাবে যোগাযোগ করতে এবং পরিপক্কতার সঙ্গে দ্বন্দ্ব নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সাফল্য অর্জনের জন্য যুক্তি এবং আবেগ উভয়কেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স বেশিরভাগ সময় মানুষকে তাদের আবেগ দমন করতে শেখানো হয়। তবে আবেগ উপেক্ষা করলে সমস্যা দূর হয় না। প্রকৃতপক্ষে, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স মানুষকে নেতিবাচক অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং আবেগপ্রবণ প্রতিক্রিয়া দেখানোর পরিবর্তে চিন্তাভাবনা করে প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম করে। অধ্যবসায় এবং অধ্যবসায় আপনি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিন বা বিষয়বস্তু তৈরিতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হন, অধ্যবসায় গুরুত্বপূর্ণ। মনে রাখবেন, রোম একদিনে তৈরি হয়নি। অর্থপূর্ণ কিছু অর্জনের জন্য সর্বদা প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আপনাকে প্রতি মুহূর্তে সচেতন হতে হবে। বাধা এবং বিপত্তি যাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ, তবে আপনাকে মনোনিবেশ করতে হবে। ধৈর্য আপনার যাত্রায় দেখা প্রতিটি ব্যক্তি কেন সফল হয় না তা ভেবে দেখেছেন? ধারাবাহিকতার মতো ধৈর্যও জরুরি। আপনার হয়তো উচ্চাকাঙ্ক্ষা এবং কঠোর পরিশ্রম করার ইচ্ছা থাকতে পারে, কিন্তু ধৈর্যের ক্ষেত্রে যদি আপনি ব্যর্থ হন, তাহলে তা ফলপ্রসূ হবে না। আপনি হয়তো সব প্রচেষ্টা দিয়ে জয়ী হবেন না, আর ঠিক এই কারণেই ধৈর্য গুরুত্বপূর্ণ।

গানের কথায় অশ্লীলতা, বিতর্কে নোরা-সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও

গানের কথায় অশ্লীলতা, বিতর্কে নোরা-সঞ্জয়ের মিউজিক ভিডিও আসন্ন বলিউড সিনেমার একটি গানে চরম অশ্লীল কথা থাকায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন নির্মাতা ও সংশ্লিষ্টরা। সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি অভিনীত এই সিনেমার ‘সারকে চুনার তেরি সারকে’ শিরোনামের গানটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন নেটিজেনরা। সাধারণ শ্রোতাদের পাশাপাশি ভারতের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও পরিচালক আরমান মালিকও গানটির কুরুচিপূর্ণ কথা নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন। সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া এই গানটিতে ‘পহেলে উঠালে, আন্দার ভো ডালে’- এর মতো চরম আপত্তিকর কথা ব্যবহার করা হয়েছে। গানটি প্রকাশের পরপরই তা ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের বড় অংশ লিরিকের ধরনে বিরক্ত। বর্তমান সময়ে এমন নিম্নমানের ও অশ্লীল ভাষার গান কেন তৈরি করা হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সামাজিক মাধ্যমে গানটি নিষিদ্ধ করারও দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। এই বিতর্কে যোগ দিয়ে সংগীতশিল্পী আরমান মালিক রীতিমতো হতবাক। লিখেছেন, আমি সত্যিই ভাষা হারিয়ে ফেলছি। আমি কি ঠিক শুনছি! নিশ্চিত হওয়ার জন্য গানটি আরও একবার শুনতে বাধ্য হয়েছিলাম। আরমানের এই প্রতিক্রিয়া গানটির বিরুদ্ধে চলা জনমতকে আরও জোরালো করেছে। যদিও ভিডিওতে নোরার নাচের দক্ষতার প্রশংসা করেছেন তার ভক্তরা, তবে মূলধারার সংগীতে এমন ‘অশ্লীলতা’ মেনে নিতে পারছেন না অধিকাংশ নেটিজেন। তাদের মতে, বিনোদনের নামে এমন কুরুচিপূর্ণ বিষয়বস্তু সুস্থ সংস্কৃতির পরিপন্থী।

অস্কারের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে নেই ধর্মেন্দ্রর নাম, ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বললেন হেমা মালিনী

