রমজানে ওমরাহ পালনে নতুন নির্দেশনা জারি

রমজানে ওমরাহ পালনে নতুন নির্দেশনা জারি চলতি রমজানে ওমরাহ পালনকারীদের নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা ও নির্বিঘ্ন ইবাদত নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে সৌদি আরব। রমজানে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে মুসল্লির সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যাতায়াত ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তাব্যবস্থায় বিশেষ এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নামাজের আগে ও পরে কেন্দ্রীয় এলাকায় অতিরিক্ত ভিড় হয়। তাই নির্ধারিত পথ, সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। মসজিদের প্রবেশপথে ডিজিটাল সংকেত বসানো হয়েছে— সবুজ মানে জায়গা খালি, লাল মানে পূর্ণ। যানজট এড়াতে ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়েছে। বাস, ট্যাক্সি ও হারামাইন হাই স্পিড রেলওয়ে ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় এলাকায় মোটরসাইকেল, সাইকেল ও অনুমোদনহীন যানবাহনও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বয়স্ক ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মুসল্লিদের জন্য আলাদা নামাজের স্থান ও বৈদ্যুতিক কার্টের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শিশুদের ঘন ভিড় এলাকায় না নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া পানিশূন্যতা এড়ানো, বিশ্রাম নেওয়া, অগ্নিনিরাপত্তাবিধি মানা এবং ডিজিটাল অনুমতিপত্র সংগ্রহ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। অস্ত্র বহন, ভিক্ষাবৃত্তি, অননুমোদিত বিক্রি ও চলাচলে বাধা সৃষ্টি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সূত্র : খালিজ টাইমস
আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান

আফগানিস্তানে বিমান হামলা চালাল পাকিস্তান আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলার জেরে এ হামলা চালিয়েছে পাক বাহিনী। পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, সন্ত্রাসী গোষ্ঠী তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ঘাঁটি ও গোপন আস্তানা লক্ষ্য করে শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব হামলা চালানো হয়েছে। বিবৃতিতে আরো জানানো হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-তালেবান এবং সহযোগী সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ (আইএসকেপি)-এর সাতটি সন্ত্রাসী প্রশিক্ষণ শিবির ও আস্তানায় ‘নির্বাচিত লক্ষ্যবস্তুতে’ হামলা চালানো হয়েছে। পাকিস্তানের এই পদক্ষেপকে দুই দেশের সম্পর্কে বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর মাত্র কয়েক দিন আগে সৌদি আরবের মধ্যস্থতায় উত্তেজনা প্রশমনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে কাবুল তিন পাকিস্তানি সেনাকে মুক্তি দেয়। দীর্ঘদিন ধরে দুর্গম সীমান্তজুড়ে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনার পর এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, আফগানিস্তানের ভূখণ্ড কাজে লাগিয়ে পরিকল্পনা করা সাম্প্রতিক হামলাগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসলামাবাদের একটি শিয়া মসজিদে বোমা বিস্ফোরণ এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বাজাউর ও বান্নু জেলায় সহিংসতা। কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, বান্নু জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর একটি বহরে আত্মঘাতী হামলায় একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলসহ দুই সেনা নিহত হন। এর পরদিন সোমবার বাজাউরে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে একটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলায় ১১ জন সেনা ও এক শিশু নিহত হয়। কর্তৃপক্ষ জানায়, ওই হামলাকারী একজন আফগান নাগরিক। এদিকে কাবুলের তালেবান প্রশাসনের সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করতে পারেনি রয়টার্স। তবে আফগানিস্তান বরাবরই পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। তাদের দাবি, আফগান ভূখণ্ড ব্যবহার করে পাকিস্তানের ভেতরে হামলা চালানোর সুযোগ কোনো গোষ্ঠীকে দেওয়া হয়নি।