রমজানে ৩ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল আরব আমিরাত

রমজানে ৩ হাজারের বেশি বন্দিকে মুক্তি দিল আরব আমিরাত পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে সংশোধনমূলক ও শাস্তিমূলক কেন্দ্র থেকে মোট ৩ হাজার ২৯৬ জন বন্দিকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সরকার। দেশটির শীর্ষ নেতৃত্ব আলাদাভাবে এই সাধারণ ক্ষমার ঘোষণা দিয়েছেন বলে গতকাল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তান ভিত্তিক গণমাধ্যম জিও নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউএই’র প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান দেশের বিভিন্ন সংশোধনাগার ও কারাগার থেকে ১৪৪০ জন বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি তাদের সাজা থেকে উদ্ভূত বকেয়া আর্থিক দায়-দায়িত্বও পরিশোধ করার অঙ্গীকার করেছেন। এর মাধ্যমে মুক্তিপ্রাপ্তরা যেন নতুন জীবন শুরু করার সুযোগ পান এবং রমজান মাসে তাদের পরিবার কিছুটা স্বস্তি পায়-সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দুবাইয়ের শাসক, ইউএইর ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদ আল মাকতুম দুবাইয়ের সংশোধনাগার থেকে বিভিন্ন দেশের ১ হাজার ৮৫৬ জন বন্দিকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজান ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষে এ ধরনের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা একটি প্রচলিত রীতি। এর মাধ্যমে নির্বাচিত বন্দিদের নতুনভাবে জীবন গড়ার সুযোগ দেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের সেবা তদারকি করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

চিকিৎসকদের সেবা তদারকি করার ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্বরত চিকিৎসকরা ঠিকমতো সেবা দিচ্ছেন কি না, সেটার সরেজমিন তদারকি করার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দায়িত্বরত চিকিৎসকরা ঠিকমতো সেবা দিচ্ছে কি না, সেজন্য আমরা তাৎক্ষণিকভাবে যাব, দেখবো। সবাইকে জবাবদিহি করতে হবে। আমাদের কার্যক্রম দ্বারা যেন জনসাধারণ উপকৃত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। আমরা কোনো সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেব না। আজ সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, হাসপাতালগুলোতে আমরা সর্বোচ্চ সেবা নিশ্চিত করতে চাই। প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন, যে বার্তা দিয়েছেন, সে অনুযায়ী কাজ করবো। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যারা আমাদের পক্ষে বা বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন সবাই সমান। সবাইকে সমানভাবে সেবা দিতে হবে। স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১১-১২ মার্চ

সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচন ১১-১২ মার্চ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির ২০২৬-২০২৭ সেশনের কার্যকরী কমিটির নির্বাচন আগামী ১১ ও ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে। সর্বমোট ১৪টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল এ বিষয়ে একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে। নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ী ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। ১ মার্চ বিকেল সাড়ে নয়টায় মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ৪ মার্চ বিকেল ৩টার মধ্যে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ঘোষণা করা হয়। কার্যকরী কমিটির সভাপতি পদে একটি, সহ-সভাপতি পদে দু’টি, সম্পাদক পদে একটি, কোষাধ্যক্ষ পদে একটি, সহ-সম্পাদক পদে দু’টি এবং কার্যকরী কমিটির সদস্য পদে সাতটি পদসহ সর্বমোট ১৪টি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ঈদের আগেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড

ঈদের আগেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড ঈদের আগে রমজান মাসেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড। আজ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক শেষে বিষয়টি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তিনি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কীভাবে করা হবে, সেটা নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে-এটা নিয়েই আজ আলোচনা হয়েছে। কত পরিবারকে দেওয়া হবে-সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, এটা কিন্তু সার্বজনীন। এতে কোনো রেস্ট্রিকশন থাকবে না। তবে এ জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। হয়তো শুরু করবে হতদরিদ্র থেকে, তারপর দরিদ্র, এরপর মধ্যবিত্ত-এভাবে এগোবে। এই রমজানেই এটি শুরু হচ্ছে কিনা-সাংবাদিকরা জানতে চাইলে মন্ত্রী জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু হবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী চান, অন্তত পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে ঈদের আগেই শুরু করতে। এইটুকু আমি জানি। কার্যক্রমটা কীভাবে চালু করা হবে, সেটা নিয়েই কথা হয়েছে।

ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি

ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি ইফতারে ঠান্ডা ঠান্ডা কোনো পানীয় না হলে কি চলে? অনেকে বাইরে থেকে কেনা ইন্সট্যান্ট শরবত গুলিয়ে খেয়ে থাকেন। এতে সাময়িক প্রশান্তি আর স্বাদ পাওয়া যায় ঠিকই, কিন্তু তা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এর বদলে বাড়িতে থাকা বিভিন্ন উপকরণ দিয়ে স্বাস্থ্যকর উপায়ে স্মুদি তৈরি করে খেতে পারেন। তাতে যেমন প্রাণ জুড়াবে, তেমনই শরীরও ভালো থাকবে। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক, ইফতারের জন্য খেজুরের স্মুদি তৈরির রেসিপি- তৈরি করতে যা লাগবে : খেজুর- ১০-১২টি দুধ- ২ কাপ পাকা কলা- ২টি দই- ২ টেবিল চামচ দারুচিনি গুঁড়া- ২ চা চামচ মধু- ২ চা চামচ বরফ- পরিমাণমতো। যেভাবে তৈরি করবেন : প্রথমে পরিষ্কার ও গরম পানিতে খেজুরগুলো ভিজিয়ে রেখে নরম করে নিন। এবার পানি থেকে তুলে তার সঙ্গে কলা টুকরা করে মেশান। এরপর ব্লেন্ডারে সবগুলো উপকরণ নিয়ে ভালোভাবে ব্লেন্ড করে নিতে হবে। ভালোভাবে ব্লেন্ড করবেন যেন দানাদানা না থাকে। ব্লেন্ড হয়ে গেলে কাঁচের গ্লাসে ঢেলে পরিবেশন করবেন। উপরে বরফের টুকরা ছড়িয়ে দিন। এটি ইফতারের আগে আগে তৈরি করলে খেতে বেশি ভালোলাগবে। তৈরি করে বেশিক্ষণ রেখে দিলে স্বাদ পরিবর্তন হতে পারে।

কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা?

কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন বিজয়-রাশমিকা? দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানার বিয়ের গুঞ্জন নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা অবশেষে পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। লুকোছাপার অবসান ঘটিয়ে এবার যেন সত্যি সত্যিই বাজতে চলেছে বিয়ের সানাই। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় বিজয়ের বাড়ির সেই ঝলমলে সাজসজ্জার ভিডিও এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো ভাইরাল। গত কয়েকদিন ধরেই বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের একটি আমন্ত্রণপত্র ইন্টারনেটে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এরপর থেকেই শুরু হয় বিয়ের দিনক্ষণ গোনার পালা। এর মাঝেই হায়দরাবাদ বিমানবন্দরে একসাথে দেখা মিলেছে এই চর্চিত জুটির। গুঞ্জন রয়েছে, রাজস্থানের উদয়পুরে বিয়ের ভেন্যু চূড়ান্ত করতেই একসঙ্গে শহর ছেড়েছিলেন তারা। সেখান থেকে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সেরে ফিরেই বিজয় তার দীর্ঘদিনের বড় চুল কেটে ফিরেছেন পুরনো লুকে, যা দেখে ভক্তদের ধারণা জীবনের বিশেষ দিনের জন্যই নিজেকে নতুন করে সাজিয়েছেন অভিনেতা। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বসবেন এই জুটি। এরপর ৪ মার্চ হায়দরাবাদে বসবে তারকাবহুল রিসেপশন। সেই অনুষ্ঠানে আল্লু অর্জুন, রামচরণ, রাজামৌলি ও প্রভাসের পাশাপাশি বলিউডের খান, কাপুর ও বচ্চন পরিবারের সদস্যদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। বিগত আট বছর ধরে বিজয় ও রাশমিকা প্রেম করছেন বলে খবর চাউর থাকলেও তারা বিষয়টি কখনোই সরাসরি স্বীকার করেননি। তবে গত অক্টোবরে রাশমিকার আঙুলে দামী আংটি দেখে বাগদানের গুঞ্জন আরও জোরালো হয়। সে সময় বিয়ের প্রশ্ন করা হলে রাশমিকা রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেছিলেন, ‘সবাই তো দেখছি সব জানেন!’

