রোজায় পানিশূন্যতার ভয়? যেভাবে সুস্থ থাকবেন

রোজায় পানিশূন্যতার ভয়? যেভাবে সুস্থ থাকবেন রোজায় হাইড্রেটেড থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রমজান মাসে বেশিরভাগ রোজাদারের ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের খাবার বা পানি গ্রহণ না করার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কিছুটা পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। তবে আপনি কিছু বিষয়ে সচেতন হলে রোজায় পানিশূন্যতা প্রতিরোধ করা সম্ভব। চলুন জেনে নেওয়া যাক, রমজানে পানিশূন্যতা রোধে কী করবেন- পর্যাপ্ত পানি পান করুন সেহরিতে কমপক্ষে ১-২ গ্লাস পানি পান করুন। কেবল ইফতারেই নয়, বরং রাতে যতটা সময় জেগে থাকবেন, কিছুক্ষণ পরপর পানি পান করুন। তবে খাবার খাওয়ার মধ্যে বা সঙ্গে সঙ্গে প্রচুর পানি পান করবেন না। এতে হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে। বরং খাবার খাওয়া ও পানি পানের মধ্যে অন্তত বিশ মিনিটের বিরতি রাখুন। যেসব খাবার বেশি খাবেন শসা, লেটুস এবং ফলের এর মতো পানি সমৃদ্ধ খাবার খান। অতিরিক্ত হাইড্রেশনের জন্য স্যুপ এবং মসুর ডাল জাতীয় খাবারও খেতে পারেন। এছাড়া বাড়িতে তৈরি স্বাস্থ্যকর শরবত, স্মুদি ইত্যাদিও খেতে পারেন। ডাবের পানি রাখতে পারেন ইফতারে। এতে শরীরে পানির ঘাটতি পূরণের পাশাপাশি আরও অনেক প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপদান পাওয়া যাবে। ডিহাইড্রেশনের কারণ এড়িয়ে চলুন কিছু খাবার শরীরে পানিশূন্যতার কারণ হতে পারে। সেগুলো খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। যেমন তরল খাবার হলেও চা, কোমল পানীয় কিংবা কফি রমজানে না খাওয়া কিংবা কম খাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো ক্যাফেইন সমৃদ্ধ। সেইসঙ্গে প্রস্রাবও বৃদ্ধি করে। প্রক্রিয়াজাত, ভাজা এবং অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার গ্রহণ কমিয়ে দিন, যা তৃষ্ণা জাগায়। হালকা গরম পানি পান করুন হালকা গরম পানি পান করার অনেক উপকারিতা রয়েছে। ইফতারে আপনার ঠান্ডা শরবত খেতে ইচ্ছা হতেই পারে, তবে শরীরের ভালো জন্য হালকা গরম পানিই বেছে নিন। এই পানি আপনাকে হজমে সাহায্য করবে এবং শরীরকে বরফ-ঠান্ডা পানির চেয়ে তরল পদার্থ ভালোভাবে শোষণ করতে সাহায্য করবে।