অস্কারের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে নেই ধর্মেন্দ্রর নাম, ‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বললেন হেমা মালিনী ৯৮তম একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) ‘ইন মেমোরিয়াম’ বিভাগে প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর নাম না থাকায় বলিউড ও ভারতের সাংস্কৃতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। লস অ্যাঞ্জেলেসের ডলবি থিয়েটারে অনুষ্ঠিত এই জমকালো আয়োজনে রবার্ট রেডফোর্ড, রব রেইনার এবং ডায়ান কিটনদের মতো বিশ্ববরেণ্য তারকাদের শ্রদ্ধা জানানো হলেও, ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে রুপালি পর্দা কাঁপানো ধর্মেন্দ্রকে বাদ দেওয়ায় ক্ষোভ ঝরেছে সহকর্মী ও স্বজনদের কণ্ঠে। অভিনেতার স্ত্রী ও প্রবীণ অভিনেত্রী হেমা মালিনী এই ঘটনাকে ‌‘অত্যন্ত লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আক্ষেপ করে জানান, অস্কার কর্তৃপক্ষ এমন একজন অভিনেতাকে উপেক্ষা করেছে যাকে বিশ্বের বহু প্রান্তের মানুষ চেনেন ও ভালোবাসেন। হেমা আরও যোগ করেন যে, ধর্মেন্দ্র জীবদ্দশাতেও খুব বেশি পুরস্কার পাননি, তবে তাতে তার কিছু যায় আসে না, কারণ ভারতের মানুষের ভালোবাসাই তাদের কাছে সব থেকে বড় প্রাপ্তি। একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ধর্মেন্দ্রর দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও প্রবীণ তারকা শত্রুঘ্ন সিনহা। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, দিলীপ কুমার বা লতা মঙ্গেশকরের মতো কিংবদন্তিদের পর এখন ধর্মেন্দ্রকে সম্মান না দেওয়াটা অস্কার কর্তৃপক্ষের জন্যই লজ্জার বিষয়। তার মতে, পশ্চিমের স্বীকৃতি না পেলেও এই শিল্পীরা এ দেশের মানুষের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবেন। অন্যদিকে ধর্মেন্দ্রর মেয়ে এশা দেওল কিছুটা নমনীয় সুরে বলেন, স্বীকৃতি বা মর্যাদার চেয়ে মানুষের ভালোবাসা ও দয়ালু হিসেবে পরিচিতি পাওয়াটাই তার বাবার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, তাই এই বিচ্যুতি তাকে খুব একটা বিচলিত করত না। উল্লেখ্য, অস্কারের মঞ্চে ভারতীয় গুণীজনদের এভাবে অবহেলার ঘটনা এটিই প্রথম নয়। এর আগেও লতা মঙ্গেশকর ও দিলীপ কুমারের মতো বিশ্বনন্দিত শিল্পীদের নাম এই শ্রদ্ধাঞ্জলি বিভাগে না থাকায় ব্যাপক সমালোচনা হয়েছিল। সেই সময় অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত এই ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণের প্রতিবাদে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে অস্কারের মতো অনুষ্ঠান বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এবারের ঘটনাটি সেই পুরোনো বিতর্ককে আবারও উসকে দিল, যেখানে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিদের যথাযথ মূল্যায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ উৎসব 

তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ উৎসব  ঈদ উৎসব ঘিরে বিনোদনের পসরা সাজিয়েছে বিনোদনের প্ল্যাটফর্মগুলো। এর মধ্যে রেডিও ক্যাপিটালের ইউটিউব চ্যানেল ‘ক্যাপিটাল ড্রামা’ আনছে তিনটি নাটক—‘তোমাকে চাই’, ‘পি. ও বক্স ১৪৪’ ও ‘আপনজন’। তিনটি নাটকই নিবেদন করছে পোলার আইসক্রিম। তোমাকে চাই ঈদের দিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশিত হবে মাসরিকুল আলমের নাটক ‘তোমাকে চাই’। এতে অভিনয় করেছেন জিয়াউল ফারুক অপূর্ব, তানজিম সাইয়ারা তটিনী প্রমুখ। ক্যাপিটাল ড্রামা জানিয়েছে, এই ঈদে অপূর্ব অভিনীত নাটক এটিই। নাটকের গল্প সোহেলকে ঘিরে। খালার মতে সে পৃথিবীর সবচেয়ে বুদ্ধিমান ছেলে, আর খালুর মতে সে একেবারেই অকর্মা। খালার কথায় খালাতো বোন রিনাকে বিয়েতে রাজি করায় সোহেল। পরে রিনা জানায়, ছোটবেলা থেকেই সে সোহেলকে ভালোবাসে। রিনার বিয়ের আগের দিন সোহেল বুঝতে পারে সেও রিনাকে ভালোবাসে; কিন্তু পরিবারের সম্মানের কথা ভেবে সে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে জানা যায়, রিনাও বিয়ে ভাঙার পরিকল্পনা করে পালিয়ে যায়। অভিনেতা অপূর্ব বলেন, ‘নাটকটির গল্প ও চরিত্রগুলো আমার কাছে বেশ আলাদা লেগেছে। শুটিংয়ের সময় পুরো টিম খুব উপভোগ করে কাজ করেছি। আশা করি দর্শকরাও নাটকটি দেখে পছন্দ করবেন।’ আপনজন ঈদের তৃতীয় দিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রকাশিত হবে জাকারিয়া শৌখিন পরিচালিত নাটকটি। এতে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান, নাজনীন নাহার নীহা প্রমুখ। এই ঈদে শৌখিন পরিচালিত একমাত্র নাটক এটি। সবুজপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া আবিদ এসএসসি পর্যন্ত গ্রামেই পড়াশোনা করে। এরপর ঢাকা কলেজে এইচএসসি এবং পরে মালয়েশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনা করে। প্রায় ১০ বছর পর গ্রামে ফিরে সে। তার স্বপ্ন গ্রামে একটি অ্যাভোকাডো অ্যাগ্রো ফার্ম গড়ে তোলা। গ্রামে ঢুকেই লতার মারা একটি ক্রিকেট বল তার মাথায় পড়ে, আর সেখান থেকেই তাদের পরিচয় ও ধীরে ধীরে ভালোবাসার শুরু। কিন্তু দুই পরিবারের পুরনো শত্রুতার কারণে তারা নিজেদের সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চায়। নির্মাতা জাকারিয়া শৌখিন বলেন, ‘নাটকটি ঈদের আমেজ বাড়িয়ে দেবে। আপনজন নাটকটি আপনজনের সঙ্গে বসে দেখার মতো গল্প। পরিবার এবং প্রেম সমান্তরালভাবে এগিয়েছে।’ তিন নাটকে ক্যাপিটাল ড্রামার ঈদ পি. ও বক্স ১৪৪ ঈদ উৎসবেই আসবে শিহাব শাহীন পরিচালিত নাটকটি। তবে এখনও দিনক্ষণ চূড়ান্ত হয়নি। এতে অভিনয় করেছেন তৌসিফ মাহবুব, তানজিম সাইয়ারা তটিনী প্রমুখ। পত্র মিতালির মাধ্যমে অনামিকা ও মাসুদের পরিচয় হয়। চিঠির মাধ্যমে একে অপরের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে প্রেমে পড়ে। একসময় তারা ঠিক করে শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে দেখা করবে, কিন্তু দূর থেকে মাসুদকে দেখে পছন্দ না হওয়ায় অনামিকা সামনে না এসে ফিরে যায়। অনামিকার হয়ে মেয়েটি চিঠি লিখে দিত, অনামিকা তাকে বলে, চাইলে সে চিঠি লেখা চালিয়ে যেতে পারে। এরপর মাসুদের সঙ্গে চিঠির আদান-প্রদান চলতে থাকে আসলে সে মেয়েটির সঙ্গেই, যে সত্যিকার অর্থে চিঠিগুলো লিখত। কিন্তু একসময় হঠাৎ করেই চিঠিগুলো ঠিকানায় পৌঁছানো বন্ধ হয়ে যায়।

ঈদের রাতে থাকছে বাহারি আয়োজনে বিটিভি’র ‘আনন্দমেলা’