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া

বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থর পরিবারে শোকের ছায়া বলিউড অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অভিনেতার বাবা ও সাবেক মার্চেন্ট নেভি ক্যাপ্টেন সুনীল মালহোত্রা। প্রিয় বাবার মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন সিদ্ধার্থ, যা তার সাম্প্রতিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্টে দেখা গেছে। পারিবারিক সূত্র অনুযায়ী, গত শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারতের দিল্লিতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সুনীল মালহোত্রা। ভারতের মার্চেন্ট নেভিতে দীর্ঘকাল দাপটের সঙ্গে কাজ করা এই মানুষটি পরিচিত ছিলেন তার অটল শৃঙ্খলা, সততা ও প্রখর দায়িত্ববোধের জন্য। ইনস্টাগ্রামে বাবার সঙ্গে কাটানো শৈশব থেকে বর্তমানের একাধিক অন্তরঙ্গ ছবি শেয়ার করে এক আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন সিদ্ধার্থ। পোস্টে অভিনেতা স্মৃতিচারণ করে লেখেন, ‘স্ট্রোকের শিকার হয়ে পরবর্তী সময়ে হুইলচেয়ারে বন্দী হলেও তার বাবার মনোবল ছিল অটুট। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ সামলানো থেকে শুরু করে অসুস্থতার কঠিন দিনগুলো প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন এক অদম্য যোদ্ধা।’ বাবার আদর্শকে নিজের জীবনের ভিত্তি উল্লেখ করে সিদ্ধার্থ লেখেন, ‘আজ আমি যা কিছু হতে পেরেছি, সবই তার জন্য। বাবার সততাই আমার জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ও উত্তরাধিকার।’ পুরো পরিবার এখন শোকস্তব্ধ। প্রিয় অভিনেতার শোকের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিনোদন জগতের সহকর্মী এবং ভক্তরা সামাজিক মাধ্যমে সমবেদনা জানাচ্ছেন। মুহূর্তের মধ্যেই খবরটি অনলাইনে ট্রেন্ডিং হয়ে দাঁড়ায়। সুনীল মালহোত্রার শেষকৃত্যের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য জানানো হয়নি। তবে প্রিয়জন হারানোর এই কঠিন সময়ে ভক্তরা সিদ্ধার্থ ও তার পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছেন।

ভালোবাসা দিবসে ভেঙে পড়েছে ইতালির বিখ্যাত ‘লাভার্স আর্চ’