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী 

১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী  আগামী ১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ দুপুরে নারী ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন এ তথ্য জানান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের উপ-কমিটির একটি সভা হয়েছে এবং এখানে ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আপনারা জানেন, অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি উপকমিটি ছিল। মন্ত্রিপরিষদের সেই উপকমিটির সুপারিশের আলোকে আজ ফ্যামিলি কার্ড বিষয়ে পাইলটিংয়ের একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, আগামী ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ প্রকল্পের পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। এই কার্যক্রমের জন্য আমরা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিভাগের ১৪টি উপজেলাকে নির্ধারণ করেছি। এই ১৪টি উপজেলার প্রতিটি থেকে একটি করে ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে সর্বজনীনভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। ইনশাআল্লাহ, ১০ মার্চ একযোগে এই ১৪টি উপজেলায় কার্যক্রমটি শুরু হবে। এই প্রক্রিয়াটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পর্যায়ক্রমে তা সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে একটা সময়ে বাংলাদেশের যারা হতদরিদ্র, দরিদ্র এবং নিম্নবিত্ত এই তিন শ্রেণির সুবিধাভোগী আমাদের যে মা-বোন আছেন, তারাই এটার সুবিধা পাবেন। তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ও তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। একজন নারী স্বাবলম্বী হলে একটি পরিবার স্বাবলম্বী হয় এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মও স্বাবলম্বী হয়ে উঠবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের অন্যতম নির্বাচনী অঙ্গীকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রকল্পের ওপর কাজ করেছেন। আজ তার সভাপতিত্বে এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রকল্পটি অনুমোদিত হয়েছে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা প্রতি মাসে ইনশাআল্লাহ দুই হাজার পাঁচশত (২,৫০০) টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের রাজনৈতিক বা ধর্মীয় বৈষম্য করা হবে না। এটি একটি সর্বজনীন (ইউনিভার্সাল) কার্ড হবে এবং বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হচ্ছে। এ ব্যাপারে আমি আপনাদের সবার সহযোগিতা কামনা করছি। আপনাদের সহযোগিতায় আমরা আশা করছি যে, আগামী চার মাসের মধ্যে এই পাইলটিং কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হবে। পরবর্তীতে সারা বাংলাদেশে এটি ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণ করা হবে এবং প্রতিটি উপজেলা এর আওতায় আসবে। শুরুতে হয়ত পুরো উপজেলা একসঙ্গে কাভার করা সম্ভব হবে না; আমরা প্রথমে একটি ওয়ার্ড, তারপর একটি ইউনিয়ন—এভাবে পর্যায়ক্রমে পুরো উপজেলা এবং সবশেষে সারা বাংলাদেশে এই সেবা পৌঁছে দেব। তিনি আরও বলেন, সুবিধাভোগীদের সরাসরি বাছাই করা হচ্ছে না, বরং তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ঘরে ঘরে গিয়ে ‘ডোর টু ডোর’ পদ্ধতিতে এই তথ্য সংগ্রহ করা হবে। কোনো অবস্থাতেই ঘরে বসে তালিকা করা হবে না; সরাসরি মাঠ পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে এটি সম্পন্ন করা হবে এবং এতে কারো প্রতি বৈষম্য করা হবে না। এই সরকারি কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে উপজেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে শক্তিশালী কমিটি থাকবে। একইভাবে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়েও সরকারি কর্মচারীদের সমন্বয়ে পৃথক কমিটি গঠন করা হবে। প্রতিটি উপজেলার তদারকির দায়িত্বে থাকবেন একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা। তথ্যগত ভুলভ্রান্তি কমিয়ে আনতে এই প্রক্রিয়ায় দুই স্তরের ‘চেকিং ও রি-চেকিং’ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।

আগামীকাল প্রকাশ হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল

আগামীকাল প্রকাশ হচ্ছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল আগামীকাল দুপুর ১টায় প্রকাশ করা হবে। আজ দুপুরে ঢাকা পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক ও মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ঢাকার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার। তিনি জানান, ফল প্রকাশের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। আগামীকাল দুপুর ১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ফল প্রকাশ করবে। জানা গেছে, এ বছর মোট ৪৫ হাজার ২০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হবে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ—এই দুই ধরনের বৃত্তির জন্য কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোর্ডভিত্তিক আনুপাতিক হারে বৃত্তি বণ্টন করা হবে। পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়েও ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ বৃত্তির জন্য নির্দিষ্ট কোটা রাখা হয়েছে। নীতিমালা অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ বৃত্তি প্রদান করা হবে। গত বছরের ২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে একযোগে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নেয়। দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষার প্রথম দিন বাংলা, ২৯ ডিসেম্বর ইংরেজি এবং ৩০ ডিসেম্বর গণিত বিষয়ের পরীক্ষা নেওয়া হয়। তবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে ৩১ ডিসেম্বরের বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। পরে স্থগিত এই পরীক্ষা এবছরের ৬ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।

এবার  ঈদে রোম্যান্স নয়, চলবে প্রীতমের অ্যাকশন!