ঈদের রাতে থাকছে বাহারি আয়োজনে বিটিভি’র ‘আনন্দমেলা’ ঈদ উপলক্ষে এবারও বর্ণাঢ্য আয়োজনে নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘আনন্দমেলা’। এবারের ‘আনন্দমেলা’ উপস্থাপনা করবেন জনপ্রিয় দুই তারকা মাসুমা রহমান নাবিলা ও ইরফান সাজ্জাদ। অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ থাকছে তারকাদের নৃত্য পরিবেশনা। এখানে নাচবেন পূজা চেরি, মেহজাবীন চৌধুরী, রিচি সোলায়মান, চাঁদনী ও আনিকা কবির শখ। আশির দশক থেকে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় সিনেমার গান ও লোকগানের সঙ্গে তাদের পরিবেশনা সাজানো হয়েছে বিশেষ কোরিওগ্রাফিতে। সঙ্গীত পরিবেশনায় থাকছেন কনকচাঁপা, মনির খান, রবি চৌধুরী, ন্যান্সি, নাসির এবং চিরকুট ব্যান্ড। এছাড়া অনুষ্ঠানে থাকবে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় আকর্ষণীয় অ্যাক্রোবেটিক শো। দর্শকদের হাসাতে থাকবেন কৌতুকশিল্পী আবু হেনা রনি। পাশাপাশি থাকবে যন্ত্রসঙ্গীতে রমজানের ঐ রোজার শেষে, বিশেষ জিঙ্গেল এবং নাটিকা। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন আফরোজা সুলতানা, হাসান রিয়াদ ও ইয়াসমিন আক্তার। নাচ, গান, কমেডি ও নানা আয়োজনে সাজানো এই বিশেষ ‘আনন্দমেলা’ অনুষ্ঠানটি ঈদের দিন রাত ১০টায় বিটিভির পর্দায় প্রচারিত হবে।

এপ্রিলে বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা

এপ্রিলে বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড-শ্রীলঙ্কা সাদা বলের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে আগামী এপ্রিলে বাংলাদেশে আসছে নিউজিল্যান্ড। সিরিজে ৩টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে দুদল। ঢাকা এবং চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের ম্যাচগুলো। একই সময়ে সাদা বলের সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে আসবে শ্রীলঙ্কার মহিলা দল। ১৬ মার্চ এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের নিউজিল্যান্ড সিরিজের সূচি চূড়ান্ত করেছে বিসিবি। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচ হবে ১৭ এপ্রিল মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে। একই ভেন্যুতে পরের ওয়ানডে ম্যাচটি হবে ২০ এপ্রিল। সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডে হবে চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। ওয়ানডে সিরিজের সবগুলো ম্যাচই শুরু হবে দুপুর দুইটায়। অন্যদিকে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচ ২৭ এপ্রিল হবে চট্টগ্রামে। একই ভেন্যুতে পরের ম্যাচ ২৯ এপ্রিল। মিরপুরে সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ২ মে। টি-টোয়েন্টি সিরিজের সব ম্যাচই হবে সন্ধ্যা ৬টায়। পূর্ণাঙ্গ এই সিরিজ খেলতে আগামী ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে এসে পৌঁছাবে নিউজিল্যান্ড দল। দ্বিতীয় ওয়ানডের পর ২১ এপ্রিল ঢাকা ছেড়ে চট্টগ্রামে যাবে দুদল। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টির পর ৩০ এপ্রিল সেখান থেকে ঢাকায় ফিরবে দুদল। এদিকে শ্রীলঙ্কা মহিলা দল ১৭ এপ্রিল তিনটি ওয়ানডে এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচের জন্য সাদা বলের সফরে বাংলাদেশে আসবে। ২০, ২২ এবং ২৫ এপ্রিল রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়ামে ওয়ানডে সিরিজটি অনুষ্ঠিত হবে। ওয়ানডে পর্বের পর, উভয় দলই টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য সিলেটে যাবে, যার ম্যাচগুলি ২৮ এপ্রিল, ৩০ এপ্রিল এবং ২ মে অনুষ্ঠিত হবে। শ্রীলঙ্কা মহিলা দলের সাথে থাকবেন বাংলাদেশের সাবেক কোচ জেমি সিডন্স, যিনি বর্তমানে তাদের প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।