ভালোবাসা দিবসে ভেঙে পড়েছে ইতালির বিখ্যাত ‘লাভার্স আর্চ’ ভালোবাসা দিবসে মানুষ আনন্দ আর স্মৃতির খোঁজে ছুটে যেতো ‘লাভার্স আর্চ’-এ। কিন্তু দিনটিতেই ভেঙে পড়ল ইতালির এই জনপ্রিয় পর্যটন স্থাপনা। ইতালির আদ্রিয়াটিক সাগর উপকূলে অবস্থিত বিখ্যাত পাথুরে কাঠামো ‘লাভার্স আর্চ’। ১৪ ফেব্রুয়ারি এটি হঠাৎ ধসে যায়। এই ঘটনা দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘লাভার্স আর্চ’ ছিল প্রাকৃতিকভাবে তৈরি একটি পাথরের খিলান। এটি পুলিয়া অঞ্চলের মেলেনদুগ্নো শহরের কাছে সান্ত’আন্দ্রেয়া এলাকার অংশ। বহু বছর ধরে এটি প্রেমিক-প্রেমিকা ও নবদম্পতিদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হিসেবে স্বীকৃত। প্রেম বা বিয়ের প্রস্তাব, ছবি তোলা এবং ভ্রমণ স্মৃতির জন্য মানুষ এখানে ভিড় করত। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েক দিন ধরে টানা ভারী বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া ও উত্তাল সমুদ্র উপকূলের ওপর প্রচণ্ড আঘাত হানছিল। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগের চাপেই শেষ পর্যন্ত পাথরের খিলানটি ভেঙে পড়ে। মেলেনদুগ্নোর মেয়র বলেন, এটি ভালোবাসা দিবসে এক অনাকাঙ্ক্ষিত উপহার। তিনি জানান, এই ধস এলাকার ভাবমূর্তি ও পর্যটনের জন্য বড় ধাক্কা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি শুধু একটি স্থাপনা ভেঙে পড়ার ঘটনা নয়। উপকূলের আরও অনেক জায়গায় ফাটল দেখা যাচ্ছে। অর্থাৎ সামনে আরও ধসের আশঙ্কা রয়েছে। একে বলা হচ্ছে উপকূল ক্ষয় (সমুদ্রের ঢেউ ও আবহাওয়ার কারণে ধীরে ধীরে ভূমি ভেঙে যাওয়া)। একই সময় ইতালির আয়োনিয়ান সাগর উপকূলের বিভিন্ন এলাকায়ও বড় ক্ষতি হয়েছে। উজেন্তো থেকে গাল্লিপোলি পর্যন্ত দীর্ঘ সৈকত এলাকায় বালু সরে গেছে, ছোট পাহাড় ধসে পড়েছে এবং কিছু বন্দর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলতি বছরে টানা খারাপ আবহাওয়ার কারণে দক্ষিণ ইতালিতে ক্ষতির পরিমাণ এক বিলিয়ন ইউরোর বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে। সিসিলির নিসচেমি শহরে ভূমিধসের কারণে ১,৫০০-এর বেশি মানুষকে ঘর ছাড়তে হয়েছে।

নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা

নতুন সরকারের কাছে শাকিব খানের প্রত্যাশা নতুন সরকার গঠনের পর দেশের সব অঙ্গনের মানুষের মতো সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষদেরও সরকারের কাছে রয়েছে নানা প্রত্যাশা। দেশের জনপ্রিয় ও শীর্ষ চিত্রনায়ক শাকিব খানও চলচ্চিত্র শিল্পের উন্নয়ন নিয়ে নতুন সরকারের কাছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবি ও প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং পেশাদার পরিবেশ নিশ্চিত করা।” জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ক প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার নিয়ে বিতর্ক নতুন নয়। বিচারপ্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি—বারবার সামনে আসে এসব প্রশ্ন। পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিচারপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হোক।” তিনি আরও বলেন, “মূল্যায়নের নির্দিষ্ট মানদণ্ড নির্ধারণ এবং বাইরের হস্তক্ষেপ রোধে কঠোর নীতিমালা প্রণয়ন জরুরি।” সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই প্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন এই চিত্রনায়ক। তিনি বলেন, “সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাইয়ের প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতের অভিযোগ দূর করতে স্বচ্ছ কমিটি, অনলাইন স্কোরিং পদ্ধতি এবং পাবলিক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে প্রকৃত মেধাবীরা উৎসাহ পাবেন।” দেশের প্রেক্ষাগৃহ কমে যাওয়া এবং হলগুলোর পরিবেশ ও মান নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগ প্রসঙ্গে শাকিব খান বলেন, “দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ ও আধুনিকায়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। দেশে প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা অনেক কমে গেছে। মাঝখানে কয়েকবার প্রেক্ষাগৃহ বাড়ানোর উদ্যোগের কথা শোনা গেলেও পরে আর কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। তাই বলব, সারা দেশে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণের উদ্যোগ নিতে হবে। মানুষ পরিবার নিয়ে আবার ছবি দেখছে, তাদের শুধু সুন্দর পরিবেশ দিতে হবে।” শাকিব খানের মতে, দেশের বন্ধ ও জরাজীর্ণ প্রেক্ষাগৃহগুলো সংস্কারে স্বল্প সুদে ঋণ, করছাড় এবং পুনর্গঠন তহবিল গঠন করা যেতে পারে। পাশাপাশি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (PPP) মডেলে আধুনিক মাল্টিপ্লেক্স স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। তিনি আরও বলেন, “যেসব জেলায় প্রেক্ষাগৃহ নেই সেখানে কম আসনসংখ্যার ডিজিটাল মিনি প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ করা হলে ব্যয় কমবে এবং স্থানীয় উদ্যোক্তারাও যুক্ত হতে পারবেন।” শাকিব খান প্রেক্ষাগৃহ উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সরকারকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়ার কথাও বলেন। তার মতে, নতুন প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণে ভ্যাট ও ট্যাক্সছাড়, জমি লিজে বিশেষ সুবিধা এবং আমদানি করা প্রজেকশন ও সাউন্ড যন্ত্রপাতিতে শুল্ক কমালে বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি ডিজিটাল প্রজেকশন, ডলবি সাউন্ড এবং অনলাইন টিকেটিং ব্যবস্থাকে বাধ্যতামূলক বা প্রণোদিত করলে দর্শকের অভিজ্ঞতা উন্নত হবে এবং হলমুখী দর্শক বাড়বে। শাকিব খান মনে করেন, দর্শক ফিরিয়ে আনতে দেশীয় চলচ্চিত্রের নির্দিষ্ট প্রদর্শন কোটা চালু, উৎসবভিত্তিক বিশেষ প্রদর্শনী এবং পরিবারবান্ধব কনটেন্টে সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। তিনি বলেন, “প্রেক্ষাগৃহকে শুধু সিনেমা প্রদর্শনের স্থান নয়, বরং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে, যেখানে নিয়মিত চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজনও সম্ভব।” সবশেষে শাকিব খান বলেন, “চলচ্চিত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারকে ঝামেলামুক্ত, পেশাদার এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”

ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’

ছয় বছর পর ফের পর্দায় ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ সত্তরের দশকের জনপ্রিয় অ্যাকশনধর্মী টিভি সিরিজ ‘চার্লিস এঞ্জেলস’ ফের দেখা যাবে পর্দায়। ছয় বছর পর সিরিজটি নতুন করে দর্শকের সামনে আসা কথা জানিয়েছে দ্য হলিউড রিপোর্টার। শুরুতে চার্লিস এঞ্জেলসকে নিয়ে দুটি সিনেমা বানিয়েছিল সনি পিকচার্স। ২০০০ সালে মুক্তি পাওয়া চার্লিস এঞ্জেলস ও এর তিন বছর পর মুক্তি পাওয়া ‘চার্লিস এঞ্জেলস: ফুল থ্রটল’ বক্স অফিসেও ব্যবসা সফল হয়েছিল। ২০১৯ সালে আবারও চার্লিস এঞ্জেলসকে পর্দায় হাজির করে সনি। ওই বছর মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এর মাঝে, ২০১১ সালে চার্লিস এঞ্জেলসের নতুন একটি টিভি সিরিজ মুক্তি দেয় সনি। জনপ্রিয়তা না পাওয়ায় মাত্র সাত পর্ব প্রচারের পর বন্ধ হয়ে যায় সেটি। নারী গোয়েন্দা নির্ভর সিনেমাটিকে নতুন করে সাজানোর জন্য সনি এরই মধ্যে দায়িত্ব দিয়েছে দ্য প্রোপোজাল ও ক্রেজি রিচ এশিয়ানসের লেখক পিট কিয়ারেলিকে। নির্বাহী প্রযোজক হিসেবে কে থাকছেন সেটা নিশ্চিত করতে পারেনি হলিউড রিপোর্টার। তবে তারা জানিয়েছে প্রথম সিনেমার তারকা ড্রু ব্যারিমোর ও তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্লাওয়ার ফিল্মস ব্যানার নতুন এই সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। সনি পিকচার্সও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি। মূল চার্লিস এঞ্জেলস ১৯৭৬ সালে শুরু হয়ে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত চলে টিভিতে। সিরিজটির সঙ্গে এর কেন্দ্রীয় তিন চরিত্রের তিন অভিনেত্রী জ্যাক্লিন স্মিথ, কেইট জনসন ও ফারাহ ফসেট এই তুমুল জনপ্রিয়তা পান বিশ্বজুড়ে।