এবার  ঈদে রোম্যান্স নয়, চলবে প্রীতমের অ্যাকশন! জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী প্রীতম হাসান অভিনয় দিয়েও নিজেকে প্রমাণ করছেন বারবার। তবে এবার আর কোনো রোম্যান্টিক বা জীবনঘনিষ্ঠ চরিত্র নয়, এবার তাকে দেখা যাবে পুরো অ্যাকশন লুকে। আসন্ন ঈদে আসছে নির্মাতা শিহাব শাহীনের নতুন ওয়েব সিরিজ ‘ক্যাকটাস’, যেখানে একদমই নতুন অবতারে হাজির হচ্ছেন প্রীতম। আর এতে প্রথমবারের মতো প্রীতমের বিপরীতে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। নিজের নতুন কাজ প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত প্রীতম হাসান। বলেন, আগে দর্শক আমাকে যে ধরনের চরিত্রে দেখেছেন, ‘ক্যাকটাস’-এর চরিত্রটি তা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিস্তারিত এখনই বলা যাচ্ছে না, তবে সিরিজটিতে জেমস বন্ড বা ‘০০৭’-এর একটা ভাইব থাকবে। একটি সুন্দর গল্পের পাশাপাশি ভরপুর অ্যাকশন থাকছে এতে। মেহজাবীনের সঙ্গে প্রথমবার কাজ করা নিয়ে তিনি আরও বলেন, মেহজাবীন দারুণ অভিনয় করেন, সহশিল্পী হিসেবেও তিনি চমৎকার। নির্মাতা শিহাব শাহীন ভাই খুব যত্ন নিয়ে কাজটি করছেন। আমার বিশ্বাস, ঈদে প্রশংসিত কনটেন্টগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম হবে। শিহাব শাহীনের রচনা ও পরিচালনায় এই সিরিজের বেশিরভাগ অংশের শুটিং এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। ঢাকায় কয়েক দিনের কাজ বাকি থাকলেই পুরো প্রজেক্টটি সম্পন্ন হবে। এর আগে শিহাব শাহীনের ‘কাছের মানুষ দূরে থুইয়া’ দিয়ে প্রীতম বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন। এবারের ‘ক্যাকটাস’ সিরিজটিও ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পাবে। এতে আরও অভিনয় করছেন মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, সালাহউদ্দিন লাভলু, শাহাদাৎ হোসেন, নাজিবা বাশার ও সানজিদা তাসনিম।

আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি : মেহজাবীন

আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি : মেহজাবীন বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গতকাল দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী। জানালেন, তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে তিনি ইতোমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই। মেহজাবীন লেখেন, প্রথমত, উল্লিখিত কোন ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠেনা। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরুপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি। প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী উল্লেখ করেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে? ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। মেহজাবীন লেখেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এই সকল অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি, এই ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে সেই ব্যাপারে আমার কোনই সংশ্লিষ্টতা নেই।সাম্প্রতিক বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামী আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।

প্রশংসা কিংবা ট্রল আমাকে নাড়া দেয় না: সামান্থা

প্রশংসা কিংবা ট্রল আমাকে নাড়া দেয় না: সামান্থা ভারতের দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। দেড় দশকের অভিনয় ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন তিনি। তবে ‘পুষ্পা’ সিনেমার আইটেম গানে নেচে মাত করার ব্যাপারটি ছিল লক্ষ্যণীয়। ৩৮ বছরের সামান্থা খ্যাতি যেমন কুড়িয়েছেন, তেমনই অর্থ সম্পদেরও মালিক হয়েছেন। সামান্থার অগণিত ভক্ত-অনুরাগী রয়েছেন। কিন্তু একটি মুদ্রার দুটো পিঠ থাকে। একটি শ্রেণি তাকে যেমন ভালোবাসেন, তেমনই অন্যটি অপছন্দও করেন। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা সময়ে ট্রলের শিকার হন, নেতিবাচক মন্তব্যও জমা পড়ে কমেন্ট বক্সে। এ পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেন, তা নিয়ে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। সামান্থা রুথ প্রভু তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে নেটিজেনদের সঙ্গে একটি আড্ডায় অংশ নেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘আস্ক মি এনিথিং’ শিরোনামের সেশনে ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন। একজন ভক্ত তার কাছে জানতে চান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভালো ও খারাপ—দুই ধরনের মন্তব্য জমা পড়ে। এসব মন্তব্য পড়ে আপনার কেমন প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়? এ প্রশ্নের জবাবে সামান্থা রুথ প্রভু বলেন, “প্রশংসা কিংবা ট্রল কোনওটি আমাকে নাড়া দেয় না। কিন্তু আপনি যদি আমার ঘরে নেতিবাচকতা নিয়ে আসেন, তবে আমি আপনাকে ব্লক করব। যেমন- আমি আমার ব্যক্তিগত পরিসর পরিষ্কার রাখি, তেমনই এই পেজটাও পরিষ্কার রাখি। ব্লক হওয়া মানে এই নয় যে, আপনি আমাকে আক্রান্ত করেছেন। এর মানে আপনাকে এখানে স্বাগত জানাতে পারছি না।” নাগা চৈতন্যর সঙ্গে সংসার ভাঙার পর অনেক কঠিন সময় পার করেছেন সামান্থা। বিবাহবিচ্ছেদের মানসিক যন্ত্রণার মাঝে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তবে সব সংকট কাটিয়ে গত ১ ডিসেম্বর পরিচালক রাজ নিদিমোরুকে বিয়ে করেছেন এই অভিনেত্রী। নতুন সংসারে দারুণ সময় পার করছেন এই তারকা জুটি। সামান্থা রুথ প্রভু অভিনীত নতুন সিনেমা ‘মা ইন্তি বাঙ্গারাম’। তেলেগু ভাষার এ সিনেমা পরিচালনা করছেন নন্দিনী রেড্ডি। এ সিনেমায় দুই রূপে দেখা যাবে সামান্থাকে। একটি অ্যাকশনধর্মী, অন্যটি গৃহবধূর ভূমিকায়। প্রকাশিত টিজারে শাড়ি পরে দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে লড়াই করতে দেখা যায় সামান্থাকে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৫ মে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

বাফটা অ্যাওয়ার্ডস : এবার সেরার শিরোপা জিতলেন কারা?

বাফটা অ্যাওয়ার্ডস : এবার সেরার শিরোপা জিতলেন কারা? লন্ডনের রয়্যাল ফেস্টিভ্যাল হলে এক সন্ধ্যায় এমন এমন কিছু সিনেমা এবং অভিনেতা-অভিনেত্রীদের নাম শোনা গেল যা এক আসরকে করে তোলে আলো ঝলমলে। আসরটি ৭৯তম ব্রিটিশ একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন আর্টস (বাফটা) পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। ‘দ্য গার্ডিয়ান’ লিখেছে আসরে সবচেয়ে বেশি ছয়টি পুরস্কার জিতে সব আলো নিজের দিকে নিয়েছে ‘ওয়ান ব্যাটল আফটার অ্যানাদার’। সেরা সিনেমা, সেরা পরিচালক, সেরা সহ-অভিনেতা, সেরা চিত্রগ্রহণ, সেরা সম্পাদনা ও সেরা রূপান্তরিত চিত্রনাট্য শাখায় পুরস্কার জিতেছে পল টমাস অ্যান্ডারসনের এই সিনেমা। আর সহ-অভিনেতা শাখায় এই সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন শন পেন; যা এই অভিনেতার কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি। অস্কারে ১৬টি বিভাগে মনোনয়ন পেয়ে রেকর্ড গড়া আলোচিত সিনেমা ‘সিনার্স’ জিতেছে তিনটি পুরস্কার। রায়ান কুগলার পরিচালিত সিনেমাটি পেয়েছে সেরা মৌলিক চিত্রনাট্য, সহ-অভিনেত্রী ও মৌলিক সংগীতের পুরস্কার। এই পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে বাফটার ইতিহাসে মৌলিক চিত্রনাট্য বিভাগে প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ বিজয়ী হিসেবে নাম লেখালেন কুগলার। সহ-অভিনেত্রী বিভাগে এই সিনেমার জন্য পুরস্কার পেয়েছেন উনমি মোসাকু, আর সংগীতের পুরস্কার ঘরে তুলেছেন লুডভিগ গোরানসন। সেরা অভিনেতা বিভাগে প্রত্যাশা অনুযায়ী টিমোথি শ্যালামে বা লিওনার্ডো ডিক্যাপ্রিও ট্রফি জেতেননি। ‘আই সয়্যার’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতা হয়েছেন রবার্ট অ্যারামায়ো। ‘হ্যামনেট’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন জেসি বাকলি। একই সঙ্গে ‘হ্যামনেট’ সেরা ব্রিটিশ সিনেমার পুরস্কারও জিতে নিয়েছে। অন্য ভাষার সেরা চলচ্চিত্র হয়েছে নরওয়ের ‘সেন্টিমেন্টাল ভ্যালু’। সেরা প্রামাণ্যচিত্রের পুরস্কার পেয়েছে ‘মিস্টার নোবডি এগেইনস্ট পুতিন’। অ্যানিমেশন বিভাগে সেরা হয়েছে ‘জুটোপিয়া টু। ‘সেরা চিলড্রেন অ্যান্ড ফ্যামিলি ফিল্ম’ শাখায় সেরা হয়েছে ভারতের মণিপুরি ভাষার সিনেমা ‘বুং’। গিয়ের্মো দেল তোরোর ‘ফ্র্যাঙ্কেনস্টাইন’ কারিগরি শাখায় পেয়েছে তিনটি পুরস্কার। প্রোডাকশন ডিজাইন, রূপসজ্জা এবং কস্টিউম ডিজাইনে সেরা হয়েছে সিনেমাটি। সেরা ভিজ্যুয়াল এফেক্টস শাখায় পুরস্কার জিতেছে জেমস ক্যামেরনের ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’। এবারের আসর সঞ্চালনা করেন অ্যালান কামিং। তার রসিকতায় হাসির রোল যেমন উঠেছে তেমনি শিল্পীদের বক্তব্যে উঠে এসেছে সময়ের রাজনৈতিক উত্তাপ। তারা কথা বলেছেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও বৈচিত্র্য নিয়ে।

এভারটনকে হারিয়ে শীর্ষ চারে ম্যানইউ

এভারটনকে হারিয়ে শীর্ষ চারে ম্যানইউ এভারটনের মাঠে কঠিন লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত হাসলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। প্রিমিয়ার লিগে সোমবার এভারটনকে ১-০ গোলে হারিয়ে টেবিলের শীর্ষ চারে ওঠে গেছে রেড ডেভিলরা। এভারটনের মাঠ হিল ডিকিনসন স্টেডিয়ামে প্রথম হাফে বল নিজেদের দখলে রাখলেও, আক্রমণে তেমন গোছানো ছিল না ম্যানইউর। স্বাগতিক এভারটনও সুযোগ তৈরিতে ব্যর্থ হওয়ায় গোলশূন্যভাবেই শেষ হয় ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিট। বিরতির পর ম্যাচের গতি বাড়ে। আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। এই সময় তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক ছিল এভারটন। তবে সব পরিকল্পনায় ছেদ পড়ে ৭১তম মিনিটে। বদলি হিসেবে নামার মাত্র ১৩ মিনিটের মাথায় এক দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে জয়সূচক গোলটি করেন বেঞ্জামিন শেস্কো। এরপর দুই দলই কিছু চেষ্টা করলেও আর গোলের দেখা মেলেনি। প্রথম দেখায় ১-০ ব্যবধানে হারার প্রতিশোধটা এভাবেই সুদে-আসলে তুলে নিল ম্যানইউ।২৭ ম্যাচ শেষে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে লিগ টেবিলের চার নম্বরে উঠে এসেছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। সমান ম্যাচে ৩৭ পয়েন্ট নিয়ে নয় নম্বরে রয়েছে এভারটন। অন্যদিকে ২৮ ম্যাচে ৬১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষে অবস্থান করছে।

বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচিতে পরিবর্তন, নতুন ব্যাখ্যা আইসিসির

বিশ্বকাপের মাঝপথে সূচিতে পরিবর্তন, নতুন ব্যাখ্যা আইসিসির চলতি আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ঘিরে সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ব্যাখ্যায় জানানো হয়েছে, সহ–স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা সেমিফাইনালে উঠলে নির্দিষ্ট কিছু শর্তে নিজেদের মাঠেই খেলতে পারবে। তবে তা নির্ভর করছে প্রতিপক্ষ ও পাকিস্তানের ফলাফলের ওপর। সুপার এইটের লাইনআপ চূড়ান্ত হওয়ার পর অংশীজনদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় সেমিফাইনালের ভেন্যু–সংক্রান্ত বিষয় স্পষ্ট করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, প্রথম সেমিফাইনাল থাকবে ‘ফ্লোটিং’ অবস্থায়—ম্যাচটি হবে হয় কলম্বোতে, নয়তো কলকাতায়। বার্তায় আরও জানানো হয়েছে, পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠলে তারা ৪ মার্চ কলম্বোতে সেমিফাইনাল–১ খেলবে। পাকিস্তান শেষ চারে না উঠলেও শ্রীলঙ্কা উঠলে এবং তাদের প্রতিপক্ষ ভারত না হলে ম্যাচটি কলম্বোতেই হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) নিশ্চিত করেছে, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা, দুই দলই যদি সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সেমিফাইনাল–১ হবে কলকাতায় এবং সেমিফাইনাল–২ মুম্বাইয়ে। ভারত সেমিফাইনালে উঠলে তারা মুম্বাইয়েই খেলবে প্রতিপক্ষ পাকিস্তান ছাড়া যে দলই হোক। তবে ভারত–পাকিস্তান সেমিফাইনাল হলে ম্যাচটি হবে কলম্বোতে। আর যদি ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা তিন দলই সেমিফাইনালে না ওঠে, তাহলে সুপার এইটের গ্রুপ–১ চ্যাম্পিয়ন খেলবে গ্রুপ–২ রানার্স–আপের বিপক্ষে কলকাতায়। অন্য সেমিফাইনালে গ্রুপ–২ চ্যাম্পিয়ন মুখোমুখি হবে গ্রুপ–১ রানার্স–আপের, মুম্বাইয়ে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তান, দুই দলই সুপার এইটের গ্রুপ–২ এ রয়েছে। ফলে তাদের মধ্যে সেমিফাইনাল হওয়ার সুযোগ নেই। গত নভেম্বরে ঘোষিত সূচিতে পাকিস্তান সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলে কলম্বোকে ভেন্যু হিসেবে রাখা হয়েছিল। তবে শ্রীলঙ্কা নকআউটে উঠলে কী হবে, তা স্পষ্ট ছিল না। নতুন ব্যাখ্যায় সেই ধোঁয়াশা কেটেছে। সব মিলিয়ে সমীকরণ পরিষ্কার—শ্রীলঙ্কা শেষ চারে উঠতে পারলে এবং প্রতিপক্ষ ভারত না হলে, ঘরের মাঠে সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা জোরালো। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে সুপার এইটের ফলাফলের ওপর।

ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল স্লোভাকিয়া

ইউক্রেনে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করল স্লোভাকিয়া দ্রুজবা পাইপলাইন ঘিরে তেল সরবরাহ বিরোধের জেরে ইউক্রেনে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করেছে স্লোভাকিয়া। গ্তকাল এ সিদ্ধান্তের কথা জানান দেশটির প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো। ইউক্রেনের দাবি, দ্রুজবা পাইপলাইনের ইউক্রেন অংশে হামলা চালিয়েছে রুশ বাহিনী। এত পাইপলাইনটি বিধ্বস্ত হয়েছে এবং মেরামত না করা হলে এই পাইপলাইন দিয়ে তেলের চলাচল সম্ভব নয়। এর ফলে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে দ্রুজবা পাইপলাইনের ইউক্রেন অংশ দিয়ে স্লোভাকিয়া ও হাঙ্গেরিতে রাশিয়ার তেল প্রবাহ বন্ধ রয়েছে। তবে দ্রুজবা পাইপলাইনে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে মস্কো। এদিকে হাঙ্গেরি ও স্লোভাকিয়া উভয়েই পাইপলাইন বন্ধের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেছে। ফিকো এক বিবৃতিতে বলেন, স্লোভাকিয়ায় ঘোষিত ‘তেল জরুরি অবস্থা’র প্রেক্ষিতে “তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ামূলক ব্যবস্থা” হিসেবে বিদ্যুৎ সহায়তা স্থগিত করা হয়েছে। তেল পরিবহন পুনরায় শুরু হলে সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দেন তিনি। পাশাপাশি পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ইউক্রেনের ইইউ সদস্যপদ আকাঙ্ক্ষায় সমর্থন পুনর্বিবেচনা করার সতর্ক করেন তিনি। তবে স্লোভাকিয়ার বিরোধী দল সরকারের এমন পদক্ষেপে নিন্দা জানান। ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা উভয় দেশকে গঠনমূলক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল আচরণে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১৯৬৪ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের আমলে রাশিয়া থেকে ইউক্রেন, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্র ও জার্মানিতে সরাসরি তেল সরবরাহের জন্য দ্রুজবা পাইপলাইন তৈরি করা হয়েছিল।